মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে: সায়মা ওয়াজেদ হোসেইন
২০,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ ন্যাশন্যাল এডভাইজরি কমিটি অব অটিজম এন্ড নিউরো-ডেভেলপমেন্ট ডিজঅর্ডারস -এর প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সায়মা ওয়াজেদ হোসেইন টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বা মানসিক সমস্যা গ্রস্ত ব্যক্তিদের হলিস্টিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করেত স্বল্প রির্সোসের মাধ্যমে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে হবে। যা সারা পৃথিবীর কাছে মডেল হিসেবে বিবেচিত হবে। ২৮তম বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ১৮ অক্টোবর অ্যা ডে সেন্টার ফর পিপল উইথ মেন্টাল হেলথ নিডস: এ মডেল কেয়ার অব বাংলাদেশ শীর্ষক এক ওবেনিয়ারের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ বছর দিবসটির থিম ছিলো মানসিক স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ। সিআরপি ২০১৪ সাল থেকে বিভিন্ন ভাবে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করছে। ২০১৮ সালে কাদুরি চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনের সহায়তায় সিআরপি-গণকবাড়িতে মানসিক স্বাস্থ্য সেবায় ডে কেয়ার সেন্টার স্থাপন করে সিআরপি। ওয়েবনিয়ারে সিআরপির প্রতিষ্ঠাতা ভ্যালেরি এ টেইলরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে সায়মা ওয়াজেদ হোসেইন সিআরপির উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব আলোচনা করেন। সেই সাথে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বাংলাদেশের হেলথ প্রফেশনাল বা থেরাপিস্টদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বা মানসিক সমস্যাগ্রস্ত ব্যক্তিদের হলিস্টিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅ্যাবিলিটি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলাম রব্বানি, হংকং কাদুরি চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনের সাউথইস্ট এশিয়ার প্রোগ্রাম ম্যানেজার রিতা বনমালি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. বর্ধন জং রানা, নন কমুনিকেবল ডিজিস সেন্টারের লাইন ডিরেক্টের ড. মোহাম্মাদ হাবিবুর রহমান । মূল উপস্থাপক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউট আয়ারল্যান্ডের ক্যারেন হিসলিপ, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট সহকারি অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন আহমেদ ও সিআরপির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর অব অকুপেশনাল থেরাপি ডে কেয়ার সেন্টার ফর পিপল উইথ মেন্টাল হেলথ নিডস রাজিয়া সুলতানা। প্রফেসর ড. হেলাল উদ্দিন আহমেদ তার উপস্থাপনায় বাংলাদেশের বর্তমান মানসিক স্বাস্থ্যের চিত্রায়ন করেছেন। আইরিশ অকুপেশনাল থেরাপিস্ট ক্যারেন হিসলিপ ইউকে এবং আয়ারল্যান্ডের বর্তমান মানসিক স্বাস্থের চিকিৎসা ক্ষেত্র তুলে ধরেন ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর বাধা বিপত্তি গুলো তুলে ধরেন। রাজিয়া সুলতানা, মনের সাথে বসবাস শীর্ষক ডকুমেন্টারিতে সিআরপির মেন্টাল হেলথ কেয়ার সেন্টারের কার্যক্রম ও রোগিদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি উপস্থাপন করেন এবং বলেন, সিআরপি তার অবস্থান থেকে চেষ্টা করে যাচ্ছে। যদি সরকারের সহযোগিতায় কমিউনিটি পর্যায়েও এই সেবা পৌছে দেয়া যায় তবে আরও ভালো ফলাফল আসবে। কাদুরি চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে রিতা বনমালী সিআরপির কার্যকলাপের প্রশংসা করা পূর্বক তাদের সহযোগিতা বজায় রাখার আশ্বাস দেন। ড. মো: হাবিবুর রহমান সিআরপির এমন উদ্যোগে প্রশংসা করেন এবং মানসিক স্বাস্থ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করনে জনগনের সচেতনতাকে গুরুত্ব দেন। সেই সাথে এনসিডিসি কর্তৃক গৃহীত পরিকল্পনার একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেন। ড. বর্ধন জং রানা বলেন, চলমান কোভিড-১৯ পরিস্থির কারণে অন্য ক্ষেত্রগুলোতে সেবার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তিনি আরো বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বর্তামানে প্রাথমিক পর্যায়ের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করছে। প্রফেসর ড. গোলাম রব্বানী রিহেবিলিটিশন স্পেশালিস্টদের একত্রিত হয়ে রিহ্যাব এক্ট ২০১৮ এর অধিনে ধারা তৈরি করতে সরকারকে উদ্যোগ গ্রহনে বাধ্য করে তোলার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।- সূত্র: বাসস
রাতে ফ্লাইট ওঠানামার উপযোগী বিমানবন্দর করার নির্দেশ
২০,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরগুলোকে রাতে ফ্লাইট ওঠানামার উপযোগী করতে পর্যাপ্ত লাইটিংয়ের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ৪টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। শেরেবাংলা নগর এনইসি সম্মেলনকক্ষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিবরা সভায় উপস্থিত ছিলেন। একনেক সভা শেষে প্রকল্পের সার্বিক বিষয়ে সাংবাদিকদের সামনে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরেন পরিকল্পনা বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম। অভ্যন্তরীণ রুটে প্লেনের ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন বলে জানান আসাদুল ইসলাম। একনেক সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মহিবুল হক বলেন, অভ্যন্তরীণ রুটে রানওয়ে ও লাইটিং সিস্টেম উন্নয়ন করা হবে। সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম বলেন, একনেক সভায় যশোর, সৈয়দপুর, শাহমখদুম বিমানবন্দরের রানওয়ের সারফেস অ্যাসফল্ট কংক্রিট ওভারলে-করণ করতে ৫৬৬ কোটি ৭৬ লাখ ৯ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থা দিন দিন ভালো হচ্ছে। দেশে ইকনোমিক জোনও হচ্ছে। এসব কারণে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট বাড়ছে। তাই বিমানবন্দরে লাইটিং বৃদ্ধি করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। যেন রাতেও ফ্লাইট ওঠানামা করতে পারে। এছাড়া ৩০১ কোটি টাকা ব্যয়ে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন কদমরসুল অঞ্চলে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ভূমি অধিগ্রহণ ও উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। এই প্রকল্প প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে আসাদুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন এমনভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করতে হবে যেন পানি দূষিত না হয়।
অভিযান, আলু বিক্রি বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা
২০,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাইকারি বাজারে প্রশাসনের অভিযান ও জরিমানার ভয়ে আলু বিক্রি বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা। মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পাইকারি আলু ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ রেখেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, নানা অজুহাতে হঠাৎ করেই দ্বিগুণ বেড়েছে আলুর দাম। এ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৩০ টাকা দাম নির্ধারণ করে দেয়া হলেও তা আমলে নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। পাইকারি ও খুচরা বাজারে বাড়তি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটি। দাম নিয়ন্ত্রণে মাঠে নামে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও প্রশাসনের একাধিক টিম। তাই অভিযান ও জরিমানার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের আলু বেচাকেনা বন্ধ রেখেছেন। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলুর দাম পুনর্নির্ধারণের জন্য কোল্ড স্টোরেজের মালিকরা সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে বৈঠক করবে। এ জন্য তারা আলু বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। আজ বিকেল ৩টায় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। কারওরান বাজারের পাইকারি আলু ব্যবসায়ী মো. হাফিজ বলেন, প্রতিদিন প্রশাসনের লোকজন অভিযানে এসে আমাদের বিরুদ্ধে জরিমানা করছে। অযথা জরিমানা দিয়ে ব্যবসা করা আমাদের পক্ষে সম্ভব না। তাই এখন থেকে কত পর্যন্ত এইভাবে অভিযান চলবে আমরা ব্যবসা করব না। আজ পাইকারি বাজারে আলুর দাম ছিল ৪২ থেকে ৪৩ টাকা বলে জানান পাইকারি এ ব্যবসায়ী। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপপরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার জানান, সরকারের নির্দেশনা বিভিন্ন জেলার আলুর গুদামের মালিক, পাইকারি ব্যবসায়ী ও খুচরা বিক্রেতাদের কার সঙ্গে মতবিনিময় করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ব্যবসা বন্ধ রাখার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বরং দাম স্থিতিশীল রাখতে তাদের বিভিন্ন নির্দেশনাসহ পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আর যাদের জরিমানা করা হয়েছে তারা মূলত ক্রয় রশিদসহ আইন অনুযায়ী কাগজপত্র দেখাতে পারেনি।
কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য আটক
১৯,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা এলাকা থেকে কিশোর গ্যাং পারভেজ গ্রুপের ৭ সদস্যকে আটক করেছে Rab-2। গতকাল রোববার রাতভর অভিযান চালিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন জি টি সি এল বিল্ডিংয়ের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। আসামিরা হলেন- মো. সাগর ওরফে রোমান (১৯), মো. হাতেম আলী (১৯), মুক্তারুজ্জামান (১৯), মো. রাকিব সিকদার (২০), মো. আলামিন হোসেন (১৯)। বাকি দুজন আসামি অপ্রাপ্ত বয়স্ক। আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ৬০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও দুটি ছুরি উদ্ধার করা হয়। সোমবার Rabর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, আসামিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা সবাই স্থানীয় কিশোর গ্যাং পারভেজ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য। তারা ইয়াবা, গাঁজা ইত্যাদি নেশা জাতীয় অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত এবং তারা নিজেরাও নেশা জাতীয় দ্রব্য সেবন করে থাকে। গ্রুপ লিডার পারভেজের নেতৃত্বে এই কিশোর অপরাধী গ্রুপ ডিএমপির শেরেবাংলা নগর থানার বিএনপি বস্তি, শিশুমেলা, বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্র এলাকায় বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সেবন, ক্রয়-বিক্রয়, চুরি ছিনতাই, মারামারিসহ নারীদের ইভটিজিং করে অত্র থানা এলাকায় আইন শৃঙ্খলা বিঘ্ন ঘটিয়ে আসতেছে। কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই এবং নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। Rab জানায়, আসামিদের কাছ থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যা যাচাই-বাছাই করে ভবিষ্যতে Rab অভিযান চালাবে।
মাস্ক ব্যবহারে এবার আইন প্রয়োগ করবে সরকার
১৯,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন শীত মৌসুমে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রোধে সবাইকে মাস্ক ব্যবহারে এবার প্রয়োজনে আইনও প্রয়োগ করবে সরকার। এজন্য প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা নির্দেশনা দিয়েছে সবাই সচেতন হয়ে যেন মাস্ক ব্যবহার করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠকে মন্ত্রিসভা এ নির্দেশনা দেয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয় থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিবরা যুক্ত ছিলেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, স্পেশাল একটু আলোচনা হয়েছে করোনা ভাইরাস নিয়ে। আমরা সব জায়গা থেকে দেখেছি, আন্তর্জাতিক রিপোর্টিং থেকে দেখছি বিশেষ করে আমেরিকা ও ইউরোপে আবার একটা ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা যাচ্ছে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রী বেশ কয়েক দিন থেকে বিভিন্ন মিটিং কথাবার্তা বলছেন। সেখানে বিশেষভাবে নজর দিচ্ছেন সবাই যেন একটু কেয়ারফুল থাকি। পার্টিকুলারলি আমাদের দিক থেকে যে কাজটা, আমরা যেন সবাই মাস্ক ব্যবহার করি। বাকি কি হবে না হবে এটা তো একটা আনসার্টেন্ট বিষয়। সুতরাং মাস্ক যদি আমরা সবাই ব্যবহার করি তাহলে অটোমেটিক আমাদের ইনফেক্টেড হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে আসে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আপনাদের কাছে আমরা বার বার অনুরোধ করবো মিডিয়ার বন্ধুরা, যেভাবে হোক মানুষকে আরও বেশি সচেতন করতে হবে। আপনাদের কাছে আমাদের অনুরোধ, টাইম টু টাইম জনসাধারণকে স্মরণ করে দেবেন সবাই যেন বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করে। অনেকের মধ্যে একটা রিলাক্স ভাব দেখা যাচ্ছে। কোনোভাবে অন্তত পাবলিক প্লেসে মসজিদে বা অন্য গ্যাদারিংয়ে বা সামনে যে দুর্গাপূজার সব অনুষ্ঠানে কেউ যেন মাস্ক ছাড়া না আসে। তিনি বলেন, এটা (মাস্ক ব্যবহার) আর একটু ইনফোর্স করা হবে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা এটা দৃঢ় ইচ্ছা এবং আশা প্রকাশ করেছেন সবাই সচেতন হই এবং মাস্ক ব্যবহারে আরেকটু বেশি মনোযোগী হবেন তাহলে অটোমেটিক্যালি এটা থেকে রিলিফ পাবো। তাহলে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার নির্দেশনা হচ্ছে মাস্ক ছাড়া বাইরে চলাফেরা করবেন না এমন প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, অবশ্যই। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, গতকাল বিভাগীয় কমিশনার সম্মেলন ছিল সেখানে আমরা ইনস্ট্রাকশন দিয়ে দিয়েছি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে বলে দিছি তারা যেন ইমামদের মাধ্যমে সব মসজিদ থেকে রেগুলার দিনে অন্তত জোহর ও মসজিদের নামাজের পর মাইকে বা সামনা সামনি যখন জামাত হয় সেখানে সবাইকে মাস্ক ব্যবহারের বিষয়টি অবগত করেন। প্রত্যেকটা মসজিদ, বাজার-মার্কেট বা গণজমায়েত যেখানে হয়, সেখানে সব জায়গায় স্লোগানের মতো যেন বিষয়টি থাকে, অনুগ্রহ করে মাস্ক ছাড়া কেউ প্রবেশ করবেন না। এটা সবার কাছে রিকুয়েস্ট। সেজন্য আমরা আপনাদের সাহায্য চাচ্ছি। মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে কি না এমন প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গতকাল বিভাগীয় কমিশনারদের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য নির্দেশনা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেভাবে যতটুকু সম্ভব মানুষকে সব দিক থেকে রিকুয়েস্ট, মোটিভেট বা ফোর্স যদি করতে হয়, আইন প্রয়োগ করতে গেলে আইনও প্রয়োগ করবো। অসুবিধা নেই।
পদ্মা সেতুর ৫ কিলোমিটার দৃশ্যমান
১৯,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মা সেতুর ৩৩তম স্প্যান বসানো হয়েছে। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সেতুর মাওয়া প্রান্তে ৩ ও ৪ নম্বর পিলারের ওপর স্প্যান ১-সি বসানো হয়। এর মাধ্যমে দৃশ্যমান হলো সেতুর ৪ হাজার ৯৫০ মিটার বা প্রায় ৫ কিলোমিটার। দুপুর ১২টার দিকে স্প্যান বসানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক (মূল সেতু) দেওয়ান মো. আবদুল কাদের। এর আগে সোমবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মাওয়ায় অবস্থিত কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডের স্টিল ট্রাস জেটি থেকে স্প্যানটি নিয়ে সেতুর উদ্দেশে রওনা দেয় পৃথিবীর সবচয়ে বড় ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই। প্রায় ৩০ মিনিট পর কাঙ্ক্ষিত পিয়ারের (৩ ও ৪ নম্বর পিলার) কাছে পৌঁছে ৩ হাজার ৬০০ টন সক্ষমতার ক্রেনটি। এরপর ক্রেন নোঙর করে পিয়ারে স্প্যান উঠানোর কার্যক্রম শুরু হয়। ৩২তম স্প্যান বসানোর আটদিনের মাথায় বসলো এ স্প্যানটি। অন্যদিকে, পদ্মাসেতুতে ৩৩তম স্প্যান বসানোর পর বাকি রয়েছে আটটি স্প্যান বসানোর কাজ। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৫ অক্টোবর পিয়ার (২টি পিলার মিলে ১টি পিয়ার) ৭ ও ৮ নম্বরের ওপর ৩৪তম স্প্যান (স্প্যান ২-এ), ৩০ অক্টোবর পিয়ার ৮ ও ৯ নম্বরের ওপর ৩৫তম স্প্যান (স্প্যান ২-বি), ৪ নভেম্বর পিয়ার ২ ও ৩ নম্বরে ৩৬তম স্প্যান (স্প্যান ১-বি), ১১ নভেম্বর পিয়ার ৯ ও ১০ নম্বরে ৩৭তম স্প্যান (স্প্যান ২-সি), ১৬ নভেম্বর পিয়ার ১ ও ২ নম্বরে ৩৮তম স্প্যান (স্প্যান ১-এ), ২৩ নভেম্বর পিয়ার ১০ ও ১১ নম্বরে ৩৯তম স্প্যান (স্প্যান ২-ডি), ২ ডিসেম্বর পিয়ার ১১ ও ১২ নম্বরে ৪০তম স্প্যান (স্প্যান ২-ই) ও ১০ ডিসেম্বর সর্বশেষ ৪১ নম্বর স্প্যান (স্প্যান ২-এফ) বসবে ১২ ও ১৩ নম্বর পিয়ারের ওপর। মূল সেতু নির্মাণের কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেড (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।
বাংলাদেশিদের নিতে ইতালি দূতাবাসের তোড়জোড়, বিমানকে অনুরোধ
১৯,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইতালিতে বাংলাদেশিদের প্রবেশের ওপর দেয়া নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে দেশটির সরকার। এর পরদিনই শ্রমিকদের দ্রুততম সময়ে ফিরিয়ে নিতে চাচ্ছে বাংলাদেশে অবস্থিত ইতালি দূতাবাস। প্রবাসীদের ইতালি ফেরাতে এবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য অনুরোধ করেছে তারা। আর তাই বাংলাদেশ থেকে ইতালির রোমে ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সটি। রোববার (১৮ অক্টোবর) রাতে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিমান জানায়, বাংলাদেশে অবস্থিত ইতালি দূতাবাসের অনুরোধের পরিপ্রক্ষিতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা থেকে রোম এ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য রেজিস্ট্রেশন শুরু করেছে। রেজিস্ট্রেশন এবং বিস্তারিত জানতে বিমান বাংলাদেশের ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে বলা হয়েছে গমনেচ্ছুদের। রোমে ফিরতে আগ্রহীদের এই লিংকে গিয়ে টিকিটের জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে বলেছে বিমান। কয়েকদিনের মধ্যেই তারা তাদের ফ্লাইট শিডিউল ঘোষণা করবে। বর্তমানে বাংলাদেশিরা তার্কিশ এয়ারলাইন্স, এমিরেটস এবং কাতার এয়ারওয়েজের মাধ্যমে ট্রানজিট ফ্লাইটে ইতালি যাচ্ছেন। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি ইতালি সরকার দেশটিতে বাংলাদেশি প্রবেশে জারি করা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে।
রাজধানীতে মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার ৪০
১৯,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর মাদকবিরোধী অভিযানে ৪০ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। গ্রেফতার প্রত্যেকেই মাদক বিক্রি ও সেবনের সঙ্গে জড়িত। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. ওয়ালিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মাদকবিরোধী নিয়মিত অভিযানে গ্রেফতার আসামিদের কাছ থেকে ৪৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১০০ গ্রাম ৯৪ পুরিয়া হেরোইন, ১২১ বোতল ফেনসিডিল, ২ কেজি ৩৪০ গ্রাম গাঁজা, ৪টি নেশাজাতীয় ইনজেকশন, ১২ ক্যান বিয়ায় ও ৭ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়। গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে ডিএমপির সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ঝুলন্ত তার যাবে মাটির নিচে, অপসারণ বন্ধ
১৮,অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্টারনেট ব্যবসায়ী ও ক্যাবল অপারেটরদের চাপের মুখে ঝুলন্ত তার কাটার অভিযান আপাতত স্থগিত করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। দুপক্ষের বৈঠকে সমঝোতার পর এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অন্যদিকে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) ও ক্যাবল অপারেটর্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) নেতারা মাটির নিচ দিয়ে তার নিতে রাজি হয়েছেন। রোববার (১৮ অক্টোবর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নগরভবনে মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে সংগঠন দুটির বৈঠকে এ সমঝোতা হয়। এর আগে আগস্ট থেকে দুই সিটি করপোরেশন ঢাকার ঝুলন্ত তার অপসারণ শুরু করে। উত্তর সিটির সঙ্গে সমঝোতার পর তার কাটা বন্ধ করলেও দক্ষিণ সিটিতে তা চলমান ছিল। এ অবস্থার আইএসপিএবি ও কোয়াব ১৮ অক্টোবর থেকে ইন্টারনেট ও টিভি ক্যাবল সেবা তিন ঘণ্টা করে বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়। এ অবস্থায় সরকারের উচ্চ পর্যায়ের হস্তক্ষেপে বৈঠকে বসতে রাজি হন দক্ষিণ সিটির মেয়র। সে আশ্বাসের ভিত্তিতেই সেবাদানকারী দুটি সংগঠন ধর্মঘটের কর্মসূচি স্থগিত করে। বৈঠকের পর কেবল অপারেটরদের সংগঠন আইএসপিএবি বলছে, তাদের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনও বলছে, ঝুলন্ত তার মাটির নিচে সরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে আইএসপিএবি ও কোয়াব। বৈঠকের পর জানানো হয়, ক্যাবল অপারেটররা সোমবার (১৯ অক্টোবর) থেকেই মাটির নিচ দিয়ে তার নেওয়ার কাজ শুরু করবে এবং এটি নভেম্বর মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে। বৈঠক শেষে মেয়র তাপস বলেন, দক্ষিণ সিটির পক্ষ থেকে রাস্তার ঝুলন্ত তার আর কাটা হবে না। ইন্টারনেট প্রোভাইডাররা নিজ খরচে মাটির নিচ দিয়ে তারের সংযোগ নেবেন এবং সঙ্গে সঙ্গে ওপরে ঝুলন্ত তার কেটে দেবেন। আর এটা আগামী নভেম্বরের মধ্যেই তারা শেষ করবেন বলে আমাদের জানিয়েছেন। আইএসপিএবি সভাপতি এম এ হাকিম বলেন, আমরা শিগগিরই ঝুলন্ত তার নামিয়ে মাটির নিচে সংযোগের কাজ শুরু করব। আশা করি নভেম্বরের মধ্যেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে কয়েকটি রাস্তার তার মাটির নিচে নেওয়ার কাজ শেষ হবে। কিছু সড়কে কাজ করতে গিয়ে হয়তো নভেম্বর মাস অতিক্রম হতে পারে। আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে সুন্দর নগরী এবং নিরবচ্ছিন্ন সেবা দেওয়া। মেয়র তাপস জানান, মাটির নিচে তার নিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে, বিনা খরচে তাদের সেই সুযোগ করে দেবে। রাস্তা, ফুটপাত বা নর্দমা ব্যবহারের প্রয়োজন আমরা সেই সুযোগ করে দেবে। যাতে করে তারা ওপর থেকে তারগুলো অপসারণ করে ভূগর্ভস্থ জায়গায় নিয়ে যেতে পারে। বৃহত্তর স্বার্থে তারের জঙ্গল থেকে নগরবাসীকে মুক্ত করার জন্য সুন্দর ঢাকা করার লক্ষ্যে আমরা সব রকম ছাড় দেওয়ার কথা বলেন মেয়র। এমনকি সড়ক খনন করার ক্ষতিপূরণ ফি নেবেন না বলে জানান।

জাতীয় পাতার আরো খবর