শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১

বাইডেনের প্রথম হামলা সিরিয়ায়, নিহত ১৭

২৬,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিরিয়ায় ইরান সমর্থিত দুটি বিদ্রোহী মিলিশিয়া গোষ্ঠীর স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। এ হামলায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন। ওই অঞ্চলে গত দুই সপ্তাহে মার্কিন সেনাদের ওপর কিছু রকেট হামলার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র গত বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) এ অভিযান পরিচালনা করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়, জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা নেওয়ার পর তার নির্দেশে জানা মতে এটাই প্রথম হামলা। সিরিয়ায় যে স্থানে মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে রকেট হামলা হয়েছিল গত বৃহস্পতিবারের ওই হামলা নির্দিষ্ট করে সে স্থানে চালানো হয়নি। তবে মার্কিন বাহিনীর হামলার স্থানে ইরান সমর্থিত শিয়া মিলিশিয়ারা সক্রিয় রয়েছে। মার্কিন বাহিনীর হামলা প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, প্রেসিডেন্ট বাইডেনের নির্দেশনায় হামলাটি চালানো হয়েছে। মার্কিন ও যৌথ বাহিনীর ওপর সম্প্রতি যে রকেট হামলা হয়েছে তার জবাব দিতেই যে শুধু বাইডেন এটি অনুমোদন দিয়েছেন তা নয়, বরং মার্কিন সেনাদের ওপর হুমকির বিষয়টিকেও মোকাবিলা করতে বলেছেন তিনি। কিরবি বলেন, সিরিয়ায় মোতায়েন যৌথ বাহিনীর অংশীদার ও মার্কিন মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করেই প্রেসিডেন্ট বাইডেন হামলা চালানোর এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ হামলায় সিরিয়া সীমান্তে ইরান সমর্থিত কাইতিব হিজবুল্লাহ, কাইতিব সায়েদ আল শুহাদাসহ কয়েকটি মিলিশিয়া গোষ্ঠীর একাধিক স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, সিরিয়া যুদ্ধের ওপর নজর রাখা যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠী সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বলেছে, মার্কিন বাহিনীর হামলায় ইরানপন্থী ১৭ জন মিলিশিয়া নিহত হয়েছেন। সিরিয়া-যুদ্ধের ওপর নজর রাখা যুক্তরাজ্যভিত্তিক পর্যবেক্ষক গোষ্ঠী সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বলেছে, মার্কিন বাহিনীর হামলায় ইরানপন্থী ১৭ জন মিলিশিয়া নিহত হয়েছেন। মার্কিন সেনাদের ওপর রকেট হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র নির্দিষ্ট করে কোনো গোষ্ঠীকে অভিযুক্ত বা তারা ইরানের সমর্থনপুষ্ট বলে উল্লেখ করেনি। তবে গত বৃহস্পতিবারের হামলার মধ্য দিয়ে বাইডেন প্রশাসন কাকে অভিযুক্ত করতে চায়, তা স্পষ্ট করে দিয়েছে। সিরিয়ায় ইরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে চালানো রকেট হামলায় এক বেসামরিক ঠিকাদার, চার মার্কিন ঠিকাদার ও এক মার্কিন কর্মী আহত হন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদেহ ইরবিলে গত ১৫ ফেব্রুয়ারির হামলার সঙ্গে তার দেশের কোনো রকম সংশ্লিষ্টতার কথা নাকচ করে দিয়েছিলেন।...

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবে ৪১ জনের মৃত্যু

২৫,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিপজ্জনক পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে নৌকাডুবে কমপক্ষে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ওই নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে বলে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত সিরিয়া থেকে ইউরোপে উন্নত জীবনের আশায় সাগর পাড়ি দিতে গিয়ে এসব শরণার্থী প্রাণ হারিয়েছেন। জাতিসংঘের শরণার্থী ও অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম এবং ইউএনএইচসিআর বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি অন্তত ১২০ অভিবাসীকে নিয়ে যাত্রা করেছিল নৌকাটি। পরবর্তীতে দুর্ঘটনায় ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নৌকাটি ডুবতে শুরু করার প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর একটি বাণিজ্যিক জাহাজ সহায়তার জন্য এগিয়ে আসে। এর মধ্যেই আটজনের মৃত্যু হয়। এক যৌথ বিবৃতিতে আইওএম এবং ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, প্রায় ১৫ ঘণ্টা ধরে নৌকাতে থাকা যাত্রীরা সম্ভাব্য সব উপায়ে সাহায্য চাইতে থাকেন। এই সময়ের মধ্যেই ছয়জন পানিতে পড়ে মারা যায়। দূরে একটি নৌকা দেখতে পেয়ে সাঁতার কেটে সেখানে যাওয়ার চেষ্টা করে অপর দুজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার তিন ঘণ্টা পর ভস ট্রিটন নামের একটি জাহাজ নৌকাটির কাছে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। কিন্তু কঠিন এবং জটিল উদ্ধার অভিযানের সময় আরও বেশ কয়েকজন প্রাণ হারায়। দুর্ঘটনায় জীবিত শরণার্থীদের উদ্ধার করে ইতালির সিসিলিয়ান বন্দর শহর পোর্তো এম্পেদোকলেতে নিয়ে যায় ওই জাহাজটি। এখনও তিন শিশু ও চার নারী নিখোঁজ রয়েছে। এদের মধ্যে এক নারী তার সদ্যজাত শিশুকে ল্যাম্পেদুসায় রেখে গেছেন। ...

উদ্বোধনের আগে আলোচিত স্টেডিয়াম পাল্টে গেল মোদির নামে

২৪,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারত-ইংল্যান্ডের চলমান সিরিজের তৃতীয় টেস্ট শুরুর ঠিক আগে বদলে গেল আলোচিত স্টেডিয়ামের নাম। বিশ্বের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের নাম ছিল সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল স্টেডিয়াম। তবে এখন থেকে এর নাম হবে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। বুধবার ১ লাখ ১০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন স্টেডিয়ামটি উদ্বোধন করেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। এরপর ঘোষণা দেয়া হয় দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মোদির নামেই পরিচিতি পাবে এটি। আহমেদাবাদের মোতেরার নবনির্মিত স্টেডিয়াম উদ্বোধনকালে নামকরণ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ বলেন, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় এই স্টেডিয়াম তৈরির পরিকল্পনা করেন নরেন্দ্র মোদি। সেই সময় তিনি গুজরাত ক্রিকেট সংস্থার সভাপতিও ছিলেন। এদিকে স্টেডিয়ামের পাশে থাকা স্পোর্টস কম্পেক্স সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের নামে নামকরণ করা হবে। অমিত শাহ এদিন নতুন রূপটির উদ্বোধন করে বলেন, এই স্টেডিয়াম নরেন্দ্র মোদির ড্রিম প্রজেক্ট। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীনই এই বিষয় নিয়ে ভেবেছিলেন। বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি সশরীরে যোগ না দিতে পারলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এদিন টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সফরকারী ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ড একাদশ: ডমিনিক সিবলি, জ্যাক ক্রাউলি, জনি বেয়ারস্টো, জো রুট (অধিনায়ক), বেন স্টোকস, ওলি পোপ, বেন ফোকস (উইকেটকিপার), জোফ্রা আর্চার, জ্যাক লিচ, স্টুয়ার্ট ব্রড ও জেমস অ্যান্ডারসন। ভারত একাদশ: রোহিত শর্মা, শুভমন গিল, চেতেশ্বর পূজারা, বিরাট কোহলি (অধিনায়ক), অজিঙ্কা রাহানে, ঋষভ পন্ত, ওয়াশিংটন সুম্দর, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, অক্ষর প্যাটেল, জসপ্রীত বুমরাহ ও ইশান্ত শর্মা।...

জাতিসংঘের গাড়িবহরে হামলা, ইতালির রাষ্ট্রদূত নিহত

২৩,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আফ্রিকার দেশ কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ইতালির রাষ্ট্রদূতসহ তিনজন নিহত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কঙ্গোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) গাড়িবহরে ভ্রমণ করছিলেন ইতালির রাষ্ট্রদূত লুকা আন্তানাসিও (৪৩)। তাদের বহনকারী গাড়িবহর উত্তর কিভু প্রদেশের গোমা নামক স্থানে পৌঁছালে হামলার শিকার হয়। এতে ওই গাড়ীবহরে থাকা ইতালির রাষ্ট্রদূত, একজন ইতালির সৈনিক ও গাড়ীচালক নিহত হয়। এ বিষয়ে কঙ্গোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ইতালির রাষ্ট্রদূতের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করছে। (সোমবার) গোমা অঞ্চলে এই সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। ...

লেখক মুশতাক আহমেদ হত্যার প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোট চট্টগ্রাম জেলার মানববন্ধন

২৬,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার লেখক মুশতাক আহমেদকে কাশিমপুর কারাগারে হত্যার প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোট চট্টগ্রাম জেলা শাখা গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪.৩০ মিনিটে চেরাগী পাহাড় মোড়ে মানববন্ধন করেন। বাম গণতান্ত্রিক জোট চট্টগ্রাম জেলা অন্যতম নেতা ও সিপিবি চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক অশোক সাহার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কমিউনিস্ট পার্টি চট্টগ্রাম জেলার নেতা অমৃত বড়য়া, গণসংহতি আন্দোলন চট্টগ্রাম জেলার সদস্য সচিব ফরহাদ জামান জনি, বাংলাদেশ সামাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) চট্টগ্রাম জেলার নেতা রিপা মজুমদারসহ প্রমুখ। মানববন্ধন বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ গত ১০ বছর ধরে ফ্যাসিবাদী কায়দায় রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। জনগণের ভোটের অধিকার থেকে শুরু করে কথা বলার অধিকার পর্যন্ত আওয়ামী সরকার কেড়ে নিয়েছে। তারা উন্নয়নের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করছে, দেশের সম্পদ পাচার করছে বিদেশে, রাষ্ট্রের সমস্ত অধিদপ্তরকে পরিণত করছে তাদের দলীয় অঙ্গ সংগঠনে। চিকিৎসা খাত, শিক্ষা খাত সবর্ত্রে অনিয়ম-দুর্ণীতি। এই করোনাকালীন সময়ে তাদের এই অনিয়ম দুর্ণীতি আরো বেশী জনগণের সামনে হাজির হয়। আওয়ামী লীগ সরকার জনগণকে জিম্মি করে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে ।যখন এই সব অন্যায়, লুটপাট, দূর্ণীতি নিয়ে কথা বলা হয়, প্রতিবাদ করা হয় তখনই সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তাসহ নানা আইনের মাধ্যমে আন্দোলন-প্রতিবাদকারীদের গ্রেফতার করে, গুম-খুন করা হয় । লেখক মুশতাক আহমেদকেও সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীন গ্রেফতার করে কারাগারে আটক রাখে । দীর্ঘ কারাবাসে তার উপর ব্যাপক নির্যাতন-নিপীড়ন করা হয় । যার ফলাফল গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি কাশিমপুর কারাগারে বন্দি অবস্থায় মারা যায় । এটা কেবল স্বাভাবিক মৃত্যু নয় এটা রাষ্ট্রীয় হত্যাকা-। এটার দায় সরকারকে নিতে হবে। সমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, অবিলম্বে গণবিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে দ্রুত লেখক মুশতাক আহমেদ হত্যার সুষ্ট তদন্ত করে দোষীদের বিচার করতে হবে। ...

মাদারীপুরে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা

২৫,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আব্দুল্লাহ আল,মামুন,মাদারীপুর,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাদারীপুর পৌরসভার নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা জমে উঠেছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভোটারদের ঘরে ঘরে যাচ্ছেন ও গণসংযোগ চালাচ্ছেন মেয়র প্রার্থী থেকে শুরু করে কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পর থেকেই তারা প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। এসময় ভোটারদের মন জয় করতে দেওয়া হচ্ছে নানা প্রতিশ্রুতি। প্রার্থীদের প্রচারণার ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে শহরের অলি গলিতে। একইসঙ্গে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি নিয়ে তৈরি গানে মাইকে চলছে প্রচারণা। বুহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারী) মাদারীপুর শহরের পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে এ চিত্র। পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে ৪ জন প্রার্থী থাকলেও মূলত লড়াইটা হবে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জনাব খালিদ হোসেন ইয়াদ ও বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জাহান্দার আলী জাহানের মাঝে এটাই বিরাজ করছে জনমনে । তবে সৎ, আদর্শবান ও উন্নয়নমুখী প্রার্থীকে বেঁছে নেয়ার লক্ষ্য ভোটারদের। এদিকে নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে নানামুখী পদক্ষেপ নেয়ার কথা জানায় রিটার্নিং কর্মকর্তা। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা থেকে মাইকিং ও রাত ১২টার পর থেকে ভোট প্রার্থনার সময় শেষ হচ্ছে। জেলা নির্বাচন কমিশন অফিস সূত্র জানায়, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে মাদারীপুর পৌরসভার নির্বাচন। নির্বাচনে ৯টি ভোটকেন্দ্রে ৫১ হাজার ৭৭৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুশ ভোটার ২৪ হাজার ৭২৩ জন ও নারী ভোটারের সংখ্যা ২৬ হাজার ৭৫৫ জন। মাদারীপুর পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ আজাদ খান বলেন, আমরা চাই সুন্দর একটা পৌরসভা। রাস্তার পাশে জমে থাকা কোন ময়লা আবর্জনা চাই না এবং পুরান বাজারের এলাকায় যানজট মুক্ত চাই । কথা হয় ৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন হাওলাদার সঙ্গে। তিনি বলেন, যোগ্য ও সৎ প্রার্থীকেই আমরা ভোট দেবো। তাকেই আমরা নির্বাচিত করবো যে সুখে দুঃখে মানুষের পাশে থাকবেন। এছাড়া শহরের জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এদিকে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১ টায় আলীগের মনোনিত নৌকার প্রার্থী মোঃ খালিদ হোসেন ইয়াদ এর নিজ বাসভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করলেন সাংবাদিক ও নেতা-কর্মিদের উপস্থিতিতে। ইশতেহার অনুষ্ঠানে প্রধান আতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আলীগের কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক কৃষিবিদ আফম বাহাউদ্দিন নাসিম। অনুষ্ঠানে প্রার্থী মো.খালিদ হোসেন ইয়াদ বলেন, এই ইশতেহারে মাদারীপুর শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে টেকসই ও কার্যকরী ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পানি সরবরাহ এবং আধুনিক ও টেকসই বর্জ্য অপসারণ ব্যাবস্থার উপরে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বিগত দিনে সততা ও বিশ্বস্ততার সাথে মাদারীপুর পৌরসভাকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়েছি। আর এজন্য পৌর এলাকার সর্বস্থরের মানুষের আকুন্ঠ সমর্থন, অক্লান্ত শ্রম-ঘাম, মেধা, আন্তরিকতা এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ফলেই তা সম্ভব হয়েছে। মাদারীপুর পৌরসভার উন্নয়নের রূপকল্পকে বাস্তবতায় রূপদানের লক্ষে তৃতীয় মেয়াদের জন্য সুনিদিষ্ট এ কর্মসূচি ঘোষণা করলাম। তিনি আরও বলেন, গত দুইবারে পৌরবাসীর যে সমর্থন পেয়ে আমি নির্বাচিত হয়েছি এবং পৌরসভার যে উন্নয়ন করেছি তাতে এবার আমি আপনাদের আরও বেশী সমর্থন নিয়ে মেয়র নির্বাচিত হব ইনশাল্লাহ। এসময় অন্যন্যদের মধ্যে আলীগের কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী, জেলা আলীগের সাধারণ সম্পাদক বাবু কাজল কৃষ্ণ দে সহ জেলা, সদর উপজেলা ও মাদারীপুর পৌর আলীগের নেতৃবৃন্দ ও জেলার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মাদারীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হচ্ছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যদের সঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া মোতায়েন থাকছে দুই প্লাটুন বিজিবি।...

টিকা গ্রহণের আহ্বান শামীম ওসমানের

২৫,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,মুশফিক চৌধুরী,নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার ভ্যাকসিন সম্পূর্ণ নিরাপদ জানিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সবাইকে টিকা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরীর খানপুর এলাকায় করোনা ডেডিকেটেড ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিজের শরীরে ভ্যাকসিন গ্রহণ করে জেলাবাসীর উদ্দেশ্যে এ আহ্বান জানান তিনি। শামীম ওসমান বলেন, সারাবিশ্বে এখনো ১৩০টি দেশে করোনার ভ্যাকসিন পৌঁছায়নি। তবে ভ্যাকসিনপ্রাপ্ত মাত্র ২৫টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের ব্যাপার। এটা আওয়ামী লীগ সরকারের বিরাট সাফল্য এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ অবদান। তিনি জানান, জেলায় এ পর্যন্ত ৪০ হাজার মানুষ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন এবং নারায়ণগঞ্জসহ সারা দেশের কোথাও কারো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয়নি। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সবাইকে এই টিকা গ্রহণ করার তাগিদ দিয়ে পাশাপাশি মাস্ক ব্যবহারসহ সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সবার প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। এছাড়া মহামারি করোনাকালীন সময় থেকে এখন পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের এই হাসপাতালে যেসব অস্থায়ী স্বাস্থ্যকর্মী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন তাদের চাকরি স্থায়ীকরণের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করবেন বলেও আশ্বাস দেন শামীম ওসমান। ...

খাগড়াছড়িতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

২৪,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালীর বসুরহাটে নিহত সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মোজাক্কিরের হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত বিচারের দাবিতে খাগড়াছড়িতে মানববন্ধন করেছে জেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা। খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন ও টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত মানববন্ধন আজ বুধবার সকালে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি প্রদীপ চৌধুরীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের মাহমুদ, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সৈকত দেওয়ান, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম প্রফুল্ল। এ সময় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ বিভিন্ন জায়গা থেকে সাংবাদিক মোজাক্কিরের হত্যার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করলেও এখন পর্যন্ত হত্যার সঙ্গে জড়িতদের কাউকেই আটক করতে পারেনি। হত্যাকারিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশের জোরালো ভূমিকা রাখার দাবি জানান। সেইসঙ্গে সাগর রুনিসহ সকল সাংবাদিক হত্যা নির্যাতনের রহস্য দ্রুত উদঘাটনে প্রশাসনকে তৎপর হওয়ার আহ্বান জানান।...

সুনামগঞ্জে সাজার বদলে ৫৪ পরিবারকে সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে দিল আদালত

২২,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,সাবরীন জেরীন,মাদারীপুর,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বামীর সাজার বদলে সংসারে ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পেলো ৫৪টি পরিবার। নিরাপদ আশ্রয় পেলো সন্তানরা। বিচারক তার রায়ে বলেছেন, শুধু শাস্তি নয় আদালত মানুষের মাঝে শান্তির সুবাতাস, সম্প্রীতির বন্ধন গড়ে দেয়। আদালতের এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগে খুশি পরিবারগুলো। পারিবারিক কলহে গেল দু বছর ধরে আদালতে যাওয়া-আসা করেছেন ফয়সাল আহমদ ও আকলিমা দম্পতি। এ মামলায় আসামি ফয়সালের সাজাও হতে পারতো তিন বছরের। কিন্তু আদালতের ব্যতিক্রমী রায়ে টিকে গেলো সংসার। বাবা-মাকে একসাথে ফিরে পেলো একমাত্র সন্তান। তিন মাস পর সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে ফের ব্যতিক্রমী রায়। ৬৫ টি পারিবারিক মামলার মধ্যে ৫৪ টি পরিবারকে কোন শাস্তি না দিয়ে দেয়া হলো ফুল। তবে ১১ আসামিকে দেয়া হয় সাজা। এর আগে ৪৭টি পরিবারকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করেছেন, বিচারক মোঃ জাকির হোসেন। এ রায়ে উদ্বুদ্ধ হয়ে অন্যান্য পরিবারের মাঝেও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা, মর্যাদা আর ভালোবাসা বাড়বে বলে আশা সবার।...

রমজানের জন্য ভোগ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

১৮,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রমজান মাসের চাহিদা সামাল দিতে ব্যবসায়ী ও টিসিবির কাছে ভোজ্যতেল, চিনি, গুড়, খেজুর, পিয়াজসহ সব ধরনের পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা আশ্বাস দিয়েছেন, রমজানে ভোগ্যপণ্যের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখবেন। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি গ্যালারি ও বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভোগ্যপণ্যের দর নির্ধারণে মন্ত্রণালয়ে একটি কমিটি আছে। যেখানে ব্যবসায়ীরাও আছেন। এ কমিটি বসে মূল্য নির্ধারণ করে থাকে। সমস্ত ডাটা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এটা করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে গত ৬ মাসে তেলের দাম ৬৭ শতাংশ বেড়েছে জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, যেটা ৭০০ ডলার ছিল, সেটা এখন বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১১০০ ডলার। সেই দামসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। যেহেতু, দেশে প্রয়োজনের ৯০ ভাগ তেল আমদানি করতে হয়, তাই আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভর করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশে খুচরা পর্যায়ে ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করা হলেও সাধারণ মানুষের জন্য টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে তেল বিক্রি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এখন মানুষের কষ্ট হচ্ছে। তারপরেও আমরা টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকি দিয়ে সাধারণ মানুষকে তেল দেয়ার চেষ্টা করেছি। আগামীতেও আমরা এটি করব। খুচরা বাজারে চালের দাম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমদানির চাল দেশে আসা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারেও চালের দাম কিছুটা বাড়তি। আমাদের বোরো ধান উঠে গেলে আর সমস্যা হবে না। আশা করি আর দাম বাড়বে না।...

সাত কলেজের আন্দোলন স্থগিত

২৪,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনার্স শেষ বর্ষ এবং তৃতীয় বর্ষের চলমান পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর আন্দোলন স্থগিত করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারী সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেট নীলক্ষেত মোড় অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করেন তারা। বুধবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ইসমাঈল সম্রাট। এসময় তিনি জানান, আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার কারণে আমরা আন্দোলন স্থগিত করেছি। এর আগে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সাথে ভার্চুয়াল আলোচনায় বসে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আলোচনা শেষে এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) এএসএম মাকসুদ কামাল সময় নিউজকে জানান, 'সাত কলেজের চলমান পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজকের যে পরীক্ষাটি হওয়ার কথা ছিল, সেটি কবে নেওয়া হবে পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে। পরীক্ষার চলমানের সিদ্ধান্ত জানার পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। এর আগে, শিক্ষার্থীরা একইদিন সকাল ৯টা থেকে নীলক্ষেত নিউমার্কেট মোড় অবরোধ করে রাখায় বিকেল চারটা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ তাদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।...

২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস

২২,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় বন্ধের পর আগামী ২৪ মে (পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ১৭ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হল খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভার্চুয়ালি এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। গত বছরের ১৭ মার্চ করোনার প্রাদুর্ভাব রুখতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। করোনার প্রাদুর্ভাব কমে আসায় চলতি বছরের শুরু থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়ার দাবি আসতে থাকে। এ নিয়ে আন্দোলনে নামে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর ফটকের তালা ভেঙে প্রবেশ করেন। এরপর ঢাবি, রাবিসহ আরও কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে বিশ্বের অনেক দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আমাদেরও গত ১৭ মার্চ থেকে সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া না হলেও দেশের সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী ২৪ মে থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি-ক্লাস কার্যক্রম শুরু করা হবে। এর আগে ১৭ মে থেকে সব আবাসিক হল খুলে দেয়া হবে। দীপু মনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি-ক্লাস চালুর আগ পর্যন্ত অনলাইনে ক্লাস চলমান থাকলেও কোন ধরনের পরীক্ষা নেয়া যাবে না। শ্রেণি-ক্লাস খোলার পর পরীক্ষা নেয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাজ শেষ করতে হবে। ক্যাম্পাস ও হলে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে সংস্কার কাজ করারও পরামর্শ দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের করোনার টিকাদান নিশ্চিত করা হবে। টিকা প্রদানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি-ক্লাস শুরু করা হবে। ইতোমধ্যে তাদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ...

সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ইউসুফ পাঠান

২৬,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে দিলেন দুটি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ইউসুফ পাঠান। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবসরের ঘোষণা দেন ৩৮ বছর বয়সী অলরাউন্ডার। ইউসুফ পাঠান নিজের অফিসিয়াল টুইটার পেজে লেখেন, আমি সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিচ্ছি। আমাকে সমর্থন ও ভালোবাসার জন্য আমার পরিবার, বন্ধু, সমর্থক, দল এবং পুরো দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানায়। আামি নিশ্চিত, ভবিষ্যতেও আমাকে চলার পথে আপনারা সাহস যোগাবেন। দেশের হয়ে তিনি ৫৭টি ওয়ানডে খেলে করেছেন ৮১০ রান এবং ২২টি টি-টোয়েন্টিতে করেছেন ২৩৬ রান। ইউসুফের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে উজ্জ্বল হয়ে আছে ২০১০ সালে ব্যাঙ্গালুরুতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অপরাজিত ১২৩ রানের ইনিংসটি। সেই ম্যাচে কিউইদের দেওয়া ৩১৬ রান তাড়া করে জিতেছিল ভারত। এরপর সেঞ্চুরিয়নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। এছাড়া অফ-স্পিনে তিনি নিয়েছেন ৪৬টি আন্তর্জাতিক উইকেট। টিম ইন্ডিয়ার জার্সিতে ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছেন ইউসুফ। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) ১২ বছর খেলেছেন তিনি। রাজস্থান রয়্যালস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে দুবার জিতেছেন টুর্নামেন্ট শিরোপা। আইপিএলে ব্যাট হাতে ৩২০৪ রান এবং বল হাতে ৪২ উইকেট নিয়েছেন ইউসুফ।...

গাপটিলের ছক্কার রেকর্ডে অজিদের হারাল নিউজিল্যান্ড

২৫,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ডে রোহিত শর্মাকে পেছনে ফেললেন মার্টিন গাপটিল। আর তার অন্যবদ্য ব্যাটিংয়েই পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে ৪ রানের রোমাঞ্চকর হার উপহার দিয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড। যদিও ৩ রানের জন্য ক্যারিয়ারে তৃতীয় সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হলেন গাপটিল। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রান্স-তাসমান সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ডানেডিনের ইউনিভার্সিটি ওভালে মুখোমুখি হয় দুদল। যেখানে প্রথমে ব্যাটে করে গাপটিল, কেন উইলিয়ামসন ও জিমি নিশামের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ২১৯ রানের বিশাল স্কোর গড়ে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১৫ রানের বেশি করতে পারেনি অজিরা। ২২০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ লড়াই করে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। দুই ওপেনার ভালো না করলেও তিন নাম্বারে নামা জস ফিলিপ ৩২ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন। তবে সপ্তম উইকেট জুটিতে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে রেকর্ড গড়েন মাকার্স স্টোইনিস ও ডানিয়েল স্যামস। ৯২ রানের এই জুটি দলকে জয়ের পথেই নিয়ে যাচ্ছিল। তবে জেমস নিশামের করা ইনিংসের শেষ ওভারে জয়ের জন্য অজিদের ১৫ রান দরকার হলেও এই দুজনই উইকেট হারায়। সফরকারীরা তুলতে পারে ১০ রান। ৩৭ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলার পথে স্টোইনিস ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন। ৭টি চারের পাশাপাশি তিনি ৫টি ছক্কা হাঁকান। আর ১৫ বলে ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৪১ রান করেন স্যামস। কিউই বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট পান স্পিনার মিচেল স্যান্টনার। নিশাম ২টি এবং টিম সাউদি ও ইশ সোধি একটি করে উইকেট দখল করেন। টস হেরে এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ২০ রানের ওপেনার টিম সেইফার্টের উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। তবে এরপর অধিনায়ক উইলিয়ামসনকে নিয়ে ১৩১ রানের জুটি গড়েন গাপটিল। ১৬তম ফিফটি করা ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান ৫০ বলে ৯৭ রান করে স্যামসের বলে ফেরেন। সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়লেও অসাধারণ একটি কীর্তি গড়েছেন তিনি। ৮টি ছক্কা হাঁকিয়ে সর্বোচ্চ ওভার বাউন্ডারির মালিক হলেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তার ছক্কার সংখ্যা ১৩২টি। পেছনে ফেলেছেন ১২৭টি ছক্কা হাঁকানো রোহিত শর্মাকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ বলে ৫৩ করেন উইলিয়ামসন। ১৩তম ফিফটির দেখা পাওয়া এই তারকা ২টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন। শেষদিকে ঝড় তোলেন নিশাম। ১৬ বলে তিনি ৪৫ করে অপরাজিত থাকেন। মাত্র একটি চার মারলেও তিনি ৬টি ছক্কা হাঁকান। অজি বোলারদের মধ্যে কেইন রিচার্ডসন সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট পান। এছাড়া স্যামস, ঝাই রিচার্ডসন ও অ্যাডাম জা্ম্পা একটি করে উইকেট নেন। দারুণ ব্যাটিংয়ের সুবাদে ম্যাচ সেরা হয়েছেন গাপটিল। আগামী ৩ মার্চ ওয়েলিংটনের ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে।...

চলে গেলেন এটিএম শামসুজ্জামান

২০,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরেণ্য অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান আর নেই। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ০৬ মিনিটে সূত্রাপুরের নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাহি রাজিউন)। এটিএম শামসুজ্জামানের মেয়ে কোয়েল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কিংবদন্তি অভিনেতার মৃত্যুসংবাদ জানিয়ে কোয়েল আহমেদ বলেন, আব্বা আর নেই। শুক্রবার বিকেলে আব্বাকে বাসায় নিয়ে আসছিলাম। উনি হাসপাতালে থাকতে চাইছিলেন না। তাই বাসায় নিয়ে আসছিলাম। আমি রাত ২টা ৩০ মিনিটে আব্বার বাসায় আসছি। পরদিন শুক্রবার সকালেই তিনি পাড়ি জমালেন না ফেরার দেশে। বাবার আত্মার শান্তির জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন কোয়েল। এর আগে গত বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে পুরান ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল এটিএম শামসুজ্জামানকে। তার অক্সিজেন লেভেল কমে গিয়েছিল। হাসপাতালে ডা. আতাউর রহমান খানের তত্ত্বাবধানে ছিলেন জনপ্রিয় এ অভিনেতা। ১৯৪১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর দৌলতপুরে এটিএম শামসুজ্জামান জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে উদয়ন চৌধুরীর- বিষকন্যা সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। প্রথম চিত্রনাট্যকার হিসেবে তিনি কাজ করেছেন- জলছবি সিনেমায়। এ পর্যন্ত শতাধিক চিত্রনাট্য ও কাহিনী লিখেছেন বর্ষীয়ান এ অভিনেতা। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে-জলছবি, জীবন তৃষ্ণা, স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা, যে আগুনে পুড়ি, মাটির ঘর, মাটির কসম, চিৎকার ও লাল কাজল ইত্যাদি। তবে ১৯৬৫ সালে অভিনেতা হিসেবে এটিএম শামসুজ্জামানের সিনেমায় অভিষেক ঘটে। ১৯৭৬ সালে আমজাদ হোসেনের নয়নমণি সিনেমায় খলনায়ক হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। সিনেমার পাশাপাশি অসংখ্য খণ্ড নাটক ও ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি। একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য এ অভিনেতার একমাত্র পরিচালিত সিনেমা এবাদত। এখন পর্যন্ত পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন এ কিংবদন্তি। কাজী হায়াতের- দায়ী কে সিনেমার জন্য দুটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পান তিনি। এরপর- চুড়িওয়ালা&, মন বসে না পড়ার টেবিলে এবং চোরাবালি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য একই পুরস্কার লাভ করেন এটিএম শামসুজ্জামান।...

উপস্থাপনায় ফিরেছেন পূর্ণিমা

১৮,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আবারও টিভি উপস্থাপনায় আসছেন জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমা। প্রায় দুই বছর পর তার এ ফিরে আসা। এবার তিনি উপস্থাপনা করবেন- পূর্ণিমার আলো শিরোনামের একটি অনুষ্ঠান। আগামী ৬ মার্চ থেকে দেশ টিভিতে এর প্রচার শুরু হবে। অনুষ্ঠানটি সাজানো হচ্ছে বিনোদন, রাজনীতি, ক্রীড়াসহ বেশ কয়েকটি অঙ্গনের সফল তারকা দম্পতিদের নিয়ে। তবে প্রথম পর্বেই থাকছে চমক। এই পর্বে পূর্ণিমার সঙ্গে থাকবেন নায়ক ফেরদৌস ও রিয়াজ। তারা দুজন উপস্থাপক পূর্ণিমাকে পরিচয় করিয়ে দেবেন ভক্তদের সঙ্গে। থাকবে তিনজনের আড্ডাও। দ্বিতীয় পর্ব থেকে মূল অনুষ্ঠানটি শুরু হবে। এর আগে টেলিভিশনে তারকাদের নিয়ে- এবং পূর্ণিমা দিয়ে উপস্থাপনায় নাম লিখিয়েছিলেন অভিনেত্রী। ২০১৮ সালে- এবং পূর্ণিমা নামে আরটিভিতে প্রচারিত এই সেলিব্রেটি শো উপস্থাপনা করে বেশ আলোচিত হন পুর্ণিমা।...

হাতিরঝিলে কিশোরদের উপদ্রব আটক ৫৫

২৮,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ক্রাইম প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘিঞ্জি ঢাকায় একটু মুক্তভাবে হেঁটে বেড়ানোর জায়গা নেই বললেই চলে। তবে এই অভাবটা কিছুটা হলেও পূরণ করেছে হাতিরঝিল। কিন্তু দিন দিন সেটাও হয়ে পড়েছে অরক্ষিত। কোলাহল তো বেড়েছেই, সেই সঙ্গে বেড়াতে আসা মানুষকে নানাভাবে উত্যক্ত করছে কিশোরদের কয়েকটি দল। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ৫৫ জন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) এআইজি মো. সোহেল রানা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা একজন গতকাল (২৭ জানুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে হয়রানির শিকার হওয়ার একটি অভিযোগ দেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে হাতিরঝিল লেক ও লেক সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিকেল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ব্যাপক অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় ৫৫ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ৩ জনের কাছে ৮ পিস, ১২ পিস ও ২৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও গণ-উপদ্রব ও অহেতুক হৈচৈ করার কারণে ১৬ জনের বিরুদ্ধে ডিএমপি অর্ডিন্যানস অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৬ জনকে শর্তসাপেক্ষে অভিভাবকের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এআইজি আরো বলেন, সন্তান যেনো কোনো অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দরকার পড়লে পুলিশের সহায়তা নিতে হবে। ...

অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যসহ ১১ জন বরখাস্ত

২জুন,মঙ্গলবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে একদিনেই ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিভাগটি। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যান, একজন পৌরসভার কাউন্সিলর ও ৬জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দরিদ্র মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাঁদের মধ্যে চারজন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ছয়জন ইউপি সদস্য এবং একজন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানেরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপির মো. আনোয়ারুল হক, একই জেলার বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউপির হাজী মো. কাজল ভূইয়া, বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউপির মো. শাহনেওয়াজ এবং নলটোনা ইউপির হুমায়ুন কবীর। বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিংপুর ইউপির চেয়ারম্যান করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় ত্রাণকাজে সহায়তা না করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। বাজিতপুরের হালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ ছাড়া করোনোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি, এপ্রিল মাসের ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ না করা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে ব্যর্থ হওয়া এবং কারণ দর্শানোর পরিপ্রেক্ষিতে নিজে জবাব প্রদান না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়া। বরগুনার এম বালিয়াতলী ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে মৎস্য ভিজিএফের চাল ৮০ কেজির জায়গায় ৬০ কেজি দেওয়া এবং তালিকার বাইরেও অন্যদের চাল দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। নলটোনা ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, ভুয়া টিপসইয়ের মাধ্যমে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলার মজলিশপুর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারিছ মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাছান মিয়া, বরগুনা জেলার সদর উপজেলাধীন নলটোনা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হারুন মিয়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হানিফ, ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. রানী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. ছাবিনা ইয়াসমিন। বরখাস্ত হওয়া পৌরসভার কাউন্সিলর হলেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোলাইমান বাবুল।...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি। ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন

২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষারর্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হতে বিরত থাকুন। মার্চ ২০২০ হতে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শুরু হয়। পর্যবেক্ষণ দেখা যায় শীত প্রধান অঞ্চলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণ বেড়েই চলছে। আমাদের দেশ ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল দেশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি বেসরকারি ব্যাক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণায় দেশবাসী সচেতন হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলছে। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। সামনে শীত মৌসুম। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা একেবাড়ে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন মহল বিশিষের দাবীর মুখে একাধিক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানা যায় সদাসয় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির পরিক্ষা ও ক্লাস শুরু করার তথ্য। অবশ্যই এই উদ্যেগ ভাল। কিন্তু এ মুহূর্তে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক ও ছোঁয়াছে রোগ। এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা অত্যন্ত জটিল। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের দেশের সরকার শত চেষ্ঠার পর সম্পূর্ণ সফল হতে পারেনি। অবশ্য আংশিক সফলতা, যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সাধুবাদ। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কৃতজ্ঞতাচিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছিও। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী অনেক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্লাস করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই সকল দিকে বিবেচনা করে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাস শুরু না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।- ...

১৯ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করলো বিএনপি

২৪,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে চলতি বছরের ৩০ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সূবর্ণজয়ন্তী মহাসমাবেশসহ ১৯ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের স্বাধীনতা সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ড. মোশাররফ বলেন, বিএনপি ও স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে আমরা এদেশের দলমত নির্বিশেষে সব পেশার জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি। তারা যেন অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার এবং গুরুত্বের সঙ্গে স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেন। কারণ এই স্বাধীনতা এদেশের জনগণের প্রস্ফুটিত স্বাধীনতা, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা, এদেশের জনগণের জন্য এই স্বাধীনতা। তাই আমরা স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী সবার উদযাপন করতে চাই। তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আমাদের এসব অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠুভাবে যাতে করে করতে পারি তারজন্য সহযোহিতা চাইব। তেমনিভাবে আমরা সরকারের কাছেও সহযোগিতা চাই, যাতে করে আমরা এই ৫০ বছরপূর্তির আমাদের আবেগ, আমাদের যে উচ্ছ্বাস নির্বিঘ্নে সুন্দরভাবে উদযাপন করতে পারি। বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ সঙ্গে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ কর্মসূচি রয়েছে বলে জানিয়েছেন খন্দকার মোশাররফ। সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে বিএনপি সারাবছর কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে। বুধবার মার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতি মাস শেষ হওয়ার আগে পরবর্তী মাসের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মার্চ মাসের ঘোষিত কর্মসূচিসমূহ হচ্ছে, ১ মার্চ সূবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচির উদ্বোধন, ২ মার্চ ছাত্র সমাজ কর্তৃক স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন শীর্ষক আলোচনা সভা, ৩ মার্চ ছাত্র সমাজ কর্তৃক স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ শীর্ষক আলোচনা সভা, ৭ মার্চ আলোচনা সভা, ৮ মার্চ বিশ্ব নারীদিবস পালন, ৯ মার্চ সেমিনার, ১০ মার্চ রচনা প্রতিযোগিতা, ১৩ মার্চ বছরব্যাপী রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন, ১৫ মার্চ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ২০ মার্চ আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বিষয়ক সেমিনার, ২২ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধ, জেড ফোর্স এবং বীরউত্তম জিয়াউর রহমান শীর্ষক সেমিনার, ২৩ মার্চ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য মেলা, ২৪ মার্চ নির্বাচিত বিএনপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে স্বৈরাচারী এরশাদের জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল শীর্ষক সেমিনার, ২৫ মার্চ কালরাত্রি শীর্ষক আলোচনা সভা, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শেরে বাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে পুস্পমাল্য অর্পণ, রক্তদান কর্মসূচি, সারাদেশে Railly, ২৭ মার্চ চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতারকেন্দ্রে গমন ও বগুড়ায় বাগবাড়ি গমন এবং দুইখানে আলোচনা সভা, ২৮ মার্চ মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, ৩০ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সূবর্ণজয়ন্তী মহাসমাবেশ ও ৩১ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের বইমেলা ও চিত্রাঙ্কন প্রদর্শনীর উদ্বোধন। এক প্রশ্নের জবাবে দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির দাবিও পুনরুল্লেখ করেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে সদ্য প্রয়াত সাংবাদিক আবুল মকসুদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালিদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন খন্দকার মোশাররফ। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও সদস্য সচিব আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আরো ছিলেন চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, তথ্য গবেষণা সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নসু ও চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।...

বেয়াদবের স্থান আওয়ামী লীগে হবে না: নানক

২৪,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, দলের সিদ্ধান্ত না মেনে যারা পৌরসভা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তারা চরম বেয়াদব। বেয়াদবের স্থান আওয়ামী লীগে হবে না। মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের সমর্থনে পথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। যিনি আমাদের মা সমতুল্য। যিনি তার মা-বাবাকে হারিয়ে ভোট-ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন ও সংগ্রাম করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে দেশকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে গেছেন। সেই শেখ হাসিনাকে যারা বৃদ্ধাঙ্গুল দেখায় সেই বেয়াদবদেরকে কি ভোট দেবেন এমন প্রশ্ন উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে রাখেন তিনি। এ সময় নানক বলেন, বেয়াদব সন্তানদের যেমন কেউ পছন্দ করেন না। তেমনি আওয়ামী লীগ বেয়াদবদের পছন্দ করে না। আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত যারা বরখেলাপ করেছেন তারা আর কখনও নৌকার মনোনয়ন পাবেন না। তারা আওয়ামী লীগ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার হবেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান সফিক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ সদস্য হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, জেলা আওয়ামীর লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর চৌধুরী প্রমুখ।...

পবিত্র শবে মেরাজ ১১ মার্চ

১২,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি রোববার থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে। এ প্রেক্ষিতে পবিত্র শবে মেরাজ পালন করা হবে আগামী ১১ মার্চ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে। শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী। সভায় জানানো হয়, পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের আকাশে আজ শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) কোথাও ১৪৪২ হিজরি সালের পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) পবিত্র জমাদিউস সানি মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা করা হবে। এই প্রেক্ষিতে আগামী ২৬ রজব ১৪৪২ হিজরী, ২৬ ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১১ মার্চ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হবে। সভায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মিজান-উল-আলম, ওয়াকফ প্রশাসক আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহা-পরিচালক ফারুক আহম্মেদ (অতিরিক্ত দায়িত্ব), মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. মাহবুব আলম, অতিরিক্ত প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়া, বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-পরিচালক মো. আবদুর রহমান, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের পিএসও আবু মোহাম্মদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।...

কাবা শরিফ-মদিনায় জুমআ পড়াবেন শায়খ জুহানি ও হুসাইন

১৫,জানুয়ারী,শুক্রবার,ধর্ম ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আলহামদুলিল্লাহ! কাবা শরিফ ও মদিনায় পবিত্র জুমআ অনুষ্ঠিত হবে। মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জুমাদা আল-আখিরাহর প্রথম জুমআ আজ। দুই পবিত্র মসজিদের খুতবাহ ও জুমআর নামাজের জন্য দুইজন সম্মানিত শায়খকে নির্বাচিত করেছে হারামাইন কর্তৃপক্ষ। আজ ১৫ জানুয়ারি ২০২১ মোতাবেক ০২ জুমাদা আল আখিরা। নতুব বছরের তৃতীয় জুমআ ও জুমাদা আল-আখিরার প্রথম জুমআ আদায়ে মুসলিম উম্মাহর সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে মক্কা ও মদিনা। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজে অংশগ্রহণকারীরা যাদের খুতবাহ শুনবেন- কাবা শরিফ : প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার প্রসিদ্ধ ইমাম ও খতিব শায়খ ড. আব্দুল্লাহ আওয়াদ আল জুহানি।- মদিনা মুনাওয়ারা : প্রসিদ্ধ ইমাম ও খতিব শায়খ ড. হুসাইন আল আশ-শায়খ। তবে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য নিরাপত্তা জন্য যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে নিজস্ব মুসাল্লাসহ এ দুই পবিত্র মসজিদে জুমআর নামাজে পড়তে মুসল্লিদের অংশগ্রহণ করতে হবে। উল্লেখ্য, সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জুমআর নামাজের খুতবা ও নামাজ সরাসরি সম্প্রচার করবেন। হারামাইনডট ইনফোসহ অনেক চ্যানেলেও এ নামাজ সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।...

সুস্থ থাকতে আঁশযুক্ত খাবার খান

২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আঁশযুক্ত খাবার এমন একটি খাদ্য উপাদান যা দেহের নানা কাজ সুষ্ঠুভাবে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমানে আঁশযুক্ত খাবার খেলে তুলনামুলকভাবে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা যায়। আর খাবারে এই উপাদানের ঘাটতি হলে শরীরে নানা ধরনের বিপত্তি ঘটে। ভুট্টা, শিম, বাঁধাকপি, জাম, ওট, ব্রকলি,আপেল, কলা, কমলা, বাদাম ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমানে আঁশ পাওয়া যায়। আঁশযুক্ত খাবার খেলে অল্পতেই পেট ভরে যায়। একারণে ঘন ঘন খাবার প্রবণতা কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গবেষকরা বলছেন, যারা প্রতিদিন ২৬ গ্রামের বেশি আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম। আরেক গবেষণায় এটা প্রমানিত হয়েছে, যারা প্রতিদিন ৭ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় কিছুটা হলেও কমে যায়। প্রতিদিন ১০ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের সম্ভাবনা ১০ ভাগ কমিয়ে দেয় এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি শতকরা ৫ ভাগ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় এটাও দেখা গেছে, যারা আঁশসমৃদ্ধ শস্যজাতীয় খাবার গ্রহণ করেন তারা অন্যদের তুলনায় দীর্ঘায়ু হন। যেকোন ধরনের কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আঁশযুক্ত খাবার দারুন কার্যকরী। এছাড়া শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় টক্সিন বের করতে প্রাকৃতিভাবেই কাজ করে এই জাতীয় খাবার। কিছু কিছু আঁশযুক্ত খাবার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। ফলে হাড় মজবুত থাকে। ...

ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: শহীদুল হক

স্পেশাল প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণের পর খুন হওয়া মেয়েটি জীবিত ফেরার পর পুলিশের তদন্ত এবং রিমান্ডপ্রক্রিয়া আরো একবার প্রশ্নের মুখে। বিরাট প্রশ্ন ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়েও। এসব প্রশ্ন নিয়েই পুলিশের সাবেক আইজি শহীদুল হকের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিউজ একাত্তর একজন স্পেশাল প্রতিনিধি। প্রশ্ন : সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেছে, তারাই ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ওই ছাত্রী জীবিত ফিরে এসেছে। পুলিশের পুরো তদন্তব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল না? শহীদুল হক : দেখুন, এখানে যে সঠিক তদন্ত হয়নি তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তারা হয়তো পুলিশের ভয়েই এটা করেছে। এখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সত্য তথ্য বেরিয়ে আসবে। এ ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা যা তা হলো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় বাদীপক্ষের চাপে বা বাদীপক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক কোনো সুযোগ নিয়ে কাউকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউকে কাউকে গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটে। প্রশ্ন : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্তে তো জজ মিয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শহীদুল হক : সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে, সরকারের চাপে জজ মিয়ার নাটক সাজানো হয়েছে। ওই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর জন্য দুঃখজনক। তবে মনে রাখতে হবে, ওটা ছিল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ২১ আগস্ট মামলায় প্রথমদিকে যা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা ভালো হলে তাঁর ওপর সরকারের চাপ থাকলে প্রয়োজন হলে তিনি চাকরি ছেড়ে দিতে পারতেন। তা কিন্তু করেননি। দুর্নীতিপরায়ণ দুই-চারজন তদন্ত কর্মকর্তার কারণেই মাঝে মাঝে পুলিশের ওপর দোষ চাপে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি, আমি চাঁদপুরের এসপি পদে থাকার সময় সেখানে একজন ওসি ছিল, মিয়া মো. শরীফ। তাকে কোনোভাবেই বাগে আনা যাচ্ছিল না। এক প্রভাবশালীর ছত্রচ্ছায়ায় একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছিল। একপর্যায়ে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলো। কিন্তু সে ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে চলে গেল। এরপর একদিন তৎকালীন আইজি মহোদয় আমাকে ফোন করে বললেন, এটা নিয়ে যেন আমি আর কথা না বলি। কিন্তু আমি থেমে থাকিনি। আমি চাপের কাছে নতি স্বীকার করিনি। প্রশ্ন : কিন্তু এ রকম একজন-দুজনের কারণে তো গোটা পুলিশ বাহিনীর ওপরই দায় চলে আসছে। শহীদুল হক : এক-দুজনের কারণে গোটা বাহিনী কলঙ্কিত হতে পারে না। হয়ও না। দেশের মানুষ সচেতন। তারা সব বোঝে। দেখুন, করোনাভাইরাসের মতো মহামারির সময় এই পুলিশ বাহিনীর কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছে। জঙ্গি দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা সবাই দেখছে। পুলিশের এত ভালো কাজের মধ্যে দু-একটি ঘটনা গোটা বাহিনীর সাফল্যকে ম্লান করে দিতে পারে না। প্রশ্ন : প্রতিটি ক্রসফায়ারের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা সব ঘটনার ক্ষেত্রে একই ধরনের। সত্যি বললে মানুষের কাছে এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। হাসাহাসিই হয় অনেক ক্ষেত্রে। শহীদুল হক : আমি নিজেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাস করি না। কেউ অপরাধ করলে তাকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। তবে একটা কথা, আমাদের দেশে মাঝে মাঝে কিছু এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটছে। এই ক্রসফায়ারের ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে হবে। দেশে অনেক বড় বড় সন্ত্রাসী ছিল, যাদের গ্রেপ্তার করে রাখা যেত না। কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আরো বড় বড় অপরাধ করত। আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে শুরু হয় ক্রসফায়ারের ঘটনা। তখন বড় সন্ত্রাসীরা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে। দেশের মানুষ ওটাকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দিয়েছে। এভাবে দেখলে, সেই সময় ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আরেকটা কথা, কোনো মামলায় অপরাধীকে গ্রেপ্তারের পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয় আদালতে। কিন্তু আদালতে মামলা বছরের পর বছর পড়ে থাকে। বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণেই আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে আরো অপরাধ করে। দেশে যদি দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন হতো এবং আসামিদের যদি জামিন না হতো তাহলে এই ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটত না বল মনে করি। প্রশ্ন : ক্রসফায়ারে নিরীহ মানুষ হত্যার অভিযোগ উঠছে। কখনো কখনো অর্থ নিয়ে বা অর্থের জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এমনও আমরা দেখছি... শহীদুল হক : এ রকম দু-একটি ঘটনা যে ঘটছে না তা বলা যাবে না। এ কারণেই তো এটা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। আমার কথা হলো, এ রকম নিরীহ মানুষ হত্যা করা হলে জড়িত আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা দরকার। প্রশ্ন : দেখা যায়, আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বড়জোর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করার ঘটনা ঘটে। এরপর আর কিছু হয় না। শহীদুল হক : এ কথা সত্য নয়। প্রথামিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত, বেতন কমানো, পদের অবনমন ইত্যাদি ঘটনা ঘটে। এ রকম বহু ঘটনা আছে। যা কখনো মিডিয়ায় আসে না বলেই মানুষ প্রথমটুকুই দেখে মূল্যায়ন করে। পরেরটুকু দেখলে বা মিডিয়ায় এলে মানুষের ভুল ধারণা কেটে যাবে। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি।


সুস্থ থাকতে আঁশযুক্ত খাবার খান

২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আঁশযুক্ত খাবার এমন একটি খাদ্য উপাদান যা দেহের নানা কাজ সুষ্ঠুভাবে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমানে আঁশযুক্ত খাবার খেলে তুলনামুলকভাবে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা যায়। আর খাবারে এই উপাদানের ঘাটতি হলে শরীরে নানা ধরনের বিপত্তি ঘটে। ভুট্টা, শিম, বাঁধাকপি, জাম, ওট, ব্রকলি,আপেল, কলা, কমলা, বাদাম ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমানে আঁশ পাওয়া যায়। আঁশযুক্ত খাবার খেলে অল্পতেই পেট ভরে যায়। একারণে ঘন ঘন খাবার প্রবণতা কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গবেষকরা বলছেন, যারা প্রতিদিন ২৬ গ্রামের বেশি আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম। আরেক গবেষণায় এটা প্রমানিত হয়েছে, যারা প্রতিদিন ৭ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় কিছুটা হলেও কমে যায়। প্রতিদিন ১০ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের সম্ভাবনা ১০ ভাগ কমিয়ে দেয় এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি শতকরা ৫ ভাগ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় এটাও দেখা গেছে, যারা আঁশসমৃদ্ধ শস্যজাতীয় খাবার গ্রহণ করেন তারা অন্যদের তুলনায় দীর্ঘায়ু হন। যেকোন ধরনের কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আঁশযুক্ত খাবার দারুন কার্যকরী। এছাড়া শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় টক্সিন বের করতে প্রাকৃতিভাবেই কাজ করে এই জাতীয় খাবার। কিছু কিছু আঁশযুক্ত খাবার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। ফলে হাড় মজবুত থাকে।

আওয়ামী রাজনীতির কঠিন দুঃসময়ে আদর্শিক ও পরিক্ষীত যোদ্ধার নাম গিয়াস উদ্দিন হিরু

২৪,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৃত্যুঞ্জয়ী ছাত্রনেতা।অকুতোভয় সাহসী বীর।চট্রলার আলোচিত ১২ ছাত্রনেতার অন্যতম।চট্রগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের ৮৬ - ৯০ এর দিকে দাপুটে নেতা ছিলেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরচ্চার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের হিরুর ভুমিকা অতুলনীয়।দলের জন্য তার জীবনের মুল্যবান সময় এমনকি ২০ টির উপর মামলা হুলিয়া নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করে যায়। জেল জুলুমের শিকার আর হুলিয়া নিয়ে মাঠের পরিক্ষীত সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতা প্রিয় হিরু।যার ফলশ্রুতিতে আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে ক্ষমতার মুখ দেখে। রাত দিন লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে ও তাদেরকে বিতাড়িত করতে গিয়ে এরশাদ সরকার মার্শাল আইনে বিচার করে হিরুর উপর ষ্টিম রোলার চালায় যা ইতিহাসের অংশ।সেই ৮০ /৯০ এর দুঃসময়ে রাজনীতি করতে গিয়ে তার জীবনে নেমে আসে এক কালো অধ্যায়। সেই দুঃসময়ের কাল অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে হিরুর ত্যাগ আর তিতিক্ষার কথা বর্ননাতীত।আওয়ামী পরিবারের সন্তান হিসাবে সাতকানিয়া ধর্মপুরে পিতার আদর্শের উপর প্রতিষ্ঠিত দল আওয়ামী লীগের ঘরনার ছেলে হিসাবে হিরু ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৮০সালের দিকে স্কুল ছাত্রলীগের সভাপতি থেকে ৮৬ সালে চট্টগ্রাম সরকারি মহসিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি, এক সময়ে ১৯৯৪ সালের দিকে জাতীয় পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য,২০০২ সালের দিকে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের স্টিয়ারিং ১ম সদস্য নির্বাচিত হন।চট্রগ্রাম কেন্দিক সিটি কলেজ গ্রুপের অন্যতম হলেন হিরু।তার বন্ধু শহীদ কামাল উদ্দিনের মৃত্যুতে কিছুটা নমনীয় থাকলে আবারও মাঠের রাজনীতির পুরোধা ছিলেন। ১৯৯৪ সালে বিখ্যাত রাজাকার গোলাম আজমের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে ততকালীন জোট সরকারের রোষানলে পড়েন।৯৬ সালের দিকে বিএনপির বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে জীবনের নেমে আসে এক ভয়াবহ অবস্থা যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ২০০১,১/১১ বিএনপি -জামাত ও অগনতান্তিক আন্দোলন করতে গিয়ে প্রায় ৩০টির উপর মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কারাগারে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন তবু্ও দমে থাকেনি। জীবনের মুল্যবান সময়, মেধা, টাকা, শ্রম ও ত্যাগ করে সব কিছু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভোটের অধিকার বাস্তবায়নে বীর চট্রলার নায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন যা ইতিহাসের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। আজীবন মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে যাওয়া একটা নাম হিরু। ২০১২ সালের দিকে নিজ এলাকায় পিতার চেয়ারম্যান আসনে বসতে নিজ গ্রাম সাতকানিয়া ধর্মপুরে যায় কিন্তু জেলা, উপজেলা আওয়ামী লীগ এই পরিক্ষীত ও আদর্শিক যোদ্ধার নাম নাদিয়ে দলচ্যুত ব্যক্তির নাম দেয়।হিরু নাম না দেওয়া তিনি সোজা কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতার দুয়ারে দুয়ারে যাই সেই সামান্য একজন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হতে।কিন্তু সেই মনোনয়ন তার কপালে জুটল না যা ইতিহাসের অংশ হিসেবে আজ গন্য হল কিন্তু সেই দলচ্যুত পরাজিত লোক আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে চেয়ারম্যান হয় আর হিরুর মত আদর্শিক ও পরিক্ষীত সাবেক ছাত্রনেতা সামান্য একটা দলীয় চেয়ারম্যান মনোনয়ন পায়না। দীর্ঘদিন,সাংস্কৃতিক জোট, খেলাঘর আসর, কামাল স্মৃতি সংসদের সংগঠনে মাধ্যমে হাজারো নেতার কারিগর ছিলেন হিরু। সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে আলকরন, ফিরঙ্গীবাজার, মাদারবাড়ী, পাথরঘাটা, আন্দরকিল্লা, জামালখান ওয়ার্ড সহ বিভিন্ন জায়গায় গড়ে তুলছে হাজার হাজার নেতা কর্মী যা নতুন প্রজন্মের জন্য আর্শীবাদ।আর দুঃসময়ে সিটি কলেজ ছাত্রলীগের ঘাটি হিসেবে গড়ে তুলছে।১/১১,২০০১ এর কঠিন সময়ে চট্রগ্রাম মহানগর ছাড়া পার্শ্ববর্তী পটিয়া, আনোয়ারা, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, বাশখালী, লোহাগড়া, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, হাটহাজারী, সন্দ্বীপ, ফেনি সহ বিভিন্ন জায়গায়র নির্যাতিত লোকের আশ্রয়স্থল হিসাবে হিরুর অবদান ভুলবার নয়। দীর্ঘদিন পদ বঞ্চিত হওয়ার পর ২০০৬ সালের চট্রগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কোনো দায়িত্ব পায়নি।২০১২ সালে সম্মেলনে চট্রগ্রাম মহানগর সম্মেলনে তাকে কোনো পদে রাখেনি।কারণ হিরুর জনপ্রিয় তুঙ্গে।দমে থাকার লোক নয় বলে আদর্শিক ও পরিক্ষীত যোদ্ধা হিরু আবারও গতির সঞ্চার করে রাজনীতি করে যাচ্ছে। এলাকার মানুষের ভালবাসা আর কর্মীদের নিয়ে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ৮০,৯০ দশকের জিয়া, এরশাদ স্বৈরচ্চার বিরোধী আন্দোলন, ৯৬ খালেদা বিরোধী আন্দোলন ও ২০০১, ১/১১ আন্দোলন সংগ্রামে চট্রগ্রাম মহানগর নিউমার্কেট চত্ত্বরে হরতাল সহ আন্দোলন সংগ্রামে হিরুর অবদান কিংবদন্তি। স্বৈরচ্ছার ও অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অনস্বীকার্য। অনেক সংগ্রাম আর আন্দোলন করে দলকে ক্ষমতায় আনলে তাদের কপালে জুটল না কোন ভালো পদবী বা এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। আদর্শিক ও পরিক্ষীত সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতার পাশাপাশি এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও উন্নয়নমুলক কাজের মাধ্যমে নিজ গুণে প্রতিষ্ঠা লাভ করলেও আর কখনো ক্ষমতা আর টাকার নিকট পরাজিত হয়ে হিরুর নিকট কোন ভালো পদবী জুটেনি। চট্রগ্রাম মহানগর এলাকায় সিটি কলেজ গ্রুপ শক্তিশালী। আর সাতকানিয়া ধর্মপুর ইউনিয়নে তার জনপ্রিয় তুঙ্গে যা বলার উপেক্ষা রাখেনা। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা স্থানীয় সরকার কমিটির প্রতিটি সদস্যদের কাছে আকুতি মিনতি এমনকি কান্নায় জর্জরিত হয়ে তার রাজনীতির ত্যাগের কথা তুলে ধরে এগিয়ে যাচ্ছে দুঃসময়ের রাজনীতির নায়ক হিরু।নমিনেশন বোর্ড তাকে নমিনেশন না দিয়ে স্থানীয় জেলা ও উপজেলার সুপারিশে টাকার বিনিময়ে দলচ্যুত ব্যক্তিকে দলীয় মনোনয়ন দিল যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক ঘটনা।দলের দুঃসময়ের কর্মী তথা আন্দোলন সংগ্রামের পুরোধা হিরুর মত আদর্শিক নেতার মুল্যায়ন হল না যা আমাদের রাজনীতির জন্য অশুভ সংকেত। আজ অবহেলিত ও আদর্শিক যোদ্ধা হিরুর মুল্যায়ন করাতো দুরের কথা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের নক্সা করে গেছে এক শ্রেণীর ধান্ধাবাজ ও বর্ণচোরা লোক।এলাকায় তার সুনাম আছে। সব জায়গায় হাইব্রিড, চামচা, ব্যবসায়ী আর দলচ্যুত ব্যক্তির নিকট বন্দী মনোনয়ন আর রাজনীতির পদবি।হিরুর ত্যাগ তিতিক্ষা আর লড়াই সংগ্রামের কথা বিবেচনা করে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে মনোকষ্ট পেয়ে শেষ অবধি হার্ট অ্যাটাক আক্রান্ত হয়ে আর ফিরে এলোনা প্রিয় হিরু। রাজনীতির উজ্জ্বল নক্ষত্রের পতন হলো। বর্তমানে রাজনৈতিক পরিক্ষীত ও আদর্শিক যোদ্ধারা বড়ই অসহায়।তারা দুঃসময়ে রাজনীতি করেছেন বলে আজ দলের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে। আর দলের আদর্শিক যোদ্ধারা মনোনয়ন না পেয়ে হতাশায় নিমজ্জিত হচ্ছে বলে দলের তেরেটা বাজাচ্ছে সবক্ষেত্রে। কেন্দ্রীয় নেতা ও বোর্ডের সদস্যদের নিকট গিয়েছে সামান্য একটা ওয়ার্ড চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য কিন্তু সেই তার ত্যাগের মূল্যায়ন পাবে বলে আশায় বুক বেধে আছে।অধির আগ্রহের সাথে কাজ করে যাচ্ছে সামান্য একজন প্রতিনিধি হওয়ার জন্য আর যেখানে তার ছাত্র প্রছাত্ররা বিভিন্ন জায়গায় এমপি, মন্ত্রী, কেন্দ্রীয় নেতা, সচীব, আমলা, মেয়র, উপজেলার চেয়ারম্যান এমনকি সব জায়গায় তার লোক ভালো পদে অধিষ্ঠিত।সব জায়গায় তার ছাত্ররা ভালো আছে সেখানে আদর্শিক ও পরিক্ষীত আওয়ামী লীগ নেতা হিরুর অবস্থান তেমন ভালো নেই,খুবই অসহায়।সবাই ক্ষমতা আর টাকার নিকট জিম্মি।হিরুর মত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সাবেক ছাত্রনেতা চেয়ারম্যান হলে সুবিধা অনেক । কেননা হিরুর বন্ধুরা সচিব,অতিরিক্ত সচিব বা ভালো পদে আছে। কর্মকর্তাগন তার নিকট কোন বিষয় নয়।শিক্ষিত হিরু ত্যাগী ও আদর্শিক নেতা হিসাবে নিজ গুণে কাজ করতে পারবে। কোন এমপি,মন্ত্রীর দরকার হবে না বিধায় সবাই তাকে সমীহ করে যাবে। এক শ্রেণির নেতারা চামচা আর ক্ষমতার অপব্যবহার করে আজ রাজনীতির তেরেটা বাজাচ্ছে। হিরু ক্ষমতার বাইরে থেকে কিছু পায়নি দলের শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়ে গেছে যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। নিজ স্ত্রী ও অসুস্থ হয়ে মৃত্যু বরন করেন।ক্ষমতার আওয়ামী লীগ তাকে কিছুই দেয়নি শুধু পেয়েছে বিষাদ আর জ্বালা। কোন তদবির ও ব্যবসা করতে পারেনি বলে হিরুরা শুধু আদর্শ নিয়ে বেচে ছিল।জীবনের সুখ নামক তার কাছ থেকে অনেক দুরে।দল ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলেও হিরুরা ক্ষমতার বাইরে ছিল। জীবন সংগ্রাম করতে করতে এক সময়ে জীবন্ত কিংবদন্তি বীর হিরু পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে বিদায় নিয়েছে। আজীবন মানুষেরা হিরুদেরকে হিরু হিসাবে মনে রাখবে।কারণ আদর্শ কাকে বলে তা হিরুর কাছ থেকে শিক্ষা নেওয়া যাবে। ছাত্র জীবনে তার বক্তব্য,মেধা আর কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে ছিল আমার রাজনীতির অনুপ্রেরণা। ঢাকায় আসলে সর্ব প্রথমে আমাকে ফোন দিবে। ক্ষমতার রাজনীতির দৈন্যদশার কথা গুলো বলবে আর সাহসীকতার আদর্শিক রাজনীতির করার জন্য বারংবার উপদেশ দিত।আজ কষ্ট লাগে কারণ চট্রলার ছাত্র রাজনীতির এক আদর্শিক লিজেন্ড বিদায়।বিদায় বীর ছাত্র জনতার অভিভাবক। বিদায় প্রিয় নেতা হিরু।এমন এক কঠিন দুঃসময়ে ছিল তবুও কখনো আপোষ করেননি।নিজের পরিবার কখনো চিন্তা করতনা শুধু দল আর জননেত্রী শেখ হাসিনার চিন্তায় মগ্ন থাকত।অবহেলিত হিরুরা আসলেই হিরু। তার আদর্শ বাস্তবায়নে আমরা মত হাজার হাজার কর্মী এগিয়ে যাচ্ছে। আল্লাহ তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন আমিন।তার আত্ত্বার মাগফেরাত কামনা করছি ও বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।- লেখক: তসলিম উদ্দিন রানা,কলামিস্ট ও রাজনীতিবিদ

আজকের মোট পাঠক

107984

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত