একজন রোগী নিয়ে যাচ্ছিল বিমান, মাঝ আকাশে খুলে পড়ল চাকা

০৭,মে,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের নাগপুর থেকে হায়দরাবাদগামী একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আকাশে থাকা অবস্থায় তার একটি চাকা খুলে মাটিতে পড়ে গেছে। তবে এ ঘটনার পর বিমানটি নিরাপদেই ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন জানাচ্ছে, নাগপুর থেকে একজন রোগী ও একজন চিকিৎসককে নিয়ে হায়দরাবাদ যাচ্ছিল বিমানটি। তবে আকাশে ওড়ার পরই ত্রুটি দেখা যায় এর যন্ত্রাংশে। তার একটি চাকা খুলে মাটিতে পড়ে যায়। এরপর সেটিকে দ্রুত ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং করানো হয়। পরিকল্পনা মতো, মুম্বাই বিমানবন্দরে বিমানটি নামানো হয়। জানা গেছে, ল্যান্ডিং গিয়ার ব্যবহার না করে বেলি ল্যান্ডিংয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন চালক। অর্থাৎ বিমানের চাকা ভেতরে না ঢুকিয়েই তাকে মাটিতে নামিয়ে আনা। সে কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রানওয়েতে ফোমের ব্যবস্থা করেছিলেন বিমানবন্দরের কর্মীরা। চালক কেশরী সিং জানিয়েছেন, যখন দেখলাম বিমানটির চাকা খুলে পড়ে গেছে, তখন বুঝেছিলাম নামতে হলে অনেকটা জ্বালানি পোড়াতে হবে। আমি বেলি ল্যান্ডিংয়ের পক্ষে ছিলাম। তবে জানতাম না রানওয়ের কোনও ক্ষতি হবে কি-না। অবশেষে সব কিছু ঠিক ভাবে হয়েছে। ...

করোনা টিকার পেটেন্ট উন্মুক্তের প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন

০৬,মে,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের টিকার পেটেন্ট সবার জন্য উন্মুক্ত করার প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। বৃহস্পতিবার (৬ মে) এ খবর দিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স। এই সিদ্ধান্ত নিতে প্রেসিডেন্টকে চাপ দিয়েছিলেন ডেমোক্রেটিক দলের আইনপ্রণেতারা। তবে ধারণা করা হচ্ছে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলো এ সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি ক্যাথেরিন টাই এক বিবৃতিতে বলেছেন, করোনা একটি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকট। পরিস্থিতি এখন অস্বাভাবিক, তাই ভিন্ন ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। মেধাসম্পদ উন্মুক্ত হলে বিশ্বজুড়ে টিকার উৎপাদন বাড়বে এবং দরিদ্র দেশগুলোর টিকাপ্রাপ্তির পথ আরও সুগম হবে বলে মনে করা হচ্ছে। বাইডেন প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তেদ্রোস আধানম গ্যাব্রিয়েসুস। তিনি এটিকে করোনা মহামারির বিরুদ্ধে একটি স্মরণীয় মুহূর্ত বলে মন্তব্য করেছেন। নির্বাচনের আগে থেকেই করোনা টিকার মেধাসম্পদ উন্মুক্ত করার কথা বলে আসছিলেন জো বাইডেন। ক্ষমতালাভের পরে সেই অবস্থান বদলাননি তিনি। আগে মেধাসম্পদ উন্মুক্তের প্রস্তাবে তীব্র বিরোধিতা করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন। ...

শপথ নিয়েই যে প্রতিশ্রুতি দিলেন মমতা

০৫,মে,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টানা তৃতীয়বারের মতো ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। বুধবার (৫ মে) স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় ১১টা ২০ মিনিট) শপথ বাক্য পাঠ করেন তিনি। তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল। এদিকে, শপথ নিয়েই মমতা জানালেন, তার প্রথম কাজ হবে রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলা করা। শপথ নেওয়ার পরে নবান্নে গিয়েই করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। মমতা বলেন, আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হল করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মোকাবিলা করা। আমি নবান্নে আলোচনা করব। সমস্ত রাজনৈতিক দলের কাছে আবেদন যে শান্তি বজায় রাখুন। আমি অশান্তি (সহিংসতা) পছন্দ করি না। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটালে কড়া ব্যবস্থা নিতে পিছপা হব না। আমি অশান্তি পছন্দ করি না। ...

কঠোর সমালোচনার পর যুক্তরাষ্ট্রে সর্বোচ্চ ৬২,৫০০ শরণার্থী রাখার অনুমতি বাইডেনের

০৪,মে,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে তার পূর্বসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপ করা সর্বোচ্চ সীমা ১৫ হাজার থেকে শরণার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি করে ৬২ হাজার ৫০০ করার অনুমোদন দিয়েছেন। খবর এএফপির। ট্রাম্পের শাসনামলের সীমা ধরে রাখার ব্যাপারে তার আগের সীদ্ধান্তের জন্য মিত্রদের পক্ষ থেকে বাইডেনের কঠোর সমালোচনার পর এক্ষেত্রে তিনি এ পরিবর্তন আনলেন। এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, এই শরণার্থীর সংখ্যা হ্রাস করে আগের প্রশাসন কর্তৃক ১৫ হাজার নির্ধারণ করা ঐতিহাসিকভাবে কম সংখ্যা ছিল। শরণার্থীদের স্বাগত এবং সমর্থন জানানো একটি দেশ হিসেবে তাতে আমেরিকার মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটেনি। এই নতুন সীমা শরণার্থীদের নেয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা বাড়ানোর ব্যাপারে ইতোমধ্যে চলমান থাকা বিভিন্ন প্রচেষ্টা ফের জোরদার করা হবে ,যাতে আমরা ১ লাখ ২৫ হাজার শরণার্থী গ্রহণের উদ্দেশ্য পূরণ করতে পারি। আর আগামী অর্থ বছরেই আমি এটা নির্ধারণের ব্যাপারে আগ্রহী। গত মাসে হোয়াইট হাউস জানায়, তাদের ট্রাম্প পরবর্তী শরণার্থী কর্মসূচি পুনর্গঠনে আরো সময়ের প্রয়োজন রয়েছে। তাই তারা এ বছরের জন্য শরণার্থীদের ১৫ হাজারের সীমা ধরে রাখবে। এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর একজন শীর্ষ ডেমোক্রেট এবং বিভিন্ন শরণার্থী ত্রাণ গ্রুপ বাইডেনের কঠোর সমালোচনা করে। ...

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ৫০০ মানুষের হাতে ঈদ উপহার

০৭,মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শারীরিকভাবে চলাচলে অক্ষম, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের হাতে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। শুক্রবার (৭ মে) নগরের জিইসি মোড়ের কে স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টারে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যে নির্দেশনা ও পরিকল্পনা নিয়েছেন তারই ধারাবাহিকতায় উন্নয়ন সমতা প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে মানুষের কল্যাণে কাজ করছি আমরা। আগামীতে এ ধরনের কর্মসূচিতে সবার সহযোগিতা করা উচিত। শিক্ষা উপমন্ত্রীর পরিকল্পনায় সাবেক ছাত্রনেতা, ওমরগণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুরঞ্জিত বড়ুয়া লাভুর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় শারীরিকভাবে অক্ষম মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। প্রায় পাঁচশ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষকে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ দেওয়া হয়। সভাপতির বক্তব্যে সুরঞ্জিত বড়ুয়া লাবু বলেন, এসব অসহায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সমাজের উচ্চবিত্ত শ্রেণির মানুষ এগিয়ে আসলেই প্রতিবন্ধী এবং মানুষের মাঝে সমতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। নগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সৌমেন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, নগর যুবলীগের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটির সদস্য নাসির হায়দার চৌধুরী বাবুল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ওমরগণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি মো. ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী। উপস্থিত ছিলেন নগর ছাত্রলীগের সাবেক অর্থ সম্পাদক আবু নাসের চৌধুরী আজাদ, এমইএস কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি নুর উদ্দিন বাহার , নগর ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য শিবু প্রসাদ, আমরা করব জয়ের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ প্রিন্স, যুবনেতা মাহাতাব উদ্দিন, মো. জিহাদ উদ্দিন, কায়সার উদ্দিন, নগর ছাত্রলীগের সহ সভাপতি রুমেল বড়ুয়া রাহুল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. বিন ফয়সাল মিজান, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল করিম, ওমরগণি এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আব্দুর রাকিব, সুজন বড়ুয়া, শামীম আজাদ, কামরুল হাসান শিবলু, জাহিদুল ইসলাম প্রমি, আল আমিন, ইফতাহের আবির, সাইদ আবদুল্লা রকি প্রমুখ।...

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়

০৬,মে,বৃহস্পতিবার,রাজবাড়ী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটজুড়ে ছোট গাড়ী ও যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কোনও তোয়াক্কা করছে না কেউ। গাদাগাদি করে গন্তব্যস্থানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে যাত্রীরা। এসময় ঘাটে ছোট গাড়ীর চাপও বৃদ্ধি পেয়েছে। দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘবিরতির পর শুরু হয়েছে স্থানীয় যাত্রীবাহী পরিবহনগুলোর চলাচল। ঘরমুখি হচ্ছে সাধারণ মানুষ। স্থানীয় গণপরিবহন থাকলেও ছোট গাড়ীর চাপ বেশি রয়েছে। এসময় ভাড়ায় চলাচল করছে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অটো এবং মোটরসাইকেল। এদিকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় ঘরমুখি যাত্রীরা নদী পার হচ্ছেন ফেরিতেই। বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখা সূত্রে জানা যায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে দিনে ৬টি ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি চলাচল করে। রাতে চলাচল করে ছোট বড় ১৫টি ফেরি। এরইমাঝে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ শত পণ্যবাহী ট্রাক ও ১৫ শত ছোট গাড়ী নদী পার হয়েছে বলেও জানায় দৌলতদিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ। ...

মানবতার ফেরিওয়ালা যুবলীগ নেতা বায়েজীদ

০৫,মে,বুধবার,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস শুরু থেকে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সকাল থেকে মাঝরাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন লক্ষ্মীপুর জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ন-আহবায়ক বায়েজীদ ভূঁইয়া। প্রতিদিন নতুন নতুন উদ্যোগ আর সাহায্য সহযোগিতায় তাকে পাশে পাচ্ছেন জেলাবাসী। এসব উদ্যোগের কারণে বায়েজীদ ভূঁইয়া স্থানীয়দের কাছে- মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। কেউ কেউ আবার তাকে 'মানবিক নেতা' বলেও ডাকেন। গেল বছরে করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর জেলায় শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৮৪৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫১ জনের। ফলে শুরু থেকে বেড়েছে ঝুঁকি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় গত মাসের (৫ এপ্রিল) লকডাউন করা হয়েছে লক্ষ্মীপুর জেলা। এর আগে ২০২০ সালে করোনার শুরু থেকে কয়েক বার লকডাউন হয় এ জেলা। এমন পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের লোকজনের চরম দুর্দিন যাচ্ছে। কষ্টে আছেন মধ্যবিত্তরাও। তাদের কথা চিন্তা করে বায়েজীদ ভূঁইয়া ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সে তার উপজেলায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত গরীব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। খাদ্য সামগ্রীর মাঝে ছিল চাল, ডাল, তেল, আলু ও পেঁয়াজ। এদিকে রমজানের শুরু থেকে মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছে। এছাড়া তার ইউনিয়নে মাইকিং ও মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করছেন। সুরক্ষা পোশাকসহ ভিন্ন উপকরণ দিয়ে চিকিৎসকদের সহায়তা করেছেন তিনি। করোনা শুরু থেকে তিনি বিভিন্ন স্থানে নিজ হাতে জীবাণুনাশক স্প্রেও করেন। একই সময় তিনি সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিতরণ করেন প্রায় ৭ হাজার ব্যাগ খাদ্য সামগ্রী। সম্প্রতি তিনি রোজা রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতাকর্মীদের নির্দেশে অসহায় কৃষদের ধান কেটে মাড়াই করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়াসহ কৃষকদেরকে খাদ্যসামগ্রী দিয়েছেন। সদর উপজেলার রায়পুর কেরোয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. আকবর ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির নিউজ একাত্তরকে বলেন, করোনার শুরু থেকে খাদ্য সহায়তা ও ১ম রমজান থেকে ৩০ রমজান পর্যন্ত ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম চলমান রেখেছেন বায়েজীদ। তিনি নিজেই উপস্থিত থেকে নিজ হাতে মানুষের মধ্যে এ সব সামগ্রী বিতরণ করেন। জানতে চাইলে যুবলীগ নেতা বায়েজীদ ভূঁইয়া নিউজ একাত্তরকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের আহ্বানে অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানো আমার কর্তব্য। করোনাযুদ্ধের এই ক্রান্তিলগ্নে খাদ্যসামগ্রী না পেলে অসহায় মানুষগুলো খাদ্য সংকটে থাকতো। এই কারণে আমার নিজস্ব তহবিল থেকে আমি এসব সাহায্য সহযোগীতা করে যাচ্ছি। এসব কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। ...

হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু

০২,মে,রবিবার,দিনাজপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: মে দিবস উপলক্ষে একদিন বন্ধের পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের আবারও আমদানি-রপ্তানিসহ সকল কার্যক্রম চালু হয়েছে। রোববার (২ মে) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশিদ হারুন। সভাপতি জানান, গতকাল শনিবার মে দিবস উপলক্ষে হিলি বন্দরে ভারত থেকে সকল প্রকার আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিলো। একদিন বন্ধের পর ভারত থেকে পণ্য আমদানি শুরু হয়েছে। সভাপতি আরও জানান, আজ সকাল থেকে বন্দরে সব কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়েছে। ভারতীয় ট্রাকের পণ্য আনলোড করে দেশি ট্রাকগুলো লোড হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছেড়ে যেতে শুরু করেছে। ...

বরগুনায় সুবিধাভোগীদের হাতে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী

৩০,এপ্রিল,শুক্রবার,বরগুনা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরগুনায় করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। কর্মহীন পরিবহন শ্রমিক, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার এবং পিছিয়ে পরা তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর হাতে উপহার সামগ্রী তুলে দেন জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) বিকেলে সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে ৩৮৬ জন সুবিধাভোগীদের হাতে এই সহায়তা তুলে দেয়া হয়। উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, তেলসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী। এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর মল্লিক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আশ্রাফুল ইসলাম, বরগুনা পৌরসভার মেয়র কামরুল আহসান মহারাজ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ জাহাঙ্গীর কবীর ও বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুমা আক্তারসহ জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। উপহার সামগ্রী বিতরণের আগে জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা একজন মানুষও যেন নিরন্ন না থাকেন। তাই বরগুনা জেলা সদরসহ সকল উপজেলায় মহামারি কালে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মহীন হয়ে পরা মানুষের মধ্যে এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।...

কানাডায় সরিষা আবাদ বাড়ছে

৩০,এপ্রিল,শুক্রবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্ববাজারে তেলবীজের চাহিদা বেড়েছে। ফলে কানাডায় সরিষার আবাদ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। দেশটির কৃষকরা এ বছর গম ও যব উৎপাদনে কম গুরুত্ব দিচ্ছেন। এতে সরিষা আবাদের জমির পরিমাণ বাড়বে। কমবে গম ও যব আবাদি জমি। সরিষা এবার ব্যাণিজ্যিকভাবেও প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। বুধবার স্ট্যাটিসটিকস কানাডা কর্তৃক প্রকাশিত প্রিন্সিপাল ক্রপ এরিয়াস রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইন ডটকম। স্ট্যাটিসটিকস কানাডা শস্য উৎপাদনের ওপর এ বছরের মার্চে একটি জরিপ চালায়। এ জরিপে দেখা যায়, চলতি বসন্তে কানাডার কৃষকরা ২ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার একর জমিতে সরিষা আবাদ করার লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করেছে। গত বছর ২ কোটি ৭ লাখ ৮৩ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ করা হয়েছিল। সে হিসেবে এবার ৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি জমিতে সরিষা আবাদ করা হবে। শস্যটির প্রাক-প্রতিবেদন বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা ছিল গড়ে ২ কোটি ২৬ লাখ একর। ২০১৭ সালের পর থেকে এবারই প্রথম বছরভিত্তিক হিসাবে সরিষা আবাদকৃত জমির পরিমাণ বেড়েছে। এছাড়া ২০১৮ সালের পর সর্ববৃহৎ এলাকাজুড়ে শস্যটি আবাদ করা হবে। সর্বশেষ পাঁচ বছরের গড় হিসাব অনুযায়ী সরিষার আবাদি জমির গড় পরিমাণ ২ কোটি ১৭ লাখ একর। সরিষা উৎপাদনের দিক থেকে কানাডার সবচেয়ে বড় প্রদেশ সাসকাচ্যুয়েন। এ প্রদেশের কৃষকরা এবার ১ কোটি ১৮ লাখ একর জমিতে সরিষা আবাদের প্রত্যাশা করছেন, এত বছরের তুলনায় যা ৪ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি। আলবার্টা প্রদেশে কৃষকরা সরিষার আবাদি জমির পরিমাণ ৭ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়িয়ে ৬৩ লাখ একরে উন্নীত করার প্রত্যাশা করছেন। তবে মানিটোবা প্রদেশের সরিষা উৎপাদনকারীরা মনে করছেন, এবার এ অঞ্চলে উৎপাদন ৫ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ৩২ লাখ একরে দাঁড়াবে। এদিকে কানাডার কৃষকরা চলতি বছর ২ কোটি ৩২ লাখ ৬০ হাজার একর জমিতে গম আবাদের পরিকল্পনা করছেন। গত বছর আবাদকৃত জমির পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার একর জমি। সে হিসেবে এবার গত বছরের তুলনায় ৭ শতাংশ কম জমিতে আবাদ হবে। গমের প্রাক-প্রতিবেদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ কোটি ৩৭ লাখ একর। স্ট্যাটিসটিকস কানাডার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ১ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার একর জমিতে এবার বসন্তকালীন গম আবাদ করা হবে, যা গত বছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৮ শতাংশ কম। গত বছর আবাদকৃত জমির পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৭৯ লাখ ২৬ হাজার একর। শক্ত প্রজাতির গম আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৭ লাখ ৫ হাজার একর জমিতে। গত বছর এ জাতের গম আবাদ করা হয়েছিল ৫৬ লাখ ৮৯ হাজার একর জমিতে। সে হিসেবে এক বছরে এ জাতের গম আবাদ বাড়বে দশমিক ৩ শতাংশ। শীতকালীন গম আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১২ লাখ ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে।...

বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে ৪৬৭ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

১৮,এপ্রিল,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশকে ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক। প্রাইভেট ইনভেস্টমেন্ট অ্যান্ড ডিজিটাল এন্ট্রাপ্রেনিওরশিপ (প্রাইড) প্রকল্পের আওতায় এই ঋণ দেয়া হবে। এর মধ্যে ৪৬৭ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) আওতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর উন্নয়ন প্রকল্পে খরচ করা হবে, যা ব্যয় হবে এই শিল্পনগর আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য। শনিবার (১৭ এপ্রিল) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় বেজা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ উপলক্ষে বিশ্বব্যাংক ও বেজার মধ্যে ১৩ এপ্রিল প্রকল্প চুক্তি সই হয়। এতে বেজার পক্ষে সই করেন এর নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী এবং বিশ্বব্যাংকের পক্ষে সই করেন আন্তর্জাতিক সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা। প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের ঋণ ৩ হাজার ৯৬৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। প্রকল্পে সরকারি অর্থায়ন ৩৭৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। বেজা বলছে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের আওতাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোয় বেসরকারি বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে উৎসাহিতকরণ এবং দেশব্যাপী অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নের মূলধারায় টেকসইকরণ ও পরিবেশ সহনশীলতা প্রতিষ্ঠা করা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের জোন-২এ ও জোন-২বি এবং পারিপার্শ্বিক অন্যান্য জোনে বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বেসরকারি বিনিয়োগের উপযোগী পরিবেশ তৈরি করা। এ শিল্পনগরকে পরিবেশ সহনশীল গ্রিন অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে টেকসইকরণ এবং পরিবেশ সহনশীলতা নীতি ব্যবহারের উপকারিতা তুলে ধরা। এই শিল্পনগরের আওতাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোয় বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা বলেও উল্লেখ করেছে বেজা। এসব উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে প্রকল্পের আওতায় জোন-২এ ও জোন-২বি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অভ্যন্তরের সড়ক এবং সংযোগ সড়ক মিলিয়ে মোট ৩০ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। স্ট্রম ওয়াটার নিষ্কাশনের জন্য ৩১ কিলোমিটার ড্রেনেজ নেটওয়ার্কের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য ভূমি উন্নয়ন করে শিল্প-স্থাপন উপযোগী করতে প্রায় ৯৯০ একর ভূমি উন্নয়নের প্রস্তাব করা করা হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি ইনভেস্টর ক্লাব এবং একটি ওএসএস কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এছাড়া কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র, নিরবচ্ছিন্ন বৈদ্যুতিক সরবরাহের জন্য ৪টি বৈদ্যুতিক উপকেন্দ্র এবং ২০ কি.মি. সরবরাহ লাইন, উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগসহ টেলিকমিউনিকেশন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাকরণে ২৫ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন, শিল্প কারখানায় গ্যাস সরবরাহের জন্য দুটি ডিআরএসসহ ২৮ কিলোমিটার গ্যাস পাইপলাইন, পানি সরবরাহের জন্য ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ পানির পাইপলাইন এবং ওয়াস্ট ডিসপোজালের জন্য স্যানিটারি পাইপলাইন, অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ইছাখালী খালের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পনগরের সুরক্ষার জন্য প্রায় ৪০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সীমানা প্রাচীর স্থাপনের কাজ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিল্প কারখানার বর্জ্য পরিশোধনে ৪৮ এমএলডি ক্যাপাসিটি সম্পন্ন সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং কঠিন বর্জ্য পরিশোধনে সলিড ওয়াস্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন ছাড়াও বায়োগেস প্ল্যান্ট, ওয়াস্ট সর্টিং অ্যান্ড মেটেরিয়াল রিকোভারি ফ্যাসিলিটিস স্থাপনের পরিকল্পনাও এতে সন্নিবেশিত রয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় শিল্প কল-কারখানায় নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের জন্য রুফটফ এবং ফ্লটিং সোলার প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাছাড়া শিল্প কারখানায় পানির চাহিদা নিরসনে ৩০ এমএলডি ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ডেসেলিনেশন প্ল্যান্ট স্থাপন এবং স্টিমের চাহিদা মেটাতে ১২ দশমিক ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ স্টিম নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হবে এ প্রকল্পের আওতায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের পরিবেশ ও অন্যান্য প্যারামিটার স্ট্যান্ডার্ড পরীক্ষার জন্য এনভায়রনমেন্টাল ল্যাব অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম স্থাপন কাজ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অন্যান্য অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে চাইল্ড কেয়ার অ্যান্ড এমার্জেন্সি হেলথ সেন্টার, এমার্জেন্সি রেসপন্স সেন্টার স্থাপন, শেখ হাসিনা সরোবরের সৌন্দর্য বর্ধন ও সবুজায়ন এবং মসজিদ। বেজা জানায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর দেশের শিল্প খাতের জন্য মডেল হিসেবে কাজ করবে। ৩০ হাজার একরেরও বেশি আয়তনের এ নগরে কর্মসংস্থান হবে অন্তত ১৫ লাখ মানুষের। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক ও শিল্পজোন হিসেবে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বারে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও অর্থনীতির এক মহাজংশন হিসেবে প্রস্তুত হচ্ছে নগরটি।...

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে ২৩ মে

২৯,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী ২৩ মে থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। পূর্বের সিদ্ধান্তই বহাল রেখেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে মোতাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) এক ভার্চুয়াল সংলাপে এ কথা জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের (মাউশি) সচিব মো. মাহবুব হোসেন। সচিব বলেন, করোনার মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আমরা টেলিভিশন, অনলাইন ও রেডিওতে ক্লাস সম্প্রচার শুরু করেছি। তার পাশাপাশি মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের বাসায় অ্যাসাইনমেন্টের কাজ দেয়া হচ্ছে। করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে করোনায় বিপর্যস্ত বাজেট কেমন হওয়া উচিৎ শীর্ষক সংলাপে মাহবুব হোসেন বলেন, করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামী বছরের জাতীয় বাজেটে শিক্ষার বরাদ্দ বাড়ানো হবে। বাজেটে শিক্ষাকে অধিক গুরুত্ব দেয়া হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বাজেটের আকার বড় করলেও সমস্যা সমাধান হয় না, এটি ব্যবহারে পরিকল্পনা, সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। শিক্ষা সচিব বলেন, দেশের পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামী ২৩ মে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া হবে। আমাদের আগের ঘোষণা অনুযায়ী যে সিদ্ধান্ত ছিল তা এখনো বহাল রয়েছে। এটি বাস্তবায়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৫ মার্চ করোনাভাইরাস সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির বৈঠক শেষে ২৩ মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে ও কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ঈদুল ফিতরের পর ২৩ মে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এ সময়ে অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়। একইসঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর কয়েকবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় তা পিছিয়ে যায়। এবারও যদি এমন কোনো পরিস্থিতি না হয় তাহলে ২৩ মে থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। নতুবা এই সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেয়া হতে পারে।...

এসএসসির প্রস্তুতি: পরীক্ষা ছাড়া পাস করাতে চায় না বোর্ড

২৩,এপ্রিল,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত মার্চে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও দেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তা আর সম্ভব হয়নি। তবে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পাঠদান শেষে চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার পরিকল্পনা করেছে সরকার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে হলে বিকল্প চিন্তা করে রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর কবে পরীক্ষা আয়োজন করা হবে সে বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নেহাল আহমেদ বলেন, আমরা পরীক্ষা নিয়েই শিক্ষার্থীদের রেজাল্ট দিতে চাই। সে লক্ষ্যে আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে আমরা শিক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়িয়ে তার আলোকে পরীক্ষা নিতে চাই। তবে করোনার কারণে যদি সেটি সম্ভব না হয় তাহলে আমরা বিকল্প মূল্যায়ন নিয়েও চিন্তা করছি। সেজন্য একটি কমিটি কাজ করছে। কমিটি আমাদের যে প্রস্তাব দেবে আমরা সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেব। এরপর তারা আলোচনা করে বিষয়টি ঠিক করবেন। করোনার কারণে ২২ মে পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ২৩ মে থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হলে ৬০ দিন ক্লাস করিয়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজন করবে শিক্ষাবোর্ডগুলো। এ লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসও প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই সিলেবাসের আলোকে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে।...

আইপিএল স্থগিতের পর অনিশ্চয়তায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

০৫,মে,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইপিএল স্থগিত করার পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়েও চিন্তা ভাবনা শুরু করে দিলো ভারতীয় বোর্ড। আইপিএলে ক্রিকেটারদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর ১৬ দলের বিশ্বকাপ চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে বোর্ডের। এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। জানা গেছে, ভারতীয় বোর্ডের কর্তারা সংযুক্ত আরবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করার ব্যাপারে আলোচনা শুরু করেছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি এখনো ঘোষণা করা হয়নি। বিসিসিআই-এর এক কর্তা বলেন, দেশের ৭০ বছরের ইতিহাসে স্বাস্থ্যের এমন অবস্থা হয়নি। শুরু হওয়ার ৪ সপ্তাহের মধ্যে আইপিএল স্থগিত করে দেওয়া প্রমাণ করে বড় মাপের প্রতিযোগিতা আয়োজন করার মতো দেশের অবস্থা নেই। নভেম্বরে করোনা সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ দেখা দিতে পারে দেশে। সেই সময় টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজন করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। সেই জন্য সংযুক্ত আরবে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে প্রতিযোগিতা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে জুন মাসে আইসিসি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গিয়েছে।...

মেসির জাদুতে বার্সার জয়

০৩,মে,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লা লিগায় শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে মেসি যাদুতে জয়ে ফিরেছে বার্সেলোনা। পিছিয়ে পড়েও আর্জেন্টাইন তারকার জোড়া গোলে ভ্যালেন্সিয়াকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে কাতালানরা। এদিকে, ইপিএলে গ্যারেথ বেলের হ্যাটট্রিকে শেফিল্ড ইউনাইটেডকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে টটেনহ্যাম হটস্পার। ম্যাচের শুরু থেকে বল দখলে রেখে বার্সেলোনা চেপে ধরে ভ্যালেন্সিয়াকে। কিন্তু যোগ্য ফিনিসারের অভাবে গোল পাওয়া হয়নি। এছাড়া ভ্যালেন্সিয়ার রক্ষণও ছিল বেশ জমাট। ৩ মিনিটে এগিয়ে যেতো পারতো বার্সেলোনা। কিন্তু পেদ্রির শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ১২ মিনিটে মেসির ফ্রি-কিক থেকে রোনাল্ড আরাহোর প্লেসিং গোলকিপারের বুকে লেগে প্রতিহত হয়। প্রতি আক্রমণে উঠে ভ্যালিন্সিয়াও সুযোগ পেয়েছিল। তবে গোলের দেখা পায়নি। ২০ মিনিটে গায়ার শট দূরের পোস্ট দিয়ে যায়। ৬ মিনিট পর রাচিচ এর শট গোলকিপার তের স্টেগেন ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রতিহত করেন। ৪৯ মিনিটে গুয়েডেসের শট গোলকিপারের শরীরে লেগে প্রতিহত হয়। কিন্তু পরের মিনিটে ১-০। কর্নার থেকে গ্যাব্রিয়েল পোলিস্তা জোরালো হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। ভ্যালেন্সিয়ার লিড ছিল মোটে ৫ মিনিট। ৫৬ মিনিটে তাদের সব প্রতিরোধ ভেঙে চুরমার। ম্যাচে সমতা আনে বার্সেলোনা। পেনাল্টি থেকে মেসির শট গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দিলেও ফিরতি বলে আবারও মেসি পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি। এরপর বার্সেলোনা আরও দূরন্ত। ৬৩ মিনিটে স্কোরলাইন ২-১। দি ইয়ং এর হেড গোলকিপার ফিরিয়ে দেন,ফিরতি বলে গ্রিজম্যান টোকায় ব্যবধান বাড়িয়ে নিয়েছে অবলীলায়। মেসি ম্যাজিক বুঝি তখনও বাকী ছিল। ৬৯ মিনিটে এই তারকার তার স্বভাবসুলভ ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত গোল করেন। আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ডের শট পোস্টে লেগে জাল কাঁপায়। এ নিয়ে লা লিগায় এই মৌসুমে সর্বোচ্চ ২৮ গোল মেসির। পিছিয়ে পড়ে ভ্যালেন্সিয়াও গোল শোধ দেওয়ার চেষ্টা করেছে। ৮৩ মিনিটে সফলও হয়েছে। বক্সের বাইর থেকে বুলেট গতির শটে ব্যবধান কমান সোলের। বাকী সময়টুকু ৩-২ স্কোরলাইন রেখেই মাঠ ছেড়েছে বার্সেলোনা। আগের ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় এই ম্যাচে ডাগ আউটে ছিলেন না কুমান। আগামী শনিবার পরের রাউন্ডে আতলেতিকোর বিপক্ষে ঘরের মাঠেও তাকে পাবে না বার্সেলোনা। আরেকটি কঠিন লড়াই কোচকে ছাড়াই পাড়ি দিতে হবে তাদের। পরদিন মুখোমুখি হবে শিরোপা লড়াইয়ে থাকা অন্য দুই দল রিয়াল ও সেভিয়া।...

অসহায়দের পাশে তোরসার- দ্য স্মাইল ফাউন্ডেশন

২৬,এপ্রিল,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বন্দর নগরী চট্টগ্রামের মেয়ে রাফাহ্ নানজীবা তোরসা। মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০১৯ মুকুট জয় করেন এবং প্রচলিত রীতি ভেঙে ২০১৯ এবং ২০২০ দুবছর ওনার টাইটেল ধরে আছেন। লন্ডনে অনুষ্ঠিত মিস ওয়ার্ল্ডের মূলপর্বে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন এবং হেড টু হেড রাউন্ডে আনেন সাফল্য। বিউটি পেজেন্ট থেকে বেরিয়ে যেখানে সুন্দরীরা শোবিজ অঙ্গনে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে ব্যস্ত থাকেন সেখানে ব্যতিক্রম তোরসা। সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন ও বিভিন্ন সচেতনতা মূলক কাজে নিজে জড়িত রেখেছেন তোরসা। দ্য স্মাইল ফাউন্ডেশন নামে নিজের একটি সংগঠন আছে তার। বরাবরের মতো এবারও তিনি তার- দ্য স্মাইল ফাউন্ডেশন দেশের কোভিড পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এবার তাদের কর্মসূচীর স্লোগান আসুন মায়া ছড়াই।সারাদেশে তাদের এই কর্মসূচী চলছে। এবারের কোভিড সময়ে রমজান মাসে মানুষদের সেহরী করাচ্ছেন এবং ছোট ছোট এতিম বাচ্চাদের ইফতার করাচ্ছেন। রাফাহ্ নানজীবা তোরসা বলেন, এবারের কার্যক্রম একটু অন্যরকম। কারণ, সচরাচর ইফতার যেখানে কম বেশী সবাই পায় সেখানে সেহরী দেওয়াটাই আমাদের মূল লক্ষ্য এবং রোজার শুরু থেকে আমরা তাই করছি। যদিও আমরা ইফতার ও বিতরণ করি শহর এবং শহর থেকে অনেক দূরে যেখানে ছোট্ট বাচ্চাগুলো ঠিক মতো খেতেই পায়না। এর মাঝে রাস্তায় প্রতি রাতে, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের কার্যক্রম চলছে। আমরা দুটো এতিম খানায় আজকের ইফতার বিতরণ করি। এই মায়া ছড়ানোর কাজ অব্যাহত রাখতে চাই সবার সহযোগীতা। পুরো দেশজুড়ে আমাদের এই কার্যক্রম চলছে। সামনে আমরা ৩০০ পরিবারকে এক মাসের পুরো বাজার করে দিবো পরিকল্পনা করছি। আমি চাই মানুষের কাছে এই ম্যাসেজটা পৌঁছে যাক। আমাদের যে প্রজেক্ট- আসুন মায়া ছড়াই এটা শুধু মাত্র কোভিডের সময় না, সবসময় মানুষের প্রতি মায়াটা থাকে, ভালোবাসাটা থাকে এটাই মূল কথা। এই মায়ার জায়গা থেকে যে যেভাবে সম্ভব যেভাবে পারে ডোনেশন দিয়ে পাশে থাকে। প্রসঙ্গত, গেলো বছর চট্টগ্রাম এবং ঢাকায় বেশ কিছু এলাকায় নিজ উদ্যোগে ৬০০ এর অধিক পরিবার'কে সাহায্যএবং এলাকায় রাস্তায় পশুপ্রাণীদের খাওয়ানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন।এবং প্রশাসনের মাধ্যমে অনেক পরিবারের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেন।তাদের দ্য স্মাইল ফাউন্ডেশন মূলত তিনটি বিষয়কে ফোকাস করে। ভ্যালু বেজড এডুকেশন,মানসিক স্বাস্থ্য ও পরিবেশ। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয়ের ছাত্রী রাফাহ্ নানজীবা তোরসা বহু গুণের অধিকারিনী। অভিনয়,নৃত্য,আবৃত্তি,অংকন,বিতর্ক ও উপস্থাপনায় বেশ পারদর্শী। ৩ বছর বয়স থেকেই তিনি সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন। ২০১০ সালে জাতীয় শিশু প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরষ্কার গ্রহণ করেন। একই বছরে মার্কস অলরাউন্ডার্স প্রতিযোগিতায় ১০লক্ষ প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে রানার্সআপ হয়ে ছিলেন। ২০০৯ ভরতনাট্যম নাচে স্বর্ণপদক অর্জন করেছিলেন।...

২১ দিন পর করোনামুক্ত হলেন নায়ক রিয়াজ

২৩,এপ্রিল,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নায়ক রিয়াজ সুস্থ হয়েছেন। ২১ দিন পর তিনি করোনা থেকে মুক্ত হলেন। নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন রিয়াজ। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে নিজের করোনা মুক্তির খবর নিশ্চিত করে রিয়াজ লেখেন, দীর্ঘ ২১ দিন পর করোনা নেগেটিভ হলাম আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহ পাকের কাছে অনেক শুকরিয়া। স্ত্রী তিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ধন্যবাদ তিনা, গভীর মমতা নিয়ে পাশে থাকার জন্য। আমার ছোট্ট মেয়েটা, আমার বুকে ঝাপ দিতে না পেরে, সারাক্ষণ আল্লাহকে বলেছে তার বাবাকে সুস্থ করে দিতে। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা পরিবারের সদস্য যারা নিয়মিত খোঁজ নিয়েছেন, খাবার পাঠিয়েছেন, দোয়া করেছেন। প্রিয় ভক্ত, বন্ধু, সহকর্মী, সাংবাদিক ভাই আপনাদের সবার ভালোবাসার কাছে আবারও ঋণী হয়ে রইলাম। সবাইকে করোনা থেকে সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়ে একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী নায়ক রিয়াজ আরও লিখেছেন, ‘সকল আক্রান্ত মানুষ দ্রুত আরোগ্য লাভ করুক, স্বজনহারা পরিবারকে সমবেদনা। করুণাময়, এই ভাইরাস থেকে মানবজাতি দ্রুত মুক্তি পাক, এই কামনা। প্রসঙ্গত, রিয়াজ বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে বঙ্গতাজ তাজউদ্দিন আহমদের চরিত্রে অভিনয় করছেন। এপ্রিলের শুরুতে তার মুম্বাই যাওয়ার কথা ছিল এ সিনেমার শুটিং করতে। তার আগে নিয়মমাফিক করোনা টেস্ট করাতে গেলে গত ২ এপ্রিল ফলাফল আসে, করোনা পজিটিভ। তারপর থেকে নিজ বাসাতেই আইসোলেটেড থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন রিয়াজ।...

হাতিরঝিলে কিশোরদের উপদ্রব আটক ৫৫

২৮,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ক্রাইম প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘিঞ্জি ঢাকায় একটু মুক্তভাবে হেঁটে বেড়ানোর জায়গা নেই বললেই চলে। তবে এই অভাবটা কিছুটা হলেও পূরণ করেছে হাতিরঝিল। কিন্তু দিন দিন সেটাও হয়ে পড়েছে অরক্ষিত। কোলাহল তো বেড়েছেই, সেই সঙ্গে বেড়াতে আসা মানুষকে নানাভাবে উত্যক্ত করছে কিশোরদের কয়েকটি দল। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ৫৫ জন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) এআইজি মো. সোহেল রানা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা একজন গতকাল (২৭ জানুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে হয়রানির শিকার হওয়ার একটি অভিযোগ দেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে হাতিরঝিল লেক ও লেক সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিকেল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ব্যাপক অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় ৫৫ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ৩ জনের কাছে ৮ পিস, ১২ পিস ও ২৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও গণ-উপদ্রব ও অহেতুক হৈচৈ করার কারণে ১৬ জনের বিরুদ্ধে ডিএমপি অর্ডিন্যানস অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৬ জনকে শর্তসাপেক্ষে অভিভাবকের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এআইজি আরো বলেন, সন্তান যেনো কোনো অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দরকার পড়লে পুলিশের সহায়তা নিতে হবে। ...

অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যসহ ১১ জন বরখাস্ত

২জুন,মঙ্গলবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে একদিনেই ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিভাগটি। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যান, একজন পৌরসভার কাউন্সিলর ও ৬জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দরিদ্র মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাঁদের মধ্যে চারজন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ছয়জন ইউপি সদস্য এবং একজন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানেরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপির মো. আনোয়ারুল হক, একই জেলার বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউপির হাজী মো. কাজল ভূইয়া, বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউপির মো. শাহনেওয়াজ এবং নলটোনা ইউপির হুমায়ুন কবীর। বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিংপুর ইউপির চেয়ারম্যান করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় ত্রাণকাজে সহায়তা না করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। বাজিতপুরের হালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ ছাড়া করোনোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি, এপ্রিল মাসের ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ না করা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে ব্যর্থ হওয়া এবং কারণ দর্শানোর পরিপ্রেক্ষিতে নিজে জবাব প্রদান না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়া। বরগুনার এম বালিয়াতলী ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে মৎস্য ভিজিএফের চাল ৮০ কেজির জায়গায় ৬০ কেজি দেওয়া এবং তালিকার বাইরেও অন্যদের চাল দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। নলটোনা ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, ভুয়া টিপসইয়ের মাধ্যমে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলার মজলিশপুর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারিছ মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাছান মিয়া, বরগুনা জেলার সদর উপজেলাধীন নলটোনা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হারুন মিয়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হানিফ, ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. রানী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. ছাবিনা ইয়াসমিন। বরখাস্ত হওয়া পৌরসভার কাউন্সিলর হলেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোলাইমান বাবুল।...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি। ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন

২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষারর্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হতে বিরত থাকুন। মার্চ ২০২০ হতে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শুরু হয়। পর্যবেক্ষণ দেখা যায় শীত প্রধান অঞ্চলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণ বেড়েই চলছে। আমাদের দেশ ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল দেশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি বেসরকারি ব্যাক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণায় দেশবাসী সচেতন হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলছে। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। সামনে শীত মৌসুম। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা একেবাড়ে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন মহল বিশিষের দাবীর মুখে একাধিক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানা যায় সদাসয় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির পরিক্ষা ও ক্লাস শুরু করার তথ্য। অবশ্যই এই উদ্যেগ ভাল। কিন্তু এ মুহূর্তে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক ও ছোঁয়াছে রোগ। এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা অত্যন্ত জটিল। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের দেশের সরকার শত চেষ্ঠার পর সম্পূর্ণ সফল হতে পারেনি। অবশ্য আংশিক সফলতা, যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সাধুবাদ। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কৃতজ্ঞতাচিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছিও। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী অনেক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্লাস করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই সকল দিকে বিবেচনা করে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাস শুরু না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।- ...

খালেদার চিকিৎসায় ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন

২৮,এপ্রিল,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হাসপাতালে ভর্তি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সাত এবং তার ব্যক্তিগত তিন চিকিৎসকসহ ১০ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। বুধবার (২৮ এপ্রিল) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, তার কিছু পরীক্ষা হয়েছে। কালকে (বৃহস্পতিবার) কিছু পরীক্ষা হবে। সেই রিপোর্টগুলো পর্যালোচনা করে ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) চিকিৎসার প্ল্যান (পরিকল্পনা) সম্পন্ন হবে। এরপর ম্যাডামকে বাসায় আনার সিদ্ধান্ত হবে। ডা. জাহিদ বলেন, ম্যাডামের অবস্থা স্ট্যাবল আছে। আমরা খুব আশাবাদী তিনি খুব দ্রুত বাসায় ফিরবেন। আজ মেডিকেল বোর্ড ম্যাডামের কিছু পরীক্ষা করেছে। তারা আরও কিছু পরীক্ষার সুপারিশ করেছে। বুধবার রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যান, ইসিজি, ইকো প্রভৃতি হৃদরোগের পরীক্ষা হয়েছে উল্লেখ করে ডা. জাহিদ বলেন, এর আগে গত ১৫ এপ্রিল ম্যাডামের সিটি স্ক্যানে ফুসফুসে অত্যন্ত মিনিমাম (কম) সংক্রমণ ছিল। কিন্তু গতকালের সিটি স্ক্যানে বিন্দুমাত্র ইনভলভমেন্ট (সংক্রমণ) নেই। কাজেই এটা ভালো দিক। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ম্যাডামের করোনার কোনো উপসর্গ নেই। আপনার জানেন আন্তর্জাতিক নিয়মে আছে কারো করোনা আক্রান্তের দুই সপ্তাহ পার হলে তার থেকে অন্যরা সংক্রমিত হয় না। সেই হিসাবে ম্যাডামের ২০ দিন চলে। এখন ম্যাডামের অন্য চিকিৎসা চলছে সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসক আল মামুন, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার ও শায়রুল কবির খান। ...

চাঁদ দেখা গেছে, রোজা বুধবার

১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের আকাশে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) চাঁদ গেছে। বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস শুরু হবে। মঙ্গলবার রাতে তারাবি নামাজ আদায় ও শেষ রাতে সেহরি খেয়ে বুধবার প্রথম দিনের রোজা পালন করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ফরিদুল হক খান সভাপতিত্ব করেন। সভা থেকে ঘোষণা করা হয় ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস ও লাইলাতুল কদরের তারিখ। এদিকে মালয়েশিয়া, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশে গত সোমবার (১২ এপ্রিল) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে দেশগুলোতে মঙ্গলবার থেকে রোজা শুরু হয়েছে। ইসলামিক বিধান অনুযায়ী রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ায় গত সোমবার দিনগত রাতে সেহরি খেয়ে মঙ্গলবার রোজা রাখছেন ওইসব দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়। ওইসব দেশের পরদিনই বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ পালন করা হয়। সে হিসাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যাবে বলে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আগে থেকে রোজা পালন ও তারাবি নামাজের প্রস্তুতি নিয়েছেন। ...

রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ডায়াবেটিসও কমায় ধনে পাতা

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে সবসময় পাওয়া যায় ধনেপাতা। অনেকেই তরকারির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আবার ভর্তায়ও জায়গা করে নেয় এই সুগন্ধি পাতা। এতো গেল রসনাবিলাসের কথা। কিন্তু জানেন কি, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধনেপাতার রয়েছে একগুচ্ছ ঔষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল। যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসের দরুণ আমাদের শরীরে রোজ তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এর থেকে শরীরে বহু দূরারোগ্য অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে'র জোগান দেয় এই পাতা। শুধু তাই নয়, এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে অব্যর্থ ওষুধ। দিল্লির এইমস-এর গবেষণাগারে রিউম্যাটিক আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের পায়ে ধনেপাতার রস প্রবেশ করালে তার শরীরের জ্বলন ও ফোলা ভাব দূর হতে দেখা গিয়েছে। ...

সুস্থ থাকতে আঁশযুক্ত খাবার খান

২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আঁশযুক্ত খাবার এমন একটি খাদ্য উপাদান যা দেহের নানা কাজ সুষ্ঠুভাবে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমানে আঁশযুক্ত খাবার খেলে তুলনামুলকভাবে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা যায়। আর খাবারে এই উপাদানের ঘাটতি হলে শরীরে নানা ধরনের বিপত্তি ঘটে। ভুট্টা, শিম, বাঁধাকপি, জাম, ওট, ব্রকলি,আপেল, কলা, কমলা, বাদাম ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমানে আঁশ পাওয়া যায়। আঁশযুক্ত খাবার খেলে অল্পতেই পেট ভরে যায়। একারণে ঘন ঘন খাবার প্রবণতা কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গবেষকরা বলছেন, যারা প্রতিদিন ২৬ গ্রামের বেশি আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম। আরেক গবেষণায় এটা প্রমানিত হয়েছে, যারা প্রতিদিন ৭ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় কিছুটা হলেও কমে যায়। প্রতিদিন ১০ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের সম্ভাবনা ১০ ভাগ কমিয়ে দেয় এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি শতকরা ৫ ভাগ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় এটাও দেখা গেছে, যারা আঁশসমৃদ্ধ শস্যজাতীয় খাবার গ্রহণ করেন তারা অন্যদের তুলনায় দীর্ঘায়ু হন। যেকোন ধরনের কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আঁশযুক্ত খাবার দারুন কার্যকরী। এছাড়া শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় টক্সিন বের করতে প্রাকৃতিভাবেই কাজ করে এই জাতীয় খাবার। কিছু কিছু আঁশযুক্ত খাবার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। ফলে হাড় মজবুত থাকে। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি।


রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ডায়াবেটিসও কমায় ধনে পাতা

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে সবসময় পাওয়া যায় ধনেপাতা। অনেকেই তরকারির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আবার ভর্তায়ও জায়গা করে নেয় এই সুগন্ধি পাতা। এতো গেল রসনাবিলাসের কথা। কিন্তু জানেন কি, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধনেপাতার রয়েছে একগুচ্ছ ঔষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল। যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসের দরুণ আমাদের শরীরে রোজ তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এর থেকে শরীরে বহু দূরারোগ্য অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে'র জোগান দেয় এই পাতা। শুধু তাই নয়, এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে অব্যর্থ ওষুধ। দিল্লির এইমস-এর গবেষণাগারে রিউম্যাটিক আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের পায়ে ধনেপাতার রস প্রবেশ করালে তার শরীরের জ্বলন ও ফোলা ভাব দূর হতে দেখা গিয়েছে।

ভাষাসৈনিক ডঃ মাহাফুজুল হক চট্রলা তথা বাংলাদেশের অমুল্য সম্পদ ছিলেন

১১,এপ্রিল,রবিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: বীর পটিয়া তথা চট্রলা নয় বাংলাদেশের আদর্শিক ও মেধাবী সংগঠক ছিলেন ভাষাবিদ ডঃ মাহাফুজুল হক। বাল্যকাল থেকে অত্যন্ত মেধাবী ও দক্ষ সংগঠক হিসাবে স্কুল,কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তার কর্মকাণ্ডে পরিচয় বহন করে।১৯৩১সালের ১লা এপ্রিল চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা জিরি ইউনিয়নে কৈয়গ্রাম গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা এলাকায় শিক্ষাবিদ ও পোষ্টমাষ্টার নামে খ্যাত ছিলেন এস আহমদ হোসেন ও মাতা মোছাম্মৎ চেমন খাতুন। পিতার আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে শিক্ষার মশাল জ্বালানোর জন্য স্কুল জীবন থেকে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ডঃ মাহাফুজুল হক। শৈশব,কৈশোর ও জীবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেন চট্রগ্রাম ফিরীঙ্গাবাজার এলাকায়।আলকরণ স্কুল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে চট্রগ্রাম মুসলিম হাই স্কুলে থেকে এসএসসি ও চট্রগ্রাম কলেজ থেকে আইএসসি ও বিএতে ভর্তি হয়ে ডিষ্টিংশন নিয়ে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ ও একই সাথে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন।১৯৬১ সালে ৯ সেপ্টেম্বর এডওয়ার্ড ডব্লিউ হাজেন বৃত্তি নিয়ে আমেরিকা যান এবং নিউইয়র্কে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের উপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষার সাথে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পরিসরে তার অবাধ বিচরন ছিল অসাধারণ। বীর চট্রলার ছিলেন বিপ্লবের সূতিকাগার,স্বাধীনতা জন্মভূমি,মাষ্টার দা সূর্য সেন,প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ও মনিরুজ্জামান ইসলামবাদী,বার আউলিয়ার পুন্যভুমি নামে খ্যাত।এই চট্রগ্রামে বহু প্রতিভা ও সুর্য সন্তান জন্মগ্রহণ করেন তার মধ্যে অন্যতম প্রতিভার অধিকারী ছিলেন ভাষাবিদ ডঃ মাহাফুজুল হক। ইতিহাসে তার নাম আজীবন স্মরণ হয়ে থাকবে ভাষাসৈনিক হিসাবে।যা বিরল ঘটনা ও ইতিহাসের অংশ। রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনে তার অগ্রনী ভুমিকা অতুলনীয়। মা,মাতৃভুমি ও মাতৃভাষা হল আমাদের প্রাণ। আর মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠা করার জন্য আন্দোলন সংগ্রামে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছে এমনকি বাংলা ভাষার প্রচলন সমিতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। ছাত্র অবস্থায় ছাত্র রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছে বিধায় তিনি নিখিল বঙ্গ ছাত্রলীগের চট্রগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পাকিস্তানের বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে নেতত্বে দিয়েছেন। ডঃ মাহাফুজুল হক ঐতিহাসিক তমুদ্দন মজলিশের চট্রগ্রামের অন্যতম ব্যক্তি ছিলেন বলে পাকিস্তান তমুদ্দিন মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। এসময় তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মুকুল ফৌজ নামক সংগঠনের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন যা যুগান্তকারী ঘটনা। ১৯৫৪ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে চট্রগ্রাম যুক্তফ্রন্টের কর্মী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে। তার অসম্ভব দুরদর্শিতা,সুষ্ঠু পরিকল্পনা,দক্ষতা ও পরিশ্রমের কারণে যুক্তফ্রন্ট নিরংকুশ জয়লাভ করেন এবং মুসলিম লীগের ভরাডুবি হয়েছে। অসম্ভব মেধাবী,সুবক্তা,সাংগঠনিক দক্ষতা ও কর্মদক্ষতার জন্য অল্প বয়সে চট্রগ্রামে রাজনৈতিক অঙ্গনে জনপ্রিয়,মানুষের ভালবাসা ও কারিসম্যাটিক নেতা হিসেবে সুপরিচিত লাভ করেন।চট্রগ্রামে তার কথা সব জায়গায় আলোচনা করেন পরবর্তীতে তিনি সবার শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। যা বীর চট্রলার মানুষ তাকে আপন হিসেবে খুব ভালবাসত। ১৯৫১ সালে ১৯ ফ্রেব্রুয়ারীতে মেডিকেল ছাত্র-ছাত্রীদের এমবিবিএস পড়ার সুযোগ দানের জন্য সারা বাংলাদেশে যে সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়েছিল তার চট্রগ্রাম কমিটির প্রধান ছিলেন ডঃ মাহাফুজুল হক। তার নেতত্বে চট্রগ্রামে আন্দোলন,ধর্মঘট ও সংগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়।এর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে পাই যা ইতিহাসের মাইলফলক। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকালে ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।বিভিন্ন সময় আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে বহুবার পাকিস্তানের জান্তা বাহিনী পুলিশ কতৃর্ক হয় এমনকি পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যুর সংবাদ প্রচার হয় যা পরবর্তীতে ভুল ছিল বলে প্রমাণ হয়।সেসময় চট্রগ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিমণ্ডলের বাইরে সাহিত্য সাধনায় তার অবাধ বিচরন ছিল অসাধারণ।তার সাহিত্যে সাধনার বহু ফসল ততকালের পত্র-পত্রিকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। আমাদের সাহিত্যে ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এবং ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ,বাঙালী জাতির সংস্কৃতির সত্যিকারের রুপায়ন ও সর্বোপরি মাতভাষা বাংলার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও প্রতিষ্ঠাই ছিল এ মহান সাধকের অভীষ্ট লক্ষ্য ছিল। ১৯৫৬ সালে তার লেখা সাংস্কৃতিক পুর্নগঠন শীর্ষক এক সুদীর্ঘ প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়।যা বাঙালী জাতির জন্য এক অমুল্য সম্পদ।তার প্রবন্ধে বলেছিলেন রাজনৈতিক স্বাধীনতা জাতীয় জীবনে মূল্যহীন হয়ে পড়ে যদি তার সঙ্গে সাংস্কৃতিক আজাদী ও অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব না হয়।কারণ শিল্পী ও সাহিত্যিকরা শুধু সমাজে নিরপেক্ষ ব্যক্তি নন বরঞ্চ তারাই সমাজের সচেতন প্রতিনিধি। ১৯৬৫ সালে পুর্ব পাকিস্তান বাংলা প্রচলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। এসব সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে তিনি পত্রিকার সম্পাদক কাজেও জড়িত ছিলেন। তার সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য পত্রিকা হচ্ছেউ সাপ্তাহিক ইঙ্গিত, দ্যুতি ও সাপ্তাহিক সৈনিক। এগুলোর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের তথা বাংলা ভাষার প্রচলন করে দেশের জন্য কাজ করেছেন।যা আমাদের অমুল্য সম্পদ বললে চলে।তার কর্মদক্ষতা ছিল বলে তিনি জ্ঞান গরিমার মাধ্যমে আলোকিত মানুষ হিসাবে বাংলা ভাষার প্রতি অনুরাগী ছিলেন বলে আজ আমরা গর্বিত। রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলার বাঘ খ্যাত শেরে বাংলা একে ফজলুল হক,গণতন্ত্রের মানস পুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্নেহধন্য উত্তরসুরী হিসাবে কাজ করেছেন।তাদের আদর্শ বাস্তবায়নে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলার পথ প্রান্তরে প্রতিটি এলাকায় কাজ করেছেন। ছাত্র অবস্থায় তিনি চট্রগ্রামের দক্ষ সংগঠক হিসাবে স্কুল, কলেজ ছাত্র রাজনীতির করেছেন যা তার কর্মে পরিচয় বহন করে। তিনি আজীবন মৃত্যুঞ্জয়ী অকুতোভয় দুঃসাহসীক ছাত্রনেতা ছিলেন।নেতার আদর্শ বাস্তবায়নে করতে জীবনের মুল্যবান সময় ব্যয় করে কাজ করেছেন। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে রাজনীতি করেছেন বিধায় আজীবন মানুষের মণিকোঠায় তার নাম স্থান করে নিয়েছে। তার কর্ম গুনে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।তন্মধ্যে ডঃ মাহাফুজুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কাউন্সিল সদস্য,পাকিস্তান লেখক সংঘের সাধারণ সম্পাদক,পাকিস্তান রাইটার্স গিল্ট ও কিশোর মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব পালন করেছেন। এসব দায়িত্ব পালনে তার চতুর্মুখী প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে এমনকি তিনি মেধা মনন ও কর্মদক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। আজীবন বাংলা আর বাঙালী জাতির জন্য তিনি নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশ্বে বাংলা ভাষাকে মর্যাদার আসীন করে চট্রলা তথা বাংলাদেশকে মর্যাদার আসীন করেছে। তার তীক্ষ্ণ লেখনীতে সব কিছু ফুটিয়ে তুলে বাংলার মর্যাদা বীরোচিত ও পাঠকপ্রিয় হিসাবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট হয়েছে। মানুষ মানুষের জন্য একথাটি মনে রেখে বাংলা ভাষার জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে সর্বশক্তি দিয়ে মিছিল মিটিংয়ের অগ্রভাগে থেকে প্রতিটি লড়াই সংগ্রাম করে যাওয়া নাম পটিয়ার সূর্য সন্তান ডঃ মাহাফুজুল হক। সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আহত হয় যা মায়ের ভাষা আন্দোলনের পুরোধা ছিলেন বলে তা সম্ভব হয়।আজীবন মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে যাওয়া হল আসল কাজ সেটি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন।রাজনৈতিক জীবনে চট্রগ্রাম থেকে উঠে আসা যোদ্ধা সর্বশেষ ঢাকায় এসে নেতৃত্ব দেয়।তারুণ্যের বাধ ভাঙা উচ্ছ্বাস নিয়ে ছাত্র জীবনে ছিল তার জন্য উপযুক্ত সময় বলে দেশপ্রেমের কারণে সব জায়গায় কাজ করেছে। কোন কিছুর ভয় তাকে আটকাতে পারিনি। সব জায়গায় সফল মানুষ হিসাবে দেশপ্রেমিক লোক হিসাবে আজ প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।আর সাহিত্য সংস্কৃতির যবনিকাপাত হয় অল্প সময়ে। তিনি যদি আরও বেচে থাকত তাহলে আরও উপরে আসনে অধিষ্ঠিত হত আর বাঙালী জাতী লাভবান হত।পরিবার পেত সন্তান আর আমরা পেতাম একজন মেধাবী সাহিত্য সংস্কৃতির লোক।১৯৬৬ সালে ২ ফ্রেব্রুয়ারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস কনফারেন্স অংশগ্রহণ করতে গিয়ে ফরিদপুরে হেলিকপ্টার বিধ্বংস হয়ে অকালে ঝরে গেল পটিয়া,চট্রলা তথা বাংলাদেশের অমুল্য সম্পদ সাহিত্যিক,ভাষাবিদ ডঃ মাহাফুজুল হক। তার অকাল মৃত্যুতে দেশ হারাল অমুল্য সম্পদ আর পরিবার হারাল মেধাবী সন্তান। অকাল মৃত্যুতে দেশে কালো ছায়া নেমে আসে।চট্রগ্রামের শোকের মাতম হয় যা বর্ননাতীত।আজীবন চট্রলার মানুষ আপনাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে রাখবে।আপনার কর্ম গুনে আপনি মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছ।আপনার হারানোর শোক আজও আমাদেরকে আন্দোলিত করে। আপনি ভুলবার নয় তবুও আল্লাহর ডাকে সবাইকে চলে যেতে হবে তেমনি আপনিও।আপনি সম্পক্তি নয় দেশ জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ ছিলেন। বাঙালী তথা বীর চট্রলাবাসী শ্রদ্ধায় অবনত করে আপনাকে শ্রদ্ধা করে। স্যালুট বীর চট্রলার বীর সন্তান ডঃ মাহাফুজুল হক,স্যালুট বীর পটিয়ার গর্বিত সন্তান ডঃ মাহাফুজুল হক।- লেখক - তসলিম উদ্দিন রানা,কলামিস্ট ও রাজনৈতিক নেতা।

আজকের মোট পাঠক

36120

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত