টানা তিন দিন রেকর্ড মৃত্যু দেখল মার্কিনিরা

০৪ডিসেম্বর,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভ্যাকসিন আবিষ্কারের সুখবর মিললেও করোনা পরিস্থিতির আশার আলো নেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। টানা তিন দিন রেকর্ড মৃত্যুর ঘটনা ঘটল দেশটিতে। গত একদিনে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে ট্রাম্পের দেশে। ভয়াবহ অবস্থা সংক্রমণেও। ফের রেকর্ড শনাক্তে করোনা রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৪৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। উন্নতি নেই সুস্থতার হারে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার নিয়মিত পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২ লাখ ১৮ হাজার ৫৭৬ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ৪৫ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬ জনে দাঁড়িয়েছে। নতুন করে প্রাণ হারিয়েছেন ২ হাজার ৯১৮ জন। এ নিয়ে প্রাণহানি বেড়ে ২ লাখ ৮২ হাজার ৮২৯ জনে ঠেকেছে। অপরদিকে, সংক্রমণের তুলনায় কম হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ৯৮ হাজার ভুক্তভোগী প্রায়। এতে করে সুস্থতার সংখ্যা ৮৫ লাখ ৬১ হাজার ৪২৭ জনে পৌঁছেছে। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি শিকাগোর এক বাসিন্দার মধ্যে প্রথম করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর থেকে ক্রমান্বয়ে ভয়ানক হতে থাকে পরিস্থিতি। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ধারণা ইতোমধ্যে তাদের দেশের অন্তত ২০ মিলিয়ন (দুই কোটি) মানুষ করোনার শিকার হয়েছেন। দ্য সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) বলছে, প্রকৃত তথ্য হলো, প্রকাশিত সংখ্যার অন্তত ১০ গুণ বেশি মানুষ করোনার ভয়াবহতার শিকার। এর মধ্যে সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হার দীর্ঘ হচ্ছে টেক্সাসে। এ শহরে আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ লাখ ১৭ হাজারের বেশি। যেখানে প্রাণহানি ঘটেছে ২২ হাজার ৭২৯ জনের। ক্যালিফোর্নিয়ায় সংক্রমিতের সংখ্যা ১২ লাখ ৯১ হাজারের বেশি। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৯ হাজার ৫৮৮ জনের। ফ্লোরিডায় করোনার শিকার ১০ লাখ ২৯ হাজারের বেশি মানুষ। ইতোমধ্যে সেখানে ১৮ হাজার ৮৭৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। ইলিনয়েসে এখন পর্যন্ত করোনার ভুক্তভোগী ৭ লাখ ৬০ হাজার প্রায়। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১৩ হাজার ৬২৫ জন। প্রাণহানিতে শীর্ষ শহর নিউইয়র্কে আক্রান্ত ৭ লাখ ১৩ হাজারের বেশি। এর মধ্যে না ফেরার দেশে ৩৪ হাজার ৮২৯ জন ভুক্তভোগী। জর্জিজায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৪ লাখ ৮৮ হাজার। এর মধ্যে প্রাণ ঝরেছে ৯ হাজার ৬৪৮ জনের। নিউ জার্সিতে করোনার শিকার ৩ লাখ ৬০ হাজার মানুষ। এর মধ্যে প্রাণহানি ঘটেছে ১৭ হাজার ৩৪৬ জনের। এছাড়া উত্তর ক্যারোলিনা, টেনেসিস, উইসকনসিন, অ্যারিজোন, ওহিও, পেনসিলভেনিয়া, মিশিগানের মতো শহরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়েছে।...

এক সপ্তাহেই দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড়ের কবলে শ্রীলংকা ও ভারত

০৩ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলংকা ও দক্ষিণ ভারত এক সপ্তাহের মাঝে দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়েছে। বঙ্গোপসাগর থেকে তৈরি হওয়া এ ঘূর্ণিঝড়টির নাম বুরেভি। খবর এএফপি। আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, বুধবার রাতে ১০০ কিলোমিটার (৬০ মাইল) বেগে শ্রীলংকায় আঘাত হানার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারতে প্রবেশ করবে। এ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তীব্র ঝড়সহ ২০ সেন্টিমিটার (৮ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে তিনদিনের জন্য শ্রীলংকার দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের স্কুল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলেদের সমুদ্রে যেতেও নিষেধ করা হয়েছে। এদিকে ভারতের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স (এনডিআরএফ) মঙ্গলবার বলেছে, তারা তামিলনাড়ু ও কেরালায় ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় ২৪টি দল মাঠে নামিয়েছে। পাশাপাশি ভারতের আবহাওয়া বিভাগ দুটি রাজ্যের অনেকগুলো জায়গায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে এবং শুক্রবার পর্যন্ত অনেক জায়গাতে মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এক টুইটারে গতকাল এনডিআরএফের ডিরেক্টর জেনারেল বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের জন্য আমরা প্রস্তুত।...

বাড়ছে উত্তেজনা, হাইপারসোনিক মিসাইল তৈরির পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া

০২নভেম্বর,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চীন ও রাশিয়ার হুমকির জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে শব্দের বেগের চাইতে ৫গুন গতি সম্পন্ন হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। বার্তা সংস্থা আলজাজিরার বরাতে জানা যায়, অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিন্ডা রেনল্ডস বলেন, আগ্রাসী তৎপরতার জবাব দিতে আমরা প্রতিরক্ষা বাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ বাড়ানো অব্যাহত রাখব। তবে সমীক্ষকদের ধারণা, মিসাইল উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা,শুধু উত্তেজনাকেই বাড়াবে। অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই দ্বিপাক্ষিক প্রকল্পটিকে গেম-চেঞ্জিং সক্ষমতা বলে অভিহিত করেছেন, তবে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কবে থেকে কার্যকর হবে তা জানাননি।তিনি আরও বলেন, আমরা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত আন্ডার সেক্রেটারি অফ ডিফেন্স মাইকেল ক্র্যাটিসিয়োস বলেন, এই প্রকল্পটি আনুষ্ঠানিকভাবে সাউদার্ন ক্রস ইন্টিগ্রেটেড ফ্লাইট রিসার্চ এক্সপেরিমেন্ট (এসসিএফআইআরই) নামে পরিচিত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ান সামরিক বাহিনীর ১৫ বছরের প্রচেষ্টায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। ...

করোনায় ২ লাখ ৭৪ হাজার মার্কিনির মৃত্যু

০১নভেম্বর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাণঘাতি করোনার অব্যাহত তাণ্ডবে নতুন করে আরও ১২শ মার্কিনির প্রাণহানি ঘটেছে। এতে করে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২ লাখ ৭৪ হাজার ছাড়িয়েছে আজ। একইসঙ্গে আরও দেড় লাখের বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। তবে পিছিয়ে সুস্থতার হার। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটার নিয়মিত পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ লাখ ৬১ হাজার ৫৬৮ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ১ কোটি ৩৯ লাখ ১৯ হাজার ৮৭০ জনে দাঁড়িয়েছে। নতুন করে প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ২৩৮ জন। এ নিয়ে প্রাণহানি বেড়ে ২ লাখ ৭৪ হাজার ৩৩২ জনে ঠেকেছে। অপরদিকে, সংক্রমণের তুলনায় কম হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ভুক্তভোগী। এতে করে সুস্থতার সংখ্যা ৮২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৯ জনে পৌঁছেছে। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি শিকাগোর এক বাসিন্দার মধ্যে প্রথম করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর থেকে ক্রমান্বয়ে ভয়ানক হতে থাকে পরিস্থিতি। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ধারণা ইতোমধ্যে তাদের দেশের অন্তত ২০ মিলিয়ন (দুই কোটি) মানুষ করোনার শিকার হয়েছেন। দ্য সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) বলছে, প্রকৃত তথ্য হলো, প্রকাশিত সংখ্যার অন্তত ১০ গুণ বেশি মানুষ করোনার ভয়াবহতার শিকার। এর মধ্যে সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হার দীর্ঘ হচ্ছে টেক্সাসে। এ শহরে আক্রান্তের সংখ্যা ১২ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি। যেখানে প্রাণহানি ঘটেছে ২২ হাজার ৫৭ জনের। ক্যালিফোর্নিয়ায় সংক্রমিতের সংখ্যা ১২ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৯ হাজার ২১০ জনের। ফ্লোরিডায় করোনার শিকার ৯ লাখ ৯৯ হাজারের বেশি মানুষ। ইতোমধ্যে সেখানে ১৮ হাজার ৫৯৯ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। ইলিনয়েসে এখন পর্যন্ত করোনার ভুক্তভোগী ৭ লাখ ২৬ হাজার। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১২ হাজার ৯৮৫ জন। প্রাণহানিতে শীর্ষ শহর নিউইয়র্কে আক্রান্ত ৬ লাখ ৮৬ হাজারের বেশি। এর মধ্যে না ফেরার দেশে ৩৪ হাজার ৫৭৭ জন ভুক্তভোগী। জর্জিজায় করোনা রোগীর সংখ্যা ৪ লাখ ৭১ হাজার অতিক্রম করেছে। এর মধ্যে প্রাণ ঝরেছে ৯ হাজার ৪৫২ জনের। নিউ জার্সিতে করোনার শিকার পৌনে ৪ লাখ হাজার মানুষ। এর মধ্যে প্রাণহানি ঘটেছে ১৭ হাজার ১৪৪ জনের। এছাড়া উত্তর ক্যারোলিনা, টেনেসিস, উইসকনসিন, অ্যারিজোন, ওহিও, পেনসিলভেনিয়া, মিশিগানের মতো শহরগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়েছে।...

নিউজগার্ডেন এর ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

০৪ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান বলেছেন, গণমাধ্যম কিছু লিখে বলেই আমরা গণতন্ত্রের কথা বলতে পারছি। না হয় অনেক আগেই দেশ থেকে গণতন্ত্র নির্বাসিত হত। গণমাধ্যম জাতির বিবেক ও সমাজের দর্পণ। গণমাধ্যম সময়ের কথা বলে, অতীতের সাথে বর্তমানের যোগসূত্র স্থাপন করে এবং ভবিষ্যত করণীয় বিষয়ে পথ দেখায়। প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নিউজগার্ডেনের পাঠক, কলাকুশলী, শুভানুধ্যায়ীসহ নিউজগার্ডেন পরিবারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। গণমানুষের বঞ্চনা ও চাওয়া-পাওয়ার কথা তুলে ধরে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। গণতন্ত্র ও গণমাধ্যম একে অপরের পরিপূরক। গণমাধ্যম সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ডের গঠনমূলক সমালোচনা, গণতন্ত্রকে শক্তিশালীকরণ, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনমত গঠনের মাধ্যমে সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনায় ইতিবাচক অবদান রাখে। সভাপতির বক্তব্যে নিউজগার্ডেন প্রধান সম্পাদক মো. ইসকান্দর আলী চৌধুরী বলেন, ৭ বছরে এসে আমাদের বলতে হচ্ছে- সামনে এগিয়ে যাই। অথচ বয়স যখন ৬ষ্ঠ পার হলো তখন ভাবার কথা ছিল পেছনে ফিরে তাকানোর আর অবকাশ নেই। অসাধারণ গতি নিয়ে ছুট দেয়ার কথা ছিল। রঙিন পৃথিবীটা আরো বর্ণিল করে তোলার কথা ছিল। নিউজগার্ডেন সম্পাদক কামরুল হুদা বলেন, এবার হঠাৎ করেই পৃথিবী পাল্টে ফেলল তার চেহারা। মানুষের হাতে অনেক কিছুই আর রইল না। গতি নেমে গেল। করোনার আক্রমণে স্তব্ধ হয়ে গেল সব। সমস্ত কিছু অচল অচল ভাব। এক অন্যরকম পৃথিবী। করোনার সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ। এমন সব জিনিস থেমে গেল বা আমরা থামাতে বাধ্য হলাম যা কেবল জুল ভার্নের সায়েন্স ফিকশন গল্প-উপন্যাসে সম্ভব। ভবিষ্যতে এই সময়কাল নিয়ে সাহিত্য সৃষ্টি হবে, চলচ্চিত্র হবে। জাহিদুল করিম কচি বলেন, যা দেখে বা পড়ে মনে হবে এই রকম অবিশ্বাস্য সময়ও মানুষ পার করেছে। এই নিশ্চল স্থবির সময়েও যেটি চালু আছে সেটি হচ্ছে স্বপ্ন। যেটি এখনও গতিষ্মান সেটি হচ্ছে বিশ্বাসের শক্তি। যমুনা টিভির ব্যুরোচীফ জামসেদ রেহমান চৌধুরী বলেন, মানুষ সেই প্রাণী যে জানে জীবন মানে অবশ্যই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাওয়া। একই সঙ্গে বেঁচে থাকার আনন্দ উপভোগ করাটাও সবচেয়ে বড় অর্জনের বিষয়। এই আনন্দের জন্য, বিশুদ্ধ আনন্দের জন্য যুদ্ধ করছে নিউজগার্ডেন। যত প্রতিকূলতাই আসুক, সময় যত কুয়াশাচ্ছন্নই হোক সদা সর্বদা আপনাদের সাথে নিয়ে বলব, সামনে এগিয়ে যাই। চট্টগ্রামের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিউজগার্ডেন২৪ ডটকমর ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে। আজ ৪ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকাল ৩ টায় জামালখানস্থ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের এস রহমান হলে নিউজগার্ডেন২৪ ডটকমর প্রধান সম্পাদক মো. ইসকান্দর আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপিত হয়। ডা. মাহতাব হোসাইন মাজেদের কোরআন থেকে তেলোয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। প্রথমেই নিউজগার্ডেন২৪ ডটকমর সম্পাদক কামরুল হুদা অতিথিদের সাথে নিয়ে কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর বর্ণিল আয়োজন উপস্থাপন করেন। এরপর সম্পাদককে রাজনীতিক, সামাজিক গণমাধ্যম সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করে পাঠক প্রিয় এই নিউজ পোর্টেলের সার্বিক সফলতা কামনা ও পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সাংবাদিক রিয়াজুর রহমান রিয়াজের পরিচালনায় আরো শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার ব্যুরো প্রধান জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ, নিউজগার্ডেনের বার্তা সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান সাইফুল, চট্টগ্রাম নগর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লিপু, বিশিষ্ট রাজনীতিক এম এ হাসেম রাজু, দৈনিক আজকের প্রভাতের ব্যুরোচীফ আলমগীর নূর, চট্টগ্রাম জেলা এনডিএমের এমরান চৌধুরী, চাটগ্যাঁয়া নওজোয়ানের সভাপতি জামাল উদ্দিন, বনপার সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের, বিশিষ্ট সমাজসেবী মোহাম্মদ হোসেন, সংগঠক নোমান উল্লাহ বাহার, সাংবাদিক এস এম কামরুল ইসলাম, সংগঠক সোহাইল আকতার খান, দৈনিক পূর্বদেশ এর স্টাফ রিপোর্টার এম এম হোসেন, সাংবাদিক আশীষ চন্দ্র নন্দী, হাসান মুকুল, গিয়াস উদ্দিন, এস এম পিন্টু, গোলাম সরওয়ার, আকতার হোসেন, চট্টগ্রাম চিকিৎসা কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাত সভাপতি ডা. রতন চক্রবর্তী, লেবার পার্টির চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক মো. আবছার উদ্দীন, সাংবাদিক ওসমান জাহাঙ্গীর, মোজাফ্ফর হোসাইন সিকদার, জাকির হোসেন, এম এস এইচ সাঈদ, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী, ওসমান গণি, কাজী সাইফুল ইসলাম, এমডি রিদুয়ানুর হক প্রমুখ।...

আমি প্রশাসনের বিরুদ্ধে নই, অনিয়মের বিরুদ্ধে- আব্দুল কাদের

০৪ডিসেম্বর,শুক্রবার,নোয়াখালী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা বলেছেন, আমি প্রশাসনের বিরুদ্ধে নই, আমি অনিয়মের বিরুদ্ধে। আমি যতদিন বেঁচে থাকি ততদিন সাহস করে সত্যা কথা বলব। অন্যায় অনিয়ম অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব, প্রতিরোধ গড়ে তুলব। সেজন্য আজকে কথা বলছি। অন্যায় অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে আমি অনেকের কাছে অপ্রিয় হয়ে গেছি। অনেকে সম্মান দিয়ে কথা বলেনা। বুধবার (২ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট বাজারের রূপালী চত্ত্বরে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক কর্মি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ক্রিমিনালে দেশ পুরে গেছে। অনেক চুপ ছিলাম, আর থাকবো না। সাহস করে সত্য কথা বলব। আজকে নকল আওয়ামী লীগের ভিড়ে আসল আওয়ামী লীগ হারিয়ে গেছে। যারা গরীব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, পুলিশ নিয়োগ দিয়ে টাকা খায় তাদেরকে আমি ঘৃণা করি। কর্মি সমাবেশে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপপিস্থত ছিলেন। ...

টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ৬ জনের মৃত্যু

০৪ডিসেম্বর,শুক্রবার,টাঙ্গাইল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫ জন। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলার কুর্নি এলাকায় মর্মান্তক এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের পরিচয় জানা যায়নি। মির্জাপুর থানার ওসি সায়েদুর রহমান জানান, রংপুর থেকে ছেড়ে আসা সেবা ক্লাসিক পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস মির্জাপুর উপজেলার কুরনি এলাকায় বিকল হয়ে পড়ে। পরে মেরামতের জন্য রাস্তার পাশে দাঁড় করানো হয়। সকাল ৭টার দিকে ঢাকাগামী সবজিভর্তি এক ট্রাক বাসটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই চারজন ও হাসপাতালে নেয়ার পর আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও জানান তিনি। ...

হিলিতে পাথরবাহী ট্রাকসহ আটক ১

০২নভেম্বর,বুধবার,হিলি প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরের হিলিতে পাথরবাহী ট্রাক নিয়ে পালানোর সময় ট্রাকসহ সুজন হোসেন (৩২) নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টায় হিলির ছাতনি চারমাথামোড় এলাকা থেকে ট্রাকসহ তাকে আটক করে পুলিশ। আটক সুজন হোসেন পাবনার ঈশ্বরদী থানার আটঘরিয়া গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে। হাকিমপুর থানার ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, হিলি স্থলবন্দর সংলগ্ন পৌরসভার সামনে বিলকিছ ট্রাক পার্কিংয়ে থাকা ঢাকামেট্রো-ট-২২-৩৬৭৮ নামক একটি পাথর বোঝাই ট্রাক চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায় সুজন হোসেন। পাথরবাহী ট্রাকটি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় হিলির ছাতনি চারমাথা মোড় এলাকায় স্থানীয় এলাকাবাসী ট্রাকসহ সুজন হোসেনকে আটক করে থানায় খবর দেয়। পরে খবর পেয়ে সেখান থেকে পাথরবাহী ট্রাকটি উদ্ধার করে ও সুজন হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে চুরি সংক্রান্তে নিয়মিত মামলা দায়ের পুর্বক আজ বুধবার তাকে দিনাজপুর আদালতে প্রেরন করা হয়।...

ফরিদপুরে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি অব্যাহত

০১নভেম্বর,মঙ্গলবার,ফরিদপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে বাংলাদেশ হেলথ এসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ফরিদপুরে স্বাস্থ্য সহকারীদে কর্মবিরতি অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে কাজে যোগ না দিয়ে ফরিদপুর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন স্বাস্থ্য সহকারীরা। এ সময় সংগঠনের জেলা সাধারণ সম্পাদক মোল্লা হেদায়েত হোসেন কোষাধক্ষ্য নূর মোহাম্মদ ও জেলা সদস্য সুলতানা লায়লা পারভীনসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। গত ২৬ নভেম্বর থেকে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য পরিদর্শক ১৪ থেকে ১১তম, সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক ১৫ থেকে ১২তম এবং স্বাস্থ্য সহকারী ১৬ থেকে ১৩তম গ্রেডে উন্নীতকরণের দাবিতে তারা কর্মবিরতি পালন করে আসছেন।...

আইসিএবির সম্মাননা পেল লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড

২৯নভেম্বর,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেড ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) কর্তৃক আয়োজিত ২০তম আইসিএবি জাতীয় পুরস্কারে ২০১৯ সালের সেরা উপস্থাপিত বার্ষিক প্রতিবেদনের জন্য ইন্টিগ্রেটেড রিপোর্টিং ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালের সেরা উপস্থাপিত বার্ষিক প্রতিবেদনের জন্য করপোরেট গভর্ন্যান্স ডিসক্লোজার ক্যাটাগরিতে যৌথ প্রথম এবং ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ক্যাটাগরিতে তৃতীয় স্থান লাভ করেছে। লংকাবাংলা ফাইন্যান্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী খাজা শাহরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী এবং প্রতিষ্ঠানটির চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার শামীম আল মামুন, এফসিএর সঙ্গে পুরস্কারগুলো গ্রহণ করেন।- বিজ্ঞপ্তি ...

বঙ্গবন্ধু টি২০ কাপের টাইটেল স্পন্সর ওয়ালটন

২৪নভেম্বর,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু টি২০ কাপ দিয়ে ফিরছে ঘরোয়া ক্রিকেট। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ টুর্নামেন্টের টাইটেল স্পন্সর হলো ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। টুর্নামেন্টের অফিশিয়াল নাম বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ স্পন্সরড বাই ওয়ালটন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে প্রথমবার আয়োজিত হচ্ছে হাই ভোল্টেজ বঙ্গবন্ধু টি২০ কাপ। স্পন্সরশিপ বিষয়ে গত রোববার কে-স্পোর্টস এবং ওয়ালটনের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক উদয় হাকিম এবং কে-স্পোর্টসের পরিচালক আশফাক আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ফিরোজ আলম এবং ফার্স্ট সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর মিলটন আহমেদ। উদয় হাকিম বলেন, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে দারুণ এক টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনের সঙ্গে থাকতে পেরে ওয়ালটন গ্রুপ গর্বিত। আশা করছি, দেশের কোটি কোটি দর্শক, ক্রিকেটানুরাগী, খেলোয়াড় এবং ক্রিকেটসংশ্লিষ্ট সবাই এ আয়োজনের মাধ্যমে উজ্জীবিত হবেন। উল্লেখ্য, ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জৌলুসপূর্ণ ও মর্যাদার আসর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ এবং বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটে দেশের প্রধানতম টুর্নামেন্ট জাতীয় ক্রিকেট লিগের নয় আসরের স্পন্সর ওয়ালটন। পাশাপাশি প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকও কোম্পানিটি। এরই মধ্যে তারা প্রতিযোগিতার প্রথম ও চতুর্থ আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।- বিজ্ঞপ্তি ...

প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত

২৫নভেম্বর,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি নিয়ে বুধবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। তিনি বলেন, প্রতিবারের মতো এবারে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হবে না। এজন্য বিকল্প বিভিন্ন বিষয় ভেবেছি। শেষ পর্যন্ত ৩টি বিকল্প প্রক্রিয়া নিয়ে ভাবি। এক- স্বাভাবিক নিয়মে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। কিন্তু করোনার এই সময়ে এটি করতে চাচ্ছি না। এমসিকিউ পদ্ধতির কথাও চিন্তা করেছি, কিন্তুও তাতেও ঝুঁকি থাকে। দ্বিতীয়- অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা। তবে সব ভর্তিচ্ছুদের পক্ষে এটা সম্ভব হবে না।...

এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবছে না সরকার

১৮নভেম্বর,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকার এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা ভাবছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেছেন, এ পরিস্থিতিতে সরকার বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করছে। করোনাকালীন ও করোনা পরবর্তী শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিনিধিদের সঙ্গে মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) রাতে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রীর হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পোর নেতৃত্বে ইউনিসেফ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর তোমো হোজুমি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) এ কে এম আফতাব হোসেন প্রামানিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় মিয়া সেপ্পো করোনাকালীন স্বল্প সময়ের মধ্যে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম ও অনলাইন ক্লাস চালু করায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের মনোভাব জানতে চান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা ভাবছে না সরকার। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ। এখানে ফিজিক্যাল ডিসটেন্স মেনটেইন করা অত্যন্ত দুরূহ কাজ। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে শিশুদের সঙ্গে তাদের অভিভাবকদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেতে হয়। সে ক্ষেত্রে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। যদিও শিশুদের কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম, কিন্তু তারা নীরব বাহক হতে পারে। অন্যদিকে, এ পরিস্থিতিতে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে চান না। তাই সরকার বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারি করোনার কারণে আমাদের শিক্ষখাত নানা রকমের ঝুঁকিতে রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে। যার ফলে কিছু শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাল্যবিয়ে ও শিশুশ্রম বাড়তে পারে। অনেক শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানসম্মত শিক্ষা অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সব প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও করোনার কারণে ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। ২০২১ সালে অনুষ্ঠেয় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ক্লাস না হওয়ায় সিলেবাস সমাপ্ত করা এখন একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তাছাড়া কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহারিক ক্লাসগুলো অনলাইনে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমাদের শিশুরা সাইকোলজিক্যাল বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে। তিনি বলেন, করোনায় শিক্ষাখাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডিজিটাল প্রযুক্তি আমাদের সহায়তা করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারপরও আমাদের প্রায় ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে রয়েছে। মোট শিক্ষার্থীর তুলনায় ১০ শতাংশ অনেক বড় একটি সংখ্যা। আমরা কোন একজন শিক্ষার্থীকে পেছনে রেখে আগাতে চাই না। ...

বিশেষ রাতে আর্সেনালের দাপুটে জয়

০৪ডিসেম্বর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাতটা বিশেষই বটে আর্সেনালের জন্য। কারণ ২৭১ দিন পর এমিরেটস স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে এসেছিল দর্শক। সংখ্যাটা খুব বেশি নয়। মাত্র ২ হাজার। তাতেই রাতটাকে খুব বিশেষ রাত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন গানারদের কোচ মাইকেল আর্তেতা। এমন এক রাতে শিষ্যরাও নিরাশ করেনি তাকে। ইউরোপা লিগের বি গ্রুপে Rapid ভিয়েনাকে ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে আর্সেনাল। গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে শেষ-৩২ নিশ্চিত করা গানারদের সংগ্রহ ৫ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট। গানাররা শেষবার ঘরের মাঠে সমর্থকদের সামনে মাঠে নেমেছিল গত ৭ মার্চ ওয়েস্ট হাম ইউনাইটেডের বিপক্ষে। ...

শুক্রবার শুরু হচ্ছে মুজিব শতবর্ষ জাতীয় টেনিস

০২নভেম্বর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শতাধিক খেলোয়াড় নিয়ে শুক্রবার শুরু হচ্ছে মুজিব শতবর্ষ জাতীয় টেনিস টুর্নামেন্ট-২০২০। সিনিয়র পুরুষ ও নারী একক, অনূর্ধ্ব-১২, ১৪, ১৬ ও ১৮ এই ছয়টি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশনের (আইটিএফ) অনুমোদিত এই প্রতিযোগিতা। শুক্রবার রাজশাহীর অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম টেনিস কমপ্লেক্সে বয়স ভিত্তিক খেলাগুলোর উদ্বোধন করবেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খাইরুজ্জামান লিটন। ৯ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা ক্লাবে শুরু হবে সিনিয়রদের খেলা। ১২ ডিসেম্বর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটরিয়ামে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। আসন্ন টুর্নামেন্ট উপলক্ষ্যে বুধবার রমনাস্থ জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ক্রীড়া পরিষদের সচিব ও টেনিস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ করিম। এ সময় ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ দ্বীন ইসলাম ও পৃষ্ঠপোষক ওয়ালটনের এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ সম্পাদক মাসুদ করিম বলেন, টেনিসে করোনা পরবর্তী প্রথম জাতীয় টুর্নামেন্ট এটি। খেলোয়াড়দের মাঠে ফিরিয়ে আনতে আমাদের নিরলস পরিশ্রম করতে হয়েছে। বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে অনেক উদীয়মান খেলোয়াড় নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে। তাদেরকে ফের কোর্টমুখো করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। তিনি যোগ করেন, খেলোয়াড়দের মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে আমরা ইতিমধ্যে একটি জেলাভিত্তিক এবং একটি আন্তর্জাতিকভাবে মেক্সিকোর একটি ক্লাবের সঙ্গে দুটি ভার্চুয়াল টেনিস টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছি। যা টেনিসে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করেছে। রাজশাহী ও ঢাকা-এই দুই পর্বে জাতীয় টেনিস প্রতিযোগিতায় পৃষ্ঠপোষকতা করছে ওয়লটন, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, দি একমি ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড।...

প্রশংসার দরকার নেই, ভুলটা ধরিয়ে দিন -সিয়াম আহমেদ

০৪ডিসেম্বর,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার ধকল কাটিয়ে আবারও পুরোদমে সিনেমার শুটিংয়ে ফিরেছেন চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ। বর্তমানে তিনি সৈয়দপুরে রায়হান রাফি পরিচালিত দামাল সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে সিয়াম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময়কার স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের গল্প নিয়েই এই সিনেমা। অনেক চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে। ওই সময়ের একটা চরিত্র ধারণ করাটা একটু কঠিনই। চেষ্টা করছি। সিয়াম ছাড়া দামাল সিনেমায় অভিনয় করছেন বিদ্যা সিহনা মীম, শরিফুল রাজ, রাশেদ অপু, সুমিত সেন গুপ্ত প্রমুখ। এদিকে, ১১ই ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে সিয়াম অভিনীত- বিশ্বসুন্দরী সিনেমা। এটি নিয়ে তার প্রত্যাশা কেমন? সিয়াম বলেন, পুরো পরিবার নিয়ে দেখার মতো চলচ্চিত্র হচ্ছে- বিশ্বসুন্দরী । একটা সুন্দর গল্প আছে এখানে। যারা দেখবে বুঝতে পারবে। তবে সত্যি কথা বলতে সিনেমাটি নিয়ে আমি কোনো প্রত্যাশা রাখছি না। কারণ দর্শক কীভাবে নিবে তা বুঝতে পারছি না। তবে কাউকে না কাউকে তো এগিয়ে আসতে হবেই। আসলে অনেক সিনেমা তো পাইপলাইনে জমে গেছে। সিনেমা হলের অবস্থাও ভালো না। প্রথমে একটা সিনেমা ব্যবসা করা দরকার যেটা একটা উদাহরণ সৃষ্টি করবে, প্রযোজকরা সাহস পাবে। এই সময়ে- বিশ্বসুন্দরীর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ঝুঁকি নিয়েছে। অনেকে ছবিটির ট্রেলার দেখে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী? সিয়াম উত্তরে বলেন, প্রত্যেকটা কাজের পর দর্শকদের দিকে তাকিয়ে থাকি। দর্শকদের ওপর সম্মান রেখেই বলছি, প্রশংসার দরকার নেই। ভুলটা ধরিয়ে দিন। হলে আসুন। সংশোধন করেও নিজেকে উপস্থাপন করতে পারি। আসলে আমি তো শিল্পী। আমার কাজ পারফরম করা। শুটিংয়ের সময় সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। ট্রেলার তো পরিচালক বানিয়েছেন। আমার হাত নেই। এই সময়ে দর্শকদের হলে যাওয়া উচিত বলে মনে করেন? সিয়াম বলেন, মানুষ রেস্টুরেন্টে যাচ্ছে, শপিং মল ও বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাচ্ছে। সবই সচল। তাহলে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি কেন থমকে থাকবে। আমাদের সিনেমাটি যে হলগুলোতে মুক্তি পাচ্ছে সেগুলো সতর্কতা নিশ্চিত করেছে। দর্শকদের কাছে অনুরোধ থাকবে সতর্ক থেকে হলে আসবেন। এই ক্রান্তিকালে আমাদের পাশে থাকবেন। বর্তমান সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে আপনার মতামত কী? সিয়াম বলেন, এই বছর যে সিনেমাগুলো ছিল মুক্তি পেলে ইন্ডাস্ট্রির মোড় ঘুরে যেতো। তবে আমি হতাশ নই। নতুন বছরে নতুনভাবে শুরু হবে সব, এই আশা রাখছি। এদিকে সিয়াম অভিনীত- শান, অপারেশন সুন্দরবন, অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন, পাপ পূণ্য ছবিগুলো মুক্তির অপেক্ষায় আছে।...

করোনায় আক্রান্ত সানি দেওল

০২নভেম্বর,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেতা এবং বিজেপির সাংসদ সানি দেওল। আজ নিজের টুইটার হ্যান্ডল থেকে কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার কথা জানিয়েছেন সানি নিজেই। পাশাপাশি সাম্প্রতিককালে তার কাছাকাছি যারা এসেছিলেন তাদেরও আইসোলেশনে থাকার জন্য অনুরোধ করেছেন এই তারকা সাংসদ। টুইটে সানি লিখেছেন, করোনাভাইরাস পরীক্ষা করেছিলাম। রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। সম্প্রতি আমার সংস্পর্শে যারা এসেছিলেন তাদের অনুরোধ করছি আইসোলেশনে থাকার এবং পরীক্ষা করানোর। পাঞ্জাবের গুরুদাসপুরের এই বিজেপি সাংসদ গত কয়েক দিন ধরে হিমাচল প্রদেশের মানালির কাছে বন্ধুদের সঙ্গে একটি ফার্মহাউসে ছিলেন। সেখান থেকে তারা মুম্বই ফেরার পরিকল্পনা করেন। ফেরার আগে করা করোনা টেস্টেই রিপোর্ট পজিটিভ এল। কিছু দিন আগে মুম্বইয়ের হাসপাতালে কাঁধে অস্ত্রোপচার হয়েছিল ৬৪ বছরের এই সাংসদের। তারপর মানালিতে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তিনি। সেখানেই করোনায় আক্রান্ত হলেন সানি। ...

অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যসহ ১১ জন বরখাস্ত

২জুন,মঙ্গলবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে একদিনেই ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিভাগটি। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যান, একজন পৌরসভার কাউন্সিলর ও ৬জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দরিদ্র মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাঁদের মধ্যে চারজন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ছয়জন ইউপি সদস্য এবং একজন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানেরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপির মো. আনোয়ারুল হক, একই জেলার বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউপির হাজী মো. কাজল ভূইয়া, বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউপির মো. শাহনেওয়াজ এবং নলটোনা ইউপির হুমায়ুন কবীর। বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিংপুর ইউপির চেয়ারম্যান করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় ত্রাণকাজে সহায়তা না করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। বাজিতপুরের হালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ ছাড়া করোনোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি, এপ্রিল মাসের ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ না করা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে ব্যর্থ হওয়া এবং কারণ দর্শানোর পরিপ্রেক্ষিতে নিজে জবাব প্রদান না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়া। বরগুনার এম বালিয়াতলী ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে মৎস্য ভিজিএফের চাল ৮০ কেজির জায়গায় ৬০ কেজি দেওয়া এবং তালিকার বাইরেও অন্যদের চাল দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। নলটোনা ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, ভুয়া টিপসইয়ের মাধ্যমে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলার মজলিশপুর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারিছ মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাছান মিয়া, বরগুনা জেলার সদর উপজেলাধীন নলটোনা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হারুন মিয়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হানিফ, ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. রানী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. ছাবিনা ইয়াসমিন। বরখাস্ত হওয়া পৌরসভার কাউন্সিলর হলেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোলাইমান বাবুল।...

প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে বিদেশে পাঠায় চক্রের অন্যতম হোতা কামাল

১জুন,সোমবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় মানব পাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা কামাল হোসেন ওরফে হাজী কামালকে গ্রেফতার করেছে RAB। প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে তিনি বিদেশে পাঠায়। RAB বলছে, তিনিই বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মানবপাচারকারীর মূল হোতা। এরসঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে RAB। বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে অবৈধ ভাবে ইতালিতে যাওয়া। তারা বিভিন্ন শ্রমিকদের যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখানো হয়। এবং তাদের বিদেশে যাওয়ার পরই বাকি টাকা দেবে। এ ধরনের আশ্বাস দেয়া হয়। আমারা একাধিক দালাল পেয়েছি। তারা মাদারীপুর, শরিয়রতপুরসহ বিভিন্ন জেলার লোক রয়েছে। তারা প্রথমে বাইরুটে ঢাকা থেকে কলকাতা নেয়া হয়। এই হাজী কামালই সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা বাংলাদেশ থেকে ১০-১৫ দিন লাগে বেনগাজীতে যাওয়ার। এ চক্রটি লিবিয়াতে যাওয়ার পরই তারা টাকার জন্য পেশার দেয়া শুরু হয়। RAB জানায়, লিবিয়ার ত্রিপোলিতে কিছু কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এই বেনগাজীতে পৌঁছানোর পরই তাদের পরিবারের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়। এরপর তাদের ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়া হয়। ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবারও পরিবারের কাছে ২ থেকে তিন লাখ টাকা দাবি করা হয়। সেখানে তাদের শুরুতে ভূমধ্যসাগরে বোট চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তিনি গত ১০-১২ বছরে ৪শ লোককে পাঠিয়েছেন। তার সঙ্গে যুক্ত আছেন ১৫-১৬ জন। আমরা পুরো সার্কিটের তথ্য পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলতে থাকবে। গত ২৮ মে লিবিয়ার মিজদা শহরে ২৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মারা যাওয়া ২৬ জনসহ ৩৮ বাংলাদেশি ও কিছু সুদানি নাগরিক প্রায় ১৫ দিন ধরে ওই অপহরণকারী চক্রের হাতে আটক ছিলেন। ইতালিতে অভিবাসনের উদ্দেশে ওই ৩৮ জন বাংলাদেশ থেকে অবৈধ পথে লিবিয়ায় যান।...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি। ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন

২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষারর্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হতে বিরত থাকুন। মার্চ ২০২০ হতে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শুরু হয়। পর্যবেক্ষণ দেখা যায় শীত প্রধান অঞ্চলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণ বেড়েই চলছে। আমাদের দেশ ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল দেশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি বেসরকারি ব্যাক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণায় দেশবাসী সচেতন হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলছে। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। সামনে শীত মৌসুম। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা একেবাড়ে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন মহল বিশিষের দাবীর মুখে একাধিক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানা যায় সদাসয় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির পরিক্ষা ও ক্লাস শুরু করার তথ্য। অবশ্যই এই উদ্যেগ ভাল। কিন্তু এ মুহূর্তে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক ও ছোঁয়াছে রোগ। এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা অত্যন্ত জটিল। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের দেশের সরকার শত চেষ্ঠার পর সম্পূর্ণ সফল হতে পারেনি। অবশ্য আংশিক সফলতা, যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সাধুবাদ। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কৃতজ্ঞতাচিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছিও। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী অনেক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্লাস করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই সকল দিকে বিবেচনা করে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাস শুরু না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।- ...

বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে হবে: জি এম কাদের

২৮নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা জি এম কাদের সরকারের প্রতি আবারো দাবি জানিয়ে বলেছেন, দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য বিনামূল্যে করোনা ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে হবে। শনিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর লালবাগের আমলীগোলা পার্কে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলনের ব্যবস্থাপনায় দুই মাসব্যাপী কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। জি এম কাদের বলেন, যারা সারাদিন খাবার জোগার করতে সংগ্রাম করে, যারা লকডাউন হলে ক্ষুধার তাড়নায় আইন ভঙ্গ করে খাবারের জন্য তাদের পক্ষে পয়সা দিয়ে ভ্যাকসিন নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে। দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষের পক্ষে পয়সা খরচ করে ভ্যাকসিন নেওয়া সম্ভব হবে না। তাই সবার জন্য সরকাবিভাবে করোনা ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, শীতের সঙ্গে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার বেড়ে গেছে কিন্তু করোনা চিকিৎসায় দৃশ্যমান প্রস্তুতি নেই মন্ত্রণালয়ের। তিনি আরও বলেন, রাজধানীতে কিছু বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্ট ও অক্সিজেন সহায়তা আছে কিন্তু বেশিরভাগ হাসপাতাল গুলোতে লাইভ সার্পোট ও অক্সিজেন সহায়তা নেই বললেই চলে। আবার সাধারণ মানুষের পক্ষে বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার সামর্থ্য নেই। সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হলে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসা নিয়ে ভালো হচ্ছেন অথবা মারা যাচ্ছেন। তাই দেশের প্রতিটি হাসপাতালে করোনা চিকিৎসায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ সময় জাতীয় পার্টি মহাসচিব জিয়াউদ্দন আহমেদ বাবলু বলেন, দেশের মানুষের মধ্যে হাহাকার উঠেছে। সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নেই। শুধু জাতীয় পার্টিই পারে সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে দিতে। বিএনএস গ্রুপের চেয়ারম্যান এনএমএইচ বুলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টি প্রেসিডিয়াম সদস্য মীর আবদুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন প্রমুখ।...

আওয়ামী লীগ কখনও প্রতিশোধের রাজনীতি করে না: ওবায়দুল কাদের

২১নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সমালোচনা রুখতে নাকি সরকার বিরোধীদের গুম করছে, বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা তাদের চিরাচরিত মিথ্যাচার। সমালোচনা করলে গুম করা হয় এমন কোন তথ্য কি বিএনপির কাছে আছে? এ ধরনের মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন পরিহার করুন। শনিবার মিরপুর-নারায়ণগঞ্জ রুটে বিআরটিসির দোতলা বাস সার্ভিস উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিশোধের রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য সুখকর নয়, আওয়ামী লীগ কখনও প্রতিশোধের রাজনীতি করে না। গণতন্ত্র একটি বিকাশমান প্রক্রিয়া, সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ এবং পরিচর্যায় গণতন্ত্র বিকশিত হয়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বিএনপি গণতন্ত্রের কথা বললেও গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে যেই ভূমিকা দরকার তা থেকে তারা অনেক দূরে অবস্থান করে। বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে। তিনি বলেন, বিএনপি একদিকে গণতন্ত্রের কথা বলে অন্যদিকে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায়। এ দেশের সবচেয়ে সহিষ্ণু রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ ৭৫ এর ১৫ আগস্টের নির্মমতা দেখেছে, দেখেছে ৩ নভেম্বরের অমানবিকতা, গ্রেনেড হামলাসহ ২০ বারের মতো শেখ হাসিনাকে হত্যার অপপ্রয়াস চালাতেও দেখেছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ দেশের রাজনীতিতে সন্ত্রাসনির্ভরতা, ষড়যন্ত্র আর হত্যার জনক বিএনপি, তারা সেটাই চর্চা করে চলেছে। আওয়ামী লীগ জনগণের সংগঠন বলেই জনগণের সঙ্গে ছিল এবং আছে। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্বাস্থ্য ও রোগমুক্তি কামনা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সমালোচনা রুখতে নাকি সরকারবিরোধীদের গুম করছে, বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা তাদের চিরাচরিত মিথ্যাচার। সমালোচনা করলে গুম করা হয় এমন কোন তথ্য কি বিএনপির কাছে আছে? আওয়ামী লীগ সমালোচনাকে ভয় পায় না। আওয়ামী লীগ গঠনমূলক সমালোচনা থেকে শিক্ষা নেয়ার সৎসাহস রাখে। এ ধরনের তথ্য পরিহার করার জন্য বিএনপির প্রতি অনুরোধ জানান ওবায়দুল কাদের। অদক্ষ গাড়িচালক যেন কোনোভাবেই গাড়ির ড্রাইভিং সিটে না বসতে পারে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, বাসের চালকসহ সব স্টাফদের বাধ্যতামূলক নির্ধারিত ড্রেস পরিধান করতে হবে।...

নবিজীকে কেন ভালোবাসবেন?

১৯নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সন্তান-সন্তুতি, মা-বাবা তথা নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসতে হবে যাকে; তিনি হলেন হজরত মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। কেন নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এতবেশি ভালোবাসতে হবে? এ সম্পর্কে কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনাই বা কী? হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই এ কেন ভালোবাসতে হবে- এর উত্তর দিয়েছেন সুস্পষ্টভাবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এতটা ভালোবাসার নামই- ঈমান। তাতে মুমিন মুসলমানের ঈমান পরিপূর্ণতা লাভ করে। হাদিসে এসেছে- হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, সেই আল্লাহর শপথ! যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না; যতক্ষণ না আমি তার নিজের জীবনের চেয়ে, তার বাবা-মা ও সন্তানাদির চেয়ে অধিক ভালোবাসার পাত্র হই। (বুখারি)। হ্যাঁ পরিপূর্ণ মুমিন হতে দুনিয়ার জীবনে সবকিছুর চেয়ে বেশি প্রিয় নবিকে ভালোবাসতে হবে। তবে এমন ভালোবাসা নয় যে, মুখে মুখে এ কথা বলা- হে রাসুল! আমি তোমাকে ভালোবাসি; হে রাসুল! আমি আপনাকে ভালোবাসি। না, এমন ভালোবাসা নয়। এ ভালোবাসা হবে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শকে ভালোবাসা। যার প্রথমেই রয়েছে- তাওহিদ ও রেসালাত তথা আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের উপযুক্ত কোনো উপাস্য নেই আর হজরত মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহান আল্লাহর রাসুল-এ কথার প্রতি মনে প্রাণে বিশ্বাস করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রেখে যাওয়া সুন্নাতের হুবহু অনুসরণ ও অনুকরণ করা। আর এর মাধ্যমেই মুমিন বান্দার জন্য দুনিয়া ও পরকালের সফলতা লাভ করা। কুরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা এ ভালোবাসার কথাই তুলে ধরেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন- (হে রাসুল! আপনি) বলে দিন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসতে চাও তবে আমাকে অনুসরণ কর। তাহলে আমার (রেখে যাওয়া আদর্শ) অনুসরণ করলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন আর (যারফলে আল্লাহ) তোমাদের গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন। আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সুরা আল- ইমরান : আয়াত ৩১)। এ আয়াতে দুইটি বিষয় সুস্পষ্টভাবে বলে দেয়া হয়েছে। প্রথমটি হলো- আল্লাহর ভালোবাসা লাভে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ রাসুলকে মুখে মুখে ভালোবাসি বলে তার সুন্নাতের অনুসরণ-অনুসরণ না করলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে না। পাওয়া যাবে না আল্লাহর ভালোবাসা। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো- আল্লাহর ঘোষণা অনুযায়ী ভালোবাসার সঙ্গে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের অনুসরণ করলেই আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হবে। আর তাতে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে ক্ষমা করে দেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। যার ফলে বান্দা নিষ্পাপ হয়ে পরকালের সফলতা লাভ করবে। সুতরাং মুমিন মুসলমান, ছোট-কিংবা বড়, শুভ্র কিংবা প্রেীঢ়, কিশোর কিংবা যুবক প্রতিটি বয়সের মানুষের জন্য বিশ্বনবিকে ভালোবাসা এবং সুন্নাতের অনুসরণ ও অনুকরণ করাই হলো মুমিন হওয়ার পূর্বশর্ত। যে বিষয়টি সুস্পষ্ট করতে অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা তাঁর জিকিরকারী বান্দাদের উদ্দেশ্যে ঘোষণা করেন- তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও পরকালকে ভয় করে এবং আল্লাহকে বেশি স্মরণ করে তাদের জন্য রাসুলুল্লাহর (চরিত্রের) মধ্যে উত্তম (অনুসরণীয়) আদর্শ রয়েছে। (সুরা আহজাব : আয়াত ২১)। কেন নবিজীকে ভালোবাসবো? কারণ প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবনভর এ আদর্শ বাস্তবায়নে ত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। এমন কষ্ট খুব কম আছে, যা তিনি ভোগ করেননি। এত কষ্টের পরও তিনি নিজ উম্মতকে ভুলে যাননি। কোনো উম্মতের উপর নিজ জাতিকেও স্থান দেননি। কেননা তার কণ্ঠের সূরধ্বনিই ছিল- উম্মতি, উম্মতি অর্থাৎ হে আমার উম্মাত! হে আমার উম্মাত। তাওহিদ-রেসালাতে জীবন গড়ো। আমারই আদর্শ অনুসরণ ও অনুকরণ করো। এতেই রয়েছে নাজাত। আর এতেই রয়েছে মুক্তি। কেন নবিজীকে ভালোবাসবেন? এর উত্তর রয়েছে, তায়েফে ইসলাম প্রচারের ঘটনায়। তাওহিদ ও রেসালাতের দাওয়াত দিতে গিয়ে রক্তাত হয়েছিলেন তায়েফের জমিনে। ফেরেশতারা পাহাড় উল্টিয়ে দেয়ার অনুমতি চেয়েছিল। তিনি তোতে সম্মতি হননি বরং তাদের জন্য দোয়া করেছিলেন। তাদের ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য একটাই- মানুষকে পরকালের কঠিন পরিস্থিতি থেকে হেফাজত করা। মুসলমানকে প্রিয় নবির চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে যে, তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে। দুনিয়ার দিকে দিকে ইসলামের শান্তি ও সৌন্দর্য তুলে ধরতে হবে। পরিপূর্ণ মুমিন হওয়ার দাবিতে এগিয়ে আসতে হবে। মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে বিশ্বনবি ভালোবাসা অটুট রাখতে হবে। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাঁর খাঁটি প্রেমিক হওয়ার তাওফিক দান করুন। পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়ার জন্য তাঁকে জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসার তাওফিক দান করুন। গোনাহমুক্ত জীবন লাভ ও পরকালের নাজাত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন। ...

জুমআর দিনজুড়ে যেসব আমল করবেন মুমিন

১৬,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সপ্তাহ ঘুরে ফিরে আসে জুমআ। এটি মুসলিম উম্মাহর ইবাদতের শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনজুড়ে রয়েছে অনেক আমল ও ইবাদত। প্রতিটি আমল ও ইবাদত সম্পর্কেই রয়েছে হাদিসের নির্দেশনা। কিন্তু বিশেষ একটি ইবাদত হলো সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। কিন্তু কোন সময়ে এ সুরাটি তেলাওয়াত করতে হয়? জুমআর দিন অযথা সময় নষ্ট না করে দ্রুত ইবাদত-বন্দেগিতে ধাবিত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে কুরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন- হে ঈমানদরগণ! জুমআর দিনে যখন নামাজের আজান দেয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের পানে দ্রুত ধাবিত হও এবং বেচাকেনা বন্ধ কর। এটা তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বুঝ। (সুরা জুমআ : আয়াত ৯) জুমআর দিন মুমিন বান্দার ইবাদত-বন্দেগির দিন। পুরো দিনজুড়ে বিভিন্ন মুহূর্তে আল্লাহ তাআলা বান্দার জন্য বিশেষ পুরস্করের ঘোষণা দিয়েছেন। আমলের বর্ণনা দিয়েছেন। এ দিনজুড়ে বিভিন্ন কাজের উপদেশও দিয়েছেন। যার প্রতিটিই ইবাদত ও আমলের শামিল। এসব আমলের সবই হাদিসে বর্ণিত। তা হলো- ১.গোসল করা। ২.ফজরের ফরজ নামাজে সুরা সাজদা ও সুরা দাহর/ইনসান তেলাওয়াত করা। ৩.উত্তম পোশাক পরা। ৪. সুগন্ধি ব্যবহার করা। ৫.আগেভাগে মসজিদে যাওয়া। ৬.সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। ৭.মসজিদে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাকাআত সুন্নত নামাজ আদায় করা। ৮.ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসা। ৯.মনযোগ দিয়ে খোতবা শোনা। ১০.খোতবা চলাকালে কোনো কথা না বলা। ১১.দুই খোতবার মাঝের সময়ে বেশি বেশি দোয়া করা। অন্য সময়ে দোয়া করা। কারণ এদিন দোয়া কবুল হয়। ১২.রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর সারাদিন যথাসম্ভব বেশি দরূদ পাঠ করা। জুমআর দিনের বিশেষ আমল: জুমআর দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রয়েছে আমলের হাতছানি। হাদিসের বিভিন্ন বর্ণনায় ফজর থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত পুরো দিনটিই আমলের নির্দেশনা রয়েছে। দিনের যে কোনো সময় সুরা কাহফ তেলাওয়াতের বর্ণনা যেমন রয়েছে, তেমনি এ সুরার তেলাওয়াতেরও রয়েছে বিশেষ ফজিলত ও মর্যাদা। হাদিসে এসেছে- হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহফ তেলাওয়াত করবে; তার পায়ের তলদেশ থেকে আসমান পর্যন্ত একটি আলো উৎসারিত হবে, যা কেয়ামতের দিন তার আলোর কাজে দেবে। আর তার দুই জুমআর মাঝের (সগিরা গোনাহ) মাফ করে দেয়া হবে। (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব)। হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহফ পড়বে; তার জন্য তা দুই জুমআর মধ্যবর্তী সময়ে নুর হয়ে আলো দান করবে। (মুসতাদরাকে হাকেম, বায়হাকি)। হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহ্ফ পড়বে, তা তার জন্য তার ও কাবা ঘরের মধ্যবর্তী স্থানকে নুর দ্বারা আলোকিত করে তুলবে। (বায়হাকি)। সুরা কাহফ তেলাওয়াতের সময়: বৃহস্পতিবার সূর্য ডোবার পর থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা হওয়ার আগ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় জুমআর দিন হিসেবে পরিগণিত। এ সময়ের মধ্যে সুরা কাহফ তেলাওয়াত করলেই হাদিসে উল্লেখিত ফজিলত লাভ করবে মুমিন। সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুরু করে জুমআর দিন সকাল, নামাজে যাওয়ার প্রস্তুতি, খোতবা শোনা, জুমআ আদায় করা, দরূদ পড়া, আসর থেকে মাগরিব ইবাদত-বন্দেগিতে নিয়োজিত থাকা। সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণে দোয়া করা এবং ক্ষমা প্রার্থণা করা। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমআর দিনব্যাপী উল্লেখিত আমল ও কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখার তাওফিক দান করুন। হাদিসের উপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।...

ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: শহীদুল হক

স্পেশাল প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণের পর খুন হওয়া মেয়েটি জীবিত ফেরার পর পুলিশের তদন্ত এবং রিমান্ডপ্রক্রিয়া আরো একবার প্রশ্নের মুখে। বিরাট প্রশ্ন ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়েও। এসব প্রশ্ন নিয়েই পুলিশের সাবেক আইজি শহীদুল হকের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিউজ একাত্তর একজন স্পেশাল প্রতিনিধি। প্রশ্ন : সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেছে, তারাই ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ওই ছাত্রী জীবিত ফিরে এসেছে। পুলিশের পুরো তদন্তব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল না? শহীদুল হক : দেখুন, এখানে যে সঠিক তদন্ত হয়নি তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তারা হয়তো পুলিশের ভয়েই এটা করেছে। এখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সত্য তথ্য বেরিয়ে আসবে। এ ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা যা তা হলো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় বাদীপক্ষের চাপে বা বাদীপক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক কোনো সুযোগ নিয়ে কাউকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউকে কাউকে গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটে। প্রশ্ন : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্তে তো জজ মিয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শহীদুল হক : সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে, সরকারের চাপে জজ মিয়ার নাটক সাজানো হয়েছে। ওই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর জন্য দুঃখজনক। তবে মনে রাখতে হবে, ওটা ছিল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ২১ আগস্ট মামলায় প্রথমদিকে যা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা ভালো হলে তাঁর ওপর সরকারের চাপ থাকলে প্রয়োজন হলে তিনি চাকরি ছেড়ে দিতে পারতেন। তা কিন্তু করেননি। দুর্নীতিপরায়ণ দুই-চারজন তদন্ত কর্মকর্তার কারণেই মাঝে মাঝে পুলিশের ওপর দোষ চাপে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি, আমি চাঁদপুরের এসপি পদে থাকার সময় সেখানে একজন ওসি ছিল, মিয়া মো. শরীফ। তাকে কোনোভাবেই বাগে আনা যাচ্ছিল না। এক প্রভাবশালীর ছত্রচ্ছায়ায় একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছিল। একপর্যায়ে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলো। কিন্তু সে ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে চলে গেল। এরপর একদিন তৎকালীন আইজি মহোদয় আমাকে ফোন করে বললেন, এটা নিয়ে যেন আমি আর কথা না বলি। কিন্তু আমি থেমে থাকিনি। আমি চাপের কাছে নতি স্বীকার করিনি। প্রশ্ন : কিন্তু এ রকম একজন-দুজনের কারণে তো গোটা পুলিশ বাহিনীর ওপরই দায় চলে আসছে। শহীদুল হক : এক-দুজনের কারণে গোটা বাহিনী কলঙ্কিত হতে পারে না। হয়ও না। দেশের মানুষ সচেতন। তারা সব বোঝে। দেখুন, করোনাভাইরাসের মতো মহামারির সময় এই পুলিশ বাহিনীর কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছে। জঙ্গি দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা সবাই দেখছে। পুলিশের এত ভালো কাজের মধ্যে দু-একটি ঘটনা গোটা বাহিনীর সাফল্যকে ম্লান করে দিতে পারে না। প্রশ্ন : প্রতিটি ক্রসফায়ারের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা সব ঘটনার ক্ষেত্রে একই ধরনের। সত্যি বললে মানুষের কাছে এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। হাসাহাসিই হয় অনেক ক্ষেত্রে। শহীদুল হক : আমি নিজেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাস করি না। কেউ অপরাধ করলে তাকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। তবে একটা কথা, আমাদের দেশে মাঝে মাঝে কিছু এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটছে। এই ক্রসফায়ারের ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে হবে। দেশে অনেক বড় বড় সন্ত্রাসী ছিল, যাদের গ্রেপ্তার করে রাখা যেত না। কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আরো বড় বড় অপরাধ করত। আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে শুরু হয় ক্রসফায়ারের ঘটনা। তখন বড় সন্ত্রাসীরা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে। দেশের মানুষ ওটাকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দিয়েছে। এভাবে দেখলে, সেই সময় ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আরেকটা কথা, কোনো মামলায় অপরাধীকে গ্রেপ্তারের পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয় আদালতে। কিন্তু আদালতে মামলা বছরের পর বছর পড়ে থাকে। বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণেই আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে আরো অপরাধ করে। দেশে যদি দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন হতো এবং আসামিদের যদি জামিন না হতো তাহলে এই ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটত না বল মনে করি। প্রশ্ন : ক্রসফায়ারে নিরীহ মানুষ হত্যার অভিযোগ উঠছে। কখনো কখনো অর্থ নিয়ে বা অর্থের জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এমনও আমরা দেখছি... শহীদুল হক : এ রকম দু-একটি ঘটনা যে ঘটছে না তা বলা যাবে না। এ কারণেই তো এটা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। আমার কথা হলো, এ রকম নিরীহ মানুষ হত্যা করা হলে জড়িত আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা দরকার। প্রশ্ন : দেখা যায়, আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বড়জোর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করার ঘটনা ঘটে। এরপর আর কিছু হয় না। শহীদুল হক : এ কথা সত্য নয়। প্রথামিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত, বেতন কমানো, পদের অবনমন ইত্যাদি ঘটনা ঘটে। এ রকম বহু ঘটনা আছে। যা কখনো মিডিয়ায় আসে না বলেই মানুষ প্রথমটুকুই দেখে মূল্যায়ন করে। পরেরটুকু দেখলে বা মিডিয়ায় এলে মানুষের ভুল ধারণা কেটে যাবে। ...

জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি।


ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: শহীদুল হক

স্পেশাল প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণের পর খুন হওয়া মেয়েটি জীবিত ফেরার পর পুলিশের তদন্ত এবং রিমান্ডপ্রক্রিয়া আরো একবার প্রশ্নের মুখে। বিরাট প্রশ্ন ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়েও। এসব প্রশ্ন নিয়েই পুলিশের সাবেক আইজি শহীদুল হকের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিউজ একাত্তর একজন স্পেশাল প্রতিনিধি। প্রশ্ন : সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেছে, তারাই ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ওই ছাত্রী জীবিত ফিরে এসেছে। পুলিশের পুরো তদন্তব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল না? শহীদুল হক : দেখুন, এখানে যে সঠিক তদন্ত হয়নি তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তারা হয়তো পুলিশের ভয়েই এটা করেছে। এখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সত্য তথ্য বেরিয়ে আসবে। এ ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা যা তা হলো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় বাদীপক্ষের চাপে বা বাদীপক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক কোনো সুযোগ নিয়ে কাউকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউকে কাউকে গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটে। প্রশ্ন : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্তে তো জজ মিয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শহীদুল হক : সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে, সরকারের চাপে জজ মিয়ার নাটক সাজানো হয়েছে। ওই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর জন্য দুঃখজনক। তবে মনে রাখতে হবে, ওটা ছিল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ২১ আগস্ট মামলায় প্রথমদিকে যা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা ভালো হলে তাঁর ওপর সরকারের চাপ থাকলে প্রয়োজন হলে তিনি চাকরি ছেড়ে দিতে পারতেন। তা কিন্তু করেননি। দুর্নীতিপরায়ণ দুই-চারজন তদন্ত কর্মকর্তার কারণেই মাঝে মাঝে পুলিশের ওপর দোষ চাপে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি, আমি চাঁদপুরের এসপি পদে থাকার সময় সেখানে একজন ওসি ছিল, মিয়া মো. শরীফ। তাকে কোনোভাবেই বাগে আনা যাচ্ছিল না। এক প্রভাবশালীর ছত্রচ্ছায়ায় একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছিল। একপর্যায়ে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলো। কিন্তু সে ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে চলে গেল। এরপর একদিন তৎকালীন আইজি মহোদয় আমাকে ফোন করে বললেন, এটা নিয়ে যেন আমি আর কথা না বলি। কিন্তু আমি থেমে থাকিনি। আমি চাপের কাছে নতি স্বীকার করিনি। প্রশ্ন : কিন্তু এ রকম একজন-দুজনের কারণে তো গোটা পুলিশ বাহিনীর ওপরই দায় চলে আসছে। শহীদুল হক : এক-দুজনের কারণে গোটা বাহিনী কলঙ্কিত হতে পারে না। হয়ও না। দেশের মানুষ সচেতন। তারা সব বোঝে। দেখুন, করোনাভাইরাসের মতো মহামারির সময় এই পুলিশ বাহিনীর কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছে। জঙ্গি দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা সবাই দেখছে। পুলিশের এত ভালো কাজের মধ্যে দু-একটি ঘটনা গোটা বাহিনীর সাফল্যকে ম্লান করে দিতে পারে না। প্রশ্ন : প্রতিটি ক্রসফায়ারের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা সব ঘটনার ক্ষেত্রে একই ধরনের। সত্যি বললে মানুষের কাছে এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। হাসাহাসিই হয় অনেক ক্ষেত্রে। শহীদুল হক : আমি নিজেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাস করি না। কেউ অপরাধ করলে তাকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। তবে একটা কথা, আমাদের দেশে মাঝে মাঝে কিছু এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটছে। এই ক্রসফায়ারের ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে হবে। দেশে অনেক বড় বড় সন্ত্রাসী ছিল, যাদের গ্রেপ্তার করে রাখা যেত না। কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আরো বড় বড় অপরাধ করত। আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে শুরু হয় ক্রসফায়ারের ঘটনা। তখন বড় সন্ত্রাসীরা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে। দেশের মানুষ ওটাকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দিয়েছে। এভাবে দেখলে, সেই সময় ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আরেকটা কথা, কোনো মামলায় অপরাধীকে গ্রেপ্তারের পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয় আদালতে। কিন্তু আদালতে মামলা বছরের পর বছর পড়ে থাকে। বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণেই আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে আরো অপরাধ করে। দেশে যদি দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন হতো এবং আসামিদের যদি জামিন না হতো তাহলে এই ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটত না বল মনে করি। প্রশ্ন : ক্রসফায়ারে নিরীহ মানুষ হত্যার অভিযোগ উঠছে। কখনো কখনো অর্থ নিয়ে বা অর্থের জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এমনও আমরা দেখছি... শহীদুল হক : এ রকম দু-একটি ঘটনা যে ঘটছে না তা বলা যাবে না। এ কারণেই তো এটা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। আমার কথা হলো, এ রকম নিরীহ মানুষ হত্যা করা হলে জড়িত আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা দরকার। প্রশ্ন : দেখা যায়, আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বড়জোর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করার ঘটনা ঘটে। এরপর আর কিছু হয় না। শহীদুল হক : এ কথা সত্য নয়। প্রথামিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত, বেতন কমানো, পদের অবনমন ইত্যাদি ঘটনা ঘটে। এ রকম বহু ঘটনা আছে। যা কখনো মিডিয়ায় আসে না বলেই মানুষ প্রথমটুকুই দেখে মূল্যায়ন করে। পরেরটুকু দেখলে বা মিডিয়ায় এলে মানুষের ভুল ধারণা কেটে যাবে।

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বিতর্ক : পরিস্থিতি ঘোলাটে করার পায়তারা রুখতে হবে- মো. এনামুল হক লিটন

২৮নভেম্বর,শনিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: উগ্রবাদীদের আস্ফালন দেখে হতবাক না হয়ে পারা যায় না। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নিয়ে তারা কিভাবে এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আস্ফালন দেখানোর দূঃসাহস দেখায় তা বোধগম্য নয়। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য বিতর্কে লিপ্ত হয়েছে দুই ইসলামপন্থী নেতা। এনিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গণে বিরাজ করছে চাঁপা ক্ষোভ। প্রগতিশীল মানুষের মাঝে উত্তেজনার পাশাপাশী দেশের মানুষের মাঝে এক ধরণের উৎকন্ঠা বিরাজমান। সবমিলিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে হওয়ায় আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। অপরদিকে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতা কারীদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিসহ আওয়ামী লীগ। সারাদেশে এ নিয়ে তুমুল গুঞ্জন চললেও রা নেই জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি-জাতীয় পাটিসহ সরকার বিরোধি সংগঠনগুলোর। বিষয়টি নিয়ে রাজনীতির মাঠে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তা হলো, দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে কেউ কি পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছেন? আর যদি তা-ই হয়, তাহলে সরকারকে এটি শক্ত হাতে মোকাবেলা করতে হবে। কেন না সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য অপসারণের দাবী জানিয়ে প্রথমে মৌলবাদী দুই নেতা চরমোনাইর পীর ও ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম এবং হেফাজত ইসলামের নেতা মাওলানা মামুনুল হক সমাবেশ করেছে। তাদের দাবি, মূর্তি স্থাপনের সিদ্ধান্ত বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তৌহিদি জনতার আন্দোলন চলবে। সরকার যদি ভাস্কর্যের নামে মূর্তি স্থাপন থেকে সরে না আসে, তাহলে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে তারা। এর পরপরই ২৭ নভেম্বর এক মাহফিলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা এবং হেফাজতের যুগ্ন মহাসচিব মামুনুল হককে প্রধান বক্তা করা হয়। কিন্তু মামুনুল হকের চট্টগ্রামে আসা প্রতিহত করতে মাঠে নামে আওয়ামী লীগসহ দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এবং স্বাধীনতার পক্ষের সংগঠনগুলো। চট্টগ্রামের সবর্ত্র চলে বিক্ষোভ। সাধারণ মানুষের মাঝে এ নিয়ে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা চলে দিনব্যাপী। অবশেষে সেই মাহফিলে মাওলানা মামুনুল হক যোগদান না করলেও যে কোনো দল ভাস্কর্য বসালে তা টেনে হিঁচরে ফেলে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমীর জুনায়েদ বাবুনগরী। আল-আমিন সংস্থা আয়োজিত হাটহাজারীর পার্বত্য সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তিন দিনের তাফসীরুল কোরআন মাহফিলের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তার এমন হুমকি আসে। এর প্রেক্ষিতে উত্তেজনা দেখা দেয় আওয়ামী লীগসহ প্রগতিশীল মানুষের মাঝে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবাইদুল কাদের সংবাদ সম্মেলন করে বাবুনগরীর ওই বক্তব্যকে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন। এছাড়া দলটির অঙ্গ-সংগঠনগুলো চট্টগ্রাম নগরীসহ ঢাকার রাজপথে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। অন্যদিকে কেন্দ্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবল আলম হানিফও হেফাজত নেতার বক্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন এবং চট্টগ্রামে গত ২৮ নভেম্বর এক অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ভাস্কর্যবিরোধি বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন। সবমিলিয়ে আবারো উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গন। কেউ-কেউ বলছেন, সরকার পতন আন্দোলনের ইস্যু হিসেবে দাঁড় করাতেই এসব করা হচ্ছে। অথচ যে মহান ব্যক্তির জন্য বাংলাদেশের জন্ম তার ভাস্কর্য নাকি মূর্তি। তাই মসজিদের শহরে মূর্তি স্থাপন করা যাবে না বলে ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে উস্কে দিয়ে মৌলবাদীরা অন্যকোনো ফায়দা হাসিলে ব্যস্ত কিনা তা বলা মুশকিল। তারা কখনও মাঠ গরম করে ধর্ম অবমাননার নামে, কখনও কাউকে নাস্তিক আখ্যা দেয়ার নামে, আবার কখনও ভাস্কর্যকে মূর্তি বানিয়ে তা অপসারণের নামে। আসলে তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা নস্যাৎ করে জনমনে ভীতির সৃষ্টি করা। তারা যে আসলেই স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি তা বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য অপসারণের দাবী জানিয়ে আবারো স্পষ্ট করেছে। বলাবাহুল্য যে, ২০১৭ সালের ২৬ মার্চ রাতে দেশের সব্বোর্চ বিচার প্রাঙ্গণ সুপ্রীম কোর্ট চত্বর থেকে মৌলবাদীদের দাবী মেনে নিয়ে লেডি জাষ্টিজ ভাস্কর্যটি লোক চক্ষুর অন্তরালে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। ২০০৮ সালের ৩০ নভেম্বর রাতে রাজধানীর বলাকা ভবণের সামনের রাস্তায় বলাকা ভাস্কর্যে হামলা চালায় একটি উগ্রবাদী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। একইবছর হযরত শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দরের সামনের গোল চত্বরে বাউল ভাস্কর্যে হামলা চালায় মৌলবাদী গোষ্ঠি। ২০১৩ সালের ৫মে ঢাকা অবরোধ করে হেফাজতে ইসলাম দেশ থেকে সব ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলার আল্টিমেটাম দিয়েছিল সরকারকে। তারা ওই সমাবেশে সরকারের প্রগতিমূখী নারীনীতি, শিক্ষানীতি বাতিলের দাবীও তুলেছিল। তাদের ঘোষিত কর্মসূচীতে নারীকে পঞ্চম শ্রেণীর বেশী লেখাপড়া না করিয়ে ঘরে বন্দি করে রাখার কথা বলা হয়েছিল এবং নারীর প্রতি অমর্যাদাও দেখানো হয়েছিল। আরো অনেক অগ্রহণযোগ্য দাবী ছিল তাদের। এসব দাবী মেনে না নিলে সরকার পতনেরও হুমকি দিয়েছিল তারা। সরকারের ররফ থেকে ওই সময়ে কিছু দাবী মানাও হয়েছিল। এরপরও তারা থেমে থাকে নি। তখন থেকে প্রশ্রয় পেয়ে আজ তারা মাথায় উঠেছে। আজ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যকে মূর্তি আখ্যা দিয়ে বুড়িগঙ্গায় ফেলে দেয়ার আস্ফালন দেখাচ্ছে। ভাস্কর্য আর মূর্তি কখনো এক হতে পারে না। তারা তা জেনেও দেশে অরাজকতা সৃষ্টির খেলায় মেতে উঠেছে। ভাস্কর্য শুধুই একটি শিল্প। যা একটি দেশের শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সেই দেশের প্রকৃতি, জলবায়ু, ইতিহাস ও ঐতিহ্যেরই ধারক-বাহক হয়ে থাকে। এটি যেমনি আইন করে চাপিয়ে দেওয়া যায় না, তেমনি আবার কৃত্রিমভাবে সৃষ্টিও করা যায় না। বাংলাদেশের সামাজিক ও জাতীয় জীবনে যেসব অধ্যায় পার করে জাতি আজ সভ্যতা ও আধুনিক যুগে এসে দাঁড়িয়েছে, সেখানে এক শ্রেণির ইসলামপন্থী কয়েক সংগঠনের নেতাদের তিক্ত অভিজ্ঞতা সবারই জানা। ১৯৭১-এর আগে এবং ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে ও পরবর্তীতে রাজনৈতিক অঙ্গনে এক শ্রেণির তথাকথিত আলেম-উলামারা যে ভূমিকা রেখেছিলেন, সে কারণে সমাজে তাদের ব্যাপারে স্বাভাবিকভাবেই একটি নেতিবাচক ধারনা বিদ্যমান। আর এসব প্রতিক্রিয়ার প্রতিফলন ঘটে থাকে আমাদের শিল্প, সাহিত্য এবং গণমাধ্যমে। দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করে, অযুক্তিক ইস্যু দ্বাড় করিয়ে এবং জলাও-পোড়াওয়ের মাধ্যমে ধর্মের দোহাই দেয়া কতটুকু যুক্তিযুক্ত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বাংলাদেশ ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী নির্বিশেষে সবার। আমরা চাই, সবাই তার নিজ-নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে। এক্ষেত্রে যারা নানা অযুক্তিক ইস্যুতে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইবে, তাদেরকে কঠোর হস্তে দমন করতে হবে। তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীও রাখে। দেশের মানুষকে বাচাঁতে বঙ্গকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার অতীতেও অনেক কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন। তাই এ ব্যাপারেও সরকারকে এখন থেকেই সজাগ হয়ে আবারো কঠোর কোনো পদক্ষেপ নিতে হবে। কারণ দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেয়ার কোন সুযোগ নেই। আমাদের প্রত্যাশা যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করার পায়তারা করছে, তা যে কোন মূল্যে রুখতে হবে। তাই তাদের বিরুদ্ধে সরকার কালক্ষেপন না করে তড়িৎ কঠোর পদক্ষেপ নেবেন। এমনটা প্রত্যাশা আমাদের। -লেখক : সাংবাদিক ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, প্রগতিশীল সংবাদপত্র পাঠক লেখক ফোরাম, কেন্দ্রিয় কমিটি।

আজকের মোট পাঠক

43428

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত