দুর্ভিক্ষের মুখে বিশ্বের চার কোটির বেশি মানুষ: ডব্লিউএফপি

২৩,জুন,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বের চার কোটি ১০ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের মুখে রয়েছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি(ডব্লিউএফপি)। মঙ্গলবার সংস্থাটি জানায়, মৌলিক খাদ্য পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি বিদ্যমান খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করেছে। রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্বের ৪৩টি দেশের ওই পরিমাণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য সম্পূর্ণ অনুদানের ওপর নির্ভরশীল সংস্থাটির পক্ষ থেকে ৬০০ কোটি ডলারের তহবিলের চাহিদা উল্লেখ করা হয়েছে। ডব্লিউএফপির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বেসলি জানান, আরও ৫০ লাখ মানুষ এরই মধ্যে দুর্ভিক্ষে দিন কাটাচ্ছে। চারটি দেশের পরিস্থিতির খবর আমরা জানি যেখানে দুর্ভিক্ষ চলছে। আর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের চার কোটি ১০ লাখ মানুষের দরজায় দুর্ভিক্ষ কড়া নাড়ছে। আমাদের তহবিল দরকার এবং এখনই। কয়েক দশক ধরে বিশ্বে ক্ষুধা পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকলেও ২০১৬ থেকে আবার বাড়তে শুরু করে মূলত সংঘাত এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে। ডব্লিউএফপির হিসাবে, ২০১৯ সালে দুই কোটি ৭০ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে ছিল। কিন্তু ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারী শুরুর পর পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, এ বছরের মে মাসে বিশ্বে খাদ্য পণ্যের দাম এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছায়। বিশেষ করে সিরিয়াল, তেলবীজ, দুগ্ধজাত পণ্য, মাংস ও চিনির মতো মৌলিক খাবারের দাম গত বছরের চেয়ে ৪০ শতাংশ বেড়েছে। লেবানন, নাইজেরিয়া, সুদান, ভেনেজুয়েলা ও জিম্বাবুয়ের মতো দেশে মূল্যস্ফীতি এই পরিস্থিতির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে এবং পণ্য মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে, যার ফলে সেসব অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে গেছে। এ বছর ইথিওপিয়া, মাদাগাসকার, দক্ষিণ সুদান, ইয়েমেন, নাইজেরিয়া ও বুর্কিনা ফাসোর কিছু কিছু এলাকায় দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গত বছর নোবেল পুরস্কার পাওয়া ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠীর নয় শতাংশ, বা প্রায় ৬৯ কোটি মানুষ প্রতি রাতে ক্ষুধা নিয়ে ঘুমাতে যায়। ...

বিশ্বকে সাড়ে ৫ কোটি ডোজ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, পাবে বাংলাদেশও

২২,জুন,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় ধুকতে থাকা বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে নিজেদের কাছে মজুদ থাকা সাড়ে ৫ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন বিতরণের পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউজ বলছে, করোনা টিকার ন্যায্য বিতরণ নিশ্চিতে গঠিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগ কোভ্যাক্সের মাধ্যমে এসব টিকার ৭৫ শতাংশ যাবে লাতিন আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল, এশিয়া এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ। হোয়াইট হাউজের এই টিকা এশিয়ার যেসব দেশ পাবে সেই তালিকায় আছে বাংলাদেশও। কিছুদিন আগে করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় সহায়তার অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি ৮ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন বিতরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এবার তার সেই প্রতিশ্রুতি পূরণে সাড়ে পাঁচ কোটি ডোজ টিকা বিতরণ করছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি মাসের শুরুর দিকে প্রতিশ্রুতির আড়াই কোটি ডোজ টিকা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিতরণ শুরুর ঘোষণা দিয়েছিলেন জো বাইডেন। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস এবং এর বিভিন্ন প্রজাতির বিরুদ্ধে যেসব দেশ এখনও লড়ছে, সেসব দেশকে আরও বেশি ভ্যাকসিন সহায়তা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত ৩১ কোটির বেশি মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়েছে। ফলে হোয়াইট হাউজ এখন আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ভ্যাকসিন সহায়তা বৃদ্ধির দিকে মনযোগ দিচ্ছে। হোয়াইট হাউজ বলেছে, সাড়ে ৫ কোটি ডোজ টিকার মধ্যে ৪ কোটি ১০ লাখ ডোজ বিতরণ করা হবে কোভ্যাক্সের মাধ্যমে। এর মধ্যে প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ ডোজ যাবে লাতিন আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চলে। এছাড়া এক কোটি ৬০ লাখ ডোজ যাবে এশিয়া এবং অন্য ১ কোটি ডোজ যাবে আফ্রিকায়। অন্য ২৫ শতাংশ অথবা এক কোটি ৪০ লাখ ডোজ টিকা কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, ইরাক, ইউক্রেন, পশ্চিম তীর এবং গাজায় আঞ্চলিক অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিতরণ করা হবে। হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন সাকি বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিন বিতরণে যুক্তরাষ্ট্রকে কিছু সমস্যারও মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের কাছে বিশ্বকে দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন ডোজ আছে। কিন্তু এই টিকা পাঠানোর কাজটি এক ধরনের চ্যালেঞ্জ। ভ্যাকসিনের সুরক্ষা, ব্যবহার বিধি, সতর্কতামূলক বিষয়, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যথাযথভাবে সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। একই সময়ে ভাষাগত প্রতিবন্ধকতাও জয় করতে হবে। হোয়াইট হাউজের এই মুখপাত্র বলেছেন, এসব টিকা কোথায় যাচ্ছে সেবিষয়ে আমরা আজ ঘোষণা দিয়েছি। আমরা অব্যাহতভাবে টিকার ডোজ পৌঁছানো এবং পরিবহনের ঘোষণা দেব। যত দ্রুত সম্ভব আমরা এসব টিকা পৌঁছে দেওয়ার কাজ করতে উন্মুখ হয়ে আছি। যুক্তরাষ্ট্র যে সাড়ে ৫ কোটি ডোজ টিকা বিতরণের পরিকল্পনা করেছে, তা ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের কাছ থেকে পাওয়া। যদিও মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যালস জায়ান্ট অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা টিকার ব্যবহারেও সবুজ সংকেত দিয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা কর্মী এবং অন্য যারা করোনাভাইরাসের সর্বাধিক ঝুঁকিতে আছেন হোয়াইট হাউজ এসব টিকা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের দিতে চায়। আন্তর্জাতিক সহযোগীরাও যুক্তরাষ্ট্রের এই সহায়তা নিতে আগ্রহী রয়েছে।...

আফগান প্রেসিডেন্টকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন বাইডেন

২১,জুন,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আগামী ২৫ জুন হোয়াইট হাউসে আফগান প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ আশরাফ গনি এবং হাই কাউন্সিল ফর ন্যাশনাল রিকন্সিলিয়েশনের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহকে আমন্ত্রণ জানাবেন। দেশটি থেকে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়া অব্যাহত থাকার মধ্যেই তিনি এ আমন্ত্রণ জানাবেন। হোয়াইট হাউস মুখপাত্র জেন পিসাকি রোববার একথা জানান। খবর সিনহুয়ার। এক বিবৃতিতে পিসাকি বলেন, সৈন্য প্রত্যাহার অব্যাহত থাকায় এ সফরকালে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তানের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের বিষয়ের ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আফগান জনগণের পক্ষে সহযোগিতা করার ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য হুমকি বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপের কাছে আফগানিস্তান আর কখনো যাতে নিরাপদ স্বর্গে পরিণত না হয় সেটা নিশ্চিত করতে ওয়াশিংটন কাবুলের সাথে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আফগানিস্তানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটার প্রেক্ষাপটে তারা এই সফর সফর করতে যাচ্ছেন। গত ১ মে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়া শুরুর পর থেকেই সরকারি বাহিনীর ওপর তালেবান জঙ্গিদের ব্যাপক হামলা অব্যাহত রয়েছে। তালেবানরা জানিয়েছে, তারা গত মাসে ৪০ টির বেশি জেলা শহরতলি দখল করে নিয়েছে। গত এপ্রিলে বাইডেন ঘোষণা দেন যে আমেরিকায় ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ২০ তম বার্ষিকী পালনের দিন ১১ সেপ্টেম্বরের আগেই আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সব সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়া হবে। আর এ হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া মার্কিন সামরিক বাহিনী এ মাসের গোড়ার দিকে জানায়, তারা ইতোমধ্যে অর্ধেকেরও বেশি সৈন্য প্রত্যাহার করে নিয়েছে।...

বেলজিয়ামে নির্মাণাধীন স্কুল ভবন ধস, ৫ শ্রমিক নিহত

২০,জুন,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্প শহরে নির্মাণাধীন একটি স্কুল ভবন ধসে পাঁচ নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, শুক্রবার বিকালে ভবনটির একটি অংশ হঠাৎ ধসে পড়ে, ওই অংশটিকে ঠেকা দিয়ে রাখা ভারাটিও ধসে পড়ে। নিখোঁজ শেষ দুই শ্রমিকের লাশ শনিবার ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে উদ্ধার করেন দমকল কর্মীরা। নিহতদের মধ্যে দুই জন পর্তুগাল ও রোমানিয়া থেকে এসেছিলেন বলে বেলজীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও নয় জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিন জন শনিবারও হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ছিলেন, তবে তাদের অবস্থা সংকটজনক নয় বলে বেলজিয়ামের দমকল বিভাগ এক টুইটে জানিয়েছে। হতাহতদের খুঁজে বের করতে উদ্ধারকারীরা প্রশিক্ষিত কুকুর ও ড্রোন ব্যবহার করেন। ব্রাসেলস টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শহরের নিউ জুয়িদ এলাকার এ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নতুন বর্ষের শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানোর জন্য ১ সেপ্টেম্বর খোলার কথা ছিল, ওই সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য তোড়জোড় করা হচ্ছিল। দুর্ঘটনার কারণ বের করতে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করা হবে বলে ভবন নির্মাণে নিয়োজিত কোম্পানির ব্যবস্থাপক জানিয়েছেন। বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপ শনিবার ঘটনাস্থলটি পরিদর্শন করেছেন এবং পুলিশ, দমকলকর্মী ও চিকিৎসা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্দার ডি ক্রো এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন। ...

টিকা নিশ্চিতের দাবিতে ছুটিতে আসা হাজারো প্রবাসীর বিক্ষোভ

২৩,জুন,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর আগ্রাবাদে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের সামনে করোনা টিকার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে হাজারো প্রবাসী। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত তারা কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভকারীরা বলেন, সিভিল সার্জন কার্যালয় ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ভ্যাকসিন কেন্দ্র থেকে তাদের জনশক্তি অফিসে পাঠানো হয়েছে। জনশক্তি কার্যালয় থেকে অনুমতি দিলে তারা ভ্যাকসিন দিতে পারবেন। এ সময় তারা করোনার জন্য ছুটিতে এসে দেশে আটকা পড়েছেন বলে জানান। ভ্যাকসিন না দেওয়ায় তাদের সে দেশে ফেরত নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন। পরে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের উপপরিচালক জহিরুল আলম মজুমদারের কাছে কোভিড টিকার দুই ডোজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেওয়ার দাবিতে স্মারকলিপি দেন ভুক্তভোগীরা। এ ব্যাপারে জহিরুল আলম মজুমদার বলেন, করোনার টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার বিবেচনায় প্রবাসীরা তৃতীয় স্থানে আছেন। কিন্তু সুরক্ষা অ্যাপসের মাধ্যমে নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সেটি চালু হলে সমস্যা থাকবে না। এছাড়া প্রবাসীদের আরও যেসব সমস্যার কথা তারা বলেছেন, সেগুলো নিরসনে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।...

লায়ন মরহুম ইউসুফ খানের কবরে শ্রদ্ধা জানান অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটি

২২,জুন,মঙ্গলবার,নিজস্ব সংবাদদাতা,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটির সদস্য লায়ন মরহুম ইউসুফ খানের কেরানীগঞ্জ সারের কান্দা কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটির সদস্যবৃন্দরা। শ্রদ্ধা নিবেদনর পরে কেরানীগঞ্জ সাক্তা মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহাফিল অনুষ্ঠিত হয়। মরহুম ইউসুফ খানের আত্ত্বার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।পরে তার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। উক্ত মিলাদ মাহাফিল ও শ্রদ্ধা নিবেদনে অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপকমিটির সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।...

নড়াইলের জেলা আ.লীগ কমিটিতে সদস্য মাশরাফি, উপদেষ্টা বাবা

২১,জুন,সোমবার,আফরান,নড়াইল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সদ্য ঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও নড়াইল-২ আসনের সাংসদ মাশরাফী বিন মর্তুজা স্থান পেয়েছেন। এদিকে মাশরাফী নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে স্থান পাওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। তিনি নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হওয়ায় নড়াইলবাসী আনন্দিত। রোববার (২১ জুন) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত প্যাডে নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। জানা গেছে, ৭৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটিতে মাশরাফী রয়েছেন সদস্য পদে। সদস্য তালিকার চার নম্বরে রয়েছে তার নাম। এছাড়াও উক্ত কমিটিতে তার পিতা গোলাম মোর্তজা স্বপন রয়েছেন উপদেষ্টা হিসেবে। অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোসকে সভাপতি ও নিজাম উদ্দিন খান নিলুকে সাধারণ সম্পাদক করে ঘোষিত জেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান জিন্নাহ, সৈয়দ মোহাম্মদ আলী, আঞ্জুমান আরা, অ্যাডভোকেট আইয়ুব আলী প্রমুখ। এছাড়াও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন বকুল কুমার সাহা, মো. রাসেদুল বাশার ডলার ও আবু হেনা মোস্তাফা কামাল স্বপন। এর আগে গত বছর ৩১ ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটির সদস্য হয়েছিলেন মাশরাফী। তিনি আওয়ামী লীগের কমিটিতে নতুন না হলেও তার বাবা গোলাম মোর্তজা স্বপন ছাত্র রাজনীতিতে কলেজ জীবনে ছাত্রলীগ করতেন। এবার প্রথম জেলা আওয়ামী লীগের কোন কমিটিতে স্থান পেয়েছেন তিনি।...

বগুড়ার আদমদীঘিতে বিলুপ্তীর পথে বাঁশ শিল্প

১৯,জুন,শনিবার,বগুড়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বগুড়ার আদমদীঘিতে বাঁশ শিল্প এখন বিলুপ্তীর পথে। গ্রামগঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী বাঁশের তৈরী আসবাবপত্র। অভাবের তারনায় ওরা দীর্ঘদিনের বাবা দাদার পেশা ছেড়ে আজ অনেকে অন্য পেশায় ছুটছে। কিছু হাতে গোনা বাঁশ শিল্প কারীগররা অভাব অনটনের মাঝে আজও বাপ দাদার পেশা ধরে আছে । পুরুষদের পাশাপাশি সংসারের কাজ শেষ করে নারী কারিগররাও জীবিকা নির্বাহের জন্য ছেলে মেয়েদের নিয়ে শান্তিতে থাকতে অতি কষ্টে কাজ করছে তারা। বর্তমান বাজারে প্লাষ্টিক পণ্য ও আন্যান্য দ্রব্য মুলের সাথে পাল্লা দিতে না পারায় তাদের বাপ দাদার পেশায় মুখ থুবরে পড়েছে। বাংলার ঐতিহ্যবাহী এসব বাঁশ শিল্পের সাথে আদমদীঘি উপজেলা সান্দিড়া, বড়আখিড়া ও উজ্জলতা গ্রামের ৪০টি পরিবারের নারী ও পুরুষ বাঁশ শিল্প কারিগরদের ভাগ্যে নেমে এসছে চরম দুর্দিন। তাদের পূর্ব পুরুষের এ পেশা আকড়ে ধরে রাখার আপ্রান চেষ্টা করে ও হিমছিম খাচ্ছে। উপজেলাসহ দেশের ঘরে ঘরে ছিল বাঁশের তৈরী সামগ্রীর কদর। কালের পরিবর্তের সাথে সাথে বিশেষ আর চোখে পড়েনা । অপ্রতুল ব্যবহার আর বাঁশের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বাঁশ শিল্প আজ হুমকির মুখে। এসব বাঁশের তৈরী সামগ্রী বাচ্চাদের দোলনা, তালায়, র‌্যাখ, পাখা, ঝাড়ু, টোপা, ডালী, কুলা, চালনসহ বিভিন্ন প্রকার আসবাবপত্র গ্রামঞ্চলে বিস্তার ছিল। যে বাঁশ এক সময় ৮০ থেকে ১০০ টাকায় পাওয়া যেত সেই বাঁশ বর্তমান বাজারে কিনতে হচ্ছে তিনশত থেকে চারশত টাকায়। বাশের দাম যে পরিমানে বেড়েছে সেই পরিমান বাড়েনি এসব পণ্যের দাম। জনসংখ্যা বৃদ্ধিসহ ঘর বাড়ী নির্মানে যে পরিমান বাঁশের প্রয়োজন সে পরিমান বাঁশের ঝাড় বৃদ্ধি হচ্ছে না। সান্দিড়া গ্রামের কারিগর রইদাস ও অপেন দাস জানায়- তাদের গ্রামে প্রায় ২৫ টি পরিবার এ কাজে নিয়োজিত আছে। অতি কষ্টে বাঁশ শিল্প টিকে রাখতে ধার দেনা ও বিভিন্ন সমিতি থেকে বেশি লাভ দিয়ে টাকা নিয়ে কোন রকম বাপ দাদার পেশা আকড়ে ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। শনিবার আদমদীঘি উপজেলা সদরের হাটে উজ্জলতা গ্রামের বাঁশের শিল্প কারিগর ও বিক্রেতা আব্দুস সামাদ ও বড়আখিড়া গ্রামের উজ্জল চন্দ্রের সাথে কথা হলে তারা জানান আগের মত বাঁশের তৈরী জিনিস আর মানুষ কেনেনা।...

ধর্মীয় বক্তা ত্ব-হা উদ্ধার

১৮,জুন,শুক্রবার,রংপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও তার তিন সঙ্গীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানকে বর্তমানে মহানগর ডিবি অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। শুক্রবার (১৮ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রংপুর মহানগর পুলিশের এডিসি (মিডিয়া ও ডিবি) ফারুক আহমেদ। পুলিশ জানায়, নিখোঁজ বক্তা আবু ত্ব-হা রংপুরের খামার মোড়ের মাস্টারপাড়া এলাকায় তার শ্বশুরবাড়িতে জুমার নামাজের পর ফিরে আসেন। বিকেল ৩টার দিকে পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নেয়। বর্তমানে তিনি রংপুর মেট্টোপলিটন পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। মহানগর ডিবি অফিসে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এরআগে গত ১০ জুন রংপুর থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে তিন সঙ্গীসহ নিখোঁজ হন ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানসহ তিন সঙ্গী। এ ঘটনায় সন্তানের খোঁজ চেয়ে গত ১১ জুন রংপুর কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার মা আজেদা বেগম। জিডিতে তার মা উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার (১০ জুন) বিকেল চারটার দিকে তিন সঙ্গীসহ আদনান রংপুর থেকে ভাড়া করা একটি গাড়িতে ঢাকায় রওনা দেন। রাতে মোবাইল ফোনে সর্বশেষ কথা হলে আদনান সাভারে যাচ্ছেন বলে তাকে জানান। এরপর রাত ২টা ৩৬ মিনিটে স্ত্রী হাবিবা নূরের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয় আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানের। এ সময় তিনি ঢাকার গাবতলীতে আছেন বলে জানান। তারপর থেকেই তার ফোন বন্ধ থাকায় আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। আজেদা বেগম আরও জানান, আদনানের ফোনে একাধিকবার কল করেও যোগাযোগ করা যায়নি। এরপর সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি শেষে তাকে না পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় রংপুর কোতোয়ালি থানায় জিডি করা হয়। এরপর গত ১৬ জুন আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও তার তিন সহযোগীকে ফেরত পেতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেন স্ত্রী। নিখোঁজ আদনান অনলাইনে ধর্মীয় বক্তা হিসেবে পরিচিত। আদনানের বাড়ি রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডের আহলে হাদিস মসজিদ এলাকায়। তবে ত্ব-হা তার স্ত্রী এবং দেড় বছরের ছেলে ও তিন বছরের মেয়েকে নিয়ে শালবন মিস্ত্রীপাড়া চেয়ারম্যান গলিতে ভাড়া বাসায় থাকেন। আদনান অনলাইনে আরবি পড়ানোর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন মসজিদে গিয়ে জুমার খুতবা দিতেন। আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ২০১৮ সালে একটি ইসলামি ট্যালেন্ট হান্ট প্রতিযোগিতায় রানারআপ হন। এরপর ইসলামি শিক্ষা বিষয়ক ইউটিউব চ্যানেল খোলেন। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন মসজিদে দেওয়া জুমার খুদবা তার নিজের চ্যানেলে প্রচার করে জনপ্রিয়তা পান।...

এফবিসিসিআই সভাপতির সঙ্গে বাণিজ্য সংগঠনের নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

২২,জুন,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিভিন্ন বাণিজ্য সংগঠনের নেতারা। রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই আইকনে গতকাল এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের নেতাদের মধ্যে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইন্ডিয়া বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি মানতাসা আহমেদ, উইমেন অন্ট্রাপ্রেনিউরস নেটওয়ার্ক ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. নাদিয়া বিনতে আমিন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শরীফ আনোয়ার হোসেনসহ বাংলাদেশ ডিজিটাল প্রিন্টার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাফর আহমেদ, বিডিবিএল অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, গ্রিন বিল্ডিং টেকনোলজি বাংলাদেশ বিজনেস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা। এ সময় এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি এমএ মোমেন, পরিচালক আবু নাসের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ...

ভারতে ৩৫ লাখ টনের বেশি চিনি উৎপাদন

২১,জুন,সোমবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বিপণন মৌসুমে ভারতের চিনি উৎপাদন বৃদ্ধির পূর্বাভাস আগেই ছিল। তবে প্রাক্কলনের তুলনায় উৎপাদন বেশিই বেড়েছে। দেশটির খাতসংশ্লিষ্ট সংস্থা ইন্ডিয়ান সুগার মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (ইসমা) তথ্য বলছে, এ মৌসুমের প্রথম নয় মাসে (১ অক্টোবর-১৫ জুন) পণ্যটির উৎপাদন বেড়েছে ৩৫ লাখ ৫৪ হাজার টন। আখ আবাদ বৃদ্ধি পাওয়ায় পণ্যটির উৎপাদন বেড়েছে। খবর পিটিআই। ইসমার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বিপণন মৌসুমের ১ অক্টোবর থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত ভারতে ৩ কোটি ৬ লাখ ৬৫ হাজার টন চিনি উৎপাদন হয়েছে, যেখানে আগের হিসাব বছরে একই সময়ে উৎপাদন ছিল ২ কোটি ৭১ লাখ ১১ হাজার টন। সেই হিসাবে পণ্যটির উৎপাদন বেড়েছে ১৩ শতাংশ। ভারতে এ মুহূর্তে পাঁচটি চিনিকলে মাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে উত্তর প্রদেশে এবার চিনি উৎপাদন কমেছে। ১৫ জুন পর্যন্ত রাজ্যটিতে উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৬১ হাজার টন, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে উৎপাদন ছিল ১ কোটি ২৬ লাখ ৩০ হাজার টন। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে চিনি উৎপাদন সবচেয়ে বেড়েছে। চলতি ২০২০-২১ বিপণন মৌসুমে রাজ্যটিতে পণ্যটি উৎপাদনের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৬২ লাখ ৮০ হাজার টনে, যেখানের আগের বছরের একই সময়ে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৬১ লাখ ৬৯ হাজার টন। এছাড়া কর্ণাটকেও এবার উৎপাদন বেড়েছে। রাজ্যটিতে ওই সময় পর্যন্ত ৪১ লাখ ৬৭ হাজার টন চিনি উৎপাদন হয়েছে, আগের মৌসুমের একই সময়ে যেখানে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৩৩ লাখ ৮০ হাজার টন। উৎপাদনের পাশাপাশি এখন পর্যন্ত দেশটির চিনি রফতানির পরিমাণও বেড়েছে। ইসমার তথ্য বলছে, ১৫ জুন পর্যন্ত দেশটি ৫৮ লাখ টন চিনির ক্রয়াদেশ পেয়েছে তারা, যেখানে সরকার নির্ধারিত রফতানি কোটা ৬০ লাখ টন। এর মধ্যে ৪৫ লাখ ৭৪ হাজার টন চিনির চালান এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া এ মাসের মধ্যে আরো পাঁচ-ছয় লাখ টন চিনির চালান সংশ্লিষ্ট দেশের জন্য ছাড় করা হবে। এ হিসাবে এ মৌসুমে পণ্যটির রফতানির পরিমাণ আরো কয়েক গুণ বাড়বে। এদিকে উৎপাদন ও রফতানি বৃদ্ধির পাশাপাশি ভারতের স্থানীয় বাজারেও চিনির চাহিদা এবার বেড়েছে। ইসমা মনে করছে, আগামী সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া ২০২০-২১ বিপণন মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজারে অতিরিক্ত ৮-১০ লাখ টন চিনি বিক্রি হবে। আর মৌসুম শেষে রফতানির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৭০ লাখ টনে, যা দেশটির চিনিকলগুলোর জন্য স্বস্তির কারণ। ফলে মৌসুম শেষে চিনির মজুদেও ভারসাম্য আসবে। গত মৌসুমের তুলনায় সেপ্টেম্বর শেষে এর পরিমাণ ২০-২৫ লাখ টন কম হবে।...

পরিস্থিতি দেখে এসএসসি-এইচএসসির বিষয়ে সিদ্ধান্ত : শিক্ষামন্ত্রী

১৫,জুন,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা হবে কি-না, করোনা পরিস্থিতি দেখে তা বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। মঙ্গলবার (১৫ জুন) স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ঢাকার কেরানীগঞ্জের জাজিরা মোহাম্মদিয়া আলিয়া মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের সময় এ কথা জানান তিনি। এর আগে, চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেয়া সম্ভব না হলে বিকল্প ব্যবস্থার চিন্তাভাবনা চলছে বলে রোববার জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য আমরা চেষ্টা করছি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেয়ার। এখন সেটিও যদি না হয়, আমরা তার বিকল্প নিয়েও চিন্তা করছি। কিন্তু এখন পরীক্ষা আমরা নিতে পারব কি-না, পরীক্ষা নিতে না পারলে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা থাকলে- তার সবকিছু নিয়েই কিন্তু আমাদের চিন্তা-ভাবনা আছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জুলাই থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা গেলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নাগাদ সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের ওপরই পরীক্ষা নেয়া সম্ভব। তবে যদি ছুটি বাড়ানো হয় তাহলে বিকল্প চিন্তা হিসেবে অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়ন করার প্রস্তুতি শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখেছে তার একটা মূল্যায়ন করে গ্রেড দেয়া যাবে। এক্ষেত্রে আগের জেএসসি ও নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলকে আমলে নেয়া হতে পারে। গত বছরের মার্চে সংক্রমণ দেখা দেয়ার আগেই এসএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা আটকে যান। ছুটির সময় কোনো পাবলিক পরীক্ষা হয়নি। আর উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ফল প্রকাশ করা হয় তাদের এসএসসি ও জেএসসির ফলের গড় করে।...

কোপায় ১০ দলের মধ্যে পাঁচ দলেই করোনা

২৩,জুন,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্রাজিলে কোপা আমেরিকা আয়োজনের ঘোষণা দেওয়ার সময় কনমেবল কর্তৃপক্ষ বলেছিল, বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ ক্রীড়া ইভেন্ট হতে চলেছে কোপা আমেরিকা। সেটা যে কত বড় ভুল ধারণা ছিল, তা দিনে দিনে প্রমাণ হচ্ছে। প্রতিযোগিতাটির দলগুলোর মধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েই চলছে। ভেনেজুয়েলা, কলম্বিয়া ও বলিভিয়ার পর এবার ভাইরাসটি হানা দিয়েছে পেরু ও চিলি দলে। তবে চিলি কোচ মার্টিন লাসার্ত অবশ্য তার খেলোয়াড়দের ব্যাপারে বলেছেন তারা ভুল করেছেন। বলিভিয়ার স্ট্রাইকার মার্সেলো মার্তিন্স, অস্কার রিবেরা ও জাউমে কুইয়া আক্রান্ত হন। চিলির ঘরেও শনাক্ত হওয়ার খবর বেরিয়েছে। এর আগে খেলোয়াড়, অফিসিয়ালস ও হোটেল কর্মকর্তা মিলে কোপা আমেরিকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মোট ৫২ জনের শরীরে ভাইরাসটি পাওয়া গিয়েছিল। বর্তমানে সংখ্যাটা ৬৫। করোনার কারণেই কোপা হতে অতিথি দল অস্ট্রেলিয়া এবং কাতার নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। তাই এখন ১০ দল নিয়ে হচ্ছে কোপা। ...

যে কারণে ঝুলে আছে ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তি

২১,জুন,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গেল মঙ্গলবার (১৫ই জুন) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে পরিচালনা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আলোচনায় ওঠে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ২০২০-২১ কেন্দ্রীয় চুক্তির প্রস্তাবনা। তবে সেই সভায় অনুমোদন মিললেও তা প্রকাশ করা হয়নি। কারণ, বিসিবি সভাপতি জানিয়েছেন চুক্তিতে ক্রিকেটারদের রাখা ও বাদ পড়ার কারণ লিখিতভাবে ব্যখ্যা করা ছিল না। দ্রুতই তা দিতে নির্দেশ দেয়া হয় ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগকে। এছাড়াও নতুন নিয়ম অনুসারে এই চুক্তিতে থাকার আগে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা নিশ্চিত করে জনাতে হবে কে কোন ফরম্যাটে (লাল ও সাদা বল) খেলতে চান। তবে ৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো চুক্তি প্রকাশের বিষয়টি ঝুলে আছে। জানা গেছে ক্রিকেটারদের চিঠি দেয়া হয়েছে তা নিশ্চিত করার জন্য। তবে গতকাল পর্যন্ত অনেক ক্রিকেটারই তা জমা দেননি। তবে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান ফের জানিয়েছেন এই সপ্তাহেই তা প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, আমরা একটু সময় নিয়েছি। আশা করি এই সপ্তাহে তা প্রকাশ করতে পারবো। জানা গেছে দেশ ছাড়ার আগে সাকিব আল হাসান কোন ফরম্যাটে খেলতে চান তা বিসিবিকে লিখিতভাবে জানিয়ে গেছেন। এছাড়াও তামিমসহ আরো সিনিয়র ক্রিকেটার নিজেদের চিঠির জবাব দিয়েছেন। সব মিলিয়ে প্রায় ২২ জন ক্রিকেটার তাদের চিঠির জবাব দিলেই চুক্তিটি নতুন করে সাজিয়ে প্রকাশ করা হবে। আগামী ২৯শে জুন জিম্বাবুয়ে সফরে যাবে বাংলাদেশ দল। তার জন্য ১৬ থেকে ১৮ জনের দল ঘোষণা করা হবে। জানা গেছে নির্বাচকরা এরই মধ্যে দল দিয়েছেন। তবে জাতীয় দলের ৪ থেকে ৫ জন ক্রিকেটার ইনজুরি আক্রান্ত হওয়ায় দল ঘোষণায় দেরি হচ্ছে বলেও জানা গেছে। বিসিবির একটি সূত্র জানায়, নির্বাচকরা দল জমা দিয়েছে। তবে এখন কয়েকজন ক্রিকেটার ইনজুরিতে আছে। যে কারণে তা প্রকাশ করতে সময় লাগছে। ২২ বা ২৩শে জুন তা প্রকাশ করা হতে পারে।...

সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে পরীমনির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: ডিবি

১৭,জুন,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার। তিনি বলেন, কমিউনিটি ক্লাবের ঘটনাটি আমাদের গুলশান টিমের এলাকায়। আমরা বিষয়টি নিয়ে অবশ্যই আলোচনা করব। এ বিষয়ে যেকোনো ধরনের অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাফিজ আক্তার বলেন, আমরা জেনেছি ৮ জুন রাতে পরীমনি ওই ক্লাবে গিয়েছেন। ৯৯৯-এর একটি ফোনে ওখানকার ঘটনাটি জানতে পারে পুলিশ। তবে পরবর্তীতে এটা নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আমরা এটা নিয়ে কাজ করব। বোট ক্লাবের ঘটনায় পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি মামলা হয়েছে ঢাকা জেলাতে। যেহেতু মামলাগুলো চলমান, পরীমনি অবশ্যই প্রয়োজনে সব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আসবে। জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত শেষে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা যাবে। এদিকে আলোচিত ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানসহ চারজন ৮ দিন ধরে নিখোঁজের ঘটনায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান হাফিজ আক্তার। তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে রংপুরে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশও এ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে। ...

হাতিরঝিলে কিশোরদের উপদ্রব আটক ৫৫

২৮,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ক্রাইম প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘিঞ্জি ঢাকায় একটু মুক্তভাবে হেঁটে বেড়ানোর জায়গা নেই বললেই চলে। তবে এই অভাবটা কিছুটা হলেও পূরণ করেছে হাতিরঝিল। কিন্তু দিন দিন সেটাও হয়ে পড়েছে অরক্ষিত। কোলাহল তো বেড়েছেই, সেই সঙ্গে বেড়াতে আসা মানুষকে নানাভাবে উত্যক্ত করছে কিশোরদের কয়েকটি দল। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ৫৫ জন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) এআইজি মো. সোহেল রানা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা একজন গতকাল (২৭ জানুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে হয়রানির শিকার হওয়ার একটি অভিযোগ দেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে হাতিরঝিল লেক ও লেক সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিকেল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ব্যাপক অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় ৫৫ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ৩ জনের কাছে ৮ পিস, ১২ পিস ও ২৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও গণ-উপদ্রব ও অহেতুক হৈচৈ করার কারণে ১৬ জনের বিরুদ্ধে ডিএমপি অর্ডিন্যানস অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৬ জনকে শর্তসাপেক্ষে অভিভাবকের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এআইজি আরো বলেন, সন্তান যেনো কোনো অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দরকার পড়লে পুলিশের সহায়তা নিতে হবে। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি। ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন

২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষারর্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হতে বিরত থাকুন। মার্চ ২০২০ হতে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শুরু হয়। পর্যবেক্ষণ দেখা যায় শীত প্রধান অঞ্চলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণ বেড়েই চলছে। আমাদের দেশ ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল দেশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি বেসরকারি ব্যাক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণায় দেশবাসী সচেতন হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলছে। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। সামনে শীত মৌসুম। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা একেবাড়ে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন মহল বিশিষের দাবীর মুখে একাধিক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানা যায় সদাসয় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির পরিক্ষা ও ক্লাস শুরু করার তথ্য। অবশ্যই এই উদ্যেগ ভাল। কিন্তু এ মুহূর্তে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক ও ছোঁয়াছে রোগ। এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা অত্যন্ত জটিল। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের দেশের সরকার শত চেষ্ঠার পর সম্পূর্ণ সফল হতে পারেনি। অবশ্য আংশিক সফলতা, যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সাধুবাদ। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কৃতজ্ঞতাচিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছিও। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী অনেক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্লাস করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই সকল দিকে বিবেচনা করে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাস শুরু না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।- ...

আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

২৩,জুন,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্বদানকীর দল। দলটির ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে এই রাজনৈতিক দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক। ওই সময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারাগারে আটক ছিলেন। তাকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ করা হলেও পরবর্তীতে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের অধিকতর প্রতিফলন ঘটানোর জন্য এর নাম আওয়ামী লীগ করা হয়। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিজয়ের পর ১৯৫৫ সালে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেয়া হয়। আর পূর্ব পাকিস্তান শব্দ দুইটি বাদ পড়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় থেকে। বাংলাদেশে স্বাধীনতা ঘোষণা করার পর থেকে প্রবাসী সরকারের সব কাগজপত্রে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নাম ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৭০ সাল থেকে এ দলের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। পরবর্তীতে দেশের অন্যতম প্রাচীন এ সংগঠনটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে এ দেশের গণমানুষের সংগঠনে পরিণত হয়। দিবসটি উপলক্ষে প্রতি বছর দলটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এবারও করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- এদিন সূর্যোদয়ক্ষণে কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশের সব কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন। একই দিন সকাল ৯টায় ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং বিকেল ৩টায় ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আলোচনা সভা। সভায় গণভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এছাড়াও এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের একটি প্রতিনিধি দল শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করবেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ এবং বিশিষ্টজনেরা মনে করেন, আওয়ামী লীগের অর্জন পাকিস্তান আমলের গণতান্ত্রিক মানুষের অর্জন, এই দলের অর্জন বাংলাদেশের অর্জন। জাতির জন্য যখন যা প্রয়োজন মনে করেছে, সেটি বাস্তবায়ন করেছে এ দলটি। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ, সব আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশ গঠনে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করেছে আওয়ামী লীগ। স্বাধীনতার পর থেকে দেশবিরোধীদের ষড়যন্ত্র স্বত্ত্বেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধ্বংস্তুপ থেকে উঠে এসে স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম এ দল সম্পর্কে এক মন্তব্যে বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ শুধু দেশের পূরনো ও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দলই নয়, এটি হচ্ছে গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িক ভাবাদর্শের মূলধারাও। প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত নানা আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ আমাদের সমাজ-রাজনীতির এ ধারাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি এ দলটিকে দেশের অন্যতম প্রাচীন সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ভাষা, স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা অর্জনে মহোত্তম গৌরবে অভিষিক্ত আওয়ামী লীগের কয়েক দশকের অভিযাত্রায় শান্তি, সমৃদ্ধি ও দিন বদলের লক্ষ্যে অবিচল বাঙালি জাতির মুক্তির দিশারী। ইতিহাসবিদ, লেখক ও লোক সাহিত্যিক শামসুজ্জামান খান এই দলকে মূল্যায়ন করে লিখেছেন, আওয়ামী লীগ পাকিস্তান নামের অবৈজ্ঞানিক এবং ভৌগোলিক ও নৃতাত্ত্বিকভাবে এক উদ্ভট রাষ্ট্রের পূর্ব বাংলার বাঙালি জনগোষ্ঠী ও অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিসত্তাকে অবজ্ঞায়, অবহেলায় ও ঔপনিবেশিক কায়দায় শোষণ-পীড়ন-দমন ও দাবিয়ে রাখার বিরুদ্ধে লাগাতার প্রতিবাদ, প্রতিরোধ এবং গণসংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা বিপুল জনপ্রিয় একটি রাজনৈতিক দল। ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, আইয়ুবের সামরিক শাসন-বিরোধী আন্দোলন, ৬৪-এর দাঙ্গার পর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা, ৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন ও ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের পথ বেয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ২৪ বছরের আপসহীন সংগ্রাম-লড়াই এবং ১৯৭১ সালের ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ তথা সশস্ত্র জনযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙালির হাজার বছরের লালিত স্বপ্নের ফসল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ তার একটি নিবন্ধে লিখেছেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে আওয়ামী লীগ গত ৭১ বছর ধরে রাজনীতির অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। আওয়ামী লীগের ইতিহাস সংগ্রাম, সৃষ্টি, অর্জন ও উন্নয়নের ইতিহাস। আওয়ামী লীগ ছিল পাকিস্তানে প্রথম কার্যকর কোনো বিরোধী দল। শুধু তাই নয়, আওয়ামী লীগের যাত্রাই শুরু হয় বাঙালিদের স্বার্থের সত্যিকার ও আপসহীন প্রতিনিধি হিসেবে। তিনি বলেন, তখন পাকিস্তান রাষ্ট্রে কোনো বিরোধী দল গঠন কিছুতেই সহজসাধ্য ছিল না। শাসকগোষ্ঠীর রক্ত চক্ষু আর সকল বাধা-প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে বিরোধী দল হিসেবে আওয়ামী লীগের শুধু প্রতিষ্ঠা লাভই সেদিন ঘটেনি, অতি দ্রুত এর জনপ্রিয়তাও বৃদ্ধি পেতে থাকে। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার ব্যর্থ চেষ্টা হলেও দীর্ঘ একুশ বছর লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জয়ী হয়ে ২৩ জুন দলটি ক্ষমতায় ফিরে আসে। ২০০১ এবং ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির পর আর এক দফা বিপর্যয় কাটিয়ে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনে তিন-চতুর্থাংশ আসনে বিজয়ী হয়ে ফের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায় আওয়ামা লীগ। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের ৫ জানুযারি এবং ২০১৮-এর ৩০ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে টানা তিন মেয়াদে সরকার পরিচালনা করছে এ দলটি।...

১২ বছর আগের ও আজকের উন্নয়ন আকাশ-পাতাল পার্থক্য: ওবায়দুল কাদের

১৯,জুন,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১২ বছর আগের পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আলোর পথে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বলেন, ১২ বছর আগের বাংলাদেশ ও আজকের বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অর্জনে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। শনিবার (১৯ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রিবার্ষিক ভার্চুয়ালি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে রাজধানীর নিজ বাসভবন থেকে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন। রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক আফজালপুর রহমান বাবুসহ অন্যান্য নেতারা ভার্চুয়াল প্লাটফর্মের মাধ্যমে সম্মেলনে যুক্ত হন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই মহামারি করোনাকালেও বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে ২০০ মিলিয়ন ডলার এবং সুদানকে ৭ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে, এতেই বোঝা যায় বাংলাদেশের অবস্থান আজ কোথায় এসে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের মাথা পিছু আয় আজ ২ হাজার ২২৭ ডলার, যা কল্পনাও করা যায় না বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশের এই বিশাল উন্নয়ন- অর্জনই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ জন্যই বিএনপি নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের এই অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে চায়। দেশকে অস্থিতিশীল করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির এই ইতিবাচক ধারা বাধাগ্রস্ত করতেই বিএনপি এবং তাদের দোসররা আদজল খেয়ে মাঠে নেমেছে।...

নম্র ও বিনয়ীকে আল্লাহ পছন্দ করেন

২৯,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাব্বুল আলামিনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যেন শান্তিপূর্ণভাবে জীবন যাপন করে, এটাই তার প্রত্যাশা। পরস্পর মতভেদ এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকে তিনি মোটেও পছন্দ করেন না। তাই আচার-ব্যবহারে অযথা রাগ ও ক্রোধ থেকে আমাদের দূরে থাকতে হবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবসময় রাগ ও ক্রোধ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিতেন। তিনি মানুষকে সাবধান করে দিয়ে বলেছেন- যে ব্যক্তি নম্র-বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উচ্চাসনে আসীন করেন আর যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে অপদস্থ করেন। আমাদের ভেবে দেখতে হবে আমরা কি আল্লাহ পাকের ইচ্ছা অনুযায়ী নিজেদের জীবন পরিচালনা করছি কি ন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন- তুমি প্রজ্ঞা ও সদুপদেশের মাধ্যমে তোমার প্রভু-প্রতিপালকের পথের দিকে আহ্বান জানাও। আর তুমি উত্তম যুক্তিপ্রমাণের মাধ্যমে তাদের সাথে তর্ক কর যা সর্বোত্তম। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ওই ব্যক্তি সম্পর্কে বিশেষভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে। (সুরা আন-নাহল: আয়াত ১২৫)। ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। ইসলাম কল্যাণের ধর্ম। একজন প্রকৃত মুসলমান সে কখনই সন্ত্রাসী এবং নৈরাজ্যকারী হতে পারে না। ইসলামের নামে যারা বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তারা মূলত সন্ত্রাসী, প্রকৃতপক্ষে তাদের কোনো ধর্ম নেই। তাই আমরা যে যেখানে যেভাবেই থাকি না কেন বা যে কর্মই করি না কেন, আমাদের সবাইকে নিজ নিজ স্থানে প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা তুলে ধরতে হবে এবং নিজেদের আদর্শবান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আমাদের কাজ-কর্মে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ ফুটিয়ে তুলতে হবে। তবেই মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের ভালোবাসবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা অনুযায়ী নিজেদের জীবন পরিচালনা করার তাওফিক দান করুন। আমিন। সূত্রঃ জাগো নিউজ ...

চাঁদ দেখা গেছে, রোজা বুধবার

১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের আকাশে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) চাঁদ গেছে। বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস শুরু হবে। মঙ্গলবার রাতে তারাবি নামাজ আদায় ও শেষ রাতে সেহরি খেয়ে বুধবার প্রথম দিনের রোজা পালন করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ফরিদুল হক খান সভাপতিত্ব করেন। সভা থেকে ঘোষণা করা হয় ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস ও লাইলাতুল কদরের তারিখ। এদিকে মালয়েশিয়া, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশে গত সোমবার (১২ এপ্রিল) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে দেশগুলোতে মঙ্গলবার থেকে রোজা শুরু হয়েছে। ইসলামিক বিধান অনুযায়ী রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ায় গত সোমবার দিনগত রাতে সেহরি খেয়ে মঙ্গলবার রোজা রাখছেন ওইসব দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়। ওইসব দেশের পরদিনই বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ পালন করা হয়। সে হিসাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যাবে বলে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আগে থেকে রোজা পালন ও তারাবি নামাজের প্রস্তুতি নিয়েছেন। ...

রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ডায়াবেটিসও কমায় ধনে পাতা

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে সবসময় পাওয়া যায় ধনেপাতা। অনেকেই তরকারির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আবার ভর্তায়ও জায়গা করে নেয় এই সুগন্ধি পাতা। এতো গেল রসনাবিলাসের কথা। কিন্তু জানেন কি, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধনেপাতার রয়েছে একগুচ্ছ ঔষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল। যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসের দরুণ আমাদের শরীরে রোজ তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এর থেকে শরীরে বহু দূরারোগ্য অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে'র জোগান দেয় এই পাতা। শুধু তাই নয়, এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে অব্যর্থ ওষুধ। দিল্লির এইমস-এর গবেষণাগারে রিউম্যাটিক আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের পায়ে ধনেপাতার রস প্রবেশ করালে তার শরীরের জ্বলন ও ফোলা ভাব দূর হতে দেখা গিয়েছে। ...

সুস্থ থাকতে আঁশযুক্ত খাবার খান

২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আঁশযুক্ত খাবার এমন একটি খাদ্য উপাদান যা দেহের নানা কাজ সুষ্ঠুভাবে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমানে আঁশযুক্ত খাবার খেলে তুলনামুলকভাবে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা যায়। আর খাবারে এই উপাদানের ঘাটতি হলে শরীরে নানা ধরনের বিপত্তি ঘটে। ভুট্টা, শিম, বাঁধাকপি, জাম, ওট, ব্রকলি,আপেল, কলা, কমলা, বাদাম ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমানে আঁশ পাওয়া যায়। আঁশযুক্ত খাবার খেলে অল্পতেই পেট ভরে যায়। একারণে ঘন ঘন খাবার প্রবণতা কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গবেষকরা বলছেন, যারা প্রতিদিন ২৬ গ্রামের বেশি আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম। আরেক গবেষণায় এটা প্রমানিত হয়েছে, যারা প্রতিদিন ৭ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় কিছুটা হলেও কমে যায়। প্রতিদিন ১০ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের সম্ভাবনা ১০ ভাগ কমিয়ে দেয় এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি শতকরা ৫ ভাগ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় এটাও দেখা গেছে, যারা আঁশসমৃদ্ধ শস্যজাতীয় খাবার গ্রহণ করেন তারা অন্যদের তুলনায় দীর্ঘায়ু হন। যেকোন ধরনের কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আঁশযুক্ত খাবার দারুন কার্যকরী। এছাড়া শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় টক্সিন বের করতে প্রাকৃতিভাবেই কাজ করে এই জাতীয় খাবার। কিছু কিছু আঁশযুক্ত খাবার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। ফলে হাড় মজবুত থাকে। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি।


রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ডায়াবেটিসও কমায় ধনে পাতা

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে সবসময় পাওয়া যায় ধনেপাতা। অনেকেই তরকারির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আবার ভর্তায়ও জায়গা করে নেয় এই সুগন্ধি পাতা। এতো গেল রসনাবিলাসের কথা। কিন্তু জানেন কি, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধনেপাতার রয়েছে একগুচ্ছ ঔষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল। যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসের দরুণ আমাদের শরীরে রোজ তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এর থেকে শরীরে বহু দূরারোগ্য অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে'র জোগান দেয় এই পাতা। শুধু তাই নয়, এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে অব্যর্থ ওষুধ। দিল্লির এইমস-এর গবেষণাগারে রিউম্যাটিক আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের পায়ে ধনেপাতার রস প্রবেশ করালে তার শরীরের জ্বলন ও ফোলা ভাব দূর হতে দেখা গিয়েছে।

অনুভূতির সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ - তসলিম উদ্দিন রানা

২৩,জুন,বুধবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৪৯ সালে ২৩ জুন কেএম দাস লেন রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা লাভ করেন যা পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। এবার ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হবে। বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত আদর্শের রাজনীতিক দল আওয়ামী লীগ দুর্বার গতিতে আধুনিক বাংলা গঠনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় স্বাধীনতা আন্দোলন সংগ্রামের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। উপ-মহাদেশের রাজনীতিতে প্রায় ৬ দশকেরও বেশি সময় ধরে আভিজাত্যে ও অবিচ্ছেদ্য স্বত্ব হিসেবে নিজেদের অপরিহার্যতা প্রমাণ করেছে গণতান্ত্রিকভাবে জন্ম নেওয়া এই দলটি।এদেশের প্রতিটি লড়াই,আন্দোলন-সংগ্রামে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী প্রচীনতম রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের ভূমিকা উজ্জ্বল।আওয়ামী লীগ মানেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূলধারা।আওয়ামী লীগ মানে বঙ্গবন্ধু,আওয়ামী লীগ মানে স্বাধীনতা। ৪৭এর দেশ বিভাগ,৫২র ভাষা আন্দোলন, ৬২র ছাত্র আন্দোলন,৬৬ এর ছয় দফা, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০এর নির্বাচন আর ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা আন্দোলন,৭৫ এর পর নিঃশেষ হয়ে পুনরায় উজ্জীবিত,৯০ এর স্বৈরচ্চার বিরোধী আন্দোলন,৯৬ খালেদা বিরোধী আন্দোলন,২০০১ এর বিএনপি জামাতের বিরুদ্ধে আন্দোলন,২০০৭সালে ১/১১ এর ফখরুদ্দীন -মঈনুদ্দীন তত্ত্ববধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সহ সব লড়াই সংগ্রাম,গনতান্ত্রিক, অসম্প্রাদায়িক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে আওয়ামী লীগ।সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে আজও মানুষের নিকট জনপ্রিয় ও আদর্শিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। আর এসবের প্রতিটি আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে আওয়ামী লীগের উপর বর্তায়।এদলটির উপর সব ঝড়জঞ্জা গেছে যা বলার উপেক্ষা রাখেনা তবুও সব কিছু উত্তরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় আওয়ামী লীগ। ১৯৪৯ সালে দেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগের যাত্রা শুরু করেন।১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরনো ঢাকার কেএম দাসলেনের ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে ততকালীন পাকিস্তানের প্রথম প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।যা পরবর্তীতে আওয়ামী লীগে রুপান্তরিত লাভ করেন। প্রথম কাউন্সিলে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি এবং শামসুল হককে দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। তখন টগবগে তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কারাগারে বন্দী। বন্দী অবস্থায় তাকে সর্বসম্মতিক্রমে প্রথম কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।১৯৫৩ সালে ময়মনসিংহে দলের দ্বিতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।১৯৫৫ সালের ২১-২৩ অক্টোবর ঢাকার সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলে দলের তৃতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক সংগঠনে পরিণত হয়। মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে দলের নতুন নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ।পরে কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহাল থাকেন। ৫৭ সালে কাগমারী সম্মেলনে দলের আন্তর্জাতিক নীতির প্রশ্নে সোহরাওয়ার্দী-ভাসানীর মতপার্থক্যের কারণে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগ ভেঙে যায়। ভাসানীর নেতৃত্বে গঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)। আর মূল দল আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান বহাল থাকেন।১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি হলে আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড স্থগিত করা হয়।১৯৬৪ সালে দলটির কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করা হয়। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মাওলানা তর্কবাগীশ ও শেখ মুজিবুর রহমান অপরিবর্তিত থাকেন। ১৯৬৬ সালের কাউন্সিলে দলের সভাপতি পদে নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান,তার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তাজউদ্দীন আহমদ।এর পরে ১৯৬৮ ও ১৯৭০ সালের কাউন্সিলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অপরিবর্তিত থাকেন। এই কমিটির মাধ্যমেই পরিচালিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ।দেশ স্বাধীনতা লাভ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রথম কাউন্সিলে সভাপতি হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান।১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু স্বেচ্ছায় সভাপতির পদ ছেড়ে দিলে সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয় পঁচাত্তরে কারাগারে ঘাতকদের হাতে নিহত জাতীয় নেতাদের অন্যতম এএইচএম কামরুজ্জামানকে ও সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল থাকেন মো. জিল্লুর রহমান।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আসে আওয়ামী লীগের ওপর মরণাঘাত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আওয়ামী লীগের রাজনীতি আবারও স্থগিত করা হয়।১৯৭৬ সালে ঘরোয়া রাজনীতি চালু হলে আওয়ামী লীগকেও পুনরুজ্জীবিত করা হয়।এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করা হয় যথাক্রমে মহিউদ্দিন আহমেদ ও বর্তমান সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে।১৯৭৭ সালে এই কমিটি ভেঙ্গে করা হয় আহ্বায়ক কমিটি। এতে দলের আহ্বায়ক করা হয় সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীনকে। ১৯৭৮ সালের কাউন্সিলে দলের সভাপতি করা হয় আবদুল মালেক উকিল এবং সাধারণ সম্পাদক হন জননেতা আব্দুর রাজ্জাক। এরপরই শুরু হয় আওয়ামী লীগের উত্থানপর্ব, উপমহাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে গড়ে তোলার মূল প্রক্রিয়া। সঠিক নেতৃত্বের অভাবে দলের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলে নির্বাসনে থাকা বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। দেশে ফেরার আগেই ১৯৮১ সালের কাউন্সিলে শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয় এবং সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল থাকেন আবদুর রাজ্জাক। পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী নির্বাচিত হয়।এরপরে ১৯৯২ সালে শেখ হাসিনা সভাপতি ও জিল্লুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়।এরপরে ২০০২ সালে শেখ হাসিনা সভাপতি ও আব্দুল জলিল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়। এরপরে ২০০৯ ও ১২ সালে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়।এরপরে২০১৬ ও ১৮ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা সভাপতি ও ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সুদীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাঙালি জাতির ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক, সাধারণ মানুষের ভাত, ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলন, স্বৈরচ্চার ও স্বৈরচ্চারীনী নেতৃত্বদানের সুমহান গৌরব অর্জন করেছে।আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার পর এ ভূখণ্ডে যা কিছু বিশাল অর্জন তা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে। আওয়ামী লীগের ইতিহাসের সঙ্গে এ দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত।বাঙালি জাতির প্রতিটি মহত এবং শুভ অর্জনে আওয়ামী লীগের সংগ্রামী ও ত্যাগী ভূমিকা রয়েছে অতুলনীয়।ভবিষ্যতেও আওয়ামী লীগ এদেশের জনগণের পাশে থাকবে। প্রতিটি লড়াই সংগ্রাম ও আন্দোলনে নেতৃত্ব ভুমিকা অতুলনীয়।৭৫ এর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হত্যার মধ্যে দিয়ে যে রাজনীতি শুরু হয়েছিল তার বিরুদ্ধে অনেক অকুতোভয় দুঃসাহসী লোক মৃত্যুবরন করেন ও অনেকে সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়,অনেকে জেল জুলুম শিকার করে দলকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করেছে যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তাদের ত্যাগ তিতিক্ষা আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে আজ এদল ঠিকে আছে।সেই সময় খন্দকার মোস্তাক,জিয়া, এরশাদ,খালেদা গংয়ের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে অনেকের জীবন চলে যায় আর অনেকে নির্যাতিত হয়ে যায়।লক্ষ লক্ষ নেতা কর্মী মামলা,হামলা শিকার হয়ে অনেকে কারাগারে ছিলেন। দেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত করবে আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় দল আওয়ামী লীগ। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আধুনিক বাংলা গঠনে সুগম উন্নয়ন করে যাচ্ছে এমনকি দেশের বড় প্রজেক্ট তথা পদ্ম সেতু নিজ অর্থায়নে করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিল দেশরত্ন শেখ হাসিনা।দেশকে নিন্ম মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিশ্বে দাড় করিয়ে দিয়েছে যা ইতিহাসের মাইলফলক।২০২১ -২২সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হবে।বিশ্ব আজ বাংলাদেশের উন্নয়নের ভুয়সী প্রশংসা করেন।যা আমাদের জন্য শুভ ও গর্বের বিষয়। এসব কিছুর মুলে আছেন ক্যারিশমাটিক নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনা। গনতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে এরশাদকে হটিয়ে ১৯৯১ সালে নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসে আবারো ভোট ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি শুরু করলে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে ভোট ও ভাতের অধিকার বাস্তবায়ন হয়।এরপর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসেন।আবারো বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের নক্সা করে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগকে পরাজিত করে ও ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা করে জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ অনেক নেতা নিহত ও আহত তার বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করে যায়।এরপরে ১/১১ এর বিরুদ্ধে আবারো আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদেরকে লড়াই সংগ্রাম আন্দোলনের মাধ্যমে দেশকে অসম্প্রাদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা ও ভোটের অধিকার বাস্তবায়ন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে যা ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে।২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসে ও আধুনিক বাংলা গঠনে কাজ করে যাচ্ছে সেখানেও দলটির বিরুদ্ধে বহু ষড়যন্ত্রের নক্সা করে যাচ্ছে সব ছিন্নজাল ভেদ করে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় আওয়ামী লীগ।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ উন্নয়ন শিখরে আরোহন করছে যা বিশ্বের নিকট অনুকরণীয় হয়ে যাচ্ছে। এদেশে যত মেঘা প্রকল্প ও মধ্যম আয়ের দেশ উন্নীত হচ্ছে তা একমাত্র আওয়ামী লীগের মাধ্যমে হচ্ছে।আজ বিশ্বের মডেল দেশ রুপান্তর হওয়ার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে প্রিয় আওয়ামী লীগ। দেশরত্ন শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টায় উন্নয়নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সব নেতা কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছে।বিশ্বের রোল মডেল হল বাংলাদেশ যার মুলে কাজ করেছে জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে আধুনিক বাংলা গঠনে মেধা সম্পন্ন লোক দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে যা আমরা জাতি হিসাবে গর্ববোধ করি।উন্নয়নমুলক কাজ গুলো করতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বাধার সৃষ্টি হচ্ছে আর এক শ্রেণীর ধর্মান্ধতা লোক বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা করছে যা আমাদের জন্য অশুভ সংকেত।ভালো কাজের বাধা আসবে এটা জননেত্রী শেখ হাসিনা জানে সেজন্য তিনি সব কিছু সজাগ দৃষ্টি দিয়ে অবলোকন করে নিজ হস্তে দমন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।বিশ্বের সব দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে অদুরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে শেখ হাসিনা।আজ বাংলাদেশ বিশ্বের মডেল তার একমাত্র দাবীদার জননেত্রী শেখ হাসিনা। আগামী দিনে উন্নত বিশ্বের দিকে ধাবিত হচ্ছে প্রিয় আওয়ামী লীগের নেতা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।যা আমাদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসার দাবীদার। আওয়ামী লীগ পারে পারবে সোনার বাংলা ও আধুনিক বাংলা গঠনে এগিয়ে নিতে বদ্ধ পরিকর।স্বাধীনতার দল নিয়ে আজীবন বাঙালীরা গর্ব করে যা প্রতিটি বাঙালীর জন্য গৌরব। এগিয়ে যাক এগিয়ে যেতে হবে বহুদূর প্রিয় আওয়ামী লীগের। জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।।- লেখক - তসলিম উদ্দিন রানা, সাবেক ছাত্রনেতা ও সদস্য,অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপকমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

আজকের মোট পাঠক

37554

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত