করোনায় বিশ্বব্যাপী ১৭৭৫ জনের মৃত্যু

১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গতকাল চীনে করোনাভাইরাসে আরও ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১ হাজার ৭৭৫ জনে। হুবেইয়ের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোববার সেখানে আরও ১০০ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এছাড়া পার্শ্ববর্তী হেনান প্রদেশে তিনজন এবং গুয়াংডং প্রদেশে দুইজন মারা গেছে। এদিকে চীনে নতুন করে আরও ২ হাজার ৪৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশটির করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়ে গেলো। অন্যদিকে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কারও শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি। তবে সিঙ্গাপুরে অন্তত পাঁচজন বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এছাড়া গত ৪ ফেব্রুয়ারি জাপানের ইয়োকোহামা বন্দরে পৌঁছার পর থেকেই কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্রিটিশ প্রমোদতরী ডায়মন্ড প্রিন্সেসে তিন শতাধিক যাত্রীর শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। কোভিড-১৯ নামে পরিচিত এই ভাইরাসটি এখন পর্যন্ত বিশ্বের অন্তত ২৫টির বেশি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। ...

চীনে করোনায় মৃত কয়েক হাজার দেহ পোড়ানোর অভিযোগ

১৬ফেব্রুয়ারী,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত ব্যক্তিদের দেহ পুড়িয়ে ফেলছে চীন। গত ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাসে অন্তত ১৫২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর আক্রান্ত হয়েছে আরও ৬৬ হাজারের বেশি মানুষ। তবে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ও দ্য সান একটি স্যাটেলাইট ইমেজ তুলে ধরে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। ওই স্যাটেলাইট ইমেজ অনুযায়ী চীনের উহান এবং চংকিং শহরের ওপর সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা খুব বেশি ছিল। যখন কোনো মৃতদেহ পোড়ানো হয় তখন সালফার ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয় এবং তা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া মেডিকেল বর্জ্য ভস্মীভূত করলেও সালফার ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন হয়। তাই পত্রিকা দুটি তাদের রিপোর্টে প্রশ্ন তুলেছে, এটাই কী চীনের করোনায় মৃতের প্রকৃত সংখ্যার চিত্র। গত ৫ ফেব্রুয়ারি ইয়ুন নামে উহানের একজন দাহকর্মী বলেন, তারা মৃতদেহ পোড়াতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। শহরের তিনটি বড় হাসপাতাল ছাড়াও ছোট হাসপাতাল এবং বিভিন্ন বাড়ি থেকে লাশ সংগ্রহ করতে তাদের প্রতিদিন ১০০টি মৃতদেহ বহনকারী ব্যাগের প্রয়োজন পড়ে। এপোক টাইমসকে ইয়ুন বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি থেকে আমাদের ৯০ ভাগ কর্মী সপ্তাহের সাতদিনই ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। আমরা বাড়ি যেতে পারিনি। আমাদের আরও লোকবল দরকার। উহানের সব ফিউনারেল হোমের প্রায় সব দাহকর্মী পুরোপুরি ব্যস্ত এবং উহানের সব দাহ চেম্বারে ২৪ ঘণ্টা মৃতদেহ পোড়ানো হচ্ছে। উইন্ডি ডট কম নামে একটি অনলাইন আবহাওয়া ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, উহানের বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ১ হাজার ৩৫০ মাইক্রোগ্রাম পার কিউবিক মিটার ছিল। উচ্চমাত্রায় সালফার ডাই অক্সাইড চংকিং শহরের বাতাসেও ছিল। যুক্তরাজ্যের কোনও অঞ্চলে বাতাসে ১৫ মিনিট ধরে সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ৫৩৩ মাইক্রোগ্রাম পার কিউবিক মিটার থাকলে তা উচ্চহার বলে ধরা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে, বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ৫০০ মাইক্রোগ্রাম পার কিউবিক মিটার ১০ মিনিটের বেশি থাকা ঠিক না। এর ফলে স্যাটেলাইটের ওই ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা বলছেন, উহানের শহরতলীতে অনেক মৃতদেহ পোড়ানো হচ্ছে। মূলত বড় জমায়েত এড়ানোর জন্য অল্পসংখ্যক লোকের উপস্থিতিতে এসব দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। এরপরই মূলত এসব খবর চাউর হয়েছে যে, মৃতের সংখ্যা কম দেখাতে মৃতদেহ পুড়িয়ে দিচ্ছে চীন। যদিও এর আগে চলতি মাসের শুরুর দিকে চীনা কর্তৃপক্ষ, করোনাভাইরাসে মৃত ব্যক্তিদের দেহ পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দেয়। এদিকে চীনা ভাষায় সংবাদমাধ্যম ইনিটিয়াম বলছে, তাদের বিশ্বাস চীনা সরকার গোপনে মরদেহ পুড়িয়ে ফেলছে। উহানের দাহকর্মীদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এমন বিশ্বাসের কথা পোষণ করেছে সংবাদমাধ্যমটি। ওই সাক্ষাৎকারের দাহকর্মীরা ইনিটিয়ামকে জানায়, মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলার জন্য সঠিক ভৈরবের রাজকাচারী মাঠে দশদিনব্যাপী বঙ্গবন্ধু একুশে বইমেলা চলছে। সরাসরি জানাচ্ছেন সহকর্মী মো. আল আমিন শনাক্তকরণ ও অফিসিয়াল রেকর্ড ছাড়াই সরাসরি হাসপাতাল থেকে তাদের কাছে পাঠানো হচ্ছে। তবে ডয়চে ভেলে নিউজের পূর্ব এশিয়া সংবাদদাতা উইলিয়াম ইয়্যাং বলেছেন, চীন যে তথ্য শেয়ার করছে তা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করার মতো যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কারণ ভাইরাসটির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তারা যেমন স্বচ্ছতা দেখিয়েছে, তেমনি বেশ কিছু বিষয় নিয়ে ত্রুটিপূর্ণ ও অসত্য তথ্য দিয়েছে। ...

চীনে করোনাভাইরাসে মৃত ১৩৮০, নতুন করে আক্রান্ত ৫,০৯০ জন

১৪ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:চীনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ শুক্রবার বলেছে, তারা ৩১টি প্রাদেশিক অঞ্চল এবং অর্থনৈতিক ও আধা সামরিক সংস্থা জিনজিয়াং প্রোডাকশন এন্ড কনস্ট্রাকশন কোরের পাঠানো রিপোর্টে ৫,০৯০ জন নতুন করে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত এবং ১২১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন জানায়, নিহতদের মধ্যে ১১৬ জন হুবেই প্রদেশের, ২ জন হেইলংজিয়াংয়ের এবং আনহুই, হেনান ও চংকুইংয়ে ১ জন করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। কমিশন জানায়, বৃহস্পতিবার অপর ২,৪৫০ জন ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার ২,১৭৪ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে, তবে সুস্থ হওয়ার পরে ১,০৮১ জনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।এদিন পর্যন্ত চীনে মোট আক্রান্তদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৩,৮৫১ জন এবং মৃতের সংখ্যা ১,৩৮০জন। ভাইরাস থেকে মুক্ত হওয়ার পরে মোট ৬,৭২৩ জনকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।...

করোনায় একদিনে হুবেই প্রদেশে ২৪২ জনের মৃত্যু

১৩ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চীনে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর এবারই প্রথম একদিনে দুই শতাধিক মানুষ মারা গেছে কেবলমাত্র হুবেই প্রদেশে। বুধবার সেখানে মারা যায় ২৪২ জন। প্রদেশটিতে নিশ্চিত সংক্রমিত হয়েছেন এমন মানুষের সংখ্যা ৪৮ হাজার ছাড়িয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ১ হাজার ৩শ ৫০ জনে। সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা ঠেকেছে প্রায় ৬০ হাজারে। এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, প্রাদুর্ভাব শেষ হচ্ছে কিনা সে নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। চীনের শীর্ষ মহামারী বিশেষজ্ঞ ঝং নানশান বলছেন, চলতি মাসে ভাইরাসটি কমার কোনও লক্ষণ নেই। তবে এর প্রাদুর্ভাব আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। মহামারী ঠেকাতে ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত চীনের বেশ কয়েকটি প্রদেশে স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। চীনের বাইরে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে জাপানে। দেশটিতে প্রায় ২শ মানুষের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। ৪৭ জন নিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দেশ হিসেবে আছে সিঙ্গাপুরের নাম। দেশটির বৃহত্তম ব্যাংক ডিবিএস এর এক কর্মী করোনাতে আক্রান্ত হওয়ায় একই ফ্লোরে কাজ করা প্রায় ৩শ কর্মীকে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। এদিকে, করোনার প্রভাবে স্পেনের বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস হচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল বলছে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে তারা। এ পর্যন্ত ১৩টি কেস শনাক্ত করা হয়েছে দেশটিতে। ...

চট্টগ্রামের মানুষ এতো ভালোবাসেন বোধগম্য ছিলো না

১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্টাফ রিপোর্টার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজনীতি ও খেলাধুলা-এ দুটোকে এবাদত হিসেবে নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন। আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চরম দুঃসময়ে রাজনীতি শুরু করেছিলাম। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড আমাকে নাড়া দিয়েছিলো। ৭৫ এর পর সর্বপ্রথম জানুয়ারি মাসে আমরা চার-পাঁচজন ছেলে একত্রিত হয়ে মিছিল করেছি। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে চন্দনপুরা দিয়ে চলে গেছিলাম। সঙ্গে সঙ্গে সেনাবাহিনী এসে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলেছিলো। আমার কোনো অভিমান, ক্ষোভ, রাগ নেই। আমি রাজনৈতিক কর্মী, মাঠের কর্মী। মাঠ থেকে আজ এ পর্যায়ে এসেছি। অনেকবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলাম। চট্টগ্রাম কলেজকে শিবিরমুক্ত করতে গিয়ে নির্মমভাবে আক্রান্ত হয়েছিলাম। নির্যাতন ছিলো নিত্যদিনের সঙ্গী। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী আমাকে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দিয়েছেন। এরপর মেয়র পদে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। তিনি বলেন, মনের কষ্টের কথা যদি বলেন একটা বিষয়ে আমি খুব কষ্ট পেয়েছি। যেখানে আমি বঙ্গবন্ধু হত্যার পর চট্টগ্রাম কলেজে প্রতিবাদ মিছিল করেছি, বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল ফারুকের সভা পণ্ড করেছি এবং এ শহরে তাদের কোথাও কোনো সভা-সমাবেশ করতে দিইনি সেই জায়গায় খুনির কোন এক ভাইয়ের ছবি ফেসবুকে দিয়ে চরম অপপ্রচার ও মিথ্যাচার করা হয়েছে। যে ছবিটি দেখানো হয়েছে সেখানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আমার দুঃসময়ে পাশে থাকা আকরাম খানের আহ্বানে অক্সিজেন এলাকায় একটি দোকান উদ্বোধনে গিয়েছিলাম। অপপ্রচারকারীরা যে বঙ্গবন্ধুর খুনির ভাইয়ের ছবি দাবি করছে তাকে আমি চিনিও না, কোনো দিন দেখিওনি। হয়তো আকরাম খান বলতে পারবে। মেয়র পদের মনোনয়ন আটকে দেওয়ার জন্য এ ধরনের ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেওয়া খুবই দুঃখজনক। কারও মেয়র পদ লাগলে আমাকে সরাসরি বলতে পারতো। প্রয়োজনে আমি মনোনয়ন সংগ্রহ করতাম না। কিন্তু এ রকম এ অপপ্রচার কিছুতেই কাম্য নয়। যার সঙ্গে আমার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই। আমি শতভাগ চ্যালেঞ্জ করে বলছি। মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়া এম রেজাউল করিম চৌধুরীকে জয়ী করতে শতভাগ কাজ করবেন জানিয়ে মেয়র বলেন, আমি সবাইকে বলছি- তোমরা আমাকে নির্বাচিত করার জন্য যেভাবে কাজ করতে, সেই ভাবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রার্থীর জন্য কাজ করবে। আমি শতভাগ উজাড় করে দেবো। বিগত দিনে এ শহরের প্রতিটি নির্বাচনে প্রত্যেকটি প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য কী করেছি সেটা আপনারা (সাংবাদিকরা) জানেন। তিনি বলেন, আমার বড় প্রাপ্তি হচ্ছে সততা। স্বচ্ছতার মধ্যে চসিকের দায়িত্ব পালন করেছি। চট্টগ্রামবাসী এতো ভালোবাসেন এটা আমার বোধগম্য ছিলো না।আমি জানি মানুষের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা আছে। আমাকে কাজ পাগল বলা যায়। আমার বাবাও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। খেলাধুলা আমার রক্তের সঙ্গে মিশে আছে। ১৯৯০ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত ২৫ বছরে ২৫৫০ কোটি টাকার কাজ হয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। চট্টগ্রামবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাবো। অনেক প্রকল্প দেওয়ার কারণে ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বেশি কাজ বাস্তবায়ন করেছি। আরও অনেক প্রকল্পের কাজ বাকি আছে। এলইডি লাইটের আওতায় আসছে পুরো শহরে। আগ্রাবাদ বাণিজ্যিক এলাকা, এখানে সড়কবাতি ছিলো না। অন্ধকার থাকতো। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর লাইটিংয়ের আওতায় এনেছি। ময়লা-আবর্জনা মাসের পর মাস দুর্গন্ধ ছড়াতো। এখন সেই অবস্থায় আছে? আমার মূল লক্ষ্য ছিলো টেকসই উন্নয়ন। জলাবদ্ধতা নিরসনে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পানি উন্নয়ন বোর্ডকে প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। দেশপ্রেমী সেনাবাহিনী ড্রেন, খাল প্রশস্ত করছে, গভীর করছে। প্রকল্পগুলো যত দ্রুত বাস্তবায়ন হবে জনগণ এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে। আগে সড়ক ছিলো ফুটপাত ছিলো না। নালা ছিলো না। আগ্রাবাদ এক্সেস রোডে আগে ফুটপাত, ড্রেন, লাইটিং ছিলো? এখন সবই করা হয়েছে। পোর্ট কানেকটিং রোড করা হচ্ছে। বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে চট্টগ্রামের গুরুত্ব ও প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে নগরটা ঢেলে সাজানোর চেষ্টা করেছি। আমার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- আমি মানুষকে ভালোবাসার চেষ্টা করি। মানুষের আর্থিক অবস্থা আমার কাছে বিবেচ্য নয়। তিনি বলেন, আমি সাংবাদিক সমাজের পক্ষে। আমি যেখানে থাকি, যে অবস্থানে থাকি সাংবাদিকদের পাশে থাকবো। সাংবাদিকদের কাছে আমি ঋণী ও কৃতজ্ঞ। আমরা যে কাজগুলো করেছি তার সুফল নগরবাসী পেতে শুরু করেছেন। কাজের মধ্যে সময় অতিবাহিত করেছি। রাত ১২টা-১টা পর্যন্ত অফিস করেছি। কোনো ফাইল জমে থাকেনি। দিনের কাজ দিনে করার চেষ্টা করেছি। এরপরও ভুল ত্রুটি হলে চুল চেরা বিশ্লেষণ করবেন আপনারা। যত ব্যস্ততা থাক, স্টেডিয়াম ছুটে যাই। স্টেডিয়াম এলাকা আগে কোন অবস্থায় ছিলো, এখন কোন অবস্থায় এসেছে। অবকাঠামো থেকে শুরু করে খেলাধুলায় পরিবর্তন এসেছে। চট্টগ্রামের দুইজন ক্রিকেটার আছেন আন্ডার ১৯ দলে। তারা বিরল সম্মান বয়ে এনেছে দেশের জন্য। বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি আলী আব্বাস, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কলিম সরওয়ার, বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি শহীদ উল আলম, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ম. শামশুল ইসলাম, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, প্রেস ক্লাবের নির্বাহী সদস্য কাজী আবুল মনসুর প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক নজরুল ইসলাম। ...

দিনাজপুরে গৃহশিক্ষক হত্যায় ৩ জনের ফাঁসি

১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,দিনাজপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় এক হত্যা মামলায় তিনজনের ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত। এছাড়া এই মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন দেয়া হয়েছে। দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আনোয়ারুল হক আজ মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। এসময় সব আসামি আদালতের কাঠগড়ায় ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার মির্জাপুর খয়েরবাড়ি গ্রামের মোসলেম উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান ও মামুনুর রশিদ। আর যাবজ্জীবন পাওয়া সোহেল রানাও ওই গ্রামের বাসিন্দা। ওই আদলতের এপিপি আজিজুর রহমান জানান, ২০১১ সালের ২৫ জুন তালতলি গ্রামের একটি পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে খয়েরবাড়ি গ্রামের লোকজনের সঙ্গে তালতলি গ্রামের লোকজনের সংঘর্ষ হয়। ওই সময় ওয়াকিল উদ্দিন (৬২) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওয়াকিল তার এলাকায় গৃহশিক্ষকতা করে জীবিকা চালাতেন। হত্যাকাণ্ডের পর তার স্ত্রী বিলকিস বেগম বিরামপুর থানায় ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় আদালতে। অন্য এক আসামি পুলিশের তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই মারা যান। এছাড়া এক আসামি খালাস পেয়েছেন। ...

নারায়ণগঞ্জে একই পরিবারের শিশুসহ দগ্ধ ৮

১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সাহেবপাড়া এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের শিশুসহ আটজন দগ্ধ হয়েছে। আজ সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- নূরজাহান (৬০), কিরণ (৪৩) হিরণ (২৫) ও তার স্ত্রী মুক্তা (২০) মেয়ে লিমা (৩), আবুল হোসেন (২২), কাওসার (১৬) ও আপন (১০)। নূরজাহান বেগমের মেয়ের জামাই ইলিয়াস মিয়া জানান, তাদের বাড়ি নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায়। পরিবারটি বর্তমানে সাইনবোর্ড সাহেবপাড়া এলাকায় একটি পাঁচতলা বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকে। রাতে ওই এলাকায় গ্যাসের চাপ কম ছিল। ফলে চুলা বন্ধ না করেই ঘুমিয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। ভোরে রান্নার জন্য আগুন ধরাতেই বিকট শব্দে পুরো বাড়িতে আগুন ধরে যায়। সেই আগুনে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের মেয়েসহ আটজন দগ্ধ হয়েছে। পরে তাদের দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেয়া হয়েছে। আদমজী ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. শাহজাহান বলেন, ওই বাসায় গ্যাসের চুলা সারারাত চালু থাকায় চারটি রুমে গ্যাস জমে ছিল। সকালে চুলা জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে চার রুমে আগুন ছড়িয়ে পড়ে একই পরিবারের শিশুসহ আটজন দগ্ধ হয়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি কামরুল ফারুক জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। ...

গাজীপুরে বাস-কার্ভাডভ্যান সংঘর্ষে নিহত ২

১৫ফেব্রুয়ারী,শনিবার,আকবর হোসেন,গাজীপুর,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাজীপুরে যাত্রীবাহী বাস ও কার্ভাডভ্যানের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে নিহত দুজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। শনিবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ন্যাশনাল পার্কের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভাওয়াল উদ্যানের সামনে এনা পরিবহনের একটি বাস সামনে থাকা একটি কাভার্ডভ্যানকে ধাক্কা দেয়। এতে কাভার্ডভ্যানটির পেছনের অংশ ভেঙে যায়। দুমড়েমুচড়ে যায় বাসটির সামনের অংশও। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। আহত হন বেশ কয়েকজন। দুর্ঘটনার পর কিছু সময়ের জন্য ওই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ গিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পরিমল বিশ্বাস বলেন, কাভার্ডভ্যানের ও যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষের ঘটনাস্থলে দুজন নিহত হয়েছেন। মরদেহ সরিয়ে রাস্তা সচল করা হচ্ছে। ...

বিয়ের আগে প্রেম না করার শপথ ভালোবাসা দিবসে

১৪ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিয়ের আগে প্রেম না করার শপথে বিশ্বভালোবাসা দিবসে জীবনকে ভালোবাসার অঙ্গীকার করলেন যশোরের এন্টি লাভ অর্গানাইজেশনের সদস্যরা। সেই সঙ্গে প্রেমিক যুগলদের প্রতারণা, নস্টামির প্রেম ছেড়ে আদর্শভিত্তিক জীবন গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। আজ বিশ্বভালোবাসা দিবস। দিবসটি যুগলদের মনের উচ্ছ্বাসকে বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুণ। শুধু তরুণ-তরুণী নয়, নানা বয়সের মানুষই ভালোবাসার এ দিনে একসঙ্গে সময় কাটাবেন। মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী, ভাইবোন, প্রিয় সন্তান এমনকি বন্ধুর জন্যও ভালোবাসার জয়গানে আপ্লুত হতে পারে সবাই। চলবে উপহার দেয়া-নেয়া। তাই যশোরের বিভন্ন বিনোদন কেন্দ্রে নানা সাজে সজ্জিত হয়ে জড়ো হয়েছেন। চলছে ফুল বিনিময়। সেইসাথে যুগলদের চুপকথা। কিন্তু সেই নীরবতা ভেঙে জীবনকে ভালোবাসার আহ্বান জানাতে বিনোদন কেন্দ্রে গিয়ে নীরব মানববন্ধন করছে যশোরের এন্টি লাভ অর্গানাইজেশন। এ সময় তাদের হাতে দেখা যায়, বিয়ের আগে প্রেম নয় পড়াশুনায় মন চাই; প্রেম করুন কিন্তু মানুষকে ভালোবাসুন; নষ্ট প্রেম করবেন না, মাদক ধরবেন না সহ নানা স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড। সংগঠনটির সদস্য ফাতেমাতুজ জোহরা স্বর্ণা বলেন, প্রেম, ভালোবাসা বিরোধী নই আমরা। আমাদের যুব সমাজ প্রেমের নামে প্রতারণা, নোংরামিতে জড়িয়ে পড়েছে। তারা ব্যর্থ হয়ে, প্রতারিত হয়ে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। এমনকি আত্মহত্যার পথও বেছে নিচ্ছেন। অথচ পিতামাতার অনেক স্বপ্ন ছিল তাদের নিয়ে। এজন্য আমরা ভালোবাসার পবিত্রতা রক্ষার কথা জানাতে আজ পার্কে পার্কে যাচ্ছি। প্ল্যাকার্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে সবাইকে সচেতন করার চেষ্টা করছি। সংগঠনটির চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান বলেন, আজ আমরা বিয়ের আগে প্রেম না করার, জীবনকে ভালোবাসার, মাদক না গ্রহণের শপথ নিয়েছি। প্রেমে প্রতারণার শিকার হয়ে আমাদের এক মেধাবী বন্ধুর অকাল মৃত্যুর কারণে ২০১৫ সাল থেকে ভালোবাসা দিবসে এন্টি লাভ অর্গানাইজেশনেরর ব্যানারে জীবনকে ভালোবাসার প্রচারণা চালাচ্ছি আমরা।somoynews.tv...

পুঁজিবাজারে আসছে আরও ৪ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক

০৯ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শেয়ারবাজার চাঙ্গা করতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ দরকার। আমরা যেকোনো মূল্যে পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে চাই। তাই আগামী অক্টোবরের মধ্যে আরও চারটি রাষ্ট্রীয় ব্যাংক পুঁজিবাজারে আসছে। এছাড়া বাজারে তালিকাভুক্ত রূপালী ব্যাংকের শেয়ার আরও বাড়ানো হবে। জানালেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আজ রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করে তিনি এ কথা জানান। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল), অগ্রণী, জনতা ও সোনালী ব্যাংকে ২৫ শতাংশ শেয়ার ছাড়া হবে। তবে এরমধ্যে সোনালী ব্যাংকের একটু সময় লাগবে। একই সঙ্গে বাজারে তালিকাভুক্ত রূপালী ব্যাংকের শেয়ার ১০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে। বৈঠকে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন, অর্থসচিব আবদুর রউফ তালুকদার, আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ...

মৌলভীবাজারে এক বছরে ৯ কোটি ৬০ লাখ কেজি চা উৎপাদন

২১জানুয়ারী,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের চা শিল্পের ইতিহাসে উৎপাদনে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছিল ২০১৯ সালে । সে বছর মোট চা উৎপাদন হয়েছিল ৯ কোটি ৬০ লাখ কেজি, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ কোটি ৬০ লাখ কেজি বেশি। বাংলাদেশ চা বোর্ডের পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ড. একে এম রফিকুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেন। বিটিবি সূত্র জানায়, ২০১৮ সালে উৎপাদিত চায়ের পরিমাণ ৮ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার কেজি, যা দেশের চা উৎপাদন মৌসুমের (২০১৮) দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড। এর আগে, ২০১৬ সালে আগের সব রেকর্ড ভেঙে ৮ কোটি ৫৫ লাখ কেজি চা পাতা উৎপাদন হয়েছিল। বাংলাদেশ চা বোর্ডের উপ-পরিচালক (পরিকল্পনা) মো. মুনির আহমদ বলেন, চা উৎপাদনে সর্বকালের রেকর্ড করলো বাংলাদেশ। ২০১৯ সালে ৯৬ দশমিক ৭ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদন হয়েছে। বিদেশি কোম্পানি, সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ছোটবড় মিলিয়ে বাংলাদেশে ১৬২টি চা বাগান গড়ে উঠেছে। এরমধ্যে ৯২টি চা বাগানই মৌলভীবাজারে। শ্রীমঙ্গল জেমস ফিনলে টি কোম্পানির ভাড়াউড়া ডিভিশনের জিএম ও বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশন সিলেট ব্রাঞ্চের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ শিবলী বলেন, চায়ের উৎপাদন ভালো হলেও ন্যায্য মূল্য পাওয়া যাচ্ছে না। ভারত থেকে নিম্নমানের চা চোরাইপথে বাংলাদেশে আসছে। যা অত্যন্ত নিম্নমানের, খাওয়ার অযোগ্য। ভারত থেকে নিম্নমানের চা আমদানি ও চোরাপথে আসা চা-পাতা বন্ধ করতে হবে। তা না হলে দেশীয় চায়ের মূল্য থাকবে না। আর এদেশের চা শিল্পকে বাচানো যাবে না।- আমাদের সময় ...

শিক্ষকতা পেশাকে আর ও আকর্ষণীয় করা হবে:শিক্ষামন্ত্রী

০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অন্যকে পরাজিত করে একধরনের আনন্দ পাওয়ার মনোভাব শেখাচ্ছি। জিপিএ ৫ পাওয়া এবং এক ধরনের অনভিপ্রেত প্রতিযোগীতার মাধ্যমে শিশুরা গড়ে উঠছে। যা কোনভাবেই কাম্য নয়। শিক্ষার্থীদেরকে এ ধরনের অসুস্থ প্রতিযোগীতা থেকে বের করে আনতে হবে। মঙ্গলবার ( ৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ন্যাশনাল ওয়ার্কশপ অন লার্নিং ফর ইমপ্যাথি বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলে তিনি। ডা. দীপু মনি বলেন, পরিবর্তিত কারিকুলামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সব কিছুর পরও ভাল মানুষ হয়ে উঠবে। তবে কারিকুলাম যতই ভাল হোক না কেন শিক্ষকের মান ঠিক না থাকলে এর উদ্যেশ্য বাস্তবায়ন হবে না।শিক্ষকতা পেশাকে আর ও আকর্ষণীয় করা হবে। তিনি আরো বলেন, মূল্যায়ন পদ্ধতি ও কারিকুলম পরিবর্তন করা হচ্ছে।শিক্ষকতা পেশা হতে হবে জীবনের ব্রত।শিক্ষকদের মান বৃদ্ধি করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। পরীক্ষারভারে শিক্ষার্থী যেন ভারাক্রান্ত না হয় সে দিকে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: সানোয়ার হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ডাক্তার মো: ফারুক হোসেন প্রমুখ।...

আজ থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। চলতি বছর ৯টি সাধারণ বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে ১০ লাখ ২৪ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র ও ১০ লাখ ২৩ হাজার ৪১৬ জন ছাত্রী। এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রের তুলনায় ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৪ জন বেশি। দাখিল পরীক্ষায় ছাত্রের তুলনায় ছাত্রী ১২ হাজার ৯৭৮ জন বেশি। ২০১৯ সালের তুলনায় চলতি বছরে পরীক্ষার্থী কমেছে ৮৭ হাজার ৫৪৪ জন। এরমধ্যে ছাত্র কমেছে ৪৬ হাজার ৭৮ জন এবং ছাত্রী কমেছে ৪১ হাজার ৪৭৬ জন। নিয়মিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৮৮ জন। অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ লাখ ৬১ হাজার ৩২৫ জন। গত বছর বিভিন্ন বিষয়ে ফেল করা পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দুই লাখ ৮২ হাজার ৫৯৪ জন। এবার এসএসসি পরীক্ষায় বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া সকল বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২০২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্র বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫ টি। এরআগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এসএসসি, এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) ও দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু ও শান্তিপুর্ণভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া নিশ্চিত করতে ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে । এই আদেশ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন থেকে পরীক্ষা চলাকালীন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।...

পঞ্চম কন্যা সন্তানের বাবা হলেন শহীদ আফ্রিদি

১৫ফেব্রুয়ারী,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাকিস্তানি সাবেক অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি চার কন্যাসন্তানের বাবা ছিলেন। এবার পঞ্চমবারের মতো কন্যাসন্তানের বাবা হয়েছেন আফ্রিদি। আকসা, আনশা, আজওয়া, আসমারা আফ্রিদির চার মেয়ে। এই চারজনের সঙ্গে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে আরও একজন। আনন্দের খবরটা আফ্রিদি নিজেই দিয়েছেন তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টে, সর্বশক্তিমানের অসংখ্য আশীর্বাদ ও করুণা আমার ওপরে বর্ষিত হচ্ছে। এর আগে চারজন অসাধারণ কন্যাসন্তানের বাবা হওয়ার পর এখন আমি পঞ্চম মেয়ের বাবা হয়েছি। খুশির খবরটা আমার শুভানুধ্যায়ীদের জানালাম। তবে পঞ্চম মেয়ের নাম কী রেখেছেন, সেটা এখনো জানাননি আফ্রিদি। নিজের আত্মজীবনীতে এর আগে নিজের মেয়েদের নিয়ে অনেক কিছুই লিখেছেন এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। নিজের ফর্মহীনতা থেকে ফিরে আসা, ক্রিকেট মাঠ ও মাঠের বাইরে নিজের ভাগ্যের উন্নতি হওয়ার পেছনে নিজের মেয়েদের ভূমিকা দেখেন আফ্রিদি সব সময়। এমনকি স্ত্রী জীবনে আসার পরেও তাঁর ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছিল বলে তিনি লিখেছেন, আমাদের সংস্কৃতিতে এটা বিশ্বাস করা হয়, মেয়েরা পরিবারে সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে আসে। আমি যখন বিয়ে করলাম, আমার সৌভাগ্যের চাকা ঘুরতে শুরু করল। পরের বছরগুলোয় আমি একে একে চার (এখন পাঁচ) কন্যাসন্তানের বাবা হলাম। সত্যি বলতে কি, একেকজনের জন্ম আমার জীবনে শুধু সৌভাগ্যই এনেছে। কন্যাসন্তান আশীর্বাদস্বরূপ, আসলেই।...

একমাসের সফরে ঢাকায় আজ আসছে জিম্বাবুয়ে

১৫ফেব্রুয়ারী,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৬ মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলাদেশে আসছে জিম্বাবুয়ে। একমাসের সফরে একটি টেস্টের সঙ্গে তিনটি ওয়ানডে ও দুটি টি-টোয়েন্টি খেলবে আফ্রিকান প্রতিনিধিরা। পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দলটির আজ বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে নামার কথা। পাকিস্তানের বিপক্ষে টাইগার বাহিনী টেস্ট সিরিজ খেলছে দুই ধাপে। কিছুদিন আগে রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্ট খেলে এসেছে। দ্বিতীয় ধাপে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে টাইগাররা করাচি যাবে এপ্রিলে। এই ফাঁকে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজটি খেলবে টাইগাররা। ১৮ ও ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকায়ই একটি অনুশীলন ম্যাচ খেলবে জিম্বাবুয়ে দল। সেই ম্যাচের প্রতিপক্ষ বা ভেন্যু অবশ্য ঠিক হয়নি। তবে মূল সিরিজ শুরু ২২-২৬ ফেব্রুয়ারি মিরপুরে টেস্ট ম্যাচ দিয়ে। এই টেস্ট শেষে দুই দল চলে যাবে সিলেটে। সেখানে তিনটি ওয়ানডে খেলবে দুই দল। ১ মার্চ, ৩ মার্চ ও ৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ওয়ানডে। তিনটি ম্যাচই দিবারাত্রির। এরপর আবার ঢাকায় এসে ৯ ও ১১ মার্চ দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামের দুটি ম্যাচই হবে দিবারাত্রির। সিরিজ শেষে ১২ মার্চ ঢাকা ছাড়বেন শন উইলিয়ামস, ব্রেন্ডন টেইলররা। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের সাফল্যের পরিমাণ বেশি। যদিও টেস্ট ম্যাচে জয়ের পাল্লা আফ্রিকান প্রতিনিধিদের দিকেই হেলে আছে। ১৬ টেস্টের ৭টি জিতেছে জিম্বাবুয়ে, ৬টি বাংলাদেশ এবং বাকি ৩টি ড্র। ৭২ ওয়ানডেতে টাইগারদের জয় ৪৪, হার ২৮। টি-টোয়েন্টিতে ১১ ম্যাচে ৭ জয়ের বিপরীতে হার ৪টি। ইতিমধ্যে টেস্ট সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করেছে জিম্বাবুয়ে। তবে এই দলে নেই নিয়মিত অধিনায়ক সিন উইলিয়ামস। তার পরিবর্তে বাংলাদেশের বিপক্ষে জিম্বাবুয়েকে নেতৃত্ব দিবেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ক্রেইগ আরভিন। একনজরে জিম্বাবুয়ে স্কোয়াড: সিকান্দার রাজা, রেগিস চাকাভা (উইকেটরক্ষক), ক্রেইগ আরভিন (অধিনায়ক), কেভিন কাসুজা, টিমিসেন মারুমা, প্রিন্স মাসাভরে, ক্রিস্টফার এমপুফু, ব্রায়ান মুদজিগানিয়ামা, কার্ল মুম্বা, টিনোটেন্ডা মুতমবদজি, আনিসলে আনডলোভু, ভিক্টর নিয়াউচি, ব্রেন্ডর টেলর, ডোনাল্ট টিরিপানো ও চার্ল্টন টিশুমা। ...

কলকাতার অভিনেতা তাপস পাল আর নেই

১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা তাপস পাল আর নেই। মঙ্গলবার ভোরে মুম্বাইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় এই অভিনেতা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। তরুণ মজুমদার পরিচালিত- দাদার কীর্তি ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনয় জগতে পা রাখেন তিনি। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২২ বছর। গুরুদক্ষিণা, সাহেব, ভালবাসা ভালবাসা- তাঁর হিট ছবিরগুলির মধ্যে অন্যতম। ২০০৯-এ তৃণমূলের টিকিটে কৃষ্ণনগর থেকে জিতে সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। রোজভ্যালি কাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে।...

শিল্পকলায় বসন্ত উৎসব

১৫ফেব্রুয়ারী,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষে আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৫টায় একাডেমির নন্দনমঞ্চে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজন করে বসন্ত উৎসব ২০২০। উৎসবের শুরুতেই পরিবেশিত হয় জাতীয় সঙ্গীত। এরপরে দুটি সমবেত সঙ্গীত ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায় এবং বসন্ত বাতাসে সইগো পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রতিশ্রুতিশীল শিল্পীবৃন্দ। এছাড়াও সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করে একাডেমির বাউল দল ও ভাওয়াইয়া দল। সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে কবিরুল ইসলাম রতন এর পরিচালনায় নৃত্যালোক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং দীপা খন্দকারের পরিচালনায় দিব্য সাংস্কৃতিক সংগঠন। একক সঙ্গীত পরিবেশন করে শিল্পী নির্ঝর চৌধুরী, স্মরণ। একক আবৃত্তি পরিবেশন করে শিল্পী রূপা চক্রবর্তী ও শিমুল মোস্তফা। সবশেষে ছিল ব্যান্ড দল কৃষ্ণকলির পরিবেশনা। ...

ঘুরে আসুন গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত

মো:ইরফান চৌধুরী,পর্যটন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় নদীর মোহনায় অবস্থিত গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত। এই সৈকতটি স্থানীয় মানুষজনের কাছে মুরাদপুর সৈকত নামেই বেশি পরিচিত। গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতটি সীতাকুণ্ড জেলার সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। প্রকৃতি ও গঠনগত দিক থেকে এই সৈকতটি আমাদের দেশের অন্যান্য সমুদ্র সৈকত থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এর একদিকে যেমন দিগন্ত জোড়া জলরাশি, আর অন্যদিকে কেওড়া বন দেখা যায়। কেওড়া বনের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের চারদিকে কেওড়া গাছের শ্বাসমূলগুলো স্পষ্ট দেখা যায়। এই বন সমুদ্রের অনেকটা গভীর পর্যন্ত চলে গেছে। এই সৈকতের পরিবেশ অনেকটা সোয়াম্প ফরেস্ট ও ম্যানগ্রোভ বনের মত। পুরো সৈকত জুড়ে সবুজ গালিচার বিস্তীর্ণ ঘাস একে আর সব সমুদ্র সৈকত থেকে করে তুলেছে ভিন্ন। এই সৈকতের সবুজের মাঝ দিয়ে এঁকে বেঁকে চলে গেছে সরু নালা। নালাগুলো জোয়ারের সময় পানিতে ভরে ওঠে। আকাশের উড়ন্ত পাখি, সমুদ্রের ঢেউ আর বাতাসের মিতালীর অনন্য অবস্থান দেখা যায় এই গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকতে। অল্প পরিচিত এই সৈকতে মানুষজনের আনাগোনা কম বলে আপনি পাবেন নিরবিলি পরিবেশ। সাগরের মতো অতটা ঢেউ বা গর্জন না থাকলেও এই নিরবিলি পরিবেশের গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত আপনার কাছে ধরা দিবে ভিন্নভাবেই। চাইলে জেলেদের বোটে সমুদ্রে ঘুরে আসতে পারেন। এক্ষেত্রে দরদাম করে বোট ঠিক করে নিতে হবে। যেভাবে যাবেন: চট্রগ্রামের অলংকার মোড়, এঁকে খান মোড়, কদমতলী থেকে সীতাকুণ্ড যাওয়ার বাস ও মেক্সি পাওয়া যায়। পছন্দ মতো জায়গা থেকে যেতে পারবেন সীতাকুণ্ড বাজারে। এরপর সীতাকুন্ডের বাস স্ট্যান্ড ব্রীজের নিচ থেকে সরাসরি সিএনজি/অটো নিয়ে গুলিয়াখালি বীচের বাঁধ পর্যন্ত চলে যেতে পারবেন। যাওয়া-আসা সহ রিজার্ভ করে নিতে পারেন। সন্ধ্যা হয়ে গেলে অনেক সময় ফিরে আসার সময় সিএনজি/অটো পাওয়া যায় না। ...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

দক্ষিণপন্থীও নই বামপন্থীও নই, আমি দেশবাসীর স্বার্থের পক্ষে

১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৬৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোর বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন যে, লাহোর উপস্থিতির পর তথাকার অধিবাসীবৃন্দ তাহাকে যে আন্তরিক সংবর্ধনা জ্ঞাপন করিয়াছে, তাহাতে তিনি অভিভূত হইয়াছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গোলটেবিল বৈঠকে যোগদানের উদ্দেশ্যে রাওয়ালপিন্ডি যাত্রার পূর্বে লাহোর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বলেন যে, লাহোরের বীর নাগরিকদের ভালোবাসা ও অনুরাগের কথা তিনি সর্বদাই স্মরণ রাখিবেন। এয়ার মার্শাল আসগর খান এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজম খান প্রমুখ স্বতন্ত্র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহিত তাহার আলোচনা প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু বলেন যে, তিনি তাহাদের সহিত আলোচনায় পুরোপুরি সন্তুষ্ট হইয়াছেন। পূর্বাহ্নে শেখ মুজিবুর রহমান এবং পিপলস পার্টি প্রধান জনাব জেড এ ভুট্টো একই বিমানযোগে ঢাকা হইতে লাহোর পৌঁছিলে বিমানবন্দরে তাহাদের বিপুল সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। পিডিএম, পিপলস পার্টি এবং আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক কর্মী সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ করেন। তন্মধ্যে মালিক গোলাম জিলানী, জনাব জেএ রহীম, জনাব মাহমুদ আলী কাসুরী, এয়ার মার্শাল আসগর খান এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আজম খান উল্লেখযোগ্য। বিমানবন্দরে এত বিপুল জনসমাগম হয় যে, বিমানের পক্ষে পার্কিং বে’তে পৌঁছানো একরূপ অসম্ভব হইয়া পড়ে। শেষ পর্যন্ত বিমানটি ট্যাক্সিওয়েতে থামিয়া যায় এবং জনাব ভুট্টো জনগণকে পিছনে সরিয়া যাইতে বলেন, কিন্তু জনতা তাহাকে সেখানেই অবতরণ করিতে বাধ্য করে এবং তাহার পার্টির একটি ট্রাকে উঠিয়া বসিতে বলে। তখন তাহাকে শোভাযাত্রা সহকারে বাহিরে লইয়া যাওয়া হয়। অনরূপভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবও সেখানেই বিমান হইতে অবতরণ করেন এবং তাহাকে শোভাযাত্রা সহকারে বাহিরে নেওয়া হয়। এয়ার মার্শাল আসগর খান এবং লে. জেনারেল আজম খান তাঁহার কর্মসূচি সমর্থন করিবেন কিনা, এই প্রশ্নের জবাবে তাঁহার কোন ‘মন্তব্য নাই’ বলিয়া জানান। তিনি বলেন, তাহাদের সহিত আলোচনায় আমি সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হইয়াছি, এত আগে সে কথা বলা যায় না। বামপন্থী কিংবা দক্ষিণপন্থী নই, স্বদেশপন্থী: জনৈক বিদেশি সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেন, আমি বামপন্থীও নই, কিংবা দক্ষিণপন্থীও নই, আমি আমার স্বদেশবাসীর স্বার্থের পক্ষে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাহার দল নিরপেক্ষ এবং ‘সকলের সহিত বন্ধুত্ব কাহারও সহিত শত্রুতা নয়- এই বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বাসী। দুর্নীতি প্রসঙ্গ: দেশে বিরাজমান দুর্নীতি প্রসঙ্গে শেখ মুজিব বলেন যে, উহা বর্তমান সরকারেরই অবদান এবং দুর্নীতি বিরোধী কমিটি ও কমিশন গঠনের দ্বারা উহা উচ্ছেদ করা যাবে না। তবে জনগণের প্রতিনিধিবৃন্দ ক্ষমতা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে উহার অবসান ঘটিবে। তিনি বলেন যে, দুর্নীতি কঠোর হস্তে দমন করিতে হইবে। প্রেসিডেন্ট আইয়ুব মুসলিম লীগকে বিরোধী দলে পরিণত করার যে প্রস্তাব করিয়াছেন, তিনি সেই সম্পর্কে কোন মন্তব্য করিতে বিরত থাকেন। বঙ্গবন্ধু পিন্ডি অবস্থানকালে ডাক নেতৃবৃন্দের সহিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করিবেন বলিয়া জানান। তথ্যসূত্র : এই দেশ এই মাটি গ্রন্থ। ...

বর্তমানে দেশে দৈনিক পত্রিকা ১২৭৭টি : সংসদে তথ্যমন্ত্রী

০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে প্রচলিত দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা এক হাজার ২৭৭টি। এরমধ্যে ইংরেজী দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা ৪০টি।সংসদে প্রশ্নোত্তরে মঙ্গলবার সরকারি দলের বেনজীর আহমদের (ঢাক-২০) লিখিত প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী এই তথ্য জানান। মঙ্গলবার বিকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়। মন্ত্রী প্রচার সংখ্যার ক্রমানুসারে পত্রিকাগুলোর তালিকা সংসদে তুলে ধরেন। সেখানে শীর্ষে বাংলাদেশ প্রতিদিন। পত্রিকাটির প্রচার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৩০০। এরপরে রয়েছে দৈনিক প্রথম আলো ৫ লাখ ১ হাজার ৮০০টি। তৃতীয় থেকে সপ্তম স্থানে যৌথভাবে রয়েছে দৈনিক জনকন্ঠ, কালেরকণ্ঠ, ইত্তেফাক, আমাদের সময়। এসব পত্রিকার প্রচার সংখ্যা ২ লাখ ৯০ হাজার ২শ। ৮ম স্থানে সমকাল, ৯ম এ সংবাদ এবং দশম স্থানে রয়েছে ভোরের কাগজ। এরপরে রয়েছে বিজনেস বাংলাদেশ, অন্যদিকে ইংরেজি দৈনিকের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে ডেইলি স্টার (প্রচার সংখ্যা ৪৪ হাজার ৮১৪), দ্বিতীয় স্থানে যৌথভাবে ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস ও ডেইলি সান (৪১ হাজার) এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা ট্রিবিউন (৪০ হাজার ৬শ)। সরকার দলের অসীম কুমার উকিলের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমান সংস্কৃতিবান্ধব সরকারের আমলে চলচ্চিত্রকে যুগোপযোগী উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। মানসম্পন্ন ও সৃষ্টিশীল চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকার অনুদান প্রদান করছে। অনুদানপ্রাপ্ত বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসা অর্জন করেছে। এছাড়াও দেশীয় সংস্কৃতি লালনে বর্তমান সরকার সৃজনশীল চলচ্চিত্র নির্মাতাদের আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকারি অনুদানে ছবি নির্মাণের সুযোগ বৃদ্ধি করেছে। মন্ত্রী জানান, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র, শিশুতোষ চলচ্চিত্র ও দেশীয় সংস্কৃতি লালনে যেকোনো ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণে কেউ আগ্রহী হলে সরকার বিশেষ পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকে। সরকারের এই সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করার ফলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে বলে আশা করা যায়। সংরক্ষিত মহিলা আসনের মোছাঃ শামীমা আক্তার খানমের প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ জানান, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতর মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনা-সংগ্রাম, স্বাধীনতা ও উন্নয়ন শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্রগুলো তৈরি করা হচ্ছে। প্রামাণ্যচিত্রগুলো তৈরি সম্পন্ন হলে সেগুলো গণযোগাযোগ অধিদফতরের মাধ্যমে দেশের সকল জেলা, উপজেলা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রদর্শনীর ব্যবস্থা নেয়া হবে।...

চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে জামিন চাইলেন খালেদা জিয়া

১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জামিন চেয়ে আবারও হাইকোর্টে আবেদন করেছেন কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। জামিন আবেদনে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন তিনি। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি একেএম জহিরুল হকের ডিভিশন বেঞ্চে মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার আইনজীবী সগীর হোসেন লিয়ন এ আবেদন করেন। এর আগে এ মামলায় জামিন আবেদন করলে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর তার জামিন আবেদন সর্বসম্মতিক্রমে পর্যবেক্ষণসহ খারিজ করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্যের কাছে আবেদন করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। গত ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুরে খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার স্বজনদের পক্ষ থেকে এ আবেদন করেন। এদিকে খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়ে সরকারকে নমনীয় হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে ফোন করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওবায়দুল কাদের নিজেই সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন। অপরদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, তারা খালেদা জিয়ার জামিন চাইলেও প্যারোল নিয়ে কোনো কথা বলেননি।- আরটিভি অনলাইন ...

তিনটি আসনের উপ-নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ঘোষণা

১৭ফেব্রুয়ারী,সোমবার,রাজনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় সংসদের ৩টি আসনের উপ-নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। এর মধ্যে ঢাকা-১০ আসনে উপ-নির্বাচনে হাজী মো. শাহ জাহান, গাইবান্ধা-০৩ আসনে মইনুর রাব্বী চৌধুরী ও বাগেরহাট-০৪ আসনে সাজন কুমার মিস্ত্রী। সোমবার জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যানদের সাথে বৈঠক শেষে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি। এর আগে, জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেদের সভাপতিত্বে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাক্ষাৎকার গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, কো-চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, কো-চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চুন্নু এমপি এবং জাতীয় পার্টি মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি। ...

কট্টর দেশভক্ত- পাত্রী চেয়ে ভারতীয় চিকিৎসকের বিজ্ঞাপন

১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাত্র-পাত্রীর বিজ্ঞাপনে মাঝে মধ্যেই মজার উপাদান দেখা যায়। বিশেষত পাত্রপক্ষের এমন সব চাহিদা থাকে, যা এক কথায় অসাধারণ। এবার এমনই এক চমকদার বিজ্ঞাপনের সন্ধান মিলেছে, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় যোগাচ্ছে মজার রসদ। ভারতীয় এক যুবকের দেয়া ওই বিজ্ঞাপন ইতোমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে। সেখানে এক হিন্দু ব্রাহ্মণ মেয়ের জন্য বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে। জাত-ধর্ম উল্লেখ করে বিজ্ঞাপন দেয়া অবশ্য নতুন কিছু নয়। তবে তার সঙ্গে আর যা কিছু যোগ করা হয়েছে, তা খুঁজে বের করাটা মোটেই সহজ নয়। বিজ্ঞাপনটিতে পাত্রের যে বিবরণ রয়েছে, তাতে পাত্রের নাম ডা. অভিনব কুমার। পেশায় দন্ত্য চিকিৎসক, লম্বা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি। বিহারের ভাগলপুরের বাসিন্দা। ব্রাহ্মণ, গোত্র-ভরদ্বাজ। আর নিজের চাহিদার কথা জানিয়ে তিনি লিখেন, পাত্রী হতে হবে ফর্সা, সুন্দরী, বিশ্বাসযোগ্য, যত্নশীল, সাহসী, ধনী। কট্টর দেশভক্তি থাকতে হবে। ভারতীয় সেনার ক্ষমতা বাড়ানোয় বিশেষ আগ্রহী হতে হবে। সন্তানের প্রতি যত্নশীল হতে হবে। ভালো রাঁধতে জানতে হবে। বিহার কিংবা ঝাড়খণ্ডের ভারতীয়, হিন্দু, ব্রাহ্মণ, চাকরিরত মেয়ে চাই। ও হ্যাঁ, অবশ্য কুণ্ডলী আর ৩৬ গুণ মিলিয়ে নিতে হবে। তবে পাত্রের বিয়ে করার কোনও তাড়া নেই। সেকথাও জানিয়েছেন বিজ্ঞাপনের নিচে। ফোন নম্বর দিয়ে লেখা হয়েছে, আমি কোনও ফোন রিসিভ করবো না। শুধু এসএমএস-এ কথা বলবো। ...

বসন্ত রঙিন ভালোবাসার দিন,নারী পুরুষ সবাই রঙে রঙিন

১৪ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দখিন হাওয়ার গুঞ্জরণে হৃদয়ে জেগেছে রেশমি পরশ। নিসর্গ জেগেছে নতুন রূপে। হাওয়ায়-হাওয়ায় দোল লেগেছে বাংলার প্রকৃতিতে। প্রকৃতি আজ জানান দিচ্ছে, আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে। কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় ,ফুল ফুটুক না ফুটুক আজ বসন্ত। কবির শঙ্কা দূর করে ফুল ফুটেছে। গাছে গাছে ফুটেছে আমের মুকুল। শীতের খোলসে থাকা কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া, নাগলিঙ্কন এখন অলৌকিক স্পর্শে জেগে উঠেছে।প্রকৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজ বাসন্তি রঙের শাড়ি পরবে নারীরা। রঙে রঙিন হবে নারী, পুরুষ সবাই। ১লা ফাল্গুনের সঙ্গে আজ যোগ হয়েছে ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস। একই দিনে দুটি দিবসের আনন্দ ছুঁয়ে যাবে প্রাণে। বসন্তের এই দিনে হৃদয় উদার, উন্মুক্ত করতে হবে। বসন্তকে আজ বরণ করে নিতে হবে। কবিগুরু তাই বলেছেন, আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে/তব অবগুণ্ঠিত কুণ্ঠিত জীবনে/কোরো না বিড়ম্বিত তারে/ আজি খুলিয়ো হৃদয়দল খুলিয়ো/ আজি ভুলিয়ো আপনপর ভুলিয়ো। বসন্তকে বরণ করে নিতে বেশ কিছু দিন ধরে ছিল নানা প্রস্তুতি। শপিং মল থেকে বিউটি পার্লার, ফুলের দোকানে ব্যস্ত তরুণ-তরুণীরা। ব্যস্ততা ছিলো, সংস্কৃতি কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের। শোভাযাত্রার বৈচিত্রময় আয়োজনের ব্যস্ততা শেষে আজ বরণ করা হচ্ছে বসন্তকে।...

মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত ও কর্মসংস্থান মুখী একটি আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চাইঃ কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল

১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর আলহাজ্ব এইচ এম সোহেলএলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ১০ই ফেব্রুয়ারি্ বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল জানিয়েছেন, এলাকার জনগন চাইলে আবার নির্বাচন করবেন। বিশেষ করে তার কিছু কর্মপরিকল্পনা আছে সে গুলো বাস্তবায়নের জন্য। তার চলতি মেয়াদে ২৪৫ কোটি টাকার কাজ হচ্ছে তার মধ্যে ৮০ ভাগ কাজ প্রায় শেষ। বাকি কাজ গুলো চলমান আছে। তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি গ্রিন সিটি ক্লিন সিটি তথা মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত ও কর্মসংস্থান মুখী একটি আধুনিক ওয়ার্ড গড়ে তুলতে চান। তিনি আরো জানান, তার চলতি মেয়াদে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে থোক ফান্ড বরাদ্ধকৃত ৭ কোটি ২৫ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা ব্যায়ে প্রায় ৩১টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল,.২,৬,৭,৮,৯,১১,১৩ ও ১৫ নং ইসলামিয়া ব্রিক ফিল্ড বাইলেইনের উন্নয়ন। আগ্রাবাদ সিঙ্গাপুর-ব্যংকক মার্কেটের সংস্কার কাজ। আগ্রাবাদ শপিং কমপ্লেক্স ভবনের অবশিষ্ট কাজ সম্প্রসারণ। নাছির খাল ছড়ার মাটি উত্তোলন কাজ। বেপারি পাড়া রুহুল আমিন চেয়ারম্যান গলির নির্মাণ কাজ। আবিদার পাড়া এলাকার মিয়া খায়ের সওদাগর বাড়ি বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ। বেপারি পাড়া এলাকার আবুল হোসেন বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ। বেপারি পাড়া এলাকার সিডিএ বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ। সিডিএ আবাসিক এলাকার ২০নং রোড উচু করন কাজ। বেপারি পাড়া মাজার বাড়ি বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ।ছোট পুল এলাকার শেখ দেওয়ান আলি লেইনের সংস্কার কাজ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এডিপি ফান্ড বরাদ্ধকৃত ১১ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ৫টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে ৩ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ আবাসিক রোডের উন্নয়ন। ২ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ আবাসিক ১ নং রোডের পাশ্বের নাছির খালের রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ। ৯৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ আবাসিক এলাকার নালা নির্মাণ। ২ কোটি ১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সাইফুল ইসলাম সড়ক এবং সালে আহম্মেদ সড়ক, ফয়েজ আহমেদ পেসকার লেইন, নজির মাঝি লেইন এবং সিডিএ আবাসিক এলাকার ২৩/২ রোডের উন্নয়ন। ২ কোটি ৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে জাফর আহমেদ রোড, বুড়ির মাজার পাশ্বের রোড, সিডিএ ১নং রোড থেকে ৩নং রোড কেজি স্কুল পর্যন্ত রাস্তার উন্নয়ন। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে থোক ফান্ড বরাদ্ধকৃত ৩১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ২২ টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল আগ্রাবাদ এক্সেস রোড থেকে নালার পাড় বাজার পর্যন্ত সড়কের উন্নয়ন। জাম্ভুরি মাঠের দক্ষিন পূর্ব পাশ্বের নালা নির্মাণ। ইসলামিয়া ব্রিক ফিল্ড ৫নং রোডের উন্নয়ন। সিডিএ আবাসিক এলাকার ব্যাংক কর্মচারী নিবাসের প্রবেশ মুখে কাল্ভাট নির্মাণ। সিডিএ আবাসিক এলাকার ৭,৬,১০ নং রোডের উন্নয়ন। সিঙ্গাপুর –ব্যংকক মার্কেটের বেজইমেন্ট ফ্লোর থেকে ৫ম তলা পর্যন্ত আধুনিকায়তন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে থোক ফান্ড বরাদ্ধকৃত ১শত ৬৩ কোটি চৌষট্টি লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা ব্যায়ে ১০টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল সিংগাপুর ব্যংকক মার্কেট , হাইটেক পার্ক নির্মাণ। মহেশ খালের উপর রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ। হালিশহর রোডের উন্নয়ন। সিডিএ ১,২,১৬,২৬,২৭ ও ২৯ নং রোডের উন্নয়ন। আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের উন্নয়ন। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ড অফিসের জায়গায় বহুমুখী বহুতল ভবন নির্মাণ। চলমান প্রকল্প গুলো হল ৪ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ ২০ নং রোডস্থ মহেশ খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ। ৭ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ ৪ নং রোডস্থ মহেশ খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ। এছাড়া এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন ও সম্প্রসারণ করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো সম্প্রসারণ ও সংস্কার করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো পরিস্কার করেছেন। মাদক ও সন্ত্রাসের ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। তিনি জানান, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী গঠিত কমিটি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন। মাদক বিরোধী সভা সমাবেশ করা হয়েছে। বাস্তুহারা বস্তি উচ্ছেদ করা হেয়েছে যেখানে মাদক সহ নানা অসামাজিক কাজ হত। সেইসাথে প্রশাসনকে সাথে নিয়ে মাদক বিরোধী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া এলাকার ফুটপাত ৯০ ভাগ দখল মুক্ত করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে ওয়ার্ডের বড় নালা ও খালের ময়লা ও মাটি অপসারনে তিনি কার্যকর ভুমিকা রেখেছেন। নাছির খাল ছড়ার মাটি অপসারন করেছেন। আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের দক্ষিন পাশ্বের নালার মাটি অপসারন করেছেন। মা ও শিশু হাসপাতালের আশে পাশের সড়কের উন্নয়ন। সিডিএ আবাসিক এলাকার রোড সমুহ ও সংযোগ সেতুর উন্নয়ন কাজ করেছেন। এলাকার নালা ও ড্রেন গুলো প্রসস্থ করন ও গভীর করা হয়েছে। তাছাড়া সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে যে প্রকল্পের কাজ চলছে তা সম্পূর্ণ হলে আশা করছি আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। তিনি জানান একসময় জলাবদ্ধতার জন্য সিডিএ আবাসিক এলাকার নিচ তলার বাসিন্দারা বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছিল। এখন জলাবদ্ধতা নেই তাই তারা আবার ফিরে এসেছে। তবে জোয়ারের প্রভাবে যেখানে কোমড় সমান পানি হত এখন সেখানে পায়ের পাতা সমান পানি হয়। আশা করছি জলাবদ্ধতা একেবারেই থাকবেনা। ময়লা আবর্জনা অপসারনে মেয়রের ঘোষিত ক্লিন সিটি গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারন করার ফলে এই এলাকায় কোন ডাস্টবিন নেই। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাবেন। এলাকার প্রতিটি অলি গলিতে এলইডি বাতির ব্যবস্থা করবেন। চলমান কাজ গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করা। হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজ শেষ করবেন। এর নির্মাণ কাজ শেষ হলে এখানে প্রায় ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে বলে মনে করেন।এলাকার গরিব ও অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো। সেইসাথে এই ওয়ার্ডকে একটি মাদ্কমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলবেন। একটি কমিউনিটি সেন্টার খুলবেন যেখানে কম দামে এলাকার জনগন এটি ব্যবহার করতে পারে। পূর্বের ওয়ার্ড অফিসের ৩৩ কাঠা জমির উপর আয় বর্ধক একটি প্রকল্পের আওতায় সদরঘাটের মেমন হাসপাতালের আদলে একটি হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে।এর ফলে এলাকার লোকজন সদরঘাটের মেমন এর সুযোগ সুবিধা আগ্রাবাদে উপভোগ করতে পারে। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বেপারিপাড়া মোড় এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা হাজী আমানুল্লাহ (৫৫) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল চলতি মেয়াদে এলাকা্র উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। রাস্তা ঘাট গুলো সংস্কার করেছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে নানা মুখি কাজ করেছেন। এলাকার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে ওনাকে আবারও সুযোগ দেওয়া দরকার বলে আমি মনে করি। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকার এক ফার্নিচার ব্যবসায়ী মোঃ জানে আলম (৪৮) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল ব্যক্তি হিসাবে অনেক ভালো।এলাকায় ওনার ভালো গ্রহণযোগ্যতাও আছে। তিনি এলাকার রাস্তা ঘাটের উন্নয়নে কাজ করেছেন। আশা করছি এলাকার জনগন আবার নির্বাচিত করবে। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের সিডিএ আবাসিক এলাকার এক কাপড় ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন (৫২) জানান, কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল এলাকার রাস্তা ঘাটের ব্যাপক সংস্কার কাজ হয়েছে। এলাকার জনগন আবারও নির্বাচিত করবেন বলে আশা করি। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বেপারি পাড়া রুহুল আমিন চেয়ারম্যান গলির এক সব্জি বিক্রেতা মোঃ সাইফুল আলম (৪৬) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর একজন যোগ্য লোক। তিনি এলাকার উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। তিনি আবার নির্বাচিত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। ...

এলাকার উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে চাইঃ কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের

১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে ,নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ১০ই ফেব্রুয়ারি্ সকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের জানিয়েছেন, এলাকার জনগন তাকে আবার নির্বাচন করার জন্য চাপ দিচ্ছেন। তাই জনগনকে সেবা দিতে আগামী নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হবেন। তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে জনগনের ক্ষমতায়ন শেখ হাসিনার দর্শন এই দর্শনকে সামনে রেখে ঘোষিত রূপকল্প ২০২০ আলোকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা। তিনি আরো জানান, তার এলাকায় সর্বমোট প্রায় ৩৫ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা টাকা ব্যায়ে ১৭টি প্রকল্পে উন্নয়ন কাজ হয়েছে। এবং বেশ কিছু প্রকল্প চলমান আছে। উল্লেখযোগ্য কাজ গুলো হল ৭ কোটি টাকা ব্যায়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ। ২ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে মাঝিরঘাট থেকে কদমতলী নোয়াখালী বাস স্ট্যান্ড মোড় পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার কাজ। প্রায় ৫ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে শুভপুর স্ট্যান্ড থেকে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত তিনটি বড় ড্রেন নির্মাণসহ রাস্তার সংস্কার কাজ। ৮৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে রশিদ মাষ্টার লেইন গন্ডারিয়া পাড়ার রাস্তা সংস্কার কাজ। ৯০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে টং ফকির মাজার লেইনের রাস্তা সংস্কার কাজ। ১ কোটি টাকা ব্যায়ে বরই গাছ থেকে ২নং গলি এবং নাজিম উদ্দিন লেইনসহ রাস্তা সংস্কার কাজ। ১নং গলি থেকে চট্রলা বেকারী পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার কাজ। ৪০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে বায়তুল জান্নাত মসজিদ আলো সিঁড়ি ক্লাব রাস্তা সংস্কার ও নর্দমা সংস্কার কাজ। ৯৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে উদয়ন গলির মুখ থেকে শেষ মাথা পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার নর্দমা সংস্কার কাজ। ২২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে এস আর বি/ কাচার্যা লি রাস্তা সংস্কার ও নর্দমা সংস্কার কাজ। ৮০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে আলি ফজর মেম্বার বাড়ির মুখ থেকে নজু ফকির মাজার বড় লেইনের রাস্তা সংস্কার ও বড় নালা আরসিসি ঢালাই এর কাজ। চলমান প্রকল্প গুলো হল হাজী বাদশা মিয়ার বাড়ির রাস্তা সংস্কার কাজ। দক্ষিন মাদারবাড়ি ফকির পাড়া স্ট্যান্ড রোড এর সংস্কার কাজ। ঝাড়ু গলি বাই লেইনের সংস্কার কাজ। কদমতলি রওশন মসজিদ লেইনের সংস্কার কাজ। হাজী এনায়েত আলি সর্দারের বাড়ির রাস্তা সংস্কার কাজ। এছাড়া এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন ও সম্প্রসারণ করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো সম্প্রসারণ ও সংস্কার করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো পরিস্কার করেছেন। মাদক ও সন্ত্রাস ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। তিনি জানান, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী গঠিত কমিটি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন। মাদকের আখড়া বরিশাল কলোনি উচ্ছেদ করে সেখানে এতিমদের জন্য একটি মাদ্রাসা নির্মাণ করা হয়েছে। মাদক বিরোধী মানব্বন্ধন করা হয়েছে। সেইসাথে প্রশাসনকে সাথে নিয়ে মাদক বিরোধী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে ওয়ার্ডের বড় নালা ও খালের ময়লা ও মাটি অপসারনে তিনি কার্যকর ভুমিকা রেখেছেন। রশিদ মাষ্টার লেইন ও মাঝির ঘাট উদয়ন গলিতে কিছু জোয়ারের পানি আসে। গুলজার খালের খনন কাজ চলছে। এর ফলে জোয়ারের পানি দ্রুত নেমে যাবে। তাছাড়া সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে যে প্রকল্পের কাজ চলছে তা সম্পূর্ণ হলে আশা করছি সামনের দিন গুলিতে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। ময়লা আবর্জনা অপসারনে মেয়রের ঘোষিত ক্লিন সিটি গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারন করার ফলে এই এলাকায় কোন ডাস্টবিন নেই। প্রতিদিন পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ময়লা অপসারনে কাজ করে যাচ্ছে। এই ওয়ার্ড অনেকটাই ময়লা আবর্জনা মুক্ত বলা চলে। মানুষের অসচেতনার জন্য কিছুটা সমস্যা হয়।তবে আমরা শত ভাগ ময়লা অপসারণে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাবেন। এলাকার প্রতিটি অলি গলিতে সড়ক বাতির ব্যবস্থা করা। চলমান কাজ গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করা। এলাকার গরিব ও অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো। সেইসাথে এই ওয়ার্ডকে একটি মাদ্কমুক্ত, ইভটিজিং মুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের শুভপুর বাস স্ট্যান্ড রোড এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা মইজ ঊদ্দিন (৪৮) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের ভাই চলতি মেয়াদে এলাকা্র উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। রাস্তা ঘাট গুলো সংস্কার করেছেন ও কারপেটিং এর কাজ করেছেন। মাদক নির্মূলেও কাজ করেছেন। এলাকার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে ওনাকে আবারও সুযোগ দেওয়া দরকার বলে আমি মনে করি। ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকার এক মেশিনারি ব্যবসায়ী মোঃ সাইফুল আলম (৫৩) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের ব্যক্তি হিসাবে অনেক ভালো।এলাকায় ওনার ভালো গ্রহণযোগ্যতাও আছে। তিনি এলাকার রাস্তা ঘাটের উন্নয়নে কাজ করেছেন। আশা করছি এলাকার জনগন আবার নির্বাচিত করবে। ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের মাদার বাড়ি এলাকার এক লৌহ ব্যবসায়ী জাবের হোসেন (৫৫) জানান, কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের ভাই এলাকার রাস্তা ঘাটের ব্যাপক সংস্কার কাজ হয়েছে। এলাকার জনগন আবারও নির্বাচিত করবেন বলে আশা করি। ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের রেল গেইট এলাকার এক চা বিক্রেতা মোঃ সামছুউদ্দিন (৪৩) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর একজন যোগ্য লোক। তিনি এলাকার উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। তিনি আবার নির্বাচিত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। আমিও ব্যাক্তিগত ভাবে ওনাকে পছন্দ করি। ...

দক্ষিণপন্থীও নই বামপন্থীও নই, আমি দেশবাসীর স্বার্থের পক্ষে

১৮ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৬৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোর বিমানবন্দরে আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন যে, লাহোর উপস্থিতির পর তথাকার অধিবাসীবৃন্দ তাহাকে যে আন্তরিক সংবর্ধনা জ্ঞাপন করিয়াছে, তাহাতে তিনি অভিভূত হইয়াছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব গোলটেবিল বৈঠকে যোগদানের উদ্দেশ্যে রাওয়ালপিন্ডি যাত্রার পূর্বে লাহোর বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বলেন যে, লাহোরের বীর নাগরিকদের ভালোবাসা ও অনুরাগের কথা তিনি সর্বদাই স্মরণ রাখিবেন। এয়ার মার্শাল আসগর খান এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল আজম খান প্রমুখ স্বতন্ত্র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সহিত তাহার আলোচনা প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু বলেন যে, তিনি তাহাদের সহিত আলোচনায় পুরোপুরি সন্তুষ্ট হইয়াছেন। পূর্বাহ্নে শেখ মুজিবুর রহমান এবং পিপলস পার্টি প্রধান জনাব জেড এ ভুট্টো একই বিমানযোগে ঢাকা হইতে লাহোর পৌঁছিলে বিমানবন্দরে তাহাদের বিপুল সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। পিডিএম, পিপলস পার্টি এবং আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক কর্মী সংবর্ধনায় অংশগ্রহণ করেন। তন্মধ্যে মালিক গোলাম জিলানী, জনাব জেএ রহীম, জনাব মাহমুদ আলী কাসুরী, এয়ার মার্শাল আসগর খান এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আজম খান উল্লেখযোগ্য। বিমানবন্দরে এত বিপুল জনসমাগম হয় যে, বিমানের পক্ষে পার্কিং বে’তে পৌঁছানো একরূপ অসম্ভব হইয়া পড়ে। শেষ পর্যন্ত বিমানটি ট্যাক্সিওয়েতে থামিয়া যায় এবং জনাব ভুট্টো জনগণকে পিছনে সরিয়া যাইতে বলেন, কিন্তু জনতা তাহাকে সেখানেই অবতরণ করিতে বাধ্য করে এবং তাহার পার্টির একটি ট্রাকে উঠিয়া বসিতে বলে। তখন তাহাকে শোভাযাত্রা সহকারে বাহিরে লইয়া যাওয়া হয়। অনরূপভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবও সেখানেই বিমান হইতে অবতরণ করেন এবং তাহাকে শোভাযাত্রা সহকারে বাহিরে নেওয়া হয়। এয়ার মার্শাল আসগর খান এবং লে. জেনারেল আজম খান তাঁহার কর্মসূচি সমর্থন করিবেন কিনা, এই প্রশ্নের জবাবে তাঁহার কোন ‘মন্তব্য নাই’ বলিয়া জানান। তিনি বলেন, তাহাদের সহিত আলোচনায় আমি সম্পূর্ণ সন্তুষ্ট হইয়াছি, এত আগে সে কথা বলা যায় না। বামপন্থী কিংবা দক্ষিণপন্থী নই, স্বদেশপন্থী: জনৈক বিদেশি সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেন, আমি বামপন্থীও নই, কিংবা দক্ষিণপন্থীও নই, আমি আমার স্বদেশবাসীর স্বার্থের পক্ষে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাহার দল নিরপেক্ষ এবং ‘সকলের সহিত বন্ধুত্ব কাহারও সহিত শত্রুতা নয়- এই বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বাসী। দুর্নীতি প্রসঙ্গ: দেশে বিরাজমান দুর্নীতি প্রসঙ্গে শেখ মুজিব বলেন যে, উহা বর্তমান সরকারেরই অবদান এবং দুর্নীতি বিরোধী কমিটি ও কমিশন গঠনের দ্বারা উহা উচ্ছেদ করা যাবে না। তবে জনগণের প্রতিনিধিবৃন্দ ক্ষমতা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে উহার অবসান ঘটিবে। তিনি বলেন যে, দুর্নীতি কঠোর হস্তে দমন করিতে হইবে। প্রেসিডেন্ট আইয়ুব মুসলিম লীগকে বিরোধী দলে পরিণত করার যে প্রস্তাব করিয়াছেন, তিনি সেই সম্পর্কে কোন মন্তব্য করিতে বিরত থাকেন। বঙ্গবন্ধু পিন্ডি অবস্থানকালে ডাক নেতৃবৃন্দের সহিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করিবেন বলিয়া জানান। তথ্যসূত্র : এই দেশ এই মাটি গ্রন্থ।


মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত ও কর্মসংস্থান মুখী একটি আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চাইঃ কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল

১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর আলহাজ্ব এইচ এম সোহেলএলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ১০ই ফেব্রুয়ারি্ বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল জানিয়েছেন, এলাকার জনগন চাইলে আবার নির্বাচন করবেন। বিশেষ করে তার কিছু কর্মপরিকল্পনা আছে সে গুলো বাস্তবায়নের জন্য। তার চলতি মেয়াদে ২৪৫ কোটি টাকার কাজ হচ্ছে তার মধ্যে ৮০ ভাগ কাজ প্রায় শেষ। বাকি কাজ গুলো চলমান আছে। তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি গ্রিন সিটি ক্লিন সিটি তথা মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত ও কর্মসংস্থান মুখী একটি আধুনিক ওয়ার্ড গড়ে তুলতে চান। তিনি আরো জানান, তার চলতি মেয়াদে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে থোক ফান্ড বরাদ্ধকৃত ৭ কোটি ২৫ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা ব্যায়ে প্রায় ৩১টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল,.২,৬,৭,৮,৯,১১,১৩ ও ১৫ নং ইসলামিয়া ব্রিক ফিল্ড বাইলেইনের উন্নয়ন। আগ্রাবাদ সিঙ্গাপুর-ব্যংকক মার্কেটের সংস্কার কাজ। আগ্রাবাদ শপিং কমপ্লেক্স ভবনের অবশিষ্ট কাজ সম্প্রসারণ। নাছির খাল ছড়ার মাটি উত্তোলন কাজ। বেপারি পাড়া রুহুল আমিন চেয়ারম্যান গলির নির্মাণ কাজ। আবিদার পাড়া এলাকার মিয়া খায়ের সওদাগর বাড়ি বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ। বেপারি পাড়া এলাকার আবুল হোসেন বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ। বেপারি পাড়া এলাকার সিডিএ বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ। সিডিএ আবাসিক এলাকার ২০নং রোড উচু করন কাজ। বেপারি পাড়া মাজার বাড়ি বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ।ছোট পুল এলাকার শেখ দেওয়ান আলি লেইনের সংস্কার কাজ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এডিপি ফান্ড বরাদ্ধকৃত ১১ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ৫টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে ৩ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ আবাসিক রোডের উন্নয়ন। ২ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ আবাসিক ১ নং রোডের পাশ্বের নাছির খালের রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ। ৯৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ আবাসিক এলাকার নালা নির্মাণ। ২ কোটি ১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সাইফুল ইসলাম সড়ক এবং সালে আহম্মেদ সড়ক, ফয়েজ আহমেদ পেসকার লেইন, নজির মাঝি লেইন এবং সিডিএ আবাসিক এলাকার ২৩/২ রোডের উন্নয়ন। ২ কোটি ৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে জাফর আহমেদ রোড, বুড়ির মাজার পাশ্বের রোড, সিডিএ ১নং রোড থেকে ৩নং রোড কেজি স্কুল পর্যন্ত রাস্তার উন্নয়ন। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে থোক ফান্ড বরাদ্ধকৃত ৩১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ২২ টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল আগ্রাবাদ এক্সেস রোড থেকে নালার পাড় বাজার পর্যন্ত সড়কের উন্নয়ন। জাম্ভুরি মাঠের দক্ষিন পূর্ব পাশ্বের নালা নির্মাণ। ইসলামিয়া ব্রিক ফিল্ড ৫নং রোডের উন্নয়ন। সিডিএ আবাসিক এলাকার ব্যাংক কর্মচারী নিবাসের প্রবেশ মুখে কাল্ভাট নির্মাণ। সিডিএ আবাসিক এলাকার ৭,৬,১০ নং রোডের উন্নয়ন। সিঙ্গাপুর –ব্যংকক মার্কেটের বেজইমেন্ট ফ্লোর থেকে ৫ম তলা পর্যন্ত আধুনিকায়তন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে থোক ফান্ড বরাদ্ধকৃত ১শত ৬৩ কোটি চৌষট্টি লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা ব্যায়ে ১০টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল সিংগাপুর ব্যংকক মার্কেট , হাইটেক পার্ক নির্মাণ। মহেশ খালের উপর রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ। হালিশহর রোডের উন্নয়ন। সিডিএ ১,২,১৬,২৬,২৭ ও ২৯ নং রোডের উন্নয়ন। আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের উন্নয়ন। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ড অফিসের জায়গায় বহুমুখী বহুতল ভবন নির্মাণ। চলমান প্রকল্প গুলো হল ৪ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ ২০ নং রোডস্থ মহেশ খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ। ৭ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ ৪ নং রোডস্থ মহেশ খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ। এছাড়া এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন ও সম্প্রসারণ করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো সম্প্রসারণ ও সংস্কার করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো পরিস্কার করেছেন। মাদক ও সন্ত্রাসের ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। তিনি জানান, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী গঠিত কমিটি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন। মাদক বিরোধী সভা সমাবেশ করা হয়েছে। বাস্তুহারা বস্তি উচ্ছেদ করা হেয়েছে যেখানে মাদক সহ নানা অসামাজিক কাজ হত। সেইসাথে প্রশাসনকে সাথে নিয়ে মাদক বিরোধী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া এলাকার ফুটপাত ৯০ ভাগ দখল মুক্ত করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে ওয়ার্ডের বড় নালা ও খালের ময়লা ও মাটি অপসারনে তিনি কার্যকর ভুমিকা রেখেছেন। নাছির খাল ছড়ার মাটি অপসারন করেছেন। আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের দক্ষিন পাশ্বের নালার মাটি অপসারন করেছেন। মা ও শিশু হাসপাতালের আশে পাশের সড়কের উন্নয়ন। সিডিএ আবাসিক এলাকার রোড সমুহ ও সংযোগ সেতুর উন্নয়ন কাজ করেছেন। এলাকার নালা ও ড্রেন গুলো প্রসস্থ করন ও গভীর করা হয়েছে। তাছাড়া সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে যে প্রকল্পের কাজ চলছে তা সম্পূর্ণ হলে আশা করছি আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। তিনি জানান একসময় জলাবদ্ধতার জন্য সিডিএ আবাসিক এলাকার নিচ তলার বাসিন্দারা বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছিল। এখন জলাবদ্ধতা নেই তাই তারা আবার ফিরে এসেছে। তবে জোয়ারের প্রভাবে যেখানে কোমড় সমান পানি হত এখন সেখানে পায়ের পাতা সমান পানি হয়। আশা করছি জলাবদ্ধতা একেবারেই থাকবেনা। ময়লা আবর্জনা অপসারনে মেয়রের ঘোষিত ক্লিন সিটি গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারন করার ফলে এই এলাকায় কোন ডাস্টবিন নেই। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাবেন। এলাকার প্রতিটি অলি গলিতে এলইডি বাতির ব্যবস্থা করবেন। চলমান কাজ গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করা। হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজ শেষ করবেন। এর নির্মাণ কাজ শেষ হলে এখানে প্রায় ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে বলে মনে করেন।এলাকার গরিব ও অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো। সেইসাথে এই ওয়ার্ডকে একটি মাদ্কমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলবেন। একটি কমিউনিটি সেন্টার খুলবেন যেখানে কম দামে এলাকার জনগন এটি ব্যবহার করতে পারে। পূর্বের ওয়ার্ড অফিসের ৩৩ কাঠা জমির উপর আয় বর্ধক একটি প্রকল্পের আওতায় সদরঘাটের মেমন হাসপাতালের আদলে একটি হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে।এর ফলে এলাকার লোকজন সদরঘাটের মেমন এর সুযোগ সুবিধা আগ্রাবাদে উপভোগ করতে পারে। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বেপারিপাড়া মোড় এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা হাজী আমানুল্লাহ (৫৫) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল চলতি মেয়াদে এলাকা্র উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। রাস্তা ঘাট গুলো সংস্কার করেছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে নানা মুখি কাজ করেছেন। এলাকার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে ওনাকে আবারও সুযোগ দেওয়া দরকার বলে আমি মনে করি। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকার এক ফার্নিচার ব্যবসায়ী মোঃ জানে আলম (৪৮) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল ব্যক্তি হিসাবে অনেক ভালো।এলাকায় ওনার ভালো গ্রহণযোগ্যতাও আছে। তিনি এলাকার রাস্তা ঘাটের উন্নয়নে কাজ করেছেন। আশা করছি এলাকার জনগন আবার নির্বাচিত করবে। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের সিডিএ আবাসিক এলাকার এক কাপড় ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন (৫২) জানান, কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল এলাকার রাস্তা ঘাটের ব্যাপক সংস্কার কাজ হয়েছে। এলাকার জনগন আবারও নির্বাচিত করবেন বলে আশা করি। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বেপারি পাড়া রুহুল আমিন চেয়ারম্যান গলির এক সব্জি বিক্রেতা মোঃ সাইফুল আলম (৪৬) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর একজন যোগ্য লোক। তিনি এলাকার উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। তিনি আবার নির্বাচিত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।

ভয়াবহ অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের শাসনভার গ্রহণ করেছিল

২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে কালবিলম্ব না করে রাতে তিনি পাকিস্তানের পিআইএর একটি বিমানে লন্ডন যাত্রা করে ৮ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৬টায় হিথরো বিমানবন্দরে পৌঁঁছেন। অনেক আনুষ্ঠানিকতা শেষে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর রাজকীয় কমেট বিমানে ৯ জানুয়ারি সকালে বঙ্গবন্ধু দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন। পথে তেল নেওয়ার জন্য সাইপ্রাসে যাত্রাবিরতি ঘটেছিল বিমানের। ১০ জানুয়ারি সকালে বঙ্গবন্ধু দিল্লির পালাম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। সেখানে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতিতে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা এবং রাষ্ট্রপতি ভবনে সৌজন্য কথাবার্তার পর ব্রিটিশ রাজকীয় বিমানেই যাত্রা করেছিলেন ঢাকার উদ্দেশে। ব্রিটিশ কমেট বিমানটি তেজগাঁও বিমানবন্দর স্পর্শ করে বিকেল ৩টায়। সেখান থেকে ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে লাখ লাখ বাঙালির ভালোবাসা আর স্নেহের পরশ ভেদ করে পৌঁছাতে তাঁর সময় লেগেছিল আড়াই ঘণ্টা। রেসকোর্সে লাখো জনতার মাঝ থেকে বঙ্গবন্ধু তাঁর পরিবারের কাছে পৌঁছেন সন্ধ্যা পৌনে ৬টায়। এত দীর্ঘ পথযাত্রা, দীর্ঘ আনুষ্ঠানিকতা, জনসভা, আবেগ-উচ্ছ্বাস-কান্না বিনিময়ের পর ১১ জানুয়ারি থেকে বঙ্গবন্ধু সব ক্লান্তি-ভাবাবেগ উপেক্ষা করে এক মুহূর্ত বিলম্ব না করে দেশ পরিচালনা শুরু করেন। সেদিনই মন্ত্রিসভার সঙ্গে দুদফা বৈঠক করেন এবং বৈঠকে সংবিধান প্রণয়নসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু অস্থায়ী সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের পর থেকে বস্তুত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সরকারি-বেসরকারি সব সংস্থাসহ সারা দেশ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে চলতে থাকে। এবং সেনাবাহিনীর বাঙালি অংশ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশের অপেক্ষায় থাকে। ১৯৭১ সালের ১৫ মার্চ বাংলার জনগণ ও প্রগতিশীল বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের দাবিতে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের শাসনভার স্বহস্তে গ্রহণ করেন। এক ঘোষণায় তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষের কল্যাণের জন্যই তাঁকে এ দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়েছে। তিনি সুস্পষ্টভাবে দেশবাসীকে জানান, এই শাসনভার স্বহস্তে গ্রহণ করার অর্থ বাংলাদেশের স্বাধীনতা। জনগণ যেন তা রক্ষা করার জন্য প্রস্তুত থাকে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মুক্তির স্পৃহাকে স্তব্ধ করা যাবে না। আমাদের কেউ পরাভূত করতে পারবে না। কারণ প্রয়োজনে আমরা প্রত্যেকে মরণ বরণ করতে প্রস্তুত। জীবনের বিনিময়ে আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ বংশধরদের স্বাধীন দেশের মুক্ত মানুষ হিসেবে স্বাধীনভাবে আর আত্মমর্যাদার সঙ্গে বাস করার নিশ্চয়তা দিয়ে যেতে চাই। মুক্তির লক্ষ্যে না পৌঁছা পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম নবতর উদ্দীপনা নিয়ে অব্যাহত থাকবে। আমি জনগণকে যেকোনো ত্যাগের জন্য এবং সম্ভাব্য সব কিছু নিয়ে যেকোনো শক্তির মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে আবেদন জানাই।(দৈনিক পূর্বদেশ, ১৬ মার্চ ১৯৭১)। বলা বাহুল্য, বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণাও স্বাধীনতার ঘোষণার নামান্তর। বঙ্গবন্ধু দেশের শাসনকার্য পরিচালনার জন্য ৩৫টি বিধি জারি করেন, যার মাধ্যমে ১৫ মার্চ থেকে সারা দেশ পরিচালিত হয়। বস্তুত ১৫ মার্চ থেকে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যায়। দেশের শাসনভার স্বহস্তে গ্রহণ করার পর জনসাধারণ ও সরকারি কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বঙ্গবন্ধুকে সাহায্য করতে লাগলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের সর্বত্র ছিল পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর ধ্বংসলীলার ক্ষতচিহ্ন। নাগরিকদের খাদ্য-বস্ত্র, বাসস্থানের অভাব ছিল প্রকট। কলকারখানায় উৎপাদন শূন্যের কোঠায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু রাখা ও এক কোটি শরণার্থীর পুনর্বাসনসহ দেশের সমস্যা ছিল অগণিত। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন ছিল বঙ্গবন্ধুর সামনে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ, যা তিনি সাফল্যের সঙ্গে মোকাবেলা করেন। স্বাধীনতা-উত্তর কালের বাংলাদেশের সার্বিক অবস্থার পর্যালোচনা করে বিশ্বজুড়ে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের ৫০ লাখ মানুষ অনাহারে প্রাণ হারাবে, দেখা দেবে দুর্ভিক্ষ। এমনি এক ভয়াবহ অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ শাসনভার গ্রহণ করেছিল। নিঃসন্দেহে তাঁর পরিচালনায় আওয়ামী লীগ সরকার প্রাথমিক অসুবিধা ও সংকটগুলো কাটিয়ে উঠেছিলেন। দেশের প্রথম পাঁচসালা পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সে অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ প্রমাণ করে যে বঙ্গবন্ধুর সরকার প্রাথমিক অনিশ্চয়তা কাটিয়ে একটি সুনিশ্চিত পদক্ষেপে এগিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য অর্জন করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু সরকারের উল্লেখযোগ্য কিছু দিক হলো : মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসন : মুক্তি বাহিনীর জওয়ানদের কাজে লাগানোর জন্য বঙ্গবন্ধু ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী, মিলিশিয়া, রিজার্ভ বাহিনী সংগঠনের বিষয়ে বিশেষ ব্যবস্থা নেন। মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সা এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এ ছাড়া দেশ গড়ার বিভিন্ন কাজে যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ প্রদান করেন। ত্রাণ কার্যক্রম : রিলিফ ও পুনর্বাসনের জন্য বঙ্গবন্ধু দেশের বিভিন্ন স্থানে জনসংখ্যার ভিত্তিতে মঞ্জুরি দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সমর্পণ : মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহূত অস্ত্র নিজেদের কাছে না রেখে তা ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সমর্পণের আহ্বান জানান। এতে সব মুক্তিযোদ্ধা সাড়া দিয়ে বঙ্গবন্ধুর কাছে অস্ত্র জমা দেন। স্বাধীন বাংলার প্রশাসনিক পদক্ষেপ : ঢাকা মুক্ত হওয়ার পর একটা প্রশাসনিক শূন্যতা বিরাজ করছিল রাজধানীসহ দেশের সর্বত্র। নিরাপত্তার বিষয়টি আরো গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গবন্ধু প্রত্যাবর্তনের পর প্রশাসনকে কর্মোপযোগী করে তোলেন। ভারতীয় বাহিনীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : ১২ মার্চ ১৯৭২ ভারতীয় বাহিনী বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রত্যাবর্তন করে। ১৯৭২ সালের সংবিধান : ৩০ লাখ শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে বাংলাদেশ যে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, তারই আদর্শ হিসেবে রচিত হলো রক্তে লেখা এক সংবিধান ৪ নভেম্বর ১৯৭২। সাধারণ নির্বাচন : ১৯৭৩ সালে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা : বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের পর দারিদ্র্যপীড়িত বাংলাদেশের জনগণের দ্রারিদ্র্য দূরীকরণ তথা অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনে জাতির জনক প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এই পরিকল্পনার লক্ষ্যগুলো ছিল, ক. মূল লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য দূরীকরণ। এ জন্য যারা কর্মহীন বা আংশিক কর্মহীন তাদের সবার কর্মসংস্থানের আয়োজন প্রয়োজন। তা ছাড়া জাতীয় আয় বৃদ্ধির সঙ্গে এই আয় বণ্টনের জন্য যথাযথ আর্থিক ও মুদ্রানীতি প্রণয়ন ত্বরান্বিত হওয়া প্রয়োজন। খ. জনগণের অত্যাবশ্যক পণ্যের চাহিদা যাতে মেটে সে জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রীর (খাদ্যদ্রব্য, পোশাক, ভোজ্য তেল, কেরোসিন ও চিনি) উত্পাদন বাড়াতে হবে। গ. কৃষির প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রযুক্তিগতকাঠামোতে এমনভাবে রূপান্তর সাধন প্রয়োজন, যাতে খাদ্যশস্যের উত্পাদনের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জিত হয়, কৃষিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে এবং শ্রমশক্তির শহরমুখী অভিবাসন বন্ধ হয়। পররাষ্ট্রনীতি : বঙ্গবন্ধু পররাষ্ট্রনীতি সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো প্রতি বৈরী মনোভাব নয়। প্রথম তিন মাসের মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন, ব্রিটেন, ফ্রান্সসহ ৬৩টি দেশের স্বীকৃতি লাভ। ৩ মাস ২১ দিনের মধ্যে স্বীকৃতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তান স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয় দুই বছর দুই মাসের মধ্যে। সর্বমোট ১২১টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন গঠন : ইসলামের যথার্থ শিক্ষা ও মর্মবাণী সঠিকভাবে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রচার-প্রসারের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ প্রতিষ্ঠা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ইসলাম আদর্শের যথাযথ প্রকাশ তথা ইসলামের উদার মানবতাবাদী চেতনা বিকাশের লক্ষ্যে একটি বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠা ছিল জাতির জনকের সুদূরপ্রসারী চিন্তার এক অমিত সম্ভাবনাময় ফসল। যুদ্ধাপরাধীর বিচার : বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ কোলাবরেটরস স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল অর্ডার জারি করে। এতে দালাল, যোগসাজশকারী কিংবা কোলাবরেটরদের সংজ্ঞায়িত করা হয় এভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীকে বস্তুগত সহযোগিতা প্রদান বা কোনো কথা, চুক্তি ও কার্যাবলির মাধ্যমে হানাদার বাহিনীকে সাহায্য করা। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা বা যুদ্ধের চেষ্টা করা। মুক্তিবাহিনীর তত্পরতার বিরুদ্ধে ও মুক্তিকামী জনগণের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা। পাকিস্তানি বাহিনীর অনুকূলে কোনো বিবৃতি প্রদান বা প্রচারে অংশ নেওয়া এবং পাকিস্তানি বাহিনীর কোনো প্রতিনিধিদল বা কমিটির সদস্য হওয়া। হানাদারদের আয়োজনে উপনির্বাচনে অংশ নেওয়া। চার ধরনের অপরাধীর বিচার : পরবর্তীকালে একই বছরে এই আইন দুই দফা সংশোধন করা হয়। এই সংশোধনীতেও চার ধরনের অপরাধীকে ক্ষমা করা হয়নি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে নেই, তাদের ক্ষমা করা হয়। কিন্তু যারা লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও হত্যাএই চারটি অপরাধ করেছে, তাদের ক্ষমা করা হয়নি। ১৯৭৩ সালে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৩৭ হাজার ৪৭১ জনকে দালাল আইনে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ১৯৭৩ সালে অক্টোবর পর্যন্ত দুই হাজার ৮১৮টি মামলার সিদ্ধান্ত হয়। এতে একজনের মৃত্যুদণ্ডসহ ৭৫২ দালাল দণ্ডিত হয়। তৎকালীন সরকার আইনগত ব্যবস্থা ত্বরিত করার জন্য ৭৩টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছিল। বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ১১ হাজার আটক থাকে। উপরন্তু বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালের ১৯ জুলাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল অ্যাক্ট জারি করেন, যা পরবর্তী সময়ে আইন হিসেবে সংবিধানে সংযোজিত হয় এবং অদ্যাবধি তা বহাল রয়েছে। ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গোলাম আযমের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছিল। ১৯৭৩ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধানের ১২ ও ৩৮ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সংবিধানের ৬৬ ও ১২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধবিরোধী তথাকথিত ধর্ম ব্যবসায়ীদের ভোটাধিকার ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অধিকার বাতিল করা হয়েছিল। হজে প্রেরণ : ১৯৭২ সালে সৌদি আরবে মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে ছয় সহস্রাধিক বাংলাদেশি মুসলমানকে হজ পালনে প্রেরণ করা হয়। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী চুক্তি : ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পাদিত হয় ২৫ বছরমেয়াদি বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রীচুক্তি। শিক্ষা কমিশন গঠন : কুদরাত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠন ও শিক্ষানীতি প্রণয়ন। যমুনা সেতু : ১৯৭৩ সালের ১৮-২৪ অক্টোবর জাপান সফরকালে জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কাকুই তানাকার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মাণের সূচনা করেন। বিভিন্ন সংস্থার সদস্যপদ গ্রহণ : জাতিসংঘের বেশির ভাগ সংস্থা বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সদস্যপদ গ্রহণ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পুনর্গঠন : স্বাধীনতা অর্জনের পরপরই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে একটি আধুনিক সুসজ্জিত বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ : ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ ও ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ প্রদান। প্রথম জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন : বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৪-২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ প্রথম জাতীয় সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ছাড়াও বাংলাদেশের প্রথিতযশা সাহিত্যিক ও শিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন। ঐতিহাসিক কিছু পদক্ষেপ : ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ, পাঁচ হাজার টাকার ওপরে কৃষিঋণ মওকুফকরণ এবং ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান কমিয়ে এনে সামাজিক অর্থে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জমি মালিকানার সিলিং পুনর্নির্ধারণ ছিল ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। স্বাস্থ্যব্যবস্থা : বঙ্গবন্ধু সরকার নগর ভিত্তিক ও গ্রামীণজীবনের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূরীকরণের পদক্ষেপ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ৫০০ ডাক্তারকে গ্রামে নিয়োগ করেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে আইজিএমআর শাহবাগ হোটেলে স্থানান্তর হয়। তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে থানা স্বাস্থ্য প্রকল্প গ্রহণ বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে আজও স্বীকৃত। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি : ১৯৭৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু জাতীয় আশা-আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সংগতি রেখে বাংলাদেশকে শিল্প-সংস্কৃতিবদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ গঠন এবং বাঙালির হাজার বছরের কৃষ্টি-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য ধরে রেখে আরো সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশি শিল্পকলা একাডেমি গঠন করেন। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশের শিল্প-সংস্কৃতি বিকাশের একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান। বৈদেশিক বাণিজ্য শুরু : শূন্য বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে বঙ্গবন্ধু সরকারকে শুরু করতে হয়েছে বৈদেশিক বাণিজ্য। এ ছাড়া জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন, কমনওয়েলথ, জাতিসংঘ, ইসলামী সম্মেলন সংস্থা ইত্যাদি আন্তর্জাতিক সংস্থায় বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে বঙ্গবন্ধু তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বের ছাপ রাখতে সমর্থ হন। পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতা রোধ এবং বিশ্বশান্তির প্রতি ছিল তাঁর দৃঢ় সমর্থন। এ ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭২ সালে বিশ্বশান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে প্রদান করে জুলিওকুরি শান্তিপদক। দুর্নীতির বিরদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা : ১৯৭৪ সালের ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকরী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারলে জাতির ভবিষ্যৎ তমিস্রায় ছেয়ে যাবে। দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, চোরাচালানি, মজুদদারি, কালোবাজারি ও মুনাফাখোরদের সমাজ ও রাষ্ট্রের শত্রু বলে আখ্যায়িত করে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, এদের শায়েস্তা করে জাতীয় জীবনকে কলুষমুক্ত করতে না পারলে আওয়ামী লীগের দুই যুগের ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃত্বদানের গৌরবও ম্লান হয়ে যেতে পারে। লেখকঃ মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সাংবাদিক,কলামিষ্ট ,সম্পাদক নিউজ একাত্তর ডট কম ও চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান,দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ । সূত্র : বঙ্গবন্ধু আর্কাইভ

আজকের মোট পাঠক

32926
O relaxamento vascular leva a um aumento na perfusão sanguínea, após o que os sintomas da hiperplasia prostática benigna são reduzidos.cialis tadalafil buy online White or white with a slightly yellowish tinge with a characteristic odor.cost of cephalexinIt is difficult and slow to dissolve in water, almost insoluble in alcohol. Cialis super active aumenta la producción de esperma, aumenta el deseo sexual.Cialis super active Sin Receta En EspañaCialis Super Asset lo ayudará en una situación difícil. Complications with prolonged use: rarely - psychoses that resemble alcoholic ones; hepatitis, gastritisCheap no Prescription disulfiramdetoxification therapy, administration of analeptics, and symptomatic therapy are necessary Nolvadex helps reduce the level of sex hormones in the blood of men and women Nolvadex online which ensures its therapeutic effect in this pathology.

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত