প্রকাশ : 2020-02-01

তাপসকে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

০১ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার সিটি কলেজ ভোট কেন্দ্রে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দিলেন। শনিবার সকাল আটটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই ভোট কেন্দ্রে ভোট দেয়ার পর বলেন ইভিএম ডিজিটাল পদ্ধতি। এখানে কোনো লুকোচুরি নেই। এখানে শঙ্কা কেনো প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে জালভোট দেয়ার সুযোগ নেই। ভোটচুরির অভ্যাস প্রয়োগ করতে তারা পারবে না। প্রধানমন্ত্রী এসময় জালভোট যারা দেন তাদের সমালোচনা করে বলেন, ইভিএম পদ্ধতিতে তা সম্ভব নয়। ভোট দেয়ার পর প্রধানমন্ত্রী জানান, আমি ভোট দিয়েছি। কাউন্সিল পদে শিলু ও বাবলাকে ভোট দিয়েছি। আমি দক্ষিণের ভোটার, তাপসকে ভোট দিয়েছি। আমরা আহ্বান করবো ঢাকাবাসীকে সুষ্ঠুভাবে ভোট দেওয়ার জন্য। ভোটের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত প্রতিনিধি হবেন। উত্তরে আমাদের প্রার্থী আতিক। ইনশাল্লাহ সেও জয় যুক্ত হবে।খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমি ভোট দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে এই ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবে নির্বাচন কমিশন। প্রত্যেক ভোটার শান্তিমতো তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন। আমি আশা করি ঢাকা শহরবাসী নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে জয়যুক্ত করবেন। যেন এই ঢাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে সেগুলো যেন আরো গতিশীল হয়। তিনি বলেন, ভোটের অধিকার জনগণের অধিকার, সাংবিধানিক অধিকার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। ভোটাররা যেন শান্তিপূর্ণ ও স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনগণের যেন তার পছন্দমতো ভোট দিতে পারে। সেই পরিবেশ আমরা সৃষ্টি করেছি। আমরা জয়ী হয়ে ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন করে গড়ে তুলবো। এছাড়া নানা পরিকল্পনা রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন করবো।সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কূটনীতিকদের উদ্বেগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উদ্বেগ তারা প্রকাশ করতে পারেন। কারণ আমাদের অতীত ইতিহাস তো ভালো না। আস্তে আস্তে আমরা সেই অবস্থা থেকে উত্তোরণ ঘটিয়েছি। তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে বাংলাদেশি চাকরি করেন। তাদেরকে বিদেশি পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে তারা সঠিক কাজ করেননি। কারণ তারা কীভাবে বিদেশি পর্যবেক্ষক হয় কীভাবে? তারা তো সেখানে চাকরি করেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর