সোমবার, মার্চ ৩০, ২০২০
প্রকাশ : 2020-01-30

অপরাধীদের দ্রত শাস্তি দিন

৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সমাজে ক্রান্তিকালীন দশার অস্তিরতা দেখা যাচ্ছে। আধুনিকতা, আকাশ সংস্কৃতি, বিত্তবাসনা, অপ্রথাগত সম্পর্ক ও মাদকের অভিশাপ অনেক পরিবারের পরিবেশ বিষিয়ে তুলছে। দেশে ক্রমেই বেড়ে চলছে বিকৃত ও বীভৎস খুনের ঘটনা। আপনজনরাও ঘটাচ্ছে অবিশ্বাস্য খুনখারাবি। ভাই খুন করছে ভাইকে,স্ত্রী খুন করছে স্বামীকে,স্বামী পুড়িয়ে মারছে স্ত্রীকে, মা খুন করছে সন্তানকে। শুধুই যে খুন করছে তা নই, খুনের পর লাশ রাখা হচ্ছে শয়নকক্ষে, সেপটিক ট্যাংকে, পানির ট্যাংকে, রাস্তায়, বস্তার ভেতরে, ড্রেনে কিংবা ডাস্টবিনে। এঅবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য পরিবার, শিক্ষা, ধর্ম ও সামাজিক মূল্যবোধের যেমন সক্রিয়তা দরকার, তেমনি দরকার আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা। অথচ বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে দক্ষ, প্রশিক্ষিত পুলিশ বাহিনী গঠন করা হয়েছে। এ বাহিনীর প্রধান উদ্দেশ্যই হচ্ছে অপরাধ বন্ধ করা ও অপরাধীকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠতম এবং সর্বোচ্চ স্থান অর্জনকারী পুলিশ অফিসার এবং বাংলাদেশ পুলিশের প্রধান। মনে রাখতে হবে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে- স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হওয়া বাংলাদেশ পুলিশের সততায়, বীরত্বপূর্ন কাজে, দক্ষতায়, কর্তব্যনিষ্ঠায় অবদান অনেক। বলতে হবে, তাৎপর্যসংখ্যক সৎ, মেধাবী, নীতিবান, সুশিক্ষিত, সদাালাপী, নির্ভীক, দেশপ্রেমিক এবং কর্তব্যপরায়ন পুলিশের কারণে অনেক সময় প্রশংসার যোগ্য। আমরা বাংলাদেশে এমন পুলিশই তো চাই, যারা পুলিশি সেবা জনগনের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাবে। আর সত্যিই একদিন আমাদের দেশের পুলিশ দেখে অন্যরাও বলবে- আমরা বাংলাদেশ পুলিশের মতো মানবিক পুলিশ হতে চাই। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশে গুণগত পরিবর্তনে খুব তাড়াতাড়ি দৃশ্যমান করতে অন্যান্য সকল পুলিশ সদস্যদের ভূমিকা ও অপরিসীম। তাই বাংলাদেশ পুলিশের কাছে অনুরোধ জানাব, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে আশার আলো দেখিয়ে এবং সকল ক্রান্তিকালীন বিষয় বিবেচনা করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সব ধরনের অপরাধীদের দ্রুত যথোপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহন করার। লেখকঃ মোঃ ইরফান চৌধুরী, ব্লগার ও সোশ্যাল এওয়ারন্যাস ওয়ার্কার, প্রাবন্ধিক ও মানবাধিকার কর্মী, (ছাত্র)।