সোমবার, মার্চ ৩০, ২০২০
প্রকাশ : 2020-01-25

মুজিব বর্ষে জাতির উপহার ও ই-পাসপোর্ট যুগে বাংলাদেশ

২৫জানুয়ারী,শনিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশও অবশেষে ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ করলো। বিশ্বের ১১৯ তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম কোন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ। বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসেছিলেন- ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ঘোষণা করে। ডিজিটাল প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ২০২১ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত-ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধান অঙ্গিকার। সে লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। এবারও আর এক ধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। ই-পাসপোর্ট সিস্টেম সরকারের চলমান ডিজিটাইজেশন প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ভূমিকারই অংশ। এক্ষেত্রে জনগন সহজ পদ্ধতিতে সেবা পাবে এবং বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি সমুন্নত হবে। ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটি হলো মুজিববর্ষে জাতিকে উপহার। বঙ্গবন্ধু কন্যা জনগনকে উন্নত বাংলাদেশের সপ্ন দেখিয়েছিলেন। তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে অনেক কাজ করেছেন। যার মধ্যে ই-পাসপোর্ট প্রবর্তন একটি। তবে বাংলাদেশের নিয়মিত বিদেশযাত্রীদের প্রধান অংশই হলো নিরক্ষর বা সল্পশিক্ষিত সাধারণ শ্রমজীবী মানুষ। এদের অধিকাংশই বিদেশযাত্রী। আমাদের দেশে বিদেশযাত্রা নিয়ে নানা ধরনের প্রতারণা চলে। গলা কাটা পাসপোর্ট অর্থ্যাৎ একজনের পাসপোর্টে অন্যের মাথা বসিয়ে ও জালিয়াতি করা হতো। আবার জাল পাসপোর্টের ব্যবহার ও কম নেই। তা ছাড়া যথাযথ ডকুমেন্ট ছাড়াও বিদেশ পাড়ি দিতে দেখা যায় শ্রমিকদের। এর ফলে যে কোন সময় তারা বিপদে পড়ে ও পরিণামে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে। ই-পাসপোর্টের চিপের মধ্যে একজন ব্যক্তির সব ধরনের তথ্য-উপাত্ত থাকবে। ফলে তার পক্ষে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া সম্ভব নয়। এর ফলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশিদের জন্য বিদেশযাত্রা সহজ হয়ে যাবে। এ নিয়ে জালিয়াতি ও প্রতারণা বন্ধ হবে এবং বাংলাদেশের ও আমাদের শ্রমিকদের প্রতি বিদেশিদের আস্থা বাড়বে। কারণ এই অভিবাসী শ্রমজীবীদের পাঠানো রেমিট্যান্সই আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রাধান উৎস। ই-পাসপোর্টকে আমরা স্বাগত জানাই। বাংলাদেশের এই নবযাত্রায় সরকারকে অভিনন্দন। লেখকঃ মোঃ ইরফান চৌধুরী, প্রকাশক- ই-প্রিয়২৪, প্রাবন্ধিক ও মানবাধিকার কর্মী, (ছাত্র)।