প্রকাশ : 2019-12-28

কিডস কেয়ার গ্রামার স্কুলের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

২৮ডিসেম্বর,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাঁশখালী পুকুরিয়া চৌমুহনীস্থ কিডস্ কেয়ার গ্রামার স্কুলের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠান ২০১৯ আজ ২৮ ডিসেম্বর শনিবার সকাল ১১টায় সম্পন্ন হয়। স্কুলের পরিচালক, বিশিষ্ট আয়কর আইনজীবী জরজিস আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রফেসর ড. সানাউল্লাহ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন আয়কর আইনজীবী কে.এম নজমুল হক সিকদার, এডভোকেট সুমন ধর। অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের পরিচালক এডভোকেট মফিজুর রহমান, নাছির উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, আনছার উদ্দিন, সমাজ সেবক মোহাম্মদ শামাউন চৌধুরী, মোহম্মদ আনোয়ার, রুহুল আমিন। অনষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন অধ্যক্ষ এম মহিউদ্দিন ও শিক্ষক বখতেয়ার হোছাইন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রফেসর ড. সানাউল্লাহ চৌধুরী বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে আনন্দময় স্থান। তবেই শিক্ষার্থীরা স্কুলে থাকবে, ফলাফল ভালো করবে। গ্রামের শিক্ষার্থীরা প্রাকৃতিক পরিবেশে বড় হয়, চারদিকে সবুজ প্রান্তর, বৃক্ষ তরুলতায় ঘেরা গ্রামের আবাস, তা সত্ত্বেও প্রকৃত জ্ঞানার্জন, শিক্ষার হার ও ভালো ফলাফলের দিক থেকে এখন শহর এগিয়ে। তিনি বলেন, একসময় গ্রামের ছেলেরা ফলাফলের দিক থেকে পিছিয়ে ছিল না। তবে গ্রামে শিক্ষার হার কম ছিল, কারণ অতীতে বেশিরভাগ অভিভাবক মেয়েদের স্কুলে দিত না। ফলে গ্রামের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নিরক্ষরই থেকে যেত। আজ সেই অবস্থা নেই, অভিভাবকদের মনোভাব অনেক পরিবর্তন হয়েছে, মেয়েরা দল বেঁধে স্কুলে যাচ্ছে। কিন্তু সন্তানের পড়াশুনায় যে পরিবেশ দরকার, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও তদারকি দরকার তা পাচ্ছে না। এ কারণে পরীক্ষার ফলাফল আশানুরূপ হয় না। ভালো ফলাফল ও শিক্ষার অগ্রগতিতে অভিভাবকদের অধিকতর সচেতনতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সন্তান পড়ার সময় পড়ে কিনা, খেলার সময় খেলে কিনা দেখা প্রয়োজন। আড্ডা দেয়া, পাড়া-মহল্লায় ঘুড়ে বেড়ানো, সময় নষ্ট করা থেকে বিরত করা অভিভাবকের কাজ।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর