বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৯
প্রকাশ : 2019-10-29

টেস্টে অধিনায়ক মুমিনুল, টি-টোয়েন্টিতে মাহমুদউল্লাহ

২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে আইসিসি। তিনবার ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও না জানানোয় তার বিরুদ্ধে এ শাস্তির ব্যবস্থা নিলো বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। আইসিসির নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারত সফরে খেলতে পারছেন না বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তার পরিবর্তে টেস্ট দলের নেতৃত্ব পেয়েছেন মুমিনুল হক। আর টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব দেবেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ভারত সফরের জন্য টি-টোয়েন্টি দল দেওয়া হয়েছিল আগেই। মঙ্গলবার এসেছে টেস্ট দল। এতে প্রথমবারের মত ডাক পেয়েছেন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান সাইফ হাসান। ফিরেছেন ইমরুল কায়েস ও আল আমিন। এদিকে শাস্তি মেনে নেওয়া সাকিব ভীষণ অনুতপ্ত। দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বিসিবির মিডিয়া লাউঞ্জে সাকিব আল হাসান মঙ্গলবার জানান, যে খেলাকে আমি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি সে খেলা থেকে নিষেধাজ্ঞা পেয়ে আমি দুঃখিত। আমি আমার দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারিনি। আমি চাই ভবিষ্যতে কেউ যেন আমার মতো ভুল না করে। সাকিব আরো বলেন, আমি আমার কোটি ভক্তের কাছে দুঃখিত। আশা করি, আমি সামনে আরো শক্তিশালিভাবে ফিরতে পারব। আরো ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারব। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ থাকবেন সাকিব। শাস্তি শেষে তিনি মাঠে ফিরবেন ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী আইনের তিনটি ধারা ভেঙেছেন সাকিব। আর শুনানিতে সব মেনেও নিয়েছেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। যে কারণে তার শাস্তিতে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আইসিসি। জুয়াড়িদের কাছ থেকে আসা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন সাকিব, কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) কিংবা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) বিষয়টি না জানানোয় বড় শাস্তি পেয়েছেন তিনি। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ধারা অনুযায়ী, জুয়াড়ির কাছ থেকে অনৈতিক কোনও প্রস্তাব পেলে যত দ্রুত সম্ভব আইসিসি বা সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হয়। এ ব্যাপারে প্রতিটি সিরিজ ও টুর্নামেন্টের আগে ক্রিকেটারদের ক্লাস নেওয়া হয়। এরপরও কেউ জুয়াড়িদের প্রস্তাবের কথা না জানালে গুরুতর অপরাধ হিসেবে সেটা গণ্য হবে। শাস্তিও তাই গুরুতর। আইসিসির এই ধারা ভঙ্গের শাস্তি হতে পারে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা।