প্রকাশ : 2019-08-22

বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শনের মূল বিষয় ছিল দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো:মেয়র আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন

২২আগস্ট,বৃহস্পতিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:নতুন প্রজন্মের সন্তানদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী জীবনর্চ্চার আহবান জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক, সিটি মেয়র আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন বলেছেন স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধুর মতো এত ত্যাগ স্বীকার বিশ্বের আর কোনো নেতা করেননি। এ কারণেই বিশ্ববাসী বঙ্গবন্ধুকে সাধারণ মানুষের নেতা, শ্রমজীবী মানুষের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে জানেন। সিটি মেয়র আরো বলেন জীবন ও আন্দোলনের ইতিহাস সকল বয়সের মানুষেরই জানা প্রয়োজন।বঙ্গবন্ধুর জীবন দর্শনের মূল বিষয় ছিল দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো, বঞ্চিতদের পাশে দাঁড়ানো ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা। তিনি গত সোমবার বিকেলে নগরীর শুলকবহন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে একথা বলেন । ষোলশহর রেলষ্টেশন চত্বরের অনুষ্ঠিত সভায় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। শুলকবহর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক শেখ সরওয়ার্দীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নঈম উদ্দীন চৌধুরী, রাজনীতিক আহমদুর রহমান সিদ্দিকী, সাইফুদ্দিন খালেদ বাহার, হাসিনা জাফর,কাউন্সিলর মো. মোরশেদ আলম,রাজনীতিক আবদুল মান্নান ফেরদৌস,এস এম হাশেম, শাহজাহান চৌধুরী,মশিউর রহমান দিদার, রেজাউল করিম সিদ্দিকী, আকতার ফারুক,কফিল উদ্দিন খোকন, তৌহিদুল আনোয়ার সেন্টু, প্রিয় লাল গোস্বামী,অহিদ চৌধুরী, হাবিবুর রহমান তারেক,আবুল বশর, এস এম আলম,ওয়াহিদুল আলম শিমুল, এম কে আলম বাসেত,জহির উদ্দিন সুমন,নঈম উদ্দিন মাহমুদ, সাইফুল মান্নান শিমুল, দিদারুল আলম আকাশ, এরফানুল মান্নান কনক, কমল বড়ুয়া, আলহাজ্ব আমিনুর রহমান, মো. মহসিন প্রমূখ।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ মুছা, আনোয়ার মিয়া, জাহিদুল আলম, এস এম ওয়াজেদ, রাশেদুল আনোয়ার খান, জেসমিন পারভিন, হোসেন আরা বেগম বাদশা, সজিব চৌধুরী, বিমল বড়ুয়া প্রমূখ। সিটি মেয়র বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ রাজনীতির কথা উল্লেখ করে বলেন স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শূন্য হাতে দেশ গড়ার কাজ শুরু করেছিলেন। দেশের খাদ্য গুদামে চাউল ও খাবার ছিল না, ব্যাংকে টাকা ছিল না, যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো ছিল না। ভঙ্গুর অর্থনীতির এই অবস্থা থেকে মাত্র সাড়ে তিন বছরে তিনি সব কিছুকেই গড়ে তুলেছেন। এই প্রসঙ্গে মেয়র বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হঠাৎ করে বাঙালির আশা-আকাঙ্খার প্রতীক হয়ে উঠেননি। তাকে দীর্ঘ চব্বিশ বছর কঠোর সংগ্রাম করতে হয়েছে। তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বের ফলেই মাত্র নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। সিটি মেয়র বলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যারা চায় নি , যারা স্বাধীনতার পরও পাকিস্তানের সংগে কনফেডারেশন করার চক্রান্তে লিপ্ত ছিলেন ,তারাই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। যড়যন্ত্রকারী চেয়েছিল ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে দিতে চেয়েছিল, কিন্তু তারা তা পারেনি। আর বঙ্গবন্ধু অমর হয়ে রয়েছেন ,আর যড়যন্ত্রকারীরাই ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে । মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরী বলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার আমলে দেশের প্রচলিত আইনে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে । তবে এখনো বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার সম্পূর্ণ হয়নি । কারণ পলাতক খুনি ও বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের কুশীলবদের বিচার এখনও হয়নি। তাদেরও বিচারের আওতায় আনার দাবী মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর