শুক্রবার, জুন ৫, ২০২০
প্রকাশ : 2019-06-29

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এখনো সর্বক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি

২৯জুন২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, সমাজে নারী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং সংখ্যালঘু ধর্মীয় ও জাতিগত সম্প্রদায়ের উপর সহিংসতা ও সন্ত্রাস বৃদ্ধির প্রধান কারণ হচ্ছে এখনও আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমাজ ও রাজনীতির সর্বক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। নারীর সমাজ অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হলে ১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে নারীনীতি প্রণয়ন করেছিলেন সেটি বাস্তবায়ন করতে হবে। নারীর সম অধিকার ও মর্যাদার বিরুদ্ধে যারা কথা বলবে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। শহীদজননী জাহানারা ইমামের ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘সমাজের বিবেক জাগ্রত হোক নারী নির্যাতন ও যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে এবং মুক্ত হোক নারীর চলাচল’-এই প্রতিপাদ্যে সারাদেশে অব্যাহত নারী নির্যাতন, খুন, ধর্ষণের প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করার অভিপ্রায়ে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি চট্টগ্রাম জেলার আয়োজনে গণজাগরণযাত্রায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় শহীদজননী জাহানারা ইমাম আমৃত্যু লড়েছেন এবং নারী জাগরণে অভূতপূর্ব ভূমিকা রেখেছেন। জাহানারা ইমামের চেতনায় তরুণ প্রজন্মকে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, আওয়ামী নেতৃত্বকে শাণিত ও প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে দেশের নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিলো এবং রয়েছে। জোহরা তাজউদ্দিন, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীসহ দলের নিবেদিতপ্রাণ নারীরা বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগকে পুনরায় দেশে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁদের দেখানো পথে জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল এবং নিজেকে একজন সফল ও স্বপ্নবান মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। গণজাগরণযাত্রায় সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন-সুফিয়া কামাল, জোহরা তাজউদ্দিন, বেগম উমরতুল ফজল, নীলুফার কায়সার, প্রফেসর হামিদা বানু, প্রফেসর হান্নানা বেগম, শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী। নীলুফার কায়সারের পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন তাঁর কন্যা ওয়াসিকা আয়েশা খান এমপি। প্রফেসর ড. অনুপম সেনের সভাপতিত্বে ও মো. অলিদ চৌধুরী এবং মিথুন মল্লিকের যৌথ সঞ্চালনায় গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে গণজাগরণযাত্রায় প্রধান বক্তা ছিলেন লেখক শওকত বাঙালি। আলোচনায় অংশ নেন, ডা. মাহফুজুর রহমান, ডা. এ কিউ এম সিরাজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আইয়ুব খান, প্রকৌশলী পরিমল চৌধুরী, প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার, স্বপন সেন, দীপংকর চৌধুরী কাজল, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মইনুদ্দিন, মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মিলি চৌধুরী, মো. হেলাল উদ্দিন যুব, রেখা আলম চৌধুরী, হাবিব উল্লাহ চৌধুরী ভাস্কর, এ কে এম জাবেদুল আলম সুমন, আবু সাদাত মো. সায়েম, আবদুল মান্নান শিমুল, নাজমুল আলম খান, ফারুক চৌধুরী, সুমন চৌধুরী, আসাদুজ্জামান জেবিন, মো. সাহাব উদ্দিন, রুবা আহসান, সূচিত্রা গুহ টুম্পা, আলাউদ্দিন বাবু, সনেট চক্রবর্ত্তী, রুবেল চৌধুরী, জয়নাল আবেদিন, অ্যাডভোকেট সৈয়দ কামাল উদ্দীন, অ্যাডভোকেট রক্তিম বিশ্বাস, প্রফেসর ড. মোজাহেরুল আলম, ওয়াহেদ রাসেল, রাজীব চৌধুরী, রুবেল আহমেদ বাবু, ইমরান আহমেদ, আবুল কালাম, এম. হামিদ হোছাইন, রুকনুজ্জামান রোকন, মো. রাসেল, চন্দন চক্রবর্তী, মো. আলমগীর, মুক্তা জামান, মো. আকতারউজ্জামান, আবু সুফিয়ান, আকিব জাবেদ, আব্দুল কাদের, আখতার হোসেন, মোহাম্মদ হাসান, হাসান মোহাম্মদ মাসুদ, মোস্তাক আহমেদ মুরাদ, আবদুল্লাহ মুহিত, আবদুল হাকিম, রুবেল কুমার শীল, সৈকত দাশ প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর