প্রকাশ : 2018-01-27

শিরোপার জন্য বাংলাদেশের দরকার ২২২ রান

২১ ওভারেই একশ' পূরণ করে শ্রীলঙ্কা। হাতে তখনো ৮ উইকেট। ক্রিজে দুই সেট ব্যাটসম্যান উপল থারাঙ্গা এবং নিরোশান ডিকওয়ালা। সেই শ্রীলঙ্কাকেই শেষ পর্যন্ত মাত্র ২২১ রানেই বেঁধে ফেললো বাংলাদেশ। শুরুতেই উইকেট হারালেও রীতিমতো ঝড় তুলছিলেন লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। ৬ রানে গুনাথিলাকাকে ফেরানোর পর মেহেদী মিরাজের এক ওভারেই ২৪ রান তুলে নেন কুশাল মেন্ডিস। তবে মেন্ডিস ঝড়টা দ্রুতই থামিয়ে দেন অধিনায়ক মাশরাফি। মাহমুদুল্লাহ'র হাতে ক্যাচ দেয়ার আগে তিনি করেন ৯ বলে ২৮ রান। এরপর ডিকওয়ালার সঙ্গে ৭১ রানের এবং চান্দিমালের সঙ্গে ৪৫ রানের জুটি বেধে দলকে স্বস্তিদায়ক জায়গায় নিয়ে যান থারাঙ্গা। যদিও রানটা চেপেই রেখেছিলেন টাইগার বোলাররা। ৪২ রানে ডিকওয়ালাকে ফেরান মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। আর মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হবার আগে থারাঙ্গা করেন ৫৬ রান। ওয়ানডেতে থাঙ্গার উইকেটটি মোস্তাফিজের পঞ্চাশতম উইকেট। এরমধ্য দিয়েই বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে দ্রুততম সময়ে পঞ্চাশ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন মোস্তাফিজ। রুবেলের বলে ২ রানে পেরেরা ফিরে গেলে চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক চান্দিমাল। ৪৫ রানে তাকে বোল্ড করে ফেরান রুবেল। এরপর মোস্তাফিজ-রুবেলদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে আর বেশিদূর যেতে পারেনি লঙ্কানরা। ১০ ওভার বল করে ৪০ রান দিয়ে ৪টি উইকেট তুলে নিয়েছেন রুবেল। মোস্তাফিজের ২টির পাশাপাশি ১টি করে উইকেট নিয়েছেন মাশরাফি, মিরাজ এবং সাইফুদ্দিন। সংক্ষিপ্ত স্কোর: শ্রীলঙ্কা: ২২১/১০ (থারাঙ্গা ৫৬, ডিকওয়ালা ৪২, চান্দিমাল ৪৫; রুবেল ৪/৪৬, মোস্তাফিজ ২/২৯)