প্রকাশ : 2019-05-10

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের উদ্বেগ প্রকাশ

১০ মে,শুক্রবার ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : গত চার মাস ধরে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন ব্যাপকহারে বেড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ।শুক্রবার মণি-সিংহ ফরহাদ ষ্ট্রাস্ট ভবনের শহীদ তাজুল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় এ উদ্বেগ প্রকাশ করে।বক্তারা বলেন, সরকারী দলের নাম ভাংগিয়ে এক শ্রেনীর নেতা ও কর্মী পুণঃরায় এসব অপকান্ডে লিপ্ত থেকে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্যের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। অনতিবিলম্বে এদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের জন্যে সরকারী দল ও আইন শৃংখলা কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়ে বলা হয়েছে, এহেন নির্যাতন-নিপীড়ন বন্ধ করা না গেলে সংখ্যালঘুদের অস্তিত্ব অধিকতর হুমকির মুখে পড়বে। এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যে ধর্মীয়-জাতিগত সকল সংখ্যালঘু সংগঠনকে জাতীয় ও স্থানীয়ভাবে সমন্বিত করে আগামী ২৫ মে শনিবার সকাল ১০টায় সারাদেশে প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেয়া হয়েছে।নির্বাচনোত্তর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভাঙাগড়ার এ পর্যায়ে ধর্মীয়-জাতিগত সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, নির্যাতন, জায়গা-জমি দখল, মন্দির উপাসনালয়ে বিগ্রহ ভাংচুর সারা দেশে আবার বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। পঞ্চগড় জেলে আটকাবস্থায় আইনজীবী পলাশ কুমার রায়ের শরীর আগুনে ঝলসে দিয়ে তাকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। সংগঠনের অন্যতম সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহার পৈর্তৃক বাড়ী জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। গত ৭ সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের সন্ধানে তাঁর ফরিদপুরের বাড়িতে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়েছে। ধর্মান্তরকরণের মাত্রা বেড়েছে বেশ কয়েকগুণ।সভায় দেশের তিন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও মানবাধিকারকর্মী এ্যাড. সুলতানা কামাল, শাহরিয়ার কবীর ও অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের প্রাণনাশে জঙ্গীবাদীদের হুমকির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এসব হুমকিদাতা ও তাদের মদদদাতাদের চিহ্নিত করে অনতিবিলম্বে তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবী জানানো হয়েছে।সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সর্বশ্রী কাজল দেবনাথ, নির্মল রোজারিও, জে. এল. ভৌমিক, মঞ্জু ধর, মিলন কান্তি দত্ত, বাসুদেব ধর, মনীন্দ্র কুমার নাথ, এ্যাড. তাপস কুমার পাল, নির্মল কুমার চ্যাটার্জী, এ্যাড. কিশোর মন্ডল, পদ্মাবতী দেবী, এ্যাড. দিপংকর ঘোষ, অধ্যাপক অরুণ গোস্বামী, রাহুল বড়ুয়া, ব্যারিস্টার তাপস কুমার বল প্রমূখ।

জাতীয় পাতার আরো খবর