বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২১, ২০১৯
প্রকাশ : 2019-03-25

জামায়াতের বিচার: খসড়া মন্ত্রিপরিষদে

২৫মার্চ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতে ইসলামীর বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিচার হয়েছে। এরপর দলটির বিচারের দাবি উঠে। তবে সে বিচার নিশ্চিত করতে দরকার ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনের সংশোধন। সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বাস দেয়া হলেও গত প্রায় পাঁচ বছরেও আইনটির সংশোধন সম্ভব হয়নি। অবশেষে সেই সংশোধিত আইনের খসড়া মন্ত্রিপরিষদে গেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে সোমবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, আইনের সংশোধনীর খসড়াটি মন্ত্রিপরিষদে চলে গেছে। এর আগেও আইনটি সংশোধনের বেশকিছু নজির রয়েছে। ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনটির প্রথম সংশোধনী আনা হয়েছিল ২০০৯ সালে। প্রথম সংশোধনীতে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন আনা হয়েছিল। তারপর দ্বিতীয় সংশোধনী আনা হয় ২০১২ সালে। আসামির অনুপস্থিতিতে তাকে পলাতক ঘোষণা করে বিচার করা এবং এক ট্রাইব্যুনাল থেকে অন্য ট্রাইব্যুনালে মামলা স্থানান্তর নিয়ে এই সংশোধনী আনা হয়। এরপর দল হিসেবে জামায়াতের বিচারে সরকার উদ্যোগ নিলে আইনটির পুনরায় সংশোধনীর প্রয়োজন হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান জানান, ২০১৩ সালের আগস্টে দল হিসেবে জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত শেষে তা প্রতিবেদন আকারে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে পাঠানো হয়। ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ ওই প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের পাঠানো হলেও এরপর আর জামায়াতের বিচারে কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এরপর প্রায় ৫ বছর কেটে গেলেও বিচার শুরু করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মোখলেছুর রহমান বাদল বলেন, সবার মতো আমরাও চাই আইনটি খুব দ্রুত সংশোধন করা হোক।

জাতীয় পাতার আরো খবর