প্রকাশ : 2018-01-20

পাইকারি বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১৪ টাকা কমেছে দেশি পেঁয়াজের দাম

শীতের তীব্রতা কমে আসায় পণ্য পরিবহণ এখন স্বাভাবিক। ফলে রাজধানীর পাইকারি বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১৪ টাকা কমেছে দেশি পেঁয়াজের দাম। আলুর দামও রয়েছে কমতির দিকে। এদিকে চাল, ডাল, তেলসহ বেশিরভাগ ভোগ্য পণ্যের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও হঠাৎ করে বেড়েছে এলাচ, জিরা, বাদাম, আদাসহ বেশকিছু মসলার দাম। বিক্রেতারা বলছেন, বছরের এই সময়ে রাজধানীতে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহরে তুলনায় চাহিদা এখন দ্বিগুণ। যার প্রভাব পড়েছে দামে। দেশে আলু-পেয়াজের এখন ভরা মৌসুম। কিন্তু তীব্র কুয়াশায় কয়েক সপ্তাহ ধরে ফেরি চলাচল বিঘ্ন হওয়ায় রাজধানীমুখী পণ্য পরিবহণে তৈরি হয় স্থবিরতা। ফলে সরবরাহ সংকটে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে দামে। তবে শীত কমে আসায় বাজারে বেড়েছে পণ্যের সরবরাহ। এতে কিছুটা স্বস্তি এসেছে দামে। চলতি সপ্তাহের প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ ১৪ টাকা এবং আমদানি করা মোটা পেঁয়াজ ৩-৪ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫৪-৫৬ টাকা দরে। রসুনের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও নতুন আলুর দাম কমেছে কেজিতে ২-৩ টাকা। তবে কেজিতে ৪-৫ টাকা বেড়ে দেশি আদা ৬২- ৬৪ এবং আমদানি করা মোটা আদা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকায়। এদিকে অস্বস্তি বেড়েছে মসলার দামে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০০ টাকা বেড়ে মানভেদে এলাচ বিক্রি হচ্ছে ১৭শ - ১৮শ টাকা দরে।গত সপ্তাহে ১৬শ টাকায় বিক্রি হওয়া পোস্তা বাদাম কেজিতে ৭০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৩শ টাকায়। জিরার দামও কেজিতে ৩০ টাকা বেড়েছে। বিক্রেতারা জানান, বছরের শুরুতে বিয়ে-বৌভাতসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান বেড়ে যাওয়ায় সরবরাহ সংকটে প্রভাব পড়েছে দামে। নতুন করে বাড়েনি গেল বছরজুড়ে আলোচনায় থাকা চালের দাম। পাইকারি বাজারে মানভেদে দেশি মিনিকেট ৫৭-৫৯ টাকা, নাজির শাইল ৬০-৭০ টাকা, আটাশ ৪৮-৫০ এবং মোটা চাল পাওয়া যাচ্ছে ৩৯-৪০ টাকায়। তবে দেশি মসুর ডাল কেজিতে ৫-৭ টাকা কমে ৭৫-৭৮ টাকা, আমদানি করা মোটা মসুর ডাল ৪৭-৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। স্থিতিশীল রয়েছে তেলের বাজার। খোলা সরিষার তেল প্রতিকেজি ১২০ টাকা এবং সয়াবিন তেল কেজিতে ২ টাকা কমে ৮৬ থেকে ৮৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে কোম্পানিভেদে ৫ লিটারের প্রতিটি বোতলজাত সয়াবিন তেল ৪৯০ থেকে ৫১৫ টাকা এবং প্রতি লিটার পাম তেল বিক্রি হচ্ছে ৭২ টাকা দরে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর