বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২১, ২০১৯
প্রকাশ : 2018-08-05

তৃতীয় পক্ষ মাঠে, শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে নিন : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: তৃতীয় পক্ষ মাঠে নেমেছে, যে কোনো ধরনের অঘটন ঘটতে পারে বলে সতর্ক করে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ঘরে ফিরিয়ে নিতে শিক্ষক-অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (৫ আগস্ট) গণভবনে দেশের ১০ জেলায় ফাইবার অপটিক কানেকটিভিটি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে সব বাচ্চারা রাস্তায় নেমেছে, আমরা তাদের সহযোগিতা করেছি। কিন্তু এর ভেতর তৃতীয় পক্ষ ঢুকে গেছে, যাদের কাজ ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা। তাই এখন আর ছাত্রদের রাস্তায় থাকার দরকার নেই। তিনি আরও বলেন,তৃতীয় পক্ষ মাঠে নেমেছে, ঢাকার বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসেছে, তাদের কাজ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করা, যখনই আমি এটা জেনেছি, আমি আতঙ্কিত বোধ করছি। এখন যদি শিক্ষার্থীদের কিছু হয়, তবে এর দায়িত্ব কে নেবে। অভিভাবক ও শিক্ষকদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন,শিশুরা যেটুকু করেছে, তা যথেষ্ট। অভিভাবকদের অনুরোধ আপনারা আপনাদের সন্তানদের ঘরে ফিরিয়ে নিন। শিক্ষকদের প্রতি অনুরোধ আপনারা তাদের ক্লাসে ফিরিয়ে নিন, পড়াশোনা করা তাদের দায়িত্ব। তাদের লেখাপড়ায় মনোযোগী করে তুলুন। তাদের রাস্তায় আর থাকার দরকার নেই। ট্রাফিক পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালন করবে। শিক্ষার্থী লেখাপড়া শিখুক, পড়াশোনা করুক। প্রধানমন্ত্রী বলেন,যারা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ মারতে পারে, অনিক-হৃদয়ের মত ছাত্রের শিক্ষাজীবন নষ্ট করতে পারে, তারা সব কিছু করতে পারে। তাই শিশুদের রাস্তা থেকে তুলুন। দুর্ঘটনা বন্ধ করার সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি, আর কোন মায়ের কোল খালি হোক তা আর চাই না। সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন,আমরা তাদের মনোবেদনা বুঝি। তারা সহপাঠী হারিয়েছে। অন্তত আমার থেকে এই বেদনা কেউ বোঝে না। শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে লাইসেন্স দেখছে, যা ইচ্ছা তাই করেছে। আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অসীম ধৈর্য ধরেছে। তারাও শিক্ষার্থীদের সহায়তা করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন,কেউ গুজবে কান দিবেন না। যা শুনবেন, দেখবেন অন্তত যাচাই করুন। বিশেষ করে ছাত্র, যুব সমাজ ও অভিভাবদের প্রতি আমার এই আহ্বান রইল। শিক্ষার্থীদের দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন,এদের দাবি-দাওয়া যা ছিল, সবই একে একে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। যেখানেই স্কুল, সেখানেই ট্রাফিক থাকবে, রাস্তা পারাপার করিয়ে দেবে। আন্ডারপাস করা হবে। ওভারব্রিজ হবে, তবে তা যেন ব্যবহার করে।

জাতীয় পাতার আরো খবর