প্রকাশ : 2021-01-26

রাত পোহালেই ভোট উৎসব

২৬,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা গতকাল (সোমবার) মধ্যরাতে শেষ করা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) রাত পেরুলেই বুধবার (২৭ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হবে কাঙ্ক্ষিত চসিক নির্বাচন। সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রচারণার শুরু থেকেই সংঘাত-সহিংসতার কারণে নির্বাচনকে ঘিরে রয়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণে মাঠে থাকবে ১৪ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদিকে, নির্বাচনকে ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার সিটি নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সবকটি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম মেশিনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)। আজ (মঙ্গলবার) দুপুর থেকে নির্বাচনী কর্মকর্তারা ইভিএম মেশিন ও ভোটগ্রহণ সামগ্রী নিয়ে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে যাবেন। চসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য মাঠে থাকবেন বিজিবি, Rab, পুলিশ, আনসার বাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনী। থাকবেন সাদা পোশাকধারী গোয়েন্দা সংস্থাও। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী ও বহিরাগত লোকজন নগরী ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট করার চেষ্টা করলে আইনের আওতায় আনা হবে। নির্ভয়ে ভোট প্রদানের জন্য ভোটারদের প্রতি অনুরোধ করেছেন তিনি। ভোটগ্রহণে ৭৩৫ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৩৯ টি ভোটকেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) কেন্দ্র হিসেবে চিহিৃত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ৩০৬ ভোটকেন্দ্র সাধারণ হিসেবে চিহিৃত করেছে। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে নজর বেশি থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬ জন ও গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৮ জন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়াও বিজিবি ২৫ প্লাটুন, Rabর ৪১টি টিম, স্ট্রাইকিং ফোর্স থাকবে ১৪০টি, মোবাইল টিম থাকবে ৪১০টি। সবমিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে থাকবেন ১৪ হাজার ৩৭০ জন সদস্য। মাঠে থাকবেন ৬৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ২০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। প্রতি ওয়ার্ডে একজন করে, বিজিবি প্লাটুন প্রতি একজন, Rab সিপিসির সঙ্গে তিন জন করে ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন। গত ৮ জানুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়। গতকাল (সোমবার) রাত ১২টা থেকে নির্বাচনী এলাকায় সব ধরনের প্রচার-প্রচারণা ও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল শেষমুহূর্তে প্রচার-প্রচারণায় মুখরিত ছিল নগরী। মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়েছিল চিরচেনা সেই বন্দরনগরী।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর