প্রকাশ : 2020-12-18

সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ডিম-পেঁয়াজ-মাছের দাম

১৮ডিসেম্বর,শুক্রবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে আলু, পেঁয়াজ, ডিম ও মাছের দাম। বাজারে প্রতি কেজি মাছের দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। অন্যদিকে, অপরিবর্তিত রয়েছেন সবজি, ভোজ্যতেল, চাল, মাংস, মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিরপুরের মুসলিম বাজার, মিরপুর-১ নম্বর বাজার, ২ নম্বর বাজার, ৬ নম্বর বাজার, ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কলোনি বাজার, কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে। এসব বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে পাঁচ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত দাম কমে প্রতি এককেজি মুলা বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা, শালগম বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, গাজর ৪০ থেকে ৫০ টাকা, শিম ৩০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৮০ টাকা, করলার ৪০ থেকে ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পাকা টমেটো ১০০ টাকা, কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, বরবটি ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। প্রতি পিস লাউয়ে ১০ টাকা দাম কমে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, বাঁধাকপি ও ফুলকপিতে ১০ টাকা কমে বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা, ফুলকপি ১৫ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে। হালিতে ১০ টাকা কমে কলা বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকায়, জালি কুমড়া ৩০ টাকা, ছোট মিষ্টি কুমড়া প্রতি পিস ৩৫ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে। দাম বেড়েছে নতুন আলু ও পেয়াজের। কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়, নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পুরানো দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে। বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬২ থেকে ৬৫ টাকা, আটাশ চাল ৫০ থেকে ৫৩ টাকা, পায়জাম ৪৭ থেকে ৪৮ টাকা, মিনিকেট প্রকারভেদে ৫৮ থেকে ৬০ টাকা, নাজির ৬০ থেকে ৬২ টাকা, পোলাওয়ের চাল ৯০ থেকে ৯৫ টাকা, খোলা ভোজ্যতেল লিটার বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। মিরপুর ১১ নম্বর বাজার কাঁচা মাল ব্যবসায়ী মো. কালাম বলেন, এখন বাজারে কাঁচা পণ্য বেশি জুটছে এ কারণে দাম কমছে। পুরানো আলুর দাম একটু বেড়েছে। সামনের দিনগুলোতে আরও কাঁচা পণ্যের দাম কমবে। দাম বেড়েছে ডিমের। পাঁচ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা, হাঁসের ডিম ১১০ থেকে ১২০ টাকা, সোনালী মুরগির ডিম ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা। আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে সোনালী ও ব্রয়লার মুরগির। এসব বাজারে অপরিবর্তিত আছে চিনি, চাল, মাংস, মসলাসহ অন্যান্য পণ্যের দাম। বাজারে প্রতি কেজি খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা, বকরির মাংস ৭২০ থেকে ৭৫০ টাকা, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৫৮০ টাকা, মহিষ ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা। এসব বাজারে কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে প্রতি এক কেজি শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায়, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ১৭০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাস ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, ইলিশ প্রতি কেজি (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ৬০০ টাকা, চিংড়ি প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা, বোয়ালমাছ প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকা, ফোলি মাছ ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, পোয়া মাছ ২৫০ থেকে ৩২০ টাকা, পাবদা মাছ ২২০ থেকে ২৬০ টাকা, টেংরা মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, টাটকিনি মাছ ১১০ থেকে ১৫০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, সিলভার কাপ ১০০ থেকে ১৪০ টাকা, কৈ মাছ ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা, মিরর কাপ ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, কাঁচকি ও মলা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। কালশী বাজারের মাছ বিক্রেতা মো.সুমন বলেন, কিছু মাছের দাম বেড়েছে। রুই, শিং আর শৈল মাছের দাম আকারভেদে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। কুয়াশার কারণে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বিঘ্ন ঘটছে। আর এতেই মাছ সরবরাহ কমে যায়, বাজারে বাড়তে শুরু করেছে মাছের দাম। সূত্র: বাংলা নিউজ

অর্থনীতি পাতার আরো খবর