প্রকাশ : 2020-11-25

শেষ ওভারে আরিফুলের ৪ ছক্কায় দুর্দান্ত জয় খুলনার

২৫নভেম্বর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল। বেন স্টোকসকে পরপর চার ছক্কা মেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে শিরোপা জয়ের আনন্দ দেন কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। এবার মঞ্চ আলাদা, প্রেক্ষাপট একটু ভিন্ন। বাংলাদেশের অলরাউন্ডার আরিফুল হক মনে করালেন সেই ব্র্যাথওয়েটকে। শেষ ওভারে আরিগুলের চার ছক্কায় নিশ্চিত হেরে যাওয়া ম্যাচে দুর্দান্ত জয় পেল খুলনা। মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) মিরপুরে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বরিশাল ইনিংসের প্রথম বলেই ওপেন করতে নামা মেহেদি হাসান মিরাজের উইকেট তুলে নেন খুলনার শফিউল ইসলাম। অধিনায়ক তামিম ইকবালও ব্যর্থ হন। ১৫ রানে বিদায় নেন তিনি। এরপর প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে আফিফ হোসেনের উইকেট তুলে নেন সাকিব। খুলনার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সুবিধা করতে পারছিলনা বরিশাল। তবে পারভেজ হোসেন ইমন ঠিকই দলের রানের চাকা সচল রাখেন। ৪১ বলে অর্ধ শতকও তুলে নেন তিনি। তবে ইনিংসটা আর বড় করতে পারেনি। অর্ধ শতকের পরের বলেই দলীয় ৮১ রানের মাথায় ৫১ রান করে আউট হন ইমন। ইরফান শুক্কুর ১১ রান করে বিদায় নেন। এরপর বাকি ব্যাটসম্যানরা আর কেউ বড় রানের দেখা না পেলে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে উইকেটে ১৫২ রান করে বরিশাল। খুলনার শহিদুল চারটি, শফিউল ও হাসান মাহমুদ দুইটি এবং সাকিব একটি উইকেট নেন। বরিশালের বিপক্ষে ১৫৩ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে দলীয় মাত্র ৪ রানে দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও ইমরুল কায়েসের উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় খুলনা। ১৭ রান করে ফেরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ১৩ মাস পর খেলায় ফেরা সাকিব আল হাসান ফেরেন ১৩ বলে ১৫ রান করে। ৩৬ রানে বিজয়, ইমরুল, মাহমুদউল্লাহ ও সাকিবের উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়া দলকে খেলায় ফেরাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যান জহুরুল ইসলাম অমি ও আরিফুল হক। পঞ্চম উইকেটে তারা ৪২ রানের জুটি গড়েন। ২৬ বলে ৩১ রান করে আউট হন জহিরুল। এরপর শামিম হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ফের ৪৪ রানের জুটি গড়েন আরিফুল। ১৮ বলে ২৬ রান করে ফেরেন শামিম। শেষ ওভারে পাঁচ বলে চার ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন আরিফুল। দলের জয়ে ৩৪ বলে চার ছক্কা আর দুই চারের সাহায্যে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন আরিফুল হক। ম্যাচ সেরা হন তিনি।