প্রকাশ : 2020-10-15

মুখেই শুধু আন্তর্জাতিক মানের কাজের কথা বলা হয়- আরিফিন শুভ

১৫,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ময়মনসিংহ থেকে যেদিন ঢাকায় এসেছিলেন সেদিন পকেটে ছিল মাত্র ২৫৭ টাকা। অনেক সংগ্রামের পথ পাড়ি দিয়েছেন। জিরো থেকে হয়েছেন হিরো। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে নানা চড়াই উৎরাই পাড়ি দিয়ে বর্তমানে ভালো অবস্থান গড়েছেন চলচ্চিত্রে আরিফিন শুভ। হল তো খুলছে ১৬ই অক্টোবর। আপনার অভিনীত 'মিশন এক্সট্রিম' কবে মুক্তি পাচ্ছে? শুভ উত্তরে বলেন, আকাশে চাঁদ উঠলে বলতে হয় না। যখন আসবে জেনে যাবে সবাই। মুক্তির তারিখ নিয়ে কিছু খোলাসা না করলেও শুভ এই সিনেমাটি নিয়ে বলেন, মিশন এক্সট্রিম একটা ঐতিহাসিক সিনেমা হবে বলে আমার ধারণা। এর ছোট ঝলক দেখেছেন আমার ট্রান্সফরমেশনের ভিডিওতে। সিনেমাটিতে যে অনেক চমক আছে সেটা বুঝে গেছে সবাই অলরেডি। বাকিটা সিনেমা মুক্তি পেলে বলবো। মিশন এক্সট্রিম এর জন্য শারীরিক কাঠামোতে পরিবর্তন এনেছেন। ভক্তদের মাঝেও প্রতিক্রিয়া ফেলেছে ট্রান্সফরমেশনের ভিডিওটি। এ প্রসঙ্গ টানতেই শুভ বলেন, আমি বলাতে বিশ্বাস করি না। বলি কম, করি বেশি। আমাদের এখানে খালি মুখে মুখেই শুধু আন্তর্জাতিক মানের কাজের কথা বলা হয়। প্রমাণ দেখা যায় না সেভাবে। এক লুকেই সব ছবি করলাম, তাহলে তো আর আন্তর্জাতিক হলো না। করে দেখালাম আন্তর্জাতিক কাকে বলে। এদিকে জানা যায়, শীঘ্রই জি ফাইভের ব্যনারে কন্ট্রাক্ট নামে একটি ওয়েব সিরিজের কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন শুভ। ওয়েব সিরিজটি নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত ঢাকা অ্যাটাক খ্যাত এই নায়ক। তিনি বলেন, খুব এক্সাইটমেন্ট কাজ করছে । এতে কোনো সন্দেহ নেই। ভালো লাগছে এই ভেবে যে একটা কাজ করবো যেটা দুটো মার্কেটের জন্যই বানানো হচ্ছে। সিরিজিটিতে কাজের আগে প্রস্তুতি কেমন? শুভ বলেন, গতানুগতিকভাবে যেভাবে প্রস্তুতি নেই সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রস্তুতিতে কী কী করছি সেটা বলতে চাইছি না। সিনেমার শুটিংয়ে ফিরছেন কবে নাগাদ? উত্তরে শুভ বলেন, এই মাসের শেষ নাগাদ বলতে পারবো। করোনার কারণে দোদুল্যমান অবস্থায় আছি। এখনও আলোচনা চলছে। আমার ডেট বাকি শিল্পীদের ডেটের ব্যাপারে কথা চলছে। এছাড়া ট্রাভেল করতে পারবো কিনা সেটা নিয়েও সন্দিহান। দেখা যাক কি হয়। পরিস্থিতির উপর সব নির্ভর করছে। সামনের দিনগুলোতেও চেষ্টা চালিয়ে যাবেন উল্লেখ করে শুভ বলেন, জীবনটা খুবই ঠুনকো। লিমিটেড টাইমের মধ্যে কী করে গেলেন, কী রেখে গেলেন সেটা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। আমার কাছে একটা জিনিসই মুখ্য। সেটা হলো চেষ্টা। এটা হবে, এটা হবে না। এটা সম্ভব, এটা সম্ভব না। এগুলো পরের বিষয়। এই প্রশ্নগুলোতে যেতে চাই না। চেষ্টা করতে চাই। হল সংখ্যা বাড়লে পথচলা আরও সহজ হতো বলে মন্তব্য করে সবশেষ এই নায়ক বলেন, হল বেশি থাকলে আরও ভিন্ন ভিন্ন কিছু হতো। শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজক সব জায়গাতেই একটা সংকট আছে। সরকার যদি সত্যি সত্যি হলগুলো তৈরি করে দেয় বা সংস্কার করে দেয় তাহলে ভালো কিছু হবে বলে আমার বিশ্বাস।