শনিবার, মে ৩০, ২০২০
প্রকাশ : 2020-05-22

ঘূর্ণিঝড়ে বাগেরহাট ও পটুয়াখালীতে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি

২২মে,শুক্রবার,মো.আকন্দ,পটুয়াখালী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে বাগেরহাট ও পটুয়াখালীতে বেড়িবাঁধ ভেঙে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার পাশাপাশি ভেঙে যাওয়া বেড়িবাঁধগুলো মেরামতের কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। বাগেরহাটে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে দুই কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ভেঙে বগী ও গাবতলা এলাকা তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন তিন শতাধিক মানুষ। জেলায় প্রায় সাড়ে চার হাজার ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় সাড়ে তিনশ বাড়ি। এছাড়া ১৭শ হেক্টর ফসলি জমির পাশাপাশি সাড়ে চার হাজারের বেশি চিংড়ির ঘের পানিতে ভেসে গেছে। একজন বলেন, মাছের ঘের ও ঘর বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। তাই এখন রান্না বন্ধ। আরেকজন বলেন, রাস্তা ঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। ঘর বাড়ি ও মাছের ঘেরগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পিরোজপুরে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ১৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। এতে ঝুঁকিতে রয়েছে নদী পাড়ের গ্রামের কয়েক লাখ মানুষ। বাঁধগুলো অধিকাংশ মাটি দিয়ে তৈরি হওয়াতে পানির তোড়ে সেগুলো নদীতে মিশে গেছে। স্থানীয় একজন বলেন, প্রতিবছই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে। কিন্ত পানির কারণে প্রতিবছর তা ভেঙে যায়। এবারও তাই হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত একজন বলেন, দুইদিন ধরে খুবই মানবেতর দিন পার করছি। কিন্ত এখন পর্যন্ত কেউ এসে আমাদের খবর নেয়নি। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবে উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীর ৬ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের দুটি স্থান ভেঙে ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানি বন্দি রয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। নদীর পানি বিপদসীমার ১৭৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নতুন করে বাড়িঘরসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তলিয়ে যাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ায় অনেকেই খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন। একজন বলেন, ঘর বাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। এখন ঘরে থাকতে পারি না। তাই ঘরের বাইরে বাইরে ঘুরছি। এদিকে কুড়িগ্রামে আম্পানের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় পাঁচ শতাধিক হেক্টর ধান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

সারা দেশ পাতার আরো খবর