বিশ্বব্যাপী অভিবাসীদের প্রতি সহিষ্ণুতা কমছে

২৪সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সম্প্রতি গ্রিক দ্বীপ লেসবসের মোরিয়া আশ্রয় শিবিরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আশ্রয়হীন হয়ে পড়ে কয়েক হাজার অভিবাসী। এ অবস্থায় ইউরোপ তাদের জন্য নতুন একটি আশ্রয় পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। আর ঠিক এমন সময়ই গতকাল গ্যালাপের প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী অভিবাসীদের প্রতি সহিষ্ণুতা কমছে। খবর রয়টার্স। গ্যালাপের জরিপ অনুসারে, অভিবাসী গ্রহণে বিশ্বের মধ্যে সব থেকে কম আগ্রহী দেশের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে সাত ইউরোপীয় দেশ। এর মধ্যে সবার প্রথমে রয়েছে উত্তর মেসিডোনিয়া, হাঙ্গেরি, সার্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার অবস্থান। তবে অভিবাসীদের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব সব থেকে তীব্রভাবে বেড়েছে পেরু, একুয়েডর ও কলম্বিয়ায়। এসব দেশে সম্প্রতি প্রচুর ভেনিজুয়েলার অভিবাসী এসেছে। জরিপে অভিবাসী গ্রহণের ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি ইতিবাচক মনোভাব দেখা গেছে অস্ট্রেলিয়ার। এর পরই রয়েছে আইসল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের অবস্থান। মোট ১৪৫টি দেশ ও অঞ্চলে ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষের সাক্ষাত্কারের মাধ্যমে এ জরিপ সম্পন্ন করেছে গ্যালাপ। জরিপে সাক্ষাত্কার প্রদানকারীদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তাদের দেশে অভিবাসীদের আশ্রয় দেয়ার বিষয়ে তাদের মনোভঙ্গি কেমন। এছাড়া অভিবাসীরা যদি প্রতিবেশী হওয়া কিংবা তাদের পরিবারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার বিষয়টি তারা কীভাবে দেখছেন। এক্ষেত্রে গ্যালাপের সূচকে উত্তর ম্যাসিডোনিয়ার স্কোর সর্বোচ্চ ৯-এর মধ্যে মাত্র ১ দশমিক ৪৯। অন্যদিকে কানাডার স্কোর ৮ দশমিক ৪৬। গ্যালাপের অভিবাসন বিশেষজ্ঞ জুলি রে বলেন, বৈশ্বিকভাবে অভিবাসী গ্রহণের ক্ষেত্রে ২০১৬ সালের সূচকের স্কোর ছিল ৫ দশমিক ৩৪। কিন্তু ২০১৯ সালে তা ৫ দশমিক ২১-এ নেমে গেছে। মূলত লাতিন আমেরিকার দেশগুলোয় অভিবাসীবিরোধী মনোভাব এ পতনের জন্য প্রধানত দায়ী। কারণ ২০১৬ সালেও পেরুর স্কোর ছিল ৬ দশমিক ৩৩। কিন্তু এ স্কোর আশ্চর্যজনকভাবে ৩ দশমিক ৬১-এ নেমে গেছে। অন্যদিকে অভিবাসীদের আশ্রয় দেয়া একটি ভালো কাজ এমন মনোভাবের মানুষের সংখ্যা ৬১ শতাংশ থেকে ২৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। উল্লেখ্য, গ্যালাপের প্রথম অভিবাসী গ্রহণযোগ্যতা সূচক পরিচালিত হয় ২০১৫ সালে ইউরোপে অভিভাসন সংকটের পর। ওই সময় যুদ্ধবিধ্বস্ত ও দারিদ্র্যপীড়িত মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন থেকে লাখ লাখ অভিবাসী ইউরোপে আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। এরপর থেকেই ইউরোপীয় দেশগুলো অভিবাসীদের এ ঢল সামাল দিতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে নৌকায় করে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিতে গিয়ে প্রায় প্রতিনিয়ত মারা যাচ্ছে অসংখ্য অভিবাসন প্রার্থী। এ অবস্থায় স্থানীয় সময় বুধবার ব্লকটির নির্বাহীদের একটি পরিকল্পনা প্রকাশের কথা রয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সব সদস্য দেশকে অভিবাসী গ্রহণের জন্য আইনগতভাবে বাধ্য করা হতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে এরই মধ্যে দ্বিমত প্রকাশ করেছে পোল্যান্ড ও হাঙ্গেরিসহ আরো বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ। মূলত লেসবস দ্বীপের মোরিয়া আশ্রয় শিবিরের অগ্নিকাণ্ডের পরই এ প্রস্তাব সামনে আনা হচ্ছে। ওই আশ্রয় শিবিরে প্রায় ১২ হাজারের বেশি অভিবাসী অবস্থান করছিলেন। অথচ শিবিরটির ধারণক্ষমতা ছিল মাত্র তিন হাজারের মতো। এদিকে গ্যালাপের জরিপে অভিবাসী গ্রহণের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাবের ক্ষেত্রে শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে মাত্র দুটি ইউরোপীয় দেশ রয়েছে। দেশ দুটি হলো সুইডেন ও আয়ারল্যান্ড। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মধ্যে অভিবাসীদের প্রতি দারুণ ইতিবাচক মনোভাব রয়েছে। ...

প্রেসিডেন্টকে অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রদানে শ্রীলংকার সংসদে বিতর্কিত বিল

২৩সেপ্টেম্বর,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রেসিডেন্টকে অভূতপূর্ব ক্ষমতা প্রদানে সংবিধানে একটি সংশোধনী আনার বিল এনেছে শ্রীলংকার ক্ষমতাসীন দল। মঙ্গলবার তারা শ্রীলংকার সংসদে এ সংশোধনী বিলটি এনেছে। ক্ষমতা আঁকড়ে ধরার লক্ষ্যে এ সংশোধনী আনা হয়েছে এ অভিযোগে সংসদেই বিক্ষোভ করেছে বিরোধী আইনপ্রণেতারা। খবর এএফপি। শ্রীলংকার সংসদে উত্থাপিত বিলটিতে মানবাধিকার ও সরকারি ব্যয়সংক্রান্ত ইস্যুতে আইনি ও সংসদীয় জবাবদিহিতার আওতা থেকে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকশেকে অব্যাহতি দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়। এমনকি রাষ্ট্রপ্রধানকে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের নিয়োগ দেয়ারও এখতিয়ার দেয়ার প্রস্তাব রাখা হয়। পাঁচ বছর মেয়াদি সংসদ এক বছর পূরণ করার পরই তা বাতিল করার ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে রাজাপাকশেকে। একই সঙ্গে বিচার বিভাগ, পুলিশ, সিভিল সার্ভিস ও নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও স্বতন্ত্র রাখার বিধানেও পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বড় ভাই মাহিন্দা রাজাপাকশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে এক দশকের মেয়াদে প্রতিরক্ষা বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন গোতাবায়া। গত নভেম্বরের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বড় ভাইকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন। ২০০৯ সালে তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদীদের কঠোর হস্তে দমন ও কয়েক দশক ধরে চলা রক্তাক্ত গৃহযুদ্ধের অবসান করার জন্য শ্রীলংকার সংখ্যাগরিষ্ঠ সিংহলী জনগোষ্ঠীর কাছে দুই ভাইয়ের জনপ্রিয়তা আকাশচুম্বী। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল। গৃহযুদ্ধের শেষের দিকে তারা যুদ্ধাপরাধ সংগঠিত করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন। ২০০৯ সালে তামিলদের বিরুদ্ধে পরিচালিত ওই অভিযানে ৪০ হাজার বেসামরিক তামিল নিহত হয়েছে। সেখানে শত শত যুদ্ধাপরাধ সংগঠিত হয়েছে বলে দাবি বিভিন্ন সংগঠনের। মঙ্গলবার প্রেসিডেন্টকে অভূতপূর্ব ক্ষমতার প্রস্তাব নিয়ে আনা বিলটি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি গোতাবায়া কিংবা মাহিন্দা রাজাপাকশে। তবে দুই সপ্তাহ আগে প্রেসিডেন্ট জানিয়েছিলেন, পূর্ববর্তী প্রশাসনের আনা সংস্কারগুলো সরিয়ে দেবেন। সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে রাজাপাকশে ভাইদের দলের। এজন্য বিলটি পাস করা সহজ হবে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। বিরোধীদলীয় নেতা সাজিথ প্রেমাদাসা বলেন, এমনটা হলে শ্রীলংকা একটি নির্বাচিত স্বৈরশাসনামলে প্রবেশ করবে। সংসদে তিনি আরো বলেন, এ বিলটি পাস হলে সংসদ প্রেসিডেন্টের হাতের পুতুল হয়ে পড়বে। আজকের দিনটি আমাদের দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে সবচেয়ে কালো দিন। সংসদের বিরোধী এমপিরা এ সময় কালো আর্মব্যান্ড পরা ছিলেন। ২০০৫ সালের পর থেকে শ্রীলংকার রাজনীতিতে সবচেয়ে ক্ষমতাবান পরিবার হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজাপাকশে পরিবার। জাতীয় উড়োজাহাজ সংস্থা, বিভিন্ন করপোরেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানে বড় প্রভাবক হয়ে দাঁড়িয়েছে তারা। দেশটির মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইতিহাস নিয়ে সবসময়ই সোচ্চার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল। গত সপ্তাহে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান মিশেল বাখলেট বলেন, শ্রীলংকার সাংবাদিক, আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীদের ওপর ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় আমাদের নতুন করে মনোযোগ দিতে হবে। এদিকে প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া বলছেন, কলম্বোর বিরুদ্ধে বারবার যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনা হলে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ থেকে বেরিয়ে আসবে শ্রীলংকা। ...

অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া উপকূলে আটকা পড়ে ৯০ তিমির মৃত্যু

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অস্ট্রেলিয়ার তাসমানিয়া উপকূলে আটকা পড়ে ২৭০টি তিমির মধ্যে অন্তত ৯০টি মারা গেছে। আরও তিমির মৃত্যুর আশঙ্কা করছেন উদ্ধারকর্মীরা। বিবিসি জানায়, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তাসমানিয়া দ্বীপের পশ্চিম উপকূলে বহু সংখ্যক পাইলট তিমি আটকে পড়ার ঘটনা প্রকাশ পায়। যে তিমিগুলো এখনো বেঁচে আছে, সেগুলো রক্ষার চেষ্টা করছেন সমুদ্র বিষয়ক জীববিজ্ঞানীরা। তবে সেটি করতে কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। এদিকে, কী কারণে তিমিগুলো তীরে চলে এসেছে, তা জানা যায়নি। সৈকতে তিমি চলে আসা ওই অঞ্চলের সাধারণ ঘটনা হলেও গত এক দশকে এত সংখ্যক তিমিকে সাগর থেকে উঠে আসতে দেখা যায়নি। তাসমানিয়ায় শেষবার ২০০৯ সালে প্রায় ২০০ তিমি তীরে আটকা পড়েছিল। তাসমানিয়ান মেরিটাইম কনসারভেশন প্রোগ্রামের উদ্ধারকর্মীরা সোমবার ম্যাকোয়ারি হেডস নামে একটি এলাকায় তিনটি দলে তিমিগুলোকে দেখতে পান। দ্বীপের প্রত্যন্ত ওই অঞ্চলটিতে যাওয়ার তেমন কোনো রাস্তা এবং জলযানও নেই। প্রায় ২০০ তিমিকে বালুচরে আটকে পড়া অবস্থায় দেখা যায় এবং এর কয়েকশ মিটার দূরে আরও ৩০টি তিমি দেখা গেছে। ওশান বিচ নামে একটি জায়গায় আরও ৩০টি তিমি চোখে পড়ে। অধিকাংশ তিমি অপেক্ষাকৃত দুর্গম স্থানে রয়েছে, ফলে উদ্ধারকর্মীদের জন্য বিষয়টি চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। স্তন্যপায়ী এ প্রাণীগুলোকে যন্ত্রের মাধ্যমে ঠেলে বালুচর থেকে গভীর পানিতে নেওয়ার চেষ্টা করছেন উদ্ধারকর্মীরা। প্রায় ৪০ জন দক্ষ উদ্ধারকর্মীর একটি দল এ কাজ করছেন। প্রাণীগুলো ভাসতে সক্ষম হলে, তাদের আরও গভীর পানিতে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। পাইলট তিমি প্রায় ৭ মিটার (২৩ ফুট) পর্যন্ত লম্বা হতে পারে এবং এদের ওজন প্রায় ৩ টন (৩০০০ কেজি) পর্যন্ত হতে পারে। ...

মুম্বাইয়ের কাছে ভবন ধসে নিহত ১০

২১সেপ্টেম্বর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের বাণিজ্যিক মুম্বাই শহরের কাছাকাছি ভিয়ান্ডি এলাকার একটি ভবন ধসে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার ভোর ৪টার দিকে তিনতলা বিশিষ্ট ভবনটি ধসে পড়ে। খবর পেয়ে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর (এনডিআরএফ) একটি দল ভোর থেকেই উদ্ধারকাজ শুরু করেছে। এতে তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে দমকল বাহিনী ও পুলিশ। ভবন ধসে নিহতের ঘটনাকে দুঃখজনক বলেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কভিন্দ। তিনি আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে উদ্ধার কাজে সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম চালনার আহ্বান জানিয়েছেন। এ ঘটনায় শোক জানিয়েছেন, দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ভেঙে পড়া বাড়িটি থেকে ১০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও আরো ২০-২৫ জন ভেতরে আটকে থাকার আশঙ্কা করছেন উদ্ধারকারী দলের কর্মকর্তারা। স্থানীয় করপোরেশনের মুখপাত্র গণমাধ্যমে ১০ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এএনআইর খবরে বলা হয়েছে, বহুলতটি ওই ভবনটি প্রায় ৪০ বছরের পুরনো। সেখানে প্রায় ২০টি পরিবার থাকতো। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, উদ্ধার কার্যক্রম এখনো চলছে। ...

চট্টগ্রামের সাবেক এমপি চেমন আরা তৈয়বের দুই মাসের মধ্যে পদোন্নতি

২৩সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান পদে চট্টগ্রাম থেকে এই প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন নারী নেত্রী চেমন আরা তৈয়ব। মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জাতীয় মহিলা সংস্থার নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগ পেয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য চেমন আরা তৈয়ব। তাকে দুই বছরের জন্য এই নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনি জাতীয় মহিলা সংস্থার চট্টগ্রামের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। চেয়ারম্যান চেমন আরা তৈয়বের স্বামী ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব চট্টগ্রামের সাবেক সিভিল সার্জন। জাতীয় মহিলা সংস্থা আইন, ১৯৯১ অনুসারে তাকে এই নিয়োগ দিয়ে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম গত ১৬ মে মারা যান। নিয়োগ অবৈতনিক উল্লেখ করে আদেশে বলা হয়, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে সরকার ইচ্ছা করলে যেকোনো সময়ে এ মনোনয়ন বাতিল করতে পারবে। তিনিও নিজে পদত্যাগ করতে পারবে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। চেমন আরা তৈয়ব ২০০৮ সালে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ...

উখিয়ায় ২০ হাজার ইয়াবাসহ দুই রোহিঙ্গা আটক

২৪সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: উখিয়া রাজাপালং এলাকা থেকে ১৯ হাজার ৬ শত ইয়াবাসহ দুইজন রোহিঙ্গা মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab। তারা হলেন- কুতুপালং দুই নম্বর ক্যাম্পের ডি-ব্লকের আবুল কাশেমের ছেলে জিয়াউল হক (৩০) ও এক নম্বর ক্যাম্পের ই-ব্লকের লম্বাশিয়া এলাকার মীর কাশেমের ছেলে কামাল হোসেন (২০)। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১২ টার দিকে হাইওয়ে পুলিশ ডাম্পিং স্টেশন সংলগ্ন পাকা রাস্তা থেকে তাদের আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন Rab-15 এর সহকারি পুলিশ সুপার ও সহকারি পরিচালক (মিডিয়া) আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী। তিনি জানান, দুই জন রোহিঙ্গা পাচারের জন্য বেশকিছু ইয়াবা নিয়ে অবস্থান করছিল জেনে অভিযান চালানো হয়। হাতেনাতে ২ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের হাতে থাকা পলিথিনের ব্যাগ তল্লাশি করে ১৩ টি প্লাস্টিকের প্যাকেট মোড়ানো ১৯,৬০০টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। যার অনুমান মূল্য ৯৮ লক্ষ টাকা। আটক দুই মাদক ব্যবসায়ীকে উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী। ...

১১ কোটি টাকার ইয়াবা ফেলে পালালো পাচারকারীরা

২৩সেপ্টেম্বর,বুধবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: টেকনাফে সাড়ে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি। তবে পাচারে জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৯ টার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের লেদার ছুরিখাল এলাকা থেকে এসব মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। ২ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. ফয়সাল হাসান খান জানান, মিয়ানমার থেকে মাদকের চালান পাচারের সংবাদ পেয়ে লেদা বিওপির জওয়ানরা নাফনদীর কিনারায় অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর কয়েকজন ব্যক্তি হস্তচালিত একটি নৌকা নিয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ করে। এসময় অনুপ্রবেশকারীরা বিজিবি জওয়ানদের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্ধকারের সুযোগে কেওড়া বাগানের আড়াল হয়ে নৌকাযোগে শূন্য রেখা অতিক্রম করলে তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে কেওড়া বাগানে ৪টি বস্তায় সাড়ে ৩ লাখ ইয়াবা পাওয়া যায়। উদ্ধারকৃত ইয়াবাসমূহের আনুমানিক মূল্য ১০ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা। ইয়াবাগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে মজুদ রাখা হয়েছে। লে. কর্নেল মো. ফয়সাল হাসান খান জানান, ইয়াবা পাচারকারীদের আটকের জন্য পার্শ্ববর্তী স্থানে প্রায় ২ ঘণ্টা অভিযান চালানো হয়। তবে কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে পাচারকারীদের সনাক্ত করতে ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। উদ্ধারকৃত মালিকবিহীন ইয়াবাগুলো পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া কর্মীদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হবে। ...

তরমুজের নতুন দুটি জাত উদ্ভাবন বারির

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,গাজীপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশেই বীজ উৎপাদন সম্ভব এমন দুটি তরমুজের নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) বিজ্ঞানীরা। বারির সবজি বিভাগ এবং আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র, লেবুখালী, পটুয়াখালীর যৌথ উদ্যোগে এ দুটি জাত উদ্ভাবন করা হয়। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগৃহীত বিশুদ্ধ লাইন থেকে উদ্ভাবিত এ দুটি ওপি (ওপেন পলিনেটেড) জাতের একটির ভেতরে (মাংসল অংশ) হলুদ এবং অপরটির ভেতরে টকটকে লাল। শিগগিরই এ দুটি জাত নিবন্ধনের মাধ্যমে মুক্তায়িত করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। গতকাল এ দুটি জাতের গবেষণা মাঠ পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার এবং বারির মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বারির পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. মিয়ারুদ্দীন, পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন) ড. মো. কামরুল হাসান, পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. মুহাম্মদ সামসুল আলম, সবজি বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ফেরদৌসি ইসলাম প্রমুখ। জাত উদ্ভাবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বারির বিজ্ঞানীরা জানান, দেশে গ্রীষ্মকালে যেসব উন্নত মানের তরমুজ পাওয়া যায় তার প্রায় সবই জাপান বা অন্যান্য দেশ, যেমন চীন, থাইল্যান্ড, ভারত থেকে আমদানীকৃত সংকর জাতের বীজ থেকে উৎপাদন করা হয়। ফলে তরমুজের বীজ আমদানি বাবদ প্রতি বছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করতে হয়। এছাড়া এসব জাতের বীজের বিশুদ্ধতা ও অঙ্কুরোদ্গম হার সব সময় ঠিক না থাকায় কৃষকরা প্রতারিত হন। কিন্তু বারি উদ্ভাবিত জাত দুটি থেকে কৃষক নিজেই বীজ উৎপাদন করতে পারবেন। এ জাত দুটির ফলন, আকৃতি, স্বাদ ও মিষ্টতা প্রচলিত জাপানি সংকর জাতের চেয়ে উন্নত। এছাড়া এ জাত দুটি বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী অমৌসুমি জাত হওয়ায় কৃষক এখান থেকে অধিক লাভবান হবে। হাইব্রিড জাত হিসেবে মুক্তায়িত হওয়ার পর ব্যাপক সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করলে বীজ আমদানি বাবদ বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা বাঁচানো সম্ভব হবে এবং তরমুজ উৎপাদনের ক্ষেত্রে দেশে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। ...

নোয়াখালীতে উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতির বাড়ির ছাদ থেকে মর্টার শেল উদ্ধার

২১সেপ্টেম্বর,সোমবার,মল্লিক উদ্দিন,নোয়াখালী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি কবির হোসেনের বাড়ির ছাদ থেকে একটি মর্টার শেল জাতীয় বোমা উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের নান্দিয়াপাড়া গ্রামের সেরাজুল হক কেরানীবাড়ি থেকে এটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মর্টার শেল জাতীয় বোমাটি নিষ্ক্রিয় করার কাজ চলছে। উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি কবির হোসেন জানান, শুক্রবার দুপুরে কাজের লোক বাড়ির ছাদ ঝাড়ু দিতে গিয়ে বালুভর্তি একটি নতুন বালতিতে রকেটের মতো একটি যন্ত্র দেখতে পায়। পরে বিষয়টি তাকে জানালে তিনি দ্রুত স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও থানা পুলিশকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপক জ্যোতি খীসা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেগমগঞ্জ ও সোনাইমুড়ী সার্কেল শাহজাহান শেখ, Rab-11 লক্ষীপুর ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু ছালেহ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ওসি কামরুজ্জামান ও সোনাইমুড়ী থানা পুলিশের ওসি গিয়াস উদ্দিনসহসহ গোয়েন্দা পুলিশ ও Rab-11 এর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় নয় ইঞ্চি সাইজের মর্টার শেলটি উদ্ধার করে। তিনি আরও জানান, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে সন্ত্রাসীরা। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি কবির হোসেনের বাড়ির আঙ্গিনায় অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে একটি পিস্তল উদ্ধার করে Rab সদস্যরা। এ ঘটনায় কবির হোসেকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে উল্টো একই এলাকার মৃত এবাদুল হক ভুইয়ার ছেলে হাফিজ উদ্দিন (৪৫) ও মোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে বেলাল হোসেনকে (৩২) আটক করা হয়। ...

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিকল্প অর্থায়নের দাবি বিল্ডের

২৩সেপ্টেম্বর,বুধবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারী উদ্যোক্তা ও সুবিধাবঞ্চিত কুটির, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বিকল্প অর্থায়ন ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় পাবলিক-প্রাইভেট ডায়ালগ প্ল্যাটফর্ম বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট (বিল্ড)। ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টারের (আইটিসি) সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে গতকাল অ্যাকসেস টু এমএসএমইজ অ্যান্ড উইম্যান এন্ট্রাপ্রেনিউরস টু স্টিমুলাস প্যাকেজ শীর্ষক ভার্চুয়াল পলিসি ডায়ালগ থেকে এ দাবি জানানো হয়। অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রাম ডিপার্টমেন্টের নির্বাহী পরিচালক আবু ফারাহ মো. নাসের। প্যানেল আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শরিফা খান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিল্ডের চেয়ারপারসন আবুল কাসেম খান। পলিসি ডায়ালগে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিল্ডের গবেষণা সহযোগী বেলালুর রহমান। নারী উদ্যোক্তা ও সুবিধাবঞ্চিত সিএমএসএমইদের জন্য বিকল্প অর্থায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, বিভিন্ন জরিপে দেখা যাচ্ছে সিএমএসএমইরা প্রণোদনা প্যাকেজের নির্দেশনার বিষয়ে সচেতন নয়। সেক্ষেত্রে তথ্যের প্রবেশাধিকার সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করতে পারে। সর্বোচ্চ সংখ্যক নারী উদ্যোক্তাকে প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় আনতে প্রণোদনা প্যাকেজের আকার বৃদ্ধির সুপারিশ করে বিল্ড। এছাড়া ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধিরও সুপারিশ করে প্রতিষ্ঠানটি। আবু ফারাহ মো. নাসের বলেন, শুধু ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজই নয়, সিএমএসএমইদের জন্য আরো বেশকিছু প্যাকেজ রয়েছে। যদি কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক পূর্বের ঋণ পরিশোধের ভিত্তিতে কোনো নারী উদ্যোক্তাকে প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে ঋণ প্রদানে অস্বীকৃতি জানায়, তবে তারা যেন ব্যাংকের নির্দিষ্ট হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এমএ বাকি খলিলী, বেসিসের সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম, আইটিসির শিট্রেডস ইনিশিয়েটিভসের কান্ট্রি ডিরেক্টর তানভির আহমেদ, বিল্ডের সিইও ফেরদাউস আরা বেগম বক্তব্য দেন।...

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা

২১সেপ্টেম্বর,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল ও কলেজ) স্ব স্ব ব্যবস্থাপনায় অনলাইনে নিয়মিত শ্রেণি পাঠদান চালানোর নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। রবিবার মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক এই নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী সংসদ টেলিভিশনের প্রচারিত শ্রেণি পাঠদানের সঙ্গে সমন্বয় করে শ্রেণি পাঠদানের রুটিন তৈরি করবে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান। ওই রুটিন অনুযায়ী নিয়মিত পাঠদান চালিয়ে যাবেন। এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে আঞ্চলিক পরিচালক, উপ-পরিচালক, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মনিটরিং করবেন। চলতি সেপ্টেম্বরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের (অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক) নিয়ে অনলাইনে আঞ্চলিক একটি সভা করবেন। আর অক্টোবর মাসে দুটি বৈঠক করবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানের সঙ্গে শিক্ষা কর্মকর্তারা বৈঠকে আলোচনা করবেন সংসদ টেলিভিশনের প্রচারিত শ্রেণি পাঠদানের সঙ্গে সমন্বয় করে শ্রেণি পাঠদানের রুটিন তৈরি করার বিষয়ে। সংসদ টেলিভিশনে শিক্ষার্থীরা যাতে অংশ নেন সে বিষয়ে আলোচনা করতে হবে। শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা করবেন। অনলাইন ক্লাসের সার্বিক কার্যক্রম আলোচনা করবেন। প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলোচনা করবেন। এছাড়া ল্যাবগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সচল রাখার বিষয়ে আলোচনা করবেন। নির্দেশনায় বলা হয়, আঞ্চলিক সভার এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান তার সহকর্মীদের নিয়ে অনলাইন সভা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাক্ষাতে সভা করে অনলাইন শ্রেণি পাঠদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। আঞ্চলিক সভার এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান অভিভাবকদের সঙ্গে অনলাইনে সভা করবেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সহনশীল আচরণ, দৈনিক কাজের রুটিন, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য খাদ্য ও পুষ্টি, লেখাপড়া ও অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র প্রতিনিধির মাধ্যমে (স্টুডেন্ট কেবিনেট, কাব, হলদে পাখি, বিএনসিসি, গার্লস, রেডক্রসিন্টে, রোভার স্কাউট) মত বিনিময় করবেন। নির্দেশনায় আরো বলা হয়, আঞ্চলিক পরিচালকের উদ্যোগে সব অধ্যক্ষ একসঙ্গে জেলাভিত্তিক সার্বিক বিষয়ে পারস্পারিক মত বিনিময় করবেন। উপপরিচালক ও জেলা শিক্ষা অফিসাররা সভায় উপস্থিত থাকবেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান সার্বিক বিষয়ে পারস্পপরিক মত বিনিময় করবেন। উপপরিচালক ও জেলা শিক্ষা অফিসাররা সভায় উপস্থিতি থাকবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধান সংশ্লিষ্ট শ্রেণি শিক্ষকের সঙ্গে বিষয় শিক্ষকদের সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম যেন অব্যাহত থাককে সে বিষয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নেতৃত্বে জুম মিটিং বা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাক্ষাত মিটিং করে শিক্ষকরা একাডেমিক কার্যক্রমে তাদের দক্ষতা উন্নয়ন, কারিকুলাম বিষয়ে পারস্পরিক আলোচনা করবেন। মাসে কমপক্ষে একবার এই আলোচনা করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন এবং করবেন সে সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করবেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে যেকোনও সময় প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত রাখবেন। ...

অষ্টমের শিক্ষার্থীদের নিজ প্রতিষ্ঠানে মূল্যায়নের নির্দেশ

১৫সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা বাতিলের পর অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে মূল্যায়নের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার সব বিভাগের উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, প্রতিষ্ঠান প্রধানকে এই নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শুধু ২০২০ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা গ্রহণ না করে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে নবম শ্রেণিতে উন্নীত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত ২৭ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় চলতি বছরের জন্য জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত জানায়। এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, মাউশি ডিজি, সব বোর্ডের চেয়ারম্যানকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে মূল্যায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়। করোনা সংক্রমণের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কওমি মাদরাসা ২৪ আগস্ট থেকে খুলে দেওয়া হলেও অন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। মহামারি সংক্রমণে এবছর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাও বাতিল করে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে মূল্যায়নের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। ...

শ্রীলঙ্কা সফর হলেও অক্টোবরে শুরু হচ্ছে ঘরোয়া ক্রিকেট

২৩সেপ্টেম্বর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের কারণে গত মার্চের পর থেকে আর কোনো ঘরোয়া লিগের ম্যাচ মাঠে গড়ায়নি। ফলে প্রায় ছয় মাসের বেশি সময় ধরে ক্রিকেটি খেলা হচ্ছে না। তবে এবার সেই অপেক্ষার পালা শেষ। আগামী অক্টোবর মাসেই ফিরছে ঘরোয়া ক্রিকেট। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মিরপুরে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ দল শ্রীলঙ্কা সফরে গেলেও ঘরোয়া ক্রিকেট হবে, সফরে না হলেও ঘরোয়া ক্রিকেট মাঠে গড়াবে। প্রধান নির্বাহী বলেন, দেখুন আমাদের কিছু অভ্যন্তরীণ প্ল্যান তো অবশ্যই আছে। এই সিরিজ যদি কন্টিনিউ না করি সেক্ষেত্রে আমাদের অন্য প্ল্যান আছে। আমাদের কিন্তু এখন পর্যন্ত প্ল্যান আছে যে আমরা দুটোই চালিয়ে যাবো। যদি এই সিরিজটা করি তারপরও ঘরোয়া ক্রিকেট শুরু করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।...

হায়দরাবাদকে হারিয়ে আইপিএল শুরু ব্যাঙ্গালোর

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জয় দিয়েই আইপিএল অভিযান শুরু করল বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। দেবদূতের দুরন্ত ব্য়াটিং। এবিডি-র হাফ সেঞ্চুরি। আর বল হাতে চাহালের ভেলকি। সঙ্গে শিবম দুবে আর নভদীপ সাইনির দুরন্ত বোলিং। কাজে এল না বেয়ারস্টোর ৬১ রানের ইনিংস। সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১০ রানে হারাল আরসিবি। সোমবার ১৬৪ রানের টার্গেট নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ডেভিড ওয়ার্নারকে হারালেও জনি বেয়ারস্টো এবং মনীশ পান্ডে জুটি টানতে থাকে হায়দরাবাদকে। ৩৪ রানে মনীশ পান্ডে আউট হন। কিন্তু ৬১ রানে বেয়ারস্টো আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে হায়দরাবাদের ব্যাটিং। প্রিয়ম গর্গ বাদে বাকি আর কেউ দুই অঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেনি। ১৫৩ রানে অলআউট সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। যুজবেন্দ্র চাহাল নেন ৩টি উইকেট। ২টি করে উইকেট নেন নভদীপ সাইনি এবং শিবম দুবে। টস জিতে এদিন প্রথমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ব্যাটিং করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। শুরুতেই দেবদূত পাডিক্কল এবং অ্যারোন ফিঞ্চের ৯০ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপ আরসিবির বড় রান তোলার ভিত গড়ে দেয়। দেবদূত ৪২ বলে ৫৬ রান করেন। ২৯ রান করেন ফিঞ্চ। অধিনায়ক বিরাট কোহলি ১৪ রান করে আউট হন। তবে এবি ডিভিলিয়ার্স ৩০ বলে ৫১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬৩ রান তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। নটরাজন, বিজয় শঙ্কর এবং অভিষেক শর্মা একটি করে উইকেট নেন। ...

সালমানের ৪৫০ কোটি পারিশ্রমিক

২৩সেপ্টেম্বর,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সালমান খান মানেই চমক কিছু। বরাবরই সেই চমক নিয়ে আসছেন বিগ বস ১৪। আর কয়েকদিনের মধ্যেই শুরু হচ্ছে বিগ বস ১৪। এবার মুম্বই গোরেগাঁওয়ের ফিল্মসিটিতে তৈরি হচ্ছে বিগ বসের সেট। বাড়ি থেকে সেটে হাজির হয়ে প্রত্যেক সপ্তাহে সালমন শুটিং করবেন। বিগ বস ১৪-র ঘরে কাদের দেখা যাবে, তা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। এবার একটি তালিকা প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে বিগ বসের ঘরে কারা হাজির হচ্ছেন, সে বিষয়ে বেশ কিছুটা আভাস মিলেছে। জানা গেছে, গায়ক রাহুল বৈদ্যে, টেলি অভিনেত্রী জেসমিন ভাসিন, গিয়া মানেক, এজাজ খান-রা হাজির হচ্ছেন বসের ঘরে। এবারে বসের ঘরে কী কী চমক অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য, তা অবশ্য সময়ই বলবে। এদিকে বিগ বস ১৪-র গোটা সিজনের জন্য ৪৫০ কোটি পারিশ্রমিক নেবেন বলিউড ভাইজান। সম্প্রতি জানা যায় এমন তথ্য। যদিও সালমানের পি আর টিমের তরফে বিগ বসের পারিশ্রমিক সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। বিগ বস ১৪ ঘোষণা হওয়ার পর শোনা যায়, এবারের সিজনের জন্য সালমান খান ১৫.৫ কোটি করে পারিশ্রমিক নিতে পারেন। পরে জানা যায়, এবারের সিজনের জন্য নাকি সালমান খান পারিশ্রমিকের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন। সেই অনুযায়ী, এবারের সিজনের জন্য প্রত্যেক এপিসোড বাবদ ২০ কোটি করে সালমান খান পারিশ্রমিক নেবেন বলে জানা যায়। তবে চলতি সিজনের জন্য সালমান মোট ৪৮০ কোটি পারিশ্রমিক নিচ্ছেন বলেও অন্য একটি সূত্র মারফত খবর পাওয়া যায়।...

জাপানে পুরস্কৃত হলো- শনিবার বিকেল

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত শনিবার বিকেল আরেকটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়েছে। জাপানের ফুকৌকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবর কুমামোতো সিটি অ্যাওয়ার্ড জিতেছে ছবিটি। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন ফারুকী নিজে। ফুকৌকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ফুকৌকা সিটি অ্যাওয়ার্ড ও কুমামোতো সিটি অ্যাওয়ার্ড এ দুই বিভাগে বারোটি ছবি নির্বাচিত হয়েছিল। ছবিগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগীতা করে দর্শক ভোটে শনিবার বিকেল এ পুরস্কার জিতে। ফারুকী বলেন, আমি ফুকৌকার দর্শকদের কৃতজ্ঞতা জানাই আমাদেরকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার জন্য। একই সঙ্গে আমার টিমের সকল সদস্যদেরকেও ধন্যবাদ জানাবো, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ছবিটি বানাতে পেরেছিলাম। আমি আশা করছি বাংলাদেশের দর্শকরা খুব শিগগিরই ছবিটি দেখতে পাবে। বাংলাদেশের সেন্সর বোর্ডে শনিবার বিকেল আটকে আছে অনেকদিন যাবত। দেশের দর্শকরা আদৌ ছবিটির দেখতে পারবে কিনা? ফারুকী বলেন, আমরা সেন্সর বোর্ডে আপিল করেছি। এরপর আসলে কোন রেজাল্ট জানি না। গুলশানের হলি আর্টিজানে ঘটে যাওয়া জঙ্গি হামলার ঘটনার ছায়া অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে- শনিবার বিকেল। ছবিটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে জাজ মাল্টিমিডিয়া, ছবিয়াল ও ট্যানডেম প্রোডাকশন। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন বিভিন্ন দেশের অভিনয়শিল্পীরা। তাদের মধ্যে আছেন প্যালেস্টাইনের ইয়াদ হুরানি, পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান, নুসরাত ইমরোজ তিশা, মামুনুর রশিদ, ইরেশ যাকেরসহ অনেকে। শনিবার বিকেল এর আগে ফ্রান্সে নেটপ্যাক জুরি প্রাইজ এবং হাই স্কুল জুরি অ্যাওয়ার্ড, মস্কো ফিল্ম ফেস্টিভালে দুইটি ইনডিপেন্ডেন্ট জুরি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে। এছাড়া সিডনি ও মিউনিখ ফিল্ম ফেস্টিভালে ছবিটি প্রদর্শনের পর প্রশংসিত হয়েছিল।- সারাবাংলা ...

অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যসহ ১১ জন বরখাস্ত

২জুন,মঙ্গলবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে একদিনেই ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিভাগটি। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যান, একজন পৌরসভার কাউন্সিলর ও ৬জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দরিদ্র মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাঁদের মধ্যে চারজন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ছয়জন ইউপি সদস্য এবং একজন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানেরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপির মো. আনোয়ারুল হক, একই জেলার বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউপির হাজী মো. কাজল ভূইয়া, বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউপির মো. শাহনেওয়াজ এবং নলটোনা ইউপির হুমায়ুন কবীর। বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিংপুর ইউপির চেয়ারম্যান করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় ত্রাণকাজে সহায়তা না করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। বাজিতপুরের হালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ ছাড়া করোনোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি, এপ্রিল মাসের ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ না করা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে ব্যর্থ হওয়া এবং কারণ দর্শানোর পরিপ্রেক্ষিতে নিজে জবাব প্রদান না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়া। বরগুনার এম বালিয়াতলী ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে মৎস্য ভিজিএফের চাল ৮০ কেজির জায়গায় ৬০ কেজি দেওয়া এবং তালিকার বাইরেও অন্যদের চাল দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। নলটোনা ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, ভুয়া টিপসইয়ের মাধ্যমে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলার মজলিশপুর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারিছ মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাছান মিয়া, বরগুনা জেলার সদর উপজেলাধীন নলটোনা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হারুন মিয়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হানিফ, ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. রানী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. ছাবিনা ইয়াসমিন। বরখাস্ত হওয়া পৌরসভার কাউন্সিলর হলেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোলাইমান বাবুল।...

প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে বিদেশে পাঠায় চক্রের অন্যতম হোতা কামাল

১জুন,সোমবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় মানব পাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা কামাল হোসেন ওরফে হাজী কামালকে গ্রেফতার করেছে RAB। প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে তিনি বিদেশে পাঠায়। RAB বলছে, তিনিই বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মানবপাচারকারীর মূল হোতা। এরসঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে RAB। বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে অবৈধ ভাবে ইতালিতে যাওয়া। তারা বিভিন্ন শ্রমিকদের যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখানো হয়। এবং তাদের বিদেশে যাওয়ার পরই বাকি টাকা দেবে। এ ধরনের আশ্বাস দেয়া হয়। আমারা একাধিক দালাল পেয়েছি। তারা মাদারীপুর, শরিয়রতপুরসহ বিভিন্ন জেলার লোক রয়েছে। তারা প্রথমে বাইরুটে ঢাকা থেকে কলকাতা নেয়া হয়। এই হাজী কামালই সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা বাংলাদেশ থেকে ১০-১৫ দিন লাগে বেনগাজীতে যাওয়ার। এ চক্রটি লিবিয়াতে যাওয়ার পরই তারা টাকার জন্য পেশার দেয়া শুরু হয়। RAB জানায়, লিবিয়ার ত্রিপোলিতে কিছু কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এই বেনগাজীতে পৌঁছানোর পরই তাদের পরিবারের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়। এরপর তাদের ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়া হয়। ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবারও পরিবারের কাছে ২ থেকে তিন লাখ টাকা দাবি করা হয়। সেখানে তাদের শুরুতে ভূমধ্যসাগরে বোট চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তিনি গত ১০-১২ বছরে ৪শ লোককে পাঠিয়েছেন। তার সঙ্গে যুক্ত আছেন ১৫-১৬ জন। আমরা পুরো সার্কিটের তথ্য পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলতে থাকবে। গত ২৮ মে লিবিয়ার মিজদা শহরে ২৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মারা যাওয়া ২৬ জনসহ ৩৮ বাংলাদেশি ও কিছু সুদানি নাগরিক প্রায় ১৫ দিন ধরে ওই অপহরণকারী চক্রের হাতে আটক ছিলেন। ইতালিতে অভিবাসনের উদ্দেশে ওই ৩৮ জন বাংলাদেশ থেকে অবৈধ পথে লিবিয়ায় যান।...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি। ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন

২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষারর্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হতে বিরত থাকুন। মার্চ ২০২০ হতে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শুরু হয়। পর্যবেক্ষণ দেখা যায় শীত প্রধান অঞ্চলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণ বেড়েই চলছে। আমাদের দেশ ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল দেশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি বেসরকারি ব্যাক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণায় দেশবাসী সচেতন হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলছে। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। সামনে শীত মৌসুম। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা একেবাড়ে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন মহল বিশিষের দাবীর মুখে একাধিক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানা যায় সদাসয় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির পরিক্ষা ও ক্লাস শুরু করার তথ্য। অবশ্যই এই উদ্যেগ ভাল। কিন্তু এ মুহূর্তে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক ও ছোঁয়াছে রোগ। এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা অত্যন্ত জটিল। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের দেশের সরকার শত চেষ্ঠার পর সম্পূর্ণ সফল হতে পারেনি। অবশ্য আংশিক সফলতা, যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সাধুবাদ। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কৃতজ্ঞতাচিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছিও। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী অনেক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্লাস করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই সকল দিকে বিবেচনা করে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাস শুরু না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।- ...

অক্টোবরের থেকে সাংগঠনিক সফরে নামছে আ. লীগ

২১সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অক্টোবরের শুরু থেকেই দেশব্যাপী সাংগঠনিক সফরে নামছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ। লক্ষ্য করোনা স্থবিরতা কাটিয়ে দলকে চাঙা করা। এর মধ্যে তৃণমূলের সব ইউনিটে কাউন্সিল ও পূর্ণাঙ্গ কমিটিও করতে চায় দলের হাইকমান্ড। কিন্তু টানা ক্ষমতায় থাকার ১ যুগের মাথায় দলের ভেতর বাইরের অন্তর্কোন্দল মেটানোসহ এ সফরে চ্যালেঞ্জ কতটা? নেতারা বলছেন, জোর দেয়া হবে দলীয় কোন্দল নিরসনে। মূল্যায়ন করা হবে ত্যাগীদের। ৫টি সংসদীয় আসন, ৯ উপজেলা, ৪ জেলা ও ৬১টি ইউনিয়নের উপনির্বাচনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাঁপ চলছে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে। তবে এর বাইরেও প্রতিদিনই এ কার্যালয়ে আসছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তৃণমূল নেতারা। কেন্দ্রীয় সম্মেলনকে কেন্দ্র করে তড়িঘড়ি করে ৩১ জেলা ইউনিটের সম্মেলন হয়েছে, কিন্তু পূর্ণাঙ্গ হয়নি কমিটি। পূর্ণ কমিটির সে তালিকা দলের দপ্তরে জমা দিচ্ছেন নেতারা। আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা হয়নি। ইতোমধ্যে আমরা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সম্মেলন হয়ে যাওয়া জেলার কমিটির তালিকা হাতে পেয়েছি। অনেক অভিযোগ এসেছে, আর বাকি কমিটিগুলোর তালিকা আমি আশা করছি এ মাসের মধ্যেই আমাদের হাতে আসবে। করোনা পরিস্থিতির কারণে যেখানে ছিল সুনসান নীরবতা, স্থবিরতা সেখানে এমন কর্মচঞ্চল, কর্মীদের আনাগোনা। এর মধ্যে দেশব্যাপী সাংগঠনিক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। সবকিছু ঠিক থাকলে আসছে মাসের শুরুর দিকেই জেলায় জেলায় বেড়িয়ে পড়বে কেন্দ্রীয় নেতারা। এরই মধ্যে দলীয় সভাপতির নির্দেশে ৮ বিভাগে যে ৮টি টিম সফর করবে; প্রস্তুত হয়েছে তার খসড়াও। প্রেসিডিয়াম সদস্যের নেতৃত্বে এ টিমে থাকবেন যুগ্ম সম্পাদক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদকরা। আওয়ামীলীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, কেন্দ্রীয় নেতারা যখন একটা জেলায় যাবে সেই জেলায় একটা কর্মচাঞ্চলতা সৃষ্টি হবে। জেলা পার হয়ে যখন উপজেলা যাবে তখন সেখানকার নেতারা আরও প্রাণ চঞ্চলতা ফিরে পায়। কাজেই আমরা সেই বিষয়গুলো করতে চাই। করোনা সংকটের মধ্যেও কিশোরগঞ্জের একটি উপজেলায় সশস্ত্র সংঘাত হয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে। অন্তর্কোন্দল আছে তৃণমূলের বেশিরভাগ ইউনিটে। নেতারা বলছেন, কোন্দল নিরসনের পাশাপাশি ত্যাগী কর্মীর পদ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্নেল (অব) ফারুক খান বলেন, সেন্ট্রাল কমিটি থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায়ে লাখ লাখ সংগঠন আছে তার মধ্যে দু’একটি সংগঠনে মারামারি হলে আমি মনে করি সেটা সিরিয়াস ব্যাপার না। তবে যেখানে মারামারি হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে। এবং আগামীতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, যারা প্রতিহিংসা সৃষ্টি করছেন, যারা শৃঙ্খলা ভঙ্গ করবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। আরও পড়ুন- অনুপ্রবেশকারী ঠেকাতে ‘চাপে’ আ. লীগের উপকমিটি চলতি মাসের মধ্যেই ঘোষণা করা হবে আওয়ামী লীগের ৫ সহযোগী সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি। এছাড়া দলকে গতিশীল করতে চলতি বছরের মধ্যেই ৭৮ সাংগঠনিক ইউনিটে সম্মেলন শেষ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলেও জানান কেন্দ্রীয় নেতারা। ...

ঘুম থেকে উঠে যে দোয়া পড়া উত্তম

২৩সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আল্লাহ রাব্বুল আলামীন দুনিয়াতে অগণিত অসংখ্য মাখলুক সৃষ্টি করে প্রত্যেককে তার পরিধিতে সংসার জীবন প্রতিপালনে ব্যস্ত করে রেখেছেন এবং এ সকল কাজে মাখলুকের মাঝে ক্লান্তি আসে; আবার তা থেকে মুক্তির ব্যবস্থাও করেছেন ঘুমের মাধ্যমে। আল্লাহ বলেছেন, তোমাদের ঘুম বা নিদ্রাকে করেছি ক্লান্তি দূরকারী হিসেবে। রাত্রিকে করেছি আবরণ। দিনকে করেছি জীবিকা অর্জনের সময়। (সুরা আন-নাবা; আয়াত- ৯, ১০ ও ১১)। ঘুমের মাধ্যমে মানুষের প্রশান্তি লাভের পর ঘুম থেকে উঠার সময় মানুষকে আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করার কথা বলেছেন। হাদীস শরীফে এসেছে, আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আহইয়ানা বাদা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন নুশুর। (সহিহ বুখারী)। হযরত হুযাইফা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তিনি জাগ্রত হতেন তখন বলতেন, সমস্ত প্রশংসাই আল্লাহর জন্য। যিনি আমাদেরকে মারার পর জীবিত করেছেন। আর তার দিকেই আমাদের ফিরে যেতে হবে। (সহিহ বুখারী, রিয়াদুস সালেহীন-৮১৭)। অতঃপর কালিমাতুশ শাহাদাত পড়বে- আশহাদুআল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসুলুহু। ...

সপ্তাহের শ্রেষ্ঠতম দিন

০৪সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ শুক্রবার। আরবিতে এ বারকে বলা হয়- ইয়াউমুল জুমুআ। জুমুআ অর্থ সমাবেশ কিংবা সপ্তাহ। এদিনটি মুসলমানদের সমাবেশের দিন। সপ্তাহের এই একদিন মুসলমানরা বেশি মসজিদে সমবেত হয়। তাই একে ইয়াউমুল জুমুআ বলা হয়। বাংলায় জুমার দিন, জুম্মাবার কিংবা শুক্রবার। দিনটি স্বমহিমায় মহিমান্বিত, অনুপম মর্যাদায় শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে এদিনটির আলাদা বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আছে আলাদা মর্যাদা এবং শ্রেষ্ঠত্ব। আল্লাহতায়ালা নভোমণ্ডল, ভূমণ্ডল এবং গোটা জগতকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। এই ছয় দিনের শেষ দিন ছিল জুমুআর দিন। এদিনেই আদি পিতা হজরত আদম (আ.) সৃজিত হন। এদিনেই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং এদিনেই তাকে দুনিয়ায় পাঠানো হয়। কেয়ামত এদিনেই সংঘটিত হবে। এই দিনে এমন একটি মুহূর্ত আসে, তখন মানুষ যে দোয়াই করে, তা-ই কবুল হয়। - ইবনে কাসির। ইসলাম-পূর্বকালেও জুমুআর দিনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়া হতো। জুমুআর দিন সম্পর্কে হাদিসে এসেছে- জুমার রাত হলো উজ্জ্বল রাত। আর জুমআর দিন প্রোজ্বল। - মিশকাত। অন্য আরেক হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, পাঁচটি এমন রাত আছে, যে রাতে দোয়া ফিরিয়ে দেয়া হয় না। এক, জুমআর রাত। দুই. রজবের প্রথম রাত। তিন. শাবানের পনেরোতম রাত। চার. ঈদুল ফিতরের রাত। পাঁচ. ঈদুল আজহার রাত। - বায়হাকি। আল্লাহতায়ালা প্রতি সপ্তাহে মানবজাতির সমাবেশ এবং ঈদের জন্য এদিনটি রেখেছিলেন। কিন্তু পূর্ববর্তী উম্মতরা তা পালন করতে ব্যর্থ হয়। ইহুদিরা শনিবারকে নিজেদের সমাবেশের নির্ধারিত করে নেয়। খ্রিস্টানরা নির্ধারিত করে রোববারকে। আল্লাহতায়ালা শুধু এই উম্মতকে সুযোগ দিয়েছেন, তারা এই দিনকেই তাদের সমাবেশের দিন হিসেবে মনোনীত করে। - ইবনে কাসির। হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, নিশ্চয়ই জুমার দিনে এমন মুহূর্ত আছে, কোনো মুসলমান যদি এর মধ্যে কল্যাণ কামনা করে, আল্লাহ তাকে অবশ্যই তা দান করবেন।- মিশকাত। হজরত আনাস (রা.) থেকে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিনের কাঙ্ক্ষিত সময়টা হলো আসরের পর থেকে সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত। (মুসনাদে ইবনে আবি শাইবা : ৫৪৬০ , তিরমিজি : ৪৮৯)। জুমার দিনে আরেকটি ফজিলত হলো, যদি কেউ এদিন মারা যায়, তবে সে কবরের আজাব থেকে মুক্তিলাভ করবে। এমন এক সুন্দর সুসংবাদ দিয়েছেন আমাদের নবীজি (সা.)। তিনি বলেছেন, যে মুসলমান জুমার দিন কিংবা জুমার রাতে মারা যায়। আল্লাহতায়ালা তাকে কবরের আজাব থেকে নিরাপদ রাখেন। - তিরমিজি। হজরত সালমান (রা.) হতে একটি হাদিস বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার দিনে সুন্দর করে গোসল করবে, অতঃপর তেল ব্যবহার করবে এবং সুগন্ধি নেবে, তার পর মসজিদে গমন করবে, দুই মুসল্লির মাঝে জোর করে জায়গা নেবে না, সে নামাজ আদায় করবে এবং ইমাম যখন খুতবা দেবেন, চুপ করে মনোযোগসহকারে তাঁর খুতবা শুনবে। দুই জুমার মধ্যবর্তী সময়ে তার সব গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। (মুসনাদে আবু দাউদ : ৪৭৯)...

ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: শহীদুল হক

স্পেশাল প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণের পর খুন হওয়া মেয়েটি জীবিত ফেরার পর পুলিশের তদন্ত এবং রিমান্ডপ্রক্রিয়া আরো একবার প্রশ্নের মুখে। বিরাট প্রশ্ন ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়েও। এসব প্রশ্ন নিয়েই পুলিশের সাবেক আইজি শহীদুল হকের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিউজ একাত্তর একজন স্পেশাল প্রতিনিধি। প্রশ্ন : সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেছে, তারাই ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ওই ছাত্রী জীবিত ফিরে এসেছে। পুলিশের পুরো তদন্তব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল না? শহীদুল হক : দেখুন, এখানে যে সঠিক তদন্ত হয়নি তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তারা হয়তো পুলিশের ভয়েই এটা করেছে। এখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সত্য তথ্য বেরিয়ে আসবে। এ ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা যা তা হলো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় বাদীপক্ষের চাপে বা বাদীপক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক কোনো সুযোগ নিয়ে কাউকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউকে কাউকে গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটে। প্রশ্ন : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্তে তো জজ মিয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শহীদুল হক : সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে, সরকারের চাপে জজ মিয়ার নাটক সাজানো হয়েছে। ওই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর জন্য দুঃখজনক। তবে মনে রাখতে হবে, ওটা ছিল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ২১ আগস্ট মামলায় প্রথমদিকে যা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা ভালো হলে তাঁর ওপর সরকারের চাপ থাকলে প্রয়োজন হলে তিনি চাকরি ছেড়ে দিতে পারতেন। তা কিন্তু করেননি। দুর্নীতিপরায়ণ দুই-চারজন তদন্ত কর্মকর্তার কারণেই মাঝে মাঝে পুলিশের ওপর দোষ চাপে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি, আমি চাঁদপুরের এসপি পদে থাকার সময় সেখানে একজন ওসি ছিল, মিয়া মো. শরীফ। তাকে কোনোভাবেই বাগে আনা যাচ্ছিল না। এক প্রভাবশালীর ছত্রচ্ছায়ায় একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছিল। একপর্যায়ে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলো। কিন্তু সে ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে চলে গেল। এরপর একদিন তৎকালীন আইজি মহোদয় আমাকে ফোন করে বললেন, এটা নিয়ে যেন আমি আর কথা না বলি। কিন্তু আমি থেমে থাকিনি। আমি চাপের কাছে নতি স্বীকার করিনি। প্রশ্ন : কিন্তু এ রকম একজন-দুজনের কারণে তো গোটা পুলিশ বাহিনীর ওপরই দায় চলে আসছে। শহীদুল হক : এক-দুজনের কারণে গোটা বাহিনী কলঙ্কিত হতে পারে না। হয়ও না। দেশের মানুষ সচেতন। তারা সব বোঝে। দেখুন, করোনাভাইরাসের মতো মহামারির সময় এই পুলিশ বাহিনীর কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছে। জঙ্গি দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা সবাই দেখছে। পুলিশের এত ভালো কাজের মধ্যে দু-একটি ঘটনা গোটা বাহিনীর সাফল্যকে ম্লান করে দিতে পারে না। প্রশ্ন : প্রতিটি ক্রসফায়ারের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা সব ঘটনার ক্ষেত্রে একই ধরনের। সত্যি বললে মানুষের কাছে এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। হাসাহাসিই হয় অনেক ক্ষেত্রে। শহীদুল হক : আমি নিজেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাস করি না। কেউ অপরাধ করলে তাকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। তবে একটা কথা, আমাদের দেশে মাঝে মাঝে কিছু এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটছে। এই ক্রসফায়ারের ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে হবে। দেশে অনেক বড় বড় সন্ত্রাসী ছিল, যাদের গ্রেপ্তার করে রাখা যেত না। কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আরো বড় বড় অপরাধ করত। আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে শুরু হয় ক্রসফায়ারের ঘটনা। তখন বড় সন্ত্রাসীরা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে। দেশের মানুষ ওটাকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দিয়েছে। এভাবে দেখলে, সেই সময় ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আরেকটা কথা, কোনো মামলায় অপরাধীকে গ্রেপ্তারের পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয় আদালতে। কিন্তু আদালতে মামলা বছরের পর বছর পড়ে থাকে। বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণেই আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে আরো অপরাধ করে। দেশে যদি দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন হতো এবং আসামিদের যদি জামিন না হতো তাহলে এই ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটত না বল মনে করি। প্রশ্ন : ক্রসফায়ারে নিরীহ মানুষ হত্যার অভিযোগ উঠছে। কখনো কখনো অর্থ নিয়ে বা অর্থের জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এমনও আমরা দেখছি... শহীদুল হক : এ রকম দু-একটি ঘটনা যে ঘটছে না তা বলা যাবে না। এ কারণেই তো এটা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। আমার কথা হলো, এ রকম নিরীহ মানুষ হত্যা করা হলে জড়িত আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা দরকার। প্রশ্ন : দেখা যায়, আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বড়জোর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করার ঘটনা ঘটে। এরপর আর কিছু হয় না। শহীদুল হক : এ কথা সত্য নয়। প্রথামিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত, বেতন কমানো, পদের অবনমন ইত্যাদি ঘটনা ঘটে। এ রকম বহু ঘটনা আছে। যা কখনো মিডিয়ায় আসে না বলেই মানুষ প্রথমটুকুই দেখে মূল্যায়ন করে। পরেরটুকু দেখলে বা মিডিয়ায় এলে মানুষের ভুল ধারণা কেটে যাবে। ...

জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি।


ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: শহীদুল হক

স্পেশাল প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণের পর খুন হওয়া মেয়েটি জীবিত ফেরার পর পুলিশের তদন্ত এবং রিমান্ডপ্রক্রিয়া আরো একবার প্রশ্নের মুখে। বিরাট প্রশ্ন ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়েও। এসব প্রশ্ন নিয়েই পুলিশের সাবেক আইজি শহীদুল হকের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিউজ একাত্তর একজন স্পেশাল প্রতিনিধি। প্রশ্ন : সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেছে, তারাই ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ওই ছাত্রী জীবিত ফিরে এসেছে। পুলিশের পুরো তদন্তব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল না? শহীদুল হক : দেখুন, এখানে যে সঠিক তদন্ত হয়নি তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তারা হয়তো পুলিশের ভয়েই এটা করেছে। এখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সত্য তথ্য বেরিয়ে আসবে। এ ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা যা তা হলো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় বাদীপক্ষের চাপে বা বাদীপক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক কোনো সুযোগ নিয়ে কাউকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউকে কাউকে গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটে। প্রশ্ন : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্তে তো জজ মিয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শহীদুল হক : সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে, সরকারের চাপে জজ মিয়ার নাটক সাজানো হয়েছে। ওই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর জন্য দুঃখজনক। তবে মনে রাখতে হবে, ওটা ছিল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ২১ আগস্ট মামলায় প্রথমদিকে যা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা ভালো হলে তাঁর ওপর সরকারের চাপ থাকলে প্রয়োজন হলে তিনি চাকরি ছেড়ে দিতে পারতেন। তা কিন্তু করেননি। দুর্নীতিপরায়ণ দুই-চারজন তদন্ত কর্মকর্তার কারণেই মাঝে মাঝে পুলিশের ওপর দোষ চাপে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি, আমি চাঁদপুরের এসপি পদে থাকার সময় সেখানে একজন ওসি ছিল, মিয়া মো. শরীফ। তাকে কোনোভাবেই বাগে আনা যাচ্ছিল না। এক প্রভাবশালীর ছত্রচ্ছায়ায় একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছিল। একপর্যায়ে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলো। কিন্তু সে ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে চলে গেল। এরপর একদিন তৎকালীন আইজি মহোদয় আমাকে ফোন করে বললেন, এটা নিয়ে যেন আমি আর কথা না বলি। কিন্তু আমি থেমে থাকিনি। আমি চাপের কাছে নতি স্বীকার করিনি। প্রশ্ন : কিন্তু এ রকম একজন-দুজনের কারণে তো গোটা পুলিশ বাহিনীর ওপরই দায় চলে আসছে। শহীদুল হক : এক-দুজনের কারণে গোটা বাহিনী কলঙ্কিত হতে পারে না। হয়ও না। দেশের মানুষ সচেতন। তারা সব বোঝে। দেখুন, করোনাভাইরাসের মতো মহামারির সময় এই পুলিশ বাহিনীর কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছে। জঙ্গি দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা সবাই দেখছে। পুলিশের এত ভালো কাজের মধ্যে দু-একটি ঘটনা গোটা বাহিনীর সাফল্যকে ম্লান করে দিতে পারে না। প্রশ্ন : প্রতিটি ক্রসফায়ারের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা সব ঘটনার ক্ষেত্রে একই ধরনের। সত্যি বললে মানুষের কাছে এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। হাসাহাসিই হয় অনেক ক্ষেত্রে। শহীদুল হক : আমি নিজেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাস করি না। কেউ অপরাধ করলে তাকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। তবে একটা কথা, আমাদের দেশে মাঝে মাঝে কিছু এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটছে। এই ক্রসফায়ারের ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে হবে। দেশে অনেক বড় বড় সন্ত্রাসী ছিল, যাদের গ্রেপ্তার করে রাখা যেত না। কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আরো বড় বড় অপরাধ করত। আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে শুরু হয় ক্রসফায়ারের ঘটনা। তখন বড় সন্ত্রাসীরা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে। দেশের মানুষ ওটাকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দিয়েছে। এভাবে দেখলে, সেই সময় ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আরেকটা কথা, কোনো মামলায় অপরাধীকে গ্রেপ্তারের পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয় আদালতে। কিন্তু আদালতে মামলা বছরের পর বছর পড়ে থাকে। বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণেই আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে আরো অপরাধ করে। দেশে যদি দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন হতো এবং আসামিদের যদি জামিন না হতো তাহলে এই ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটত না বল মনে করি। প্রশ্ন : ক্রসফায়ারে নিরীহ মানুষ হত্যার অভিযোগ উঠছে। কখনো কখনো অর্থ নিয়ে বা অর্থের জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এমনও আমরা দেখছি... শহীদুল হক : এ রকম দু-একটি ঘটনা যে ঘটছে না তা বলা যাবে না। এ কারণেই তো এটা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। আমার কথা হলো, এ রকম নিরীহ মানুষ হত্যা করা হলে জড়িত আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা দরকার। প্রশ্ন : দেখা যায়, আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বড়জোর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করার ঘটনা ঘটে। এরপর আর কিছু হয় না। শহীদুল হক : এ কথা সত্য নয়। প্রথামিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত, বেতন কমানো, পদের অবনমন ইত্যাদি ঘটনা ঘটে। এ রকম বহু ঘটনা আছে। যা কখনো মিডিয়ায় আসে না বলেই মানুষ প্রথমটুকুই দেখে মূল্যায়ন করে। পরেরটুকু দেখলে বা মিডিয়ায় এলে মানুষের ভুল ধারণা কেটে যাবে।

মুজিব কোট কোনও অন্যায়কারী দুর্নীতিবাজের পরিধান নয়

১২সেপ্টেম্বর,শনিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেসবুকে লোপা তালুকদার নামের এক নারীর মুজিব কোট পরিধেয় ছবি নিয়ে বেশ হইচই চলছে। তার ফেসবুক প্রোফাইলে কর্ম আর গুনের বিশাল ফিরিস্তি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে সকল স্তরের উচ্চ পর্যায়ের মন্ত্রী নেতাদের সবার সাথে ছবি। যে কেউ দেখলেই ভাববেন লোপা তালুকদার কতটা ক্ষমতাধর। হয়তো তার কর্মগুণ ক্ষমতা সবই আছে। সে আলোচনা সাপেক্ষে বিষয়। তবে এমন করিৎকর্মা নারী আওয়ামী লীগের একটি অংগ সংগঠনের বিশেষ পদ ধারণ করে শিশু অপহরণ কেন করছে তা সত্যি চিন্তনীয়। বর্তমান সময়ে কেবল লোপা তালুকদার নয়, দেশে সংঘটিত দুর্নীতি বা অন্য অপরাধসমুহের হোতাদের খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, অপরাধীরা কোনও না কোনভাবে আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত। সরকার হিসাবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে দীর্ঘ সময় ধরে। আর এতে করে দলে পরগাছার পরিমান বৃদ্ধি পাওয়া অমূলক কিছু নয়। এ পরগাছাকে 'কাউয়া হাইব্রিড' নানা উপাধি দেয়া হয়। যে নামই দেয়া হোক না কেন এরা ক্রমশ মহীরুহ হয়ে উঠছে। কারণ এদের ছেঁটে ফেলার মত কোনও উদ্যোগ নেয়া হয় না। পাপিয়া, শাহেদ, সাবরিনার ঘটনার রেশ না কাটতেই মুজিব কোট পরিহিত লোপা তালুকদার আবার প্রশ্নবিদ্ধ করছে দলের কর্মকাণ্ডকে। বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের পরিচালক, সাংবাদিক, কবি সাহিত্যিক সব পদবীর ধারণ করার এ নারীর বিরুদ্ধে হত্যাসহ আরও মামলা আছে বলে গণমাধ্যমে আলোচিত হচ্ছে। আর জিনিয়াকে অপহরন কেন করা হয়েছে তা পুলিশের তদন্তে বের হয়ে আসবে বলে বিশ্বাস। এ মুহূর্তে যে প্রশ্নটি বারবার মানুষের সামনে আসছে তা হলো দলের ভেতরে অবস্থান করে যেসব দূর্নীতিবাজ, অসৎ ব্যক্তি বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে জলাঞ্জলি দিচ্ছে এর প্রতিকার কি? হঠাৎ করে মুজিব কোট পরিধান করে আর্বিভূত এসব মানুষ কি জানে বঙ্গবন্ধুর মুজিব কোট শুধু ফ্যাশন নয়। এ কোট বাংলার ইতিহাসে কতটা জায়গা জুড়ে আছে। বলা হয়ে থাকে মুজিব কোটের ৬ টি বোতাম বাংলার মানুষের ছয় দফার প্রতীক। যে ছয় দফাকে সামনে রেখে বাঙালি স্বাধীনতার বীজ বপন করেছিল। প্রকৃত দেশ প্রেম থাকলে মুজিব কোট পরিধান করে অন্যায় করা যায় না। আর এ কোটের দেশ প্রেমের সাহস, প্রেরনাকে যারা উপেক্ষা করতে পারে তারা এ সমাজের কীট। এরা দেশের ক্ষতি করতে পিছপা হয় না তা অতীতে ও প্রমাণিত হয়েছে। এ দুর্ভাগা জাতি মুজিব কোটের মর্যাদা দিতে পারেনি সেই ১৯৭৫ সাল থেকে। খন্দকার মোশতাকের মুজিব কোট পরিহিত ছবিকে জাতি ভুলে যায় বলে শাহেদ, লোপারা আশ্রয় পায় আওয়ামী লীগে। মিথ্যা বুলি দিয়ে মিথ্যা লেবাসধারীরা আওয়ামী সরকারের অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছে। দেশের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছেন। অথচ সে লড়াইয়ের পথকে রুদ্ধ করছে নিজের দলের ভেতর অনুপ্রবেশকারীরা। এ নব্য আওয়ামী প্রেমীদের মুখে এক, মনে আরেক রয়েছে বলে বাড়ছে দুর্নীতি, অন্যায় ও অপরাধ। এরা ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করতে মুজিব কোট পরে মুজিব প্রেমী হয়। নির্মম সত্য হলো মুজিব কোট পরিধান করলেই মুজিব প্রেমী হতে পারে না। নিজের ভেতরে মুজিব আর তার ইতিহাসকে ধারণ করতে হবে। এ কারণেই মুজিব কোটকে অন্যায় আর দুর্নীতির হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে। তা না হলে আগামীতে দেশের মানুষ আওয়ামী সরকারের ভালোটুকু ভুলে গিয়ে মন্দটুকুই মনে রাখবে। সময়ের সাথে আজ অনেক কিছু বদলে গেছে, তা বাস্তবতাতে সুস্পষ্ট। তাই দলের ভেতর আওয়ামী লীগের আর্দশ আর বিশ্বাসকে যারা শেষ করে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারে না সত্যিকারের দলের ত্যাগী নেতা কর্মীরা। কারণ তাদের যে মুজিব কোটের লেবাসে উচ্চ পর্যায়ের নেতা কিংবা হর্তাকর্তাদের সাথে ছবি বা যোগাযোগ নেই। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে যারা আলাদা করে চিন্তা করতে পারে না কিংবা যারা নেত্রীর সাথে ছবি তোলার চেয়ে রাজপথের আন্দোলনকে মূল কাজ মনে করেছে আজ তারা মূল্যহীন। তাই লোপা তালুকদার, শাহেদদের পরনের মুজিব কোট লজ্জিত করে বঙ্গবন্ধুর আর্দশধারণকারী দেশপ্রেমীকে। লেখক: হাসিনা আকতার নিগার,কলামিস্ট।- বিডি-প্রতিদিন

আজকের মোট পাঠক

39873

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত