শুক্রবার, জুলাই ৩, ২০২০

সন্ত্রাসী ধরতে গিয়ে উল্টো খুন ভারতের ৮ পুলিশ

০৩,জুলাই,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের উত্তর প্রদেশের কুখ্যাত এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে অভিযান পরিচালনার সময় উল্টো ৮ পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (০৩ জুলাই) এ ঘটনা ঘটে বলে জানায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। খবরে বলা হয়, কুখ্যাত এক আসামিকে ধরতে অভিযানে যায় উত্তর প্রদেশের পুলিশের সদস্যরা। এসময় ওই সন্ত্রাসী এবং তার সহযোগীরা গুলি ছোড়ে। এতে ৮ পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে একজন ডেপুটি সুপারিন্টেন্ডেন্ট দেবেন্দ্র কুমার মিশ্রা। নিহত বাকি সাতজনের মধ্যে তিনজন সাব ইনস্পেক্টর এবং চারজন কনস্টেবল। এদিকে পুলিশের গুলিতে ওই সন্ত্রাসী দলের দুই সদস্যও নিহত হয়েছে। যেখানে পুলিশ ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে সেটি উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনৌ থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বিকাশ দুবে নামে ওই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতারে তিনটি পুলিশ স্টেশন থেকে পুলিশ সদস্যরা অভিযানে যান। রাজনৈতিক মদদপুষ্ট এ সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে ৬০টির মতো অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি একটি হত্যাকাণ্ডে তার নাম আসার পর এ অভিযান চালানো হয়। কানপুর পুলিশ প্রধান দিনেশ কুমার বলেন, আমাদের অভিযানের লক্ষ্য ছিল ওই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা। কিন্তু অভিযানে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা হামলার শিকার হন। তিনদিক থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এটা ছিল সম্পূর্ণ পরিকল্পিত। সন্ত্রাসী হিসেবে বিকাশ দুবের ইতিহাস বেশ পুরোনো। তার বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণসহ অসংখ্যা অভিযোগ রয়েছে।...

যুক্তরাষ্ট্রে এই প্রথম একদিনে শনাক্ত ছাড়ালো ৫০ হাজার

০২,জুলাই,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাষ্ট্রে করোনার তাণ্ডব কমার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। উল্টো দিন দিন সেখানে আরও ব্যাপক পরিসরে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে। এরই মাঝে এই প্রথমবারের মতো একদিনের ব্যবধানে দেশটিতে নতুন করে ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষের করোনা শনাক্ত হয়েছে। দেশটির জ্যেষ্ঠ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অ্যান্টনি ফাউসি গভীর উদ্বেগ জানিয়ে বলেছেন, আগামীতে যুক্তরাষ্ট্রে দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা ১ লাখও ছাড়িয়ে যেতে পারে। স্থানীয় সময় বুধবার (১ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টায় মার্কিন গবেষণা সংস্থা ও বিশ্ববিদ্যালয় জনস হপকিন্স জানায়, শেষ ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে ৫২ হাজার ৯৮২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জনস হপকিন্সের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে করোনা শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ লাখ ৮২ হাজার ২৭০ জনে। এর মধ্যে ১ লাখ ২৮ হাজার ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। সার্বিক প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অঙ্গরাজ্যই লকডাউন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার বিশ্বাস কোনো একটা পর্যায়ে হুট করে করোনা ভাইরাস নির্মুল হয়ে যাবে। এদিকে বিশ্বব্যাপী করোনা সংক্রমণ বিগত দিনগুলর চেয়ে বেড়ে আরও চূড়ার দিকে চলেছে বলে হুঁশিয়ারি জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানোম গেব্রেয়েসুস। গত সপ্তাহে প্রতিদিনই বিশ্ব জুড়ে গড়ে ১ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষের করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানান তিনি। ...

হংকংয়ের ৩০ লাখ বাসিন্দার ব্রিটেনে বসবাসের সুযোগ

০২,জুলাই,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কঠোর সমালোচনাকে উপেক্ষা করে হংকংয়ের জন্য বিতর্কিত নিরাপত্তা আইন পাস করেছে চীনা সরকার। যাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হংকংয়ের ৩০ লাখের বেশি মানুষ। যাদের স্থায়ী বসবাসের সুযোগ দিচ্ছে ব্রিটেন। স্থানীয় সময় বুধবার (১ জুলাই) দেশটির পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বিট্রিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, নতুন নিরাপত্তা আইন হংকংয়ের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করেছে। যারা এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তাদেরকে ব্রিটেনে আসার সুযোগ দেয়া হবে। তিনি বলেন, প্রায় সাড়ে ৩ লাখ ব্রিটিশ ন্যাশনাল পাসপোর্টধারীসহ বাকি ২ দশমিক ৬ মিলিয়ন হংকংয়ের নাগরিক পর্যায়ক্রমে ব্রিটেনে এসে ৫ বছরের জন্য বসবাস করতে পারবেন। স্থায়ী বসবাসের জন্য বা ব্রিটিশ নাগরিকত্ব লাভের জন্য পরবর্তীতে আবেদন করতে পারবেন। মূলত ১৯৮০ সাল থেকে হংকংয়ের নাগরিকদের জন্য ব্রিটিশ ন্যাশন্যাল ওভারসিজ পাসপোর্ট ইস্যু করেছিল সরকার। যাতে ভিসা ছাড়াই ৬ মাসের জন্য যুক্তরাজ্যে সফর করতে পারেন হংকংয়ের নাগরিকরা। যদিও তা পরবর্তীতে কিছু কাটছাঁট করা হয়। নতুন করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, ব্রিটিশ ন্যাশনাল ওভারসিজ পাসপোর্টধারী এবং তাদের ওপর নির্ভরশীলরা তাৎক্ষণিকভাবে কাজ এবং পড়ালেখার সুযোগসহ পাঁচ বছরের জন্যে ব্রিটেনে বসবাসের সুযোগ পাচ্ছেন। তবে, ব্রিটেনের এমন সিদ্ধান্তে নাখোশ চীন। দেশটির পক্ষ থেকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলার বেইজিংয়ের সর্বোচ্চ আইন পরিষদ ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস স্ট্যান্ডিং কমিটি (এনপিসিএসসি) সর্বসম্মতিক্রমে হংকংয়ের জন্য বিতর্কিত আইনটি পাস করে। পরে তাতে স্বাক্ষর করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। এই আইনের মধ্যদিয়ে স্বায়ত্তশাসিত হংকংয়ের ওপর চীনের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা এবং ওই নগরীর স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে, আইন পাস হওয়ার সঙ্গেই বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠে হংকং। যেখানে পুলিশের সঙ্গে কয়েক দফা ধরপাকড়ও হয়েছে। একজনকে গ্রেফতারেরও খবর দিয়েছে বিবিসি। এই অবস্থায় হংকং নাগরিকদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হংকং ইস্যুতে বেশ চাপে পড়ল চীন। জানা যায়, নতুন এ আইনে বিচ্ছিন্নতাবাদ, কর্তৃপক্ষকে অবমাননা, সন্ত্রাসবাদ এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করতে বিদেশি বাহিনীর সঙ্গে আঁতাঁত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেইসঙ্গে এসব অপরাধ কেউ করলে তার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। তবে, আইন পাসের আগে থেকেই সমালোচকরা বলে আসছিলেন, নতুন এই আইন হংকংয়ের পরিচয়কে আরও বড় হুমকির সম্মুখীন করলো। তবে চীন বলছে, হংকংয়ে অশান্তি ও অস্থিতিশীলতা মোকাবিলার জন্য এই আইন প্রয়োজন। সেইসঙ্গে এই বিষয়ে সমালোচকদের হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করেছে দেশটি। ...

চীনে নতুন ফ্লু ভাইরাস শনাক্ত, বিশ্বজুড়ে মহামারির শঙ্কা

৩০জুন,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে করোনাভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। চীনে প্রথম দফার সংক্রমণ মোটামুটি নিয়ন্ত্রণের আসার পর ফের সংক্রমণ শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় দফার সংক্রমণ এড়াতে কঠোর লকডাউন করা হয়েছে অনেক এলাকা। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই চীনের বিজ্ঞানীরা নতুন এক ধরনের ফ্লু ভাইরাস চিহ্নিত করেছেন। এই ভাইরাসটির বিশ্বজুড়ে মহামারি হয়ে ওঠার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন তারা। চীনের বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুন ফ্লু ভাইরাসটি শূকরবাহিত। তবে এটির মানুষকে আক্রান্ত করার মতো সব ধরনের লক্ষণ রয়েছে। খবর বিবিসির গবেষকরা আশঙ্কা, ভাইরাসটি মানুষ থেকে মানুষে সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে করে বিশ্বজুড়ে নতুন মহামারি শুরু হতে পারে। নতুন ভাইরাস হওয়ায় এটি থেকে মানুষের সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকবে বলেও মনে করেন তারা। তবে এখনই ভাইরাসটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কিছু না থাকলেও এটি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা দরকার বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারিতে বিশ্বব্যাপী আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক কোটি ৪ লাখ ৮ হাজার ছাড়িয়েছে। আর এ মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫ লাখ ৮ হাজার। সর্বশেষ ২০০৯ সালে মেক্সিকো থেকে ছড়িয়ে পড়া সোয়াইন ফ্লু বিশ্বে মহামারির রূপ নেয়। ভাইরাসটি যে রকম প্রাণঘাতী হবে বলে প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল শেষ পর্যন্ত সেটি ততটা মারাত্মক হতে পারেনি। এর বড় কারণ বহু বয়স্ক মানুষ আগে থেকেই এটি প্রতিরোধ করার সক্ষমতা ধারণ করতে পেরেছিলেন। সম্ভবত এর কারণ ছিল বেশ কয়েক বছর আগে থেকে ছড়িয়ে পড়া অন্য ফ্লু ভাইরাসের সঙ্গে এটির অনেক মিল ছিল। চীনে নতুন যে ফ্লু ভাইরাস পাওয়া গেছে তার সঙ্গে ২০০৯ সালের সোয়াইন ফ্লুর মিল রয়েছে। তবে এর সঙ্গে নতুন কিছু পরিবর্তন যুক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত নতুন ভাইরাসটি বড় কোনো হুমকি তৈরি করেনি। নতুন এই ফ্লু ভাইরাসটিকে গবেষকেরা জি৪ইএএইচ১এন১ নামে অভিহিত করছেন। এটি মানুষের শ্বাসযন্ত্রের মধ্যে বেড়ে উঠতে এবং বিস্তার ঘটাতে পারে। গবেষকেরা প্রমাণ পেয়েছেন, যারা চীনের শূকর এবং কসাইখানা ইন্ড্রাস্টিতে কাজ করছেন ভাইরাসটি সম্প্রতি সেসব মানুষকে আক্রান্ত করা শুরু করেছে। বর্তমানের ফ্লু ভ্যাকসিন ব্যবহার করে নতুন ভাইরাস থেকে সুরক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। ভাইরাসটির ওপর নজর রাখার প্রয়োজন বলে মনে করছেন যুক্তরাজ্যের নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত প্রফেসর কিন-চো চ্যাং ও তার সহকর্মীরা। প্রফেসর কিন-চো চ্যাং বলেন, এই মুহূর্তে আমরা করোনাভাইরাস নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি। কিন্তু আমাদের অবশ্যই নতুন ভাইরাসের সম্ভাব্য বিপদের ওপর থেকে চোখ সরানো চলবে না। যদিও তিনি বলেছেন, নতুন এই ভাইরাসটি এখনই সমস্যা তৈরি করছে না। তবে আমাদের এটি কোনোভাবেই অবহেলা করা উচিত হবে না। সূত্র: সমকাল...

চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতা খুন: ৪ ভাই গ্রেফতার

০৩,জুলাই,শুক্রবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং এলাকার ছাত্রদল কর্মী মীর ছাদেক অভি খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আপন চার ভাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় খুনের কাজে ব্যবহৃত ছুরিও উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২ জুন) দুপুর থেকে শুক্রবার (৩ জুন) ভোর রাত পর্যন্ত নগরীর আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল এলাকা, আকবরশাহ এলাকা ও হাটহাজারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ডবলমুরিং থানা পুলিশ। ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জহির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. ইব্রাহীম মুন্না (২৬), মো. শাহরিয়া ফারদিন (তুহিন ) (১৯ ), মো. ইয়াছিন আরাফাত (টিটু) (৩০) ও মো. ইরফান (বাবু) (২৩)। তারা ডবলমুরিং এলাকার হাজিপাড়ার মো. কামালের সন্তান। পুলিশ বলছে, গ্রেফতারকৃত চারজনের মধ্যে ইব্রাহিম মুন্না ছাড়া বাকী তিনজন মৃত্যুর আগে মীর ছাদেক অভির দায়েরকৃত মামলার এজহারভুক্ত আসামি। ইব্রাহিম মুন্না এজহারভুক্ত আসামি না হলেও ঘটনাস্থলে সেদিন সে উপস্থিত ছিল। গত ১৫ জুন রাত ১১ টায় ডবলমুরিংয়ের হাজীপাড়া মসজিদের পাশে ইমরানের রিকশার গ্যারেজের সামনের রাস্তার উপর ছাত্রদলকর্মী মীর ছাদেক অভিকে ছুরিকাঘাত করে জখম করলে এলাকার লোকজন তাকে দ্রুত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসা শেষে গত ২৪ জুন মীর ছাদেক অভি সুস্থ হয়ে তার দেওয়ানহাটের বাসায় চলে যায়। পরদিন ২৫ জুন নিজ বাসায় ভমি শুরু হলে তাকে ফের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং একপর্যায়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক মীর ছাদেক অভিকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর পর মীর ছাদেক অভি ও নগর বিএনপি বলে আসছে- মাদক সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় সেদিন গত ১৫ জুন ছাত্রদল কর্মী মীর ছাদেক অভিকে ছুরিকাঘাত করা হয়। ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জহির হোসেন বলেন, মীর ছাদেক অভি খুনের ঘটনায় ৪ জনকে নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা চারজনই আপন ভাই। ঘটনার সময় চারজনই ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। অভির খুনে ব্যবহৃত ছুরিটিও উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতার পরবর্তী দুপুরে (শুক্রবার ৩ জুন) তাদের চারজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানায় পুলিশ কর্মকর্তা জহির হোসেন। ...

উখিয়ায় ইয়াবাসহ Rab-15 এর হাতে যুবক আটক

০৩,জুলাই,শুক্রবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী বাজার থেকে অভিযান চালিয়ে ১৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-15 এর সদস্যরা। শুক্রবার সকাল তাকে আটক করে টেকনাফ থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করা হয় বলে Rab-15 জানিয়েছেন। কক্সবাজার ক্যাম্পের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী নিউজ একাত্তরকে জানান, উখিয়া থানাধীন থাইংখালী বাজার থেকে মাদক ব্যবসায়ী ইয়াবা বেচাকেনার উদ্দেশ্য অবস্থান করছিল, এমন তথ্যের ভিত্তিতে Rabর একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। Rab এর উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। পরে উপস্থিত লোকজনের সামনে তাদের হাতে থাকা ব্যাগ ও দেহ তল্লাশি করে ১৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত স্বীকারোক্তিতে জানা যায়, পলাতক আসামিরাসহ তারা দীর্ঘদিন যাবৎ সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে আসছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।...

ভুয়া সাংবাদিককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ, মুচলেকায় মুক্তি

০৩,জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লোহাগাড়ায় মো. সেলিম উদ্দিন (৪৫) ওরফে বাটোয়ার সেলিম নামের এক প্রতারক সাংবাদিক পরিচয়ে থ্রী স্টার অটো পার্টস নামের একটি দোকানে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করতে গিয়ে গণধোলাইয়ে শিকার হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ পুরান বিওসি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গণধোলাই দিয়ে তাকে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। পাঁচ ঘণ্টা থানা হাজতে থাকার পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এস এম ইউনুছের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। সেলিম উদ্দিন আমিরাবাদ মল্লিক ছোবহান বেপারী পাড়ার আলী আহমদের পুত্র। তিনি নিজেকে বাংলা টাইমস নামের একটি অনলাইন পোর্টালের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বেশ দাপটের সঙ্গে চলাফেরা করতেন। ভুক্তভোগী থ্রী স্টার অটো পার্টসের মালিক মো. জিয়া উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার আমিরাবাদ পুরান বিওসি এলাকায় তার মালিকানাধীন থ্রী স্টার অটো পার্টস দোকান থেকে কোন কারণ ছাড়াই ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে তার সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু করে কথিত সাংবাদিক সেলিম উদ্দিন। তার অযাচিত এমন আচরণে এসময় দোকানের আশ-পাশের ব্যবসায়ীসহ অনেক লোক জড়ো হলে সেলিম দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধরে উত্তেজিত ব্যবসায়ীরা গণধোলাই দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়। লোহাগাড়া থানার ওসি জাকের হোসাইন মাহমুদ জানান, জিয়া উদ্দিন নামের এক ব্যবসায়ীর মৌখিকভাবে চাঁদা দাবির অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে সেলিম নামের ওই প্রতারককে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম জানান, সেলিম উদ্দিন নামের কোনও সাংবাদিককে তিনি চিনেন না। আর এ নামের কেউ লোহাগাড়া প্রেস ক্লাবের সদস্য নেই। সেলিম নামের এক প্রতারকের সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজির বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।- বাংলা নিউজ...

মাদারীপুরে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ

০২,জুলাই,বৃহস্পতিবার,সাবরীন জেরীন,মাদারীপুর,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের রাজারচর গ্রামের অষ্টম শ্রেণীর এক স্কুল ছাত্রী অপহরণের ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে থানায় মোঃ আজিজুল ফকির (২২) সহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্কুল ছাত্রীর মা শাহিনুর বেগম জানান, মাদারীপুর সদর উপজেলার কুনিয়া বাজিতপুর ইউনিয়নের মাহমুদসী গ্রামের কুদ্দুস ফকির এর ছেলে মোঃ আজিজুল ফকির (২২) গত বুধবার ১ জুলাই রাত আনুমানিক ২ টা ৩০ ঘটিকার সময় আমার মেয়ের প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার লক্ষে ঘর হইতে বাহির হইয়া বসত ঘরের পুর্বকোনায় পৌছালে পূর্ব থেকে ওত পাতিয়া থাকা মোঃ আজিজুল ফকির (২২) সহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন মুখ চাপিয়া ধরিয়া আমার মেয়েকে পাজা কোলে করিয়া আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তায় পূর্ব হইতে অবস্থানরত একটি সিলভার কালারের মাইক্রো বাসে উঠাইয়া নিয়া যাইতে থাকে। ওই সময় আমার মেয়ে অনেক চেষ্টা করিয়া তাহার মুখ হইতে হাত সরাইয়া ডাক চিৎকার দিলে আমি আমার মেয়ের চিৎকার শুনিয়া ঘর হইতে বাহিরে বাহির হইয়া দেখতে পাই আমার মেয়েকে তাহাদের হাত হইতে বাচানোর আগেই তাহারা আমার মেয়েকে জোড়পুর্বক মাইক্রোবাসে উঠাইয়া অপহরন করিয়া উত্তর দিকে চলিয়া যায়। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার মাদারীপুর সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন,এবিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পুর্বক আইনানুক ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।...

সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্ত থেকে সাড়ে ৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার

২৮,জুন,রবিবার,মো.ইসমাইল,সাতক্ষীরা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতে পাচারকালে সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্ত এলাকা থেকে চার কেজি ৫৪০ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। রোববার (২৮ জুন) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার কেড়াগাছির গফফারের ঘাট এলাকা থেকে এ স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় কোনো চোরাকারবারীকে আটক করতে পারেনি বিজিবি। বিজিবির সাতক্ষীরা ৩৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দীন খন্দকার জানান, স্বর্ণ চোরাচালান হচ্ছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কাকডাঙ্গা বিওপির সদস্যরা কেড়াগাছি গফফারের ঘাট এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২৪টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে। যার ওজন চার কেজি ৫৪০ গ্রাম। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি ৬৮ লাখ ৫২ হাজার ৬৮৫ টাকা। ...

১ লাখ কোটি টাকা আমানতের মাইলফলক অতিক্রম করলো ইসলামী ব্যাংক

০১,জুলাই,বুধবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এখন এক লাখ কোটি টাকা আমানতের ব্যাংক। ৩০ জুন (মঙ্গলবার) এ মাইলফলক অতিক্রম করেছে দেশের শীর্ষ এই বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক। ২০১৯ সালে ব্যাংকের আমানত ছিল ৯৪৬৮১ কোটি টাকা, ২০১৮ সালে ৮২২৫৭ কোটি, ২০১৭ সালে ৭৫৫০২ কোটি এবং ২০১৬ সালে ছিল ৬৮১৩৫ কোটি টাকা। আমানতের পাশাপাশি এবছরের মে ও জুন মাসে অতীতের সব রেকর্ড অতিক্রম করে সর্বোচ্চ বৈদেশিক রেমিট্যান্স আহরণ করেছে ইসলামী ব্যাংক। এর পরিমাণ মে মাসে ৪৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং জুন মাসে ৫৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অতীতে কখনো রেমিট্যান্স আহরণ ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেনি। রেমিট্যান্স আহরণে ২০১৯ সালের জুন মাসের তুলনায় ২০২০ সালের জুন মাসে ইসলামী ব্যাংকের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১১৬ শতাংশ। বর্তমানে রেমিট্যান্স আহরণে ইসলামী ব্যাংকের মার্কেট শেয়ার ৩২ শতাংশ। ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স আহরণ বাড়িয়ে জাতীয় রিজার্ভে (বিদেশি মুদ্রার মজুদ) উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে এই ব্যাংক। ইসলামী ব্যাংক দেশের সুষম উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সার্বিক অবদানের পাশাপাশি অনগ্রসর ও পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়তে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিপালনের সংস্কৃতি লালন করা ও যথাযথ পেশাদারিত্বের সঙ্গে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে জনগণের সঞ্চয়ের বিশ্বস্ত আমানতদার হিসেবে কাজ করছে এই ব্যাংক। শরীআহ ভিত্তিক ব্যাংকিংয়ের অগ্রপথিক ইসলামী ব্যাংক বর্তমানে ৩৫৭টি শাখা, ৪৩টি উপশাখা, ১২০০ এজেন্ট আউটলেট ৬৬০টি নিজস্ব ও প্রায় ১১ হাজার শেয়ারড এটিএম ও সিআরএম বুথের মাধ্যমে গ্রাহকদের সেবা প্রদান করছে। আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ও আন্তরিক গ্রাহক সেবার মাধ্যমে এই ব্যাংক শ্রেণি-পেশা, ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সব মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের অনন্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। চলতি বছরে ব্যাংকটির গ্রাহকসংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বর্তমানে ব্যাংকের গ্রাহক সংখ্যা দেড় কোটি। আর্থিক সেবা বঞ্চিত মানুষের কাছে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছাতে ইসলামী ব্যাংক ২০১৭ সালে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে ব্যাংকের এজেন্ট আউটলেটসমূহের গ্রাহক সংখ্যা ৭ লাখ ৫৩ হাজার এবং আমানতের পরিমাণ দেশের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের সর্বোচ্চ ২৬০০ কোটি টাকা। দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে ইসলামী ব্যাংক অতীতের মতোই শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে। যা চলমান আর্থিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার সময়ে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখছে। গ্রাম ও শহরের অর্থনৈতিক বৈষম্য কমিয়ে এবং বণ্টনমূলক সুবিচার নীতি অনুসরণ করে বিনিয়োগ প্রদানের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক দেশের টেকসই উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করছে। ইসলামী ব্যাংকের রয়েছে সর্বোচ্চ এসএমই বিনিয়োগ যা এসএমই সেক্টরের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তারুণ্যদীপ্ত, সৎ, যোগ্য ও চৌকস নারী-পুরুষের সমন্বয়ে গঠিত একদল পেশাদার কর্মকর্তা দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এই ব্যাংক। সৎ, আত্মবিশ্বাসী ও গ্রাহকসেবায় সদা প্রস্তুত কর্মী বাহিনীই এই ব্যাংকের বড় সম্পদ। ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এ পর্যন্ত অসংখ্য পদক পেয়েছে এ ব্যাংক। বিশ্বের শীর্ষ এক হাজার ব্যাংকের তালিকায় বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকের এই সাফল্যের কৃতিত্ব দেশ ও প্রবাসের সব গ্রহক, শুভাকাঙ্খী ও ইসলামী ব্যাংক পরিবারের সব সদস্যের। স্থানীয় মালিকানা পরিবর্তনের কারণে ব্যাংকের গ্রহণযোগ্যতা আরও বেড়েছে সর্বত্র। সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও গ্রাহকসহ সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।...

প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য : অর্থমন্ত্রী

১২জুন,শুক্রবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সরকার বাস্তবায়ন করতে পারবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন,প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এবার আমরা গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে বাজেট প্রণয়ন করেছি। আমাদের ভৌত অবকাঠামো আছে,পাশাপাশি অতীতের অনেক সাফল্য আমাদের সামনে আছে এবং আমরা এবার বাজেটটি যেভাবে সাজিয়েছি, তাতে আশা করি প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়ন করতে পারব। তিনি আরো বলেন, এবারের বাজেটে মূলত মানুষকে রক্ষা করার ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা হলো মানুষকে বাঁচানোর জন্য আগে খরচ কর, টাকা কোথা থেকে আসবে সেটা পরে দেখা যাবে। তাই এবার আমরা আগে খরচ করব, পরে আয় করব। অর্থমন্ত্রী জানান, মানুষকে খাবার দিতে হবে, চিকিৎসা দিতে হবে এবং যারা চাকরি হারিয়েছেন,তাদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরিসহ জরুরি বিষয়কে এবারের বাজেটে অগ্রাধিকার দিয়েছি। শুক্রবার বাজেটোত্তর এক অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড, মসিউর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ;ালানী ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থসচিব আব্দুর রউফ কালুকদার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম প্রমূখ যুক্ত হন। অর্থমন্ত্রী গতকাল জাতীয় সংসদে আগামী অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন। এটি দেশের ৪৯তম বাজেট। বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য উল্লেখ করে মুস্তফা কামাল বলেন,আমাদের প্রত্যাশা হলো করোনা বেশিদিন প্রলম্বিত হবে না। আইএমএফ বলছে, বাংলাদেশ ২০২০-২১ অর্থবছরে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করবে। আমাদের অবকাঠামো ও জনবল আছে, সুতরাং আমরা বিশ্বাস করি ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট আমরা বাস্তবায়ন করতে পারব। কোভিড-১৯ প্রেক্ষিতে বাজেটে স্বাস্থ্যখাতকে সর্বোচ্চ প্রাধিকার দেয়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যখাতে এবার টাকার কোন অভাব হবে না। কিন্তু শর্ত হলো স্বাস্থ্য বিভাগকে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। কার্যকরভাবে দ্রুত সেবার মান বাড়াতে হবে। তিনি এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা উল্লেখ করে বলেন,প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,স্বাস্থ্য খাতে সেবা বাড়ানোর জন্য যা কিছু করার দরকার, তা করা হবে। সেবা বাড়ানো মানে নামে সেবা বাড়ানো নয়। সেবা যতদূর বাড়ানো যাবে এবং সুযোগ থাকে বাড়ানোর, ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা টাকার জন্য না করব না। তিনি বলেন, করোনা মোকাবেলায় ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ আছে, এটা অনেক টাকা। এটা খরচ করতে অনেক দিন লাগবে। এ বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানান, স্বাস্থ্য ও কৃষিখাতকে এবার এতটা গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে যে, এই দুই খাতে প্রয়োজন হলে জরুরি ভিত্তিতে নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, এবার আমরা অনেক নতুন নতুন খাত উন্মোচনের চেষ্টা করেছি। এর পাাশাপাশি আশা করি অটোমেশন ঠিকঠাক মত করা গেলে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যাবে। তিনি বলেন, করোনার কারণে ইএফডি মেশিন ব্যবহার বিলম্বিত হয়েছে। তবে শীঘ্রই এর ব্যবহার শুরু হবে বলে তিনি জানান। এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম জানান, প্রস্তাবিত রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য রাজস্ব বোর্ড প্রস্তুত আছে। তিনি বলেন, মোবাইল ফোনে কথা বলার ওপর মাত্র ৫ শতাংশ মূসক বাড়ানো হয়েছে, অর্থাৎ এক টাকায় ৫ পয়সা বাড়বে, অনেকে এটাকে ভুল বুঝছেন, যেটা বাড়ানো হয়েছে-সেটা খুব সীমিত। তিনি রাজস্ব আয় বাড়ানোর জন্য করনেট সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। করোনাভাইরাস মহামারির প্রেক্ষিতে কোন মানুষ যেন অভুক্ত না থাকে, সে বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সতর্ক উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বার বার বলছেন, এখন আমাদের শিকড়ের সন্ধানে বেরিয়ে পড়তে হবে। অর্থাৎ কৃষিখাতকে অধিকতর সচল করতে হবে। তাই আমরা কৃষিখাতে এবার বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের কর সুবিধা প্রদান করেছি। এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমরা যেন কোন ধরনের খাদ্য সংকটে না পড়ি,এজন্য এবার আমাদের বিশেষ উদ্যোগ হলো এক ইঞ্চি ফসলি জমি অনাবাদি রাখতে চাই না। কৃষিখাতে এবার ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকার প্রণোদনা রাখা হয়েছে। এই অর্থ সার, বীজ, কীটনাশনক সহ অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণের ক্ষেত্রে ব্যয় করা হবে। মুস্তফা কামাল বলেন, করোনার কারণে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। সেটাকে কাজে লাগানোর জন্য এবারের বাজেটে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর রেয়াত ও কর আইন সহজ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে ১৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চল বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত আছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব অঞ্চলে এবার বড় আকারে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে, যা নতুন কর্মসংস্থান তৈরির ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া, তিনি মনে করেন যে, বর্তমানে সুদহার ৯ শতাংশে নেমে আসায় এবার বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ প্রবাহ যথেষ্ট পরিমাণে বাড়বে। এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী জানান, মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে অর্থ পাচারের ঘটনা গত দেড় বছরে অনেক কমে এসেছে। তিনি বলেন, আমরা চাই দেশের একটি টাকাও যেন বাইরে পাচার না হয়। এজন্য আমরা অটোমেশনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহবান জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এবার আমরা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বাজেট প্রণয়ন করতে পারিনি। একটা প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে দিয়ে সময় পার করছি। এমতাবস্থায় বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি দেশবাসী বিশেষ করে সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করছি। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসার আহবান জানান। ...

পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ভর্তিতে বয়সসীমা থাকছে না

০১,জুলাই,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিদেশফেরত দক্ষ কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না। বুধবার (১ জুলাই) কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন সংক্রান্ত এক ভার্চুয়াল মিটিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীনের সভাপতিত্বে মিটিংয়ে আরো যুক্ত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরি, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমেদ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সানোয়ার হোসেন, মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ;্যাপক কায়সার আহমেদ, কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. মুরাদ হোসেন মোল্লাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, অনেক ব্যক্তির হয়তো প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা আছে, কিন্তু তার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সার্টিফিকেট নেই। সার্টিফিকেট না থাকার কারণে ভালো চাকরি পাচ্ছে না অথবা চাকরি পেলেও ভালো বেতন পাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে সে ব্যক্তি যদি চায় এবং যদি তার প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা থাকে তাহলে সে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হতে পারবে। একই মিটিংয়ে তিনি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে ছেলেদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম যোগ্যতা জিপিএ ৩.৫ থেকে কমিয়ে ২.৫, মেয়েদের ক্ষেত্রে জিপিএ ৩ থেকে কমিয়ে ২.২৫ করার সিদ্ধান্ত দেন। পাশাপাশি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি ফি ১ হাজার ৮২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১ হাজার ৯০ টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়। তাছাড়া মন্ত্রী এ মাসের মধ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের শিক্ষকদের এমপিওর অর্থ ছাড় করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। বৈঠকে পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের নীতিমালা, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আইন ২০২০ ও এর নিয়োগবিধি প্রণয়নসহ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।...

সততার পুরস্কার পাচ্ছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৩ জন

০১,জুলাই,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুদ্ধাচার পুরস্কার পাচ্ছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট তিন কর্মকর্তা-কর্মচারী। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দাফতরিক কাজে পেশাগত দক্ষতাসহ শুদ্ধাচার চর্চাবিষয়ক বিভিন্ন সূচকে সন্তোষজনক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার দেয়া হয়। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (উন্নয়ন) সৈয়দা নওয়ার জাহান। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মু. জিয়াউল হক। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অফিস সহায়ক (বিশ্ববিদ্যালয় শাখা) জান্নাতুল ফেরদৌস। পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে গত ২৮ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। পুরস্কার হিসেবে নির্বাচিত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সনদ এবং এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ দেয়া হবে। সে অনুযায়ী যুগ্ম সচিব সৈয়দ নওয়ার জাহানকে ৬৬ হাজার ১২০ টাকা, ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান জিয়াউল হককে ৬৮ হাজার ৬৪০ টাকা এবং জান্নাতুল ফেরদৌসকে ১৫ হাজার ৯৬০ টাকা প্রদান করা হবে। জানা গেছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলভাবে নিজ কর্মস্থলে কাজ সম্পন্ন করার ফল হিসেবে সততার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। সেই পুরস্কার স্বরূপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দুই কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সততার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।- জাগোনিউজ...

বার্সা ছাড়তে প্রস্তুত মেসি!

০৩,জুলাই,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী মৌসুমে অর্থাৎ ২০২১ সালে বার্সেলোনার সঙ্গে চুক্তি শেষ হতে যাচ্ছে লিওনেল মেসির। এরপর কাতালানদের জার্সিতে আর দেখা নাও যেতে পারে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডকে। স্পেনের এক গণমাধ্যমের বরাতে যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম মিরর জানিয়েছে, মেসি ক্যাম্প ন্যু ছাড়তে প্রস্তুত হচ্ছেন। জানুয়ারিতে কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দেকে বরখাস্ত করে বার্সা। এই ঘটনার পেছনে মেসিকে দোষারোপ করে সংবাদ প্রকাশ করে স্পেনের স্থানীয় গণমাধ্যম। বিষয়টি পছন্দ হয়নি ৩৩ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের। তার জন্য রাগান্বিত মেসি কাতালানদের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন নিয়ে আলোচনাও স্থগিত রেখেছেন। স্প্যানিশ রেডিও স্টেশন কাদেনার বরাতে এমনটি জানায় মিরর। তারা আরও জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে বার্সার স্কোয়াডে কোয়ালিটির অভাব নিয়ে হতাশ মেসি এবং আগামী মৌসুম শেষে ক্যাম্প ন্যু ছাড়তে চান রেকর্ড ছয়বারের ব্যালন ডি অর জয়ী তারকা। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বার্সা ছাড়ার পর মেসির পরবর্তী ঠিকানা কি হবে তা অনিশ্চিত। তবে সম্ভাব্য হিসেবে ক্যাম্প ন্যুর সাবেক কোচ পেপ গার্দিওলার সঙ্গে পুর্নমিলন হতে পারে লা আলবিসেলেস্তে ফরোয়ার্ডের। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গেও আগামী মৌসুমে চুক্তি শেষ হবে গার্দিওলার। তবে চুক্তি বাড়িয়ে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে থাকতে পারেন স্প্যানিশ কোচ। ...

পুনরায় খেলা শুরুর জন্য ভেন্যু প্রস্তুতির কাজ অব্যাহত রেখেছে বিসিবি

০২,জুলাই,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কোভিড-১৯ এর সংক্রমনের কারণে বিঘ্নিত হওয়া ক্রিকেটীয় কার্যক্রম পুনরায় শুরুর জন্য প্রস্তুতির কাজ অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সেই লক্ষ্যে দেশের প্রধান প্রধান আন্তর্জাতিক ও প্রথম শ্রেনীর ভেন্যু রক্ষনাবেক্ষনের কাজ অব্যাহত রেখেছে বোর্ড। ১০০ জনেরও বেশী গ্রাউন্ডসম্যান ও ভেন্যু কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, তারা যেন নিয়মিত কার্যক্রমের আওতায় স্ব স্ব স্টেডিয়ামের পিচ, আউটফিল্ড ও অন্যান্য অবকাঠামোগুলো সক্রিয় রাখেন। আজ বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়েছে। নিয়মিত এই কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে পানি দেয়া, ঘাস কাটা ও ট্রিমিং করা, অবকাঠামো জীবানুমুক্ত রাখা, ড্রেসিং রুম প্রস্তুত রাখা, নিয়মিত বারমুডা ঘাস রোপন করা, মাঠের স্যাতস্যাতে ভাব দূর করা, রোলিং করা এবং সেন্ট ফিলিং করা। এর বাইরে মাঠের কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও গ্রাউন্ডের মেশিনারিজ নিয়মিত সার্ভিসিং করিয়ে সচল রাখার প্রতিও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের কাজে নিয়োজিত টেকনিশিয়ানদেরও কাজে যোগ দেয়ার নির্দেশ জারি করা হয়েছে। বিসিবির কোভিড-১৯ বিষয়ক গাইডলাইন মেনে ভেন্যুগুলোকে জীবানুমুক্ত রাখার জন্য বোর্ডের সকল কর্মকর্তা ও কর্মীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। করোনা কালীন সময়ে এই কাজ করাটা চ্যালেঞ্জের হলেও এ জন্য পর্যাপ্ত সংক্ষক পরিচ্ছন্ন কর্মীকে নিযুক্ত করা হয়েছে। বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমরা এ বিষয়ে খুবই সজাগ । কারণ বিলম্ব না করে যত দ্রুত সম্ভব ক্রিকেটারদেরকে আমরা মাঠে ফেরাতে চাই। প্রাথমিক ভাবে অনুশীলনের মাধ্যমে ক্রিকেট মাঠে ফেরাতে চাই। এই কারণে আমরা আমাদের মাঠ ও অনুশীলন স্থলকে কার্যকর ও সম্পুর্ন প্রস্তুত রাখতে চাই। ...

বলিউডের প্রখ্যাত কোরিওগ্রাফার সরোজ খান আর নেই

০৩,জুলাই,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস খবর প্রকাশ করেছে, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিনগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে হৃদরোগের কাছে পরাস্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলিউডের গুণী এই কোরিওগ্রাফার। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ডায়াবেটিসজনিত বিভিন্ন অসুস্থতায় ভুগছিলেন সরোজ খান। সংসার জীবনে ছেলে হামিদ খান এবং মেয়ে হিনা ও সুকিনা খান নামের তিন সন্তান রেখে গেছেন। তিন বছর বয়স থেকে শিশু নৃত্যশিল্পী হিসেবে পথ চলা শুরু করেন সরোজ খান। শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না ছোট্ট সরোজের। শুধুমাত্র নিজের আত্মবিশ্বাস এবং চূড়ান্ত লড়াই তাকে বসিয়েছিল বলিউডের সেরার আসনে। তার হাত ধরেই বলিউডের একের পর এক সুপারস্টার নাচের তালে দেশবাসীকে মুগ্ধ করেছেন। ১৯৭৮ সালে গীতা মেরা নাম সিনেমায় স্বতন্ত্র কোরিওগ্রাফার হিসেবে প্রথম ব্রেক পান। ঝুলিতে রয়েছে তিনটি জাতীয় পুরস্কারসহ অজস্র খেতাব। ২০০০-এর বেশি গানে কোরিওগ্রাফ করেছেন তিনি। মিস্টার ইন্ডিয়ার হাওয়া হাওয়াই, তেজাব- এর এক দো তিন, দেবদাস- এর দোলা রে দোলা ইত্যাদি গানের কোরিওগ্রাফি সরোজ খানকে ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে স্মরণীয় করে রাখবে। বেটা সিনেমার বিখ্যাত সেই ধক ধক করনে লাগার কোরিওগ্রাফি মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এক সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে চিরকাল স্বীকৃতি পাবে বলে মত নৃত্য মহলের। তবে দীর্ঘদিন বলিউডের কোনও সিনেমায় কাজ করেননি তিনি। শেষ কাজ করেছিলেন ২০১৯ সালে করণ জোহর প্রয়োজিত কলঙ্ক সিনেমায়।...

আফরান নিশোর সঙ্গে ফিরছেন আমেরিকা প্রবাসী মোনালিসা

০২,জুলাই,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছোটপর্দার এক সময়ের তুমুল জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী মোনালিসা ২০১৩ সাল থেকে আমেরিকায় বসবাস করছেন। মাঝে মধ্যে দেশে ফেরেন। অভিনয়ও করেন। বর্তমানে আমেরিকার বিশ্ববিখ্যাত কসমেটিকস ও বিউটি প্রোডাক্ট সরবরাহকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান- সেফোরার বিউটি অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করছেন মোনালিসা। মাঝেমাঝে দেশে আসেন। সেই ফাঁকে কাজ করেন শোবিজে। বিশেষ করে বছরে দুই ঈদ উপলক্ষে নাটক-টেলিছবিতে কাজ করতে দেখা যায় তাকে। তেমনি একটি টেলিফিল্ম- কী জানি কী হয়। বেশ আগে এর শুটিং করেছিলেন মোনালিসা। সেটি এবার প্রচারে যাচ্ছে। চ্যানেল আইতে আগামীকাল ৩ জুলাই বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে দেখানো হবে টেলিফিল্মটি। টেলিছবিটিতে মোনালিসার বিপরীতে অভিনয় করেছেন আরফান নিশো। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর মোনালিসার দেখা পাবেন দর্শক। স্বর্ণের প্রতি সব মানুষেরই আকর্ষণ থাকে। হঠাৎ একগাদা স্বর্ণ এমনি এমনি পেয়ে গেলে খুশির আর সীমা থাকে না। তবে কখনো কখনো স্বর্ণ পাওয়া কাল হয়ে দাঁড়ায়। স্বর্ণ পাওয়া এমনই এক হতভাগ্য দম্পতির গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে টেলিফিল্ম- কী জানি কী হয়!। এখানো মোনালিসা ও আফরান নিশোর সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন সাজু খাদেম। আর টেলিছবিটির রচনা ও পরিচালনা করেছেন মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ।...

অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যসহ ১১ জন বরখাস্ত

২জুন,মঙ্গলবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে একদিনেই ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিভাগটি। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যান, একজন পৌরসভার কাউন্সিলর ও ৬জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দরিদ্র মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাঁদের মধ্যে চারজন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ছয়জন ইউপি সদস্য এবং একজন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানেরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপির মো. আনোয়ারুল হক, একই জেলার বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউপির হাজী মো. কাজল ভূইয়া, বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউপির মো. শাহনেওয়াজ এবং নলটোনা ইউপির হুমায়ুন কবীর। বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিংপুর ইউপির চেয়ারম্যান করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় ত্রাণকাজে সহায়তা না করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। বাজিতপুরের হালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ ছাড়া করোনোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি, এপ্রিল মাসের ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ না করা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে ব্যর্থ হওয়া এবং কারণ দর্শানোর পরিপ্রেক্ষিতে নিজে জবাব প্রদান না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়া। বরগুনার এম বালিয়াতলী ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে মৎস্য ভিজিএফের চাল ৮০ কেজির জায়গায় ৬০ কেজি দেওয়া এবং তালিকার বাইরেও অন্যদের চাল দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। নলটোনা ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, ভুয়া টিপসইয়ের মাধ্যমে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলার মজলিশপুর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারিছ মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাছান মিয়া, বরগুনা জেলার সদর উপজেলাধীন নলটোনা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হারুন মিয়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হানিফ, ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. রানী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. ছাবিনা ইয়াসমিন। বরখাস্ত হওয়া পৌরসভার কাউন্সিলর হলেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোলাইমান বাবুল।...

প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে বিদেশে পাঠায় চক্রের অন্যতম হোতা কামাল

১জুন,সোমবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়ায় ২৬ জন বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় মানব পাচারকারী চক্রের অন্যতম হোতা কামাল হোসেন ওরফে হাজী কামালকে গ্রেফতার করেছে RAB। প্রায় ৪শ লোককে অবৈধভাবে তিনি বিদেশে পাঠায়। RAB বলছে, তিনিই বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে মানবপাচারকারীর মূল হোতা। এরসঙ্গে যারা জড়িত তাদের বিষয়ে অনুসন্ধান করছে RAB। বাংলাদেশ থেকে লিবিয়া হয়ে অবৈধ ভাবে ইতালিতে যাওয়া। তারা বিভিন্ন শ্রমিকদের যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে প্রলোভন দেখানো হয়। এবং তাদের বিদেশে যাওয়ার পরই বাকি টাকা দেবে। এ ধরনের আশ্বাস দেয়া হয়। আমারা একাধিক দালাল পেয়েছি। তারা মাদারীপুর, শরিয়রতপুরসহ বিভিন্ন জেলার লোক রয়েছে। তারা প্রথমে বাইরুটে ঢাকা থেকে কলকাতা নেয়া হয়। এই হাজী কামালই সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা বাংলাদেশ থেকে ১০-১৫ দিন লাগে বেনগাজীতে যাওয়ার। এ চক্রটি লিবিয়াতে যাওয়ার পরই তারা টাকার জন্য পেশার দেয়া শুরু হয়। RAB জানায়, লিবিয়ার ত্রিপোলিতে কিছু কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এই বেনগাজীতে পৌঁছানোর পরই তাদের পরিবারের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায় করা হয়। এরপর তাদের ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়া হয়। ত্রিপোলিতে নিয়ে যাওয়ার জন্য আবারও পরিবারের কাছে ২ থেকে তিন লাখ টাকা দাবি করা হয়। সেখানে তাদের শুরুতে ভূমধ্যসাগরে বোট চালানোর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। তিনি গত ১০-১২ বছরে ৪শ লোককে পাঠিয়েছেন। তার সঙ্গে যুক্ত আছেন ১৫-১৬ জন। আমরা পুরো সার্কিটের তথ্য পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযান চলতে থাকবে। গত ২৮ মে লিবিয়ার মিজদা শহরে ২৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মারা যাওয়া ২৬ জনসহ ৩৮ বাংলাদেশি ও কিছু সুদানি নাগরিক প্রায় ১৫ দিন ধরে ওই অপহরণকারী চক্রের হাতে আটক ছিলেন। ইতালিতে অভিবাসনের উদ্দেশে ওই ৩৮ জন বাংলাদেশ থেকে অবৈধ পথে লিবিয়ায় যান।...

নিউজ একাত্তরের চট্টগ্রাম অফিস সাময়িক বন্ধের বিজ্ঞপ্তি

২০জুন,শনিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারীর কারণে সারাদেশে সাধারন ছুটির আওতায় সকল মার্কেট বন্ধ থাকার কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে নিউজ একাত্তরের চট্টগ্রাম অফিস বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে উক্ত অফিসের দুজন কর্মচারীর করোনা উপসর্গ নিয়ে বাসায় চিকিৎসাধীন থাকার কারণে এবং সরকারের ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি ও আদেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে আগামী ০১ লা জুন ২০২০ হইতে ৩১শে আগস্ট ২০২০ পর্যস্ত নিউজ একাত্তরের চট্টগ্রাম অফিস বন্ধ থাকবে তবে যথারিতি অনলাইন চালু থাকবে। সাময়ীক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত। আদেশক্রমে-কতৃপক্ষ। ...

করোনা সংক্রমণ রোধ ও মানুষ বাঁচানোই এখন আওয়ামী লীগের একমাত্র রাজনীতি : ওবায়দুল কাদের

২৫,জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধ ও মানুষ বাঁচানোই হচ্ছে এখন আওয়ামী লীগের একমাত্র রাজনীতি। তিনি বলেন, দেশের এই সংকটকালে সরকার ও আওয়ামী লীগ কোনো রাজনীতি করছে না। করোনার সংক্রমণ রোধ ও মানুষ বাঁচানোই হচ্ছে এখন একমাত্র রাজনীতি। ওবায়দুল কাদের আজ বুধবার তাঁর সংসদ ভবনস্থ সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক আনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এক বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি মহাসচিব বরাবরের মতো সরকারের বিরুদ্ধে বিরূপ সমালোচনা করতে গিয়ে বিরাজনীতি করণের অভিযোগ এনেছেন। এ সংকটকালে সরকার তো কোন রাজনীতি করছে না? এমন কি আওয়ামী লীগও এসময়ে কোন রাজনৈতিক কার্যক্রম করছে না। তিনি বলেন, যদি কোন রাজনৈতিক দল দেশের স্বার্থে ভালো পরামর্শ দিতে চায়, সেটা সরকার গ্রহণ করবে। কোন ভুল হলে ভুল সংশোধন করার সৎ সাহস সরকারের রয়েছে। সরকারের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে বিএনপির মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রকৃতপক্ষে নেতিবাচক ও অন্ধ সমালোচনা নির্ভর রাজনীতির জন্য বিএনপিরই পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। বক্তৃতা, বিবৃতির মাধমে সরকারের সমালোচনা করা ছাড়া বিএনপির এখন আর কোন রাজনীতি নেই। অসহায় মানুষ থেকে তাদের অবস্থান এখন যোজন যোজন দূরে। ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের সরকারি ও অনেক বেসরকারি হাসপাতালগুলো যখন করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবাদানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। ফ্রন্টলাইনে কর্মরত যোদ্ধারা জীবন বাজী রেখে কাজ করছেন। তখন কিছু হাসপাতাল-ক্লিনিক যে কোনো সাধারণ সেবায় গেলেও বাধ্যতামূলক করোনা টেস্ট করানোর কথা বলছে, কিংবা করোনা রিপোর্ট ছাড়া চিকিৎসা দিচ্ছেন না। এমনকি কোনো কোনো হাসপাতাল রোগী ভর্তি না করার জন্য নানান ছলচাতুরী আশ্রয় নিচ্ছে, এ মুহূর্তে এটা সমীচীন নয়। তিনি বলেন, আবার করোনা টেস্টের ক্ষেত্রে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান স্মার্ট এবং দ্রুত সেবা দিলেও কারো কারো বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। একদিকে টেস্টের সিরিয়াল পেতে সময় লাগে অন্যদিকে নমুনা দেবার পর রেজাল্ট পেতে লাগছে কয়েক দিন। অহেতুক এসময়ক্ষেপণে রোগী ও তার আত্মীয় স্বজনরা যেমন উদ্বিগ্ন হচ্ছে, তেমনি মনোবল হারানোর পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। আবার অনেকে মৃত্যুর মুখেও পতিত হচ্ছেন। এসকল প্রতিষ্ঠানকে স্বল্প সময়ে রিপোর্টদান এবং নমুনা সংগ্রহের সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি সেবার মান বাড়ানোর আহ্বান জানচ্ছি। বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, কিছু বেসরকারি হাসপাতাল যারা মানুষের অসহায়ত্ব নিয়ে বাণিজ্য করছে। তাদের এব্যাপারে সর্তক হওয়া উচিত। এ দুর্যোগে মানবিক হওয়া উচিত। অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা পরিহার করে সঠিক সেবা দান করুন। জটিল রোগীদের তাৎক্ষণিক সেবা প্রদান দেরি হলে তা মৃত্যুর ঝুঁকিতে পতিত হবে। রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে যারা সমন্বয়ের কথা বলেন তাদের উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, পৃথিবীর কোথাও কি এমন নজীর আছে? করোনা প্রতিরোধে চিকিৎসা সেবা প্রদান রাজনীতিবীদের কাজ নয়, যাদের দরকার, সেসব বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি করা হয়েছে, তাদের মতামত নিয়েই সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ৬৬টি পরীক্ষাগারে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। সরকার পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলায় নমুনা পরীক্ষার সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। ওবায়দুল কাদের আশা প্রকাশ করে বলেন, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতি যেমনি লক্ষ্য অর্জন করেছে, তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পারস্পরিক সহমর্মিতা,ত্যাগ ও স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের মাধ্যমে উত্তরনের পথে জাতি এগিয়ে যাবে। ...

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন

২৪,জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও উন্নয়নে আওয়ামী লীগের অবদান, ত্যাগের কথা তুলে ধরে দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বই বঙ্গবন্ধু এ দেশ স্বাধীন করেছেন, নিয়েছেন নানান পদক্ষেপ। আর তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের উচ্চ শিখরে নিয়ে যাচ্ছেন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) আয়োজিত বিশেষ ওয়েবিনার গণমানুষের দল আওয়ামী লীগের ৭১ বছর শীর্ষক আলোচনা সভায় একথা বলেন তিনি। অনলাইনে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, লে. কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ ফারুক খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক অজয় দাশগুপ্ত। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, ১৯৪৮ সালে বঙ্গবন্ধুর হাত ধরেই ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। বঙ্গবন্ধু সারা জীবন এ দেশ ও দেশের মানুষের জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছেন, চৌদ্দ বছর জেল খেটেছেন বাংলাদেশের মুক্তির সংগ্রামের জন্য। তিনি যখন ছয় দফা দেন তখন বাংলাদেশে অনেক নেতা ছিল যারা ছয় দফাকে সমর্থন করেননি। অথচ এই ছয় দফা বাংলার মানুষের মুক্তির সনদ হিসেবে চিহ্নিত হয় এবং এই ছয় দফার ভিক্তিতেই ঊনসত্তরের গণঅভ্যুথান হয় এবং সত্তরের নির্বাচনে জয় পান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তারই কন্যা শেখ হাসিনার অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বই বঙ্গবন্ধু এ দেশ স্বাধীন করেছেন, নিয়েছেন নানান পদক্ষেপ। আর তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের উচ্চ শিখরে নিয়ে যাচ্ছেন। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান বলেন, বঙ্গবন্ধু এ দেশ স্বাধীন করে দেশকে উন্নত করতে বহু কাজ করে গেছেন। আর বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্র হবে বলে বিশ্বাস করি। বাংলাদেশ যা কিছু অর্জন করেছে সেটা বঙ্গবন্ধুর মতো নেতা ছিল বলে, আজকেব জননেত্রী শেখ হাসিনা আছেন বলেই আজ বিশ্বে বাংলাদেশ রোল মডেল। অনুষ্ঠানে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানান দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ভার্চ্যুয়াল এ আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক সুভাষ সিংহ রায়। ...

জুম আর খুতবা- ইসলামে পরনিন্দা হারাম

০৩,জুলাই,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি মুমীনদেরকে পরস্পর কল্যাণধর্মী ও তাকাওয়াভিত্তিক কাজে সহযোগী হওয়ার নির্দেশ করেছেন। একে অপরের মান সম্মান ও সম্পদের মর্যাদা রক্ষায় বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেছেন। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নেই, তিনি একক, অদ্বিতীয়। তাঁর কোন অংশীদার নেই, তিনি আসমান ও জমীনের অধিপতি। আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আমাদের মহান নবী অভিভাবক হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রিয় বান্দা ও মনোনীত রাসূল। তাঁর উপর দরুদ সালাম বর্ষিত হোক, তাঁর পবিত্র বংশধরগণ সম্মানিত সাহাবাগণ এবং নিষ্ঠার সাথে তাঁর পদাঙ্ক অনুসারীদের উপর অসংখ্য করুণাধারা বর্ষিত হোক। হে মানব মন্ডলী! আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করুন। মুসলিম ভাতৃত্বের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট থাকুন। মুসলমান হিসেবে অন্য মুসলমানের গীবত করার মতো জগন্যতম মারাত্মক ব্যাধি থেকে নিজকে রক্ষা করুন। আলকুরআনের আলোকে পরনিন্দা: মহান আল্লাহ তায়ালা গীবতের ভয়াবহ পরিণতি ও কঠিন শাস্তির কথা ঘোষণা করেছেন, গীবতকারী ও পরনিন্দাকারীকে মৃত-ভ্রাতার মাংস ভক্ষণ করার সাথে তুলনা করা হয়েছে। এরশাদ হয়েছে হে মুমীনগণ তোমরা অনেক ধারণা বর্জন করো, নিশ্চয় কোন কোন ধারণা পাপ আর তোমরা পরস্পর দোষ অনুসন্ধান করোনা এবং একে অপরের গীবত করোনা। তোমাদের মধ্যে কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের মাংস ভক্ষণ করতে পছন্দ করবে? তোমরা তো অবশ্যই তা ঘৃণা করো। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয় আল্লাহ তাওবা কবুলকারী, পরম দয়ালু। (সুরা, আহযাব, আয়াত নং ১২)। গীবত অর্থ ও প্রাসঙ্গিক কথা: গীবত একটি আরবি শব্দ। কোন মানুষের অনুপস্থিতিতে তার সম্পর্কে তার এমন কোন দোষ অন্যজনের কাছে বলা বা প্রচার করা যা সে অপছন্দ করে বা শুনলে মনে কষ্ট পাবে তাই গীবত। বা পরনিন্দা। শরিয়তে গীবতকে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। এটা এমন এক মারাত্মক ব্যাধি যে ব্যাধিতে আজ গোটা সমাজ আক্রান্ত। পরিবার সমাজ ও দেশের সর্বত্র কোন না কোনভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কমবেশী সকলেই আজ এ অপকর্ম তথা গুনাহের সাথে জড়িত। তবে আল্লাহ যার প্রতি বিশেষ দয়াপরবশ হন তিনি ব্যতীত। গীবত শব্দের বাংলারূপ পরনিন্দা, পরচর্চা, নিন্দা করা বা কুৎসা রটনা করা অর্থাৎ কারো অনুপস্থিতিতে তার সম্বন্ধে খারাপ মন্তব্য করা, মন্দ কিছু বলা, যা কিছু বলা হয় তা যদি সত্যিই তার মধ্যে থাকে তা অবশ্যই গীবত হবে। আর যদি তা তার মধ্যে না থাকে তা অপবাদ হিসেবে গণ্য হবে। প্রখ্যাত তাবেঈ হযরত হাসান বসরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনামতে অন্যের কুৎসা রটনায় তিন ধরনের গুনাহ হতে পারে। ১. অন্যের মধ্যে যে দোষ রয়েছে তা আলোচনা করা গীবত। ২. যে দোষ তার মধ্যে নেই তা আলোচনা করা অপবাদ। ৩. যাচাই বাছাই করা ব্যতীত তার সম্পর্কে কেবল শুনা কথা আলোচনা করা মিথ্যাচার করার শামিল। (সূত্র. ইমাম গাযযালী: ইয়াহ্ইয়াউ উলুমুদ্দীন, খন্ড ৩৩, পৃ. ১৪৪)। গীবত ব্যবিচারের চেয়েও মারাত্মক: হযরত আবূ সাঈদ রাদ্বিয়াল্লাহু তা আলা আনহু হতে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, গীবত হলো ব্যভিচারের চেয়েও মারাত্মক। সাহাবাগণ বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ গীবত কি করে ব্যভিচারের চেয়ে মারাত্মক? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কোন ব্যক্তি যদি ব্যভিচার করার পর তাওবা করে আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন, কিন্তু যার গীবিত করা হয়েছে সে যদি গীবতকারীকে ক্ষমা না করে তাহলে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন না। (বায়হাক্বী শরীফ)। হযরত আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করলেন, তোমরা কি জান? গীবত কাকে বলে? সাহাবাগণ বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই সবচেয়ে ভাল জানেন। রসূলুল্লাহ্ এরশাদ করেন, তুমি তোমার মুসলমান ভাইয়ের আলোচনা (তার অনুপস্থিতিতে) এমনভাবে করবে যে সে তা শুনলে অসন্তুষ্ট হবে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্কে প্রশ্ন করা হলো যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে তা বিদ্যমান থাকে তাহলেও কি গীবত? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেন তুমি যা বলছ তা যদি তার মধ্যে বিদ্যমান থাকে তা হবে গীবত। আর তা যদি তার মধ্যে বিদ্যমান না থাকে তা হবে অপবাদ। (মুসলিম শরীফ)। গীবতের তথা পরনিন্দার ধরণ: পরনিন্দা ও পরচর্চায় লিপ্ত এক শ্রেণির লোক অন্যজনের দোষত্রুটি কুৎসা রটনা ও সমালোচনামূলক গর্হিত কাজে সর্বদা ব্যস্ত থাকে। ব্যক্তির চলাফেরা, দেহাকৃতি, চোখ, নাক, কান, হাত, পা, উঠাবসা, কাজ-কর্ম, বংশ, চরিত্র, ধর্মকর্ম পোশাক পরিচ্ছদ ইত্যাদি বিষয়ে ব্যাঙ্গাত্মক মন্তব্য করা তার অনুপস্থিতিতেও অরুচিকর অশোভন, অপ্রিয় কথা বলা, এসবই গীবতের পর্যায়ভুক্ত। গীবতের কারণ: ক. পরনিন্দা বা গীবতের অন্যতম প্রধান কারণ হলো ক্রোধ, হাদীস শরীফে এসেছে, বলবান সেই নয় যে কুস্তিতে অন্যজনকে পরাজিত করেছে বরং সেই বলবান যে ক্রোধের সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। আমাদের সমাজে কেউ কারো প্রতিক্ষুদ্ধ হলে অবলীলায় তার দোষত্রুটি বর্ণনা করতে থাকে, সত্য মিথ্যা, ভাল-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, হালাল-হারাম, তোয়াক্কা না করে স্বাধীনভাবে ব্যক্তির বিরুদ্ধে যা ইচ্ছা তাই ব্যক্ত করতে থাকে। গীবতের মাধ্যমেই ক্রোধ নিবারণ করতে থাকে। তবে আদর্শবান মুত্তাকী পরহেযগার দীনদার চরিত্রবান শান্তিপ্রিয় ও মুক্তিকামী সত্যান্বেষী মানুষেরা গীবতের পরিণাম ও ভয়াবহতা সম্পর্কে অবগত। তারা ক্রোধের বশবর্তী হয়ে গীবতের আশ্রয় নেয় না। তারা গীবত পরিহার করেন। খ. সহযোগীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশের জন্য গীবত করা: অনেকে আছেন যারা বন্ধু-বান্ধব ও ঘনিষ্টজনদের সন্তুষ্টি অর্জনের স্বার্থে অন্যজনের গীবত চর্চায় লিপ্ত হয়। তারা মনে করে এ কাজে বন্ধুবান্ধবদের সাথে দ্বিমত প্রকাশ করলে সম্পর্কের অবনতি ঘটবে, দূরত্ব সৃষ্টি হবে, মনোমালিন্য হবে, বন্ধু-বান্ধবদের অন্তরে ক্ষোভ বা অসন্তেষ সৃষ্টি হতে পারে তাই সঙ্গী সাথীদের সাথে তাল মিলিয়ে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সন্তুষ্টিকে অগ্রাহ্য করে গুনাহের বোঝা মাথায় নিয়ে অন্যজনের গীবত করা হয়, এ অনৈতিক আচরণ ও গর্হিত বিবেকবর্জিত বদ আমল তাকে জাহান্নামে নিয়ে যাবে। মুমিনের জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য হবে একমাত্র প্রতিটি কাজে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সন্তুষ্টি অর্জন। গ. অন্যকে তুচ্ছ করার জন্য গীবত করা: অন্যকে তুচ্ছ করা ও নিজকে বড় মনে করার মনোভাব পোষণ করে অন্যজনের গীবত করা হয়। যেমন অনেক জ্ঞানী লোককে দেখা যায় অপর জ্ঞানী লোককে নিজের প্রতিপক্ষ ভেবে তার উপর নিজের কর্তৃত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করার জন্য তাকে হেয় ও তুচ্ছভাবে উপস্থাপন করা হয়। সংকীর্ণ মানসিকতা, স্বার্থপরতা, হীনমন্যতা ও অহংকারবোধে অন্যকে কলংকিত করার জন্য গীবত করা হয়। এ ধরনের গর্হিত চরিত্রের লোকেরা সমাজের জন্য ক্ষতিকর। মাযহাব, মিল্লাত, ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার পবিত্র অঙ্গনে এ ধরনের লোকদের ভূমিকা নিতান্তই নিন্দনীয়, সমাজে এরা ঘৃণিত। ঘ. ঈর্ষাপরায়ণতা: এক শ্রেণির লোক অন্যজনের উন্নতি অগ্রগতি সুনাম, খ্যাতি মোটেই সহ্য করতে পারেনা, সর্বজনশ্রদ্ধেয় গুণিজন ও শ্রদ্ধার পাত্র সম্মানিত ব্যক্তিদের সর্বত্র গ্রহণযোগ্যতার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে অনেক সময় ব্যক্তির গীবত করা হয়, এতে গীবতকারীই ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও নিন্দিত হয়। ঙ. কর্ম বিমুখতা: অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা। বেকারত্ব দেশ ও জাতির জন্য অভিশাপ। কর্মবিমুখ অলস ব্যক্তির সময় কাটেনা, শয়তানের প্ররোচনায় তারা অন্য জনের দোষত্রুটি, কুৎসা ও সমালোচনায় লিপ্ত হয়ে সময় অতিবাহিত করে। নিজের স্বার্থের বিপরীতে অপছন্দের লোকের গীবত চর্চা করে আত্মতুষ্টি লাভ করে। চ. পরনিন্দা করা অযোগ্য ও হিংসুক লোকের চরিত্র: অনেক সময় কম যোগ্যতাসম্পন্ন লোকেরা যোগ্যতাসম্পন্ন দায়িত্বশীল লোকদের সামনে নিজদের কর্মদক্ষতা, যোগ্যতা প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গীবত, সমালোচনা করে নিজের অযোগ্যতা অদক্ষতা, কর্মবিমুখতা, ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চালায়। মানুষের বিরুদ্ধে নিন্দুক সমালোচক শ্রেণির লোকদের স্মরণ করিয়ে দেয়া দরকার যে, ইসলামী আদর্শ ও কুরআন সুন্নাহর বিধি বিধানে অনর্থক কথা ও কাজের কোন মূল্য নেই। অনর্থক কথা ও কাজে সময় ও শ্রম দুটোই বিনষ্ট হয়, আমল বরবাদ হয়ে যায়, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন- হযরত আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, অনর্থক কথা ও কাজ ছেড়ে দেয়া ইসলামের অন্যতম শোভাবর্ধক স্বভাব। (তিরমিযী শরীফ)। মাগফিরাত কামনা গীবতের কাফ্ফরা: হাদীস শরীফে এরশাদ হয়েছে- হযরত আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, গীবতের কাফ্ফারা হলো, এ যে, তুমি যার গীবত করেছ তার মাগফিরাত কামনা করে দুআ করো। তুমি দুআ এভাবে করবে যে, হে আল্লাহ তুমি আমার এবং তার গুনাহ ক্ষমা কর। (বায়হাকী শরীফ) আল্লাহ আমাদের আপনাদের সকলকে কুরআনের বরকত দান করুন। কুরআনের আয়াত ও প্রজ্ঞাপূর্ণ উপদেশ দ্বারা আমাদের নাজাত দান করুন। নিশ্চয় তিনি মহান দানশীল, সৃষ্টি জগতের মালিক পূণ্যময় অনুগ্রহশীল ও দয়ালু। আল্লাহ তাআলা গীবত করা থেকে সকলকে হিফাজত করুন- আমীন। লেখক : অধ্যক্ষ, মাদরাসা-এ তৈয়্যবিয়া ইসলামিয়া সুন্নিয়া ফাযিল (ডিগ্রী), বন্দর, চট্টগ্রাম; খতীব, কদম মোবারক শাহী জামে মসজিদ।...

দেখা মিলল পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন আকাশের

৩জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পৃথিবীর সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন আকাশের সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। যার বায়ুমণ্ডল মানুষের কর্মকাণ্ড দ্বারা তৈরি ক্ষতিকর কণা থেকে মুক্ত। অ্যান্টার্কটিকা ঘিরে থাকা দক্ষিণ মহাসাগরে পাওয়া গেল সেই স্থান। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, কলোরোডা স্টেট ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক দক্ষিণ সাগরে বায়োঅ্যারোসল কম্পোজিশনের ওপর গবেষণা করে বিরল এ বায়ুমণ্ডলের দেখা যান। এ ধরনের গবেষণা এবারই প্রথম। আবহাওয়া ও জলবায়ু ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। যা আবার বিশ্বের এক প্রান্তের সঙ্গে অন্য প্রান্তকে সংযুক্তও করে। এ কারণ এক অঞ্চলের পরিবর্তন অন্য অঞ্চলেও প্রভাব ফেলে। এরই মাঝে বিজ্ঞানী ও গবেষকরা মানুষের কর্মকাণ্ড দ্বারা প্রভাবিত হয়নি এমন অঞ্চল খুঁজে চলছিলেন। অধ্যাপক সনিয়া ক্রেইডেনউইজ ও তার দল আগেই সন্দেহ করেছিলেন পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলের চেয়ে দক্ষিণ মহাসাগরের বায়ুমণ্ডল মানুষ ও ধূলিকণা দ্বারা কম ক্ষতিগ্রস্ত। তারা দেখেন বায়ু মণ্ডলের একদম নিচের স্তর জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার, নির্দিষ্ট ফসল বপন, সার উৎপাদন বা বর্জ্য পানি নিষ্কাশন বা এ ধরনের দূষণ দ্বারা প্রভাবিত নয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ফলাফল উত্তর গোলার্ধের চেয়ে একদম ভিন্ন। ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস জার্নালে সোমবার এ গবেষণা ফলাফল প্রকাশ হয়। সেখানে অ্যান্টার্কটিকার ওই অঞ্চলকে- সত্যিই আদিম বলে উল্লেখ করা হয়। বায়ু দূষণ ইতিমধ্যেই বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সংকট হিসেবে বিবেচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, বছরে এ কারণে ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, বায়ু দূষণ ভৌগলিক সীমানা পার হতে পারে সহজে। দূষণের উৎসের শত শত মাইল দূরের মানুষকেও আক্রান্ত করে। ...

জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন। ...

জলাবদ্ধতা নিরসন,মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থান ও প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাবো

২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংরক্ষিত মহিলা আসন ২২, ৩০ ও ৩১ এর মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ২৪শে ফেব্রুয়ারি্ বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ জানিয়েছেন, তিনি চলতি মেয়াদে(২০১৬-২০২০ইং) ২২,৩০ ও ৩১ নং ওয়ার্ডের এর মহিলা কাউন্সিলর হিসাবে আছেন। বর্তমানে তিনি কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা। সেই সাথে তিনি বেশ কিছু সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে ও যুক্ত আছেন, একাধারে মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদিকা, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট যুগ্ম সাধারন সম্পাদিকা বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মহিলা শাখার মহানগর সাধারন সম্পাদিকা। তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই সাথে তার তিন ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসন ও মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্ভি করার জন্য কাজ করে যাবেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন,তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য।তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি গর্বিত প্রধানমন্ত্রীর একজন কর্মী হিসাবে। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। তিনি তার ওয়ার্ডের পুরুষ কমিশনার, মেয়র ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে তার তিন ওয়ার্ডের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। এলাকার বিশেষ বিশেষ সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের জন্য কাজ করে যাবেন। প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাবেন। যেহেতু মহিলা কাউন্সিলরদের তেমন কাজ থাকে না তবুও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন এবং আগামীতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন। তিনি জানান, তার তিন ওয়ার্ডের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। তার তিন ওয়ার্ডই জলাবদ্ধ প্রবন এলাকা তাই মেয়র ও সাধারন(পুরুষ)কাউন্সিলরের সহযোগিতা নিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন। তিনি বিগত পাঁচ বছরে মেয়রের সহযোগিতায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করেছেন। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতা করে যাবেন। তার ওয়ার্ডের সাধারন(পুরুষ) কমিশনার, মেয়র এর যৌথ সমন্বয়ে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন। বিশেষ করে আমাকে মনোনয়ন দেয়া তিন ওয়ার্ডের নারীদের কে বিভিন্ন সহযোগিতা দিয়ে স্বাবলম্ভি করে গড়ে তোলা। আমি এদের জীবন মান উন্নয়ন ও কল্যানে সাধ্যমত কাজ করে যাব। তিনি ২২,৩০ ও ৩১ ওয়ার্ডের জনগনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের আস্থার প্রতিফলন ঘটাবেন। ...

নিউজ একাত্তরের চট্টগ্রাম অফিস সাময়িক বন্ধের বিজ্ঞপ্তি

২০জুন,শনিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারীর কারণে সারাদেশে সাধারন ছুটির আওতায় সকল মার্কেট বন্ধ থাকার কারণে গত ২৬ মার্চ থেকে নিউজ একাত্তরের চট্টগ্রাম অফিস বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে উক্ত অফিসের দুজন কর্মচারীর করোনা উপসর্গ নিয়ে বাসায় চিকিৎসাধীন থাকার কারণে এবং সরকারের ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি ও আদেশের প্রতি সম্মান জানিয়ে আগামী ০১ লা জুন ২০২০ হইতে ৩১শে আগস্ট ২০২০ পর্যস্ত নিউজ একাত্তরের চট্টগ্রাম অফিস বন্ধ থাকবে তবে যথারিতি অনলাইন চালু থাকবে। সাময়ীক অসুবিধার জন্য আমরা দু:খিত। আদেশক্রমে-কতৃপক্ষ।


জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন।

জামাল নজরুল ইসলাম ছিলেন চট্টগ্রাম তথা পুরো দেশের গর্ব ও বিশ্বের সম্পদ

৩০জুন,মঙ্গলবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: যা হোক, শেষ পর্যন্ত সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এবং অকুণ্ঠ সহযোগিতা অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে যোগদান করতে সমর্থ হয়েছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যোতির্বিজ্ঞান ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণার জন্য উন্নত মানের একটি গবেষণাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। এর অধীনে অনেক শিক্ষার্থী মাস্টার্স ও পিএইচ.ডি. করেছে এবং তাদের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অবকাশ নেই। একাধারে পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিজ্ঞানী, বিশ্বতত্ত্ববিদ ও অর্থনীতিবিদ জেএন ইসলাম সম্পর্কে বলতে গিয়ে হকিং বলেছিলেন, জেএন ইসলাম আমার রুমমেট, বন্ধু এবং আমরা ছিলাম পরস্পর পরস্পরের শিক্ষক। জামাল নজরুল ইসলাম সেরা। আমি তার কাছে কিছুই না। সারা বিশ্বে বিজ্ঞানী মহলে জেএন ইসলাম জিনিয়াস ইসলাম নামেও পরিচিত ছিলেন। জাপানি প্রফেসর মাসাহিতো বলেছেন, ভারতের বিখ্যাত জ্যোতিপদার্থ বিজ্ঞানী জয়ন্ত নারলিকা জেএন ইসলামের সহপাঠী ছিলেন। ফ্রেডরিক হয়েল, নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী ব্রায়ান জোসেফসন, স্টিফেন হকিং, প্রফেসর আব্দুস সালাম, রিচার্ড ফাইনমেন, অমর্ত্য সেন প্রমুখ ছিলেন জামাল নজরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাদের মুখে আমি অনেক বার জেএন ইসলামের কথা শুনেছি। জেএন ইসলামের দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স লেখা হয়েছে ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে কিন্তু হকিংয়ের অ্যা ব্রিফ হিস্টরি অব টাইম লেখা হয়েছে ১৯৮৮ খ্রিস্টাব্দে। দুটি গ্রন্থ তুলনা করলে নিঃসন্দেহে জেএন ইসলামের বইটি যে কোনো বিবেচনায় শ্রেষ্ঠ। কিন্তু ব্রিফ হিস্টরি অব টাইম নিয়ে আমরা যে তোলপাড় করেছি, জেএন ইসলামের আল্টিমেট ফেইট নিয়ে তার এক সহশ্রাংসও করিনি। হকিং তাঁর মূল্যবান গবেষণা সময়ের অধিকাংশই ব্যয় করতেন বাঙালি প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলামের সঙ্গে। তাদের সম্পর্ক ব্যক্তিগত বন্ধুত্ব থেকে পারিবারিক বন্ধুত্বে উন্নীত হয়েছিল। হকিংয়ের জ্যেষ্ঠ ছেলে রবার্ট, কন্যা লুসি এবং কনিষ্ঠ ছেলে থিমোতি জামাল নজরুল ইসলামের সঙ্গ খুব পছন্দ করতেন। জামাল নজরুল ইসলামের দুই মেয়ে সাদাফ যাস সিদ্দিকি ও নার্গিস ইসলাম ছিলেন তাদের খুব আদরের। সাদাফ যাসের আমন্ত্রণে লুসি ২০১৪ খ্রিস্টাব্দের নভেম্বর মাসে লিট ফিস্টে যোগ দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ এসেছিলেন। অর্থশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অমর্ত্য সেন ছিলেন জামাল নজরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশে এলে বন্ধু জামাল নজরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করার জন্য চট্টগ্রাম চলে গিয়েছিলেন। ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী বিজ্ঞানী আবদুস সালাম বাংলাদেশে এলে বিমান বন্দরে নেমে বলেছিলেন, জেএন ইসলামকে খবর দিন। ওই সফরে জেএন ইসলামকে একটা পদকও দিয়েছিলেন প্রফেসর আবদুস সালাম। উল্লেখ্য, বয়সে জামাল নজরুল ইসলাম ছিলেন হকিংয়ের সিনিয়র কিন্তু আবদুস সালাম এবং অমর্ত্য সেনের জুনিয়র। জেএন ইসলামের লেখা এবং ক্যাম্ব্রিজ থেকে প্রকাশিত রোটেটিং ফিল্ডস ইন জেনারেল রিলেটিভিটি বইটাকে বলা হয় আধুনিক বিজ্ঞানের একটি অদ্বিতীয় বই। সেটা নিয়ে অধিকাংশ বাঙালি কিছুই জানে না। নিজের ঘরের মানুষের কৃতিত্বের খবর যদি ঘরের মানুষ না রাখে তাহলে বাইরের লোকে রাখবে কেন? জেএন ইসলামের দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স ছাড়া আর কোনো বাঙালির বই হিব্রু ভাষায় অনূদিত হয়নি। জামাল নজরুল ইসলাম ছিলেন আপাদমস্তক দেশপ্রেমিক। নিজের আয় থেকে অর্থ জমিয়ে দরিদ্র ছাত্রদের পড়াশোনার ব্যবস্থা করেছেন। ১৯৭১ সালে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণ বন্ধের উদ্যোগ নিতে বলেছিলেন। সর্বোপরি, বিদেশে সহস্র পাউন্ডের লোভনীয় চাকরি ছেড়ে দিয়ে জামাল নজরুল ইসলাম বাংলাদেশে চলে এসেছিলেন। শুধু তাই নয়, মুহম্মদ জাফর ইকবাল দেশে ফেরার আগে জামাল নজরুল ইসলামের পরামর্শ চাইলে তিনি, জাফর ইকবালকে দ্রুত দেশে ফেরার ব্যাপারে উৎসাহ দিয়েছিলেন। দেশের জন্য, দেশের বিজ্ঞানচর্চার জন্য তিনি যে পরিমাণ আন্তরিকতা দেখিয়েছেন,তা সত্যিই অনন্য বিরল।নিভৃতচারী ও প্রচারবিমুখ এই গুণী বিজ্ঞানী ২০১৩ সালে ৭৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরন করেন। তথ্যসূত্রঃ গুগল, দেশি বিদেশী ম্যাগাজিন, প্রথম আলো, ফেইসবুক,উনাকে নিয়ে আরও অনেক কিছু লেখা যায়। কিন্তু লেখা বড় হলে তো আমরা পড়বো না। এতো পড়ার সময় কই? এতোকিছু বলার উদ্দেশ্য হলো আমরা কেন উনাকে চিনি না? জানি না? কারণ আমাদের মিডিয়া তাদের নিয়ে নিউজ করে না। হাইপ তুলেন না। বইয়ে তাদের নিয়ে লেখা প্রকাশিত হয় না। আমাদের লজ্জা লাগে উনাকে কেন আমরা চিনতে পারিনি? অথচ স্টিফেন হকিং কে কতো আগে থেকেই চিনি।আমার জাতি হিসাবে লজ্জার কারণ তাকে বীর বাঙালী চিনতে পারিনি ? এর দায়ভার পুরো দেশের,মিডিয়ার। জামাল নজরুল ইসলাম স্যার ছিলেন চট্টগ্রাম তথা পুরো দেশের গর্ব না বিশ্বের সম্পদ। এই সম্পদকে আমরা চিনি তার বই গুলো পাঠ্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে বিশ্বের বিশ্ববিদ্যালয়ের মত আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে পড়ানো হোক।তাকে নিয়ে গবেষণার করা হোক আর কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্কুলে তার জীবন নিয়ে লেখা কাব্যগ্রন্থ পড়ানো হলে তরুণ প্রজন্মের লোকেরা অনেক কিছু শিখতে পাবে আর আজীবন তাকে ম্মরন রাখবে। তার মত মেধাবী দেশপ্রেমিক বিজ্ঞানী জন্ম নিবে এই বাংলায়। আমরা আলোর প্রদীপ পাব। লেখক - তসলিম উদ্দিন রানা, সাবেক ছাত্রনেতা ও নজরুল গবেষক

আজকের মোট পাঠক

33332
O relaxamento vascular leva a um aumento na perfusão sanguínea, após o que os sintomas da hiperplasia prostática benigna são reduzidos.cialis tadalafil buy online White or white with a slightly yellowish tinge with a characteristic odor.cost of cephalexinIt is difficult and slow to dissolve in water, almost insoluble in alcohol. Cialis super active aumenta la producción de esperma, aumenta el deseo sexual.Cialis super active Sin Receta En EspañaCialis Super Asset lo ayudará en una situación difícil. Complications with prolonged use: rarely - psychoses that resemble alcoholic ones; hepatitis, gastritisCheap no Prescription disulfiramdetoxification therapy, administration of analeptics, and symptomatic therapy are necessary Nolvadex helps reduce the level of sex hormones in the blood of men and women Nolvadex online which ensures its therapeutic effect in this pathology.

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত