শ্রীলঙ্কায় বোমা হামলায় নিহত বেড়ে ৩৫৯

২৪এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলঙ্কায় ইস্টার সানডে উদযাপনের সময় একাধিক গির্জা ও হোটেলকে লক্ষ্য করে চালানো ভয়াবহ সিরিজ বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা ক্রমশঃ বেড়েই চলেছে। এ সংক্রান্ত শেষ খবরে ওই হামলায় ৩৫৯ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। ভয়াবহ ওই হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত পাঁচ শতাধিক মানুষ। এর আগে শ্রীলঙ্কান প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওই হামলায় মোট ৩২১ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন। ভয়াবহ এই হামলার ঘটনায় মঙ্গলবার দেশ জুড়ে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে। দুই মিনিট শোকে স্তব্ধ ছিল গোটা দেশ। ওই একই দিনে নিহতদের গণ অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে শ্রীলঙ্কার গীর্জা ও হোটেলে এই সিরিজ বোমা হামলার দায় স্বীকার করেছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। মঙ্গলবার আইএস পরিচালিত সংবাদমাধ্যম আমাক নিউজ এজেন্সিতে শ্রীলঙ্কায় হামলার দায় স্বীকার করে আরবিতে একটি বিবৃতি দেয়া হয়েছে। তবে তারা ওই দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করেনি বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। এর আগে দেশটির চরমপন্থী ইসলামিক গোষ্ঠী ন্যাশনাল তাওহীদ জামায়াতকে হামলার মূল সন্দেহভাজন হিসেবে দায়ী করে সরকার। একই সঙ্গে তারা এটিও জানিয়েছিলো যে, কোনো আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সাহায্য ছাড়া সে দেশের কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের পক্ষে এ ধরনের হামলা চালানো সম্ভব নয়। শ্রীলঙ্কার এই হামলার ঘটনার তদন্তে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তারা দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাকে (এফবিআই) এ বিষয়ে দায়িত্ব দিয়েছে। ...

শ্রীলঙ্কায় হামলার দায় স্বীকার করলো আইএস

২৩এপ্রিল,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলঙ্কায় সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস। তবে এই দাবির স্বপক্ষে কোনো ভিডিও বা তথ্যপ্রমাণ দেখায়নি তারা। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) আইএসের নিজস্ব বার্তা সংস্থা আমাকে উদ্ধৃত করে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্স। এর আগে, শ্রীলঙ্কার চরমপন্থী ইসলামিক গোষ্ঠী ন্যাশনাল তাওহীদ জামাতকে হামলার মূল সন্দেহভাজন হিসেবে দায়ী করে দেশটির সরকার। এর আগে, গত রোববার (২১ এপ্রিল) ইস্টার সানডের সকালে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা, তিনটি বিলাসবহুল হোটেল ও আরো দুটি স্থাপনায় সিরিজ বোমা হামলায় ৩২১ জনের প্রাণহানি ও ৫ শতাধিক মানুষ আহত হয়। নিহতদের মধ্যে অন্তত ৩৮ জন বিদেশি নাগরিক। এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই শেখ সেলিমের নাতিও রয়েছেন। জানা যায়, শ্রীলঙ্কায় এক দশকের গৃহযুদ্ধ অব্সানের পর গত রোববারের সিরিজ বোমা হামলাটি ছিল সবচেয়ে বড় প্রাণঘাতী নৃশংসতা। এ হামলার পরপরই গতকাল সোমবার অনলাইনে এর প্রশংসা করে আইএস সমর্থকরা। এদিকে আইএসের বার্তা সংস্থা আমাক-এ মঙ্গলবার হামলার দায় স্বীকার করে আরবিতে লেখা একটি বার্তা আসে। তবে এতে তাদের দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেখানো হয়নি বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স। এর আগে, শোনা গিয়েছিল, ন্যাশনাল তৌহিদ জামাত নামে একটি সংগঠন এই বিস্ফোরণের পেছনে আছে। ২০১৪ সালে ওই সংগঠন তৈরি হয়। এমনিতে তাদের নাম বিশেষ শোনা যেত না। ছোট একটি সংগঠনের পক্ষে অত বড় হামলা চালানো কীভাবে সম্ভব হল, তা ভেবে পাচ্ছিলেন না অনেকে। তদন্তকারীদের মনে হয়েছিল ন্যাশনাল তৌহিফ জামাত সংগঠনটি আইসিসের দ্বারা প্রভাবিত। কিন্তু আইসিসের সঙ্গে তাদের সরাসরি যোগাযোগ আছে কিনা জানা যাচ্ছিল না। কিন্তু আইসিস দায়িত্ব স্বীকার করার পরে অনেকেই মনে করেন, বিদেশ থেকে তৌহিদ সাহায্য পেয়েছিল। এদিকে অনলাইনে জঙ্গি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী মার্কিন সাইট ইনটেলিজেন্স গ্রুপ জানায়, ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে গোলাগুলির প্রতিশোধ হিসেবে শ্রীলঙ্কার হামলাকে দেখছে আইএস। একই সঙ্গে তারা এই হামলার ঘটনায় উল্লাস প্রকাশ করেছে। এ ঘটনার একদিন পর চরমপন্থী ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস শ্রীলঙ্কায় হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিলো। সাইট ইনটেলিজেন্স গ্রুপের পরিচালক রিটা কাটজ বলেছিলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আইএসের সমর্থকরা শ্রীলঙ্কায় হামলার প্রশংসা করে হতাহতের ঘটনায় উল্লাস প্রকাশ করেছে। আইএস পরিচালিত চ্যানেলে শ্রীলঙ্কায় বিস্ফোরণের বুনো উল্লাস করা হয়েছে। এতে আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের যেন আল্লাহ কবুল করে নেন সেই প্রার্থনাও করা হয়। ...

মধ্যরাত থেকে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি

২২এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ সোমবার মধ্যরাত থেকে শ্রীলঙ্কায় জরুরি অবস্থা জারি করা হচ্ছে। বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যরাত থেকে জরুরি অবস্থা জারির এই পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল। দেশটির প্রেসিডেন্টের মিডিয়া ইউনিট এ বিষয়ে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এর আগে গতকাল রোববার সকালে পরপর এ বোমা হামলায় ২৯০ নিহত ও ৫০০ জন আহত হয়েছেন। পরে দেশটিতে ১২ ঘণ্টার জন্য কারফিউ জারি করা হয়। আজ সোমবার সকাল ৬টায় তা তুলে নেয়া হয়। এদিকে শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বোমা হামলায় হতাহতের ঘটনায় দেশটি আগামীকাল মঙ্গলবার জাতীয় শোক পালন করবে।...

শ্রীলংকায় বোমা হামলায় নিহত ২৯০, গ্রেপ্তার ২৪

২২এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলংকায় তিনটি গির্জা ও চারটি হোটেলে ভয়াবহ সিরিজ বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৯০ জনে দাঁড়িয়েছে। বোমা হামলায় কারা জড়িত তা এখনো চিহ্নিত করতে না পারলেও এ পর্যন্ত ২৪ জনকে আটক করেছে দেশটির আইন-শঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ ও স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি এ খবর জানিয়েছে। গতকাল রোববারের ওই হামলায় পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে। বিবিসির ওই খবরে বলা হয়েছে, হামলায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৩৬ জন বিদেশি রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শীর্ষ নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিমের আট বছর বয়সী নাতি জায়ান চৌধুরীও হয়েছে। আর আহত হয়েছেন তার জামাতা মশিউল হক চৌধুরী প্রিন্স। পুলিশের মুখপাত্র রুয়ান গুনাসেকেরা জানান, রোববারের আট দফা বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৯০ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া প্রায় পাঁচ শতাধিক আহত হয়েছে। এ হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৪ জনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানান শ্রীলংকান পুলিশের এই কর্মকর্তা। ইস্টার সানডে উপলক্ষে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা রোববার সকালে গির্জায় প্রার্থনা করার সময় শ্রীলংকার রাজধানী কলম্বোর একটিসহ দেশটির তিনটি গির্জায় একযোগে বোমার বিস্ফোরণ ঘটে। প্রায় একই সময় কলম্বোর তিনটি পাঁচ তারকা হোটেল– শাংরি লা, সিনামন গ্র্যান্ড ও কিংসবুরিতেও বোমার বিস্ফোরণ হয়। রোববার সকালে ছয়টি স্থাপনায় হামলার কয়েক ঘণ্টা পর দুপুরে কলম্বোর দক্ষিণাঞ্চলের দেহিওয়ালা এলাকায় একটি হোটেলে সপ্তম বিস্ফোরণটি ঘটে। এরপর কলম্বোর উত্তরে ওরুগোদাওয়াত্তা এলাকায় আরেকটি বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়। শ্রীলংকায় গৃহযুদ্ধ অবসানের প্রায় এক দশক পর দেশটিতে এমন ভয়াবহ হামলার পেছনে কারা জড়িত তা সোমবার সকাল পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এছাড়া কোনো গোষ্ঠী এখনও এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। এদিকে শ্রীলংকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৩৬ জন বিদেশি রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মর্গে থাকা মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় তারা নিহত বিদেশির সংখ্যা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে পারেনি। তবে এরই মধ্যে নিহত কয়েকজন বিদেশির পরিচয় মিলেছে। এদের মধ্যে পাঁচজন যুক্তরাজ্যের নাগরিক, যাদের মধ্যে দু'জনের যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ নাগরিকত্বও রয়েছে। এছাড়া ডেনমার্কের তিনজন, পর্তুগালের একজন, তুরস্কের দুজন, নেদারল্যান্ডসের একজন ও জাপানের একজন নাগরিক রয়েছে।...

ইউএসটিসির বিবিএ শিক্ষার্থীদের আরএসআরএম পরিদর্শন

২৪এপ্রিল,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি)র ব্যবসায় প্রসাশন অনুষদের সহকারী অধ্যাপক শাহনাজ বেগম ও প্রভাষক লুৎফুন নাহারের তত্ত্বাবধানে বিবিএ ৪৩ ও ৪৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সম্প্রতি রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিল (আরএসআরএম) পরিদর্শন করেন। এ উপলক্ষে শুভেচ্ছা বক্তব্যে অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডীন অধ্যাপক আখতার জাহান বলেন, ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল ট্যুর ও পদ্ধতি অনুসরণ করে এতদসংক্রান্ত প্রতিবেদন তৈরী পাঠ্যক্রমের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ছাত্র জীবনে এ ধরনের কার্যক্রমের গুরুত্ব অপরিসীম। সহকারী অধ্যাপক শাহনাজ বেগম বলেন , শিল্প কারখানা পরিদর্শন একাডেমিক শিক্ষার একটি পার্ট। এ সফরের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা জীবনের বাস্তবতাকে খুঁজে পায়। এছাড়াও এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি জীবন-ধর্মী কার্যকরী পদক্ষেপ। আমাদের দেশের মেধাবী ও যোগ্য ছেলে-মেয়েদেরকে দেশেই ধরে রাখার জন্য সূযোগ সুবিধা- সম্বলিত গবেষনার ক্ষেত্র তৈরি করা ও পরিবেশ সৃষ্টিতে শীর্ষস্থানের কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানগুলো ভূমিকা রাখতে পারে । তাহলে আমাদের দেশ আরো দ্রুত সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে এবং দেশে দক্ষ জনশক্তি বৃদ্ধি পাবে। এদিকে আরএসআরএমর সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (এইচ আর ও এডমিন) মোস্তফা কামাল ইউএসটিসির শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তাদের ইন্ড্রাস্ট্রির সার্বিক কার্যক্রমের উপর একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। বিবিএ ৩৭তম ব্যাচের বিদায় : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি)র বিবিএ ৩৭তম ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীদের বিদায় অনুষ্ঠান ১৮ এপ্রিল ডি ব্লকস্থ বিভাগীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ভারপ্;্রাপ্ত ডিন আখতার জাহানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউএসটিসির বোর্ড অব ট্;্রাষ্টিজের চেয়ারম্যান আহমেদ ইফতেখারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিবিএমএইচর পরিচালক ডা: শেখ মাহশিদ নুর। গেষ্ট অব অনার ছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. নুরুল আবছার । শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সহকারী অধ্যাপক ও একাডেমিক কো-অডিনেটর এস এম সোয়েব। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিক্ষার্থী মোহাম্মদ ইমরান হাসান। অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে সিম্পেজিয়াম ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এদিকে বিবিএ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রথম বারের মত আউট-স্ট্যান্ডিং পারফরমেন্স এ্যাওয়ার্ড চালু করা হয়। এ বারে এ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন মোহাম্মদ ইমরান হাসান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।...

টেকনাফ উপজেলা সীমান্তে বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা মাদক ব্যবসায়ী নিহত

২২এপ্রিল,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবির) এর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা ইয়াবা কারবারী নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ২০ হাজার ইয়াবা ও ধারালো কিরিচসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকাল ৬টার দিকে উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তের কেরুনতলী মৃত আবুল কাশেমের বাঁশ বাগানে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী এলাকার ১৩ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শামসুল আলমের ছেলে সাইফুল ইসলাম (২১) ও ১৯ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নবী হোসেনের ছেলে ফারুক হোসেন (২৫)। তারা মিয়ানমারে সৃষ্ট সহিংসতার পরে এপারে পালিয়ে এসেছিলেন। হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই দীপংকর রায় জানিয়েছেন, উখিয়া উপজেলার পালংখালী বিজিবির সঙ্গে ওই এলাকায় ব্যবসায়ীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ওই দুই রোহিঙ্গা নিহত হয়। এমন সংবাদ বিজিবি জানালে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলিবিদ্ধ দুইজনের মরদেহ ও সেই সাথে ধারালো কিরিচসহ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও ২ কার্ড ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গুলিবিদ্ধদের টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। তাদের ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার মর্গে পাঠানো হয়েছে।...

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আল আমিন ও সোহেলের দাফন সম্পন্ন

১৩এপ্রিল,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত চাঁদপুরের আল আমিন ও সোহেলের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টার দিকে ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরভাগল গ্রামে আল আমিনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। আল আমিনের বাবা মাওলানা আমির হোসেন বলেন, অত্যন্ত কষ্ট করে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আজ আমার ছেলে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরল। যে টাকা ঋণ করে ছেলেকে পাঠিয়েছিলাম তা পরিশোধ করার মতো অবস্থা আমার নেই। আমি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের কাছে সহায়তার দাবি জানাই। ছেলের লাশ ঠিকভাবে পরিবারের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান আমির হোসেন। অপর দিকে হাজীগঞ্জ উপজেলার দেবীপুর গ্রামে বাদ জোহর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মো. সোহেলকে দাফন করা হয়। শুক্রবার মধ্যরাতে সোহেল ও আল আমিনের লাশ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। গত ৭ এপ্রিল মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরের কাছে বিদেশি শ্রমিকদের বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ৫ বাংলাদেশি নিহত হন। ...

ফেনীতে গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন তিন ডাকাত নিহত

১৩এপ্রিল,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনীর দাগনভূঞাঁর মাতুভূঞা ইউপির উত্তর আলীপুর গ্রামের বাগেরহাট এলাকায় শুক্রবার রাত ২ টায় গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন তিন ডাকাত নিহত হয়েছেন। এসময় আরেক সন্দেহভাজন ডাকাত গুরুতর আহত হন। নিহত সোহাগ ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার জসিম উদ্দিনের ছেলে। নিহত দুইজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহত মনির হোসেন একই এলাকার মনোয়ার হোসেনের ছেলে। দাগনভূঞাঁ থানার ওসি ছালেহ আহাম্মদ পাঠান বলেন, ডাকাতি করতে গেলে গণপিটুনিতে পাঁচ ডাকাত আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজন মারা যান। তাদের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। গুরুতর একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. আবু তাহের বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজন মারা গেছেন। গুরুতর একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ...

জয়পুরহাটে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে,নিহত ৮

১২এপ্রিল,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: জয়পুরহাটের সদর উপজেলায় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে আটজন নিহত হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৫ জন। হতাহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি পুলিশ। আহতদের জযপুরহাট জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি কর হয়েছে। জয়পুরহাট সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুমিনুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সদর উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকার জয়পুরহাট-বগুড়া সড়কে শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তিনি আরো বলেন, জয়পুরহাট থেকে বগুড়া যাওয়ার পথে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হরিয়ে রাস্তার পাশে একটি খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই আটজনের মৃত্যু হয় বলে এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান।...

৭ মার্চ আসছে কটন কাগজে ভার্নিশ যুক্ত ১০০ টাকার ব্যাংক নোট

৫মার্চ,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ৭ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে শতভাগ কটন কাগজে ভার্নিশ যুক্ত ১০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস এবং এর অন্যান্য অফিস থেকে এই নোট ইস্যু করা হবে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। এতে বলা হয়, উচ্চ মূল্যমানের ব্যাংক নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য আরো সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে উন্নতমানের কোটিংকৃত দীর্ঘস্থায়ী ১০০ শতাংশ কটন কাগজে ইউভি কিউরিং ভার্নিশ যুক্ত করে গভর্নর ফজলে কবিরের স্বাক্ষর সম্বলিত ১৪০ মিমি X ৬২ মিমি পরিমাপের ১০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণ করা হয়েছে। নতুন প্রচলিত এ নোটের ডিজাইন ও রং অপরিবর্তিত রয়েছে। নোটের দুদিকে ভার্নিশের প্রলেপ সংযোজন করা হয়েছে। এর ফলে নোটটি চকচকে করবে, স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাবে, কম ময়লা হবে এবং এর উপর কলম দিয়ে লেখা কঠিন হবে। এছাড়া, নতুন মুদ্রণ করা এ নোটটি ব্যবহারের সময় আগের নোটের মত খসখসে না হয়ে কিছুটা পিচ্ছিল হবে। প্রচলিত ১০০ টাকার নোটের আগের সব বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ন থাকবে। নোটের রং, ডিজাইন ও অন্যান্য সব নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য (জলছাপ, ওভিআই কালিতে লেখা ১০০, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ৩টি বিন্দু, মাইক্রোপ্রিন্ট, খসখসে লেখা ইত্যাদি) অপরিবর্তিত থাকবে। নতুন মুদ্রিত বর্ণিত নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলন থাকা ১০০ টাকা মূল্যমানের অন্যান্য নোটও বৈধ ব্যাংক নোট হিসেবে আগের মতোই চালু থাকবে। ...

বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া রিজার্ভের অর্থ উদ্ধার কাজ চলমান : অর্থমন্ত্রী

২০ফেব্রুয়ারী,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অর্থমন্ত্রী আ. হ. ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি হওয়া রিজার্ভের অর্থ উদ্ধার কাজ এখনও চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার সংসদে ৩০০ বিধিতে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,রিজার্ভ চুরি সম্পর্কে পর্যাপ্ত প্রমাণাদি পাওয়া গেছে। এসব প্রমাণাদিসহ যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা করার জন্য ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি আইনী প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেয়া হয়। তারা গত জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে আমাদের পক্ষে মামলা দায়ের করেছেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আমরা এ মামলাটি দায়ের করতে পেরেছি। অর্থমন্ত্রী বলেন, আর্থিক খাতে ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ব্যবস্থাপনাও বাংলাদেশ ব্যাংক করে থাকে। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে সংরক্ষণ করা হয়। পৃথিবীর প্রায় সকল দেশের রিজার্ভ এখানেই সংরক্ষণ করা হয়। তিনি বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো-বিগত ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে সংরক্ষিত আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার একটি অংশ শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনে পাচার করা হয়। তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক হ্যাকাররা ৭০টি ভুয়া পেমেন্ট ইনস্ট্রাকশনের মাধ্যমে ৯৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচারের চেষ্টা চালায়। এর মধ্যে ৫টি ভুয়া পেমেন্ট ইনস্ট্রাকশনের মাধ্যমে ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ট্রান্সফার কার্যকর করার পর নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ সন্দিহান হয়ে বাকি পেমেন্ট ইনস্ট্রাকশনগুলো এক্সিকিউট করেনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, রিজার্ভ চুরির বিষয়টি নজরে আসার সাথে সাথে সরকার চুরির অর্থ উদ্ধার, চুরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরণ এবং ভবিষ্যৎ চুরিরোধে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাস উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং তিনি দ্রুত সরকারের কাছে একটি তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন। পরবর্তীতে পুলিশের সিআইডিকে এ বিষয়ে অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে। ড. ফরাস উদ্দিনের রিপোর্টটি যাতে এ তদন্তে প্রভাব না ফেলে, এ জন্য তা প্রকাশ করা হয়নি। তিনি বলেন, রিজার্ভ চুরির বিষয়টি একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ এবং এর সাথে বিদেশী একাধিক প্রতিষ্ঠান জড়িত রয়েছে। এই বিবেচনায় বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে ইউএসর এফবিআই এবং ফিলিপাইন সরকার তদন্তে নামে। এরই ধারাবাহিকতায় শ্রীলংকা থেকে ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করা হয় এবং ফিলিপাইন থেকে ১৪ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরত আনা হয়েছে। বাকি ৬৬ দশমিক ৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার উদ্ধারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই নিজ দেশে হ্যাকারদের বিরুদ্ধে মামলা করে এবং ফিলিপাইনে এন্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিল মানি লন্ডারিংয়ের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করে।...

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

১ এপ্রিল ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ সব ধরনের অব্যবস্থাপনা রোধে কঠোর পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে সোমবার (১ এপ্রিল) ১০টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে ২০১৯ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এবার দেশের ৯ হাজার ৮১টি প্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। এরমধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯ জন। ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এইচএসসি পরীক্ষায় মোট অংশ নিচ্ছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৪৭ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮১২ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩৫ জন। এই পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৪ জন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিম পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৮৮ হাজার ৪৫১ জন। এবার দেশের বাইরের ৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী রয়েছেন ২৭৫ জন। এছাড়া শাররিক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য বাড়তি ২০ মিনিট সময় বরাদ্ধ করা হয়েছে এবং অটিজমসহ বিশেষ বিবেচনার দাবি রাখে, এমন শিক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট বাড়তি সময় দেয়া যাবে। এবারও পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ মে। এরপর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।...

প্রশ্নফাঁসের সুযোগ নেই, গুজবে কান দিবেন না: শিক্ষামন্ত্রী

৩০মার্চ,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: এসএসসির মতো এইচএসসিতেও প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার দীপু মনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুজবে কান না দেয়ার জন্য শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। গুজব ছড়ানোর অপকর্মের সাথে কারো সম্পৃক্ততার প্রমাণ পেলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন। শনিবার দুপুরে শেরপুরের নকলা উপজেলার চন্দ্রকোণা রাজলক্ষ্মী উচ্চ বিদ্যালয়ের শতবর্ষী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শিক্ষার মান উন্নয়নে শুধুমাত্র অবকাঠামো নয়, শিক্ষা পদ্ধতিতেও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে। দেশের শিক্ষা উন্নয়নে আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সেই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ও পরামর্শে আমরা নিরন্তর কাজ করছি। শুধু শিক্ষা ও বিজ্ঞানে নয়, শিক্ষার্থীদের মানবিকভাবেও সমৃদ্ধ হতে হবে। এর জন্য শিক্ষিত তরুণদের দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি। জনতা ব্যাংকের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আকরাম হোসাইনের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. মোহাম্মদ মুফাখখারুল ইসলাম, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, শেরপুর জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডাক্তার একেএম সাইদুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন স্থানীয় এমপি সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম মাহবুবুল আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, পৌরসভার মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন, নকলা থানার ওসি কাজী শাহ নেওয়াজ, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সজু সাঈদ সিদ্দিকীসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন কমিটির অন্যতম সদস্য সফিকুল ইসলাম সুখনসহ অন্যান্য সদস্য ও বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, অভিভাবক, এলাকার সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষানুরাগী মহল, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। পরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর হাতে চিত্রশিল্পী রাঙা শাহীনের আঁকা নিজ নিজ ছবি সম্বলিত তৈলচিত্র হস্তান্তর করা হয়। ...

সানরাইজার্সের হয়ে মাঠে নামার সুযোগ ছিল না

২৪এপ্রিল,বুধবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) দু‌ই মৌসুম যাবত সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দলের হয়ে খেলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। গত আসরে রানার্সআপ হওয়া হায়দরাবাদের হয়ে সবকয়টি ম্যাচে মাঠে নামলেও, এবারের আসরে মাঠে নামার সুযোগই পাচ্ছেন না এই অলরাউন্ডার। এবার মৌসুমের প্রথম ম্যাচে সানরাইজার্সের হয়ে খেলার সুযোগ পেলেও পরের আট ম্যাচ টানা বেঞ্চে বসে থাকতে হয় বাংলাদেশের এই তারকা খেলোয়াড়কে। অবশেষে গতকাল চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে মাঠে নামার সুযোগ হয় তার। ম্যাচেশেষে সাকিব জানালেন, দলে থাকা বিদেশি ক্রিকেটারদের দারুণ পারফরম্যান্স এবং কম্বিনেশনের কারণেই এতদিন দলে সুযোগ পাননি তিনি। তাঁর দলে ফেরার ম্যাচটাও হেরে গেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ম্যাচশেষে দলের হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। খুব স্বাভাবিকভাবেই দলে সুযোগ না পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হয় তাকে। উত্তরে সাকিব জানান, দলে সুযোগ পেতে লম্বা সময় বেঞ্চে বসে থাকতে হতে পারে, এমন মানসিক প্রস্তুতি আগে থেকেই ছিল তার। সাকিব বলেন, যেভাবে আমাদের বিদেশি ক্রিকেটাররা পারফর্ম করেছে, আমি জানতাম এমনটা হবে। ওয়ার্নার, বেয়ারস্টোরা দলের ৬০-৭০ ভাগ রান করে দিচ্ছে। বিদেশি ক্রিকেটারদের এমন পারফরম্যান্সের কারণে আসলে আমাকে দলে নেওয়ার কোনো সুযোগই ছিল না। সানরাইজার্স দলটির অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন কেন উইলিয়ামসন। দলে আছেন রশিদ খান, ডেভিড ওয়ার্নার, জনি বেয়ারস্টো, বিলি স্টেনলেক, মার্টিন গাপটিলের মতো খেলোয়াড়। এমন দলে সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে সুযোগ পেলে নিজেকে মেলে ধরতে সবসময় প্রস্তুত আছেন জানিয়ে সাকিব বলেন, পেশাগত দিক থেকে আমরা সবাই আমাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন থাকি। দলের অনুশীলনে আমি কঠোর পরিশ্রম করছি এবং সুযোগ পেলে দলের হয়ে সেরাটা দেওয়ার জন্য সবসময় প্রস্তুত আছি। এবারের মৌসুমে প্রথম ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে মাঠে নামেন সাকিব আল হাসান। সেই ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ হয়নি এই অলরাউন্ডারের। পরে বল হাতে চার ওভারে ৪২ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন তিনি। গতকাল চেন্নাইয়ের বিপক্ষে ম্যাচেও ব্যাট হাতে মাঠে নামার সুযোগ পাননি সাকিব। তবে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চার ওভারে মাত্র ২৭ রান দেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। ...

ব্যাংকার্স ক্রিকেট ফেস্টে চ্যাম্পিয়ন বিসিসি কোবরা

৭এপ্রিল,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুদিনব্যাপী ব্যাংকার্স ক্রিকেট ফেস্টের তৃতীয় আসরের পর্দা নেমেছে গতকাল সাগরিকাস্থ মহিলা কমপ্লেক্স মাঠে। চূড়ান্ত খেলায় বিসিসি কোবরা ৬ রানে বিসিসি ওয়ারিয়রসকে পরাজিত করে এবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়। বিসিসি কোবরার সাদ্দাম ম্যান অফ দা ফাইনাল নির্বাচিত হন। এছাড়াও সাদ্দাম মোট ৪ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার এবং ব্যাট হাতে ১২০ রান ও বল হাতে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যান অফ দা টুর্নামেন্ট হন। ১৩১ রান করে ওয়ারিয়স এর জাহেদ সেরা ব্যাটসম্যান হন। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্পন্সর প্রতিষ্ঠান টেরাকোট্টার স্বত্বাধিকারি সাদমান ইসলাম, ডিজিএম ফারুক আহমেদ ইসি কমিটি ব্যাংকার্স ক্লাব, জহির আহমেদ মো. বাবর, এসইভিপি এবি ব্যাংক, নুরুল আরশাদ চৌধুরী ইভিপি ও নির্বাহী সদস্য ব্যাংকার্স ক্লাব, ফারুক আহমেদ নির্বাহী সদস্য, রাশেদুল আমিন যুগ্ম সম্পাদক ব্যাংকার্স ক্লাব, এস এম সোহেল নির্বাহী সদস্য, কায়েস চৌধুরী নির্বাহী সদস্য, আলি নেওয়াজ চৌধুরী সদস্য, মো. রফিক সদস্য, মেজবাহ উদ্দিন সদস্য, মো. মহিউদ্দিন সদস্য, মিসেস নাসরিন সদস্য, এস এম ওয়াহিদ সাদেক, সদস্য ব্যাংকার্স ক্লাব। উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকার্স ক্রিকেট ফেস্টের আহবায়ক ও ব্যাংকার্স ক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক মো. তৌফিকুল ইসলাম বাবু, যুগ্ম আহবায়ক ফেরদৌস হাসান ও শাহজাহান হায়দার এবং ক্রিকেট কমিটির সদস্য ইকরাম পাশা। ...

চীনা ভাষায় সিনেমা করবেন শাহরুখ খান?

২০এপ্রিল,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিরো- সিনেমার প্রচারে বর্তমানে চীনে আছেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান। বেইজিং ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সিনেমাটি নিয়ে অংশ নিয়েছেন তিনি। সেখানে মুখোমুখি হয়েছেন চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (সিজিটিএন)র সঙ্গে। টেলিভিশনটির পক্ষ থেকে শাহরুখকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল তিনি কোনও চাইনিজ সিনেমায় অভিনয় করতে চান কি-না? জবাবে শাহরুখ বলেন,আমি চাইনা কেউ আমার মুখে ডাবিং করুক। বরং এমন চরিত্রে অভিনয় করতে রাজি যে শুধু গান গায় এবং নাচ করে। জিরো সিনেমাটি ভারতে মুক্তি পাওয়ার সময় খুব খারাপ রিভিউ পেয়েছিল। সিনেমাটির বিষয়ে শাহরুখ বলেন, আমি নিজেই তিন মাস পরে আবার সিনেমাটি দেখব। হয়তো এবার বুঝতে পারব কি ভুল করেছিলাম আগে। দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে শাহরুখ বলেন, দুর্ভাগ্যক্রমে জিরো নিজের দেশ ভারতে ভালো চলেনি। আমি একটা ভুল সিনেমা করে ফেলেছি। তাই আমি একটু চিন্তায় আছি যে এখানের দর্শকেরা সিনেমাটিকে পছন্দ করবেন কি না। দেখা যাক। জিরো সিনেমায় শাহরুখ খানকে একটি বামন চরিত্রে দেখা গেছে। চরিত্রটির নাম বাউয়া সিং। এ ছাড়া এতে আছেন ক্যাটরিনা কাইফ এবং আনুশকা শর্মা। এখানে আনুশকার নাম আফিয়া। আর ক্যাটরিনার নাম ববিতা কুমারী। তিনি একজন মাদকাসক্তের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।-আরটিভি ...

নয় মাস শর্টফিল্মে তানিয়া বৃষ্টির সাথে অভিনয় করলেন ইরফান

৩০মার্চ,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মডেল ও অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি নতুন একটি শর্টফিল্মে অভিনয় করলেন। নাম নয় মাস। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন ইরফান । শর্টফিল্মটির গল্প গড়ে ওঠেছে বাংলাদেশের একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী উত্তর প্রজন্মের বোধ নিয়ে। তানিয়া বৃষ্টি বলেন, আমাকে দর্শক ভিন্ন ধরণের চরিত্রে দেখতে পাবেন। আগে এমন চরিত্রে অভিনয় করিনি। কাজটি আমার নিজের কাছেও বেশ ভালো লেগেছে। সেই জায়গা থেকে বলতে পারি দর্শকরাও পছন্দ করবেন। শানের গল্প ভাবনায় নির্মিত এই শর্টফিল্মটির নাম নয় মাস। লতা আচারিয়ার চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় সম্প্রতি পুরান ঢাকায় শর্টফিল্মটির দৃশ্য ধারনের কাজ শেষ হয়েছে। শিগগিরই ইউটিউবে মুক্তি পাবে শর্টফিল্মটি। উল্লেখ্য, ২০১২ সালে ভিট চ্যানেল আই টপ মডেল প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রানার আপ হয়ে শোবিজে পা রাখা তানিয়া। ঘাসফুল ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে তানিয়া বৃষ্টির। এরপর লাভার নাম্বার ওয়ান, আয়না সুন্দরী, যদি তুমি জানতে ছবিতে অভিনয় করেছেন। এছাড়া নিয়মিতভাবে নাটক ও বিজ্ঞাপনে কাজ করছেন তিনি।binodhon24 ...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে

বর্ষা মৌসুম তারপরও ঈদের ছুটিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ছুটে আসছেন পর্যটকরা। তাদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কক্সবাজার। সৈকত শহরের ৪ শতাধিক হোটেল-মোটেল-গেষ্টহাউজ ও কটেজ কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতিও শেষ। আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশও। রমজানে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার পর্যটক শূন্য থাকলেও ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুদের ঢল নামে এই সৈকতে। বর্ষা মৌসুম হওয়ায় প্রথমে পর্যটকের সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল কক্সবাজারে। তবে সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল-গেস্ট হাউস ও কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ বুকড হয়ে গেছে। আর ব্যবসায়ীরাও নতুন সাজে সাজিয়েছেন তাদের প্রতিষ্ঠান। হোটেল কর্তৃপক্ষও পর্যটকদের নানান সুযোগ-সুবিধা দেয়াসহ শেষ করছে যাবতীয় প্রস্তুতি। তারা আশা , প্রতি বছরেই মতো এবারও ঈদের ছুটিতে ভালো ব্যবসা হবে। বর্ষা মৌসুম তাই সাগর উত্তাল থাকবে। এক্ষেত্রে অনাকাঙ্কিত দুর্ঘটনা এড়াতে পর্যটকদের সমুদ্রে স্নান ও নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানালেন হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের এ নেতা। কক্সবাজার হোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনের মুখপাত্র মো. সাখাওয়াত হোসাইন জানান, 'সমুদ্র উত্তাল থাকবে। এখানে লাইফগার্ড ও পুলিশ ট্যুরিস্টদের তৎপরতাটা বৃদ্ধি করলে আমার মনে হয়, যারা কক্সবাজারে আসবেন তারা নিবিঘ্নে এখান থেকে ফিরতে পারবেন।' আর ট্যুরিস্ট পুলিশের এ কর্মকর্তা জানালেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারে সেজন্য সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।...

মুজিব বর্ষ উদযাপনে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘোষণা

১৩মার্চ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মদিবস ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়কে মুজিব বর্ষ হিসেবে পালনের জন্যে আওয়ামী লীগের প্রচার সেলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এই ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির সভাপতি এইচ টি ইমাম সভায় সভাপতিত্ব করেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গত দশ বছরে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন হয়েছে, তাতে সকল সূচকে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ভারতকেও পেছনে ফেলে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে। তিনি বলেন, প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটি গত দশ বছরের উন্নয়ন নিয়ে একটি বিশেষ প্রকাশনা করবে। আগামী ১৭ মার্চ জাতির পিতার ৯৯তম জন্মদিন ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে এবং আগামী বছরের (২০২০ সালের) ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়কে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। সে উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে প্রকাশনাসহ নানা কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।- আরটিভি ...

শুরু হলো অদম্য সাহস আর আত্মপ্রত্যয়ের অগ্নিঝরা মার্চ

১মার্চ,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুরু হলো অদম্য সাহস আর আত্মপ্রত্যয়ের অগ্নিঝরা মার্চ। ১৯৭১ এর এই মাসকে ধরা হয় মুক্তি সংগ্রামের চূড়ান্ত ক্ষণ হিসাবে। এ মাসেই দেশজুড়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন স্বাধীনতাকামী জনতা। নতুন পতাকা, বজ্রকন্ঠ ঘোষণা ও কালোরাত- সব মিলিয়ে নানা ঘটনা প্রবাহে উত্তাল ছিল মার্চ মাস। ছিল শতবাধা, প্রতিবাদ কিংবা প্রতিরোধও ছিল অবিরত। শুরুটা বাহান্নতে, এরপর মুক্তি সংগ্রামের নানা ধাপ অতিক্রম করে, ৭০ এর সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশভাবে জয় পায় বাঙালি। শুরু হয় পাকিস্তানী সামরিক জান্তার নীল নকশা বাস্তবায়ন। বাঙালিও সমস্ত শক্তি দিয়ে প্রতিবাদ করেছিল। একাত্তরের সাতই মার্চ। দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে বঙ্গবন্ধু দাঁড়ালেন জনতার সামনে। বললেন, বাঙালির বঞ্চনার কথা, শোষণ আর শাসিত হবার কথা। উনিশ মিনিটের এক জাদুকরী ভাষণে জাতিকে দীপ্ত মুক্তিসেনানিতে রূপান্তরিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ শে মার্চ ১৯৭১। বাঙালি জীবনে আসে নিকষ কালো রাত। পাকিস্তানি বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে নির্বিচারে হত্যা করে ঘুমন্ত সাধারণ মানুষকে। এ রকম নানা ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকলো একাত্তরে মার্চ। উত্তাল সেই মার্চ একই সাথে অহংকার ও সাহসের। অপরিসীম ত্যাগের পর বাঙালি স্বাধীনতা অর্জন করেছে ঠিক। তবে এখনও অর্জনের আছে অনেক কিছু। আর তাই দীর্ঘ সময় পার করেও প্রতিবছরই মার্চ যেন বাঙালিকে নতুন বোধ ও চেতনায় জাগ্রত করে।...

বিএনপি নেতাদের নুসরাতের বাড়ি যাওয়া -আলগা সোহাগ

১৬এপ্রিল,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যারা রাজনীতির নামে মানুষ পুড়িয়ে মেরেছে, দেশে মানুষ মারার রাজনীতি চালু করেছে, তাদের মুখে নুসরাত নিয়ে কথা বলা শোভা পায় না। বিএনপি নেতাদের নুসরাতের বাড়ি যাওয়া মূলত আলগা সোহাগ। সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মঙ্গলবার দুপুরে ফেনীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকাণ্ড নিয়ে তথ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি সবকিছুতে রাজনীতি টেনে নিয়ে আসে। এটা ঠিক নয়। নুসরাত হত্যা দুঃখজনক ও মর্মান্তিক। এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা পুরো দেশকে নাড়া দিয়েছে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জড়িতদের বিচারের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রশাসনের কেউ থাকলে তাদেরও বিচার হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। কারণ যারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন তারা সবাই দুর্বৃত্ত। সংসদে বিএনপি যোগ দিচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, পত্রিকায় দেখলাম বিএনপি সংসদে যাওয়ার বিষয়ে বৈঠক করেছে। যদি তারা সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তা হবে ইতিবাচক। তাদের সংসদে যোগদানকে দেশবাসী স্বাগত জানাবে। আমরাও স্বাগত জানাই। গণতন্ত্রের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে, তাদের সংসদে যোগ দেওয়া উচিত। বিএনপি এখন যেমন সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলছে, তেমনি সংসদেও কথা বলতে পারবে।-আরটিভি ...

সব সম্পত্তি ট্রাস্টিতে দান করে দিলেন এরশাদ

৮এপ্রিল,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তি ট্রাস্টিভুক্ত করলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। সহায় সম্পত্তি পরিচালনার জন্য এরশাদসহ পাঁচ জনকে ট্রাস্টির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তবে ট্রাস্টের নাম জানা যায়নি। রোববার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্ক এরশাদের বাসায় গুলশান রেজিস্ট্রি অফিসের লোকজনকে কমিশন করে তার সব সহায় সম্পত্তি ট্রস্টিভুক্তির মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন কাজ সম্পাদন করেন। ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যরা হলেন- হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, তার ছেলে এরিক এরশাদ, ব্যক্তিগত সহকারী মেজর (অব.) খালেদ আখতার, চাচাতো ভাই রংপুরের মুকুল ও এরশাদের পারসোনাল স্টাফ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর। এরশাদের স্থাবর অস্থাবর সহায় সম্পতির মধ্যে রয়েছে রংপুরের বাড়ি, রংপুরের কোল্ড স্টোরেজ, প্রেসিডেন্ট পার্কের ফ্ল্যাট, গুলশানের দুটি ফ্ল্যাট, প্রায় দশ কোটি টাকার ব্যাংক এফডিআরসহ প্রায় ৬০ কোটি টাকার সম্পত্তি। এরশাদের সম্পত্তির এই ট্রাস্টিতে রাখা হয়নি স্ত্রী রওশন এরশাদ, ছোট ভাই জি এম কাদের, ছেলে সাদ এরশাদসহ ঘনিষ্ট আত্মীয়-স্বজনদের। শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এক দিনের জন্যও দলীয় প্রচারণায় অংশ নেননি এরশাদ। নতুন পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশনের ২৬ দিনের মধ্যে মাত্র একদিন সংসদে উপস্থিত ছিলেন এরশাদ। ...

সুস্থ থাকতে সব খাবার পাতে

১১ ফেব্রুয়ারী ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : ষাটের দশকে সেভেন কান্ট্রিজ স্টাডিতে বিজ্ঞানীরা জানান যে ভূমধ্যসাগরের আশপাশের এলাকায় চর্বিসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া সত্ত্বেও মানুষের হৃদরোগ কম হয়। তার অন্যতম কারণ হিসাবে উঠে আসে অলিভ অয়েল, বাদাম ও সামুদ্রিক মাছ। তাঁদের খাবারের প্রায় সব চর্বিটুকুই আসত অলিভ অয়েল, বাদাম ও সামুদ্রিক মাছ থেকে৷ অলিভ অয়েল ও বাদাম (আমন্ড, চিনেবাদাম, কাজু, হেজেলনাট, ম্যাকাডামিয়া নাট) হল মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড বা মুফা-র বড় উৎস৷এছাড়া অ্যাভোক্যাডো, বাদাম ক্যানোলাস্যাফ্ তেল, ন্যাচারাল পিনাট বাটারেও প্রচুর মুফা আছে৷যদিও এদের ক্যালোরি একটু বেশি৷এছাড়া আর কোনও দোষ নেই৷কাজেই নিয়মিত অল্প করে মুফা সমৃদ্ধ খাবার খানা। সামুদ্রিক মাছে আছে পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড বা পুফা৷আখরোট, সয়াবিনের দুধ ও টোফু, সূর্যমুখী তিসি ও কুমড়োর বীজ, সানফ্লাওয়ার সয়াবিন ও কর্ন অয়েলেও বেশ ভাল পরিমাণে আছে৷ ওমেগা থ্রি ভার্সেস ওমেগা সিক্স: পুফা মূলত দু রকম৷ওমেগাথ্রি ও ওমেগাসিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড৷খারাপ কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে, ভাল কোলেস্টেরল বাড়াতে এদের ভূমিকা আছে৷শরীরের অন্যান্য আরও কাজেও লাগে তারা৷ সবচেয়ে ভাল ফল পেতে সারা দিনের খাবারে ওমেগাসিক্স ও ওমেগাথ্রির অনুপাত সমান থাকা দরকার৷ নাহলে ২ : ১ বা নিদেনপক্ষে ৪ : ১ রাখতেই হবে৷ না হলে হৃদরোগ, ডায়াবিটিস, অ্যার্থ্রাইটিস, অ্যালঝাইমার ডিজিজ, ক্যানসার ইত্যাদির আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে৷বয়সের ছাপ পড়তে পারে দ্রুত৷মন মেজাজ খারাপ হওয়া থেকে শুরু করে ডিপ্রেশনের প্রকোপ বাড়তে পারে৷কাজেই কীভাবে ওমেগাসিক্স কম খেয়ে ওমেগাথ্রি সমৃদ্ধ খাবার বেশি খাওয়া যায়, তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা দরকার৷ খাবারে ওমেগা সিক্স ও ওমেগা থ্রি-র অনুপাত ঠিক থাকলে স্মৃতিশক্তি ভাল থাকে, ক্লান্তি কমে, প্রকোপ কমে স্কিজোফ্রেনিয়া এডিএইচ ডিসঅর্ডারের মতো রোগের৷ কী খাবেন, কীভাবে খাবেন: তৈলাক্ত ও সামুদ্রিক মাছে এবং অর্গানিক পশুর মাংসে ভাল জাতের ওমেগা থ্রি আছে প্রচুর পরিমাণে৷আছে আখরোট, তিসি, ব্রাসেল্স স্প্রাউট, পালং, পার্সলে ইত্যাদিতেও৷তবেতামানেকিছুটাখাটো৷তাও সবধরনের খাবার মিলিয়ে মিশিয়ে খেলে প্রয়োজন মিটে যায়৷কোনও কারণে খাওয়া সম্ভব না হলে সাপ্লিমেন্ট খেতে পারেন৷ প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খেলে ওমেগা সিক্স এর ঝামেলা কম থাকে৷কম থাকে ট্রান্সফ্যাটের বিপদ৷কাজেই কেক, বিস্কুট, প্যাকেটজাত ফুড, ইনস্ট্যান্ট নুডুল্স, আইসক্রিম ইত্যাদি খাওয়া কমান৷ সয়াবিন, বাদাম ও বীজে ওমেগা সিক্স বেশি থাকলেও এ সবের অন্য উপকার আছে বলে অল্প করে খাওয়া ভাল৷ ছাঁকা তেলে ভাজা যত কম খাওয়া যায় তত ভাল৷টাটকা তেলে ভেজে খেলে ক্ষতি কম হলেও, একেবারে নেই এমন নয়৷আর পোড়া তেলে ভাজলে তো কথাই নেই৷ট্রান্সফ্যাটে ভরপুর থাকে সে খাবার৷ অল্প করে ফুল ফ্যাট খাবার খান৷যেমন, হোল মিল্ক, ফুল ফ্যাট ইয়োগার্ট বা চিজ৷লো ক্যালোরি সুষম খাবার খাওয়ার পাশাপাশি সপ্তাহে দু এক দিন এক চামচ ঘি ও মাখন খেতে পারেন৷খেতেপারেনপিনাটবাটার৷তৈলাক্তমাছসপ্তাহেদু দিন অবশ্যই খাবেন৷বাকিদিনে দেশি চিকেন, জৈব খাবার বা ঘাস খেয়ে বড় হওয়া গরু বা পাঁঠার মাংসের লিন কাট, দেশি মুরগির ডিম, রাজমা, ছোলা, ডাল, সয়াবিন খান৷কখনওসখনও পোর্ক খেলেও লিন কাটই খাবেন৷ বাঙালি রান্না সর্ষের তেলে করাই ভাল৷ক্যানোলা বা ফ্ল্যাক্সসিড অয়েলেও রাঁধতে পারেন৷আর অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন স্যালাড ড্রেসিংয়ে বা সতে শাক সব্জি চিকেনে৷পাউরুটিতে মাখনের বদলে লাগিয়ে খেতে পারেন। অলিভ অয়েল ফ্রিজে রাখুন৷নাহলে আলো ও তাপে তার উপকারী দিক কমে দিনে দিনে৷কম তেলে ঢিমে আঁচে রান্না করুন খাবারদাবার৷ স্ন্যাক্স হিসেবে অল্প সেঁকা বাদাম খান, সপ্তাহে ৪-৫ দিন৷ক্যালোরি বেশি বলে ২৫ গ্রামের বেশি না খাওয়াই ভাল৷হার্ট, কোলেস্টেরল, সব ঠিক থাকবে৷রক্তচাপ বেশি থাকলে নুন ছাড়া খাবেন৷তেল, বীজ বা বাদাম স্বাদে বা গন্ধে তেতো লাগলে বুঝবেন তার উপকার কমতে শুরু করেছে বা কমে গেছে৷তখন তাকে বাদ দিয়ে দেওয়াই শ্রেয়৷ ...

জেনে রাখুন,বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে যে খাবার

১ ফেব্রুয়ারী ,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম :সন্তান হওয়ার পর তাদের মেধাবিকাশ নিয়ে সব বাবা-মাই খুব চিন্তিত থাকেন। শুধু চিন্তা করলেই হবে না, বাচ্চার মেধাবিকাশের পাশাপাশি স্মৃতিশক্তিও যেন ভালো হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। জেনে রাখুন এমনই কিছু খাবার যা বাচ্চাদের মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য উপকারী। ওটমিল : ব্রেকফাস্টে বাচ্চাকে খাওয়াতে পারেন। এতে স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকবে না। মাছ : মাছে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড এবং ডিএইচএ। বহু গবেষণায় দেখা গেছে যে খাবারে কম পরিমাণে ডিএইচএ থাকলে স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধিজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। বাদাম : আমন্ড বা যে কোনো বাদামে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন। তবে বিশেষ করে কাজু বাদামে থাকে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড। তাই সন্তানকে বাদাম খাওয়াতে ভুলবেন না। ফল : যেসব ফল এবং সবজিতে বেসি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তা মস্তিষ্কের পক্ষে খুব ভালো। ব্লুবেরি ও স্ট্রবেরিতে থাকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা মনোযোগ এবং শর্ট টার্ম মেমরি ভালো রাখতে সাহায্য করে। ড্রাই ফ্রুটস : ড্রাই ফ্রুটসে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে যা বাচ্চাকে সজাগ রাখতে সাহায্য করে। বাচ্চার ব্রেকফাস্টে বা টিফিনে কিশমিশ, চেরি ইত্যাদি ড্রাই ফ্রুটস দিয়ে দিতে পারেন। দই : যে বাচ্চারা ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খায় তারা অনেক চটপট ও কোনো নতুন জিনিস শিখে নিতে পারে। ক্যালসিয়াম বাচ্চাদের হাড় মজবুত করে এবং অ্যাক্টিভ থাকতে সাহায্য করে। বাচ্চাকে দিনে একবার দই খাওয়াতে চেষ্টা করুন। ডিম : ডিমে প্রচুর পরিমাণে কোলিন থাকে যা শরীরে নিউরোট্রান্সমিটার অ্যাসিটিলকোলিন তৈরি করতে সাহায্য করে। শরীরে যদি সঠিক পরিমাণে অ্যাসিটিলকোলিন তৈরি না হয় তাহলে, কোনো কিছু মনে রাখতে অসুবিধা হতে পারে। ডিমে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড থাকে যা বাচ্চার মস্তিষ্কের পক্ষে খুবই ভলো।...

বাংলাদেশে জঙ্গি ঘাঁটি গড়তে দেব না: একান্ত সাক্ষাৎকারে হাসিনা

অনলাইন ডেস্ক :আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় এলে লন্ডন থেকে খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানকে ফিরিয়ে এনে বিচার করতে চান শেখ হাসিনা। ভোটের মুখে ভারতীয় সাংবাদিকদের দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বুধবার এ কথা জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের নাম না-করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে ভারত-সহ কোনও প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের ঘাঁটি করতে দেব না। আসন্ন ভোটে জয়ের প্রশ্নে আশাবাদী হয়েও সতর্ক থাকতে চাইছেন আওয়ামি লিগ নেত্রী। তাঁর কথায়, বিএনপি ও জামাতে ইসলামির জোট ভালই জানে, তারা নির্বাচনে জিততে পারবে না। সন্ত্রাস প্রশ্নে তাদের অতীত রেকর্ড খুব খারাপ। ভোট বানচালের চেষ্টা করতে পারে তারা। কিন্তু এ বার আমরা শুধু নই, দেশবাসীও সতর্ক।আলাপচারিতায় এ দিন বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াই নিয়ে স্মৃতিতে ডুব দিয়েছেন হাসিনা। কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গাঁধীকে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক অতীত অর্থাৎ ২০১৩-১৪ সালের বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, মনে করে দেখুন ২০১৩ সালেরডিসেম্বরে বিএনপি-জামাত কী ভাবে স্কুলে, বাসে, অটোয়, স্টিমারে আগুন দিয়েছিল। বাবার সামনে শিশুর গায়ে আগুন ধরায়। বাস থেকে নামিয়ে ড্রাইভারের গায়ে পেট্রোল ঢালে। এটা কোন ধরনের আন্দোলন? কী অর্জন হয় এ থেকে? মানুষের সমর্থন পাচ্ছে না, তাই এ বারেও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নস্যাৎ করতে চাইছে তারা।চলতি ভোট প্রস্তুতিতে একটি চিত্র খুবই স্পষ্ট। বাংলাদেশের রাস্তাঘাটে আওয়ামি লিগের প্রতীক নৌকার অজস্র পোস্টার ব্যানার চোখে পড়লেও বিএনপির ধানের শিস কার্যত অনুপস্থিত। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, বিভিন্ন কেন্দ্রে ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে তাদের পোস্টার। প্রচারও করতে দিচ্ছে না আওয়ামি লিগ। অনেকে বলছেন, বিএনপি শিবির যেন ঝড়ের আগে থম মেরে রয়েছে। বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে শেখ হাসিনার ব্যাখ্যা, আমরাও দেখছি। ওদের প্রার্থী রয়েছে কিন্তু পোস্টার নেই। অভ্যন্তরীণ লড়াইয়ের কারণে ওরা অনেক জায়গায় পোস্টার লাগাতে পারছে না, আর নালিশ করছে আমাদের নামে। আসলে ওরা প্রত্যেকটি আসন নিলামে চড়িয়েছিল। যে বেশি টাকা দিয়েছে তাকে টিকিট দিয়েছে। এক একটি আসনে একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে প্রথমে। পরে এক জনকে রেখে বাকিদের বাতিল করেছে। স্বাভাবিক ভাবেই ওদের যারা পুরনো লোক, তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। পুরো বিষয়টির কলকাঠি নাড়া হচ্ছে লন্ডন থেকে। লন্ডনে থাকা তারেককে ফিরিয়ে আনার প্রশ্নে হাসিনার বক্তব্য, তিনি গ্রেনেড হামলা-সহ বহু অপরাধে যুক্ত। তারেক বাংলাদেশের নাগরিক। তাই বিচারের জন্য ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে ফিরিয়ে আনা হবে।ভোটের আগে পাক দূতাবাসের মাধ্যমে আইএসআই তৎপরতা বাড়াচ্ছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। হাসিনার বক্তব্য, আমরাও জানি এই তৎপরতা চলছে। আসলে বিএনপির অনেক নেতার শরীরটা পড়ে থাকলেও আত্মা রয়েছে ওখানে। তবে এ জন্য আইএসআইকে দোষ দিই না। বিএনপি নেতাদেরই দিই। অস্ত্র চোরাকারবার আর হাওয়ালা থেকে করা অঢেল টাকায় লন্ডনে বসে তারা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চাইছে।ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে হাসিনার বক্তব্য, গোটা বিশ্বের কাছে এটা একটা উদাহরণ। ছিটমহল বিনিময়ের মত বিষয় নিয়ে বহু দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। কিন্তু আমরা কি সুন্দরভাবে করলাম! একটা বিষয় দেখেছি যে বাংলাদেশের কোনও বিষয় এলে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি তাদের নিজেদের মধ্যে বিরোধিতা ভুলে যেন এক হয়ে যায়।ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে হাসিনা বলেন, গোটা বিশ্বের কাছে এটা একটা উদাহরণ। ছিটমহল বিনিময়ের মতো বিষয় নিয়ে বহু দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। কিন্তু আমরা কী সুন্দর মিটমাট করলাম! একটা বিষয় দেখেছি, বাংলাদেশের কোনও বিষয় এলে ভারতের রাজনৈতিক দলগুলি বিরোধিতা ভুলে যেন এক হয়ে যায়! কিন্তু সব বিষয়ে এক হয় কি? এই মুহূর্তে কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করতে নারাজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এমনকি বাংলাদেশের ইলিশের ভারতে রফতানির বিষয়টিতেও বিশদে কিছু বলতে চাইলেন না। হাসিমুখে শুধু জানিয়েছেন, পানি পেলেই তিনি ইলিশ দিতে তৈরি! আনন্দবাজার পত্রিকাকে দেওয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হল।...

তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে কতটা সমর্থন দেবে?

অনলাইন ডেস্ক :বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুক্রবার সারা দেশ থেকে নির্বাচিত কিছু তরুণদের সঙ্গে বিশেষ এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বসেছিলেন। বলা হচ্ছে, তাদের পরামর্শ ও পরিকল্পনার কথা শুনেছেন তিনি। বাংলাদেশে কাছাকাছি সময়ে বড় যে আন্দোলনগুলো হয়েছে সেগুলো প্রায় সবই তরুণদের আন্দোলন। সবচাইতে আলোচিত কোটা আন্দোলন বা নিরাপদ সড়ক আন্দোলন যেভাবে সামাল দেয়া হয়েছে তাতে আওয়ামী লীগের সাথে তরুণ প্রজন্মের দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে প্রথমবার ভোটারের সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি। পাঁচই জানুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচনের আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে যে পাঁচটি বিষয় সবচাইতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিলো তার অন্যতম হল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ইস্যু। ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ইস্যুও তরুণদের আকর্ষণ করতে প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়েছে। বলা হয় সেবার তরুণ প্রজন্ম আওয়ামী লীগের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলো। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তারা তরুণদের এবার কিভাবে আকর্ষণ করার চেষ্টা করছেন? তিনি বলছেন, আমরাতো পৃথিবীটা তাদের হাতের মুঠোর ভেতরে এনে দিয়েছি, দিন বদলের সনদ ডিজিটাল বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে। তারা পৃথিবীর যে প্রান্তে বিচরণ করতে চায় সেখানেই তারা যেতে পারে। এই যে সুবিধাগুলো তাদেরকে দিয়েছে বর্তমান সরকার। তথ্য প্রযুক্তিতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন করেছি। এগুলো সবকিছু হচ্ছে তরুণদের জন্য। কিন্তু বাংলাদেশের তরুণ ভোটাররা বুঝতে শেখার পর গত দশ বছর আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কোন দলকে ক্ষমতায় দেখেনি। অন্য কোন দলকে যাচাই করার কোন সুযোগ তারা পায়নি। কাছাকাছি সময়ে তাদের জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল কোটা সংস্কার ও সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলন। এ দুটি আন্দোলনই একটি পর্যায়ে ক্ষমতাসীনদের জন্য বিব্রতকর হয়ে উঠেছিলো। দুটি আন্দোলনের ক্ষেত্রেই সরকারের ভূমিকা সেসময় প্রশ্নের মুখে পড়েছিলো। কোটা সংস্কারের আন্দোলনের ক্ষেত্রে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রাখছে না বলে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিলো। শেষমেশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলেও অনেক নাটক ও বিলম্বের পর। এই আন্দোলন দুটি তারা সঠিকভাবে সামাল দেননি বলে মনে করেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ব্রতীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন মুরশিদ। তিনি বলছেন এর প্রভাব ভোটে হয়ত পরতে পারে। তিনি বলছেন, দুটো আন্দোলনই নির্বাচনের খুব কাছাকাছি সময়ের মধ্যেই হয়েছে। আরও সেনসিটিভভাবে এটা সামাল দেয়া যেতো। তা করা হয়নি বা করতে পারেনি সরকার। তরুণদের কিছু ইনসেনসিটিভ কিছু ঘটনার অভিজ্ঞতা হয়েছে। সেটার কিছু প্রভাবতো পড়বে তবে তিনি মনে করছেন, বর্তমান সরকার একটা যায়গায় তরুণদের উপর অনেক নজর দিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তারা করার চেষ্টা করেছে সেখানে তরুণদের মাথায় রেখে অনেক কাজ হয়েছে। সেটিও নিশ্চয়ই কোন প্রভাব ফেলবে। তবে এই মুহূর্তে তরুণদের জন্য কোন ইস্যুটা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ, তারা কি চায়, তাদের কোন বিষয়টি সবচাইতে দরকার, তাদের উদ্দেশ্য করে ইশতেহারে এমন কিছু থাকে না যা তাদের আকর্ষণ করতে পারে, বলছিলেন তিনি। তরুণরা আসলে কি চায়? সেটি বোঝার জন্য অনেকের সংগে কথা বলে মনে হল চাকরী বিষয়টা এই বেশিরভাগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কথা হচ্ছিলো নিশিতা মিতুর সাথে। তিনি এবছর ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বের হয়েছেন। বাংলাদেশে এই বয়সী আরও অনেকের মতোই সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে নিজেকে প্রস্তুত করছেন। তিনি বলছিলেন তার কাছে এখন সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল একটা ভালো চাকরি। তিনি বলছেন, কোটা আন্দোলন নিয়ে একটা সেইযে ঘোলাটে পরিবেশ, তার একটা স্বচ্ছ অবস্থান এটাই বোধহয় তরুণরা এখন সবচেয়ে বেশি ভাবছে।...

মুজিব বর্ষ উদযাপনে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি ঘোষণা

১৩মার্চ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মদিবস ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়কে মুজিব বর্ষ হিসেবে পালনের জন্যে আওয়ামী লীগের প্রচার সেলের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এই ঘোষণা দেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটির সভাপতি এইচ টি ইমাম সভায় সভাপতিত্ব করেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, গত দশ বছরে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন হয়েছে, তাতে সকল সূচকে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এমনকি অনেক ক্ষেত্রে ভারতকেও পেছনে ফেলে বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে। তিনি বলেন, প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটি গত দশ বছরের উন্নয়ন নিয়ে একটি বিশেষ প্রকাশনা করবে। আগামী ১৭ মার্চ জাতির পিতার ৯৯তম জন্মদিন ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে এবং আগামী বছরের (২০২০ সালের) ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত সময়কে মুজিব বর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। সে উপলক্ষে দলের পক্ষ থেকে প্রকাশনাসহ নানা কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।- আরটিভি


বাংলাদেশে জঙ্গি ঘাঁটি গড়তে দেব না: একান্ত সাক্ষাৎকারে হাসিনা

অনলাইন ডেস্ক :আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় এলে লন্ডন থেকে খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানকে ফিরিয়ে এনে বিচার করতে চান শেখ হাসিনা। ভোটের মুখে ভারতীয় সাংবাদিকদের দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বুধবার এ কথা জানিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের নাম না-করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে ভারত-সহ কোনও প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের ঘাঁটি করতে দেব না। আসন্ন ভোটে জয়ের প্রশ্নে আশাবাদী হয়েও সতর্ক থাকতে চাইছেন আওয়ামি লিগ নেত্রী। তাঁর কথায়, বিএনপি ও জামাতে ইসলামির জোট ভালই জানে, তারা নির্বাচনে জিততে পারবে না। সন্ত্রাস প্রশ্নে তাদের অতীত রেকর্ড খুব খারাপ। ভোট বানচালের চেষ্টা করতে পারে তারা। কিন্তু এ বার আমরা শুধু নই, দেশবাসীও সতর্ক।আলাপচারিতায় এ দিন বাংলাদেশের স্বাধীনতার লড়াই নিয়ে স্মৃতিতে ডুব দিয়েছেন হাসিনা। কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গাঁধীকে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক অতীত অর্থাৎ ২০১৩-১৪ সালের বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, মনে করে দেখুন ২০১৩ সালেরডিসেম্বরে বিএনপি-জামাত কী ভাবে স্কুলে, বাসে, অটোয়, স্টিমারে আগুন দিয়েছিল। বাবার সামনে শিশুর গায়ে আগুন ধরায়। বাস থেকে নামিয়ে ড্রাইভারের গায়ে পেট্রোল ঢালে। এটা কোন ধরনের আন্দোলন? কী অর্জন হয় এ থেকে? মানুষের সমর্থন পাচ্ছে না, তাই এ বারেও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নস্যাৎ করতে চাইছে তারা।চলতি ভোট প্রস্তুতিতে একটি চিত্র খুবই স্পষ্ট। বাংলাদেশের রাস্তাঘাটে আওয়ামি লিগের প্রতীক নৌকার অজস্র পোস্টার ব্যানার চোখে পড়লেও বিএনপির ধানের শিস কার্যত অনুপস্থিত। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, বিভিন্ন কেন্দ্রে ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে তাদের পোস্টার। প্রচারও করতে দিচ্ছে না আওয়ামি লিগ। অনেকে বলছেন, বিএনপি শিবির যেন ঝড়ের আগে থম মেরে রয়েছে। বিষয়টি জানতে চাওয়া হলে শেখ হাসিনার ব্যাখ্যা, আমরাও দেখছি। ওদের প্রার্থী রয়েছে কিন্তু পোস্টার নেই। অভ্যন্তরীণ লড়াইয়ের কারণে ওরা অনেক জায়গায় পোস্টার লাগাতে পারছে না, আর নালিশ করছে আমাদের নামে। আসলে ওরা প্রত্যেকটি আসন নিলামে চড়িয়েছিল। যে বেশি টাকা দিয়েছে তাকে টিকিট দিয়েছে। এক একটি আসনে একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে প্রথমে। পরে এক জনকে রেখে বাকিদের বাতিল করেছে। স্বাভাবিক ভাবেই ওদের যারা পুরনো লোক, তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। পুরো বিষয়টির কলকাঠি নাড়া হচ্ছে লন্ডন থেকে। লন্ডনে থাকা তারেককে ফিরিয়ে আনার প্রশ্নে হাসিনার বক্তব্য, তিনি গ্রেনেড হামলা-সহ বহু অপরাধে যুক্ত। তারেক বাংলাদেশের নাগরিক। তাই বিচারের জন্য ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথা বলে তাঁকে ফিরিয়ে আনা হবে।ভোটের আগে পাক দূতাবাসের মাধ্যমে আইএসআই তৎপরতা বাড়াচ্ছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। হাসিনার বক্তব্য, আমরাও জানি এই তৎপরতা চলছে। আসলে বিএনপির অনেক নেতার শরীরটা পড়ে থাকলেও আত্মা রয়েছে ওখানে। তবে এ জন্য আইএসআইকে দোষ দিই না। বিএনপি নেতাদেরই দিই। অস্ত্র চোরাকারবার আর হাওয়ালা থেকে করা অঢেল টাকায় লন্ডনে বসে তারা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করতে চাইছে।ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে হাসিনার বক্তব্য, গোটা বিশ্বের কাছে এটা একটা উদাহরণ। ছিটমহল বিনিময়ের মত বিষয় নিয়ে বহু দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। কিন্তু আমরা কি সুন্দরভাবে করলাম! একটা বিষয় দেখেছি যে বাংলাদেশের কোনও বিষয় এলে ভারতের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলি তাদের নিজেদের মধ্যে বিরোধিতা ভুলে যেন এক হয়ে যায়।ভারতের সঙ্গে স্থলসীমান্ত চুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করে হাসিনা বলেন, গোটা বিশ্বের কাছে এটা একটা উদাহরণ। ছিটমহল বিনিময়ের মতো বিষয় নিয়ে বহু দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। কিন্তু আমরা কী সুন্দর মিটমাট করলাম! একটা বিষয় দেখেছি, বাংলাদেশের কোনও বিষয় এলে ভারতের রাজনৈতিক দলগুলি বিরোধিতা ভুলে যেন এক হয়ে যায়! কিন্তু সব বিষয়ে এক হয় কি? এই মুহূর্তে কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করতে নারাজ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এমনকি বাংলাদেশের ইলিশের ভারতে রফতানির বিষয়টিতেও বিশদে কিছু বলতে চাইলেন না। হাসিমুখে শুধু জানিয়েছেন, পানি পেলেই তিনি ইলিশ দিতে তৈরি! আনন্দবাজার পত্রিকাকে দেওয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হল।

বসবাসযোগ্য হোক ঢাকা পরিকল্পিত শিক্ষার আশা

লন্ডনভিত্তিক ম্যাগাজিন দ্যা ইকোনমিস্টের ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বা ইআইইউ বাসযোগ্যতা নির্ণয়ে বিশ্বের ১৪০টি শহরের যে তালিকা প্রকাশ করেছে সেখানে বসবাসের অযোগ্য শহর হিসেবে এবারও দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। এটি অবশ্য প্রকাশ করেছে ১৪ আগস্ট ২০১৮ সালে। তাদের জরিপ অনুযায়ী বিশ্বের বাসযোগ্য শহরগুলোর মধ্যে প্রথম ১০টি হলো- অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা, অস্টেলিয়ার মেলবোর্ন, জাপানের ওসাকা, কানাডার ক্যালগেরি, অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, কানাডার ভ্যাঙ্কুভার, জাপানের টোকিও, কানাডার টরেন্টো, ডেনমার্কের কোপেনহেগেন ও অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড। বিপরীতে বিশ্বের সবচেয়ে বসবাসের অযোগ্য শহরগুলোর প্রথমে রয়েছে সিরিয়ার দামেস্ক। তালিকার পরবর্তী শহরগুলো হলো- ঢাকা, নাইজেরিয়ার লাগোস, পাকিস্তানের করাচি, পাপুয়া নিউগিনির পোর্ট মরিসবি। ২০১১ সাল থেকে সিরিয়ায় দেশি-বিদেশি বহুমুখী যুদ্ধ চলছে। বিমান হামলা, বোমা বিস্ফোরণ এমনকি রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহারও হচ্ছে সেখানে। ফলে দামেস্কের বসবাস অযোগ্য শহরের তালিকায় এক নম্বরে থাকা অস্বাভাবিক নয়; কিন্তু আমাদের স্বপ্নছোঁয়া উন্নয়নশীল দেশের রাজধানী ঢাকা বছরের পর বছর বসবাস অযোগ্য শহরের তালিকার তলানিতে থাকাটা গভীর বেদনা আর শংকা তৈরি করে। যদি সিরিয়ায় যুদ্ধ না থাকত তবে ঢাকা বসবাস অযোগ্য নগরীর তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করত, এই ভাবনাও আমাদের কাচুঁমাচুঁ করে। অবশ্য আশংকা তো আর নতুন নয়। রাজধানী ঢাকা আর নাগরিক সমস্যা সমার্থক শব্দে পরিণত হয়েছে বহু আগেই। আমাদের প্রাণের শহর বর্তমানে ঢাকার ভেতরের চিত্র দিন দিন প্রত্যাশার বেড়াজাল ছিন্ন করছে। শহরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষ্যা ও বালু নদী দখলদারিত্বের কবলে পড়ে আবদ্ধ জলাভূমিতে পরিণত হয়েছে ঐতিহাসিক এই নদ-নদী। নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে দুর্বিষহ যানজট, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি সংকট, পয়ঃনিস্কাশনের জটিলতা, দুর্গন্ধময় ও বিষাক্ত বাতাস, দূষিত পরিবেশ, অসম্ভব ঘনবসতি, ভেজাল খাবার, গাড়ির বিষাক্ত ধোঁয়া, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্দশা, জলাবদ্ধতা, ফুটপাত দখল, চাঁদাবাজি, মাদকের ভয়াল ছোবল, ছিনতাই, আকাশছোঁয়া দ্রব্যমূল্য, লাগামহীন বাসা ভাড়া, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্রমাবনতি ইত্যাদি নানা সমস্যা। অসংখ্য সমস্যার মধ্যে যেটি প্রধান হয়ে উঠেছে তা হচ্ছে যানজট। এ সমস্যা এখন নিত্যদিনের নৈমিক্তিক বিষয়। যানজটে মানুষের কী পরিমাণ ক্ষতি হয়, তার হিসাব বিভিন্ন সংস্থা বিভিন্ন সময়ে দিয়েছে। বুয়েটের এক গবেষণায় বলা হয়েছে যানজটের কারণে বছরে ২২ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়, বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পিপিআরসি বলেছে ২০ হাজার কোটি টাকা। সর্বশেষ জাতিসংঘের ইউএনডিপি এক গবেষণায় বলেছে, যানজটে বছরে ক্ষতি হয় ৩৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা। বাস্তবতা হয়তো আরো ব্যাপক, ভিন্ন, আমাদের অন্তরাত্মা বিমর্ষ বিদির্ণ। ঢাকা মহানগরে যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি ও বিভিন্ন নির্মাণকাজের কারণে বায়ুদূষণ আশঙ্কাজনক; মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে মাত্রা সবচেয়ে বেশি। সেখানে প্রতি ঘনমিটার বাতাসে পার্টিকুলেট ম্যাটার (পিএম) ১৭২ মাইক্রোগ্রাম। অথচ জাতীয়ভাবে পিএম ৬৫ মাইক্রোগ্রাম। জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতিও ভয়াল ভয়াবহ। মশাবাহিত রোগ; যেমন- চিকুনগুনিয়া, ডেঙ্গু প্রভৃতির ঝুঁকি রয়েছে যথেষ্ট মাত্রায়। ময়লা-আবর্জনার কারণে দূষিত পরিবেশ; পেটের পীড়া, জন্ডিস ও টাইফয়েড আক্রান্ত হয় মানুষ। ঢাকার একটি বার্ষিক উপদ্রব ডায়রিয়া। বছরে দুবার, বর্ষার শুরুতে ও শেষে এ উপদ্রব দেখা দেয়। পয়োনিস্কাশন ভালো নয়। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে ঢাকার মলমূত্রের মাত্র ২ শতাংশের নিরাপদ নিষ্কাশন হয়। বাকিটা মিশে যায় প্রকৃতিতে, পানির উৎসে। বিবিএস ও ইউনিসেফের তথ্য মতে, ঢাকায় সরবরাহ করা পানির দুই-তৃতীয়াংশে মলবাহিত জীবাণু থাকে। এটি জনস্বাস্থ্যের অন্যতম বড় ঝুঁকি। স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভালো নয় বলে একটু বৃষ্টি হলেই স্যুয়ারেজ, ড্রেন আর পাইপের পানি একাকার হয়ে যায়। বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা প্রকট সমস্যা। ঘন্টাখানেকের টানা বৃষ্টিতেই তলিয়ে যায় ঢাকার রাস্তাঘাট। কিছু এলাকা; যেমন- মিরপুর, মানিকনগর, মালিবাগ, ওয়্যারলেস, তেজগাঁও, পল্লবীর কালশী রোড, দৈনিক বাংলা মোড়ে রাস্তায় পানি থইথই করে। ভোগান্তিতে পড়ে নগরবাসী। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়ে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও অফিসগামী যাত্রীরা। বেশির ভাগ রাস্তা ও গলি অপ্রশস্ত, ইট-খোয়া-বিটুমিন ওঠা, ময়লায় ভর্তি। এসবের ফল যানজট। রাস্তার সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ নেই। সারা বছর খোঁড়াখুঁড়ি চলে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক না হলেও সন্তোষজনক নয়। ছিনতাই-রাহাজানি নিত্য ঘটনা; খুনখারাবি আছে। বাজারও নিয়ন্ত্রণহীন, বিশেষ করে শাকসবজির বাজার। পাইকারি ও খুচরা দরে পার্থক্য অনেক। বাসযোগ্যতার সূচকে এসব তথ্য-উপাত্ত বিবেচনা করেই তালিকা চূড়ান্ত করে। অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলশ্রুতিতে যেসব সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে তার সবগুলোর উপস্থিতি এখানে ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কোনো কোনো সমস্যা এতটাই প্রকট আকার ধারণ করেছে যে, সেগুলোর সমাধান আদৌ সম্ভবপর কিনা তা ভাবনার বিষয়। দেশের রাজধানী শহরে বসবাসকারী নাগরিকদের যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার কথা তার ধারে কাছেও নাই অভাগা নগরবাসী। তারপরও প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ ঢুকছে এ শহরের পেটে। বিদ্যমান জনগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আরো কিছু মানুষ, সেই সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সমস্যা আর প্রকট হয়ে উঠছে পুরাতন সমস্যা। এক দুঃসহ জীবন পার করছে এই নগরবাসী। বিভিন্ন সময় ঢাকা শহরকে বাসযোগ্য করার উপায় নিয়ে অনেক নগরবিশারদ, জ্ঞানী গুণী ব্যক্তি তাদের মতামত তুলে ধরার চেষ্টা করেন। প্রতিটি সরকারই বিভিন্ন সময়ে তাদের নানামুখী পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করে নগরবাসীকে আশ্বস্ত করে থাকে। কখনো কখনো কিছু বিচ্ছিন্ন পদক্ষেপ চোখেও পড়ে। এসব পদক্ষেপের বেশির ভাগই সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছতে পারে না। মাঝপথেই হোঁচট খায়, অর্থের অপচয় হয়, জনগণের ভোগান্তি যে স্তরে ছিল সেই স্তরেই আটকে থাকে। ভাবা হয়ে থাকে অতিরিক্ত জনসংখ্যাই মূল সমস্যা। যে পরিমাণ মানুষ এখানে বাস করে তার ভার সহ্য করার ক্ষমতা এ শহরটি হারিয়ে ফেলেছে। বাকশক্তি থাকলে নিশ্চিত অনেক আগেই চিৎকার করে জানিয়ে দিত এ অক্ষমতার কথা। ঘর থেকে বের হলেই চোখে পড়বে হাজারো মানুষের নানামুখী । রাস্তাঘাট, টার্মিনাল, শপিংমল, পার্কÑ কোথায় নেই মানুষের ভিড়। সরকারি হিসাবে ঢাকায় বর্তমান বসবাসরত জনসংখ্যা ১ কোটি ৬৫ লক্ষ। আর প্রতি বর্গকিলোমিটার বাস করে ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষ। এসব মানুষের বাসস্থান পয়ঃনিস্কাশন সুবিধা পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ চলাচলের পর্যাপ্ত যানবাহন বাস, রিকশা, চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল, ক্লিনিক, শিক্ষার জন্য স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় তো কোন না কোনভাবে ব্যবস্থা হচ্ছে। এত মানুসের চাওয়া পূরণ করা এই শহরটির পক্ষে সম্ভব কিনা তাও তো ভাবনায় ফেলার কথা। সকল নাগরিকের পরিপূর্ণ সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার মতো সম্পদ, সামর্থ্য এ রাষ্ট্রের যেমন নেই, সামর্থ্য থাকলেও এই ছোট্ট জায়গায় সে ধরনের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করাও সম্ভব নয়। একারণেই জনসংখ্যার ভার কমানো, শহরমুখী প্রবণতা রোধ করার জোরালে পদক্ষেপই অযোগ্য এই শহরটিকে বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার প্রথম পদক্ষেপ। গ্রামে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, জীবনযাত্রার মান সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টির জন্যই স্লোগান হচ্ছে আমার গ্রাম, আমার শহর আর তা সম্ভব হলে গ্রামাঞ্চলে বিকল্প কাজের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে মৌল মানবিক চাহিদা মিটিয়ে আমার গ্রাম স্বপ্ন পূরণ সম্ভব হবে। অন্যদিকে শহরমুখী প্রবণতাও রোধ করা যাবে। গ্রামে প্রচুর সম্পদ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক যে, প্রতিটি সরকার ঢাকা শহরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান যত পদক্ষেপ নিয়েছে, যত অর্থ ব্যয় করেছে বা যত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, তার এক-দশমাংশ পদক্ষেপও নেয়নি গ্রামাঞ্চলে। স্থানীয় সম্পদ কাজে লাগিয়ে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে শহরমুখী প্রবণতা রোধ করা যেতো। গ্রামীণ পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে প্রয়োজন নিরীখে কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষাতেও জোর দেওয়া হয়নি। একটি জাতির উন্নতির চাবিকাঠি হলো ডিপ্লোমা শিক্ষা। দারিদ্র বিমোচন, স্বনির্ভর জাতি গঠন ও সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ডিপ্লোমা শিক্ষাই হচ্ছে প্রধান অবলম্বন। মেধা ও মননে আধুনিক এবং চিন্তা চেতনায় অগ্রসর একটি সুশিক্ষিত জাতিই একটি দেশকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিতে পারে। সেজন্যই ডিপ্লোমা শিক্ষাকে জাতির মেরুদ- বলা হয়। জাতির মেরুদ- শিক্ষা, জ্ঞান, প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ডিপ্লোমা শিক্ষার ভূমিকা অনস্বীকার্য। ডিপ্লোমা শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো- জ্ঞান সঞ্চারণ, নতুন জ্ঞানের উদ্ভাবন এবং উদ্ভাবিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা। দুভার্গ্য যে এসমস্ত প্রযুক্তিমুখী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেশীরভাগই রাজধানীমুখী ঢাকা শহরে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ডিপ্লোমা শিক্ষা নিয়ন্ত্রণকারী বিচ্ছিন্ন মতাদর্শের ভিন্ন ভিন্ন ৭টি প্রতিষ্ঠানও ঢাকা শহরে। বাংলাদেশের সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে স্বাস্থ্য, কৃষি, মেরিন প্রকৌশল শিক্ষায় ১১৭২ টি ইনস্টিটিউটের মধ্যে ঢাকাতেই প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে অর্ধেকের বেশি ৬১৮ টি। বাকি ৫৫৪ প্রতিটি করা হয়েছে ৩৩টি জেলায়। ৩০টি জেলায় কোন ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। উল্লেখ করা প্রয়োজন যে কেবল প্রকৌশল বিষয়টি নিয়ে মাতামাতি করলে উৎপাদনমুখী শিক্ষার মাত্র ৭/৮ ভাগ করা হয়, বাকীরা থাকে আঁধারে। ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত ৬১৮টি ইনস্টিটিউটে প্রতি বছর প্রায় ৪০ হাজার ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হয়। শিক্ষার্থীরা উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকায় অবস্থিত সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। বাকি অল্প কিছু নিজেই শিল্প, কারখানা, খামার, হাসপাতাল, ক্লিনিক গড়ে তুলেন। ঢাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস করে ঢাকা শহরের উপর জনসংখ্যার বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেন। অন্যদিকে বাকি ৩৩টি জেলায় ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটের স্বল্পতা এবং ৩০টি জেলায় ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকা সত্বেও এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্র/ছাত্রীরা প্রতিবছর ডিপ্লোমা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিভাগ, জেলা, উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত ইপিজেট, স্পেশাল ইকোনামিক জোন, বিসিক শিল্প নগরীতে প্রতিষ্ঠিত শিল্পগুলোতে প্রশিক্ষিত দক্ষ যোগ্যতাসম্পন্ন জনবল নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। হাসপাতাল, ক্লিনিকে প্রশিক্ষণবিহীন অদক্ষ লোক নিয়োগ দিয়ে প্রায় প্রতিদিনই ভুল চিকিৎসার শিরোনাম হচ্ছে। ঢাকা শহরের জনসংখ্যার চাপ হ্রাস করতে হলে প্রতিটি উপজেলায় জেলায় ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট নির্মাণ করে শিল্প কারখানা, খামার, হাসপাতাল, ক্লিনিকে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। ঢাকা শহরে নতুন করে কোন শিল্প কারখানা, হাসপাতাল, ক্লিনিক যাতে গড়ে না উঠে তার জন্য ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট অনুমোদন স্থগিত করতে হবে। এই চিন্তা থেকেই পরিকল্পিত ডিপ্লোমা শিক্ষা ব্যবস্থা, পরিকল্পিত শিল্প কারখানা, হাসপাতাল, ক্লিনিক পরিকল্পিত ঢাকা মহানগরী, পরিকল্পিত বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। ডিপ্লোমা শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের সমন্বিত কর্মফলে দূর হবে আঞ্চলিক উন্নয়ন বৈষম্য। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি হবে আলোকিত রাজধানীর নাগরিকরাও আলাদা মর্যাদা ভোগ করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। খন রঞ্জন রায়, মহাসচিব,ডিপ্লেমা শিক্ষা গবেষণা কাউন্সিল,khanaranjanroy@gmail.com

আজকের মোট পাঠক

33055

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত