সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০
কৌতুক অভিনেতা দিলদার এর জন্মদিন আজ
১৩,জুলাই,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ চলচ্চিত্রের পর্দায় আনন্দ ফেরি করা কিংবদন্তী কৌতুক অভিনেতা দিলদারের জন্মদিন। ১৯৪৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার অভিনয় দেখে দুঃখ ভুলেছেন কোটি কোটি দর্শক। বলছি, বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী কৌতুক অভিনয়ের জাদুকর দিলদারের কথা। মৃত্যুর পর এই অভিনেতা আজও রয়ে গেছেন মানুষের হৃদয়ে। অভিনেতা দিলদার চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত- কেন এমন হয়নামের চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয় করার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে উপহার দিয়েছেন বেদের মেয়ে জোসনা, বিক্ষোভ, অন্তরে অন্তরে, কন্যাদান, চাওয়া থেকে পাওয়া, শুধু তুমি, স্বপ্নের নায়ক, আনন্দ অশ্রু, অজান্তে, প্রিয়জন, প্রাণের চেয়ে প্রিয়, নাচনেওয়ালী সহ অসংখ্য জনপ্রিয় সব চলচ্চিত্রে। দিলদারের তুমুল জনপ্রিয়তা দেখে তাকে নায়ক করে নির্মাণ করা হয়েছিল আব্দুল্লাহ নামের সিনেমা। এটি দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। এতে দিলদারের নায়িকা ছিলেন নূতন। দিলদার সেরা কৌতুক অভিনেতা হিসেবে তুমি শুধু আমার সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেন। একই বছর ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই না ফেরার দেশে পাড়ি জমান জনপ্রিয় এই কৌতুক অভিনেতা।
করোনা পজিটিভ ঐশ্বর্য রাই ও মেয়ে আরাধ্যা
১২,জুলাই,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অমিতাভ এবং অভিষেক বচ্চনের পর এবার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এলো ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এবং আরাধ্যারও। প্রথমবার অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ এলেব দ্বিতীয় ধাপে সোয়াব পরীক্ষায় এ দুজনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরেই হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে এই খবর। টুইট করে খবর নিশ্চিত করেছেন মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপ। তবে জয়া বচ্চনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলে জানা গেছে। অমিতাভ বচ্চন ও জুনিয়ার বচ্চন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে চিন্তা বাড়ছিল ভক্ত-শুভানুধ্যায়ীদের। রোববার সকালে নানাবতী হাসপাতালের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, নমুনা পরীক্ষায় তাদের রিপোর্ট নেগেটিভ। তবে, দ্বিতীয় পরীক্ষার জন্য আবার তাদের নমুনা পাঠানো হয়েছে। প্রথম ধাপে জয়া বচ্চন, তার পুত্রবধূ ঐশ্বর্য ও নাতনী আরাধ্যার কোভিড-১৯ অ্যান্টিজেন টেস্ট নেগেটিভ আসে। ফলে সবাই কিছুটা স্বস্তিতেই ছিলেন। তবে তাদের সোয়াব টেস্ট রিপোর্ট রোববার দুপুর নাগাদ হাতে আসতেই দুশ্চিন্তার কালো ছায়া আরও ঘন হলো বলিউডে। এদিকে, বলিউডের শাহেনশাহ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই তার ভক্ত-শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। বিগ বি ও অভিষেকের সুস্থতা কামনা করে একের পর এক টুইট করতে করছেন ভক্তরা। এর প্রেক্ষিতে মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে বসে টুইট করেন জুনিয়র বচ্চন। তিনি জানান, অমিতাভ বচ্চন ও তিনি, দুজনেই ভাল আছেন। তাদের দুজনের শরীরে মৃদু উপসর্গ রয়েছে। দুজনের অবস্থাই স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন অভিষেক বচ্চন। তবে এখন ঐশ্বর্য ও আরাধ্যার করোনা পজিটিভ হওয়ায় নিঃসন্দেহে দুশ্চিন্তা বাড়লো সবার।
৪০ বসন্তে দিলারা হানিফ, পূর্ণিমার ২৩
১১,জুলাই,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তরূণ-তরুণীদের কাছে তিনি অনিন্দ্য সুন্দরী। অভিনয়ের পাশাপাশি রূপে ও গুণে লাখো দর্শক মুগ্ধ করানো এই নায়িকা পার করেছেন জীবনের ৩৯টা বসন্ত। বয়স বাড়লেও রূপের ঝলকানি যেন একটুও কমেনি। তরুণ বয়সে যেভাবে রূপে মাতিয়েছিলেন এখনও যেন তার চেয়ে কোন অংশে কম নয়। দিন যতই বাড়ছে ততই যেন তার রূপে আলো ছড়াচ্ছে। বলছি ঢাকাই সিনেমার নন্দিত চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার কথা। পুরো নাম দিলারা হানিফ রীতা হলেও সবার কাছে তিনি পূর্ণিমা নামেই পরিচিত ও জনপ্রিয়। দেখতে দেখতে জীবনের ৩৯ বসন্ত পার করে এবার পা রাখলেন ৪০তম বছরে আর ক্যারিয়ারে ২৩তম। আজ এই নায়িকার জন্মদিন। জন্মদিনে অসংখ্য ভক্ত অনুরাগী থেকে শুরু সহকর্মীদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন এই সুন্দরীতমা; যাকে বলা যায় বিউটি অব বাংলা সিনেমা। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে জন্মগ্রহণ করা পূর্ণিমার শৈশব সেখানে কাটলেও কৈশোরে চলে আসেন ঢাকায়। নবম শ্রেণীতে পড়াকালীন সময়ে নাম লেখান রূপালী পর্দায়। শত্রু ঘায়েল ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু তাঁর। ১৭ বছর বয়সে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত এ জীবন তোমার আমারসিনেমার মধ্য দিয়ে নায়িকা হিসেবে ঢালিউডে অভিষেক ঘটে তাঁর; যেটি মুক্তি পায় ১৯৯৮ সালে। প্রথম সিনেমাতেই নায়ক হিসেবে পেয়েছিলেন সেই সময়ের হার্টথ্রব রিয়াজকে। বাজিমাত করে বসেন প্রথম ছবি দিয়েই। ফটিকছড়ির রীতা একটু একটু করে হয়ে উঠেন আজকের পূর্ণিমা। পরিশ্রম, সাধনায় দিনে দিনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তুলেছেন ঢাকাই ছবির অন্যতম একজন অভিনেত্রী হিসেবে। চলচ্চিত্রে আসার আগে ছোটবেলায় নাচগানের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। চলচ্চিত্রের দাপুটে সময়টাতেও তিনি কাজ করেছেন টিভি পর্দাতেও। সেখানেও সফল এ অভিনেত্রী। নায়িকাদের মধ্যে তার সময়ে চলচ্চিত্রের পাশাপাশি নাটক, টেলিফিল্মে দাপটের সাথে তাকে দেখা গেছে। এটিএন বাংলার এক সময়ের জনপ্রিয় ধারাবাহিক লাল নীল বেগুনী -তে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। টিভি পর্দায় তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে - ল্যাবরেটরি, নীলিমার প্রান্তে, অমানিশা, ঐখানে যেও নাকো তুমি, এখনো ভালোবাসি, দুর্ঘট, যদি ভালো না লাগে তো দিও না মন, প্রেম অথবা দুঃস্বপ্নের রাতদিন, প্রতিহরণ, ম্যানিকুইন, রংবেরং, জলে ভাসা পদ্ম, ঘরের খবর পরের খবর, শঙ্খচিল, লাভ অ্যান্ড কোং, হলুদ রঙের বায়না, ১০১ লাভ ইমার্জেন্সি। নাটক,টেলিফিল্মের পাশাপাশি বিজ্ঞাপনেও ছড়িয়েছেন মুগ্ধতা। তাঁর বিজ্ঞাপনের মধ্যে ছিল - গ্রামীণফোন, সিটিসেল, সানক্রেস্ট কোলা, বার্জার ঝিলিক, রাঙাপরী মেহেদি, মেরিল বেবি লোশন, কোহিনূর ডিটারজেন্ট, সুরেশ সরিষার তেল। জনপ্রিয় উপস্থাপক হানিফ সংকেত-এর ইত্যাদি থেকে উঠে আসা শিল্পী আকবর-এর জনপ্রিয় গান হাত পাখার বাতাসের মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় পূর্ণিমা। মিউজিক ভিডিওর মধ্যে এটা সেসময় সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিল। প্রায় দুই যুগের অভিনয় ক্যারিয়ারে শতাধিক দর্শকনন্দিত ছবি উপহার দিয়েছেন এই অনিন্দ্য সুন্দরী। পূর্ণিমার চলচ্চিত্রজীবন সমৃদ্ধ। বাণিজ্যিক, সাহিত্যনির্ভর ছবিতে দেখিয়েছেন অসাধারণ প্রতিভা। সেসময়ে রিয়াজ, মান্না, ফেরদৌস, আমিন খান, শাকিল খান থেকে শুরু করে আজকের শাকিব খানের সঙ্গেও জুটি বেঁধে কাজ করেছেন এবং হয়েছেন সফলও। প্রত্যেকের সঙ্গেই গড়ে উঠেছে তাঁর সফল জুটি তবে আমিন খান ও শাকিল খানের সঙ্গে সাফল্য পাননি খুব একটা। তবে রিয়াজ-পূর্ণিমাকে ঢালিউডের অন্যতম সেরা জনপ্রিয় জুটি বলা হয় এখন পর্যন্ত। তাঁদের উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে - মনের মাঝে তুমি, হৃদয়ের কথা, আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা, নিঃশ্বাসে তুমি বিশ্বাসে তুমি, শাস্তি, মেঘের পরে মেঘ, জামাই শ্বশুর, সাথী তুমি কার, মায়ের সম্মান, লাল দরিয়া, ছোট্ট একটু ভালোবাসা, জীবনের চেয়ে দামী, বাধা, টাকা, খবরদার, মনে রেখ আমায়, চিরদিন আমি তোমার, তোমাকেই খুঁজছি, জমিদার, তুমি কত সুন্দর, ধনী গরিবের প্রেম, বন্ধু তুমি আমার, কে আমি। এত এত সিনেমার মাঝে এ জুটির মনের মাঝে তুমি সিনেমা ছিল বাণিজ্যিক ছবির মধ্যে দেশের অন্যতম সেরা ব্যবসাসফল ছবি। সেইসাথে হৃদয়ের কথা, আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা এ দুটি ছবিও বহুল জনপ্রিয়। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ওরা আমাকে ভাল হতে দিলো না ছবির জন্য ২০১০ সালে পূর্ণিমা সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। এছাড়াও পূর্ণিমা সেরা অভিনেত্রী হিসেবে মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার পেয়েছে দুইবার - মনের মাঝে তুমি (২০০৩), হৃদয়ের কথা (২০০৬) সিনেমা দিয়ে। ব্যক্তিজীবনে ২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর পারিবারিকভাবে আহমেদ জামাল ফাহাদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পূর্ণিমা। ২০১৪ সালের ১৩ এপ্রিল তাঁর কোলজুড়ে আসে এক কন্যাসন্তান; নাম আরশিয়া উমাইজা। স্বামী সংসার নিয়ে বেশ আনন্দেই দিন কাটাচ্ছেন পূর্ণিমা। বর্তমানে সিনেমায় খুব একটা নিয়মিত নন। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে জ্যাম ও গাঙচিল নামের দুইটি সিনেমা রয়েছে। যেগুলো পরিচালনা করছেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। দুটি ছবিতে পূর্ণিমা জুটি বেঁধেছেন ফেরদৌস ও আরেফিন শুভর সঙ্গে। পুর্ণিমার অভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে- সুভা, আজকের সমাজ, মা আমার স্বর্গ, দুশমন দরদী, বিয়ের প্রস্তাব, মাটির ঠিকানা, আই লাভ ইউ, পরাণ যায় জ্বলিয়া, ভালোবাসার লাল গোলাপ, হিংসার পতন, জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার, বাপবেটার যুদ্ধ, মনের সাথে যুদ্ধ, নায়ক, ভিলেন, বাস্তব, উল্টাপাল্টা ৬৯, ক্ষমতার গরম, ক্ষত বিক্ষত, স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধ, ধোঁকা, বাবা, ধ্বংস, পিতামাতার আমানত, ধ্বংস, আরমান, সুলতান, মাস্তানের উপর মাস্তান, গাদ্দারি, বিদ্রোহী সালাউদ্দিন, মধু পূর্ণিমা, বলো না ভালোবাসি, বিপ্লবী জনতা, আমার স্বপ্ন আমার সংসার, বিপদজনক, যোদ্ধা, প্রেমের নাম বেদনা, ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না, রাজা সূর্য খাঁ, মিস ডায়না, ছায়াছবি, টু বি কন্টিনিউড ইত্যাদি।
সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে ক্রাইম ব্রাঞ্চে যোগ দিচ্ছেন তার জামাইবাবু
১০জুলাই,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ঘটনা এখনও মুম্বাই পুলিশের তদন্তাধীনই রয়েছে। এই মামলায় ইতিমধ্যেই একাধিক ব্যক্তির বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। এরই মাঝে শোনা যাচ্ছে যে, শ্যালকের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে সুশান্তের জামাইবাবু ওমপ্রকাশ সিং মুম্বাই পুলিশ ক্রাইম ব্রাঞ্চে বদলি হয়ে আসছেন। প্রসঙ্গত, সুশান্তের দিদি ঋতু বিয়ে করেন হরিয়ানা ক্যাডারের আইপিএস ওমপ্রকাশ সিংকে। যিনি বর্তমানে হরিয়ানা পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল, মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরের অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি বা ওএসডি। আর সুশান্তের জামাইবাবুই প্রথম দাবি করেছিলেন, সুশান্ত আত্মহত্যা করার মতো মানসিকতার ছেলে নয়, সুশান্তকে খুন করা হয়েছে। আর এখন শোনা যাচ্ছে, সুশান্তের মৃত্যু তদন্ত স্বচ্ছভাবে চলছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তিনি মুম্বাইয়ে বদলি নিয়েছেন। আর এবিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশকিছু পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। যদিও সত্যিই সুশান্তের জামাইবাবু ওমপ্রকাশ সিং মুম্বাই পুলিশ ক্রাইম ব্রাঞ্চে বদলি হয়ে আসছেন কিনা, সেবিষয়ে অভিনেতার পরিবারের তরফে কিছুই জানানো হয়নি। এমনকি ওমপ্রকাশ সিং নিজেও এবিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি। প্রসঙ্গত, সুশান্তের মৃত্যুর পর তাঁর আরও এক জামাই বাবু, বিশাল কৃতি (শ্বেতা সিং কৃতির স্বামী) নেপোমিটার চালু করেছেন। যে নেপোমিটারে মাধ্যমে বলিউডের কোনও ছবি 'স্বজনপোষণ' দোষে দুষ্ট কিনা তা বিচার করতে পারবেন জনতা। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৪ জুন মুম্বাইয়ের বান্দ্রার নিজের ফ্ল্যাটে আত্মহত্যা করেন সুশান্ত সিং রাজপুত। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে আত্মহত্যার কথা সামনে উঠে এলেও, কেন অভিনেতা ওই পদক্ষেপ নিলেন, তা ভাবাচ্ছে প্রায় প্রত্যেককেই।
মহাকাশে তারার নাম রাখা হলো- সুশান্ত
০৮,জুলাই,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম কোন ভারতীয় অভিনেতা চাঁদে জমি কিনেছেন। আর সেই অভিনেতা হলেন প্রয়াত সুশান্ত সিং রাজপুত। ছোট বেলা থেকেই মহাকাশপ্রীতি ছিলো এই তারকার। সেই আগ্রহ থেকেই সেখানে জমি কিনেছিলেন। সময় পেলেই বারান্দায় বসানো টেলিস্কোপ দিয়ে আকাশে চোখ রাখতেন। দেখতেন অপার রহস্যময় মহাকাশের চাঁদ-তারা-গ্রহ-নক্ষত্রদের। অজানা অভিমান মনে চেপে গত ১৪ জুন গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলিউডের এই অভিনেতা । মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় সুশান্তের নিজের ফ্ল্যাটে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার মৃত্যু নিয়ে শোরগোলের শেষ নেই। সত্যি আত্মহত্যা করেছেন এই তরুণ অভিনেতা নাকি পরিকল্পিত কোনো খুনের শিকার তিনি, এ নিয়ে বিতর্ক চলছেই। মানুষ মারা গেলে নাকি দূর আকাশের তারা হয়ে যায়। সুশান্তও হয়তো এখন ওই তারাদেরই একটি, যাদের সঙ্গে একটা সময় দূর থেকে সখ্যতা গড়ে উঠেছিলো তার। শেয়ার করতেন হয়তো নিজের মনে লুকিয়ে রাখা কষ্টগুলো। সুশান্তের এই মহাকাশপ্রেম দারুণভাবে দাগ কেটেছে তার এক ভক্তের মনে। সেজন্যই হয়তো প্রিয় তারকার নামে একটি তারার নাম দিলেন ওই ভক্ত। প্রিয় অভিনেতাকে একটি তারা উপহার দিয়েই শ্রদ্ধা জানালেন তিনি। মহাকাশে তারাটির অবস্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে রক্ষা নামে ওই ভক্ত বিস্তারিত জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, সুশান্ত সিং রাজপুত, তোমাকে খুব মিস করব। তোমার নাম ভবিষ্যতে আমাদের সবাইকে উজ্জ্বল করবে। তোমার উজ্জ্বল হাসি আমাদের আলো দেখাবে। তোমার কাজের প্রতি আনুগত্য ও ভালোবাসা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তোমার আত্মা শান্তিতে থাকুক। সব তারার মধ্যে সবচেয়ে উজ্জ্বল হয়ে বিরাজ করবে তুমি। আমেরিকা প্রবাসী রক্ষা ইতিমধ্যেই সুশান্ত সিং রাজপুতের নামে একটি তারার নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন। সেই সার্টিফিকেটও শেয়ার করেছেন রক্ষা। সেখানে সুশান্তের অন্য ভক্তরা শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন রক্ষাকে।
ছেলে-মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায়, ফেরার পর শেষকৃত্যের সিদ্ধান্ত
০৭জুলাই,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই। সবাইকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে রোববার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। শিল্পীর বড় বোনের স্বামী ডা. প্যাট্রিক বিপুল বিশ্বাস গণমাধ্যমকে এ খবর নিশ্চিত করেন। এন্ড্রু কিশোরের ছেলে ও মেয়ে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছেন। তারা সেখান থেকে দেশে ফেরার চেষ্টা করছেন। ছেলে-মেয়ে দেশে ফিরলেই কিংবদন্তী এই সংগীতশিল্পীর শেষকৃত্যের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ক্যান্সার আক্রান্ত এন্ড্রু কিশোরকে দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা শফিকুল আলম বাবু বাংলানিউজকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিকল্পনা রয়েছে; তবে শিল্পীর ছেলে-মেয়ে আসলেই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। আপাতত তার মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। দেশে ফোরার পর এই প্লেব্যাক সম্রাট রাজশাহী মহানগরের মহিষবাথান এলাকায় থাকা তার বোন ডা. শিখা বিশ্বাসের বাসায় ছিলেন। তার ওই বাড়িটির একটি অংশেই রয়েছে ক্লিনিক। সেখানেই সেবা-সুশ্রুষা চলছিল এন্ড্রু কিশোরের। তবে রোববার (৫ জুলাই) থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাই এন্ড্রু কিশোরের সুস্থতায় প্রাণ খুলে দোয়া করার জন্য সবার কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন তার স্ত্রী লিপিকা এন্ড্রু। এরপর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটনায় সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে বাড়িতে রেখেই তাকে অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়। এদিন সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ক্যান্সার আক্রান্ত এন্ড্রু কিশোরকে দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা শফিকুল আলম বাবু জানান, দেশে ফিরলেও এন্ড্রু কিশোরের শারীরিক অবস্থা ভালো যাচ্ছিল না। রোববার (৫ জুলাই) সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। কারও সঙ্গে কথা বলার মতো অবস্থাতেই ছিলেন না তিনি। বিকেলে এন্ড্রু কিশোরের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছিল। শফিকুল আলম বাবু আরও জানান, প্রায় ৯ মাস পর সিঙ্গাপুর থেকে গত ১১ জুন দেশে ফেরেন সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। ২০ জুন থেকে তিনি রাজশাহীতে ছিলেন। তবে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। কারও সঙ্গে কথা বলতে পারছিলেন না তিনি। দেশে ফিরে কিছুটা সময় কোলাহলমুক্ত সময় কাটাতে চেয়েছেন। তাই ফেরার খবরটি এতদিন কাউকে জানাননি। এ প্রসঙ্গে এন্ড্রু কিশোর কিছুদিন আগে বলেছিলেন, কয়েক দিন হলো দেশে এসেছি। কিছুটা সময় একান্তে থাকতে চেয়েছি। তাই পরিবারের বাইরে কাউকে জানাইনি। তাছাড়া শরীরের অবস্থাও খুব বেশি ভালো নয়। ডাক্তার কড়া নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, কোলাহলমুক্ত থাকতে হবে সেই নির্দেশনা মেনেই চলছি। চেকআপের জন্য তিন মাস পর পর তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার কথা ছিল। গত বছরের ৯ সেপ্টেস্বর শরীরের নানা জটিলতা নিয়ে সিঙ্গাপুর চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন এন্ড্রু কিশোর। ছয়টি ধাপে তাকে মোট ২৪টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছিলেন, কয়েক মাস পরপর নিয়মিত চেকআপ করাতে হবে তাকে। এর আগে মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন এন্ড্রু কিশোর। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে দেশে ফেরা হয়নি তার। অবশেষে গত ১১ জুন বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তিনি। ১৯৭৭ সালে মেইল ট্রেন- সিনেমার মধ্য দিয়ে প্লেব্যাকে যাত্রা শুরু করেন এন্ড্রু কিশোর। এরপর আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যখানে সহ অসংখ্য জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন শ্রোতাদের। এন্ড্রু কিশোরের শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকা সহায়তা করেছিলেন। পাশাপাশি গো ফান্ড মি নামে এক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা হয়। সহশিল্পীদের মধ্যেও অনেকে তার পাশে দাঁড়ান।
সংকটাপন্ন সময়ে এন্ড্রু কিশোরের মৃত্যুর গুজব, বিরক্ত পরিবার
০৫জুলাই,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এরই মধ্যে এন্ড্রু কিশোরের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু নিশ্চিত না হয়ে একজন জীবিত মানুষের মৃত্যুর খবর কারা প্রচার করছে- এমন জিজ্ঞাসা এন্ড্রু কিশোরের পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের! একবার নয়, একাধিকবার গুণী এই শিল্পীর মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হয়েছে বলে তারা অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষোভ ঝেড়েছেন। এ প্রসঙ্গে এন্ড্রু কিশোরের চাচাতো ভাই রেমন্ড তপু বলেন, সাধারণ মানুষ ভুল করলে মেনে নেওয়া যায়, চুপ থাকা যায় কিন্তু সংগীতের কিংবা মিডিয়ার বড় বড় মাথা যখন নিশ্চিত না হয়ে কাছের মানুষের মৃত্যুর গুজব ছড়ান, তথন তা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না! আজ তা ই হয়েছে। নিজ চোখে দেখলাম। দুয়েক জনকে কটাক্ষ করে কথা বলেছি, সইতে না পেরে। অবশ্য পরে তারা দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ক্ষমা চেয়েছেন। এন্ড্রু কিশোরের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, উনার অবস্থা ভালো না। সংকটাপন্ন। কোনও কথা বলতে পারছেন না। আপাতত এর বেশি কিছু বলতে পারছি না। তাকে আপনাদের দোয়া-প্রার্থনায় রাখবেন। ১৯৭৭ সালে মেইল ট্রেন সিনেমার মধ্য দিয়ে প্লেব্যাকে যাত্রা শুরু করেন এন্ড্রু কিশোর। এরপর আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যে খানে সহ অসংখ্য জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন প্লেব্যাক সম্রাট ও উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর।
বিটিভিতে আজ নাটোরের- ইত্যাদি
০৫জুলাই,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিটিভিতে আজ রবিবার রাত দশটার ইংরেজি সংবাদের পর পুনঃপ্রচার হবে নাটোরের উত্তরা গণভবনে ধারণকৃত ইত্যাদি। এ পর্বটির শুটিং হয় ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। একসময়ে দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী হিসেবে পরিচিত বর্তমানে নাটোরের উত্তরা গণভবনে বসে এ আসর। যা প্রচারের পরপরই আলোচনায় আসে। বিষয় বৈচিত্র্যে ভরপুর ইত্যাদির এই পর্বে রয়েছে বেশ কয়েকটি হৃদয়ছোঁয়া প্রতিবেদন। একজন হতদরিদ্র শিক্ষক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের দেলোয়ার হোসেনের জীবন সংগ্রামের ওপর রয়েছে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। আমের রাজধানী চাঁপাই নবাবগঞ্জের আমের উৎপাদন ও সম্ভাবনা নিয়ে রয়েছে তথ্যবহুল প্রতিবেদন। এ ছাড়া মাগুরার বালিদিয়া গ্রামের জন্মান্ধ আবুল বাশারের ওপর রয়েছে একটি মানবিক প্রতিবেদন। দর্শকদের লালনগীতি গেয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফরিদা পারভীন। গানটি ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশে বিভিন্নস্থানে চিত্রায়ণ করা হয়। রয়েছে নাটোরের বিভিন্ন ঐতিহ্য নিয়ে আঞ্চলিক ভাষায় রচিত সংগীতের সঙ্গে স্থানীয় প্রায় শতাধিক নৃত্যশিল্পীর অংশগ্রহণে একটি নাচ। দর্শক পর্বে বাছাই করা হয়েছে নাটোর ও দিঘাপতিয়া রাজবাড়ীকে নিয়ে করা বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে। নির্বাচিত দর্শকদের দিয়ে করা হয় দ্বিতীয় পর্ব। আছে মামা-ভাগ্নে ও নানী-নাতি পর্ব। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক অসঙ্গতি ও সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে ছিল বেশ কয়েকটি বিদ্রূপাত্মক নাট্যাংশ। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। কেয়া কসমেটিক্সের সৌজন্যে একযোগে প্রচার হবে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে।
বলিউডের প্রখ্যাত কোরিওগ্রাফার সরোজ খান আর নেই
০৩,জুলাই,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস খবর প্রকাশ করেছে, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিনগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে হৃদরোগের কাছে পরাস্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলিউডের গুণী এই কোরিওগ্রাফার। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ডায়াবেটিসজনিত বিভিন্ন অসুস্থতায় ভুগছিলেন সরোজ খান। সংসার জীবনে ছেলে হামিদ খান এবং মেয়ে হিনা ও সুকিনা খান নামের তিন সন্তান রেখে গেছেন। তিন বছর বয়স থেকে শিশু নৃত্যশিল্পী হিসেবে পথ চলা শুরু করেন সরোজ খান। শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না ছোট্ট সরোজের। শুধুমাত্র নিজের আত্মবিশ্বাস এবং চূড়ান্ত লড়াই তাকে বসিয়েছিল বলিউডের সেরার আসনে। তার হাত ধরেই বলিউডের একের পর এক সুপারস্টার নাচের তালে দেশবাসীকে মুগ্ধ করেছেন। ১৯৭৮ সালে গীতা মেরা নাম সিনেমায় স্বতন্ত্র কোরিওগ্রাফার হিসেবে প্রথম ব্রেক পান। ঝুলিতে রয়েছে তিনটি জাতীয় পুরস্কারসহ অজস্র খেতাব। ২০০০-এর বেশি গানে কোরিওগ্রাফ করেছেন তিনি। মিস্টার ইন্ডিয়ার হাওয়া হাওয়াই, তেজাব- এর এক দো তিন, দেবদাস- এর দোলা রে দোলা ইত্যাদি গানের কোরিওগ্রাফি সরোজ খানকে ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে স্মরণীয় করে রাখবে। বেটা সিনেমার বিখ্যাত সেই ধক ধক করনে লাগার কোরিওগ্রাফি মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এক সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে চিরকাল স্বীকৃতি পাবে বলে মত নৃত্য মহলের। তবে দীর্ঘদিন বলিউডের কোনও সিনেমায় কাজ করেননি তিনি। শেষ কাজ করেছিলেন ২০১৯ সালে করণ জোহর প্রয়োজিত কলঙ্ক সিনেমায়।