তুলনার তুলনা
২৮ডিসেম্বর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মডেল-অভিনেত্রী-উপস্থাপিকা তুলনা আল হারুন। এবার বড় পর্দায় অভিষেক হলো তার। গহীনের গান মিউজিক্যাল ফিল্মটি গেল ২০ ডিসেম্বর দেশব্যাপী মুক্তি পেয়েছে। জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী আসিফ আকবরের গাওয়া ৯টি গান নিয়ে ছবিটি। এতে তুলনার বিপরীতে রয়েছেন কাজী আসিফ। টমবয় ইমেজ ভেঙে তুলনা সত্তরের দশকের এক কোমল নারী চরিত্র হয়ে উঠেছেন। নতুনরূপে আবির্ভাব হওয়ার এই কৃতিত্ব পুরোটাই পরিচালক সাদাত হোসাইনকে দিয়েছেন তিনি। ছবিটির সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে তুলনা বলেন,নাট্যনির্মাতা বান্টি ভাইয়ের নাটকে আমি অভিনয় করেছি। তো তিনি একদিন আমাকে জানালেন গহীনের গান একটি ভিন্নধর্মী ছবি হতে যাচ্ছে। তুমি চাইলে পরিচালক সাদাতের সঙ্গে কথা বলতে পারো। এও জানালেন কাজী আসিফ আমার বিপরীতে থাকছে। আসিফের সঙ্গে আমার অনেকদিনের বন্ধুত্ব। অন্যদিকে আসিফ আকবর ভাইয়ের মতো জনপ্রিয় একজন শিল্পীর গান নিয়ে ছবি। সব মিলিয়ে রাজি হয়ে গেলাম। শতাধিক নাটকের এই অভিনেত্রীর শুরুটা ২০০৯ সালে। গ্রামীণ ফোনের ব্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজের মাধ্যমে। এরপর কিছু কাজের পর থাইল্যান্ডে গ্রাজুয়েশন শেষ করে আবারও মিডিয়াতে সরব হন তিনি। ২০১৬ সালে আরটিভিতে একটি রান্নার অনুষ্ঠান উপস্থাপনা শুরু করেন। এরপর একাধিক টেলিভিশন অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করতে দেখা গেছে তাকে।- বিনোদন২৪
শাকিব খানকে জরিমানা
২৫ডিসেম্বর,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক ও ফুটপাতে নির্মাণসামগ্রী রেখে বায়ুদূষণের অভিযোগে চিত্রনায়ক শাকিব খানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। শাকিব খান ছাড়াও আরও তিনজনকে একই পরিমাণ জরিমানা করা হয়। মঙ্গলবার নিকেতন, বনশ্রী এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ জরিমানা করা হয়। এ চারটি ভবনের মধ্যে চিত্রনায়ক শাকিব খানের বাড়িও রয়েছে। অভিযানের একপর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত নিকেতনের ব্লক ই এর রোড ৬ এর ১ নম্বর হোল্ডিংয়ে নির্মাণাধীন বাসার সামনে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এমন ইট-বালু দেখতে পান। পরে সঙ্গে সঙ্গে ডিএনসিসির গাড়ি দিয়ে এসব গুঁড়িয়ে দেন। এসময় নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনটি ঘিরে রাখা টিনের বেড়াও ভেঙে যায়। পরে জানা যায়, নির্মাণাধীন ঐ ১০ তলা ভবনটি শাকিব খানের মালিকানাধীন। ডিএনসিসির মহাখালী অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীর নাহিদ আহসান এবং প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল হামিদ মিয়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় গুলশান ১ নম্বর ও ২ নম্বরের অবৈধভাবে স্থাপিত বিলবোর্ড উচ্ছেদ করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম পরিদর্শন করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত চলাকালে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার সাইদ আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডোর মঞ্জুর হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শুভ জন্মদিন গানের পাখি লিজা
২২ডিসেম্বর,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সঙ্গীতশিল্পী সানিয়া সুলতানা লিজার জন্মদিন আজ। তিনি ২০০৮ সালে সঙ্গীত বিষয়ক রিয়েলিটি শো ক্লোজআপ ওয়ান তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় প্রথম হন। গানের ভূবনে যাত্রা শুরু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে এক শিক্ষিকার উৎসাহে। লিজা তখন পড়তেন গৌরীপুর পৌর মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। স্কুলের শিক্ষিকা রাবেয়া খানমের পরামর্শে বাবা তাকে ভর্তি করে দিলেন-গৌরীপুর সঙ্গীত নিকেতন-এ। এখানে তিনি বছর তিনেক উচ্চাঙ্গ, পল্লী আর আধুনিক গান শিখেছিলেন। তারপর লিজা গান শিখেছেন ময়মনসিংহ শিল্পকলা একাডেমীর শিক্ষক আনোয়ার হোসেন আনুর কাছে। এই ওস্তাদজী তাকে শিখিয়েছেন ক্ল্যাসিক্যাল, আধুনিক গান। মিডিয়াতে তিনি যাত্রা শুরু করেন নতুন কুঁড়ি (২০০৪)- এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে। লিজা ভালো ব্যাটমিন্টন খেলেন। ২০০৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে মেয়েদের ব্যাটমিন্টন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হন লিজা। স্কুল জীবনে ষষ্ঠ থেকে একেবারে দশম শ্রেণী পর্যন্ত শীতকালীন খেলাধুলা প্রতিযোগিতায় একটানা পাঁচ বার ময়মনসিংহ জেলার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। ২০০৯ সালে ময়মনসিংহে জেলা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত টুর্নামেন্টেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। দেশাত্ববোধক গান গেয়ে ৩ বার জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিত সারা দেশে জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছিলেন। ২০০৬ সালে জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় দেশাত্মবোধক ও পল্লিগীতি দুই ক্যাটাগরিতে স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ আয়োজিত ইসলামিক গানে রৌপ্যপদক পেয়েছিলেন। ২০০৮ সালে গৌরীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০১০ সালে শিক্ষা নগরী ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। এসএসসি আর এইচএসসি পরীক্ষাতে তিনি পেয়েছেন জিপিএ-৫। এছাড়া পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণীতেও বৃত্তি পেয়েছেন। পরবর্তীতে ঢাকার ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ সম্পন্ন করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং বিভাগে এমবিএ করছেন। তার প্রথম একক অ্যালবাম তৌসিফ ফিচারিং লিজা পার্ট-১ প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে, দ্বিতীয় একক অ্যালবাম পাগলি সুরাইয়া প্রকাশিত হয় ২০১৫ সালে। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। গেয়ে যাচ্ছেন একের পর এক নতুন গান। প্লেব্যাকও করেছেন ৫০টিরও বেশি সিনেমাতে। গানের মিশ্র অ্যালবাম বেরিয়েছে ৫০টিরও বেশি। লিজার জন্মদিনে নিউজ একাত্তর এর পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা। শুভ জন্মদিন লিজা।
হাছন রাজার ১৬৬তম জন্মদিন আজ
২১ডিসেম্বর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মরমি কবি হাছন রাজার ১৬৬তম জন্মদিন আজ। ১৮৫৪ সালের আজকের এই দিনে সুনামগঞ্জ শহরের নিকটে সুরমা নদীর তীরে তেঘরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এই মরমি সাধক। বরেণ্য এই লেখক আঁখি মুঞ্জিয়া দেখ রূপ রে, একদিন তোর হইব রে মরণ রে হাছন রাজা, মাটির পিঞ্জিরার মাঝে বন্দি হইয়ারে কান্দে হাছন রাজা মন মনিয়া রে প্রেমের বান্ধন বান্ধরে দিলের জিঞ্জির দিয়া, রঙের বাড়ই রঙের বাড়ই রে, আমি না লইলাম আল্লাজির নাম রে, লোকে বলে বলেরে, ঘরবাড়ি ভালানা আমার গুড্ডি উড়াইল মোরে, মৌলার হাতের ডুরিসহ অসংখ্য জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান লিখে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। হাছন রাজার বাবা দেওয়ান আলী রাজা চৌধুরীও ছিলেন প্রতাপশালী জমিদার। হাছন রাজা তার তৃতীয় ছেলে। মার নাম ছিল হুরমত বিবি। হাছনের পূর্বপুরুষের অধিবাস ছিল ভারতের উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায়। বংশ পরম্পরায় তারা হিন্দু ছিলেন। হাছন রাজার গানের মাঝে অন্তর্নিহিত রয়েছে নশ্বর জীবন, স্রষ্টা এবং নিজের কৃতকর্মের প্রতি অপরাধবোধের কথা। ১৯০৭ সালে তার রচিত ২০৬টি গান নিয়ে একটি সংকলন প্রকাশিত হয়। এ সংকলনটির নাম ছিল হাছন উদাস। এর বাইরে আরও কিছু গান হাছন রাজার তিনপুরুষ এবং আল ইসলাহ্ সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। ১৯২২ সালের ৬ ডিসেম্বর মরমি এই সাধক মৃত্যুবরণ করেন। সুনামগঞ্জের লক্ষণশ্রীতে মায়ের কবরের পাশে কবর দেওয়া হয় তাকে। তার কবরটি তিনি মৃত্যুর আগেই নিজে প্রস্তুত করেছিলেন। মরমি এই সাধকের জন্মদিনে তেমন কোনো আয়োজন নেই সুনামগঞ্জে। তবে হাছন রাজা ট্রাস্টের আয়োজনে ৩ জানুয়ারি হাছন রাজার গান, গানের সঙ্গে নৃত্য ও হাছন রাজার ছবি বা সৃষ্টিকর্ম নিয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
কন্যাসন্তানের বাবা-মা হলেন বাপ্পা-তানিয়া
১৮ডিসেম্বর,বুধবার,মো:ইরফান চৌধুরী,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদার ও অভিনেত্রী-উপস্থাপিকা তানিয়া হোসাইন দম্পতি মেয়ে সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন। বুধবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ফুটফুটে মেয়ে সন্তানের জন্ম দেন তানিয়া। এক ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বাপ্পা মজুমদার এই সংবাদ সবাইকে জানিয়েছেন। বাপ্পা জানান,কন্যাসন্তানের বাবা হলাম। মা এবং সন্তান দুজনই সুস্থ আছে। স্ট্যাটাস দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভক্তদের আশীর্বাদ ও অভিনন্দনে ভরে যাচ্ছে কমেন্টস বক্স। মেয়ের জন্মের আগে থেকেই নাম ঠিক করে রেখেছিলেন এই দম্পতি। মেয়ের নাম রাখা হয়েছে অগ্নিমিত্রা মজুমদার পিয়েতা। এর আগে ভালোবেসে ২০১৮ সালের ২৩ জুন বিয়ের পিঁড়িতে বসেন বাপ্পা মজুমদার ও তানিয়া হোসাইন।
এশিয়ার সেরা আবেদনময়ী নারী আলিয়া
১৪ডিসেম্বর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। এশিয়ার সবচেয়ে আবেদনময়ী নারী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ইস্টার্ন আইয়ের অনলাইন ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এ নিয়ে আলিয়া ভাট বলেন, আমি সব সময় বিশ্বাস করি, সত্যিকারের সৌন্দর্যটা ঠিক দেখার বিষয় নয়। যখন আমি বুড়ো হব, আমার চেহারা বদলে যাবে। কিন্তু একটা সুন্দর হৃদয় আমাকে সব সময় সুন্দর রাখবে। আর এটিই সৌন্দর্যের মূলকথা। ২০১৮ সালে এই তালিকায় আলিয়া ভাটের জায়গায় নাম ছিল দীপিকা পাডুকোনের। এ বছর তিনি সেরা আবেদনময়ী এশিয়ার তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন। অপরদিকে টানা পাঁচ বছরের মতো সবচেয়ে আবেদনময়ী পাকিস্তানি নারী হয়েছেন মাহিরা খান। এশিয়ার সেরা আবেদনময়ী ৫০ জনের তালিকার ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছেন ক্যাটরিনা কাইফ। আর প্রিয়াঙ্কা চোপড়া হয়েছেন দশম। সেরা ৫০ এ স্থান পাওয়া সবচেয়ে কম বয়সি তারকার নাম অনন্যা পান্ডে। তিনি হয়েছেন ৩৬তম। সবচেয়ে বেশি বয়সি সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই। তালিকায় তার অবস্থান ৩৯তম। এছাড়া দশকের সেরা আবেদনময়ী নারী হয়েছেন দীপিকা পাড়ুকোন। দ্বিতীয় প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, তৃতীয় মাহিরা খান। এই তালিকায় স্থান পেতে হলে ইন্ডাস্ট্রিতে অন্তত ১০ বছর ধরে কাজ করতে হয়। এর আগের সপ্তাহে পুরুষদের তালিকা থেকে জানা গিয়েছিল, দশকের সেরা আবেদনময় পুরুষ হয়েছেন ঋত্বিক রোশন। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস
চুম্বন নিয়ে মুখ খুললেন শ্বেতা
০৯ডিসেম্বর,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হিন্দি টেলিভিশনের দর্শক তাকে চেনে প্রেরণা হিসাবেই। তিনি শ্বেতা তিওয়ারি। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে শ্বেতা অভিনীত ওয়েব সিরিজ হাম তুম অ্যান্ড দেম-এর ট্রেলার। যেখানে বোল্ড অবতারে ধরা পড়েছেন অভিনেত্রী। ট্রেলারে একটি দৃশ্যে সহ অভিনেতা অক্ষয় ওবেরয়কে চুম্বন করতে দেখা গেছে শ্বেতাকে। এধরনের বোল্ড দৃশ্যে শ্বেতা প্রথমবার অভিনয় করছেন। তবে মা-কে এমন চরিত্রে অভিনয় করতে দেখে কী বলছেন শ্বেতার বছর ১৯ এর মেয়ে পলক? সম্প্রতি পিঙ্ক ভিলাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সেকথাই খোলসা করেছেন শ্বেতা। তার কথায়, আমি ভীষণই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। যখন প্রমোটা দেখলাম নির্মাতাদের কিছুটা আতঙ্কিত হয়েই জিজ্ঞাসা করেছিলাম এটা কী! আমি ঠিক বুঝতে পারছিলাম না, এটা আমার মা, পরিবার ও বন্ধরা কীভাবে নেবে? প্রথমে আমি ট্রেলারটা আমার মেয়ে পলককে পাঠাই এবং প্রশ্ন করি, কোনও দ্বিধা না রেখে এনিয়ে তুমি তোমার মতামত জানাতে পারো। ও আমায় লেখে, মা দারুণ, খুব ভালো। তখনই আমি আবারও ওয়েব সিরিজের নির্মাতাদের ডেকে আবারও জানাই, আমি দুঃখিত যে এই দৃশ্যটার জন্য আমি ওদের সঙ্গে এত ঝগড়া করেছি। পুরো বিষয়টা একতাও জানতে পারে আর সেকারণেই বোধহয় ও এটা নিয়ে মন্তব্য করেছিল।-বিনোদন২৪
বিয়ের পর নাম পরিবর্তন মিথিলার!
০৭ডিসেম্বর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও পশ্চিমবঙ্গের নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়েছে শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর)। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- মিথিলার মা, বাবা ও তাদের ঘনিষ্ঠরা। ছিল মিথিলার মেয়ে। সৃজিতের মা ও বোনও উপস্থিত ছিলেন। শোবিজের কয়েকজনও ছিলেন। মিথিলা-সৃজিতের বিয়ে নিয়ে দুই বাংলার মানুষের কৌতূহল রয়েছে। বিয়ের পর পরই নাম পরিবর্তন করলেন মিথিলা। নিজের ইন্সটাগ্রামে বিয়ের ছবি পোস্ট করে মি. অ্যান্ড মিসেস. রশিদ মুখার্জি লিখে এভাবেই নিজেই নতুন পরিচয় জানিয়েছেন। মিথিলাকে এখন মিসেস মুখার্জি বলেই ডাকতে হবে। বছর খানেক আগে গায়ক অর্ণবের একটি মিউজিক ভিডিও উপলক্ষে মিথিলার সঙ্গে আলাপ হয়েছিল সৃজিতের। অল্পদিনের মধ্যেই তাদের মধ্যে সখ্য গড়ে উঠেছিল। তাদের মধ্যেকার বন্ধুত্ব যে বেশ গভীর সে কথা তারা স্বীকারও করেছিলেন। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট একসঙ্গে থাকার শপথ নিয়ে সংসার জীবনে পা রাখেন তাহসান-মিথিলা। টানা ১১ বছর সংসার করেছেন তারা। অবশেষে তাদের বিচ্ছেদ হয় ২০১৭ সালের ২০ জুলাই। তাদের দাম্পত্য জীবনে একমাত্র কন্যা সন্তান আইরা তাহরিম খান।
মাহফুজুর রহমান খানকে শ্রদ্ধা ও চোখের জলে শেষ বিদায়
০৬ডিসেম্বর,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিংবদন্তি চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খানের মৃত্যুতে শোকার্ত এখন পুরো চলচ্চিত্রাঙ্গন। তাঁকে শেষ বারের মতো বিদায় জানাতে এফডিসিতে জড়ো হন চলচ্চিত্রের নবীন-প্রবীন শিল্পী ও কলাকুশলীরা। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর বিকেল ৩টায় শেষবারের মতো এফডিসিতে নিয়ে আসা হয় মাহফুজুর রহমান খানের মরদেহ। এসময় তাকে শ্রদ্ধা ও চোখের জলে শেষ বিদায় জানাতে সমবেত হন চিত্রনায়িকা সুচন্দা, ববিতা, কবরী, অঞ্জনা, চম্পা, শাহনূর, অরুণা বিশ্বাস, নায়ক-নির্মাতা আলমগীর, পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রজমান গুলজার, পরিচালক শাহ আলম কিরণ, চিত্রনায়ক নাঈম, বাপ্পারাজ, সম্রাট, ওমর সানী, অমিত হাসান, জায়েদ খান, সাইমন সাদিক, বাপ্পী, কায়েস আরজু, প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু, চিত্রগ্রাহক সংস্থার সভাপতি আবদুল লতিফ বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মজনুসহ চলচ্চিত্রের বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা। প্রথমে আজ জুম্মার নামাজের পর পুরাণ ঢাকার চকবাজারের শাহী মসজিদে মাহফুজুর রহমান খানের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপরই এফডিসিতে নিয়ে আসা হয় তাকে। এদিকে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বরেণ্য এফডিসিতে চিত্রগ্রাহক মাহফুজুর রহমান খানের দ্বিতীয় জানাজায় এফডিসিতে অংশ নেন। এরপর তিনি এই কিংবদন্তি চিত্রগ্রাহকের কর্মজীবন স্মরণ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এদিকে আজ দুপুরে মাহফুজুর রহমানের মরদেহ এফডিসিতে নিয়ে আসার পর পরই রীতিমত হৃদয়বিদারক অবস্থার তৈরী হয়। এফডিসির জানাজায় আগতরা জানান, মাহফুজুর রহমান খান যতো ভালো চিত্রগ্রাহক ছিলেন তারচেয়ে ছিলেন একজন ভালো মনের মানুষ। ববিতা ও কবরী এই চিত্রগ্রাহককে মাটির মানুষ হিসেবে আখ্যা দেন। জানান, কাজের পাশাপাশি মাহফুজুর রহমান খানের সঙ্গে শুটিংয়ের নানা স্মৃতির কথা। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২ টা ২৬ মিনিটে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মাহফুজুর রহমান খান। পরিবারের ভাষ্য, গত ২৫ শে নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগের দিনও পুরোপুরি সুস্থ ছিলেন মাহফুজুর রহমান খান। কিন্তু ওইদিন সন্ধ্যায় খেতে বসলে তার কাশির সাথে প্রচন্ড ব্লিডিং শুরু হয়। এরপর দ্রুত হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখার পরামর্শ দেন। এরপর রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালে প্রথমে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় এই চিত্রগ্রাহককে। কিন্তু ২৮ শে নভেম্বর ফুসফুস ও পাকস্থলীতে থেমে থেমে রক্তক্ষরণ হচ্ছিলো বলে জানান তার চিকিৎসকরা। এমনকি বিভিন্ন অঙ্গ অকার্যকর হয়ে পড়ে তার। এছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে মাহফুজুর রহমান খান ডায়াবেটিস ও ফুসফুসের রোগে ভুগছিলেন। এরপর গ্রীন লাইফ থেকে তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তার চিত্রগ্রহনে ছবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অভিযান মহানায়ক চাঁপা ডাঙ্গার বউ ঢাকা ৮৬ অন্তরে অন্তরে পোকা মাকড়ের ঘর বসতি আনন্দ অশ্রু শ্রাবণ মেঘের দিন দুই দুয়ারীচন্দ্রকথা নন্দিত নরকে হাজার বছর ধরে বৃত্তের বাইরে ঘেটুপুত্র কমলা ইত্যাদি। এফডিসিতে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর মাহফুজুর রহমান খানের মরদেহ দাফন করার জন্য আজিমপুর কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।