রবিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৯
কোন দেশ কী করছে,সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণে
৪জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তোলপাড় সারা দুনিয়ায়। যে কেউ কোন বিষয়ে যা খুশি বলে দিতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ায়, আইনের বিন্দুমাত্র তোয়াক্কা না করে। কিছুদিন আগে নিউজিল্যান্ডে দুটি মসজিদে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালিয়ে ৫০ জনকে হত্যার ঘটনা যেভাবে ফেসবুকে লাইভ স্ট্রিমিং করা হলো, সেটা নিয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ধিক্কার উঠেছে বিশ্বজুড়ে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই এখন চেষ্টা চলছে কিভাবে বড় বড় সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন বেপরোয়া কাজকর্মের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা যায়। এটিকে আবার অনেকে দেখছেন মত প্রকাশের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের চেষ্টা হিসেবে। সোশ্যাল মিডিয়া মানুষকে এখন মত প্রকাশের সুযোগ করে দিয়েছে। অনেক দেশেই কর্তৃত্ববাদী সরকার সেটা পছন্দ করছে না। কাজেই এধরণের আইন করার পেছনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত করার অভিসন্ধি দেখছেন অনেক সমালোচক। স্ব-নিয়ন্ত্রণ: ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্মগুলো এতদিন ধরে দাবি করে এসেছে যে, তাদের প্রতিষ্ঠানে এক ধরণের ব্যবস্থা চালু আছে, যেখানে তারা নিজেরাই আপত্তিকর বিষয়বস্তু সরিয়ে নেন। ইউটিউব দাবি করে, তাদের সাইটে যখন কোন আপত্তিকর কনটেন্ট দেয়া হয়, তারা সেটি জানার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। ২০১৮ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই ইউটিউব প্রায় ৭৮ লাখ ভিডিও তাদের সাইট থেকে অপসারণ করেছে। এর মধ্যে ৮১ শতাংশই সরানো হয়েছে যন্ত্রের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। এই ভিডিওগুলোর তিন চতুর্থাংশই কেউ দেখার আগেই সরিয়ে ফেলা হয়। শুধুমাত্র আপত্তিকর ভিডিও সরিয়ে নেয়ার জন্য সারা বিশ্বে ইউটিউব দশ হাজার লোক নিয়োগ করেছে। তাদের কাজ মনিটরিং করা এবং আপত্তিকর ভিডিও সরিয়ে নেয়া। ফেসবুক, যারা ইনস্টাগ্রামেরও মালিক, বিবিসিকে জানিয়েছে, তাদের প্রতিষ্ঠানে এরকম কাজের জন্য আছে ৩০ হাজার লোক। কেবল গত বছরের অক্টোবর হতে ডিসেম্বরের মধ্যেই ফেসবুক ১ কোটি ৫৪ লাখ সহিংস কনটেন্ট সরিয়ে নিয়েছে তাদের সাইট থেকে। আগের তিন মাসের তুলনায় এটা প্রায় ৭৯ লাখ বেশি। কিছু কনটেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবেই শনাক্ত করা যায়, কেউ দেখে ফেলার আগেই। সন্ত্রাসবাদী প্রপাগান্ডার ক্ষেত্রে, ফেসবুক দাবি করছে, ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ কনটেন্টই স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি দিয়ে শনাক্ত করা হয়েছে, তারপর সেগুলো মুছে দেয়া হয়েছে। ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার থেকে শুরু করে নানা ধরণের সোশ্যাল মিডিয়া যারা ব্যবহার করেন, তাদের সুরক্ষা দেয়ার জন্য ব্রিটিশ সরকার একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠনের কথা ভাবছে। এর সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে এজন্যে আলোচনা-পরামর্শ গ্রহণ চলবে আগামী ১লা জুলাই পর্যন্ত। ব্রিটেনের বর্তমান আইনে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া যায় না। ব্রিটিশ সংস্কৃতি মন্ত্রী মারগট জেমস বলছেন, এই অবস্থান পরিবর্তন দরকার। তিনি চান, ব্রিটেনে এমন আইন তৈরি করা হোক, যাতে করে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলো বাধ্য হয় এরকম অবৈধ কনটেন্ট সরিয়ে নিতে। জার্মানি: জার্মানিতে ২০১৮ সালের শুরু থেকে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপারে এক নতুন আইন কার্যকর হয়। জার্মানিতে যেসব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের বিশ লাখের বেশি ব্যবহারকারি আছে, তারা সবাই এই আইনের আওতায় পড়বে। জার্মানির এই নতুন আইনে বলা আছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় কোন কনটেন্ট সম্পর্কে কোন অভিযোগ আসার ২৪ ঘন্টার মধ্যে তা তদন্ত এবং পর্যালোচনা করতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলো এর ফলে বাধ্য হয়েছে সেই ব্যবস্থা করতে। কেউ যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন কোন কনটেন্ট শেয়ার করে যা এই আইনের বিরোধী, সেজন্যে তাকে ৫০ লাখ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে। অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকে জরিমানা করা যাবে পাঁচ কোটি ইউরো পর্যন্ত। জার্মানিতে আইনটি কার্যকর হওয়ার পর প্রথম বছরে ব্যবহারকারীদের দিকে থেকে ৭১৪ টি অভিযোগ আসে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের কাছে অভিযোগ করার পরও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আপত্তিকর পোস্ট সরিয়ে নেয়া হয়নি বা ব্লক করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছিলেন এরা। জার্মানির ফেডারেল বিচার মন্ত্রণালয় বিবিসিকে জানিয়েছে, আইনটি কার্যকর হওয়ার পর বছরের অন্তত ২৫ হাজার অভিযোগ আসবে বলে তারা ধারণা করেছিলেন। কিন্তু অভিযোগ এসেছিল একেবারেই কম। আর যেসব অভিযোগ এসেছে, তার কোনটির ক্ষেত্রেই কাউকে জরিমানা দিতে হয়নি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন: ইউরোপীয় ইউনিয়ন সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বিবেচনা করছে। বিশেষ করে জঙ্গিবাদে উৎসাহ যোগায় যেসব ভিডিও, তার বিরুদ্ধে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে জেনারেল ডাটা প্রোটেকশন রেগুলেশন (জিডিপিআর) নামে এক নতুন আইন কার্যকর হয়েছে গত বছর থেকে। বিভিন্ন কোম্পানি এবং প্রতিষ্ঠান কিভাবে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করবে, সে বিষয়েই মূলত এই আইন। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরেকটি আইনের প্রস্তাব করেছে, যেটি নিয়ে ইন্টারনেট কোম্পানিগুলো দুশ্চিন্তায় আছে। কেউ যদি কোন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে কপিরাইট লঙ্ঘন করে কিছু পোস্ট করে, সেজন্যে ঐ ব্যক্তি তো বটেই, সেই সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্মকেও দায়ী করা যাবে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে পূর্বের আইনে আপত্তিকর কনটেন্টের ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর তা সরিয়ে নিলেই মামলা চুকে যেত। কিন্তু নতুন আইনে এজন্যে দায়িত্বটা এখন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ঘাড়েই বর্তাবে। কপিরাইট আইনের লঙ্ঘন হচ্ছে কীনা, সেটা দেখার এবং নিশ্চিত করার দায়িত্ব থাকবে তাদেরই। অস্ট্রেলিয়া: গত ৫ই এপ্রিল অস্ট্রেলিয়ায় এক কঠোর আইন চালু করা হয়েছে যাতে সহিংস এবং জঘন্য কোন কিছু অনলাইনে শেয়ার করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইন লঙ্ঘন করলে সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ এনে জেল-জরিমানার বিধানও রাখা হয়েছে। জরিমানার অংকটি বেশ বড়। কোন সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানির গ্লোবাল টার্নওভারের দশ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করা যাবে। নিউজিল্যান্ডে দুটি মসজিদে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালিয়ে ৫০ জনকে হত্যার ঘটনা হামলাকারি যেভাবে ফেসবুকে লাইভ স্ট্রিমিং করেছিল, তারপর অস্ট্রেলিয়া এই আইন চালু করলো। এর আগে ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ায় অনলাইন সেফটি আইন নামে আরেকটি আইনে একজন ‘ই-সেফটি কমিশনারের’ পদ তৈরি করা হয়। ই-সেফটি কমিশনার সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলোকে বাধ্য করতে পারেন আপত্তিকর কনটেন্ট সরিয়ে নিতে। এজন্যে তিনি সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকে ৪৮ ঘন্টার নোটিশ দিতে পারেন। জরিমানা করতে পারেন পাঁচ লাখ ২৫ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত। অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর ক্ষেত্রে এই জরিমানা হতে পারে এক লাখ পাঁচ হাজার ডলার পর্যন্ত। অস্ট্রেলিয়ায় এই কঠোর আইন করা হয় শার্লট ডসন নামে এক টেলিভিশন উপস্থাপক অনলাইনে হয়রানির শিকার হয়ে আত্মহত্যা করার পর। রাশিয়া: রাশিয়ায় ২০১৫ সালের ডাটা আইন অনুযায়ী সব সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিকেই রুশ নাগরিকদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য রাশিয়াতেই কোন সার্ভারে সংরক্ষণ করতে হয়। তবে ফেসবুক এবং টুইটার কিভাবে এই আইন মেনে চলবে সে সম্পর্কে কোন স্পষ্ট ধারণা দিতে না পারায় রুশ কর্তৃপক্ষ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। রাশিয়া এর পাশাপাশি জার্মানির মত একটা আইন করার কথা বিবেচনা করছে যেখানে আপত্তিকর কনটেন্ট সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা এটা করবে না তাদের বিরুদ্ধে জরিমানার ব্যবস্থা থাকবে। চীন: টুইটার, গুগল বা হোয়াটসঅ্যাপ চীনে নিষিদ্ধ। তবে সেখানে একই ধরণের কিছু চীনা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম আছে। যেমন ওয়েইবো, বাইডু এবং উইচ্যাট। চীনে কিছু ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক আছে। কিন্তু চীনা কর্তৃপক্ষ সেগুলোর ব্যবহারও সীমিত করে দিতে সক্ষম হয়েছে। চীনের সাইবার স্পেস অ্যাডিমিনিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবছরের জানুয়ারি থেকে আগের ছয় মাসে তারা ৭৩৩টি ওয়েবসাইট এবং নয় হাজারের বেশি মোবাইল অ্যাপ বন্ধ করে দিয়েছে। তবে এগুলোর বেশিরভাগই আসলে জুয়া খেলার বেআইনি সাইট বা অ্যাপ। চীনের হাজার হাজার সাইবার পুলিশ আছে। এরা ২৪ ঘন্টাই নজরদারি চালায় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের ওপর। বিশেষ করে রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর কোন তৎপরতা সেখানে চলছে কীনা, তার ওপর। কিছু কিছু শব্দ স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সেন্সর করা হয়। যেমন ১৯৮৯ সালে তিয়ান আনমেন স্কোয়ারের ঘটনা। নিষিদ্ধ শব্দের তালিকায় চীনা কর্তৃপক্ষ আরও নতুন নতুন শব্দ যোগ করছে। এরকম শব্দ থাকে যেসব পোস্টে, সেগুলো হয় নিষিদ্ধ করা হয় অথবা ফিল্টার করে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বাদ দেয়া হয়।
ন ডরাই ,মুক্তি পাবে অক্টোবরে
২১ জুন২০১৯,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বৃহস্পতিবার ছিল বিশ্ব সার্ফিং দিবস। আর প্রথমবারের মত সার্ফিং নিয়ে সিনেমা নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশে। ছবিটি প্রযোজনা করেছে স্টার সিনেপ্লেক্স। গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সে ছিল এ ছবির বাংলা নাম ও অফিসিয়াল পোস্টার উন্মোচন অনুষ্ঠান। ছবির নামে দেখা গেল আঞ্চলিকতার রেশ আর পোস্টারে পাওয়া পগল ভিন্নতার স্বাদ। ইংরেজি নাম ডেয়ার টু সার্ফ হলেও এ ছবির বাংলা নাম রাখা হয়েছে ন ডরাই। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির পরিচালক তানিম রহমান অংশু, দুই মূল অভিনয়শিল্পী সুনেরা বিনতে কামাল, শরীফুল রাজ, ছবির প্রযোজক ও স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমানসহ অনেকে। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন কলকাতার শ্যামল সেনগুপ্ত।অনুষ্ঠান শেষে ন ডরাই ছবির টিজারও দেখানো হয়। স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান জানান, ছবিটি আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন উৎসবে প্রদর্শীত হবার পাশাপাশি আগামী অক্টোবরে দেশের প্রেক্ষাগৃহেও মুক্তি পাবে।
বাঁচানো গেলো না কণ্ঠশিল্পী অভিকে
২০জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর বংশালে মকিম বাজার কবরস্থানে দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত কণ্ঠশিল্পী মোহাম্মদ উল্লাহ অভি নিরব মারা গেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাত সাড়ে ৭টায় তার মৃত্যু হয়। ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকাল আটটায় মকিম বাজার কবরস্থানের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে অভির বন্ধু আঁখির কাজের মেয়ে পরিবারকে খবর দেয়। পরে বংশাল থানা পুলিশের সহযোগিতায় প্রথমে তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন স্বজনরা।
বিসিএস বক্কর- চঞ্চল চৌধুরী
৭জুন২০১৯,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদে কমেডি নাটকের কদর সব থেকে বেশি থাকে। দর্শকদের চাহিদার কথা চিন্তা করে নির্মাতা সকল আহমেদ নির্মাণ করেছেন নাটক বিসিএস বক্কর। লিখেছেন মিজানুর রহমান বেলাল। নাটকের নাম ভূমিকায় চঞ্চল চৌধুরী এবং সন্ধ্যা চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাকিয়া বারী মম। বিসিএস বক্কর সম্পর্কে নির্মাতা সকল আহমেদ বলেন,খুব মজার গল্প। আশা করছি, নাটকটি দেখে সবাই বিনোদন পাবেন। নাটকের গল্পে দেখা যাবে, পুরান ঢাকার ছেলে বক্কর। বাবার একমাত্র সন্তান হওয়ার কারণে প্রচণ্ড বাউন্ডেলে। বক্কর বিসিএস পরীক্ষা দেবে, এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, বক্কর রাঁস্তায়, ছাদে, গাছে, পথে-প্রান্তরে মানুষকে দেখিয়ে দেখিয়ে চিৎকার করে পড়ে। বক্করের সাথে দুজন সহযোগী রাখে তার বাবা। একজন হাতফ্যানে বাতাস করতে, আরেক জন নানান সেবা যত্ম করার জন্য। বক্কর লেখা-পড়ার নামে পুরো এলাকায় সার্কাসের মতো হাস্যত্মক ঘটনার জন্ম দেয়। সন্ধ্যা মহল্লার মেয়ে। ভীষণ সুন্দরী। বক্কর সন্ধ্যাকে ভালোবাসে। আর সন্ধ্যা প্রথমবারের মতো বিসিএস পরীক্ষা দেবে। ভালো ছাত্রী, প্রস্তুতি ভালো, বিনয়ী ও যথেষ্ট প্রতিবাদী। কিন্তু বক্করের বিসিএসের এবারই শেষ চান্স। বয়স নাই। তাই যে করে হোক বিসিএস পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হতেই হবে। সন্ধ্যাকে, এলাকার মানুষকে, মা-বাবাকে, এমন কি রাস্তার পথচারীকে দেখিয়ে দেখিয়ে গলা ফাটিয়ে লেখাপড়া করে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন উঠে, চারদিক সমালোচনা হতে থাকে বক্করকে নিয়ে। কিন্তু সন্ধ্যার পড়াশুনা কেউ দেখতে পায় না। লুকিয়ে পড়ে। ভীষণ মেধাবী। বক্কর ও সন্ধ্যার লেখাপড়া নিয়ে দুই পরিবারের দ্বন্দ্ব বাজার পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যার বাবার সাফ কথা। বিসিএস জামাই ছাড়া সন্ধ্যাকে বিয়ে দিবে না। সন্ধ্যাও বিসিএস ছেলে ছাড়া বিয়ে বা প্রেম করবে না। তাই বক্কর বিসিএস পাস করার জন্য জান কুরবানি দিয়ে পড়ে। শেষে বক্কর নাকি সন্ধ্যা পাস করে বিসিএসে? বক্করের পরিণতি কী হয়? এটা জানা যাবে নাটকের শেষে। নাটকটি আগামীকাল শনিবার ঈদের চতুর্থ দিন রাত ৮টা ৩০ মিনিটে আরটিভিতে প্রচারিত হবে। চঞ্চল ও মম ছাড়াও এতে অভিনয় করেছেন শফিক খান দিলু. শিখা মৌ, মাহবুব আলম রশিদ খান প্রমুখ।
ঈদে ২৬১ সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে তিনটি চলচ্চিত্র
৫জুন২০১৯,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মুসলিমদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে আজ বুধবার। দিনটিকে রাঙাতে সকাল থেকেই এক শ্রেণির মানুষ সিনেমা হলে ভিড় করে। মুক্তি পায় বড় বাজেটের চলচ্চিত্র। এবার ঈদে ২৬১ সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে তিনটি চলচ্চিত্র। শাকিব খানের নিজের প্রযোজিত চলচ্চিত্র পাসওয়ার্ড মুক্তি পেয়েছে ১৭৭টি সিনেমা হলে। অনন্য মামুনের গল্প নির্ভর চলচ্চিত্র আবার বসন্ত মুক্তি পেয়েছে সাতটি সিনেমা হলে, সাকিব সনেট প্রযোজিত নোলক ছবিটি মুক্তি পেয়েছে ৭৭টি সিনেমা হলে। অপরাধ জগতের এক ডনের সুইস ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড নিয়েই পাসওয়ার্ড ছবির গল্প। ঘটনাক্রমে পাসওয়ার্ডটি হারিয়ে যায়। সেই হারিয়ে যাওয়া পাসওয়ার্ড খুঁজতে থাকে ডন। আবদুল্লাহ জহির বাবুর চিত্রনাট্যের এ ছবিতে অভিনয় করেছেন শাকিব খান, বুবলী, মিশা সওদাগর, অমিত হাসান প্রমুখ। ছবিটি যৌথ ভাবে প্রযোজনা করেছেন শাকিব খান ও বন্ধু মোহাম্মদ ইকবাল। পরিচালনা করেছেন মালেক আফসারী। দেশের ১৭৭টি সিনেমা হলে ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। একজন বাবার একাকিত্বের গল্প নিয়ে চলচ্চিত্র আবার বসন্ত। ৬৫ বছরের লোকটির সাথে ভালোবাসায় জড়িয়ে পড়ে ২৫ বছরের একটি মেয়ে। গল্পনির্ভর এই চলচ্চিত্রটি রাজধানীর বলাকা সিনেওয়ার্ল্ড ও সিনেপ্লেক্সগুলোতে ঈদে মুক্তি পাবে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন অনন্য মামুন। ছবিতে অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, স্পর্শীয়া, আনন্দ খালেদ, ইমতুসহ অনেকে। অনন্য মামুন বলেন,টার্গেট সিনেপ্লেক্সে হলেও ছবির প্রিমিয়ারের পর অন্য সিনেমা হলমালিকরা আগ্রহ দেখানোর পর সাভারের সেনা অডিটরিয়াম ও ময়মনসিংহে পূরবী সিনেমা হলে ছবিটি মুক্তি দিচ্ছি। সিনেপ্লেক্সসহ মোট সাতটি হলে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে। একসঙ্গে অনেক সিনেমা হলে মুক্তি দেওয়ার ইচ্ছে আমার নেই। এই ছবিটি আগামী ছয় মাস ধরে দর্শক দেখবেন বলে আমি আশা করি। পারিবারিক আবেগ ও বন্ধনের ছবি নোলক। দুই পরিবারের দ্বন্দ্ব আর পারিবারিক ঐতিহ্য নোলক ছবির মূল গল্প। এই ছবিতে শাকিব খানের সাথে জুটি বেঁধেছেন নায়িকা ববি। ছবিটি প্রযোজক সাকিব সনেট। ফেরারি ফরহাদের লেখা এ কাহিনীর ছবিতে আরো অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, নিমা রহমান, ওমর সানী, মৌসুমী, শহীদুল আলম সাচ্চু প্রমুখ। দেশের ৭১টি সিনেমা হলে ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। ২০১৭ সালের ১ ডিসেম্বর ভারতের রামুজি ফিল্ম সিটিতে শুরু হয় নোলক ছবির শুটিং। শুরুতে নোলক-এর পরিচালক ছিলেন নাট্যনির্মাতা রাশেদ রাহা। কিন্তু সিনেমার শুটিংয়ের মাঝপথে পরিচালক ও প্রযোজকের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। একপর্যায়ে পরিচালক রাশেদ রাহাকে বাদ দিয়েই সিনেমার শুটিং শেষ করেন প্রযোজক সাকিব সনেট। ছবিটি প্রযোজনা করেছে বি হ্যাপী এন্টারটেইনমেন্ট।-ntv
ইত্যাদি ঈদের পরদিন
৪জুন২০১৯,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রতিবারের মতো এবারও ছোট পর্দার বড় আকর্ষণ থাকবে ইত্যাদি। যা একযোগে প্রচার হবে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে ঈদের পরদিন রাত ১০টা ২০ মিনিটে। এবারও ইত্যাদি শুরু করা হয়েছে ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ গানটি দিয়ে। এবারে নৃত্যে-ছন্দে-আনন্দে চিরচেনা এই গানটি পরিবেশন করবেন নৃত্য জুটি শিবলী মোহাম্মদ ও শামীম আরা নিপা। একটি দেশাত্মবোধক গান গেয়েছেন এ্যান্ড্রু কিশোর, কুমার বিশ্বজিৎ ও শফি মণ্ডল। রয়েছে ছন্দে-সুরে একটি ব্যতিক্রমী আড্ডা। এতে অংশ নিয়েছেন অভিনয়শিল্পী শহীদুজ্জামান সেলিম, চঞ্চল চৌধুরী, মম ও ঈশিতা। বিষয়ভিত্তিক একটি গান ও নৃত্যগীতে অংশ নিয়েছেন চলচ্চিত্রশিল্পী ফেরদৌস, পূর্ণিমা এবং এই প্রজন্মের সিয়াম ও পূজা। ঈদ ইদ্যাদির এবারের মিউজিক্যাল ড্রামায় অংশ নিয়েছেন অভিনয়শিল্পী ইমন, নিরব, সাঈদ বাবু, নিপুণ, সারিকা এবং সংগীতশিল্পী কনা।ব্যতিক্রমী উপস্থাপনায় আরব্য উপন্যাসের একটি গল্পের আদলে তৈরি করা হয়েছে এবারের দলীয় সংগীত। এই পর্বে অংশ নিয়েছেন অভিনয়শিল্পী মীর সাব্বির, আনিসুর রহমান মিলন ও নাদিয়া। তাদের সঙ্গে রয়েছেন ইত্যাদির নিয়মিত নৃত্যশিল্পীরা। এছাড়া ঈদের ইত্যাদিতে আরও থাকছে বিদেশিদের অংশগ্রহণে ব্যতিক্রমী একটি পর্ব, অভিনয়শিল্পী অপূর্ব ও মিথিলার অংশগ্রহণে দর্শকদের নিয়ে পর্ব ও অন্যান্য নিয়মিত আয়োজন। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত।
ঈদে হোসাইন নিরবের তিনটি একক নাটক ও একটি টেলিফিল্ম
১জুন,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদুল ফিতরের টেলিভিশন অনুষ্ঠানের রসদ জোগাতে থাকছে তরুণ প্রতিভাবান অভিনেতা হোসাইন নিরবের তিনটি একক নাটক ও একটি টেলিফিল্ম। নাটকগুলো বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত হবে। সবুজ ওয়াহিদের রচনা ও অভ্র মাহমুদের পরিচালনায় বিবাহ গোলোযোগ নাটকে দেখা যাবে হোসাইন নিরবকে। নাটকটিতে আরো অভিনয় করেছেন মিশু সাব্বির ও স্নিগ্ধা মোমিন। স্বাধীন শাহে রচিত ও বর্ণনাথ পরিচালিত ত্রিমুখী প্রেমের নাটক ঝুল বারান্দার প্রেম এ হোসাইন নিরব ছাড়াও আছেন শামিম হাসান সরকার ও স্নিগ্ধা মোমিন। তানভীর সানি পরিচালিত মিস মাশরাফি নাটকে অভিনয় করেছেন হোসাইন নিরব। নাটকটির রচয়িতা সবুজ ওয়াহিদ। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিশু সাব্বির, সারিকা ও সালভিন ইফতী। এছাড়াও ইমরাউল রাফাত পরিচালিত -পায়ে পায়ে হারিয়ে-টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন সময়ের এই জনপ্রিয় অভিনেতা। অন্যান্য চরিত্রে দেখা যাবে তাহসান ও নুসরাত ইমরোজ তিশাকে।
কাল মুক্তি পাচ্ছে পিএম নরেন্দ্র মোদি
২৩মে,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জীবনীভিত্তিক সিনেমা পিএম নরেন্দ্র মোদি বড়পর্দায় উঠছে আগামীকাল শুক্রবার। এতে মোদির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেতা বিবেক ওবেরয়। বলা হচ্ছে, কঠিন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে চা বিক্রেতা থেকে নরেন্দ্র মোদির পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠার বিস্ময়কর গল্প বিধৃত হয়েছে এই সিনেমায়। ঘোষণার পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে পিএম নরেন্দ্র মোদি। যদিও বেশ কয়েকবার মুক্তির তারিখ পিছিয়ে গেছে। অন্যদিকে, সম্প্রতি ছবির প্রধান অভিনেতা বিবেক ওবেরয় মিম-কাণ্ডে সমালোচিত। তবু এই চলচ্চিত্র দেখতে উন্মুখ অগণিত দর্শক। আজ লোকসভা নির্বাচনের ফল বেরোবে। আর কালই মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি। পিএম নরেন্দ্র মোদির পরিচালক ওমাং কুমার। ছবিটি প্রযোজনা করেছেন সুরেশ ওবেরয়, সন্দীপ সিংহ, অর্চনা মনীষ ও আনন্দ পণ্ডিত। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন বিবেক ওবেরয় ও অনিরুদ্ধ চাওলা। ছবিতে নরেন্দ্র মোদির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বিবেক ওবেরয়। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছেন বোমান ইরানি, জারিনা ওয়াহাব, বরখা সেনগুপ্ত, মনোজ জোশি, রাজেন্দ্র গুপ্ত, দর্শন কুমার। এই ছবির সংগীত পরিচালক রিতেশ মোডাকা ও এ আর রহমান। এই ছবির নির্মাণব্যয় ২০ কোটি রুপি। সূত্র : ইন্ডিয়া টিভি
নায়িকা জলির বাগদান
১৯মে,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৫ বছর ধরে প্রেম করা ব্যবসায়ী পাত্রের সঙ্গেই অবশেষে বিয়ের পিড়িতে বসতে যাচ্ছেন চিত্রনায়িকা জলি। ইতিমধ্যে তাদের বাগদান হয়ে গেছে। মেয়েটি এখন কোথায় যাবে ছবি নায়িকা জলি জানান, শিগগিরই বিয়ে করছেন।১৬ মে ঘরোয়া পরিসরে তাদের বাগদান হয়েছে। তবে বিয়ের তারিখ জানাননি জলি। জলির বর আরাফাত রহমান ব্যবসায়ী। পাশাপাশি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছেন। জলি জানান, ৫ বছর ধরে আরাফাতের সঙ্গে তার গোপন প্রেম চলছিল। মিডিয়ায় কাজ করায় বিষয়টি প্রকাশ করেননি জলি। জলি বলেন, চলচ্চিত্রে আসার অনেক আগে থেকেই আমাদের সম্পর্ক। ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে বিয়ে হচ্ছে, এটা আমার জন্য আনন্দের বিষয়। দুই পরিবারের সিদ্ধান্তে বিয়ের তারিখ চূড়ান্ত করব শিগগিরই। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। যেহেতু বাগদান তাই সবাইকে জানানো হয়নি। খুব তাড়াতাড়ি বিয়ের তারিখ চূড়ান্ত হবে। আশাকরি সবাইকে নিয়ে সন্দর একটি অনুষ্ঠান করে বিয়েটা করব-যোগ করেন জলি। ২০১৬ সালে অঙ্গার ছবিতে অভিনয়ের সুবাবে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় সুদর্শনী জলির। এরপর নিয়তি ছবিটি মুক্তি পায়। সর্বশেষ মুক্তি পেযেছে মেয়েটি এখন কোথায় যাবে চলচ্চিত্রটি। আরও কয়েকটি ছবিতে কাজ করছেন তিনি।