ছেলে-মেয়ে অস্ট্রেলিয়ায়, ফেরার পর শেষকৃত্যের সিদ্ধান্ত
০৭জুলাই,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর আর নেই। সবাইকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে রোববার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। শিল্পীর বড় বোনের স্বামী ডা. প্যাট্রিক বিপুল বিশ্বাস গণমাধ্যমকে এ খবর নিশ্চিত করেন। এন্ড্রু কিশোরের ছেলে ও মেয়ে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় রয়েছেন। তারা সেখান থেকে দেশে ফেরার চেষ্টা করছেন। ছেলে-মেয়ে দেশে ফিরলেই কিংবদন্তী এই সংগীতশিল্পীর শেষকৃত্যের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ক্যান্সার আক্রান্ত এন্ড্রু কিশোরকে দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা শফিকুল আলম বাবু বাংলানিউজকে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিকল্পনা রয়েছে; তবে শিল্পীর ছেলে-মেয়ে আসলেই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। আপাতত তার মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে। দেশে ফোরার পর এই প্লেব্যাক সম্রাট রাজশাহী মহানগরের মহিষবাথান এলাকায় থাকা তার বোন ডা. শিখা বিশ্বাসের বাসায় ছিলেন। তার ওই বাড়িটির একটি অংশেই রয়েছে ক্লিনিক। সেখানেই সেবা-সুশ্রুষা চলছিল এন্ড্রু কিশোরের। তবে রোববার (৫ জুলাই) থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাই এন্ড্রু কিশোরের সুস্থতায় প্রাণ খুলে দোয়া করার জন্য সবার কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন তার স্ত্রী লিপিকা এন্ড্রু। এরপর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটনায় সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে বাড়িতে রেখেই তাকে অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়। এদিন সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ক্যান্সার আক্রান্ত এন্ড্রু কিশোরকে দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা শফিকুল আলম বাবু জানান, দেশে ফিরলেও এন্ড্রু কিশোরের শারীরিক অবস্থা ভালো যাচ্ছিল না। রোববার (৫ জুলাই) সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। কারও সঙ্গে কথা বলার মতো অবস্থাতেই ছিলেন না তিনি। বিকেলে এন্ড্রু কিশোরের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছিল। শফিকুল আলম বাবু আরও জানান, প্রায় ৯ মাস পর সিঙ্গাপুর থেকে গত ১১ জুন দেশে ফেরেন সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। ২০ জুন থেকে তিনি রাজশাহীতে ছিলেন। তবে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। কারও সঙ্গে কথা বলতে পারছিলেন না তিনি। দেশে ফিরে কিছুটা সময় কোলাহলমুক্ত সময় কাটাতে চেয়েছেন। তাই ফেরার খবরটি এতদিন কাউকে জানাননি। এ প্রসঙ্গে এন্ড্রু কিশোর কিছুদিন আগে বলেছিলেন, কয়েক দিন হলো দেশে এসেছি। কিছুটা সময় একান্তে থাকতে চেয়েছি। তাই পরিবারের বাইরে কাউকে জানাইনি। তাছাড়া শরীরের অবস্থাও খুব বেশি ভালো নয়। ডাক্তার কড়া নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, কোলাহলমুক্ত থাকতে হবে সেই নির্দেশনা মেনেই চলছি। চেকআপের জন্য তিন মাস পর পর তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার কথা ছিল। গত বছরের ৯ সেপ্টেস্বর শরীরের নানা জটিলতা নিয়ে সিঙ্গাপুর চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন এন্ড্রু কিশোর। ছয়টি ধাপে তাকে মোট ২৪টি কেমোথেরাপি দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছিলেন, কয়েক মাস পরপর নিয়মিত চেকআপ করাতে হবে তাকে। এর আগে মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে দেশে ফিরতে চেয়েছিলেন এন্ড্রু কিশোর। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে দেশে ফেরা হয়নি তার। অবশেষে গত ১১ জুন বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফেরেন তিনি। ১৯৭৭ সালে মেইল ট্রেন- সিনেমার মধ্য দিয়ে প্লেব্যাকে যাত্রা শুরু করেন এন্ড্রু কিশোর। এরপর আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যখানে সহ অসংখ্য জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন শ্রোতাদের। এন্ড্রু কিশোরের শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়ার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকা সহায়তা করেছিলেন। পাশাপাশি গো ফান্ড মি নামে এক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করা হয়। সহশিল্পীদের মধ্যেও অনেকে তার পাশে দাঁড়ান।
সংকটাপন্ন সময়ে এন্ড্রু কিশোরের মৃত্যুর গুজব, বিরক্ত পরিবার
০৫জুলাই,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এরই মধ্যে এন্ড্রু কিশোরের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু নিশ্চিত না হয়ে একজন জীবিত মানুষের মৃত্যুর খবর কারা প্রচার করছে- এমন জিজ্ঞাসা এন্ড্রু কিশোরের পরিবার ও ঘনিষ্ঠজনদের! একবার নয়, একাধিকবার গুণী এই শিল্পীর মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হয়েছে বলে তারা অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষোভ ঝেড়েছেন। এ প্রসঙ্গে এন্ড্রু কিশোরের চাচাতো ভাই রেমন্ড তপু বলেন, সাধারণ মানুষ ভুল করলে মেনে নেওয়া যায়, চুপ থাকা যায় কিন্তু সংগীতের কিংবা মিডিয়ার বড় বড় মাথা যখন নিশ্চিত না হয়ে কাছের মানুষের মৃত্যুর গুজব ছড়ান, তথন তা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না! আজ তা ই হয়েছে। নিজ চোখে দেখলাম। দুয়েক জনকে কটাক্ষ করে কথা বলেছি, সইতে না পেরে। অবশ্য পরে তারা দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ক্ষমা চেয়েছেন। এন্ড্রু কিশোরের অবস্থা শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তিনি বলেন, উনার অবস্থা ভালো না। সংকটাপন্ন। কোনও কথা বলতে পারছেন না। আপাতত এর বেশি কিছু বলতে পারছি না। তাকে আপনাদের দোয়া-প্রার্থনায় রাখবেন। ১৯৭৭ সালে মেইল ট্রেন সিনেমার মধ্য দিয়ে প্লেব্যাকে যাত্রা শুরু করেন এন্ড্রু কিশোর। এরপর আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প, হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস, ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে, আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি, আমার বুকের মধ্যে খানে সহ অসংখ্য জনপ্রিয় ও কালজয়ী গান উপহার দিয়েছেন প্লেব্যাক সম্রাট ও উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর।
বিটিভিতে আজ নাটোরের- ইত্যাদি
০৫জুলাই,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিটিভিতে আজ রবিবার রাত দশটার ইংরেজি সংবাদের পর পুনঃপ্রচার হবে নাটোরের উত্তরা গণভবনে ধারণকৃত ইত্যাদি। এ পর্বটির শুটিং হয় ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। একসময়ে দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী হিসেবে পরিচিত বর্তমানে নাটোরের উত্তরা গণভবনে বসে এ আসর। যা প্রচারের পরপরই আলোচনায় আসে। বিষয় বৈচিত্র্যে ভরপুর ইত্যাদির এই পর্বে রয়েছে বেশ কয়েকটি হৃদয়ছোঁয়া প্রতিবেদন। একজন হতদরিদ্র শিক্ষক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের দেলোয়ার হোসেনের জীবন সংগ্রামের ওপর রয়েছে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। আমের রাজধানী চাঁপাই নবাবগঞ্জের আমের উৎপাদন ও সম্ভাবনা নিয়ে রয়েছে তথ্যবহুল প্রতিবেদন। এ ছাড়া মাগুরার বালিদিয়া গ্রামের জন্মান্ধ আবুল বাশারের ওপর রয়েছে একটি মানবিক প্রতিবেদন। দর্শকদের লালনগীতি গেয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ফরিদা পারভীন। গানটি ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশে বিভিন্নস্থানে চিত্রায়ণ করা হয়। রয়েছে নাটোরের বিভিন্ন ঐতিহ্য নিয়ে আঞ্চলিক ভাষায় রচিত সংগীতের সঙ্গে স্থানীয় প্রায় শতাধিক নৃত্যশিল্পীর অংশগ্রহণে একটি নাচ। দর্শক পর্বে বাছাই করা হয়েছে নাটোর ও দিঘাপতিয়া রাজবাড়ীকে নিয়ে করা বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে। নির্বাচিত দর্শকদের দিয়ে করা হয় দ্বিতীয় পর্ব। আছে মামা-ভাগ্নে ও নানী-নাতি পর্ব। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক অসঙ্গতি ও সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে ছিল বেশ কয়েকটি বিদ্রূপাত্মক নাট্যাংশ। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। কেয়া কসমেটিক্সের সৌজন্যে একযোগে প্রচার হবে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে।
বলিউডের প্রখ্যাত কোরিওগ্রাফার সরোজ খান আর নেই
০৩,জুলাই,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস খবর প্রকাশ করেছে, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিনগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে হৃদরোগের কাছে পরাস্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলিউডের গুণী এই কোরিওগ্রাফার। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ডায়াবেটিসজনিত বিভিন্ন অসুস্থতায় ভুগছিলেন সরোজ খান। সংসার জীবনে ছেলে হামিদ খান এবং মেয়ে হিনা ও সুকিনা খান নামের তিন সন্তান রেখে গেছেন। তিন বছর বয়স থেকে শিশু নৃত্যশিল্পী হিসেবে পথ চলা শুরু করেন সরোজ খান। শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না ছোট্ট সরোজের। শুধুমাত্র নিজের আত্মবিশ্বাস এবং চূড়ান্ত লড়াই তাকে বসিয়েছিল বলিউডের সেরার আসনে। তার হাত ধরেই বলিউডের একের পর এক সুপারস্টার নাচের তালে দেশবাসীকে মুগ্ধ করেছেন। ১৯৭৮ সালে গীতা মেরা নাম সিনেমায় স্বতন্ত্র কোরিওগ্রাফার হিসেবে প্রথম ব্রেক পান। ঝুলিতে রয়েছে তিনটি জাতীয় পুরস্কারসহ অজস্র খেতাব। ২০০০-এর বেশি গানে কোরিওগ্রাফ করেছেন তিনি। মিস্টার ইন্ডিয়ার হাওয়া হাওয়াই, তেজাব- এর এক দো তিন, দেবদাস- এর দোলা রে দোলা ইত্যাদি গানের কোরিওগ্রাফি সরোজ খানকে ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে স্মরণীয় করে রাখবে। বেটা সিনেমার বিখ্যাত সেই ধক ধক করনে লাগার কোরিওগ্রাফি মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এক সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে চিরকাল স্বীকৃতি পাবে বলে মত নৃত্য মহলের। তবে দীর্ঘদিন বলিউডের কোনও সিনেমায় কাজ করেননি তিনি। শেষ কাজ করেছিলেন ২০১৯ সালে করণ জোহর প্রয়োজিত কলঙ্ক সিনেমায়।
আফরান নিশোর সঙ্গে ফিরছেন আমেরিকা প্রবাসী মোনালিসা
০২,জুলাই,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছোটপর্দার এক সময়ের তুমুল জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী মোনালিসা ২০১৩ সাল থেকে আমেরিকায় বসবাস করছেন। মাঝে মধ্যে দেশে ফেরেন। অভিনয়ও করেন। বর্তমানে আমেরিকার বিশ্ববিখ্যাত কসমেটিকস ও বিউটি প্রোডাক্ট সরবরাহকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান- সেফোরার বিউটি অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করছেন মোনালিসা। মাঝেমাঝে দেশে আসেন। সেই ফাঁকে কাজ করেন শোবিজে। বিশেষ করে বছরে দুই ঈদ উপলক্ষে নাটক-টেলিছবিতে কাজ করতে দেখা যায় তাকে। তেমনি একটি টেলিফিল্ম- কী জানি কী হয়। বেশ আগে এর শুটিং করেছিলেন মোনালিসা। সেটি এবার প্রচারে যাচ্ছে। চ্যানেল আইতে আগামীকাল ৩ জুলাই বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে দেখানো হবে টেলিফিল্মটি। টেলিছবিটিতে মোনালিসার বিপরীতে অভিনয় করেছেন আরফান নিশো। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর মোনালিসার দেখা পাবেন দর্শক। স্বর্ণের প্রতি সব মানুষেরই আকর্ষণ থাকে। হঠাৎ একগাদা স্বর্ণ এমনি এমনি পেয়ে গেলে খুশির আর সীমা থাকে না। তবে কখনো কখনো স্বর্ণ পাওয়া কাল হয়ে দাঁড়ায়। স্বর্ণ পাওয়া এমনই এক হতভাগ্য দম্পতির গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে টেলিফিল্ম- কী জানি কী হয়!। এখানো মোনালিসা ও আফরান নিশোর সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন সাজু খাদেম। আর টেলিছবিটির রচনা ও পরিচালনা করেছেন মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ।
জন্মদিনে ভালোবাসায় সিক্ত জয়া আহসান
০১,জুলাই,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসানের জন্মদিন আজ। জীবনের আরেকটি বসন্ত অতিক্রম করলেন তিনি। বিশেষ এই দিনে সহকর্মী, বন্ধু ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় ভাসছেন দুই বাংলার এই জনপ্রিয় তারকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন অনেকে। জয়া আহসান জন্ম গোপালগঞ্জে। তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা এ এস মাসউদ এবং মা রেহানা মাসউদ ছিলেন একজন শিক্ষিকা। তারা দুই বোন এক ভাই। অভিনয় শুরুর আগে জয়া নাচ ও গানের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। অসংখ্য ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষী জন্মদিনে জয়াকে ভালোবাসা জানাচ্ছেন। তারকাদের মধ্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- সুবর্ণা মুস্তাফা, পরিচালক আকরাম খান, অভিনেতা শতাব্দী ওয়াদুদ, অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা, শবনম ফারিয়াসহ নাটক ও ইন্ডাস্ট্রির অনেকে। উল্লেখ্য, জয়া আহসান দুই বাংলায় সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনার মধ্যে শুরু থেকে ঢাকাতেই আছেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে এবারের জন্মদিনে তেমন কোনো আয়োজন রাখেননি এই অভিনেত্রী। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ছোটপর্দা দাপিয়ে বেড়িয়েছেন জয়া আহসান। নাটক ও বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে সবার নজরে কাড়েন। ২০০৪ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ব্যাচেলর সিনেমার মধ্য দিয়ে সিনেমায় যাত্রা শুরু তার। এরপর নুরুল আলম আতিকের ডুবসাঁতার, নাসির উদ্দীন ইউসুফের গেরিলা, রেদওয়ান রনি পরিচালিত চোরাবালি ও অনিমেষ আইচ পরিচালিত- জিরো ডিগ্রি দিয়ে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান তিনি। গেরিলা, চোরাবালি, জিরো ডিগ্রি ও দেবীর জন্য মোট চারবার বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছেন জয়া আহসান। বাংলাদেশের সিনেমা ছাড়াও কলকাতার বাংলা সিনেমায় জয়া বেশ জনপ্রিয়। তার অভিনীত ভারতীয় সিনেমার মধ্যে আবর্ত, বিসর্জন, রাজকাহিনী, ঈগলের চোখ, ক্রিসক্রস ও কণ্ঠ উল্লেখযোগ্য। মাহমুদ দিদার পরিচালিত বিউটি সার্কাস সহ জয়া অভিনীত বেশকয়েকটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
বলিউডে স্বজনপ্রীতি মানতে নারাজ বাপ্পি লাহিড়ী
৩০জুন,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রয়াণের পর থেকে স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে উত্তাল বলিউড। অনেক তারকা এ নিয়ে মুখ খুলেছেন। এবার এই ইস্যুতে মুখ খুললেন বাপ্পি লাহিড়ী। তিনি বলেন, যদি কারওর ভাগ্যে স্টার হওয়া লেখা থাকে, তাহলে তাকে কেউ আটকাতে পারবে না। এতে- ইনসাইডার বা আউটসাইডার-এর কোনো প্রসঙ্গই আসে না। এ প্রসঙ্গে নিজেকে উদাহরণ হিসেবে টেনে এনেছেন তিনি। এই সংগীত পরিচালক জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে তিনি বলিউডের সঙ্গে জড়িত। তার প্রথম গান ছিল বিনোদ খান্নার লিপে বোম্বাই সে আয়া মেরা দোস্ত। গানটি যে বিপুল হিট হয়েছিল, তাতে সন্দেহ নেই। তারপর থেকে তিনি যে গানগুলি গেয়েছেন সেগুলি বেশির ভাগই সুপারহিট। অনেকে তার গান এখন রিমেক করে। তিনি নিজেও তার গান তাম্মা তাম্মা রিমেক করেছেন। আলিয়া ভাট ও বরুণ ধাওয়ানের ছবি- বদ্রিনাথ কি দুলহনিয়ায় সেটি ব্যবহার করা হয়েছিল। টাইগার শ্রফের- বাঘি ৩ সিনেমার জন্য কিশোর কুমারের ভঙ্কাস গানটি নতুনভাবে শ্রোতাদের উপহার দেন। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে স্বজনপ্রীতি হয়, সে কথা মানতে নারাজ তিনি। তার মতে, ইন্ডাস্ট্রিতে প্রত্যেককে লড়াই করতে হবে। ভাগ্যে যা আছে, তা প্রত্যেকেই পাবেন। যদি কারওর ভাগ্যে তারকা হওয়া লেখা থাকে, তাহলে একদিন না একদিন সে তারকা হবেই। কেউ আটকাতে পারবে না। শুধু ভগবানের উপর ভরসা রাখতে হবে।
জন্মদিনের শুভেচ্ছায় ভাসছেন বাবা-ছেলে
২৭,জুন,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারা বছরই নাটকের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা অপূর্ব। অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি। আজ তার জন্মদিন। মজার ব্যাপার হলো একই দিনে তার ছেলে আয়াশেরও জন্মদিন। সুন্দর এই দিনটিতে ভক্তদের শুভেচ্ছা একই সঙ্গে ভাসছেন বাবা ও ছেলে। সোশ্যাল মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ তাদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। অপূর্বের ছেলের নাম জায়ান আয়াশ ফারুক। বাবা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব জন্মেছিলেন ১৯৮৫ সালের ২৭ জুন। ছেলে আয়াশের জন্ম তারিখ ২৭ জুন ২০১৪। আজ ২৭ জুন, বাবা ছেলের জন্মদিন। আয়াশের জন্মের পর বছরের এই একটি দিনে অপূর্ব কোন শুটিং রাখেন না। দিনটি ছেলের সঙ্গে উদযাপন করেন। দিনটি উদযাপনের সব পরিকল্পনা করেন তার স্ত্রী অদিতি। আগে থেকে কোন কিছু জানতে পারেন না অপূর্ব। নানাভাবে সারপ্রাইজড হন অপূর্ব ও আয়াশ। অপূর্ব বলেন, আগে জন্মদিনটা ছিল শুধুই আমার। আর এখন জন্মদিনটা আমার একমাত্র সন্তান আয়াশেরও। তাই জন্মদিন নিয়ে এক অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে। আয়াশের মায়ের নানা পরিকল্পনা থাকে। আবার আয়াশও দিনটা অনেক আনন্দে কাটায়। জন্মদিনে সবার কাছে দোয়া চাই যেন পিতা পুত্র একসঙ্গে ভালোভাবে দিনটি কাটাতে পারি। উল্লেখ্য, এবারের ঈদে অপূর্ব অভিনীত আলোচিত নাটকগুলোর মধ্যে আছে জাকারিয়া শৌখিনের- জলসা ঘর, মাহমুদুর রহমান হিমি পরিচালিত- আনমনে তুমি, আশফাক নিপুণ পরিচালিত ‘হয়তো তোমার কাছেই যাবো । করোনার কারণে এখনও ঘরবন্দি রয়েছেন অভিনেতা অপূর্ব। প্রায় চার মাস ধরে অভিনয় করেননি। তবে আগামী মাস থেকে শুটিংয়ে ফিরবেন বলে জানান এ অভিনেতা।
সুশান্তের মৃতদেহের ছবি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ স্বস্তিকার
২৭,জুন,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ১৪ জুন সুশান্ত মারা যাওয়ার দিনেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল তাঁর মরদেহের ছবি। সেই ছবি শেয়ার করে চলছিল অবিরাম শোকপ্রকাশ। সে সময় মহারাষ্ট্র পুলিশও ওই ছবি শেয়ার বা পোস্টের উপর জারি করেছিল নিষেধাজ্ঞা। এরপর সুশান্তের মৃত দেহের ধারণ করা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায়। সাইবার সেলের পক্ষ থেকে টুইট করে বলা হয়েছিল, প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের কয়েকটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এটা কুরুচিকর। আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারিও ছিল পরের পোস্টেও, ওই ধরনের ছবি ছড়ানো আইনি ও আদালতের নির্দেশিকা-বিরুদ্ধ। তাই এমন ঘটনা ঘটলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায় খাটে শায়িত রয়েছে সুশান্তের নিথর দেহ। সাদা চাদরে তাঁর মুখ ঢাকা। ঘরভর্তি পুলিশ। তাঁরা খুটিয়ে দেখছেন ঘরের চারপাশ। পুরোকার্যকলাপটাই মোবাইলে ভিডিও রেকর্ড করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়! কিন্তু কেন? কে-ই বা করল এমন কাজ? এ তো আইনত দণ্ডনীয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সুশান্ত ভক্তরা। শুধু ভক্তরাই বা কেন? ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেছেন অভিনেতা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ও। সুশান্তের কো-স্টার স্বস্তিকা টুইটারে লেখেন, ইউটিউবে একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সুশান্তের ঘরের ছবি। পাশে পুলিশ আধিকারিকরা কাজ করছেন। সুশান্তের মৃত্যুর পর ওই ঘরেই কেউ ফোন ব্যবহার করলেন কী করে? আর যদি করেও থাকেন মুম্বই পুলিশ কেন সেই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করছে না? আর ভিডিওগুলোই বা ইউটিউব থেকে কেন তুলে নেওয়া হচ্ছে না? তবে তাতে ফল হয়নি। গলায় কালশিটে পড়ে যাওয়া সুশান্তের সেই ছবি-ভিডিও আজও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল।

বিনোদন পাতার আরো খবর