শাকিবের পর অসুস্থ রোদেলাও
অনলাইন ডেস্ক: নতুন ছবি শাহেনশাহ নিয়ে বোধহয় কিছুটা সমস্যায়ই পড়ে গেলেন পরিচালক শামীম আহমেদ রনি। ঢাকার গুলশানের একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বর্ণাঢ্য মহরত অনুষ্ঠানের পর গত ১১ সেপ্টেম্বর থেকে এ ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ছবির নায়ক শাকিব খান অসুস্থ থাকায় তা সম্ভব হয়নি। মহরত অনুষ্ঠানের সময়ই বেশ অসুস্থ ছিলেন শাকিব। যার কারণে সেদিন মহরত অনুষ্ঠান শেষ করে দ্রুত তিনি বাসায় চলে যান। পরে শাকিবের শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। তবে বেড রেস্টের পর বর্তমানে তিনি প্রায় সুস্থ। শুটিংয়ে অংশ নেয়ার জন্য মোটামুটি ফিট। কিন্তু নায়ক শাকিবের সমস্যা না কাটতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন ছবির নায়িকা রোদেলা জান্নাত। এশিয়ান টিভির সংবাদ পাঠিকা থেকে নায়িকা বনে যাওয়া ইন্ডাস্ট্রির এ নতুন সদস্য চার দিন ধরে জ্বরে ভুগছেন। ক্যারিয়ারের প্রথম ছবিতেই এমন ঘটনাকে একটা ধাক্কা হিসেবেই মনে করছেন রোদেলা। তবে এ বিষয়ে একেবারেই বিচলিত নন নায়িকা। বরং এটাকে তিনি নিজেকে আরও ভালোভাবে তৈরি করার সুযোগ হিসেবেই মনে করছেন। নায়িকা বলেন, যত সময় পাব, ততই নিজেকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করার সুযোগ পাব। এটা অবশ্যই শুভ লক্ষণ ছাড়া আর কিছুই না। এদিকে, প্রথম দফায় নির্ধারিত তারিখে শুটিং শুরু না হওয়ায় আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর নতুন তারিখ ঠিক করেছেন পরিচালক শামীম আহমেদ রনি। তবে নতুন এ তারিখে শুটিং শুরু নিয়েও রয়েছে শঙ্কা। সবকিছুই নির্ভর করছে নতুন জুটি শাকিব ও রোদেলার শারীরিক অবস্থার উপরে। শাহেনশাহ-তে শাকিবের মূল নায়িকা হিসেবে থাকবেন নুসরাত ফারিয়া। যিনি কলকাতার একাধিক ছবিতে কাজ করেছেন। তার দিক থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো সমস্যার কথা শোনা যায়নি। শাকিব-নুসরাত জুটির এটি প্রথম ছবি। রোদেলা জান্নাত সেখানে থাকবেন সাইড নায়িকা হিসেবে। নতুন অভিনয়ে আসা এ নায়িকা বছরখানেক আগে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ও এমবিএ শেষ করেছেন। এখন মালয়েশিয়ার লিমককউইং ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিতে বিজনেস আইটি বিষয়ে গবেষণা করছেন। পড়াশোনায় পারদর্শী রোদেলা এবার অভিনয়ে কতটা ঝলক দেখান সেটাই দেখার। ঢাকাটাইমস
শুরু করেছিলাম ২০১৬ তে: সাজ্জাদ হোসাইন
অনলাইন ডেস্ক: অনেকে চান তার নিজেস্ব একটি অগনীত মডেলের মান উদ্ধতা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টায় থাকতে। ঠিক তেমননি একজন মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন, মিডিয়া জগতের নতুন প্রয়াত চট্টগ্রাম এর ফটোসুটিং এর একজন মডেলার। শুরু করেছিলেন ২০১৬ তে- মনে ছিল শুধুই জাগ্রত, সেই অত্যন্ত সুশান্ত পরিবারের বড় ছেলে মোঃ সাজ্জাদ হোসাইনের। তবে তার জন্য খুব বেশি একটা সময়ের প্রয়োজন হবে বলে মনে করেন তিনি। একের পর এক নিজেকে নিয়ে চলেছেন নতুন সময়ের নতুন আঙ্গিকের ফটোসুট নিয়ে সেই সাজ্জাদ হোসাইন। অবশ্য তার সাথে কথা বললে, তিনি জানান- অধিক আগ্রহ আর নিজের আনন্দ এবং মাঝে মাঝে ছোটখাটো মডেলের সকলের চাহিদায় অত্যন্ত নমনীয় ভাবের ছবি নিয়ে সবসময় হাজির হওয়ার প্রচেষ্টায় থাকি। তিনি সকলের সহযোগিতা পেলে নিজেকে সামনে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশা রয়েছে বলে জানান।
পরীক্ষার প্রবেশপত্রে মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চনের ছবি!
অনলাইন ডেস্ক: বি.এড পরীক্ষা দিতে বসেছেন বলিউডের মেগাস্টার অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। বাস্তবের বচ্চন না হলেও পরীক্ষার প্রবেশপত্রে পরিক্ষার্থীর ছবির জায়গায় তার ছবিই সাটানো হয়েছে। এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের ফৈজাবাদ এলাকায়। যেখানে ড. রাম মনোহর লোধিয়া অবধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অমিত দ্বিবেদীর পরীক্ষার প্রবেশপত্রে অমিতাভ বচ্চনের ছবি বসানো হয়েছে। সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেয়া সাক্ষাতকারে অমিত বলেন, দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় বসার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু হাতে প্রবেশপত্র পাওয়ার পর দেখলাম, আমার পরিবর্তে অমিতাভ বচ্চনের ছবি লাগানো হয়েছে। পরে অবশ্য নিজের পরিচয় সংক্রান্ত অতিরিক্ত তথ্য জমা দিয়ে পরীক্ষায় বসার অনুমতি পেয়েছেন অমিত। তবে এবার রেজাল্টেও বিগ-বি অমিতাভ বচ্চনের ছবি থাকার আশঙ্কা করছেন তিনি। এদিকে, ড. রাম মনোহর লোধিয়া অবধ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কর্তৃপক্ষের পাল্টা অভিযোগ, কোনও সাইবার ক্যাফে থেকে এই প্রবেশপত্র তৈরি করা হয়েছে।
শুভ জন্মদিন মহানায়ক
অনলাইন ডেস্ক: সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসে চলচ্চিত্র জগতে প্রতিষ্ঠা পেতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছিল মহানায়ক উত্তম কুমারকে। সেই পরিশ্রমের ফল স্বরুপ তিনি শুধু নায়কই নন, ভারতীয়-বাঙালি চলচ্চিত্র প্রযোজক এবং পরিচালক হিসেবেও ব্যাপক খ্যাতি লাভ করেছিলেন। অভিনয়ে অসামান্য দক্ষতা দেখিয়ে বাংলা চলচ্চিত্র জগতে থেকে তিনি পেয়েছিলেন মহানায়ক খেতাব। আজ সেই মহানায়কের ৯২তম জন্মদিন। ১৯২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর উত্তম কুমার কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তার প্রকৃত নাম অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায়। পিতার নাম সাতকড়ি চট্টোপাধ্যায় এবং মা চপলা দেবী। তিন ভাই-বোনের মধ্যে উত্তম কুমার ছিলেন সবার বড়। কলকাতার সাউথ সাবার্বান স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে তিনি গোয়েঙ্কা কলেজে ভর্তি হন। কলকাতার পোর্টে চাকরি নিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও পড়াশোনা আর এগোয়নি। উত্তম কুমারের অভিনয় জীবন শুরু হয়েছিল ১৯৪৮ সালে দৃষ্টিদান ছবির মাধ্যমে। তবে তার অভিনীত প্রথম ছবি ছিল মায়াডোর। যেটি মুক্তি পায়নি। বসু পরিবার ছবিতে তিনি প্রথম দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এরপর সাড়ে চুয়াত্তর মুক্তি পেলে চলচ্চিত্র জগতে স্থায়ী আসন লাভ করেন। এই ছবিতে তিনি কালজয়ী নায়িকা সুচিত্রা সেনের বিপরীতে প্রথম অভিনয় করেন। সাড়ে চুয়াত্তর-এর মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সফল উত্তম-সুচিত্রা জুটির সূত্রপাত হয়েছিল। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে এ জুটি ব্যবসায়িকভাবে সফল এবং প্রশংসিত কয়েকটি চলচ্চিত্রে মুখ্য ভূমিকায় একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। সেগুলোর মধ্যে হারানো সুর, পথে হল দেরী, সপ্তপদী, চাওয়া পাওয়া, বিপাশা, জীবন তৃষ্ণা এবং সাগরিকা অন্যতম। উত্তম কুমার বেশ কয়েকটি হিন্দি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছিলেন। সেগুলোর মধ্যে ছোটিসি মুলাকাত, অমানুষ এবং আনন্দ আশ্রম অন্যতম। তিনি উপমহাদেশের বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় দুটি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছিলেন। প্রথমটি নায়ক এবং দ্বিতীয়টি চিড়িয়াখানা। চিড়িয়াখানা ছবিতে তিনি শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় সৃষ্ট বিখ্যাত গোয়েন্দা চরিত্র ব্যোমকেশ বক্সীর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। উত্তম কুমার নিজেকে সু-অভিনেতা হিসেবে প্রমাণ করেন অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি ছবিতে তার স্বভাবসুলভ অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। এই ছবিতে তিনি তার পরিচিত ইমেজ থেকে সরে আসার চেষ্টা করেছিলেন। এতে সফলও হয়েছিলেন। উত্তমের সেই ভুবন ভোলানো হাসি, প্রেমিকসুলভ আচার-আচরণ বা ব্যবহারের বাইরেও যে থাকতে পারে অভিনয় এবং অভিনয়ের নানা ধরণ, মূলত সেটাই তিনি দেখিয়ে দিয়েছিলেন। ১৯৬৭ সালে অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি ও চিড়িয়াখানা ছবি দুটির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন উত্তম কুমার। সে সময় এ পুরস্কারের নাম ছিল ভরত। অবশ্য এর আগে ১৯৫৭ সালে অজয় কর পরিচালিত ;হারানো সুর ছবিতে অভিনয় করে তিনি সমগ্র ভারতজুড়ে প্রশংসিত হয়েছিলেন। সে বছর হারানো সুর পেয়েছিল রাষ্ট্রপতির সার্টিফিকেট অফ মেরিট। ইংরেজি উপন্যাস রানডম হারভেস্ট অবলম্বনে এ ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছিল। যে ছবির প্রযোজক ছিলেন উত্তম কুমার নিজেই। কমেডি চরিত্রেও মহানায়ক ছিলেন সমান পারদর্শী। দেয়া নেয়া ছবিতে হৃদয়হরণ চরিত্রে অভিনয় করে সেই প্রতিভার বিরল স্বাক্ষরও রেখে গেছেন তিনি। রোমান্টিক নায়ক ছাড়াও অন্যান্য চরিত্রেও তিনি ছিলেন অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। এমনকী, সঙ্গীতের প্রতিও ছিল তার অসীম ভালবাসা ও আগ্রহ। ছবির গান রেকর্ডিংয়ের সময় শিল্পীর পাশে বসে তার অনুভূতি উপলব্ধি করার চেষ্টা করতেন তিনি। এর ফলে গানের সঙ্গে পর্দায় ঠোঁট মেলানো তার পক্ষে খুবই সহজ হতো। উত্তম কুমার গৌরী দেবীকে বিয়ে করেন। তাদের একমাত্র সন্তান গৌতম চট্টোপাধ্যায় মাত্র ৫৩ বছর বয়সে ক্যানসারে মারা যান। গৌরব চট্টোপাধ্যায়, উত্তম কুমারের একমাত্র নাতি, যিনি বর্তমানে টালিগঞ্জের জনপ্রিয় অভিনেতা। ১৯৬৩ সালে উত্তম কুমার তার পরিবার ছেড়ে চলে যান। মারা যান ১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মহানায়ক দীর্ঘ ১৭ বছর তৎকালীন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুপ্রিয়া দেবীর সঙ্গে বসবাস করেন। ঢাকাটাইমস
পুলিশের গুলিতে হলিউড অভিনেত্রী নিহত
অনলাইন ডেস্ক: পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন হলিউডের অভিনেত্রী ভেনেসা মার্কেজ। পুলিশের দাবি, তিনি পুলিশের দিকে বন্দুক তাক করেছিলেন। তখন আত্মরক্ষার্থে এক পুলিশ সদস্য তার দিকে গুলি ছোড়ে। এতেই ভেনেসা মারা যান। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। এতে বলা হয়, এ ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার। ওইদিন লস অ্যানজেলেসে পাসাদেনার বাড়িতেই ছিলেন তিনি। ওই বাড়ির মালিক এক পর্যায়ে পুলিশকে খবর দেন। তিনি তাদেরকে জানান যে, তার বাড়িতে একজন নারী উন্মত্তের মতো আচরণ করছেন। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যায় পুলিশ। তাদের সঙ্গে যায় একটি মেডিকেল টিমও। তারা সেখানে পৌঁছে ভেনেসার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে। তার শারীরিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার চেষ্টা করে। পুলিশ প্রায় এক ঘন্টা ভেনেসাকে বোঝায়। তাকে শান্ত করার চেষ্টা করে। সার্জেন্ট জো মেন্ডেজার দাবি, ভেনেসাকে যখন শান্ত করার চেষ্টা চলছিল, সে সময়ই তিনি একটা বন্দুক এনে পুলিশের দিকে তাক করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে আত্মরক্ষার্থে পুলিশের এক অফিসার ভেনেসাকে গুলি করে। পুলিশের দাবি, ভেনেসার হাতে বিবি-টাইপ বন্দুক ছিল। এটা এক ধরনের সেমি-অটোমেটিক হ্যান্ড গান। এক বিবৃতিতে লস অ্যানজেলেস পুলিশ জানিয়েছে, ভেনেসার বাড়িতে পৌঁছে অফিসাররা যখন তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে, তখন অদ্ভুত আচরণ করছিলেন তিনি। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেও কোন লাভ হয়নি। উল্টো হঠাৎই তিনি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। পুলিশ তাকে মানসিকভাবে অসুস্থ দাবি করলেও, ভেনেসার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু টেরেন্স টোয়েল্স ক্যান্টো সংবাদ সংস্থা এপি-কে জানান, তার বন্ধুর শারীরিক ও আর্থিক সমস্যা থাকলেও মানসিক কোনও সমস্যা ছিল না। তিনি বার বারই বলতেন, অভিনয়ে ফিরবেন। অস্কার জেতার স্বপ্নও দেখতেন বলে জানিয়েছেন টেরেন্স। গত বছরই তার সহ-অভিনেতা জর্জ ক্লুনির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছিলেন এই অভিনেত্রী। যৌন হেনস্থার ঘটনা প্রকাশ্যে আনার জন্য টিভি সিরিজ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেছিলেন ভেনেসা। যদিও পরে এক বিবৃতি দিয়ে জর্জ ক্লুনি সেই অভিযোগ অস্বীকার করেন। ১৯৯৪-৯৭ পর্যন্ত আমেরিকার বিখ্যাত টিভি সিরিজ ইআর-এ অভিনয় করেছেন ভেনেসা। সেখানে তাকে ওয়েন্ডি গোল্ডম্যান নামে এক নার্সের ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যায়। এ ছাড়া ব্লাড ইন ব্লাড আউট (১৯৯৩) এবং টোয়েন্টি বাকস নামে ছবিতে অভিনয় করেছেন। শীর্ষ নিউজ
বিয়ে করতে মুসলিম হয়েছেন যে নায়িকারা
অনলাইন ডেস্ক: সব কিছু বিসর্জন দিয়েও ভালোবাসার মানুষটিকে পেতে চায় সবাই। কিন্তু ভালোবেসে বিয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় যদি ধর্ম? তাহলে নিজের জন্মগত ধর্মও বিসর্জন দিতে প্রস্তুত থাকেন অনেকে। এমন ঘটনা ঘটেছে বলিউড তারকাদের ক্ষেত্রেও। এমন কয়েকজন হার্টথ্রব সারা জাগানো বলিউড তারকার নাম, যারা বিয়ের জন্য মুসলমান হয়েছেন। হেমা মালিনী ড্রিমগার্ল হেমা আর ধর্মেন্দ্রর প্রেমকাহিনীর কথা অনেকেই জানেন। তাদের অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, হেমা অনেক নামিদামি অভিনেতার কাছ থেকেই বিয়ের প্রস্তাবও পেয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সঞ্জীব কুমার ও জিতেন্দ্রর মতো নায়কও। কিন্তু হেমা বদ্ধপরিকর ছিলেন ভালোবাসার মানুষ ধর্মেন্দ্রকেই বিয়ে করবেন। তবে তাদের বিয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ান ধর্মেন্দ্রর প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর। তিনি ধর্মেন্দ্রকে বিবাহবিচ্ছেদ দিতে প্রস্তুত ছিলেন না। এই বাধা কাটাতে ১৯৭৯ সালে হেমা ও ধর্মেন্দ্র দুজনেই ইসলাম ধর্মগ্রহণ করে বিয়ে করেন। মুসলিম ধর্মে যেহেতু একাধিক বিবাহ আইন রয়েছে, সেহেতু তারা এভাবে বিয়ে করে সংসার শুরু করেন। শর্মিলা ঠাকুর বলিউডের স্বনামধন্য অভিনেত্রীদের তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর। অভিনয়ে অসামান্য অবদানের জন্য ২০১৩ সালে পদ্মভূষণ পদকে ভূষিত হন এ অভিনেত্রী। প্রেমের সম্পর্কের পরিণতি দিতেই ধর্ম পরিবর্তনের পথ বেছে নেন এ অভিনেত্রী। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তিনি মনসুর আলি পতৌদিকে বিয়ে করেন। শর্মিলার তিন সন্তানের সাইফ আলি খান, সোহা আলি খান, সাবা আলি খান প্রত্যেকেই ইসলাম ধর্মের অনুসারী ধর্মান্তরিত হওয় পর তার নামকরণ করা হয় আয়েশা। মমতা কুলকার্নি ৯০র দশকে বেশ কয়েকটি হিন্দি সুপার হিট ছবির নায়িকা তিনি। আশিক আওয়ারা (১৯৯৩), ক্রান্তিবীর (১৯৯৪),সবচে বাড়া খিলাড়ি (১৯৯৫) এবং একই বছর মুক্তিপ্রাপ্ত ব্লকবাস্টার কারন আরজুন ছবির সাড়া জাগানো নায়িকা মমতা। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সৌন্দর্যেও দ্যুতি ছড়িয়েছে। আর সেক্স-সিম্বল হিসেবে নাম কুঁড়িয়েছেন। সেই মমতা কুলকার্নি হঠাত করেই পর্দা থেকেই উধাও! কারণটি হল ২০১৩ সালে মমতা মুসলিম প্রেমিক ভিকি গোস্বামীকে বিয়ে করেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেন। বর্তমানে এই প্রেমিক যুগল নাইরোবিতে বাস করছেন। আয়েশা টাকিয়া বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আয়শা টাকিয়া। পারিবারিকভাবে ভিন্ন ধর্মে বেড়ে উঠেছেন এ অভিনেত্রী। বাবা ছিলেন হিন্দু আর মা ছিলেন ব্রিটিশ-ইন্ডিয়ান। হিন্দু হয়েও আয়েশা টাকিয়া দীর্ঘ সময় প্রেম করেছেন মুসলিম প্রেমিক ফারহান আজমির সঙ্গে। এরপর ২০০৯ সালে ওই জুটি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের আগেই আয়েশা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। যদিও তিনি কখন ওই ধর্মান্তরের বিষয়টি প্রকাশ করেননি। তবে তার ধর্মান্তরিত হওয়ার বিষয়ে প্রমাণ পাওয়া গেছে। মিকাইল আজমি নামে তাদের একটি পুত্রসন্তানও রয়েছে। অমৃতা সিং জন্মসূত্রে শিখ ধর্মের অনুসারী ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী অমৃতা সিং। ১৯৮৩ সালে বেতাব ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর তার অভিনেত্রী সানি মারদ সাহেব ছবিগুলো দারুণ ব্যবসা সফল হয়। পরবর্তীতে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে অভিনেতা সাইফ আলি খানকে বিয়ে করেন। যদিও বিয়েটি শেষ পর্যন্ত টিকেনি। শীর্ষনিউজ
মুক্ত আশরাফুল
অনলাইন ডেস্ক: এখন তিনি ইংল্যান্ডে অনুশীলন করছেন। ইংল্যান্ডে কেনো এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আশরাফুল বললেন, এখানে ২০১৯ বিশ্বকাপ। তাই ইংলিশ কন্ডিশনে নিজেকে তৈরি করে নিচ্ছেন! না, আশরাফুল এখনই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে যাননি। তবে জাতীয় দলের জন্য বিবেচিত হতে আর তার কোনো বাধা নেই। অবশেষে আজ থেকে সব ধরনের ক্রিকেট খেলার জন্য মুক্ত হয়ে গেলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। গত দুই বছর ধরে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে পারলেও তার ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলার ওপর এবং বিসিবির কোনো দলে বিবেচিত হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবত ছিল। আজ থেকে সেই নিষেধাজ্ঞা উঠে গেছে। এই দিনটায় পৌঁছাতে পেরে দারুণ খুশী বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক আশরাফুল। তিনি বলছেন, এখন বিপিএলসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্টে পারফরম করে আবার জাতীয় দলে ফিরতে চান তিনি। ২০১৩ সালের জুন মাসে এর আগের বিপিএল আসরে ম্যাচ ও স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকায় প্রথম নিষিদ্ধ করা হয় আশরাফুলকে। পাশাপাশি আইসিসির দুর্নীতি ও অপরাধ দমন ইউনিট (আকসু) ও বিসিবি এই অভিযোগ নিয়ে তদন্ত করে। ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে আকসুর পাওয়া তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে শুনানি শুরু করে বিসিবির বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। ওই বছর জুন মাসে আশরাফুলকে ৮ বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। এরপরের মাসে আশরাফুল তার নিষেধাজ্ঞার বিপক্ষে আপিল আবেদন করেন। সেই আপিলের শুনানি শেষে আশরাফুলের নিষেধাজ্ঞা কমিয়ে ৫ বছর করা হয়। এর মধ্যে প্রথম তিন বছর তিনি সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ ছিলেন এবং পরের দুই বছর নিষিদ্ধ ছিলেন ফ্রাঞ্চাজি ক্রিকেট ও বিসিবির সব দল থেকে। অবশেষে গতকাল সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর আশরাফুল বলছিলেন, এই সময়টার জন্য গত পাঁচ বছর ধরে অপেক্ষা করেছি। এই দিনটা মাথায় রেখেই আমি পরিশ্রম করেছি। এখন আমার কোথাও খেলতে বাধা নেই। বিশেষ করে বিপিএলে খেলাটা আমার জন্য বড় একটা উপকারের ব্যাপার হবে। পাঁচ বছর আগে একটা অন্যায় করেছিলাম, অবশেষে সেই অন্যায়ের শাস্তি পুরো শেষ হলো। গত দুই বছরে আশরাফুল নিয়মিত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ও জাতীয় ক্রিকেট লিগ খেলেছেন। বিশেষ করে গত বছর ঢাকা লিগে ৫টি সেঞ্চুরি করে আবার নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। আশরাফুল বলছিলেন, এই সময়ে তাকে যে সব মানুষ সমর্থন দিয়ে গেছেন, এ জন্য তিনি কৃতজ্ঞ,এই কাজ অন্য কেউ করলে সমাজ হয়তো তাকে পুরোপুরি ছুঁড়ে ফেলে দিত। আমি আগ বাড়িয়ে সব অন্যায় স্বীকার করার জন্য হোক, বা অন্য কোনো কারণে হোক, এই সময়টায় মানুষ আমাকে দারুণ সমর্থন দিয়েছে। আর পরিবারের কথা তো বলার দরকারই নেই। তারা সবসময় আমার পাশে ছিল। বন্ধুরা ছিল। এমনকি সাধারণ মানুষ আর মিডিয়ারও দারুণ সমর্থন পেয়েছি। লোকে বার বার জিজ্ঞেস করেছে, আশরাফুল কবে ফিরবে, আশরাফুলকে দেখতে চাই। এসব কথাবার্তা আমাকে টিকিয়ে রেখেছে। এই নিষেধাজ্ঞার সময়েও যে ট্রেনিং করতে পেরেছেন, তাকে উত্সাহ দেওয়া হয়েছে, এ জন্য আশরাফুল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাছে বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন,ক্রিকেট বোর্ডকে আমি ধন্যবাদ দিতে চাই। তারা আমাকে দারুণ সমর্থন দিয়েছেন। যখন কোথাও খেলার অনুমতি ছিল না, তখন বিশেষ ব্যবস্থায় আমার ট্রেনিং চালু রাখার জন্য তারা অনুমতি দিয়েছেন। বোর্ডে আমি যখনই গেছি বা কোথাও যখনই বোর্ড সভাপতির সাথে দেখা হয়েছে, উনি উত্সাহ দিয়েছেন। বোর্ডের সিইও সুজন ভাই (নিজামউদ্দিন চৌধুরী) খুব সাহায্য করেছেন। সবাইকে এই সুযোগে ধন্যবাদ জানাই। আশরাফুল এখনই নিজেকে জাতীয় দলে কল্পনা করছেন না। তবে ভালো পারফরম্যান্স করে সেখানে আবার নিজের জায়গাটা করে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন,আমার জন্য সুখবর হলো, এখন আমাকে বিবেচনা করা হবে। আমার এখন লক্ষ্য হলো জাতীয় ক্রিকেট লিগের আগে নিজেকে পুরোপুরি তৈরি করে ফেলা। এরপর বিপিএল-এ নিজের সেরা পারফরম্যান্সটা করা। এগুলো সব নিয়মিত করতে পারলে তখন জাতীয় দলের কথা ভাবা যাবে। শীর্ষনিউজ
জম্মু-কাশ্মিরে প্রথম বাংলাদেশি গানের শুটিং
অনলাইন ডেস্ক: ভারতের জম্মু-কাশ্মির রাজ্যের লাদাখ অঞ্চলকে বলা হয় পৃথিবীর স্বর্গ। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নজরকাড়া। বহু হিন্দি ও ভারতীয় বাংলা ছবির গানের শুটিং হয়েছে লাদাখের লোকেশনগুলোতে। সমুদ্রপৃষ্ট থেকে অনেক ওপরে এই লোকেশনগুলোর অবস্থান। সম্প্রতি সেখান থেকে ভয়ংকর সুন্দর অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরেছেন হালের সবচেয়ে জনপ্রিয় গায়ক ও সুরকার ইমরান মাহমুদুল এবং মডেল তানজিন তিশা। ইমরান ও তিশা সেখানে গিয়েছিলেন আমার এ মন নামের একটি মিউজিক ভিডিওর শুটিং করতে। ১ থেকে ৩ আগস্ট তিনদিন শুটিং হয় সেখানে। এই প্রথম বাংলাদেশি কোনও মিউজিক ভিডিওর শুটিং হল জম্মু-কাশ্মিরের লাদাখ অঞ্চলে। গানটির কথা লিখেছেন রবিউল ইসলাম জীবন। সুর ও সঙ্গীত করেছেন ইমরান নিজেই। গানচিলের ব্যানারে এটির ভিডিও নির্মাণ করেছেন তানিম রহমান অংশু। কিন্তু কী ভয়ংকর অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরলেন ইমরান ও মডেল তিশা। এ সম্পর্কে ইমরান জানালেন,লাদাখের লোকেশন দেখার মতো। চোখে লেগে আছে এখনও। চারদিকে পাহাড়। তবে কোনো সবুজ নেই। অক্সিজেনের প্রচুর সংকট ছিল। শুটিংয়ের সময় আমরা বাড়তি অক্সিজেন সিলিন্ডার সঙ্গে রেখেছি। এরপরেও অক্সিজেনের অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি। পরে তিন ঘণ্টা অক্সিজেন মাস্ক পরে স্বাভাবিক হই। তিশার অবস্থাও একই। সব মিলিয়ে ভয়ঙ্কর সুন্দর একটা অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ শেষ করেছি। তানজিন তিশা বলেন,কি বলবো! মনে হচ্ছিল শুটিংয়ের পুরোটা সময় একটা স্বপ্নের মধ্যে ছিলাম। অসাধারণ একটি কাজ হয়েছে। অক্সিজেনের অভাব, ননস্টপ জার্নি- সব ছাপিয়ে লোকেশনগুলোর সৌন্দর্যে ডুবে আছি এখনও। ইমরান আর আমার আগের দুটি ভিডিওর চেয়েও এটি বেশি প্রশংসিত হবে বলে আশা করি। এদিকে, শুটিং শেষে দেশে ফেরার পর নতুন মিউজিক ভিডিও নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন জনপ্রিয় গায়ক ও সুরকার ইমরান। তিনি লেখেন,ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের লাদাখের মনোরম দৃশ্যগুলো এতদিন বলিউড এবং টলিউডের বিভিন্ন চলচ্চিত্রে দেখেছি! এবার নিজেই সেখানে গিয়ে আমার এ মন গানটির ভিডিওর শুটিং করলাম। জীবনে অনেক মিউজিক ভিডিও করেছি, তবে এটির অভিজ্ঞতা সবচেয়ে রোমাঞ্চকর! ইমরান আরও লেখেন,এই প্রথম বাংলাদেশের কোনও গানের ভিডিও হলো জম্মু-কাশ্মিরের লাদাখে। ১, ২ ও ৩ আগস্ট তিন দিন ধরে শুটিং হয়েছে। অনেক পরিশ্রম করে ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন তানিম রহমান অংশু ভাই। ঈদে গানচিল মিউজিকের ব্যানারে প্রকাশ পাবে ভিডিওটি। আমার বিশ্বাস সবাই কাজটি হৃদয় থেকে উপভোগ করবেন। সবার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা আমার এ মন থেকে। প্রসঙ্গত, মডেল তানজিন তিশা বিপরীতে গায়ক ইমরানের এটি তৃতীয় কাজ। এর আগে ইমরানের চলতে চলতে বলতে বলতেএবং শেষ সূচনা গান দুটির মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েছিলেন তিশা। দুটি গানই সুপারহিট হয়েছিল। বিশেষ করে,চলতে চলতে বলতে বলতে গানটি এখনও গানপ্রেমীদের কণ্ঠে গুনগুন করে গাইতে শোনা যায়।
সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পর নিজেকে কিভাবে সামলাবেন
অনলাইন ডেস্ক: কেউ চান না তাদের মধুর সম্পর্কটি ভেঙ্গে যাক। কিন্তু না চাইলেও অনেক সময় ভেঙ্গে যায় সম্পর্ক। সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার সঙ্গে দুটি মানুষ ভেঙ্গে পড়েন। একা হয়ে যান। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সময় লাগে। সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পর নিজেকে সামলে নিতে বিশেষজ্ঞরা অনেকে দিয়েছেন নানা মতামত। আসুন সেগুলো দেখে নিইঃ সময় নিন ও শোক মেনে নিন সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার পর অনেকে দিশেহারা হয়ে পড়েন। দীর্ঘ সময় কারো সঙ্গে সম্পর্ক থাকার পর হঠাৎ করে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়াটা মেনে নিতে পারেন না অনেকে। কিন্তু স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হলে সকল কষ্ট মেনে নিতে হবে। যা কষ্ট হোক মেনে নিন।