বলিউডের প্রখ্যাত কোরিওগ্রাফার সরোজ খান আর নেই
০৩,জুলাই,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমস খবর প্রকাশ করেছে, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিনগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে হৃদরোগের কাছে পরাস্ত হয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বলিউডের গুণী এই কোরিওগ্রাফার। তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই ডায়াবেটিসজনিত বিভিন্ন অসুস্থতায় ভুগছিলেন সরোজ খান। সংসার জীবনে ছেলে হামিদ খান এবং মেয়ে হিনা ও সুকিনা খান নামের তিন সন্তান রেখে গেছেন। তিন বছর বয়স থেকে শিশু নৃত্যশিল্পী হিসেবে পথ চলা শুরু করেন সরোজ খান। শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না ছোট্ট সরোজের। শুধুমাত্র নিজের আত্মবিশ্বাস এবং চূড়ান্ত লড়াই তাকে বসিয়েছিল বলিউডের সেরার আসনে। তার হাত ধরেই বলিউডের একের পর এক সুপারস্টার নাচের তালে দেশবাসীকে মুগ্ধ করেছেন। ১৯৭৮ সালে গীতা মেরা নাম সিনেমায় স্বতন্ত্র কোরিওগ্রাফার হিসেবে প্রথম ব্রেক পান। ঝুলিতে রয়েছে তিনটি জাতীয় পুরস্কারসহ অজস্র খেতাব। ২০০০-এর বেশি গানে কোরিওগ্রাফ করেছেন তিনি। মিস্টার ইন্ডিয়ার হাওয়া হাওয়াই, তেজাব- এর এক দো তিন, দেবদাস- এর দোলা রে দোলা ইত্যাদি গানের কোরিওগ্রাফি সরোজ খানকে ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে স্মরণীয় করে রাখবে। বেটা সিনেমার বিখ্যাত সেই ধক ধক করনে লাগার কোরিওগ্রাফি মুম্বাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এক সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে চিরকাল স্বীকৃতি পাবে বলে মত নৃত্য মহলের। তবে দীর্ঘদিন বলিউডের কোনও সিনেমায় কাজ করেননি তিনি। শেষ কাজ করেছিলেন ২০১৯ সালে করণ জোহর প্রয়োজিত কলঙ্ক সিনেমায়।
আফরান নিশোর সঙ্গে ফিরছেন আমেরিকা প্রবাসী মোনালিসা
০২,জুলাই,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছোটপর্দার এক সময়ের তুমুল জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী মোনালিসা ২০১৩ সাল থেকে আমেরিকায় বসবাস করছেন। মাঝে মধ্যে দেশে ফেরেন। অভিনয়ও করেন। বর্তমানে আমেরিকার বিশ্ববিখ্যাত কসমেটিকস ও বিউটি প্রোডাক্ট সরবরাহকারী বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান- সেফোরার বিউটি অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করছেন মোনালিসা। মাঝেমাঝে দেশে আসেন। সেই ফাঁকে কাজ করেন শোবিজে। বিশেষ করে বছরে দুই ঈদ উপলক্ষে নাটক-টেলিছবিতে কাজ করতে দেখা যায় তাকে। তেমনি একটি টেলিফিল্ম- কী জানি কী হয়। বেশ আগে এর শুটিং করেছিলেন মোনালিসা। সেটি এবার প্রচারে যাচ্ছে। চ্যানেল আইতে আগামীকাল ৩ জুলাই বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে দেখানো হবে টেলিফিল্মটি। টেলিছবিটিতে মোনালিসার বিপরীতে অভিনয় করেছেন আরফান নিশো। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর মোনালিসার দেখা পাবেন দর্শক। স্বর্ণের প্রতি সব মানুষেরই আকর্ষণ থাকে। হঠাৎ একগাদা স্বর্ণ এমনি এমনি পেয়ে গেলে খুশির আর সীমা থাকে না। তবে কখনো কখনো স্বর্ণ পাওয়া কাল হয়ে দাঁড়ায়। স্বর্ণ পাওয়া এমনই এক হতভাগ্য দম্পতির গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে টেলিফিল্ম- কী জানি কী হয়!। এখানো মোনালিসা ও আফরান নিশোর সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন সাজু খাদেম। আর টেলিছবিটির রচনা ও পরিচালনা করেছেন মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ।
জন্মদিনে ভালোবাসায় সিক্ত জয়া আহসান
০১,জুলাই,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসানের জন্মদিন আজ। জীবনের আরেকটি বসন্ত অতিক্রম করলেন তিনি। বিশেষ এই দিনে সহকর্মী, বন্ধু ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় ভাসছেন দুই বাংলার এই জনপ্রিয় তারকা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন অনেকে। জয়া আহসান জন্ম গোপালগঞ্জে। তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা এ এস মাসউদ এবং মা রেহানা মাসউদ ছিলেন একজন শিক্ষিকা। তারা দুই বোন এক ভাই। অভিনয় শুরুর আগে জয়া নাচ ও গানের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন। অসংখ্য ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষী জন্মদিনে জয়াকে ভালোবাসা জানাচ্ছেন। তারকাদের মধ্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- সুবর্ণা মুস্তাফা, পরিচালক আকরাম খান, অভিনেতা শতাব্দী ওয়াদুদ, অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা, শবনম ফারিয়াসহ নাটক ও ইন্ডাস্ট্রির অনেকে। উল্লেখ্য, জয়া আহসান দুই বাংলায় সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন। করোনার মধ্যে শুরু থেকে ঢাকাতেই আছেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে এবারের জন্মদিনে তেমন কোনো আয়োজন রাখেননি এই অভিনেত্রী। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ছোটপর্দা দাপিয়ে বেড়িয়েছেন জয়া আহসান। নাটক ও বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে সবার নজরে কাড়েন। ২০০৪ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ব্যাচেলর সিনেমার মধ্য দিয়ে সিনেমায় যাত্রা শুরু তার। এরপর নুরুল আলম আতিকের ডুবসাঁতার, নাসির উদ্দীন ইউসুফের গেরিলা, রেদওয়ান রনি পরিচালিত চোরাবালি ও অনিমেষ আইচ পরিচালিত- জিরো ডিগ্রি দিয়ে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান তিনি। গেরিলা, চোরাবালি, জিরো ডিগ্রি ও দেবীর জন্য মোট চারবার বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছেন জয়া আহসান। বাংলাদেশের সিনেমা ছাড়াও কলকাতার বাংলা সিনেমায় জয়া বেশ জনপ্রিয়। তার অভিনীত ভারতীয় সিনেমার মধ্যে আবর্ত, বিসর্জন, রাজকাহিনী, ঈগলের চোখ, ক্রিসক্রস ও কণ্ঠ উল্লেখযোগ্য। মাহমুদ দিদার পরিচালিত বিউটি সার্কাস সহ জয়া অভিনীত বেশকয়েকটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
বলিউডে স্বজনপ্রীতি মানতে নারাজ বাপ্পি লাহিড়ী
৩০জুন,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রয়াণের পর থেকে স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে উত্তাল বলিউড। অনেক তারকা এ নিয়ে মুখ খুলেছেন। এবার এই ইস্যুতে মুখ খুললেন বাপ্পি লাহিড়ী। তিনি বলেন, যদি কারওর ভাগ্যে স্টার হওয়া লেখা থাকে, তাহলে তাকে কেউ আটকাতে পারবে না। এতে- ইনসাইডার বা আউটসাইডার-এর কোনো প্রসঙ্গই আসে না। এ প্রসঙ্গে নিজেকে উদাহরণ হিসেবে টেনে এনেছেন তিনি। এই সংগীত পরিচালক জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে তিনি বলিউডের সঙ্গে জড়িত। তার প্রথম গান ছিল বিনোদ খান্নার লিপে বোম্বাই সে আয়া মেরা দোস্ত। গানটি যে বিপুল হিট হয়েছিল, তাতে সন্দেহ নেই। তারপর থেকে তিনি যে গানগুলি গেয়েছেন সেগুলি বেশির ভাগই সুপারহিট। অনেকে তার গান এখন রিমেক করে। তিনি নিজেও তার গান তাম্মা তাম্মা রিমেক করেছেন। আলিয়া ভাট ও বরুণ ধাওয়ানের ছবি- বদ্রিনাথ কি দুলহনিয়ায় সেটি ব্যবহার করা হয়েছিল। টাইগার শ্রফের- বাঘি ৩ সিনেমার জন্য কিশোর কুমারের ভঙ্কাস গানটি নতুনভাবে শ্রোতাদের উপহার দেন। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে স্বজনপ্রীতি হয়, সে কথা মানতে নারাজ তিনি। তার মতে, ইন্ডাস্ট্রিতে প্রত্যেককে লড়াই করতে হবে। ভাগ্যে যা আছে, তা প্রত্যেকেই পাবেন। যদি কারওর ভাগ্যে তারকা হওয়া লেখা থাকে, তাহলে একদিন না একদিন সে তারকা হবেই। কেউ আটকাতে পারবে না। শুধু ভগবানের উপর ভরসা রাখতে হবে।
জন্মদিনের শুভেচ্ছায় ভাসছেন বাবা-ছেলে
২৭,জুন,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারা বছরই নাটকের শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা অপূর্ব। অসংখ্য জনপ্রিয় নাটক উপহার দিয়েছেন তিনি। আজ তার জন্মদিন। মজার ব্যাপার হলো একই দিনে তার ছেলে আয়াশেরও জন্মদিন। সুন্দর এই দিনটিতে ভক্তদের শুভেচ্ছা একই সঙ্গে ভাসছেন বাবা ও ছেলে। সোশ্যাল মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ তাদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। অপূর্বের ছেলের নাম জায়ান আয়াশ ফারুক। বাবা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব জন্মেছিলেন ১৯৮৫ সালের ২৭ জুন। ছেলে আয়াশের জন্ম তারিখ ২৭ জুন ২০১৪। আজ ২৭ জুন, বাবা ছেলের জন্মদিন। আয়াশের জন্মের পর বছরের এই একটি দিনে অপূর্ব কোন শুটিং রাখেন না। দিনটি ছেলের সঙ্গে উদযাপন করেন। দিনটি উদযাপনের সব পরিকল্পনা করেন তার স্ত্রী অদিতি। আগে থেকে কোন কিছু জানতে পারেন না অপূর্ব। নানাভাবে সারপ্রাইজড হন অপূর্ব ও আয়াশ। অপূর্ব বলেন, আগে জন্মদিনটা ছিল শুধুই আমার। আর এখন জন্মদিনটা আমার একমাত্র সন্তান আয়াশেরও। তাই জন্মদিন নিয়ে এক অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে। আয়াশের মায়ের নানা পরিকল্পনা থাকে। আবার আয়াশও দিনটা অনেক আনন্দে কাটায়। জন্মদিনে সবার কাছে দোয়া চাই যেন পিতা পুত্র একসঙ্গে ভালোভাবে দিনটি কাটাতে পারি। উল্লেখ্য, এবারের ঈদে অপূর্ব অভিনীত আলোচিত নাটকগুলোর মধ্যে আছে জাকারিয়া শৌখিনের- জলসা ঘর, মাহমুদুর রহমান হিমি পরিচালিত- আনমনে তুমি, আশফাক নিপুণ পরিচালিত ‘হয়তো তোমার কাছেই যাবো । করোনার কারণে এখনও ঘরবন্দি রয়েছেন অভিনেতা অপূর্ব। প্রায় চার মাস ধরে অভিনয় করেননি। তবে আগামী মাস থেকে শুটিংয়ে ফিরবেন বলে জানান এ অভিনেতা।
সুশান্তের মৃতদেহের ছবি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ স্বস্তিকার
২৭,জুন,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ১৪ জুন সুশান্ত মারা যাওয়ার দিনেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল তাঁর মরদেহের ছবি। সেই ছবি শেয়ার করে চলছিল অবিরাম শোকপ্রকাশ। সে সময় মহারাষ্ট্র পুলিশও ওই ছবি শেয়ার বা পোস্টের উপর জারি করেছিল নিষেধাজ্ঞা। এরপর সুশান্তের মৃত দেহের ধারণ করা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যায়। সাইবার সেলের পক্ষ থেকে টুইট করে বলা হয়েছিল, প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিংহ রাজপুতের কয়েকটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এটা কুরুচিকর। আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারিও ছিল পরের পোস্টেও, ওই ধরনের ছবি ছড়ানো আইনি ও আদালতের নির্দেশিকা-বিরুদ্ধ। তাই এমন ঘটনা ঘটলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায় খাটে শায়িত রয়েছে সুশান্তের নিথর দেহ। সাদা চাদরে তাঁর মুখ ঢাকা। ঘরভর্তি পুলিশ। তাঁরা খুটিয়ে দেখছেন ঘরের চারপাশ। পুরোকার্যকলাপটাই মোবাইলে ভিডিও রেকর্ড করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়! কিন্তু কেন? কে-ই বা করল এমন কাজ? এ তো আইনত দণ্ডনীয়। ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন সুশান্ত ভক্তরা। শুধু ভক্তরাই বা কেন? ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেছেন অভিনেতা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ও। সুশান্তের কো-স্টার স্বস্তিকা টুইটারে লেখেন, ইউটিউবে একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সুশান্তের ঘরের ছবি। পাশে পুলিশ আধিকারিকরা কাজ করছেন। সুশান্তের মৃত্যুর পর ওই ঘরেই কেউ ফোন ব্যবহার করলেন কী করে? আর যদি করেও থাকেন মুম্বই পুলিশ কেন সেই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করছে না? আর ভিডিওগুলোই বা ইউটিউব থেকে কেন তুলে নেওয়া হচ্ছে না? তবে তাতে ফল হয়নি। গলায় কালশিটে পড়ে যাওয়া সুশান্তের সেই ছবি-ভিডিও আজও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল।
ডাক্তারের পরামর্শে পুরোপুরি বিশ্রামে রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
২৬,জুন,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় আক্রান্তের পর থেকেই ডাক্তারের নির্দেশনা মেনে বাসায় অবস্থান করছেন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। স্বাস্থবিধি মেনে চলায় আক্রান্তের সপ্তাহ সময়ের আগেই করোনার সব ধরনের উপসর্গমুক্ত হন গুণী এই শিল্পী। গত ২১ জুন বন্যা বলেন, ১২ জুন আমি করোনায় আক্রান্ত হই। এরপর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী স্বাস্থবিধি মেনে বাসায় থাকছি এবং আক্রান্তের তিন থেকে চারদিন পরই শারীরিকভাবে সুস্থতাবোধ করি। এখন আর কোনো ধরনের করোনা উপসর্গ আমার মধ্যে নেই। আমি এখন বেশি ভালো আছি। আমি সংশয়মুক্ত, ভয়টা কেটে গেছে। ২৬ জুন গুণী এই শারীরিক অবস্থা জানার জন্য ফোন করলে তা ধরেন বন্যার বোন। তিনি বলেন, আসলে করোনাক্রান্ত হওয়ার পর অসংখ্য মানুষের ফোন এসেছে। কাছে মানুষেরা খোঁজ নেওয়ার জন্য ফোন দিয়েছেন, তাই অনেকের সঙ্গেই কথা বলতে হয়েছে। পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার আগে আসলে ফোনে এত মানুষের সঙ্গে কথা বলা ঠিক হয়নি। তাই এখন শারীরিক কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছেন। ডাক্তার বলেছেন, আরও কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে। তিনি আরও বলেন, শরীর দুর্বল হওয়ার কারণে মঙ্গলবার (২৩ জুন) তার করোনার দ্বিতীয় টেস্টও করতে পারিনি। সুস্থতাবোধ করলেই যে কোনো দিন দ্বিতীয় টেস্টটি করাবো। এদিকে বন্যা করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন গণমাধ্যমে কটূক্তিমূলক মন্তব্য করেছেন অনেকে। এ নিয়ে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ চিত্রনির্মাতা নাসির উদ্দিন ইউসুফ। বুধবার (২৪ জুন) রাতে নাসির উদ্দিন ইউসুফ নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্টে তার ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার করোনা আক্রান্ত হওয়া নিয়ে কতিপয় অসুস্থ মানসিকতার নামানুষ যেভাবে অশ্লীল উক্তি করছে, তাদের বিরুদ্ধে অশ্লীলতার অভিযোগ এনে কোনো শিল্পী বা শিল্পী সংগঠন এখনো শাস্তি দাবি করেনি। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে মানবিক সংস্কৃতিবিরোধী অপপ্রচার ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যকারী এবং ধর্মব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি বিধানের জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি। রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার ধ্যানে-জ্ঞানে রবীন্দ্রনাথ। রবীন্দ্রসংগীত তথা সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য স্বাধীনতা পদক ও পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক বঙ্গভূষণ পদক পেয়েছেন তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের অধ্যাপক ও নৃত্যকলা বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। এছাড়া রবীন্দ্রসংগীতের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন সংগীতশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুরের ধারা।
বিনোদন জগতে ফের আত্মহত্যা, চলে গেলেন সিয়া কক্কর
২৫,জুন,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিনোদন জগতে আবার আত্মহত্যা। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) আত্মঘাতী হলেন নৃত্যশিল্পী তথা টিকটক শিল্পী সিয়া কক্কর। দিল্লিতে নিজের বাড়িতে আত্মঘাতী হয়েছেন ১৬ বছরের এই টিক টক শিল্পী। সিয়ার মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে এনেছেন তার ম্যানেজার অর্জুন সারিন। অর্জুন ই তাঁর সমস্ত কাজের খবরাখবর রাখতেন এবং সমস্তটাই সামলাতেন। বিভিন্ন প্রোডাক্টের এনডোর্সমেন্টের বিষয় দেখতেন অর্জুন। তিনি সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন, এটা নিশ্চয়ই ব্যক্তিগত কারণে হয়ে থাকবে। কাজের দিক থেকে ওর সমস্ত কিছুই ভাল যাচ্ছিল। কাল রাতেও ওর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে একটি নতুন কাজের বিষয়। ওর কথা শুনে সমস্ত কিছু স্বাভাবিক মনে হয়েছিল। আমি এবং আমার কোম্পানি বহু শিল্পীদের ম্যানেজ করে। তাদের মধ্যে সিয়া খুব গুণী ছিল। প্রীত বিহারে ওর বাড়ির দিকে আমি রওনা হয়েছি। জনপ্রিয় পাপারাজ্জি ভাইরাল ভিয়ানির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেও এই খবর প্রকাশ করা হয়। ছবি সমেত সেখানে লেখা হয়, খুব দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি মাত্র ১৬ বছরের টিকটক শিল্পী সিয়ার আত্মহত্যায় মৃত্যু হয়েছে। আমি ওর ট্যালেন্ট ম্যানেজার অর্জুন সারিনের সঙ্গে কথা বলেছি যার এই ব্যাপারে কোনো ধারণা ছিল না। কাল রাতেই তিনি একটি নতুন প্রজেক্ট এর জন্য সিয়ার সঙ্গে কথা বলেছিলেন এবং তাকে স্বাভাবিক মনে হয়েছিল। আপনারা ওর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট দেখলেই বুঝতে পারবেন ওর কনটেন্ট কত ভাল ছিল। খুব দুঃখজনক যে সে এমন একটি রাস্তা বেছে নিয়েছে। আপনিও যদি অবসাদগ্রস্ত হন দয়া করে এটা করবেন না। সিয়া কক্কর দিল্লির প্রীত বিহারের বাসিন্দা। টিকটক, ইনস্টাগ্রম, ইউটিউব, স্ন্যাপচ্যাট এই সমস্ত অনলাইন প্লাটফর্মে সক্রিয় ছিলেন তিনি। বিভিন্ন নাচের পোস্ট শেয়ার করতেন সিয়া। প্রত্যেকটি প্ল্যাটফর্মেই বহু সংখ্যক ফলোয়ার ছিল তাঁর। এই খবরে সিয়ার বন্ধু মহলে ও পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।-
মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ
২৫,জুন,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পপ কিং মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। স্নায়ু শিথিল করতে মাত্রাতিরিক্ত প্রপোফল সেবনে ২০০৯ সালের ২৫ জুন ৫০ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়েছিল। বিশ্বের সবচেয়ে সফল সেলিব্রেটি মাইকেল জ্যাকসন একজন মার্কিন সংগীতশিল্পী, গীতিকার, নৃত্যশিল্পী, অভিনেতা, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী। ব্যক্তিজীবনে বিতর্কিত পপসম্রাট বিভিন্ন ঘটনার প্রেক্ষাপটে চার দশকেরও বেশি সময় সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বৈশ্বিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন। ১৯৫৮ সালের ২৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে আফ্রিকান-আমেরিকান একটি পরিবারে জন্ম হয়েছিল মাইকেল জ্যাকসনের। মাইকেলের বাবার নাম জোসেফ ওয়াল্টার জ্যাকসন। জ্যাকসন পরিবারের ৭ম সন্তান মাইকেল। চার ভাইকে সঙ্গে নিয়ে মাত্র ৬ বছর বয়সে পেশাদার জগতে পা রাখেন তিনি। এককভাবে কাজ করেন ৭১ সালে। তবে বিশ্বজুড়ে উন্মাদনা ছড়ান আরও এগার বছর পর। ১৯৮২ সালে তার থ্রিলার অ্যালবাম ভেঙে দেয় পৃথিবীর সব রেকর্ড। অলটাইম হিটসের তালিকায় আছে - অফ দ্য ওয়াল (১৯৭৯), ব্যাড (১৯৮৭), ডেঞ্জারাস (১৯৯১) এবং হিস্টরি (১৯৯৫)। সর্বকালের সবচেয়ে সফল বিনোদন তারকা হিসেবে গিনেস বুকেও জায়গা পেয়েছেন তিনি। প্রায়শই তাকে পপ সঙ্গীতের রাজা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় অথবা, সংক্ষেপে তাকে এমজে নামে অভিহিত করা হয়। ২০০৯ খ্রিস্টাব্দের ২৫ জুন মাইকেল জ্যাকসন মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হয় তারই ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. কনরাড মারেকে এবং সে কারণে তাকে চার বছরের জন্য কারাদণ্ডও দেয়া হয়। ২০০৯ সালের ২৫ জুন পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চলে যাওয়ার পর সে বছর সর্বাধিক বিক্রীত অ্যালবামের শিল্পী হিসেবে আবির্ভূত হন জ্যাকসন। মৃত্যুর এক বছরের মাথায় কেবল আমেরিকাতেই তার অ্যালবাম বিক্রি হয় ৮.২ মিলিয়ন কপি; আর বিশ্বজুড়ে বিক্রি হয় ৩৫ মিলিয়ন। মৃত্যুর পর গান ডাউনলোডের ইতিহাসেও রেকর্ড গড়েন পপ কিং। মাত্র এক সপ্তাহে পয়সা খরচ করে জ্যাকসনের ১০ লাখ গান ডাউনলোড করে তার ভক্তরা।

বিনোদন পাতার আরো খবর