রবিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৯
২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা
৩০ জানুয়ারি,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। গেলো কয়েকটি আসরের ধারাবাহিকতায় এবারো নারী ও পুরুষদের দুইটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। বছরের শুরুতে ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ চলবে আইসিসি টি-টোয়েন্টি নারী বিশ্বকাপ। পরে ১৮ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলা আসরে নির্ধারিত হবে পুরুষদের শিরোপা। ক্রিকেটের আসন্ন মেগা ইভেন্ট আইসিসি ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে যখন দল গোছাতে ব্যস্ত ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলো, ঠিক তখনই সংস্থাটি প্রকাশ করলো টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়সূচি। আইসিসির করা নতুন নিয়মানুযায়ী ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত র‌্যাংকিংয়ের সেরা আট দল সরাসরি খেলবে সুপার টুয়েলভএ। এ কারণে বাড়তি মাশুলটা গুনতে হচ্ছে বাংলাদেশ আর শ্রীলঙ্কাকে। টাইগারদের পাশাপাশি প্রথমপর্বের মোড়কে বাছাই পর্বের বাধা পেরিয়ে মূল পর্বে খেলতে হবে ২০১৪ আসরের শিরোপা জয়ীদেরও। প্রাক-বাছাই পর্ব থেকে উঠে আসা ৬টি দলকে দু'ভাগ করে এ গ্রুপে শ্রীলঙ্কা আর বি গ্রুপে যুক্ত হবে সাকিব বাহিনী। বাছাই গ্রুপের সেরা দুইয়ে থাকলে তবেই সুপার টুয়েলভে স্থান পাবে তারা। তবে গ্রুপ পর্বের ভারত-পাকিস্তান হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের দেখা পাবেনা ক্রিকেটপ্রেমীরা। চূড়ান্ত ও বাছাই পর্ব মিলে মোট ১৬ দলের অংশগ্রহণে অস্ট্রেলিয়ার ৭টি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে মোট ৪৫টি ম্যাচ। সিডনিতে ২৪শে অক্টোবর স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার সাথে পাকিস্তানের ম্যাচের মধ্য দিয়ে মাঠে গড়াবে চূড়ান্ত পর্ব। আর ১৫ নভেম্বর এমসিজিতে ফাইনালের মধ্যে দিয়ে বিশ্ব পাবে নতুন চ্যাম্পিয়নদের।
চিটাগং ভাইকিংসকে হারিয়ে সহজ জয়ে শীর্ষে কুমিল্লা
২৯ জানুয়ারি,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিটাগং ভাইকিংসকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ন্স। লো স্কোরিং ম্যাচে ৭ উইকেটের সহজ জয় তুলে নিয়েছে ইমরুল কায়েসের দল। ব্যাটসম্যানদের জন্য কাজটা সহজ করে রেখেছিলেন কুমিল্লার বোলাররা। আফ্রিদি, মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনদের বোলিং নৈপুণ্যের পর তামিম, শামসুর রহমানরা নৈপুণ্য দেখান ব্যাট হাতে। অপরাজিত ৫৪ রানের ইনিংস খেলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন তামিম ইকবাল। এর আগে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সামনে বড় লক্ষ্য দাঁড় করাতে ব্যর্থ হয় চিটাগং ভাইকিংস। ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে নির্ধারিত ১৯ ওভারে ১১৬ রান তুলেছে তারা। টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন চিটাগং অধিনায় মুশফিকুর রহিম। ম্যাচের শুরুতেই বৃষ্টির হানা। ১ ওভার খেলেই মাঠ ছাড়তে হয়। ফিরে এসেই বিপর্যয়ে পড়ে চিটাগং ভাইকিংস। ওপেনার সাদমান ইসলাম অনিক ফিরে যান শূন্য রানে। ইয়াসির আলীও কোন রান না করেই সাজঘরে ফেরেন। ৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়া দলকে আর কেউ দিশা দিতে পারেননি। মুশফিক, জাদরান, ডেলপোর্ট, রাজারা ব্যর্থ হন। একপাশ আগলে লড়তে থাকা ওপেনার মোহাম্মদ শেহজাদের রান আউট হয়ে ফিরে গেলে চিটাগংয়ের প্রতিরোধ আরো নড়বড়ে হয়ে যায়। এরপর অষ্টম উইকেটে নামা মোসাদ্দেক হোসেনের ব্যাটে শতক পার করে চিটাগং। বৃষ্টির কারণে এক ওভার কমিয়ে দেয়ায় নির্ধারিত ১৯ ওভারে ১১৬ রান তোলে চিটাগং। স্কোর: চিটাগং ভাইকিংস: ১১৬/৮ (১৯) মোহাম্মদ শেহজাদ ৩৩ (৩৫) সাদমান ইসলাম ০ (৩) ইয়াসির আলী ০ (৩) মুশফিকুর রহিম ৬ (৭) নাজিবুল্লাহ জাদরান ১৩ (৮) ক্যামেরন ডেলপোর্ট ৬ (১২) সিকান্দার রাজা ৫ (৮) মোসাদ্দেক হোসেন ৪৩* (২৫) নাঈম হাসান ৪ (১৩) আবু হায়দার ০* (১) বোলার: আবু হায়দার রনি ৩-০-২১-০ মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ৪-০-২৩-২ ওয়াহাব রিয়াজ ৪-০-২৩-২ মেহেদী হাসান ২-০-১৭-১ শহীদ আফ্রিদি ৪-০-১০-২ থিসারা পেরেরা ২-০-২২-০ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স: ১১৭/৩ (১৬.৪) তামিম ইকবাল ৫৪* (৫১) এনামুল হক ৮ (১৩) শামসুর রহমান ৩৬ (২২) ইমরুল কায়েস ৮ (৮) থিসারা পেরেরা ১০ (৭) বোলার: আবু জায়েদ ৪-০-২৫-২ নাঈম হাসান ৪-০-২৬-০ খালেদ আহমেদ ৩.৪-০-২৫-১ মোসাদ্দেক হোসেন ২-০-১৪-০ ক্যামেরন ডেলপোর্ট ২-০-১৯-০ সিকান্দার রাজা ১-০-৮-০
পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রংপুর ঢাকাকে হারিয়ে
২৯ জানুয়ারি,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাগরিকায় আবারো রংপুরের তাণ্ডব। এবার দৃশ্যপটে হেইলসের সঙ্গে এবি ডি ভিলিয়ার্স। মিস্টার থ্রি সিক্সটি ডিগ্রি'র প্রথম বিপিএল সেঞ্চুরিতে ঢাকাকে ৮ উইকেটে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে এলো মাশরাফীর রংপুর। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করে ১৮৬ রানের চ্যালেঞ্জিং পূঁজি পায় ঢাকা। জবাবে, ৮ উইকেট এবং ১০ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রংপুর। টস জিতে শুরুতে ব্যাটিংয়ে ঢাকা। কিন্তু ওপেনিং জুটি টিকলো ৩৫ রান পর্যন্ত। ১৭ রানে ফিরলেন জাজাই। ভরসা হতে পারেননি নারাইনও। ফিরলেন ২৮ রান করে। দেশীয় রনি তালুকদার খেলেন ৫২ রানের ইনিংস। শেষ দিকে পোলার্ডের ঝড়ো ৩৭ রানে ৬ উইকেটে ১৮৬ রানের সংগ্রহ পায় সাকিবের ঢাকা। জবাবে যথারীতি গেইলের হতাশা দিয়ে শুরু রংপুরের। এরপর ইন ফর্মার রুশো শূন্য রানে ফিরলে স্বপ্ন দেখে ঢাকা। কিন্তু পরের দৃশ্যে সব আলো কেড়ে নেয় রংপুরের দুই দানবীয় ব্যাটসম্যান ভিলিয়ার্স এবং হেইলস। বিপিএলে প্রথম সেঞ্চুরি করে অপরাজিত থাকেন ভিলিয়ার্স। আর ৫৩ বলে অপরাজিত ৮৫ রানের ইনিংসে ৮ উইকেটের জয় নিশ্চিত হয় রংপুরের। এই হারে টানা তিন ম্যাচ হারলো ঢাকা ডাইনামাইটস।
দাপটের জয়ে শীর্ষে কুমিল্লা
২৮ জানুয়ারি,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এভিন লুইসের সেঞ্চুরির পর ওয়াহাব রিয়াজের হ্যাট্রিকে খুলনা টাইটান্সকে হেসে-খেলে হারালো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ৮০ রানের দাপুটে জয় তুলে নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে আসলো ইমরুল কায়েসের দল। লিগ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হওয়া খুলনা টাইটান্স অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ চেয়েছিলেন, শেষের দুইটা ম্যাচ অন্তত জিততে। কিন্তু সেটা হতে দিলো না কুমিল্লা। লুইস, ইমরুলদের দেয়া রানের পাহাড় টপকাতে গিয়ে শুরুটা ভালো হলেও শেষ পর্যন্ত খেই হারিয়ে ফেলে খুলনা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৫ রান করেন ওপেনিংয়ে ব্যাট করা ব্রেন্ডন টেইলর। মিডল অর্ডারের ব্যর্থতার পর টেল এন্ডে তাইজুল, শরিফুলরা দিশেহারা হয়ে যায় ওয়াহাব রিয়াজের পেসে। মড়ার উপর খাড়ার ঘা হয়ে আসে তার হ্যাটট্রিক। ১৯তম ওভারে ডেভিড ওয়াইসি, তাইজুল এবং সাদ্দামকে তুলে নিয়ে হ্যাট্রিক পূরণ করেন ওয়াহাব। এর আগে মাত্র ২ রানের জন্য বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দলীয় স্কোরের রেকর্ডটা নিজেদের দখলে নিতে পারেনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। খুলনা টাইটান্স বোলারদের ওপর ছড়ি ঘুরিয়ে তারা সংগ্রহ করে ২৩৭ রান। বর্তমানে রেকর্ডটি রংপুর রাইডার্সের দখলে। চলতি আসরে চিটাগং ভাইকিংসের বিপক্ষে রাইলি রুশো এবং অ্যালেক্স হেলসের সেঞ্চুরিতে ২৩৯ রান করে মাশরাফির দল। আর আজ (সোমবার) আসরে চতুর্থ সেঞ্চুরি দেখল বিপিএল। ৪৯ বলে ১০৯ রানের ইনিংস খেললেন উইন্ডিজ ওপেনার এভিন লুইস। বিপিএলে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। ২০১৫ সালে বরিশাল বুলসের হয়ে শতক হাঁকিয়েছিলেন তিনি। তার ব্যাটে ভর করে পয়েন্ট টেবিলের তলানির দল খুলনা টাইটান্সের বিপক্ষে রানের পাহাড় তুলে দেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হতো মাহমুদুল্লাহদের। বিপিএলে এর আগে সর্বোচ্চ ১৯৮ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড আছে সিলেট রয়্যালসের। টস জিতে কুমিল্লাকে আগে ফিল্ডিংয়ে পাঠান খুলনা অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তবে তার সিদ্ধান্তকে ভুল প্রমাণ করেন এভিন লুইস। শুরুতে তামিম কিছুটা হিসেবি ব্যাটিং করলেও লুইস ছিলেন আগ্রাসী। ইমরুল কায়েসের ব্যাটও ঝড়ে তুলেছে এদিন। পেরেরা আফ্রিদিরা সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও শামসুর রহমানকে নিয়ে বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় লুইস।
দুর্দান্ত করবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ: ডি ভিলিয়ার্স
২৮ জানুয়ারি,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুয়ারে কড়া নাড়ছে আইসিসি-২০১৯ বিশ্বকাপ। আসছে ৩০ মে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে গড়াবে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসর। এ মুহূর্তে নিজেদের গুছিয়ে নেয়ার কাজ সারছে দলগুলো। ব্যতিক্রম নয় বাংলাদেশও। আসন্ন বিশ্বকাপে টাইগাররা দুর্দান্ত করবে বলে মনে করেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক ব্যাটসম্যান এবি ডি ভিলিয়ার্স। বিপিএল মাতাতে এখন বাংলাদেশে এ তারকা। খেলছেন রংপুর রাইডার্সের হয়ে। আজ হাইভোল্টেজ ম্যাচে ঢাকায় ডায়নামাইটসের মোকাবেলা করবে দলটি। এর অনুশীলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের তিনি জানালেন, বিশ্বকাপে ভালো করবে বাংলাদেশ। তবে হ্যাঁ, বিশ্ব আসরে ভালো খেলতে হলে পরিকল্পনা অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে। এবি ডি ভিলিয়ার্স বলেন, প্রকৃতপক্ষে সবচেয়ে বড় কথা হলো মাঠে নেমে আপনি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারছেন কি-না। বাংলাদেশ ধীরে ধীরে দুর্দান্ত দল হয়ে উঠছে। আমার বিশ্বাস, বিশ্বকাপে ভালো করবে টাইগাররা। মাশরাফি, সাকিব, তামিম, মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকের মতো অভিজ্ঞরা বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পারফর্ম্যান্সে প্রভাব রাখবে বলে মনে করেন এবি। ৩৬০ ডিগ্রিখ্যাত ক্রিকেটার বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে খেলছে। দারুণ খেলে নিয়মিত দলকে জেতাচ্ছে। বিশ্বকাপেও দলের পারফর্ম্যান্সে বড় ভূমিকা রাখবে ওরা।
তীরে এসে তরী ডুবল মুশফিকের চিটাগংয়ের!
২৭ জানুয়ারি,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগের ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের রানের পাহাড়ে চাপা পড়েছিল চিটাগং ভাইকিংস। মাশরাফির দলের রেকর্ড সংগ্রহ ২৩৯ রান টপকে জিততে পারেনি তারা। এবার তাদের সামনে বড় সংগ্রহ ছুড়ে দিয়েছে রাজশাহী কিংসও। এই ম্যাচেও অসাধ্য সাধন করে জয় তুলে নিতে পারেনি তারা। নাটকীয়ভাবে জয় তুলে নিয়েছে রাজশাহী, তারা জিতেছে ৭ রানে। প্রথমে ব্যাট করে রাজশাহী গড়েছিল ১৯৮ রানের বিশাল সংগ্রহ। জবাবে চিটাগং জয়ের কাছাকাছি পৌঁছেও গিয়েছিল। কিন্তু শেষ ওভারে মুস্তাফিজুর রহমান হারিয়ে দিলেন তাদের। তাই ১৯১ রানে গিয়ে থামে চিটাগংয়ের ইনিংস। অবশ্য ইনিংসের শুরুতে চিটাগংকে ঝড়ো সূচনা এনে দেন আফগান ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ শেহজাদ। ২২ বলে ৪৯ রানের একটি চমৎকার ইনিংস খেলেন তিনি। এর পর ইয়াসির আলী ও সিকান্দার রাজা চমৎকার দুটি ইনিংস খেলেন। ইয়াসির ৫৮ রান করে সাজঘরে ফিরলেও শেষ দিকে সিকান্দার ১৫ বলে ২৯ রান করেন। এক পর্যায়ে অবস্থা এমন হয়েছিল, মনে হয়েছিল চিটাগং সহজেই জিতবে। কাটার-মাস্টার বল হাতে এসে সব চিত্র পাল্টে দেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য চিটাগংয়ের প্রয়োজন ছিল ১৩ রান। তারা মাত্র পাঁচ তুলতে পেরেছে। তাই আরেকটি হারের হতাশা নিয়ে মাঠ ছড়াতে হয়েছে তাদের। এর আগে রাজশাহীর এই বিশাল সংগ্রহ গড়তে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন জনসন চার্লস। ক্যারিবীয় এই ব্যাটসম্যান উদ্বোধনীতে নেমে ৫৫ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলেন। ৪৩ বল খরচায় পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কায় ইনিংসটি সাজান তিনি। পরে লরি ইভান্স (৩৬) ও সৌম্য সরকার (২৬) দুটি উল্লেখযোগ্য ইনিংস খেলেন। তবে শেষ দিকে দলের সংগ্রহ বড় করতে রায়ান টেন ডেসকাটে ও ক্রিস্টিয়ান জনকার দারুণ ভূমিকা রাখেন। ডেসকাটে ১২ বলে ২৭ রানের একটি ঝড়ো ইনিংস খেলেন। জনকার ১৭ বলে ৩৭ রান করেন। অবশ্য চিটাগং এখনো পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষেই আছে। এর আগে খেলা ৯ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে রয়েছে তারা। আর ১০ ম্যাচে ১০ পায়েন্ট নিয়ে রাজশাহী পঞ্চম স্থানে রয়েছে।
অনুমিতভাবেই জয় তুলে নিয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজার রংপুর
২৬ জানুয়ারি,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হতো চিটাগং ভাইকিংসকে। মুশফিকুর রহিমের দলকে করতে হতো ২৪০ রান। না, পারল না অসাধ্য সাধন করতে, বিপিএলের সবচেয়ে বড় সংগ্রহ টপকে জিততে পারেনি তারা। তাই অনুমিতভাবেই জয় তুলে নিয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজার রংপুর রাইডার্স। তারা জিতেছে ৭২ রানের বিশাল ব্যবধানে। অবশ্য আসরে দুই ফেভারিট দলের লড়াইটি দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। ম্যাচটি হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে এমনটাই ধরে নিয়েছিল সবাই। তা মোটেও হয়নি, একপেশে জয় তুলে নিয়েছে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। আজ শুক্রবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে রংপুরের করা ২৩৯ রানের জবাবে চিটাগংয়ের ইনিংস থামে ১৬৭ রানে। স্থানীয় দলটির হয়ে ওপেনার ইয়াসির আলী ৪৮ বলে ৭৮ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলে দলের হারের ব্যবধান কমিয়েছেন মাত্র। এর আগে ইংলিশ ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স হেলস ও দক্ষিণ আফ্রিকার রাইলি রুশোর অসাধারণ দুটি সেঞ্চুরির ওপর ভর করে এই বিশাল সংগ্রহ গড়ে রংপুর। এটি শুধু এবারের আসরেই নয়, বিপিএলেরও সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এর আগে বিপিএলের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ঢাকা ডায়নামাইটসের। ২০১৩ সালে এই রংপুরের বিপক্ষে ২১৭ রান করেছিল তারা। এবারের তাদের ছাড়িয়ে গেছে রংপুর। আর এবারের আসরে সবচেয়ে বড় সংগ্রহ ছিল চিটাগং ভাইকিংসের। মুশফিকুর রহিমের দল করেছিল ২১৪ রান, খুলনা টাইটানসের বিপক্ষে। তাই রংপুর এই বিশাল সংগ্রহ গড়ে অনেকগুলো রেকর্ড ভেঙেছে। আর তা সম্ভব হয়েছে দুই বিদেশি ব্যাটসম্যানের চমৎকার দুটি সেঞ্চুরিতে। মাত্র ৪৮ বলে ১০০ রানের একটি ঝড়ো ইনিংস খেলেন অ্যালেক্স। যাতে ১১টি চার ও পাঁচটি ছক্কার মার রয়েছে। তারপরই তিন অঙ্কের কোটায় নিজের নাম লেখান রুশো। দক্ষিণ আফ্রিকার এই ব্যাটসম্যান শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৫১ বলে ১০০ রান করেন। আসরে এর আগে প্রথম শতক হাঁকিয়েছিলেন রাজশাহী কিংসের ইংলিশ ব্যাটসম্যান লরি ইভান্স। চিটাগংয়ের বোলাররা এদিন ছিলেন অনেকটাই অসহায়। এক আবু জায়েদ রাহি ছাড়া কোনো বোলারই রংপুর ব্যাটসম্যানদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি। রাহি দুই উইকেট নিয়েছেন। এই জয়ে ৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট ঝুলিতে পুরে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে রংপুর। আর চিটাগং এক ম্যাচ কম খেলে ১২ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরেই রয়েছে।
৭৬ রানে হারাল সিলেট সিক্সার্স
২৫ জানুয়ারী,অনলাইন ডেক্স,(নিউজ একাত্তর ডট কম) :বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম ম্যাচে রাজশাহী কিংসকে ৭৬ রানে হারিয়েছে সিলেট সিক্সার্স। সিলেটের দেয়া ১৮১ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ১৮ দশমিক ২ ওভারে ১০৪ রানেই গুটিয়ে যায় রাজশাহী কিংস। রাজশাহীর পক্ষে ফজলে মাহমুদ সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন। সিলেটের হয়ে সোহেল তানভির ও মোহাম্মদ নওয়াজ ৩টি করে এবং তাসকিন ও অলক কাপালি ২টি করে উইকেট শিকার করেন। শুক্রবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮০ রান করে সিলেট সিক্সার্স। দলের পক্ষে জেসন রয় ৪২, আফিফ হোসেন ২৮, লিটন দাস ২৪ এবং সোহেল তানভির ২৩* রান করেন। রাজশাহীর পক্ষে মুস্তাফিজ ২টি, ডেশকাট, প্রসন্নে, কামরুল ইসলাম ও আরাফাত সানি প্রত্যেকেই ১টি করে উইকেট শিকার করেন।
দলে ফিরলেন নিষিদ্ধ সাব্বির
ক্রীড়া ডেস্ক: শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ছয় মাসের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল সাব্বির রহমানকে। গেল সেপ্টেম্বরে জানানো হয় তার নিষেধাজ্ঞার কথা। সেই হিসেবে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ থাকার কথা সাব্বিরের। কিন্তু শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ওয়ানডে দলে সুযোগ পেয়েছেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। বুধবার (২৩ জানুয়ারি) নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য ওয়ানডে ও টেস্ট দল ঘোষণার করা হয়। ওয়ানডে দলে জায়গা ফিরে পেয়েছেন সাব্বির। নিষিদ্ধ এই ক্রিকেটারের দলে অন্তর্ভুক্তি নিয়ে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু জানিয়েছেন অধিনায়ক মাশরাফির চাওয়াতেই দলে সুযোগ দেয়া হয়েছে সাব্বিরকে। তার আগে বোর্ড কমিয়েছে তার নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ। নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার আগেই সাব্বিরের দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নবানে জরজর হতে হয়েছে প্রধান নির্বাচককে। শাস্তির পুরো মেয়াদ শেষ না করেই কোনো ক্রিকেটারকে যদি দলে সুযোগ দেওয়া হয়, তাবে শৃঙ্খলা ইস্যুতে অন্য খেলোয়াড়দের কাছে কী বার্তা যায়? সরাসরি এই প্রশ্ন করা হয় প্রধান নির্বাচককে। প্রধান নির্বাচনক নান্নু বলেন, এটা শৃঙ্খলা কমিটির ব্যাপার। আমাদের কাছে যেটা আছে জানুয়ারির ৩১ তারিখে (৩১ জানুয়ারি) ওটা (সাব্বিরের নিষেধাজ্ঞা) আমরা শেষ করে ফেলছি। এরপর থেকে ও এভেইলেবল। আপনাদেরকে সেটা বলা হয়নি। আমাদের নির্বাচকদের কাছে যে ম্যাসেজ আছে এক মাস কমিয়ে (শাস্তি) আনা হয়েছে। তবে বিপিএলে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে একটি ৮৫ রানের ইনিংস ছাড়া আহামরি পারফরম্যান্স নেই সাব্বিরের। তাহলে কী বিবেচনায় দলে নেওয়া তাকে? নান্নু বলছেন অধিনায়ক মাশরাফির পছন্দেই দলে নেওয়া হয়েছে সব্বিরকে, সাব্বিরের পারফরম্যান্স… আমি পরিষ্কার করে দিই। এটা সম্পূর্ণ অধিনায়কের পছন্দ যাচ্ছে। ও (মাশরাফি) খুব জোরালো ভাবে দাবি জানিয়েছে ওকে নেওয়ার জন্য। পরে আমরা দুজনে (নান্নু ও হাবিবুল বাশার) একমত হয়ে ওকে নিয়েছি।