অধিনায়কত্ব আমার জন্য চ্যালেঞ্জ: মুমিনুল
১৪ নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে একাদশতম অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হচ্ছে মুমিনুল হক সৌরভের। বৃহস্পতিবার হলকার স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টা শুরু হবে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট। বুধবার ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে হাজির হয়েছিলেন বাংলাদেশের টেস্ট স্পেশালিস্ট খ্যাত মুমিনুল। প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিলেন, অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়াটা তার জন্য অপ্রত্যাশিত ছিল। তবে এখন বিষয়টিকে নিজের জন্যও ইতিবাচক। মুমিনুল হক বলেন, মনে হয় না অধিনায়কত্ব পাবার পর আমার ব্যাটিংয়ে প্রভাব পড়বে। চেষ্টা করব আগের মতোই ব্যাট করার। দলনেতার হাল ধরার পর আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে পারব বলে আমি মনে করি। এতে নিজের ক্রিকেটীয় জ্ঞানও বৃদ্ধি পাবে। অধিনায়ক হিসেবে নিজের নৈপুণ্য তুলে ধরার বিশাল সুযোগ রয়েছে আমার কাছে। সব কিছুই হচ্ছে পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে নেয়ার মতো। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হয়েছেন নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ব্যক্তিগত কারণে অভিজ্ঞ তামিম ইকবাল রয়েছেন ছুটিতে। সবচেয়ে সেরা দুই তারকার জায়গায় তরুণরা দলের হাল ধরতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন মুমিনুল। সাকিব-তামিমকে ছাড়া খেলতে নামা সত্যিই বড় চ্যালেঞ্জ। তবে দলের অন্য সদস্যরা নিজেদের সেরাটা দিতে প্রস্তুত। যোগ করেন সাদা পোশাকে টাইগারদের নতুন অধিনায়ক। আগামী ২২ নভেম্বর প্রথমবারের মতো গোলাপি বলে খেলতে নামবে বাংলাদেশ। দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলতে কতটা প্রস্তুত মুমিনুলের দল? এটা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। তবে দলের জন্য একটি বড় সুযোগও। আমরা গোলাপি বলে ঢাকায় অনুশীলন করেছি। যদিও ভারত এসে সুযোগ হয়নি। প্রথম ও দ্বিতীয় টেস্টের মাঝামাঝি সময়ে এটা নিয়ে কাজ করার সুযোগ আসবে। আমার গোলাপি বলে খেলার অভিজ্ঞতা নেই। তাই কতটা সুইং হয় সেটি এখনও জানি না। মনে হয় না এটায় কোনও সমস্যা তৈরি হবে। এটা একটা সুযোগ। জানি না আগামীতে কখন গোলাপি বলে খেলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে। ২০০০ সাল থেকে টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো ২০১৭ সালে ভারতের মাটিতে এক মাত্র টেস্ট ম্যাচে খেলার সুযোগ হয়েছিল টাইগারদের জন্য। এবারই প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে ভারত সফর করছে টাইগাররা। এটাকে সুযোগ হিসেবে দেখছেন ২৮ বছর বয়সী মুমিনুল। বাংলাদেশ অধিনায়কের মতে,ভারতের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে পারাটাও আমাদের জন্য বড় একটি সুযোগ। আমরা এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে মুখিয়ে আছি। আমরা সেরা ক্রিকেট খেলতে চাই। ইন্দোরের পিচের বিবেচনায় একাদশ কেমন হবে সফরকারীদের? জবাবে দলপতি বলেন, টিম ম্যানেজমেন্ট এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। তাই প্রথম টেস্টের স্কোয়াড নিয়ে কিছু বলতে পারছি না। আমার মনে হয়েছে ব্যাটসম্যানরা এই পিচে বাড়তি সুবিধা পাবে।-আরটিভি অনলাইন
Ranking থেকে সাকিবকে বাদ দিল আইসিসি!
১১নভেম্বর,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জুয়াড়ির ফোন পাওয়ার কথা না জানানোর অপরাধে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। যে কারণে সদ্য সমাপ্ত ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলা হয়নি তার। এই সিরিজ শেষেই ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি নতুন Ranking প্রকাশ করেছে। তবে ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের তিন ক্যাটাগরিতে কোথাও নাম নেই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের। নতুন Rankingয়ে সাকিবের নাম না থাকায় অলরাউন্ডার ক্যাটাগরিতে শীর্ষে উঠে এসেছেন আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবি। তবে সাকিব না থাকলেও এই ক্যাটাগারির চার নম্বরে রয়েছেন বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের নাম। ব্যাটসম্যান, বোলার কিংবা অলরাউন্ডার Rankingয়ের শীর্ষ ১০০ জনের তালিকায় নাম নেই নিষিদ্ধ সাকিবের। ব্যাটসম্যানদের তালিকায় শীর্ষে পাকিস্তানের বাবর আজম। দুই ও তিন নম্বরে যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়ার দলপতি অ্যারন ফিঞ্চ আর তিনে উঠেছেন ডেভিড মালান। বোলারদের তালিকায় শীর্ষে পাঁচে কোনো পরিবর্তন আসেনি। আফগান দলপতি রশিদ খান আছেন এক নম্বরে। দুই থেকে পাঁচে আছেন যথাক্রমে মিচেল স্যান্টনার, ইমাদ ওয়াসিম, অ্যাডাম জাম্পা এবং শাদাব খান।
ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে চার ভারতীয় ক্রিকেটার গ্রেফতার
০৭নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের কর্ণাটক প্রিমিয়ার লিগে ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে পর্যায়ক্রমে গ্রেফতার হলেন চার ভারতীয় ক্রিকেটার। গতকাল বুধবার একজন গ্রেফতার হওয়ার পরে আজ বৃহস্পতিবার আরও দুইজন গ্রেফতার হয়েছেন। এছাড়া কোচ এবং দলের মালিকও হয়েছেন গ্রেফতার। কর্ণাটক প্রিমিয়ার লিগে ম্যাচ ও স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারির প্রমাণ মিলেছে। অভিযুক্ত ক্রিকেটারদের গ্রেফতারও করেছে প্রশাসন। ২০১৮ সালের আসরে ম্যাচ ফিক্সিং ও জুয়াড়িদের সাথে যোগাযোগ রাখার দায়ে প্রায় একমাস আগে এম বিশ্বনাথনকে প্রথম গ্রেফতার করা হয়। এরপর একই অভিযোগে ৬ নভেম্বর গ্রেফতার হন বেঙ্গালুরু ব্লাস্টার্সের ব্যাটসম্যান নিশান্ত সিং শেখাওয়াত। ৭ নভেম্বর গ্রেফতার হলেন কর্ণাটকের দুই সাবেক ক্রিকেটার আবরার কাজী ও সিএম গৌতম। এই দুইজন গ্রেফতার হয়েছেন স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে। কর্ণাটক প্রিমিয়ার লিগের দল বেলারি টাস্কার্সের খেলোয়াড় তারা দুজন। গৌতম ছিলেন উক্ত দলের অধিনায়ক। অবশ্য তারা উভয়েই দল ছেড়েছেন। গৌতম গোয়াতে স্থায়ী হয়েছেন এবং আবরার গিয়েছিলেন মিজোরামে। তারা সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ অব বেঙ্গালুরুর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে হাবেলি টাইগার্সের মুখোমুখি হয়েছিলো টাস্কার্স। ধীরগতির ব্যাটিং করার বিনিময়ে ২০ লাখ ভারতীয় রুপির প্রস্তাব পেয়েছিলেন তারা এবং সেটাই করেন। সেই ম্যাচটিও টাস্কার্স হেরেছিলো ৮ রানে। এছাড়া আরও ম্যাচে তারা ফিক্সিং করেছেন বলে প্রমাণ মিলেছে। শুধু খেলোয়াড়রা নয়, গ্রেফতার করা হয়েছে বেঙ্গালুরু ব্লাস্টার্সের বোলিং কোচ ভিসু বিনোদ। বেলগাভি প্যান্থার্স দলের মালিক আলি আসফাক থারাও গ্রেফতার হয়েছেন এবং দলটিকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সূত্র : বিডিক্রিক টাইম
জিম্বাবুয়ে বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে মাসাকাদজা
৩১অক্টোবর,বৃহষ্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব নিলেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। বুধবার বোর্ডের চেয়ারম্যান তেবোঙ্গওয়া মুকুহলানি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশের মাটিতে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলে ব্যাট-প্যাড তুলে রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন মাসাকাদজা।এ ব্যাপারে ক্রিকবাজ জানাচ্ছে, ৩৬ বছর বয়সী মাসাকাদজার জন্য নতুন একটি পদ তৈরি করেছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট। ডিরেক্টর অব ক্রিকেট নামক এই পদে ১ নভেম্বর থেকে দায়িত্বগ্রহণ করতে চলেছেন দেশটির সাবেক এই অধিনায়ক। এছাড়াও কোচ ও অধিনায়কদের কার্যকর নেতৃত্ব দেয়ার জন্যও কাজ করবেন তিনি বলে জানানো হয়ে বোর্ডের পক্ষ থেকে।জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব যা ক্রিকেটের সব ক্ষেত্রে আমাদের শক্তিশালী হবার ইচ্ছাকে আরও ত্বরান্বিত করবে।
তবে কি ওই জুয়াড়ি সাকিবকে বড় কোনো হুমকি দিয়েছিলো?
৩০অক্টোবর,বুধবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ম্যাচ ফিক্সিং নতুন কোনো ইস্যু নই। বিশ্বজুড়ে ক্রিকেটারদের এক আতঙ্কের নাম ফিক্সিং। যার প্রস্তাব আসে কোনো এক জুয়াড়ির কাছ থেকে। ওই প্রস্তাবেই শেষ হয়েছে অনেক তারকা ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার। এই ইস্যুতে বারবার শাস্তি পান ক্রিকেটাররা। কিন্তু মূল জুয়াড়ি চক্র থেকে যায় ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। কেননা তারা অনেক প্রভাবশালী। তাদের বিরুদ্ধে গেলে ক্রিকেটারদের জীবনও চলে যেতে পারে। সাকিবের নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে এখন সামনে আসছে জুয়াড়ির হুমকি-ধামকির বিষয়টি। সাকিব আল হাসানকে এক বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়ে এ সাজা পেয়েছেন নাম্বার ওয়ান। তার অপরাধ- জুয়াড়ির কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়েও সেটি বোর্ড বা আইসিসি জানাননি। যেহেতু আইসিসির আইনে এটা আছে যে তথ্য গোপন করলে শাস্তি হবে সেহেতু এটা ঠিক আছে। কিন্তু কথা হলো- সাকিব কেন এই ভুল করলেন? সাকিব এর আগে ২০০৮ সালেও একবার ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব পেয়েছিলেন। তবে ওই সময় আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ইউনিট আকসুকে জানিয়েছিলেন তিনি। তাহলে এবার নয় কেন? এমন প্রশ্ন সবার মনে। আইসিসি প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুয়াড়ি দীপক আগারওয়ালই সাকিবকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব দেন। জুয়াড়ি ব্যক্তিরা সাধারণত প্রচণ্ড ক্ষমতাশালী হন বা এমন ব্যক্তিদের সঙ্গে তাদের ঘনিষ্ঠতা থাকে। আন্ডারওয়ার্ল্ডেও তাদের যোগসূত্র থাকে। ফলে নিজেদের কথা না মানলে অথবা তথ্য বাইরে ফাঁস করলে হত্যার হুমকি দিয়ে থাকে তারা। সাকিবের সঙ্গেও যে এমন কিছু হয়নি, তা কি নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারবেন? পূর্বেও প্রাণনাশের ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে জুয়াড়ি দীপক আগারওয়ালের নাম। এই দীপকের কারণে ভারতীয় তরুণ ক্রিকেটার বিজয় আত্মহত্যা করেন ২০১১ সালে। বিজয়কে অর্থের লোভ দেখিয়ে বাজিকর বানান দীপক। মানুষের কাছ থেকে ধার করেও জুয়া খেলেন বিজয়। টাকার চাপ ও দীপকের হুমকিতে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন তিনি। দীপকের হোয়াটস অ্যাপে কিছু মেসেজ ডিলিট অবস্থায় পেয়েছে আইসিসি। হয়তো সেখানে ছিল এমন হুমকি। যদিও এ কথার স্বপক্ষে বাস্তব কোনো প্রমাণ নেই। ২০০৭ বিশ্বকাপ চলাকালে নতুন দল আয়ারল্যান্ডের কাছে হেরে যায় পাকিস্তান। ম্যাচ চলাকালীন সময়েই ড্রেসিংরুমে মারা যান পাকিস্তানের কোচ বব উলমার। সে সময় এক সংবাদ প্রকাশ হয় যে, ছোট দলের কাছে হেরে যাওয়ায় জুয়াড়িদের বড় অঙ্কের ক্ষতি হয়। তার ক্ষোভেই কোচকে হত্যা করা হয়। যদিও তার মৃত্যু রহস্যও আজও অজানা। এর আগে ২০০২ সালে প্লেন দুর্ঘটনায় মারা যান দক্ষিণ আফ্রিকার হ্যান্সি ক্রোনিয়ে। যিনি ম্যাচ পাতানোর কথা স্বীকার করে জুয়াড়ির নাম প্রকাশ করে দেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমনও তথ্য এসেছে সাজা শেষে দেশে ফেরার সময় জুয়াড়িদের চক্রান্তেই ওই প্লেন দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মারা যান ক্রোনিয়ে। তার মৃত্যু নিয়েও কোনো সঠিক তথ্য আজও প্রকাশিত হয়নি কোথা।
আমার মতো ভুল যেন কোনো তরুণ খেলোয়াড় ভবিষ্যতে না করে, বললেন সাকিব
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মঙ্গলবার (২৯অক্টোবর) মিরপুরের বিসিবি কার্যালয়ে লিখিত বক্তব্যে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান এ কথা বলেন। সাকিব আল হাসান আরো বলেন,আমি সত্যিই খুব মর্মাহত।যেই খেলাটাকে এতো ভালোবাসি সেখানে নিষিদ্ধ হলাম। তবে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব আইসিসিতে না জানানোয়, আমি আমার নিষেধাজ্ঞা মেনে নিচ্ছি।আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিট খেলোয়াড়দের দুর্নীতিমুক্ত রাখতে প্রাণপণে লড়ে যাচ্ছে।কিন্তু আমি আমার অংশটা ঠিকঠাক পালন করতে পারিনি।তিনি আরো বলেন,বিশ্বের সব খেলোয়াড়ের মতো আমিও চাই ক্রিকেট খেলাটা যেন দুর্নীতিমুক্ত থাকে।সামনের দিনগুলো আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের সঙ্গে তাদের দুর্নীতিবিরোধী প্রোগ্রামে কাজ করতে আগ্রহী।আমি এটি নিশ্চিত করতে চাই যে, আমার মতো ভুল যেন কোনো তরুণ খেলোয়াড় ভবিষ্যতে না করে। একইসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন আগের চেয়ে আরও শক্ত হয়ে ফিরে আসার। এক্ষেত্রে তিনি দেশের সকলের কাছে সবসময়ের মতো সমর্থন চেয়েছেন। উল্লেখ্য, সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল আইসিসি। তবে, দোষ স্বীকার করার কারণে, ১ বছরের শাস্তি বাতিল করেছে আইসিসি।আইসিসির পক্ষ থেকেই মঙ্গলবার (২৯অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সব ধরনের ক্রিকেট কর্মকাণ্ড থেকে আগামী এক বছর নিষিদ্ধ থাকবেন তিনি। দুই বছর আগে একটি আন্তর্জাতিক ম্যাচের আগে একজন জুয়াড়ির কাছ থেকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু ওই প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। কিন্তু বিষয়টি খুব বেশি গুরুত্ব দেননি বলে আইসিসি কিংবা বিসিবিকে বিষয়টা জানাননি। এটাই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে সাকিব আল হাসানের জন্য। আইসিসির নিয়ম হচ্ছে, এ ধরনের অপরাধের শাস্তি হিসেবে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞার শাস্তি। তবে সাকিব নিজের দোষ স্বীকার করায় শাস্তি কমিয়ে ২ বছর করা হয়েছে।একই সঙ্গে তদন্ত কাজে সহযোগিতা করার কারণে শাস্তি বাতিল করা হয়েছে আরও এক বছরের। অর্থ্যাৎ, ১ বছর শাস্তি ভোগ করবেন তিনি। যা কার্যকর হবে আজ থেকেই। আগামী বছর (২০২০ সাল) ২৯ অক্টোবর তিনি নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পাবেন। আন্তর্জাতিক একজন জুয়াড়ির কাছ থেকেই প্রস্তাব পেয়েছিলেন সাকিব। জুয়াড়ির প্রস্তাবের বিষয়টি আইসিসি পরে জানতে পারে। আন্তর্জাতিক জুয়াড়িদের কল রেকর্ড ট্র্যাকিং করে এ ব্যাপারে সব তথ্য উদ্ধার করে তারা। জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট ওই জুয়াড়ি আইসিসির কালো তালিকায় থাকাদের একজন। আইসিসি তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে সাকিবের বিরুদ্ধে। তিন ম্যাচে সাকিবের কাছে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল বলে জানতে পেরেছে আইসিসি এবং সে সব বিষয়ে তারা প্রমাণও সংগ্রহ করেছে। আকসুর ধারা ২.৪.৪ আর্টিকেলের মধ্যেই তিনটি অপরাধ করেছিলেন সাকিব। যেগুলো হচ্ছে- ১. ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়েকে নিয়ে বাংলাদেশের যে ত্রিদেশীয় সিরিজ হয়েছিল কিংবা ২০১৮ আইপিএলে প্রথম ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পান সাকিব। কিন্তু এ বিষয়ে তিনি আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটকে কোনো কিছুই জানাননি। ২. একই ধারার অধীনে অপরাধ : ২০১৮ সালের জানুয়ারীতে ত্রিদেশীয় সিরিজের সময়ই আরো একটি ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন। কিন্তু সে বিষয়েও তিনি আইসিসিকে অবহিত করেননি। ৩. ২০১৮ সালের ২৬ এপ্রিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মধ্যকার ম্যাচেও ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন সাকিব। কিন্তু সে বিষয়েও তিনি আইসিসি কিংবা সংশ্লিষ্ট দুর্নীতি দমন সংস্থাকে কিছুই জানাননি। সাকিবের বিরুদ্ধে আনীত এসব অভিযোগ মেনে নিয়েছেন সাকিব আল হাসান। এমনকি তার বিরুদ্ধে ঘোষণা করা শাস্তিও মেনে নিয়েছেন তিনি। তবে, যে এক বছরের শাস্তি বাতিল করা হলো, সেটা কার্যকর হবে তখন, যদি তিনি আগামী এক বছর সময়ের মধ্যে আইসিসির কোড অব কন্ডাক্ট মোতাবেক আর কোনো অপরাদের সঙ্গে জড়িত না হন। সাকিব আল হাসান বলেন,আমি সত্যিই খুব মর্মাহত। যেই খেলাটাকে এতো ভালোবাসি সেখানে নিষিদ্ধ হলাম। তবে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব আইসিসিতে না জানানোয়, আমি আমার নিষেধাজ্ঞা মেনে নিচ্ছি। আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিট খেলোয়াড়দের দুর্নীতিমুক্ত রাখতে প্রাণপণে লড়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমি আমার অংশটা ঠিকঠাক পালন করতে পারিনি। তিনি আরও বলেছেন,বিশ্বের সব খেলোয়াড়ের মতো আমিও চাই ক্রিকেট খেলাটা যেন দুর্নীতিমুক্ত থাকে। সামনের দিনগুলো আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের সঙ্গে তাদের দুর্নীতিবিরোধী প্রোগ্রামে কাজ করতে আগ্রহী। আমি এটি নিশ্চিত করতে চাই যে, আমার মতো ভুল যেন কোনো তরুণ খেলোয়াড় ভবিষ্যতে না করে। এ বিষয়ে আইসিসির মহাব্যবস্থাপক অ্যালেক্স মার্শাল বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন,সাকিব আল হাসান একজন অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। আইসিসির করা অনেক দুর্নীতি বিরোধী প্রোগ্রামে উপস্থিত ছিলো সে। সকল নিয়মকানুন ভালোই জানা রয়েছে তার। তবুও সে তিনটি প্রস্তাবের কথা গোপন রেখেছে। এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবেই জানানো উচিৎ ছিল। আইসিসির মহাব্যবস্থাপক আরও বলেন,সাকিব তার নিজের ভুলগুলো মেনে নিয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে সম্পূর্ণ সহায়তা করেছে। এমনকি ভবিষ্যতে অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের সঙ্গে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছে। যাতে করে তরুণ খেলোয়াড়রা এ ভুল করতে না পারে। আমি তার এই প্রস্তাবে খুশি।
টেস্টে অধিনায়ক মুমিনুল, টি-টোয়েন্টিতে মাহমুদউল্লাহ
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে আইসিসি। তিনবার ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও না জানানোয় তার বিরুদ্ধে এ শাস্তির ব্যবস্থা নিলো বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। আইসিসির নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারত সফরে খেলতে পারছেন না বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তার পরিবর্তে টেস্ট দলের নেতৃত্ব পেয়েছেন মুমিনুল হক। আর টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব দেবেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ভারত সফরের জন্য টি-টোয়েন্টি দল দেওয়া হয়েছিল আগেই। মঙ্গলবার এসেছে টেস্ট দল। এতে প্রথমবারের মত ডাক পেয়েছেন টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান সাইফ হাসান। ফিরেছেন ইমরুল কায়েস ও আল আমিন। এদিকে শাস্তি মেনে নেওয়া সাকিব ভীষণ অনুতপ্ত। দুঃখ প্রকাশ করেছেন। বিসিবির মিডিয়া লাউঞ্জে সাকিব আল হাসান মঙ্গলবার জানান, যে খেলাকে আমি সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি সে খেলা থেকে নিষেধাজ্ঞা পেয়ে আমি দুঃখিত। আমি আমার দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারিনি। আমি চাই ভবিষ্যতে কেউ যেন আমার মতো ভুল না করে। সাকিব আরো বলেন, আমি আমার কোটি ভক্তের কাছে দুঃখিত। আশা করি, আমি সামনে আরো শক্তিশালিভাবে ফিরতে পারব। আরো ভালোভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারব। নিষেধাজ্ঞার সময়ে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ থাকবেন সাকিব। শাস্তি শেষে তিনি মাঠে ফিরবেন ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী আইনের তিনটি ধারা ভেঙেছেন সাকিব। আর শুনানিতে সব মেনেও নিয়েছেন বাঁহাতি অলরাউন্ডার। যে কারণে তার শাস্তিতে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আইসিসি। জুয়াড়িদের কাছ থেকে আসা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন সাকিব, কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) কিংবা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) বিষয়টি না জানানোয় বড় শাস্তি পেয়েছেন তিনি। আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী ধারা অনুযায়ী, জুয়াড়ির কাছ থেকে অনৈতিক কোনও প্রস্তাব পেলে যত দ্রুত সম্ভব আইসিসি বা সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাতে হয়। এ ব্যাপারে প্রতিটি সিরিজ ও টুর্নামেন্টের আগে ক্রিকেটারদের ক্লাস নেওয়া হয়। এরপরও কেউ জুয়াড়িদের প্রস্তাবের কথা না জানালে গুরুতর অপরাধ হিসেবে সেটা গণ্য হবে। শাস্তিও তাই গুরুতর। আইসিসির এই ধারা ভঙ্গের শাস্তি হতে পারে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা।
এক বছরের জন্য মাঠের বাইরে সাকিব
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতিবিরোধী নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে মঙ্গলবার দুই বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। তবে নিষেধাজ্ঞার একটি বছর আবার স্থগিতও করা হয়েছে। বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট আকসু তিনটি অভিযোগে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে এ শাস্তি দিল। মঙ্গলবার একটি জাতীয় দৈনিকে খবর বেরোনোর পরেই শুরু হয় কানাঘুষা। সারাদেশের মানুষ একসঙ্গে হতবাক হয়ে যায় এমন খবরে। সাকিবের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মুলত ফিক্সিং সম্পর্কিত! না, তিনি ম্যাচ ফিক্সিংয়ের মতো কেলেঙ্কারি কাজ করেননি। তার কাছে এমন কুপ্রস্তাব নিয়ে এসেছিল জুয়াড়িরা। তবে এ প্রস্তাব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। জুয়াড়ির প্রস্তাব অনুযায়ী ম্যাচ না পাতালেও আইসিসির আইন ভঙ্গ করেছেন সাকিব আল হাসান। তাই তাকে শাস্তির আওতায় আনে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বরাবরই কঠোর অবস্থানে থেকেছে আইসিসি। আইসিসির দুর্নীতি দমন নীতিমালার ২.৪.৪ ধারা অনুসারে কেউ যদি আইসিসির দুর্নীতি দমন কোডের অধীন কোনো দুর্নীতিতে জড়ানোর প্রস্তাব পায় অনতিবিলম্বে তার পূর্ণাঙ্গ বিবরণী আইসিসিকে জানাতে হবে। কিন্তু কোনো কারণবশত জানাতে ব্যর্থ হলে এটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ অপরাধের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬ মাস এবং সর্বোচ্চ ৫ বছর নিষেধাজ্ঞা দেয়ার বিধান রেখেছে আইসিসি। ম্যাচ পাতানোতে না জড়ালেও প্রস্তাব পাওয়ার ব্যাপারে আইসিসিকে কিছুই জানাননি সাকিব। আইসিসির ব্ল্যাকলিস্টে থাকা এক জুয়াড়ির কল লিস্ট ধরে তদন্তের সময় এটি ধরে ফেলে আইসিসি দুর্নীতি দমন বিভাগ আকসু। এ ব্যাপারে বিস্তারিত তদন্তের সময় আবার আইসিসিকে সাহায্য করেছিলেন সাকিব। সেখানে আত্মপক্ষ সমর্থনও করেছেন তিনি। তদন্তের মুখে জানিয়েছেন, এই প্রস্তাবকে হালকাভাবে নিয়েছিলেন বলেই আইসিসিকে জানানো হয়ে উঠেনি। তবে নিজের ভুল স্বীকার করেছেন সাকিব। তদন্তে সাহায্য করায় টাইগার অলরাউন্ডারের শাস্তি কিছুটা কম দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। শাস্তি কমানোর আবেদন করলে এ মেয়াদ আরও কিছুটা কমতে পারে বলে জানা যায়। তবে সেটা ৬ মাসের কম হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আপিল করার ব্যাপারে সবধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছেন সাকিব। নিষিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় শুধু সাকিব নন, বড় ধাক্কা পেল জাতীয় দলও।
গণমাধ্যমকে সাকিবের পাশে থাকতে আহ্বান জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রায় দুই বছর আগে এক ক্রিকেট জুয়াড়ির সঙ্গে কথোপকথনের তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠেছে সাকিবের বিরুদ্ধে। এই কারণে ১৮ মাস নিষিদ্ধ হতে পারেন বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। এমনটাই জানিয়েছে একটি জাতীয় দৈনিক। খবর শুনে হতভম্ব বাংলাদেশের ক্রিকেট প্রেমীরা। এরই মধ্যে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সোচ্চার অনেকেই। যোগ হয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমও। নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে তিনি বলেন,আমি প্রত্যাশা করি বাংলাদেশের সকল মিডিয়া এবং বিদেশি গণমাধ্যমে কাজ করেন এরকম সকল বাংলাদেশি সাকিবের পক্ষে শক্ত হয়ে দাঁড়াবেন। শাহরিয়ার আলম বলেন,রাজনীতিবিদদের নিয়ে বিভ্রান্তিকর হেডলাইন করা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। কিন্তু দয়া করে সাকিবের (বা অন্য যে কোনও আন্তর্জাতিক সম্মান বয়ে এনেছে এরকম কোন ক্রীড়াবিদের) সঙ্গে এটা করবেন না। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগের এই নেতা বলেন,স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের সেরা সম্পদের অন্যতম একটির নাম সাকিব আল হাসান, যে আমাদের অনেক কষ্টের মাঝেও আমাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে, আমরা বিশ্বের সেরা সেরা যেসব অলরাউন্ডারদের দেখে বেড়ে উঠেছিলাম তাদের সবার চেয়ে যে সে সেরা তা আমার আপনার বিবেচনায় নয়, বছরের পর বছরের পরিসংখ্যান এবং আইসিসিই তা বলেছে। আর এটাকে অন্য কিছুর সাথে অযথা জড়াবেন না উল্লেখ করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইসিসির নিয়ম আছে, যা বিসিবি দেখবে কিন্তু নাগরিক হিসেবে সাকিবের পাশে সবাইকে দাঁড়াতেই হবে।-আরটিভি অনলাইন

খেলাধূলা পাতার আরো খবর