রবিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৯
রাজনীতিতে কেন? নিজেই বললেন মাশরাফি বিন মোর্তজা
ক্রীড়া ডেস্ক: আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোত্তোর্জার। রাজনীতিতে মাশরাফীর আগমন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন ম্যাশ। যেখানে রাজনীতিতে আসা এবং আওয়ামী লীগে যোগ দেয়ার উদ্দেশ্যগুলো তুলে ধরেন। মাশরাফীর রাজনীতিতে আশা নিয়ে ভক্ত সমর্থকদের মাঝে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এর প্রেক্ষিতে এই স্ট্যাটাস দেন মাশরাফী। এতে তিনি লিখেন, দেশের সামগ্রীক উন্নতির জন্য রাজনীতিতে আশার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছেন তিনি। তাছাড়া ছোট বেলা থেকে দেশের মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা ছিল ম্যাশের। যার বড় মাধ্যম মনে করেছেন রাজনীতিকে। ক্রিকেট মাঠের মতো রাজনীতিতেও দেশের পরিবর্তনে সবাইকে পাশে চেয়েছেন ওয়ানডে অধিনায়ক। পাঠকদের জন্য মাশরাফি বিন মোর্তজার পুরো স্ট্যাটাসটি নিচে তুলে দেয়া হলো- ২০০১, ক্রিকেটের আঙিনায় পথচলা শুরু। আজ ২০১৮। এই প্রায় দেড় যুগে ক্রিকেট যা খেলেছি, জীবন দিয়ে খেলেছি। কখনও আপোস করিনি। আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত আপোস করতেও চাই না। বাকিটা মহান আল্লাহর ইচ্ছা। রাজনীতির তাড়না আমার ভেতরে ছিলই। কারণ, সবসময় বিশ্বাস করেছি, রাজনীতি ছাড়া দেশের উন্নয়ন জোরালোভাবে সম্ভব নয়। ক্রিকেট খেলেছি, আপনাদের ভালোবাসা পেয়েছি। নাহলে হয়তোবা ২০১১ সালেই হারিয়ে যেতাম। এই মাশরাফিই হয়তো এতদিনে থাকতো না। ২০১১ সালে আপনাদের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পেয়েছি, তা আমাকে এই সাত বছর চলতে সহায়তা করেছে। এবার আমার সামনে সুযোগ এসেছে আমার দেশের মানুষের জন্য কিছু করার। বিশ্বকাপের পরের সাড়ে চার বছর আমার জন্য কী অপেক্ষায় আছে, সেটাও জানি না। তাই আমি সময়কে মূল্যায়ন করেছি। সময়ের ডাক শুনেছি। কারণ আমি বিশ্বাস করি, সময়ের কাজ সময়েই করা উচিত। বঙ্গবন্ধুকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি, কিন্তু তার কথা জেনে, উপলব্ধি করেই বেড়ে উঠেছি। পড়াশোনা করে, অনেকের কাছে শুনে যতটুকু জেনেছি, সেসব থেকেই উনাকে হৃদয়ে ধারণ করেছি। অার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পারিবারিকভাবেই অামার অস্থি-মজ্জায়, মননে-মগজে। এখন বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা যে উন্নয়ন কাজ করছেন, তার সারথি হয়ে আমার এলাকার জন্য কিছু করতে চাই। এটা যদি করতে না পারি, তাহলে আমার কাছে মনে হবে, আমার এলাকার প্রতি আমি মোটেও সুবিচার করছি না। বঞ্চিত করছি। ক্রিকেট খেলতে খেলতে সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে যতটুকু সামাজিক কাজ করেছি; আমার মনে হয়েছে, সেটুকুই যথেষ্ট নয়। আরও বড় পরিসরে করার সুযোগ খুঁজেছি সবসময় এবং রাজনীতি আমাকে সেই সুযোগটা করে দিচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা কোনো দলকে আঘাত করার জন্য আমি রাজনীতিতে আসছি না। যে যার আদর্শ নিয়ে সুন্দর জীবন-যাপন করবে, পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধে সহনশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিরাজ করবে, সেটিই আমার চাওয়া। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, আমাদের মতো মানুষ কেন রাজনীতিতে আসবে! সত্যি বলতে, আমি জানি না, আমি কেমন মানুষ। ভালো মানুষ হিসেবে আমার যে পরিচিতি ছড়িয়েছে, সেটাও আমার ভেতর বারবার প্রশ্ন জাগিয়েছে, কেন আমি ভালো মানুষ? দুটি বল করে, আপনাদের কয়েকটি আনন্দের মূহুর্ত উপহার দিয়ে, দু'জনকে জড়িয়ে ধরেই যদি ভালো মানুষ হওয়া যায়, তাহলে স্রেফ এরকম ভালো মানুষ হওয়ার ইচ্ছা আমার কখনোই ছিল না। সত্যিকার অর্থেই আমি কেমন মানুষ, আমার বিশ্বাস, সেটি বিচার করার সময় সামনে। যদি আমি নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারি এবং আমার দল সরকার গঠন করে, তার পর আমার কর্মেই ফুটে উঠবে আমি কতটা ভালো মানুষ। জানি, বলা যত সহজ, কাজ করে দেখানো তার চেয়ে অনেক বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু চ্যালেঞ্জটা নিতে আমি পিছপা হইনি। চাইলেই আমি নিজের সহজাত পরিবেশের ভেতর থাকতে পারতাম। কিন্তু আমি স্বপ্ন দেখি, আমার এলাকার মানুষ সমৃদ্ধির পথে অারেক ধাপ এগিয়ে যাক। অালো ছড়িয়ে পড়ুক নড়াইলবাসীর উপর। অামি চাই সমৃদ্ধ নড়াইল। সেই পথে আমার যত কষ্টই হোক, অামি থাকবো অামার প্রিয় নড়াইলবাসীর পাশে। মনোনয়নপত্র কেনার সপ্তাহখানেক আগে আমার মেয়েকে আমি ব্যাংককের সবচেয়ে বড় হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেই সামর্থ্য আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন। কিন্তু আমি ভেবেছি, ওই মানুষটির কথা, যে আরও অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েও প্রাপ্য চিকিৎসা পাচ্ছে না। আমি ভেবেছি সেই ছেলে-মেয়েদের কথা, যারা প্রতিভাবান হয়েও মফস্বল থেকে উচ্চশিক্ষার দুয়ার পর্যন্ত যেতে পারছে না। ভেবেছি খেটে খাওয়া সেই মানুষদের কথা, যারা দিন-রাত পরিশ্রম করেও প্রাপ্যটুকু অনেক সময় পাচ্ছে না। আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের সব সচেতন, যোগ্য ও ভালো মানুষের রাজনীতিতে আসা উচিত। অনেকেই হয়তো সাহস করে উঠতে পারেননা নানা কারণে, মানসিক সীমাবদ্ধতায়। আমার মনে হয়েছে, মানসিক বাধার সেই দেয়াল ভাঙা জরুরি। তাই ভেতরের তাগিদ পূরণের উদ্যোগটা আমিই নিলাম। ক্রিকেটের মাঠে দেড় যুগ ধরে তিলতিল করে গড়ে ওঠা মাশরাফির অবস্থান হয়তো আজ অনেকের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে রাজনীতির মাঠে নামার কারণে। কিন্তু আমি নিজে সত্যিকার অর্থেই রোমাঞ্চিত নতুন কিছুর সম্ভাবনায়। আমি আশা করি এমন কিছু করতে পারব, যা দেখে ভবিষ্যতে হাজারও মাশরাফি এগিয়ে আসবে ইনশাল্লাহ। আমি আবারও বলছি, কোনো ব্যক্তি বা দলকে আঘাত করার ইচ্ছে আমার নেই। কেবল সময়ের দাবি মেটানোর চেষ্টা করছি মাত্র। আশা করি, আপনাদের ভালোবাসা আমাকে এই ইনিংসেও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আপনাদের সমর্থন ও দোয়ায় সিক্ত হতে চাই।
টেস্ট জয়ের আনন্দটাই আলাদা: সাকিব
ক্রীড়া ডেস্ক: চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে অসাধারণ এক জয়ের পর দলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গেছে টাইগারদের। এই আত্মবিশ্বাস পূঁজি করেই ঢাকায় দ্বিতীয় টেস্টে ক্যারিবিয়ানদের মুখোমুখি হতে চান সাকিব আল হাসান। গতকাল ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমন আশার কথাই শোনালেন অধিনায়ক। সাকিব বললেন, টেস্ট জয়ের আনন্দটাই আলাদা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্ট জিততে পেরে খুব ভাল লাগছে। দ্রুততম সময়ে ৩ হাজার রান ও ২০০ উইকেট পেয়ে যেমন আনন্দিত হয়েছি, তার চেয়েও বেশি আনন্দ পেয়েছি দল জিতেছে বলে। দল যদি না জিততো তাহলে ২০০ উইকেটের আনন্দটা থাকতো না। জিতেছি বলেই অনুভূতিটা অনেক ভাল। পুরো দল ভাল খেলেছে। দল যখন একটা ম্যাচ জেতে তখন দলের সবার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। আশা করি এটা ধরে রাখা যাবে। এই আত্মবিশ্বাস নিয়েই আমরা দ্বিতীয় টেস্ট খেলবো। ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট কোনটা ছিল জানতে চাইলে সাকিব বলেন, টার্নিং পয়েন্ট আসলে অনেকগুলো। ছোট ছোট জিনিসগুলোই আসলে অনেক বড় টার্নিং পয়েন্ট হয়ে যায়। সেটা ওদের ক্ষেত্রেও যেমন, আমাদের বেলায়ও তেমন। ছোট ছোট কিছু পার্টনারশিপ হয়েছে যা আমাদের জয়ে অনেক সাহায্য করেছে। বড় দিক থেকে বলতে গেলে, প্রথম ইনিংসে আমাদের ব্যাটিংটাকেই বলতে হবে। যে রান আমরা করেছি, সেটা বড় এডভান্টেজ ছিল। যদিও আমার ধারণা দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংটা আরেকটু ভালো করতে পারতাম। কিন্তু এধরনের উইকেটে এরকম হতেই পারে। ওই সম্পর্কে আমরা সজাগ ছিলাম। প্রথমে উইকেট দেখার পরেই ধারণা করেছিলাম খেলাটা এমনই হবে, হাই স্কোরিং ম্যাচ হবে না। ঢাকা টেস্টের আগে যে কয়টা দিন সময় আছে নিজের ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে চান সাকিব। বলেন, চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টের আগে আমি মাত্র তিনটা সেশন ব্যাটিং করেছি। দুই মাস পরে এসে কোনো ফিটনেসের কাজ না করে এই সংক্ষিপ্ত ব্যাটিং সেশন ছিল খুবই সামান্য। আমার জন্য খুবই কঠিন কাজ ছিল। তবে আলহামদুলিল্লাহ যে ভালভাবে ম্যাচটা শেষ করতে পেরেছি। আমি নিশ্চিত যে দ্বিতীয় ম্যাচটা আমি আরো বেটার অবস্থায় খেলতে পারব। ওপেনিং ব্যাটসম্যান নিয়ে দুঃশ্চিন্তা আছে কিনা এমন প্রশ্নে সাকিব বলেন, হ্যাঁ, প্রতিদিনই আমাদের ১০ রানে ২ উইকেট চলে যাওয়াটা খুবই দুঃখজনক বিষয়। এটা আমাদের জন্য একটু এলার্মিং। তবে আশা করি দ্বিতীয় টেস্টে তামিম ইকবাল ফিট হয়ে যাবে। তাহলে কিছুটা হলে ওপেনিংয়ে আমাদের ভরসার জায়গা তৈরি হবে। টাইগার স্পিনারদের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে সাকিব বলেন, আমাদের যে ক-জন স্পিনার আছে সবাই কোয়ালিটি স্পিনার। বিশেষ করে উইকেটে যদি হেল্প থাকে। একদমই যদি হেল্প না থাকে তাহলে হয়তো আমাদের বোলারদের অতটা কার্যকরী মনে হবে না। হেল্প পেলে তারা অনেক ভাল করবে। তবে একটা জিনিস মনে হয়, আমাদের ওভারঅল উন্নতি করতে হবে। সেটা হচ্ছে গেম সেন্সটা থাকা উচিত। কোন সিচুয়েশনে কি করতে হবে। অভিষেক ম্যাচে নাঈমকে কেমন দেখলেন জানতে চাইলে অধিনায়ক বলেন, অভিষেক ম্যাচ হিসেবে প্রথম ম্যাচে নাঈম অসাধারণ বল করেছে। আজকে থেকে গতকাল উইকেটে হেল্প কম ছিল। ওই অবস্থাতেই সে ৫ উইকেট পেয়েছে। আমি মনে করি ওর উজ্জ্বল ভবিষ্যত আছে। তবে ওকে টেস্টে আরো কিছু বিষয় শিখতে হতে পারে। তবে একটা বিষয় বলবো যে নাঈম খুবই সাহসী ক্রিকেটার।
ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরি তুলে নিলেন মুমিনুল হক
অনলাইন ডেস্ক: ক্যারিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরি তুলে নিলেন মুমিনুল হক। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের আর একজনেরই আটটি সেঞ্চুরি রয়েছে। তিনি তামিম ইকবাল। চোটের কারণে তিনি জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও নেই। আর মুমিনুল এই সুযোগটাই কাজে লাগিয়ে তামিমকে ছুঁয়ে ফেললেন। এ প্রতিবেদন লেখার সময় বাংলাদেশ ৩ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে তুলেছে ২০২ রান। মুমিনুল ১১০ ও সাকিব ২০ রান নিয়ে ব্যাট করছেন। মুমিনুল সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন অনেকটাই ওয়ানডে মেজাজে। ১৩৫ বল নিয়েছেন সেঞ্চুরি করতে। সবমিলিয়ে বাউন্ডারি মেরেছেন ১০টি, ছয় একটি। এদিন চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশ প্রথম ওভারেই হারিয়েছে সৌম্য সরকারের উইকেট। কেমার রোচের তৃতীয় বলটি সৌম্যর ব্যাট ছুঁয়ে জমা পড়ল উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে। ১ রানে নেই প্রথম উইকেট। জিম্বাবুয়ে সিরিজে লিটন দাসের সঙ্গে ওপেনিং করেছিলেন ইমরুল কায়েস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লিটনকে বাদ দিয়ে সেই জায়গায় নিয়ে আসা হলো সৌম্যকে। কিন্তু ফল বদলাল না। শুরুতেই আউট হয়ে গেলেন সৌম্য। তাঁর বিদায়ের পর বাংলাদেশকে কক্ষপথে রেখেছিলেন মুমিনুল হক ও ইমরুল কায়েস। কিন্তু মধ্যাহ্ন বিরতির ঠিক আগের বলে ইমরুল জোমেলো ওয়ারিকানের বলে সুনীল অ্যামব্রিসকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন। তখস বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ১০৫। ইমরুল আউট হয়েছেন ৪৪ রান করে। মুমিনুল-ইমরুল মিলে গড়েছিলেন ১০৪ রানের জুটি। শুরু থেকেই দুর্দান্ত খেলছেন মুমিনুল। ঢাকা টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ১৬১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে রান পাননি। উইন্ডিজের বিপক্ষে সেটি যেন পুষিয়ে দিতেই নেমেছেন। এখন অবধি উইকেটের চারপাশে খেলেছেন মুমিনুল নিখুঁতভাবে। তবে ৪০ রানের ইনিংসে একবার জীবন পাওয়া ইমরুল কাজে লাগাতে পারলেন না। অ্যামব্রিসকে শট লেগে যে ক্যাচটি দিয়েছেন সেটি দৃষ্টিকটু ঠেকেছে। এই ম্যাচ দিয়ে টেস্ট অভিষেক হয়েছে নাঈম হাসানের। তাঁকে টেস্ট ক্যাপ পরিয়ে দিয়েছেন মুশফিকুর রহীম। বাদ পড়েছেন লিটন দাস ও খালেদ আহমেদ। আরিফুল হকের জায়গায় দলে ঢুকেছেন নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
ফের শূন্য রানে ফিরলেন সৌম্য
ক্রীড়া ডেস্ক: খেলা শুরুর মাত্র তৃতীয় বলেই ফিরলেন সৌম্য সরকার। রানের খাতা খোলার আগেই ক্রেমার রোচের বলে ডোরিচের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে টস জয় দিয়ে শুরু করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ টেস্ট দলের নিয়মিত অধিনায়ক সাকিব আল হাসান টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। চলতি বছরের জুলাইয়ে ওয়েস্ট উইন্ডিজ সফরের দুঃস্বপ্নের রেশ এখনও কিছুটা পাওয়া যায়। স্টিভ রোডসের কোচের দায়িত্ব নেয়ার পর সে প্রথম সফরে ভয়ঙ্কর বাজে পারফরম্যান্স ছিল বাংলাদেশের। মাত্র ৪৩ রানে গুটিয়ে যাওয়ার লজ্জা নিয়ে শুরু হয় সিরিজ। পুরো সিরিজেই তেমন ভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি টাইগাররা। হতে হয় হোয়াইটওয়াশ। এবার ঘরের মাঠে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ উইন্ডজ। এবারও দুই ম্যাচের সিরিজ। আর রোডসও নিজের দক্ষতা ও শিক্ষার প্রভাব ভালোভাবেই ফেলেছেন দলের উপর। নিজেদের সর্ব শক্তি নিয়েই লম্বা সিরিজের প্রথম টেস্টে আজ বহস্পতিবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে উইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। ৯৩তম বাংলাদেশি টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে এই ম্যাচে অভিষেক হতে যাচ্ছে নাঈম হাসানের। অধিনায়ক সাকিবের পাশাপাশি দীর্ঘদিন পর টেস্টে ফিরেছেন সৌম্য সরকার। ক্রিজে আছেন ইমরুল কায়েস (১৫) ও মুমিনুল হক(২৫)। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত টাইগারদের সংগ্রহ ১০ ওভারে ১ উইকেট ৪৩ রান। বাংলাদেশ একাদশ: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মাহমুদউল্লাহ, মুশফিকুর রহিম, মোহাম্মদ মিঠুন, মেহেদি হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান এবং নাঈম হাসান। উইন্ডিজ একাদশ: ক্রেইগ ব্রাথওয়েইট (অধিনায়ক), কিয়েরন পাওয়েল, শাই হোপ, শিমরন হেটমেয়ার, সুনীল অ্যামব্রিস, রোস্টন চেজ, শেন ডরউইচ, দেবেন্দ্র বিশু, কেমার রোচ, জোমেল ওয়ারিকান এবং শ্যানন গ্যাব্রিয়েল।
প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ দলের স্কোয়াড
ক্রীড়া ডেস্ক: আগামী বৃহস্পতিবার থেকে চট্টগ্রামে প্রথম টেস্ট দিয়ে শুরু হচ্ছে ঘরের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে টাইগারদের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ। মূল লড়াইয়ের আগে চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে সফরকারীদের বিপক্ষে দুইদিনের (১৮ ও ১৯ নভেম্বর) প্রস্তুতি ম্যাচ শেষ হয়েছে ড্রয়ের মাধ্যমে। এরই মধ্যে সাকিব আল হাসানকে অধিনায়ক করে প্রথম টেস্টেরর জন্য বাংলাদেশ দলের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। বিসিবি: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, মোহাম্মদ মিঠুন, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, আরিফুল হক, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান, তাইজুল ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, নাঈম হাসান ও সাদমান ইসলাম।
কী করবেন রুনি? খেলোয়াড়ি জীবন শেষে
ক্রীড়া ডেস্ক: আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে গুডবাই বলে দিয়েছেন বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার ওয়েনি রুনি। অবশ্য তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছিলেন ২০১৭ সালে। কিন্তু গত ১৫ নভেম্বর ওয়েনি রুনিকে বিশেষভাবে সম্মান জানিয়ে বিদায়ী সংবর্ধনা দেয় ইংল্যান্ড। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে এক প্রীতি ম্যাচ খেলার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসরে যান রুনি। এই ম্যাচে ইংল্যান্ড জয় পায় ৩-০ গোলে। কিন্তু রুনি গোল করতে পারেননি। এই ম্যাচে গোল করতে না পারলে কী হবে? রুনি তো ইংল্যান্ডের ফুটবল ইতিহাসে সর্বকালের সেরা গোলদাতা। ইংল্যান্ডের এই সাবেক অধিনায়ক ১২০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ৫৩টি গোল করেছেন। সাবেক এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড আউটফিল্ড প্লেয়ার হিসাবে ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ম্যাচ খেলেছেন। আর সবমিলিয়ে দ্বিতীয়। ইংল্যান্ডের হয়ে যিনি সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন তিনি হচ্ছেন পিটার শিলটন। তবে তিনি ছিলেন গোলরক্ষক। ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে ১২৫টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। গোল করার দিক থেকে ওয়েনি রুনির পরে আছেন ববি চার্লটন। ১০৬ ম্যাচ খেলে তিনি করেন ৪৯ গোল। ৪৮ গোল করে গ্যারি লিনেকার আছেন চতুর্থ অবস্থানে। রুনি শুধু ইংল্যান্ডেরই সর্বকালের সেরা গোলদাতা নন। তিনি ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডেরও সর্বকালের সেরা গোলদাতা। এই ক্লাবের হয়ে তিনি গোল করেছেন ২৫৩টি। এখানেও রুনির নিচে আছেন ববি চার্লটন। তার গোল সংখ্যা ২৪৯। ২৩৭ গোল করে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ডেনিস ল। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ঝলমলে ক্যারিয়ার রুনির। মাইকেল ক্যারিকের পাশাপাশি রুনি একমাত্র ইংলিশ ফুটবলার হিসাবে প্রিমিয়ার লিগ, এফএ কাপ, উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, লিগ কাপ, উয়েফা ইউরোপা লিগ ও ফিফা ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ জিতেছেন। ২০০৯-১০ মৌসুমে পিএফএ প্লেয়ার্স প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার ও এফডব্লিউএ ফুটবরার অব দ্য ইয়ার নির্বাচিত হয়েছিলেন। ওয়েনি রুনির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে তিনি খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন। খেলছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ডিসি ইউনাইটেডের হয়ে। রুনি পুরোপুরিভাবে যখন বুট জোড়া তুলে রাখবেন তখন কী করবেন? কোচিংয়ে যুক্ত হবেন না টিভি পন্ডিত হিসাবে কাজ করবেন? তবে রুনি জানিয়ে রেখেছেন, তিনি পুরোপুরিভাবে খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করার পর ক্যারিয়ার হিসাবে কোচিংকেই বেছে নিবেন। রুনি বলেছেন, হ্যাঁ, কোচিংয়ের প্রতিই আমার ঝোঁক আছে। অবসরের পর কোচ হিসাবেই ক্যারিয়ার শুরু করতে চায়। আমি এখন যুক্তরাষ্ট্রে খেলছি। অবশ্যই আমাকে খেলোয়াড়ি জীবন শেষ করতে হবে। আশা করি, আমি ইংল্যান্ডে ফিরে আসার আগে তাদের (ডিসি ইউনাইটেড) পরিপূর্ণ করতে পারব। সেই সাথে আমি নিজেকে এমন একটা অবস্থানে নিয়ে যেতে পারব যেখানে প্রস্তাব পেলে আমি গ্রহণ করতে পারব অথবা না করে দিতে পারব। টিভি পন্ডিত হিসাবে কাজ করার সম্ভাবনার কথাও একেবারে উড়িয়ে দেননি ৩৩ বছর বয়সী রুনি। তিনি বলেছেন,যদি কোচিংয়ে ক্যারিয়ার গড়তে না পারি তাহলে অবশ্য টেলিভিশনে কাজ করার সুযোগ থাকবে। কিন্তু আমার প্রথম পছন্দ কোচিং অথবা ম্যানেজমেন্ট। একেবারে ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের সঙ্গে জড়িত ওয়েনি রুনি। তার বয়স যখন মাত্র ৯ বছর তখন তিনি ইংলিশ ক্লাব এভারটনের ইয়ুথ টিমে যোগ দেন। ২০০২ সালে তার এভারটন সিনিয়র টিমে অভিষেক হয়। ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল তার। এই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেছিল ইংল্যান্ড। রুনির যেদিন ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে অভিষেক হয়েছিল তখন তিনি ছিলেন সবচেয়ে কম বয়সে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হওয়া ইংলিশ ফুটবলার। কিন্তু পরবর্তীতে এই রেকর্ড ভেঙেছে। রুনিকে টপকে এই রেকর্ড এখন থিও ওয়ালকটের দখলে। রুনি আছেন দ্বিতীয় অবস্থানে। ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে কম বয়সে গোল করার রেকর্ড এখনো ওয়েনি রুনির দখলে। ১৭ বছর ৩১৭ দিন বয়সে গোল করে এই রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন মাইকেল ওয়েন। তিনি গোল করেছিলেন ১৮ বছর ১৬৪ দিন বয়সে। ১৮ বছর ২০৯ দিন বয়সে গোল করে তৃতীয় অবস্থানে আছেন মার্কাশ রাশফোর্ড। ইংল্যান্ডের হয়ে ওয়েনি রুনির ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ভালো। আবার ক্লাব ফুটবলেও তিনি আলো ছড়িয়েছেন। ক্লাবের হয়ে তিনি অনেক শিরোপা জিতেছেন। তবে ইংল্যান্ডকে বড় কোনো শিরোপা জেতাতে পারেননি তিনি। তার সময় বড় কোনো ইভেন্টে সর্বোচ্চ কোয়ার্টার ফাইনালের উপরে খেলতে পারেন ইংল্যান্ড। তার সময়ে সর্বশেষ ২০১২ সালে ইউরো কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছিল ইংলিশরা। এ বিষয়ে ওয়েনি রুনি বলেছেন, ইংল্যান্ডের হয়ে আমি যখন খেলেছি তখন সব উজাড় করে দিয়েছি। দলের সফলতার জন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। কিন্তু কখনো কখনো সর্বোচ্চটুকু দেয়াও যথেষ্ট নয়।
বিমান দুর্ঘটনা থেকে অল্পের জন্য বেঁচে গেলো নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেট দল
ক্রীড়া ডেস্ক: ভাগ্যক্রমেই বিমান দুর্ঘটনা থেকে অল্পের জন্য বেঁচে গেছে নিউজিল্যান্ডের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট দল। স্থানীয় জনপ্রিয় সংবাদপত্র নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড জানায়, ক্রাইস্টচার্চের হাগলি ওভালে ক্যান্টাবুরি ক্রিকেট ক্লাবকে ৪ উইকেটে হারিয়ে অকল্যান্ড এসেসের বিপক্ষে খেলতে যাওয়ার পথে বজ্রপাতের শিকার হয় ওটাগো ভোল্টসের খেলোয়াড় বহনকারী বিমানটি। এসময় বেশ কয়েকবার কেঁপে উঠে বিমান। তবে ভাগ্য গুনেই কোনো ক্ষতি হয়নি বিমানের। বিমানে থাকা দলটির অধিনায়ক, এই ঘটনাকে জীবনের সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতা বলে জানিয়েছেন। বলেন, আমাদের এই ফ্লাইটটা রোমহর্ষক ছিলো। ডানেডিন আসা পর্যন্ত খুব একটা স্বস্তি ছিল না আমাদের। আমার জীবনের সবচেয়ে বাজে ও ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। এয়ার নিউজিল্যান্ডের মুখপাত্র হ্যানাহ সেয়ার্ল অবশ্য এটিকে স্বাভাবিক ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, ‘বিমানে বজ্রপাতের আঘাত নতুন কিছু নয়। এসবের কথা মাথায় রেখেই এয়ারক্রাফটগুলো প্রস্তুত করা হয়। এর আগে ব্রাজিলের ফুটবল ক্লাব শাপেকোয়েন্সের সেই দুঃসহ স্মৃতি থেকে এখনও বের হতে পারেনি ক্রীড়া প্রেমিরা। ২০১৬ সালের ২৯শে নভেম্বরে ভয়াবহ এক বিমান দুর্ঘটনায় ব্রাজিলের এই ক্লাবের ১৯ খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাসহ ৭১ জন নিহত হন। সেই শোকে হয়তো আরও নাম যুক্ত হয়ে যেত। কিন্তু ভাগ্যক্রমেই বেঁচে গেছে নিউজিল্যান্ডের এই ক্রিকেট দলটি।
ভিডিও গেম খেলাকে হারাম বললেন ইরাকি আলেমরা
অনলাইন ডেস্ক: একটি জনপ্রিয় ভিডিও গেমকে উদ্দেশ্য করে বিষয়টিকে হারাম ঘোষণা করে আনুষ্ঠানিক ফতোয়া জারি করেছে ইরাকের কুর্দিস্তান কেন্দ্রিয় শরিয়াহ কাউন্সিল। ভিডিওগেম খেললে সময় নষ্ট হয়, আর সময় নষ্ট করা ইসলামে হারাম- এমন যুক্তিতে তারা ভিডিও গেম খেলার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। খবর আলবাওয়াবার। কুর্দিস্তান শরিয়াহ কাউন্সিলের ইমাম ইরফান রাশিদ বলেন, মোবাইল ফোনে এভাবে ভিডিও গেম খেললে চোখের ক্ষতি হয়। এটি শরীরেরও ক্ষতি করে। কিন্তু আমাদের নবী হযরত মোহাম্মদ (স.) বলেছেন শরীরের কিছু হক আছে। আমাদেরকে তা আদায় করতে হবে। আমাদের অবশ্যই শরীরের যত্ন নিতে হবে। তবে কুর্দিস্তানের অনেক উদার আলেম এ ফতোয়ার সঙ্গে একমত নন। কুর্দি ইমাম মালা সামান সাঙ্গাউয়ি বলেন,শুধু এই ভিডিওগেমের ওপর ফতোয়া দেয়া বাকি ছিল। এখন এটিকেও হারাম ঘোষণা করা হলো। অনেক বিষয়কে হারাম ঘোষণা করায় এদেশের তরুণরা বিভ্রান্ত হচ্ছে। বলা হলো ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি রাখা হারাম। দাঁড়ি ও চুলের স্টাইল করা হারাম। তরুণদেরকে তাদের নিজেদের মতো চলতে দিন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের দাপট প্রস্তুতি ম্যাচে
ক্রীড়া ডেস্ক: দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে আর তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশ সফরে এসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টেস্ট ম্যাচের মধ্যদিয়ে শুরু হবে তাদের সিরিজ। আগামী ২২ নভেম্বর চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে। তার আগে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে দুই দিনের একটি প্রস্তুতি ম্যাচে নেমেছিল ক্যারিবীয়ানরা। চট্টগ্রামের এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা সফরকারীরা দিন শেষে ৮৬.৩ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ৩০৩ রান। দলীয় ১১ রানের মাথায় শফিউল ইসলাম বোল্ড করেন দলপতি ক্রেইগ ব্রাথওয়েইটকে (৬)। আরেক ওপেনার কাইরন পাওয়েল ১৪২ বলে ৬টি চার আর একটি ছক্কায় ৭২ রান করে ফজলে মাহমুদের বলে উইকেটের পেছনে থাকা জাকির হাসানের গ্লাভসবন্দি হন। তিন নম্বরে নামা শাই হোপ ১১২ বলে ১০টি চার আর তিনটি ছক্কায় ৮৮ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন। সুনীল অ্যামব্রিস ১৭ রান করে তরুণ নাঈম হাসানের বলে বোল্ড হন। রোস্টন চেজকে (৩৫) বিদায় করেন রুবেল হোসেন। ২৪ রান করা শিমরন হেটমেয়ারকে ফেরান নাঈম হাসান। ব্যক্তিগত ২৪ রান করে সৌম্য সরকারের বলে জাকির হাসানের তালুবন্দি হন শেন ডরউইচ। রেমন রিফার ১৪ এবং কেমো পল ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের হয়ে নাঈম হাসান দুটি উইকেট পান। একটি করে উইকেট পান শফিউল, রুবেল, ফজলে মাহমুদ এবং সৌম্য সরকার। বিসিবি একাদশের অধিনায়ক টাইগার পেসার রুবেল হোসেন। এছাড়া, দলে আছেন সৌম্য সরকার, জাকির হাসান, মিজানুর রহমান, ফজলে মাহমুদ, এবাদত হোসেন, রিশাদ হোসেন, নাজমুল হোসেন শান্ত, নাঈম হাসান, রবিউল হক এবং শফিউল ইসলাম।