রবিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৯
পার্থ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩২৬ রান অলআউট অস্ট্রেলিয়া
ক্রীড়া ডেস্ক: ভারতের বিপক্ষে পার্থ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩২৬ রান অলআউট হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭০ এসেছে রান এসেছে মার্কাস হ্যারিসের ব্যাট থেকে। ২০.৩ ওভার বল করে ৪১ রানের বিনিময়ে চার উইকেট পেয়েছে ভারতের পেসার ইশান্ত শর্মা। শুক্রবার সকালে টস জিতে ব্যাটিং নিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দিনের ৯০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৭৭ রান তুলেছে স্বাগতিকরা। টিম পেইন ১৬ ও প্যাট কামিন্স ১১ রানে অপরাজিত ছিলেন। আজ দিনের শুরুতেই ব্যক্তিগত ৩৮ রান করে বুমরার বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরে পেইন। এর পরের ওভারের প্রথম বলেই উমেশ যাদবের বলে বোল্ড হন প্যাট কামিন্স। লায়ন ৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। দ্বিতীয় দিনে ১৮.৩ ওভার খেলে ৪ উইকেট হারিয়ে আর মাত্র ৪৯ রান যোগ করতে পেরেছে অস্ট্রেলিয়ার লেজের সারির ব্যাটসম্যানরা।
৮ উইকেটে জিতে জয়ের উৎসবে টাইগাররা
ক্রীড়া ডেস্ক: সিলেট স্টেডিয়ামে ওয়ানডে ম্যাচে উইন্ডিজকে গুঁড়িয়ে দিয়ে জয়ের উৎসবে মেতেছে টাইগাররাসহ দেশবাসী। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৮ উইকেটে জিতে ২-১ ব্যবধানে ওয়ানডে ট্রফি নিজেদের করে নিল মাশরাফি বিন মুর্তজার নেতৃত্বাধীন ক্রিকেট দল। এর আগে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ করে সাকিব আল হাসানের বাহিনী। আগামী সোমবার সিলেটের এই ভেুন্যতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হবে। শুক্রবার শেষ বিকেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বেশ ভালো শুরু করেন দুই বাংলাদেশ ওপেনার। তামিম-লিটন জুটি ৪৫ রান করার পর ক্যাচ দিয়ে ফেরেন লিটন দাস। পরে তামিম-সৌম্য গড়েন ১৩১ রানের বড় জুটি। দুরন্ত সব শট খেলা সৌম্য ফেরেন ৮০ রান করে। কেমো পলের বলে বোল্ড হওয়ার আগে তার ৮১ বলের ইনিংসে পাঁচ চার ও পাঁচটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন। এরপর শেষ তুলির আঁচড় দিয়ে ফেরেন তামিম-মুশফিক। দারুণ সাবধানী তামিম ৮১ রানে অপরাজিত থাকেন। সৌম্যর সঙ্গেই পাল্লা দিয়ে রান তুলছিলেন মধ্যে। কিন্তু শট খেলা সৌম্যকে রান তোলার সুযোগ দিয়ে ধীরে খেলেন তিনি। তার ইনিংস ছিল নয়টি চারে সাজানো। শেষ দিকে মুশফিক দুই চার ও এক ছয়ে ১৬ রানে অপরাজিত থাকেন। এর আগে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৯৮ রান। সফরকারীদের হয়ে হার না-মানা ১০৮ রানের ইনিংস খেলেন শাই হোপ। এর আগের ম্যাচেও সেঞ্চুরি করেন তিনি। তবে অন্য ব্যাটসম্যানরা ভালো করতে না পারায় রান বড় হয়নি তাদের। বাংলাদেশ বোলাররা অবশ্য শুরু থেকেই তাদের দারুণ চাপে রাখে। মেহেদি মিরাজ দলের হয়ে নেন ৪ উইকেট। এছাড়া মাশরাফি নেন ২ উইকেট। সাকিব আল হাসান নেন দুটি উইকেট। রুবেলের বদলে দলে আসা সাইফউদ্দিন নেন একটি উইকেট। দারুণ দুই সেঞ্চুরি করায় সিরিজ সেরা হন শাই হোপ। ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করে ম্যাচ সেরা মেহেদি মিরাজ।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক মাশরাফি!
ক্রীড়া ডেস্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক কে? চোখ বুঝে নিশ্চয় আপনিও বলতে পারবেন তার নাম। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন। সবার প্রিয় অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। শুধু জনপ্রিয়তার দিক থেকেই নয়। পারফরমেন্সের গুণেও তিনি সবার ওপরে। সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাসার সুমনের সমান ৬৯ ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ দলকে জিতিয়েছেন রেকর্ড ৩৯টি ম্যাচে। যা অধিনায়ক হিসেবে এত ম্যাচ জয়ের রেকর্ড নেই অন্য কারও। ১০ জুলাই ২০১০ ইংল্যান্ডের দম্ভ চূর্ণ করে লাল সবুজের বাংলাদেশ ক্রিকেট। ব্রিস্টলে ঐতিহাসিক ঐদিনে বাংলাদেশ সব টেস্ট খেলুড়ে দলকে হারানোর কোঠা পূরণ করে। যার নেতৃত্বে ছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। দলকে স্বপ্নীল জয় এনে দেওয়া মাশরাফি/ ব্যাট বলের অসামান্য অবদানে হয়েছিলেন ম্যাচ সেরা। ২০০৯ সালেই অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। কিন্তু, ইনজুরির কারণে ছিটকে যেতে হয়েছে মাঠের বাইরে। এরপর ফিরলেন আবারো পড়লেন ইনজুরিতে। পরে অনেকটা ফিট হয়ে উঠেছিলেন। বুক ভরা স্বপ্ন দেখেছিলেন। ঘরের মাঠে ২০১১ বিশ্বকাপ খেলবেন। কিন্তু, অদৃশ্য এক কারণে খেলা হয়নি। তখনই ম্যাশের শেষ দেখেছিলেন অনেকেই। কিন্তু জীবন যুদ্ধে পরাজিত হননি নড়াইল এক্সপ্রেস। পুনরায় ২০১৪ সালে পেলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়কের দায়িত্ব তিনি। এরপর থেকেই দুরন্ত দুর্বার গতিতে ছুঁটে চলছে নড়াইল এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন। জং পড়েনি কখনো। বরং, অবীরাম লাল সবুজের কেতন উড়িয়েছেন ক্রিকেট বিশ্বের মানচিত্রে। মাশরাফী মানুষটি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অন্তপ্রাণ। অনুজদের শাসন বারনে আপসহীন। ঠিক তেমনি /ভালোবেসে বুকে নিয়ে সাহস জুগিয়েছেন বারবার। তার নেতৃত্ব গুনেই বাংলাদেশ এখন বিশ্ব ক্রিকেটে ওয়ানডেতে পরাশক্তি দল। এই তো ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাসারকে পেছনে ফেলেছেন ম্যাশ। বাংলাদেশের ওয়ানডে ক্রিকেটে ৩৫৪ ম্যাচের এর মধ্যে ১৩জন অধিনায়ক টাইগারদের নেতৃত্বে দিয়েছেন। যাদের মধ্যে মাশরাফি সবার ওপরে। বাসারের সমান ৬৯ ম্যাচ খেলে সবচেয়ে বেশি ৩৯টি ম্যাচ জয়ের রেকর্ড ম্যাশের। সাকিব, আশরাফু মুশফিকরা আছেন পেছনে। আর বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েও একটি জয় দলকে এনে দিতে পারেননি এমন অধিনায়ক আছেন পাঁচজন। পরিসংখ্যানে স্পটই নেতৃত্বগুণে মাশরাফি এখন পর্যন্ত সর্বকালের সেরা অধিনায়ক। বিশ্বকাপ পর্যন্ত খেলবেন ম্যাশ। তার নেতৃত্বে গুণে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সবারই শুভ কামনা থাকছে বিশ্ব ক্রিকেট বাংলাদেশ পৌঁছাবে দূর বহু দূরে।
বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ সমতায় উইন্ডিজ
ক্রীড়া ডেস্ক: প্রথম ওয়ানডে জিতে এগিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওয়ানডে জিতলেই তিন ম্যাচের সিরিজ উঠে যেত টাইগারদের ঘরে। কিন্তু শাই হোপের ব্যাটে আশার বেলুন চুপসে গেল মাশরাফিদের। দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সমতায় ফেরালেন এই ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান। ফলে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচ পরিছত হলো অঘোষিত ফাইনালে। স্বাগতিক বাংলাদেশের ছুঁরে দেয়া ২৫৬ রানের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে উইন্ডিজ। নিজের প্রথম স্পেলে প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই চন্দ্রপল হেমরাজকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এরপর প্রতিরোধ গড়েন শাই হোপ এবং ড্যারেন ব্রাভো। তাদের প্রতিরোধ ভাঙেন রুবেল হোসন। ৪৩ বলে এক চার, এক ছক্কায় ২৭ রান করা ব্রাভো সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরে ফেরৎ পাঠান রুবেল। ৭০ রানে ২ উইকেট হারানো ক্যারিবীয়দের ইনিংস নতুন করে গোছাতে চেষ্টা করে শাই হোপ আর মারলন স্যামুয়েলস। প্রথম ওয়ানডেতে ৭ রানের জন্য হাফসেঞ্চুরি মিস করলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ভুল করেননি শাই হোপ। ক্যারিয়ারের ৮ম অর্ধ শতক তুলে নেন এই ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যান। স্যামুয়েলসের হোপের ৬২ রানের জুটির ভেঙে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। মুশফিকের হাতে ধরা পড়ে বিদায় নেয়ার আগে ২৭ রান করেন স্যামুয়েলস। পরের ওভারেই আরও একটি উইকেট পেতে পারত বাংলাদেশ। কিন্তু রুবেল হোসেনের করা ৩০তম ওভারের ৫ম বলটি হেটমায়ারের ব্যাটে লেগে উপরে উঠে গেলেও তালুবন্দি করতে পারেননি ইমরুল কায়েস। উল্টো আহত হয়ে মাঠ ছাড়েন এই ওপেনার। তবে হেটমায়ারকে বেশি দুর এগোতে দেননি মোস্তাফিজুর রহমান। ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার মুহুর্তেই এই উইন্ডিজ ব্যাটসম্যান শিকার করেন বাংলাদেশের কাটার মাস্টার। বদলি খেলোয়াড় নাজমুল ইসলামের তালুবন্দি হওয়ার আগে ১০ বলে ১৪ রান করেন তিনি। পরের ওভারে বল হাতে আক্রমণে আসেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। ক্যারিবীয় দলপতি রোভম্যান পাওয়েলকে সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন নড়াইল এক্সপ্রেস। এরপর আবার আঘাতা হানেন মোস্তাফিজ। এবার ফিজের শিকার হন রোস্টন চেজ। তামিমের হাতে ধরার পড়ার আগে ৯ রান করেন এই ক্যারিবীয় পেসার। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে উইন্ডিজকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন শাই হোপ। দলের বিপর্যয়ে একাই লড়াই চালিয়ে যান তিনি। শুধু তাই নয়, ওয়ানডে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ক্যারিবীয় এই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত ১৪৬ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে তবেই মাঠ ছাড়লেন শাই হোপ। বাংলাদেশ হারল ৪ উইকেটে। সিরিজে সমতা ফেরাল উইন্ডিজ। এর আগে নিজেদের শততম ওয়ানডে খেলতে নামেন মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহীম এবং মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মাইলফলকের ম্যাচে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠেন সাকিব, মুশফিক এবং তামিম ইকবাল। তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি। তাদের হাফ সেঞ্চুরিতে ভর করে ৭ উইকেটে ২৫৫ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ দল। সাকিব ৬২ বলে সর্বোচ্চ ৬৫, তামিম ৬৩ বলে ৫০ এবং মুশফিক করেন ৮০ বলে ৬২ রান। উইন্ডিজের পক্ষে ওশানে থমাস সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া রোভম্যান পাওয়েল, কেমার রোচ, দেবেন্দ্র বীশু ও কেমো পল একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
ইন্ডিজকে ২৫৬ রানের লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ
ক্রীড়া ডেস্ক: প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হেসেখেলেই হারিয়েছে বাংলাদেশ। তাই সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা। আজ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিতলেই নিশ্চিত হয়ে যাবে সিরিজ। এমন সমীকরণের ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা খুব একটা ভালো না হলেও তৃতীয় ও পঞ্চম উইকেট জুটির দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত ২৫৫রান গড়ে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে ম্যাচে প্রথম ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে পায়ে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েছিলেন লিটন দাস। পরে দলীয় ১৪ রানে ইমরুল কায়েস ছয় বল খেলে নিজের ঝুলিতে কোনো রান না নিয়েই সাজঘরে ফিরলে শুরুতেই ধাক্কা লাগে বাংলাদেশের ইনিংসে। অবশ্য শুরুর এই ধাক্কা সামলান মুশফিকুর রহিম ও তামিম ইকবাল। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ১১১ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথ দেখান। পরে তামিম ৬৩ বলে ৫০ ও মুশফিক ৮০ বলে ৬২ রান করে আউট হন। পরে মাহমুদউল্লাহ ও সাকিব আল হাসান পঞ্চম উইকেটে ৬১ রান করলে আশা দেখে বাংলাদেশ। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ ৩০ রান করে করে সাজঘরে ফেরার পর সৌম্য সরকার (৬) নেমে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। পরে চোটে আক্রান্ত লিটন দাস আবার নেমে ৮ রান করে আউট হন। আর সাকিব ৬২ বলে ৬৫ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেললে দলের সংগ্রহটা বড় হয়। ম্যাচের বাংলাদেশ একাদশে কোনো পরিবর্তন আসেনি। সিরিজের প্রথম ওয়ানডের সব খেলোয়াড়ই দলে রয়েছেন। তবে এই ম্যাচটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের পঞ্চপাণ্ডবের জন্য দারুণ এক কীর্তির ম্যাচ। একসঙ্গে ‘সেঞ্চুরি’ করেছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ। জাতীয় দলের সঙ্গে একসঙ্গে শততম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ খেলতে নেমেছেন তাঁরা। এই পাঁচ খেলোয়াড় এর আগে একসঙ্গে ৬৯টি ওয়ানডে, ২৯টি টি-টোয়েন্টি ও একটি টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন। এর মধ্যে ৪৭টিতেই জিতেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচটির পর বাংলাদেশ দল চলে যাবে সিলেটে। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে হবে ১৪ ডিসেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে। এ ছাড়া তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হবে যথাক্রমে ১৭, ২০ ও ২২ ডিসেম্বর। প্রথম টি-টোয়েন্টি সিলেটে, বাকি দুটি হবে ঢাকায়।
সিরিজ নিশ্চিত করতে আজ মাঠে নামছে টাইগাররা
ক্রীড়া ডেস্ক: ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের পর ওয়ানডেতেও দাপুটে শুরু করলো বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ব্যাটে-বলে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে ৫ উইকেটের জয় পায় মাশরাফিবাহিনী। আর সিরিজ নিশ্চিত করতে আজ দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামছে টাইগাররা। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) শেই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টায়। এদিকে চলতি বছরে টানা তিনটি ওয়ানডে সিরিজ জয়ের হ্তছানি মাশরাফিদের সামনে। দ্বিতীয় ম্যাচটি নিজেদের করে নিতে পারলেই দারুণ গন্তব্যটি ছুঁয়ে ফেলবে লাল-সবুজের অপ্রতিরোধ্য দলটি। স্টিভস রোডস শিষ্যরা বছরের প্রথম সিরিজি জয়ের সুবাস গায়ে মেখেছিলো গেল জুলাইয়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গিয়ে স্বাগতিকদের ২-১ ব্যবধানে হারের গ্লানি উপহার দিয়েছিলো। দ্বিতীয় জয়টি ধরা দিয়েছে গেল অক্টোবরে, ঘরের মাঠে। যেখানে সফরকারী জিম্বাবুয়ে উড়ে গেছে ৩-০ ব্যবধানে। তৃতীয় সিরিজ জয়ের পথে তাদের সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যাদের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ৫ উইকেটের দাপুটে সেই যাত্রায় একধাপ এগিয়ে গেছে।
আজ বিশেষ সেঞ্চুরি হবে পঞ্চপাণ্ডবের
ক্রীড়া ডেস্ক: মাশরাফি-সাকিব-তামিম-মুশফিক-রিয়াদকে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পঞ্চপাণ্ডব বলা হয়। প্রায় এক যুগ ধরে তারা জাতীয় দলকে একসঙ্গে সার্ভিস দিয়ে যাচ্ছেন। এই পাঁচজনের মধ্যে সবচেয়ে সিনিয়র হচ্ছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। এই পাঁচজনই খেলেছেন এখন পর্যন্ত এমন ম্যাচের সংখ্যা ৯৯টি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে দুপুর একটায়। আজকের ম্যাচে এই পাঁচজন মাঠে নামলেই করে ফেলবেন বিশেষ সেঞ্চুরি। বিশ্বে এমন ঘটনা বিরল। টেস্টে এই পাঁচজনই খেলেছেন এমন ম্যাচ এখন পর্যন্ত হয়েছে একটি। ওয়ানডেতে এমন ম্যাচ হয়েছে ৬৯টি। আর টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হয়েছে ২৯টি। অর্থাৎ, তিনি ফরম্যাট মিলিয়ে তারা এখন পর্যন্ত একই সঙ্গে ৯৯টি ম্যাচ খেলেছেন। সুতরাং, আজ পঞ্চপাণ্ডব মাঠে নামলে একসঙ্গে ১০০টি ম্যাচ খেলার ইতিহাস গড়বেন। বিশ্বে এখন পর্যন্ত এমন ৬৪টি পঞ্চপাণ্ডবের দেখা মিলেছে। বাংলাদেশে সাধারণত ক্রিকেটারদের একটু বয়স হয়ে গেলেই দল থেকে ছেটে ফেলা হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই পাঁচ ক্রিকেটারকে দীর্ঘ সময় ধরে সুযোগ দিয়েছে। কারণ এই পঞ্চপাণ্ডবের হাত ধরেই বাংলাদেশের ক্রিকেটে এসেছে বিশাল অর্জন। তারা প্রত্যেকেই ফর্মে রয়েছেন। পঞ্চপাণ্ডবের এক পাণ্ডব ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা মনে করেন, সিনিয়রদের নিয়মিত পারফরম্যান্স এবং তাদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া তার অধিনায়কত্বকে আরো সহজ করে দিয়েছে। তিনি বলেছেন, তারা সবাই নিয়মিত পারফর্মার। নিশ্চিতভাবে এটি আমার কাজকে আরো সহজ করে দেয়। সাকিব এক্সট্রাওর্ডিনারি খেলোয়াড়। তাকে নিয়ে আলাদা করে বলার কিছু নেই। মুশফিক কোয়ালিটি প্লেয়ার। তামিম এবং রিয়াদও অসাধারণ। তারা যতো সময় গিয়েছে ততো বুঝেছে যে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের কেমন খেলতে হবে। তাদের সম্পর্কে বেশি ব্যাখ্যা করার কিছু নেই। তামিম ইকবাল বিশেষ এই সেঞ্চুরি নিয়ে বলেছেন, অবশ্যই এটি বিশেষ কিছু। গত ১৫ বছর ধরে আমরা একে অপরকে চিনি। আশা করি বিশেষ কিছুর মাধ্যমে আমরা দিনটিতে স্মরণীয় করে রাখব। সাকিব, মুশফিক ও আমার চেয়ে মাশরাফি ভাই ও রিয়াদ ভাই বয়সে বড়। অনূর্ধ্ব-১৫ সময় থেকে আমরা তিনজন খেলছি। আমাদের মধ্যে সম্পর্ক দারুণ। আমরা সব বিষয় শেয়ার করি। সাকিব ও মুশফিকের সঙ্গে আমার বন্ধু সম্পর্ক। কিন্তু মাশরাফি ভাই এবং রিয়াদ ভাইয়ের সঙ্গেই আমার বেশি সময় কাটে। আমাদের সবার মধ্যে সম্পর্ক অনেক গভীর। ২০০১ সালের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। তিনি এখন পর্যন্ত ৩৬টি টেস্ট, ২০০টি ওয়ানডে ও ৫৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তিনিই বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার যিনি ২০০টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। তাছাড়া ওয়ানডেতে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে তিনি সেরা উইকেটশিকারি বোলার। ২০০ ওয়ানডে ম্যাচে তার উইকেট সংখ্যা ২৫৫টি। ২০০৬ সালের আগস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচের মাধ্যমে আন্তর্র্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় সাকিব আল হাসানের। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি নিজেকে নিয়ে যান অনন্য উচ্চতায়। এক সময় একই সঙ্গে তিন ফরম্যাটের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি শুধু টেস্ট ফরম্যাটের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। সাকিব আল হাসান এখন পর্যন্ত ৫৫টি টেস্ট, ১৯৩টি ওয়ানডে ও ৬৯টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। ২০০৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন তামিম ইকবাল। তিনি এখন পর্যন্ত ৫৬টি টেস্ট, ১৮৪টি ওয়ানডে ও ৬৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। বর্তমানে তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের সেরা রান সংগ্রহকারী ব্যাটসম্যান তামিম। তিন ফরম্যাটে তার রান সংখ্যা যথাক্রমে টেস্টে ৪০৪৯, ওয়ানডে ৬৩১৯ ও টি-টোয়েন্টিতে ১৫২৮। ২০০৭ সালের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের। তাকে বলা হয় বাংলাদেশ দলের আনসাং হিরো। কেউ বলেন সাইলেন্ট কিলার। ২০১৫ সালের আইসিসি বিশ্বকাপে দুইটি সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি। ওই বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে খেলেছিল বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এখন পর্যন্ত ৪৩টি টেস্ট, ১৬৬টি ওয়ানডে ও ৭৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। ২০০৫ সালের মে মাসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম। তিনি এখন পর্যন্ত ৬৬টি টেস্ট, ১৯৬টি ওয়ানডে ও ৭৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তিন ফরম্যাটে তার রান সংখ্যা যথাক্রমে টেস্টে ৪০০৬, ওয়ানডেতে ৫২৬৮ ও টি-টোয়েন্টিতে ১১৩১। মুশফিকুর রহিমই বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটসম্যান যিনি টেস্টে দুইটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন।
উইন্ডিজকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সহজ জয় বাংলাদেশের
ক্রীড়া ডেস্ক: বিগত বছর তিনেক ধরেই ঘরের মাঠে অপ্রতিরোধ্য মাশরাফি-সাকিবরা। সেটি হোক অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড কিম্বা ভারত, পাকিস্তানের বিপক্ষে। সব প্রতিপক্ষই টাইগারদের কাছে ধরাশয়ী। ব্যাতিক্রম হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও। টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশের পর উইন্ডিজ বধেই ওয়ানডে সিরিজ শুরু করল লাল সবুজের বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে সফরকারি ক্যারিবীয় দলকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে মাশরাফি বিন মর্তজার দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ছুঁরে দেয়া ১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৫ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে য়ায় বাংলাদেশ। এই জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যাবধানে এগিয়ে গেল স্বাগতিক দল। এদিন সতর্কতার সঙ্গেই শুরু করেছিলেন বাংলাদেশ দলের দুই ও পেনার দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাস। বিনা উইকেটে স্কোর বোর্ডে জমা করেছিলেন ৩৬ রান। কিন্তু অস্টম ওভারের শেষ বলে রোস্টন চেজের বলে দেবেন্দ্র বিশুর তালুবন্দি হয়ে ফিরে যান তামিম। পরের ওভারে থমাসের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন ইমরুল কায়েস। ৪২ রানে দুই উইকেট হারানোর পর লিটন দাসের সঙ্গে জুটি বাঁধেন অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহীম। ৪৭ রানের জুটি গড়ে বিদায় নেন লিটন দাস। ৪১ রান করা এই ওপেনারকে বিদায় করেন পল। ক্রিজে এসেই মেরে খেলার চেষ্টা করেন সাকিব। তবে ৩০ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। অধিনায়ক পাওয়েলের বলে শাই হোপের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন সাকিব। তবে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহীমের সঙ্গে জুটি বেঁধে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে এগোচ্ছেন সৌম্য সরকার। প্রস্তুতি ম্যাচে তার অপরাজিত সেঞ্চুরিতে জিতেছিল বিসিবি একাদশ। এদিনও ব্যাট হাতে ছোট খাটো ঝড় তোলেন এই মারকুটে ব্যাটসম্যান। ১৩ বলে ২ চার এক ছক্কায় ১৯ রানে চেজের শিকার হন সৌম্য। তবে ম্যাচের হাফসেঞ্চুরি করে দলকে জিতিয়ে তবেই মাঠ ছাড়েন মুশফিকুর রহীম। ৬৯ বলে ৫৫ রান করেন করেন তিনি। অপর প্রান্তে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ। রোববার (৯ডিসেম্বর) মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশ বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং-এ শুরু থেকেই কোনঠাসা ছিলো ক্যারিবীয়রা। তাই ২শ রানের কোটাও স্পর্শ করতে পারেনি তারা। ৯ উইকেটে ১৯৫ রান করেছে সফরকারীরা। দলের পক্ষে শাই হোপ ৪৩, কেমো পল ৩৬, রোস্টন চেজ ৩২, মারলন স্যামুয়েলস ২৫, ড্যারেন ব্রাভো ১৯, অধিনায়ক রোভম্যান পাওয়েল ১৪, কাইরেন পাওয়েল ১০, শিমরোন হেটমায়ার ৬, কেমার রোচ অপরাজিত ৫ ও দেবেন্দ্র বিশু-ওশানে টমাস শুন্য রানে আউট হন। বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ১০ ওভারে ৩০ রানে ৩ উইকেট নেন। মুস্তাফিজুর রহমানও ৩ উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া ১টি করে উইকেট নেন মেহেদি হাসান মিরাজ-সাকিব আল হাসান-রুবেল হোসেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে প্রথম একাদশে কারা থাকছেন
ক্রীড়া ডেস্ক: ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজে বেশ ছন্দেই আছে বাংলাদেশ। সাকিবের ইনজুরি কাটিয়ে দলে ফেরা টেস্ট সিরিজে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশের আনন্দ বাড়িয়ে দিয়েছে। ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে চোট কাটিয়ে দলে ফিরছেন ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবালও। ফর্মে আছেন লিটন দাস, ইমরুল কায়েস ও সৌম্য সরকারের মতো ব্যাটসম্যানরা। তাই আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মিরপুরে কোন একাদশকে মাঠে দেখা যাবে, তা নিয়ে চলছে বিস্তর জল্পনা-কল্পনা। ঘোষিত ওয়ানডে দলে মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, মোহাম্মদ মিঠুন, মেহেদী হাসান মিরাজের পাশাপাশি পেসার হিসেবে আছেন মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, আবু হায়দার রনির মতো খেলোয়াড়রা। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, আরিফুল হক কিংবা নাজমুল ইসলাম অপুর মতো খেলোয়াড়রাও প্রমাণ করেছেন নিজেদের। তবে দিবারাত্রির ম্যাচে শিশিরের কথা ভেবে তিনজন পেসার খেলানোর কথা বলেছেন মাশরাফি। শেষ পর্যন্ত কারা থাকছেন একাদশে, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ম্যাচ শুরু হওয়া পর্যন্ত। আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দুপুর ১টায় শুরু হবে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। এর পর একই ভেন্যুতে দ্বিতীয় ওয়ানডে ১১ ডিসেম্বর। আর ১৪ ডিসেম্বর সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে হবে সিলেটে। তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হবে যথাক্রমে ১৭, ২০ ও ২২ ডিসেম্বর। সম্ভাব্য বাংলাদেশ একাদশ : তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ মিঠুন, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), মুস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন ও নাজমুল ইসলাম অপু।