রবিবার, আগস্ট ১৮, ২০১৯
ফাইনালে নিউজিল্যান্ড
১১জুলাই২০১৯,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিউজিল্যান্ডের দেয়া ২৪০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হলনা ভারতের। দলীয় রনের মাথায় ফিরে যান এবারের বিশ্বকাপে ৫টি সেঞ্চুরি করা ওপেনার রোহিত শর্মাকে। চার বলে ১ রান করে হেনরি বলে টম লাথাম হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর ফিরে যান অধিনায়ক কোহলি, কোহলির রাহুলও ১ রান করে বিদায় নেন। হেনরি ও ট্রেন্ট বোল্টের আঘাতে শুরুতে চরম বিপর্যয়ে ভারত। তবে বিপর্যয় থেকে কিছুটা উতড়ে ওঠার চেষ্টা করেন ঋষভ পান্থ ও দীনেশ কার্তিক। কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। নিউজিল্যান্ডের বোলিং তাণ্ডবে দাঁড়াতে পারেননি দীনেশ কার্তিক। ২৫ বল খেলে মাত্র ৫ রান করে হেনরি বলে ফিরে যান। হেনরি এরই মধ্যে ৩ উইকেট নিয়ে ভারতের ব্যাটিং লাইনে ধস নামিয়ে দিয়েছেন। দীনেশ কার্তিক ফিরে গেলে কিছুটা হলেও প্রতিরোধ করার চেস্টা করেন ঋষভ পান্থ। নিউজিল্যান্ডের বোলিং তাণ্ডব মোকাবেলা করে ৫৬ বলে ৩২ রান করেন। কিন্তু মিচেল স্যান্টনার বলে কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। এরপর ব্যাট হাতে দলের হাল ধরেন জাদেজা ও ধোনি। ব্যাট হাতে দুর্দান্ত খেলে যাচ্ছেন এই দুইজন। ৩৯ বলে ৩ চার ও ৩ ছয়ে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন জাদেজা। শেষ পর্যন্ত লড়াই করে ৪টি ছয় ও ৪টি চারে ৫৯ বলে ৭৭ বলে ট্রেন্ট বোল্ট বলে ফিরে যান। অন্যদিকে, ৭৭ বলে ৫০ রান করে রান আউট হয়ে ফিরে যান ধোনি। এরপর ফার্গুসনের বলে কোন রান না ফিরে যান ভুবেনেশ্বর কুমার। ৫ রান করে জেমস নিশামের বলে ফিরে যান চাহাল। চাহালের বিদায়ে ১৮ রানে হেরে ২০১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠতে ব্যর্থ হল ভারত। আর এই জয়ে পরপর দুইটি বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠলো নিউজিল্যান্ড। এর আগে বিশ্বকাপের মাঝে বৃষ্টি হানা দিলেও কয়েক দিন বিরতি ছিল। ফের বিশ্বকাপে হানা দিয়েছে বৃষ্টি। এর কবলে পড়ে মঙ্গলবার ভারত-নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনাল গড়িয়েছে রিজার্ভ ডেতে। ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে গতকাল ৪৬.১ ওভার খেলা হয়েছে। এসময়ে ৫ উইকেটে ২১১ রান তুলেছেন কিউইরা। বুধবার সেখান থেকেই খেলা শুরু হলো। রস টেইলর ৬৭ ও টম লাথাম ৩ রান নিয়ে ব্যাটিং শুরু করেন। কিন্তু বেশি এগিয়ে নিতে পারেননি তারা। রস টেইল আউট হলে যাওয়া আসার মধ্যে থাকে সবাই। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৩৯ রান করে নিউজিল্যান্ড। জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ২৪০ রান। এর আগে বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে মঙ্গলবার (৯ জুলাই) মাঠে নেমেছে নিউজিল্যান্ড ও ভারত। বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩:৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এই ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কিউই অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। ১৪ বলে ১ রান করে বুমরাহর বলে কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন গাপটিল। এরপর দলের ব্যাটিং বিপর্যয় সামলে ধীরগতিতে এগিয়ে যেতে থাকেন উইলিয়ামসন ও নিকোলস। তবে সেই জুটিতে আঘাত করেন জাদেজা। ৫১ বলে ২৮ রান করে জাদেজার বলে বোল্ড হয়ে সাঝঘরে ফিরেন নিকোলস। তবে দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ে হাফসেঞ্চুরি করেন অধিনায়ক উইলিয়ামসন। তিনি ৭৯ বলে ৪ চারে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তবে ব্যক্তিগত ৬৭ রানে চাহালের বলে জাদেজার হাতে তালুবন্ধি হয়ে ফিরেন তিনি। উইলিয়ামসনের ফেরার পর ফিরে যান নিশামও। তিনি ১২ রান করে হার্দিকের বলে দীনেশ কার্তিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন তিনি। অন্যদিকে ৭৩ বলে ২ চার ও ১ ছয়ে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন টেইলর। এরপর ১৬ রান করে ভুবির বলে ধোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন গ্র্যান্ডহোম। এরপর ম্যাচে বৃষ্টি আঘাত হানে।
রোববার দেশে ফিরছেন টাইগাররা
৬জুলাই২০১৯,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বকাপ স্বপ্নের মৃত্যু হয়েছে আগের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষেই। পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল নিতান্তই নিয়ম রক্ষার। যদিও বিশ্বকাপে মাশরাফি বিন মুর্তজার শেষ ম্যাচ বলে সেটা আর নিয়ম রক্ষার থাকেনি। এ ছাড়া পাকিস্তানের হুমকি-ধামকি বলছিল, জমে উঠতে পারে লড়াই। কিন্তু লর্ডসে জমেনি লড়াই, ফলও আসেনি পক্ষে। বিশ্বকাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯৪ রানে হেরে গেছে বাংলাদেশ। সব থেকে অভিজ্ঞ দল নিয়ে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ। প্রত্যাশা ছিল অনেক বড়, তারাও চেয়েছিলেন আসরটাকে নিজেদের মত করে শেষ করতে। ভারতের বিপক্ষে হারে সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ হয়ে গেলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে সুযোগ ছিল বিশ্বকাপে নিজেদের সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জন করে দেশে ফেরার। এখন পর্যন্ত কোন আসরে ৩টির বেশী ম্যাচ জেতা হয়নি বাংলাদেশের। এবারের আসরে দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং আফগানিস্তানকে হারিয়ে ৩টি জয় আগেই তুলে নিয়েছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। পাকিস্তানকে হারালেই পঞ্চম স্থানে থেকে বিশ্বকাপ শেষ করার পাশাপাশি ইংল্যান্ড বিশ্বকাপকে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের আরেকটি বড় সাফল্য বলা যেত। কিন্ত শেষ পর্যন্ত সেটা হয়নি। বিশ্বকাপে নিজের শেষ ম্যাচ খেলতে নামা মাশরাফি লর্ডসে অধিনায়ক হিসেবে পরাজিত দলের সদস্য হিসেবে মাঠ ছাড়লেন। লর্ডসের মাঠে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ২২১ রানেই গুটিয়ে গেল টাইগাররা। ৯৪ রানের বড় ব্যবধানে হারলেও এদিন পাকিস্তানকেও সেমিফাইনালে যেতে দেয়নি বাংলাদেশ। মাঠের খেলায় প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেনি টাইগারদের। যে কারণে সেমিফাইনাল রাউন্ড শুরু হওয়ার আগেই দেশের বিমান ধরবেন মাশরাফি-সাকিবরা। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যেতে না পারার কারণেই মূলত এত তড়িঘড়ি করে ফেরা হচ্ছে দেশে। দলের নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গিয়েছে রবিবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টা ২০ মিনিট রাজধানীর হযরত শাহজালাল (র) বিমানবন্দরে অবতরণ করবে টাইগাররা। এর আগে লন্ডন থেকে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিট (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে) এমিরেটসের ফ্লাইটে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হবে দল। যাত্রাপথে দুবাইতে ট্রানজিট করে পরে ঢাকায় আসবেন তারা। আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজ ও ইংল্যান্ড-ওয়েলসে বিশ্বকাপ খেলার উদ্দেশ্যে গত ১ মে তারিখে দেশ ছেড়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। প্রায় সোয়া দুই মাসের লম্বা সফর শেষে রোববার দেশে ফিরছেন তারা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সঙ্গে নিয়ে খেলা আয়ারল্যান্ডের ত্রিদেশীয় সিরিজের চ্যাম্পিয়ন হলেও, বিশ্বকাপে মেলেনি আশানুরূপ ফল। সেমিফাইনাল খেলার লক্ষ্য নিয়েছে ৯ ম্যাচে মাত্র ৩টিতে জিতেছে টাইগাররা। একটি পরিত্যক্ত ম্যাচসহ ঝুলিতে জমা পড়েছে মাত্র ৭ পয়েন্ট।
নতুন বলটা ব্যবহার করা জরুরি: কোর্টনি ওয়ালশ
২জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সেমিফাইনালের যুদ্ধে টিকে থাকতে হলে ভারতের বিপক্ষে জিততেই হবে বাংলাদেশকে। এই ম্যাচে সাফল্য পেতে হলে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও ভালো করতে হবে। এই ম্যাচে নতুন বলে ভালো করা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন দলের পেস বোলিং কোর্টনি ওয়ালশ। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে সাংবাদিকদের ওয়ালশ বলেন,আমাদের শুরুতেই ভালো বল করতে হবে। নতুন বলটা ব্যবহার করা খুব জরুরি। ম্যাচের পিচ নিয়ে পেস বোলিং কোচ বলেন,দেখি, বার্মিংহ্যামের আবহাওয়া কেমন থাকে। যদি মনে হয় বল ঘুরবে, শুরুতে উইকেট তোলার জন্য স্পিনার আনতে পারি। কিন্তু যদি বল সুইং করে, তাহলে পেসাররা বল করবে। মাঠে গিয়েই সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা সম্পর্কে ওয়ালশ বলেন,আমি জানি সে বেশি উইকেট পায়নি, কিন্তু এটিই তো শেষ কথা নয়। তা ছাড়া তার উইকেট পাওয়া নিয়ে আমি চিন্তিত নই। লাইন-লেস্থ ঠিক রাখলে, ব্যাটসম্যানদের মারার সুযোগ না দিলেই আমি সন্তুষ্ট। বোলিং উদ্বোধন কে করবেন, এ সম্পর্কে সাবেক এই ক্যারিবীয় পেসার বলেন,নতুন বলে বল করার জন্য সবাই প্রস্তুত। দলে তিনজন পেসার খেলছে। এঁদের মধ্যে যে কেউ বল ওপেন করবে। সাত ম্যাচে সমান তিন জয়-পরাজয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ এখন ষষ্ঠ অবস্থানে। আগামীকাল নিজেদের অষ্টম ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের মুখোমুখি হবে টাইগাররা। শেষ চারের আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি জিততেই হবে বাংলাদেশকে। ভারতকে ঠেকাতে পারলে পাকিস্তানের সমান ৯ পয়েন্ট হবে বাংলাদেশের। এরপর তাকিয়ে থাকতে হবে পাকিস্তান ম্যাচের দিকে। কারণ ভারতকে হারালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি হবে অলিখিত কোয়ার্টার ফাইনাল। শুক্রবার সেই ম্যাচে পাকিস্তান-বাংলাদেশের মধ্যে যে জিতবে, সেই চলে যেতে পারে শেষ চারে। কিন্তু এর মধ্যেও রয়েছে আরো হিসাব। পাকিস্তানকে হারালেও বাংলাদেশের সেমিফাইনাল খেলা অনেকটাই নির্ভর করবে নিউজিল্যান্ড-ইংল্যান্ড ম্যাচের ফলের ওপর। ৩ জুলাইয়ের সেই ম্যাচ ইংল্যান্ড জিতে গেলে সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশের।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সেমির সমীকরণ কঠিন করল ইংল্যান্ড
১জুলাই ২০১৯,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জমে উঠেছে আইসিসি বিশ্বকাপের শেষ চারের সমীকরণ। গতকাল রোববার এজবাস্টনে ভারতকে ৩১ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালের হিসাব-নিকাশ জটিল করে ফেলেছে ইংল্যান্ড। ইংরেজদের এই জয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা কঠিন হয়ে গেছে। আট ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলে স্বাগতিকদের অবস্থান এখন চতুর্থ স্থানে। ৩ জুলাই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে এউইন মরগানের দল। ওই ম্যাচে জয় পেলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে ইংল্যান্ডের। তাদের পয়েন্ট হবে ১২। অন্যদিকে, বাংলাদেশ তখন যদি ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ও পায়, তাহলেও সেমিতে যেতে পারবে না। কারণ, বাংলাদেশের পয়েন্ট হবে ১১। পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও তাই। তাদের পয়েন্ট এখন ৯। তারা যদি বাংলাদেশকে হারিয়ে দেয়, তবে তাদের পয়েন্ট হবে ১১। এদিকে, ইংল্যান্ড যদি নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে যায়, আর বাংলাদেশ যদি ভারত ও পাকিস্তানকে হারাতে পারে, সে ক্ষেত্রে সেমিতে যাবে টাইগাররা। আর যদি ইংল্যান্ড ও বাংলাদেশ তাদের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে পরাজিত হয়, তাহলে সেমির টিকেট পাবে পাকিস্তান। তবে ইংল্যান্ড যদি হেরেও যায় আর বাংলাদেশ যদি শুধু পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়লাভ করে, তাহলে শেষ চারে পৌঁছে যাবে ভারত, নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়া আগেই সেমির টিকিট নিশ্চিত করেছে। সেমিতে ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ নাকি পাকিস্তান যাবে তার জন্য আপাতত মঙ্গলবার ভারত ও বাংলাদেশ ম্যাচ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ওই ম্যাচে যদি বাংলাদেশ জয়লাভ করে, তাহলে ৩ জুলাই নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের ম্যাচের দিকে সবাইকে তাকিয়ে থাকতে হবে। ৩ জুলাইয়ের ম্যাচে ইংল্যান্ড জিতলে করলে সব হিসাব-নিকাশ শেষ হয়ে যাবে।
সেমির সমীকরণটি কেমন হবে বাংলাদেশের?
৩০জুন২০১৯,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জমে উঠেছে চলতি বিশ্বকাপের শেষ চারে ওঠার লড়াই। এখন পর্যন্ত সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা একমাত্র দল অস্ট্রেলিয়া। আট ম্যাচের সাতটিতে জিতে অসিদের পয়েন্ট ১৪। পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে ভারত। ছয় ম্যাচ খেলে পাঁচটিতে জয় ও একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় তাদের পয়েন্ট ১১। আট ম্যাচে পাঁচ জয় ও দুই হার নিয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা নিউজিল্যান্ডের পয়েন্টও ১১। আর টেবিলের চতুর্থ স্থানে উঠে আসা পাকিস্তানের পয়েন্ট ৯। আট ম্যাচ খেলে চারটি ম্যাচে জয় পেয়েছে তারা। একটি ম্যাচ বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়ে গেছে পাকিস্তানের। আজ রোববার বিশ্বকাপের একমাত্র ম্যাচে খেলতে নামছে ভারত ও স্বাগতিক ইংল্যান্ড। আজ জিতলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে ভারতের। অন্যদিকে, জয় চাইবে ইংল্যান্ডও। কারণ, সেমির টিকেট পেতে চাইলে আজকের ম্যাচসহ বাকি অন্য ম্যাচটিও জিততে হবে ইংল্যান্ডকে। বাংলাদেশের জন্য এখন সেমিফাইনালের পথের হিসাব অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেছে। টাইগারদের শেষ চারের হিসাবটি এখন এমন : * পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশকে শেষ ম্যাচটি জিততেই হবে। * ইংল্যান্ড তাদের বাকি দুটি ম্যাচ (আজকের ম্যাচটিসহ) হারলে বাংলাদেশ কেবল শেষ ম্যাচ, অর্থাৎ পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতেই সেমিতে যেতে পারবে। * ইংল্যান্ড নিজেদের বাকি দুটি ম্যাচই জিতলে অন্য কোনো দলের সেমিতে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। * ইংল্যান্ড তাদের দুটি ম্যাচের একটি জিতলে এবং বাংলাদেশ যদি ভারতের বিপক্ষে হেরে যায়, তাহলে ইংল্যান্ডকে অপেক্ষা করতে হবে পাকিস্তান বনাম বাংলাদেশ ম্যাচের ফলের জন্য। ওই ম্যাচে পাকিস্তান জিতলে তারাই উঠে যাবে সেমিতে। আর বাংলাদেশ জিতলে ইংল্যান্ডই উঠবে সেমিতে। * অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা তাদের বাকি দুই ম্যাচের দুটোই জিতলে এবং বাংলাদেশ ভারতের কাছে হেরে পাকিস্তানের বিপক্ষে জিতলে এবং ইংল্যান্ড তাদের দুটি ম্যাচই হেরে গেলে শ্রীলঙ্কাই সেমিতে উঠে যাবে। * আর বাংলাদেশ যদি ভারতকে হারিয়ে দিতে পারে এবং ইংল্যান্ড যদি আজ ভারতের কাছে হারে, তাহলে বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান ম্যাচে যে দল জিতবে, সে দলই শেষ চারে জায়গা করে নেবে। এখন বাংলাদেশের জন্য সহজতম হিসাব হলো, ইংল্যান্ড তাদের দুটি ম্যাচই হারলে এবং শ্রীলঙ্কা একটি ম্যাচে হারলে, বাংলাদেশ ভারতের কাছে হারলেও পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ জিতলেই সেমিফাইনালে চলে যাবে।
পাকিস্তানের জয়ে চাপ বাড়ল বাংলাদেশের
২৭জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৯২ বিশ্বকাপের পথেই হাঁটছে পাকিস্তান! সেবার দলটির প্রথম ছয় ম্যাচের ফলের সঙ্গে হুবহু মিল রয়েছে এবার। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সপ্তম ম্যাচেও সাদৃশ্যটা বজায় রাখলেন সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ৯২ বিশ্বকাপে নিজেদের সপ্তম ম্যাচে দাপুটে জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রেখেছিলেন ইমরান খান বাহিনী। এজবাস্টনেও ঠিক একই পথে হাঁটলেন সরফরাজ আহমেদ ব্রিগেড। কিউইদের ৬ উইকেটে হারিয়ে সেমিতে খেলার স্বপ্ন জিইয়ে রাখলেন তারা। এ জয়ে কাণ্ডারির ভূমিকা পালন করেন বাবর আজম। দারুণ ব্যাটিংয়ে তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারে দশম সেঞ্চুরি। ইনিংসের শেষ পর্যন্ত ব্যাটিং করে ১২৭ বলে ১০১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। সেঞ্চুরিয়ান বাবরকে যোগ্য সঙ্গ দেন হারিস সোহেল। ৭৬ বলে ৬৮ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন তিনি। তাতে আরামসে নিউজিল্যান্ডের দেয়া ২৩৮ রানের টার্গেট টপকে যায় পাকিস্তান। বল হাতে মাত্র ২৮ রান খরচায় ৩ উইকেট নিয়ে কিউইদের অল্প রানে বেঁধে রাখেন শাহীন আফ্রিদি। স্বভাবতই দুই কিউই জেমস নিশামের হার না মানা লড়াকু ৯৭ এবং কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমের ৬৪ রানের ইনিংসটি কার্যত কোনো কাজেই আসেনি। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পর দুর্দান্ত কামব্যাক করেছে পাকিস্তান। একপেশে জয়ে সাত ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ছয়ে উঠে এসেছে আনপ্রেডিক্টেবল দলটি। তাদের (-০.৯৭৬) সমান পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে এগিয়ে থাকায় টেবিলের পাঁচে বাংলাদেশ (-০.১৩৩)। তবে পাকিস্তানের এ জয়ে টাইগারদের ওপর চাপ কিছুটা হলেও বাড়ল। দুদলেরই পয়েন্ট সমান, হাতেও রয়েছে সমান দুটি করে ম্যাচ। অর্থাৎ সেমিতে ওঠার দৌড়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করতে হবে উভয় দলকে।
ইতিহাস গড়ে এক লাফে পাঁচে বাংলাদেশ
১৮ জুন২০১৯,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইশ, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে যদি বৃষ্টি না আসতো! নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে যদি আরও ২৫-৩০ রান করতে পারতাম! বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা হয়তো আফসোস করছেন, আর কপাল চাপরাচ্ছেন। এই দুই দলের বিপক্ষে যদি অধিনায়কের ভাবনা অনুযায়ী হতো বাংলাদেশ স্বাগতিক ইংল্যান্ডের উপরেই অবস্থান করতো। প্রকৃতির লীলা খেলার কাছে আফসোস করে কীইবা হবে। যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। এখন সামনে এগোনোর পালা। প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়। দ্বিতীয় ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আক্ষেপের হার। তৃতীয় ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের কাছে বিব্রতকর হারে দিশেহারা হয়ে পড়ে বাংলাদেশ শিবির। তার মধ্যে বাতিল হয় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ। দ্বীপরাষ্ট্রটির বিপক্ষে বাংলাদেশ নিশ্চিত পয়েন্ট ধরে রেখেছিল! এতে আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন মাশরাফীরা। দরকার ছিল একটি জয়ের। এই একটি জয়ই বদলে দিতে পারে সব। গতকাল সোমবার টনটনে ক্যারিবীয়দের সঙ্গে জয় পাল্টেও দিয়েছে সব! নানা আলোচনা-সমালোচনা, কত জল্পনা-কল্পনা সব ধুলোয় নিঃশেষ হয়ে গেছে একটি মাত্র জয়ে। এই জয়ে বাংলাদেশ পয়েন্ট টেবিলে আট নম্বর থেকে এক লাফে উঠে আসে পাঁচ নম্বরে। বাংলাদেশের সামনে আছে ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। পাঁচ ম্যাচে দুই জয় ও এক হারে বাংলাদেশের পয়েন্ট পাঁচ। টাইগাররা একটি পয়েন্ট পেয়েছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাতিল হওয়া ম্যাচটি থেকে। এই ম্যাচটি যদি হতো পয়েন্ট টেবিলে মাশরাফীদের অবস্থান আরও উঁচুতে থাকতো। তবে সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হচ্ছে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে পাওয়া জয়ে বাংলাদেশ ফিরে এসেছে বিশ্বকাপের কক্ষপথে। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে বাংলাদেশ শুধু জয়ই পায়নি, ইতিহাসও সৃষ্টি করেছে। রান তাড়া করে (৩২১) বিশ্বকাপ ইতিহাসে টাইগারদের সবচেয়ে বড় জয়। বিশ্বকাপের ইতিহাসে রান তাড়া করে জয়গুলোর মধ্যে এটি দ্বিতীয় জয়। টনটনে সাকিবের অপরাজিত সেঞ্চুরি (১২৪*) সঙ্গে লিটন দাসের ঝোড়ো হাফসেঞ্চুরিতে (৯৪*) ইতিহাস গড়তে পারে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সামনে এখন আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও পাকিস্তান। সেমিফাইনালে যেতে হলে বাংলাদেশকে তিনটি দলকে হারাতেই হবে। যদি দুটি ম্যাচ জেতে তাহলে জটিল সমীকরণের সামনে পড়তে হবে। সেক্ষেত্রে শেষ চারে যাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে যাবে। তবে ক্রিকেট মাঠের খেলা, মাঠে সেরাটা দিতে পারলে বদলে যাবে কাগজ-কলমের সব হিসেব-নিকেশ। বাংলাদেশের পরবর্তী খেলা চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। স্মিথ-ওয়ার্নারদের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে সাকিবদের টনিক হিসেবে কাজ করবে ক্যারিবীয়দের পক্ষে পাওয়া এই জয়। আগামী বৃহস্পতিবার চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে টাইগাররা। সাকিব-লিটনরা এমন ফর্ম ধরে রাখতে পারলে অজিদের হারানোও অসম্ভব কিছু হবে না!
সেমির স্বপ্নে টাইগাররা মাঠে নামবে আজ
১৭জুন২০১৯,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সেমিফাইনাল খেলার স্বপ্নে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশ মাঠে নামবে আজ। চলতি বিশ্বকাপে ১ জয়, ২ হার ও পরিত্যক্ত ১ ম্যাচে টাইগারদের সংগ্রহ মাত্র ৩ পয়েন্ট। এতে চিন্তার ভাজ বাংলাদেশের কপালে। সেমিফাইনালে যাবার পথে নিশ্চিন্ত অবস্থানে নেই মাশরাফি বাহিনী। এ অবস্থায় নিজেদের পঞ্চম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচ না জিতলে শেষ চারের লড়াই থেকে ছিটকে যাচ্ছে না কোনো দলই। তবে অনেকটাই বন্ধ হয়ে যাবে সম্ভাবনার দুয়ার। জয়টা তাই খুব জরুরি দুই দলের জন্যই। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ভালো খেলার টনিক হিসেবে আয়ারল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজের সুখস্মৃতি মনে করতে পারে। ঐ আসরে লিগ পর্বে দু বার ও ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বিধ্বস্ত করে ত্রিদেশীয় সিরিজে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো বাংলাদেশ। সেই সুখস্মৃতিতে উজ্জীবিত হয়ে জয়ের ধারায় ফেরার লক্ষ্য মাশরাফি-সাকিবদের। ইংল্যান্ডের টনটনের দ্য কুপার অ্যাসোসিয়েটস কাউন্টি গ্রাউন্ডে রোববার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ। এই ভেন্যুটি সমারসেট কাউন্টি গ্রাউন্ড নামেও পরিচিত। জয় দিয়ে এবারের বিশ্বকাপ শুরু করেছিলো বাংলাদেশ। কেনিংটন ওভালে শক্তিশলী দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২১ রানে হারায় টাইগাররা। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে জয়ের পর নিউজিল্যান্ডের সাথেও জয়ের স্বপ্ন দেখছিলো বাংলাদেশ। কিন্তু ২ উইকেটে কিউইদের কাছে হেরে টুর্নামেন্টে প্রথম ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। এরপর নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কার্ডিফের পয়মন্ত ভেন্যুতে ১০৬ রানের বড় ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ। দুটি হারের সাথে শ্রীলংকার বিপক্ষে বৃষ্টির কারনে পরিত্যক্ত হয় খেলা। যে কারণে নিজেদের লক্ষ্যের পথে দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গেছে বাংলাদেশ। এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে কিছুটা চিন্তামুক্ত হতে মরিয়া টাইগাররা। পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশের মত একই অবস্থা ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ৪ খেলায় ১ জয় ২টি হার ও ১টি পরিত্যক্ত ম্যাচে ৩ পয়েন্ট ক্যারিবীয়দের। তবে রান রেটে এগিয়ে থাকায় টেবিলের ষষ্ঠস্থানে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয় দিয়ে এবারের বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপর অস্ট্রেলিয়ার কাছে ১৫ রানে হারে তারা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তাদের তৃতীয় ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে যায়। ফলে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে দু দল। নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের কাছে ৮ উইকেটে ম্যাচ হারে জেসন হোল্ডারের দল। বাংলাদেশ দল : মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ-অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদুল্লাহ, মেহেদি হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, মোসাদ্দেক হোসেন, আবু জায়েদ রাহি, রুবেল হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল : জেসন হোল্ডার (অধিনায়ক), ফাবিয়ান অ্যালেন, কার্লোস ব্রাথওয়েট, ড্যারেন ব্রাভো, শেলডন কটরেল, শানন গ্যাব্রিয়েল, ক্রিস গেইল, শিমরোন হেটমায়ার, শাই হোপ, এভিন লুইস, অ্যাসলে নার্স, নিকোলাস পুরান, কেমার রোচ, আন্দ্রে রাসেল ও ওশানে থমাস।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচেও বড় বাধা হতে পারে বৃষ্টি
১৬জুন২০১৯,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতের সামনে ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হারের বদলা নেওয়ার সুযোগ। রোববার ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ২০১৯ বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে নামছে ভারত-পাকিস্তান। এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় শত্রু হয়ে উঠেছে বৃষ্টি। এরই মধ্যে চারটি ম্যাচ বৃষ্টির কারণে বাতিল হয়ে গেছে। পুরো পয়েন্ট পেতে পারত যেসব দল, তাদের না খেলেই পেতে হয়েছে এক পয়েন্ট। আর যাদের পয়েন্ট পাওয়ার কথাই ছিল না, তারাও পেয়ে গেছে এক পয়েন্ট। যার ফলে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে দলগুলোর মধ্যে। রোববারও ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে কালো মেঘের অবস্থান রয়েছে। যা দেখে মনে করা হচ্ছে, ম্যাচের শুরুর সময়ের আশপাশে হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। তবে এত দিন যা দেখা গেছে তাতে হালকা বৃষ্টি কোথাও হয়নি। এমন বৃষ্টি হয়েছে যে ম্যাচ ভেস্তে গেছে। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি তাদের খবরে জানায়, স্থানীয় সময় সকাল ১০.৩০ (বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩.৩০) থেকে বিকেল ৫টা (বাংলাদেশ সময় রাত ১০.০০) পর্যন্ত পরিস্থিতি ম্যাচের অনুকূলে থাকবে না। আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া ওয়েবসাইট আকুওয়েদার-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ম্যানচেস্টারে বৃষ্টি হবে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। এখানে আরো পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, সারা দিন এখানে তাপমাত্রা থাকবে ১৭ ডিগ্রির আশপাশে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের দুদিন আগেই ম্যানচেস্টারে প্রবল বৃষ্টি হয়েছে। পিচ ঢেকে রাখা হয়েছে। স্কয়ারও ঢেকে রাখা হয়েছে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই বৃষ্টি থেমে যায় এবং সূর্য ওঠে। আর এটাই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে ভরসা দিচ্ছে। যে ম্যাচ দেখতে গোটা বিশ্ব থেকে সমর্থকরা ছুটে এসেছে। ভেস্তে যাওয়াটা বিশ্বকাপের জন্য খুব খারাপ উদাহরণ হয়ে থাকবে। এরই মধ্যে এই আবহাওয়ায় খেলা এবং রিজার্ভ ডে নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে আইসিসির বিরুদ্ধে। যদি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ভেস্তে যায়, তা হলে সেই প্রশ্ন যে বাড়বে সেটাই স্বাভাবিক। যে চারটি ম্যাচ ভেস্তে গিয়েছে তার মধ্যে একটি ছিল ভারত-নিউজিল্যান্ডের ম্যাচও। পাকিস্তানেরও একটি ম্যাচ বৃষ্টির জন্য ভেস্তে গেছে। ভারতের সামনে বিশ্বকাপের মঞ্চে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ৬-০ থেকে ফল ৭-০ করার লক্ষ্য। পাকিস্তান সেখানে চাইবে বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে জয়ের মুখ।