ইউরোপা লিগে আর্সেনাল ও টটেনহামের দাপুটে জয়
২৭নভেম্বর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইউরোপা লিগে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে দুই ইংলিশ ক্লাব আর্সেনাল ও টটেনহাম। বি- গ্রুপে পেপে, নেলসন ও বালোগানের গোলে নরওয়ের ক্লাব মোল্দেকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছে গানাররা। এই জয়ে ৪ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে শীর্ষে থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে মাইকেল আর্তেতার দল। অন্যদিকে ডেলে আলির নজরকাড়া পারফর্ম্যান্সে বুলগেরিয়ান ক্লাব লুদোগোরেটস রাজগ্রাদকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে টটেনহাম। স্পার্সদের হয়ে জোড়া গোল করেছেন আলভেস মোরেস। বাকি গোল দুটি করেছেন উইঙ্কস ও লুকাস মাউরা। এই জয়ে জে- গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে আছে হোসে মরিনহোর দল। ৪ ম্যাচে টটেনহামের পয়েন্ট ৯।
ম্যারাডোনার মরদেহ তিনদিন থাকবে প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে
২৬নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যেতে নাহি দিব হায়, তবু যেতে দিতে হয়। কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনাকে বিদায় দিতে কিছুতেই মন মানছে না ভক্ত-সমর্থকদের। তবু নিয়তির অমোঘ বিধান মেনে বিদায় বলতেই হবে। শেষবারের মতো এই ফুটবল জাদুকরকে যাতে ভক্তরা দেখতে পারেন, সেজন্য আর্জেন্টিনার বুয়েনস আইরেসে অবস্থিত প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস কাসা রোসাদায় তিনদিনের জন্য রাখা হবে ম্যারাডোনার মরদেহ। (বৃহস্পতিবার) সকালে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ে পৌঁছেছে ম্যারাডোনার মরদেহ। আগামী তিনদিন কিংবদন্তি এই ফুটবলারকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে উপস্থিত হতে পারবেন ফুটবলপ্রেমীরা। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম বুয়েনস আইরেস টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কাসা রোসাদায় ম্যারাডোনার মরদেহ রাখার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। করোনা মহামারি শুরুর পর থেকে ব্যবহার না করা ভবনের বিভিন্ন জিনিসপত্র বের করে নিয়ে আসা হয়েছে। এর আগে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ম্যারাডোনার মরদেহ বুয়েনস আইরেসের তিগ্রেতে তার বাসভবন থেকে ময়নাতদন্তের জন্য সান ফার্নান্দোর একটি মর্গে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রসঙ্গত, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বুধবার হঠাৎই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ম্যারাডোনা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর। আর্জেন্টিনার ছিয়াশির বিশ্বকাপজয়ী হিরোর এমন মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পুরো বিশ্ব।
শেষ ওভারে আরিফুলের ৪ ছক্কায় দুর্দান্ত জয় খুলনার
২৫নভেম্বর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল। বেন স্টোকসকে পরপর চার ছক্কা মেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে শিরোপা জয়ের আনন্দ দেন কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। এবার মঞ্চ আলাদা, প্রেক্ষাপট একটু ভিন্ন। বাংলাদেশের অলরাউন্ডার আরিফুল হক মনে করালেন সেই ব্র্যাথওয়েটকে। শেষ ওভারে আরিগুলের চার ছক্কায় নিশ্চিত হেরে যাওয়া ম্যাচে দুর্দান্ত জয় পেল খুলনা। মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) মিরপুরে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বরিশাল ইনিংসের প্রথম বলেই ওপেন করতে নামা মেহেদি হাসান মিরাজের উইকেট তুলে নেন খুলনার শফিউল ইসলাম। অধিনায়ক তামিম ইকবালও ব্যর্থ হন। ১৫ রানে বিদায় নেন তিনি। এরপর প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে আফিফ হোসেনের উইকেট তুলে নেন সাকিব। খুলনার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে সুবিধা করতে পারছিলনা বরিশাল। তবে পারভেজ হোসেন ইমন ঠিকই দলের রানের চাকা সচল রাখেন। ৪১ বলে অর্ধ শতকও তুলে নেন তিনি। তবে ইনিংসটা আর বড় করতে পারেনি। অর্ধ শতকের পরের বলেই দলীয় ৮১ রানের মাথায় ৫১ রান করে আউট হন ইমন। ইরফান শুক্কুর ১১ রান করে বিদায় নেন। এরপর বাকি ব্যাটসম্যানরা আর কেউ বড় রানের দেখা না পেলে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে উইকেটে ১৫২ রান করে বরিশাল। খুলনার শহিদুল চারটি, শফিউল ও হাসান মাহমুদ দুইটি এবং সাকিব একটি উইকেট নেন। বরিশালের বিপক্ষে ১৫৩ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে দলীয় মাত্র ৪ রানে দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও ইমরুল কায়েসের উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় খুলনা। ১৭ রান করে ফেরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ১৩ মাস পর খেলায় ফেরা সাকিব আল হাসান ফেরেন ১৩ বলে ১৫ রান করে। ৩৬ রানে বিজয়, ইমরুল, মাহমুদউল্লাহ ও সাকিবের উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়া দলকে খেলায় ফেরাতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যান জহুরুল ইসলাম অমি ও আরিফুল হক। পঞ্চম উইকেটে তারা ৪২ রানের জুটি গড়েন। ২৬ বলে ৩১ রান করে আউট হন জহিরুল। এরপর শামিম হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ফের ৪৪ রানের জুটি গড়েন আরিফুল। ১৮ বলে ২৬ রান করে ফেরেন শামিম। শেষ ওভারে পাঁচ বলে চার ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন আরিফুল। দলের জয়ে ৩৪ বলে চার ছক্কা আর দুই চারের সাহায্যে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন আরিফুল হক। ম্যাচ সেরা হন তিনি।
করোনায় বিপর্যস্ত উরুগুয়ে ফুটবল দল, আক্রান্ত ১৬ জন
২২নভেম্বর,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা যেন জেঁকে ধরেছে উরুগুয়ে ফুটবল দলকে। শিবিরে একের পর এক করোনার হানা পড়ছে। সর্বশেষ সংযোজন দলটির অধিনায়ক ডিয়েগো গডিন। ১৬তম সদস্য হিসেবে শুক্রবার কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়েছেন তিনি। আন্তর্জাতিক বিরতিতে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব খেলতে এসে উরুগুয়ে জাতীয় দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ২০২২ বিশ্বকাপের লাতিন আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বের দুটি ম্যাচ খেলতে গিয়ে যথাযথ স্বাস্ব্য প্রোটোকল না মানায় উরুগুয়ে ফুটবল ফেডারেশনকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার জরিমানা করেছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গত সপ্তাহে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ জেতার পর প্রথম দুঃসংবাদ পায় উরুগুয়ে। দলের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে করোনা পজিটিভ হন মাতিয়াস ভিনা। এরপর করোনা পজিটিভ হিসেবে ধরা পড়েন উরুগুয়ের তারকা স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজ। ফলে মঙ্গলবার ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। যে ম্যাচে হেরেছে উরুগুয়ে। এদিকে উরুগুয়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড্যানিয়েল সালিনাস শনিবার টুইটারে একটি ছবি পোস্ট করেছেন যেখানে দেখা যাচ্ছে নয়জন খেলোয়াড় একটি বারবিকিউ পার্টিতে একত্রিত হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজনই করোনা পজিটিভ হয়েছেন। সবমিলিয়ে আক্রান্ত ১৬ জন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার ন্যূনতম বয়স কত? জানাল আইসিসি
২১নভেম্বর,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে গেলে ক্রিকেটারের সর্বনিম্ন বয়স নির্ধারণ করে দিল আইসিসি। এখন থেকে দেশের হয়ে নামতে গেলে সর্বনিম্ন ১৫ বছর বয়স হতে হবে খেলোয়াড়ের। যদি কোনও দেশ ১৫ বছরের কম বয়সি কাউকে খেলাতে চায় তা হলে আইসিসি-র কাছ থেকে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব বিভাগেই সর্বনিম্ন বয়স আনা হল। এর ফলে ছেলেদের ক্রিকেটের সঙ্গে মেয়েদের ক্রিকেট এবং অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটেও খেলতে হলে ক্রিকেটারের বয়স হতে হবে ১৫ বছর। তার চেয়ে ছোট বয়সের কাউকে খেলাতে হলে আইসিসি-কে জানাতে হবে। সেই খেলোয়াড়ের অভিজ্ঞতা, মানসিক অবস্থা দেখে তবেই সিদ্ধান্ত নেবে আইসিসি।
বিশ্বের সম্ভাবনাময় ২০ ক্রিকেটারের তালিকায় বাংলাদেশের মুর্শিদা
২০নভেম্বর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত দশকে (২০১০-২০১৯) দ্রুতগতিতে এগিয়েছে নারী ক্রিকেট। চলতি শতাব্দীর প্রথম দশকে যেখানে নারী ক্রিকেটে আন্তর্জাতিক ম্যাচ হয়েছে মাত্র ৪৮৬টি, সেখানে ২০১০ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত সময়ে প্রায় তিনগুণ বেড়ে মাঠে গড়িয়েছে অন্তত ১২৩৭টি নারী ক্রিকেট ম্যাচ। এই বর্ধিত ম্যাচের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে নারী ক্রিকেটারের সংখ্যাও। ২০০০ সালে ১ জানুয়ারি থেকে ২০০৯ সালে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে ৬৬২ জন নারী ক্রিকেটারের। অন্যদিকে ২০১০ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত সময়টায় প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে নাম লিখিয়েছেন ১৪৫৫ জন নারী ক্রিকেটার। শুধু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটই নয়, ঘরোয়া ক্রিকেটেও বেড়েছে নারীদের ম্যাচ সংখ্যা। পুরুষদের পাশাপাশি শুরু হয়েছে নারীদের বিভিন্ন ফ্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগও। বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ ৯টি ক্রিকেট খেলুড়ে দেশ তাদের নারী ক্রিকেটারদেরও বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তির মধ্যেই রাখে। খেলার পরিধি বাড়ার সঙ্গে নারী খেলোয়াড়দের ভক্ত-সমর্থকও বেড়েছে বহুগুণে। গত এক দশকে অস্ট্রেলিয়ার এলিস পেরি, ম্যাগ লেনিং ও অ্যালিসা হিলি, ভারতের হারমানপ্রিত কৌর, নিউজিল্যান্ডের সুজি বেটস, ও সোফি ডিভাইন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্টেফানি টেলর, দেয়ান্দ্র ডটিন ও আনিস মোহাম্মদ, ইংল্যান্ডের সারাহ টেলর ও ক্যাথরিন ব্রান্ট, দক্ষিণ আফ্রিকার শাবনিম ইসমাইলরা বনে গেছেন বিশ্ব তারকা। এখন দেখার বিষয় নারী ক্রিকেটের আগামী এক দশক (২০২০-২০২৯) কারা হন বিশ্ব তারকা, কাদের পারফরম্যান্সের দ্যুতিতে ভাস্বর হবে বিশ্ব ক্রিকেট। জনপ্রিয় ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো সাজিয়েছে এমনই তালিকা, যারা হতে পারেন চলতি দশকের সেরা খেলোয়াড়। যেমনটা তারা গত জুনে করেছিল, পুরুষ ক্রিকেটারদের নিয়ে। এবার বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে এমন ২০ নারী ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেছে ক্রিকইনফো। সেখানে রয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের বাঁহাতি ওপেনার মুর্শিদা খাতুন হ্যাপি। খুলনার ২১ বছর বয়সী এ ব্যাটসম্যান এখনও পর্যন্ত খেলেছেন ৫ ওয়ানডে ও ১০ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। মূলত ভারতের বিপক্ষে সবশেষ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচে ২৬ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলে সবার নজরে আসেন মুর্শিদা। সেদিন দৃষ্টিনন্দন সব শট খেলে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন তিনি। যে কারণে আগামী দশকের সম্ভাবনাময় তারকাদের তালিকায় মুর্শিদাকেও রেখেছে ক্রিকইনফো।
জেমিকে ছাড়াই কাতার গেল বাংলাদেশ
১৯নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস থেকে এখনো মুক্তি মেলেনি কোচ জেমি ডে’র। প্রধান কোচকে ছাড়াই আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় কাতারের বিমান ধরেছে বাংলাদেশ দল। আগামী ৪ঠা ডিসেম্বর বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে কাতারের মুখোমুখি হবে জামাল-সুফিলরা। কোচ জেমি ডে ছাড়াও দলের সঙ্গী হতে পারেননি ডিফেন্ডার মনজুরুর রহমান মানিক ও স্ট্রাইকার নাবীব নেওয়াজ জীবন। হাঁটুর ইনজুরির কারণে শেষ মুহূর্তে দল থেকে বাদ পড়েছেন জীবন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় মনজুরুর রহমান ও ইনজুরিতে পড়া নাবীব নেওয়াজকে ছাড়া ২৫ সদস্যের দল ঢাকা ছেড়েছে। দুই দিন পর মনজুরুর রহমানের আবারো করোনা পরীক্ষা করা হবে। ফল পজেটিভ আসলে বিকল্প হিসেবে একজনকে কাতার পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে বাফুফে। সুস্থ হয়ে উঠার পর দলের সঙ্গে যোগ দেবেন কোচ জেমি ডে। আপাতত প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন জেমির সহকারী স্টুয়ার্ট ওয়াটকিস। কাতারে তিন দিনের কোয়ারেন্টিন শেষে অনুশীলন শুরু করবে বাংলাদেশ দল। ২৫ ও ২৮শে নভেম্বর কাতারে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে লাল-সবুজরা। প্রস্তুতি ম্যাচের প্রতিপক্ষ এখনো ঠিক হয়নি। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে কাতারের সঙ্গে প্রথম দেখায় ঘরের মাঠে ২-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এখনো পর্যন্ত বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে চার ম্যাচ খেলে ১ পয়েন্ট বাংলাদেশের। পাঁচ ম্যাচ করে খেলেছে ই গ্রুপে বাংলাদেশের অপর চার প্রতিপক্ষ। ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে কাতার। দুইয়ে থাকা ওমানের সংগ্রহ ১২ পয়েন্ট। তিন ও চারে থাকা আফগানিস্তান ও ভারতের পয়েন্ট ৪ ও ৩। ২৫ জনের দল: আশরাফুল ইসলাম রানা, আনিসুর রহমান জিকো, পাপ্পু হোসেন, তপু বর্মণ, ইয়াসিন খান, বিশ্বনাথ ঘোষ, সুশান্ত ত্রিপুরা, রহমত মিয়া, রিয়াদুল হাসান, জামাল ভূইয়া, আতিকুর রহমান ফাহাদ, মামুনুল ইসলাম, সোহেল রানা, রবিউল হাসান, বিপলু আহমেদ, মাহবুবুর রহমান সুফিল, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সাদ উদ্দিন, তৌহিদুল আলম সবুজ, রায়হান হাসান, রাকিব হোসেন, এম এস বাবলু, সুমন রেজা, মানিক হোসেন মোল্লা ও ইয়াসিন আরাফাত।
জার্মানিকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিলো স্পেন
১৮নভেম্বর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উয়েফা নেশনস লিগের ফাইনালসের টিকিট পেতে জার্মানের প্রয়োজন ছিল স্রেফ একটি ড্র। অথচ তারা কি না পেল নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয়। জার্মানিকে তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে হারিয়ে নেশনস লিগের শিরোপা দৌড়ে এগিয়ে গেল স্পেন। এ- লিগের চার নম্বর গ্রুপে শেষ ম্যাচটি ছিল মূলত ফাইনালসে ওঠার টিকিটের লড়াই। যেখানে স্পেনের কাছে পাত্তাই পায়নি জার্মানি। নিজেদের ঘরের মাঠে ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দলটিকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে স্পেন, ম্যাচ জিতেছে ৬-০ গোলের বড় ব্যবধানে। নিজেদের দীর্ঘ ইতিহাসে কোন প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে এত বড় ব্যবধানে আগে কখনও হারেনি জার্মানি। তাদের অর্ধ ডজন গোলে হারানোর মূল কারিগর স্পেনের তরুণ ফরোয়ার্ড ফেররান তোরেস। তিনি একাই করেছেন তিন গোল। বাকি তিন গোল করেছেন আলভারো মোরাতা, রদ্রি ও মিকেল ওয়ারজাবাল। ম্যাচের ১৭ মিনিটের সময় প্রথম গোলটি করেন দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মোরাতা। মিনিট পাঁচেক আগে কানালেসের ইনজুরিতে মাঠে ঢোকা ফাবিয়ান রুইজের ভেতরে বাকানো কর্ণার থেকে ফাঁকায় দাঁড়িয়ে নিখুঁত হেড করেন মোরাতা। যা ঠেকানোর সাধ্য ছিল না জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারের। প্রথমার্ধে আরও দুইবার উল্লাসে মাতে স্বাগতিক দলটি। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিকের প্রথম গোলটি করেন ফেররান তোরেস। বাম পাশ দিয়ে উঠে আসা হোসে গায়ার কাছ থেকে বল পান রুইজ। তিনি সামনে বাড়িয়ে দেন ফেররানের উদ্দেশ্যে, যিনি সহজেই পরাস্ত করেন নয়্যারকে। এর মিনিট পাঁচেক পর আবারও আক্রমণে ওঠে স্পেন। একের পর এক আক্রমণে কোণঠাসা হয়ে থাকা জার্মানি সেই আক্রমণ কোনোমতে কর্ণারের বিনিময়ে ঠেকায়। তবে কোকের নেয়া সেই কর্ণার থেকেই দারুণ এক হেডে স্কোরশিটে নাম তোলেন রদ্রি, ৩-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্পেন। ন্যুনতম ড্রয়ের খোঁজে মাঠে নামা জার্মানি প্রথমার্ধে কোনো সুযোগই তৈরি করতে পারেনি। দ্বিতীয়ার্ধে তাই তাদের লক্ষ্য ছিল ঘুরে দাঁড়ানোর। কিন্তু সেটিও করতে দেয়নি স্পেন। বারবার আক্রমণে উঠে জার্মানির রক্ষণের দুর্বলতা যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছিল লুইস এনরিকের শিষ্যরা। এরই মাঝে ৫৫ মিনিটের সময় নিজের দ্বিতীয় ও দলের হালি পূরণ করেন ফেররান। পাল্টা আক্রমণে হোসে গায়ার পাস থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে আনন্দে মাতেন এ তরুণ। এর ১৬ মিনিট পর ফাবিয়ান রুইজের পাস পেয়ে ডি-বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন ফেররান তোরেস। স্কোরলাইন তখন ৫-০, একের পর আক্রমণ আর গোল করে যেন ক্লান্ত স্পেন। তাই গোল করার চেয়ে নিজেদের মধ্যে বল দেয়া-নেয়ার দিকেই বেশি মনোযোগী হয় তারা। পুরো ম্যাচে স্পেনের জাল বরাবর একটি শটও নিতে পারেনি জার্মানি। উল্টো নির্ধারিত সময়ের এক মিনিট বাকি থাকতে জার্মানির জালে অর্ধ ডজন পূরণ করেন মিকেল ওয়ারজাবাল। জার্মানিকে ৬-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে নেশনস লিগে শিরোপা লড়াইয়ে নাম লিখিয়েছে স্পেন। চার নম্বর গ্রুপে ছয় ম্যাচ শেষে স্পেনের সংগ্রহ ১১ পয়েন্ট, অন্যদিকে জার্মানি পেয়েছে ৯ পয়েন্ট। ফলে শিরোপা লড়াই থেকে ছিটকে গেছে তারা।
নেপালকে রুখে দিয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
১৭নভেম্বর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম ম্যাচে জীবন ও সুফিলের গোলে জিতেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। মুজিববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে স্বাগতিকরা। আর এতেই ১-০তে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছিল বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে এগিয়ে ছিল ১-০ গোলে। তবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমার্ধে স্বাগতিকদের রুখে দিয়েছিল নেপাল। দ্বিতীয়ার্ধেও সুবিধা করতে না পারায় ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে হাজারও দর্শকের উপস্থিতিতে শুরু থেকে দুই দল রক্ষণ জমাট রেখে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ জেমি ডে করোনায় আক্রান্ত। তার জায়গায় সহকারী স্টুয়ার্ট ওয়াটকিস ডাগ আউটে। তার অধীনে একাদশে দুটি পরিবর্তন এনে নেমেছে বাংলাদেশ। ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা ও ইয়াসিন খান শুরু থেকে খেলছেন। ২ মিনিটের সময় প্রথম সুযোগ পায় বাংলাদেশ। সাদ উদ্দিনের ক্রসটি জমে যায় গোলকিপার কিরণ কুমারের তালুতে। পরের মিনিটে অবশ্য নেপালের তেজ তামাংয়ের দূরপাল্লার শট গোলকিপার রানার তালুবন্দী করতে তেমন কোনও সমস্যাই হয়নি। জামালরা লম্বা পাসে খেলার চেষ্টা করেছেন। তবে মাঝমাঠ আগের ম্যাচের মতো কিছুটা নিষ্প্রভ। নাবীব নেওয়াজ জীবন প্লে-মেকারের ভূমিকায় ঘাম ঝরিয়েছেন। একাধিক আক্রমণের উৎসে এই ফরোয়ার্ড। তরুণ স্ট্রাইকার সুমন রেজা দুটি সুযোগ পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। ২৩ মিনিটে জীবনের পাস থেকে সুমন রেজা বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শট নিলেও তা ক্রসবারের একটু ওপর দিয়ে যায়। ৩১ মিনিটে জীবনের ক্রস থেকে সুমন রেজার আরও একটি দুর্বল শট গোলকিপার কিরণ সহজেই রুখে দিয়ে স্বাগতিকদের হতাশ করেন। দ্বিতীয়ার্ধে সুমন রেজার জায়গায় নামেন মাহবুবুর রহমান সুফিল। খেলায় কিছুটা গতি ফিরলেও গোল আসেনি। নেপাল এই অর্ধে আক্রমণ বাড়িয়ে খেলেছে। ৫৬ মিনিটে সতীর্থের ক্রস থেকে নেপালের সুজল শ্রেষ্ঠা পা ছোঁয়াতে পারেননি। তার আগেই ডিফেন্ডার তপু ক্লিয়ার করেন। ৫৯ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে সুফিলের পাসে মানিক মোল্লা লক্ষ্যে শট নিতে ব্যর্থ হন। দুই মিনিট পর মানিক ও ইব্রাহিমের জায়গায় নামেন বিপলু ও সোহেল রানা। কিন্তু তাতেও গোল আসেনি। বরং যোগ করা সময়ে নেপাল গোল পেলেও পেতে পারতো। বাধা হয়ে দাঁড়ায় বারপোস্ট। নবযুগ শ্রেষ্ঠা মাথা ছোঁয়ানোর পর গোলকিপার রানাকে ফাঁকি দিয়ে দূরের পোস্টে লাগলে রক্ষা বাংলাদেশের। খানিক পর রেফারি মিজানুর রহমানের শেষ বাঁশি বাজলে আতশবাজিতে রঙিন হয়ে উঠে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের আকাশ। বাংলাদেশ একাদশ: আশরাফুল ইসলাম রানা, তপু বর্মণ, বিশ্বনাথ ঘোষ, রহমত মিয়া, ইয়াসিন খান, জামাল ভূঁইয়া, মানিক মোল্লা (বিপলু আহমেদ), ইব্রাহিম (সোহেল রানা), সাদ উদ্দিন, নাবীব নেওয়াজ জীবন ও সুমন রেজা (মাহবুবুর রহমান সুফিল)।