শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২০
এসএসসি ও সমমানের পাসের হার ৮২ শতাংশ
৬মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশে ২০১৯ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সোমবার (০৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তে ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে শিক্ষামন্ত্রীর হাতে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা। দুপুর ১২টা থেকে ফল পাওয়া যাবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন বোর্ড চেয়ারম্যানরা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষামন্ত্রী ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডনে চোখের চিকিৎসায় অবস্থান করায় এবার বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে ফল হস্তান্তর করেন। তবে প্রধানমন্ত্রী ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে লন্ডন থেকে একটি বাণী পাঠিয়েছেন। সেই বাণী পড়ে শোনান শিক্ষামন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রী মোবাইল ফোনে শুভেচ্ছা জানিয়ে কথা বলেন। তা মাইকে শোনানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর। এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক এবং বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা । এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। এরমধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন ছাত্রী এবং ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন ছাত্র। গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লিখিত বা তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও বিশ্ব ইজতেমার কারণে ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ২ মার্চ শেষ হয়। এছাড়াও আইসিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ে একাংশ ভুলে মুদ্রণ হওয়ায় ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষা পিছিয়ে ১৩ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ২ মার্চ নেওয়া হয়। বরাবারের মতো এবারও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে গিয়ে ফল ডাউনলোড করা যাবে। পাশাপাশি যে কোনো মোবাইল ফোন থেকে এসএমএস করে ফল জানা যাবে। যে কোনো মোবাইল ফোন অপারেটর থেকে মেসেজ করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানা যাবে। ফল জানার জন্য SSC/DAKHIL লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। বোর্ড থেকে ফলের কোনো হার্ডকপি সরবরাহ করা যাবে না। তবে বিশেষ প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তর থেকে ফলের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি জানিয়েছে। ফল পুনঃনিরীক্ষা :রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক থেকে আগামী ৭ থেকে ১৩ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে। ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) দেওয়া হবে। আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য ১২৫ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে। যেসব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে, যেগুলোর ফল পুনঃনিরীক্ষায় ২৫০ টাকা ফি কাটা হবে। একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে। এ ক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে কমা দিয়ে লিখতে হবে।
এসএসসির ও সমমানের ফল প্রকাশ
৬মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২১ লাখ শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান হলো। সোমবার (৬ মে) বেলা ১১টার দিকে ফল ঘোষণা করা হয়। শিক্ষামন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন ছাত্রী এবং ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন ছাত্র। এবার দেশের ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয়। প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষের ৬০ দিনের মধ্যে পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। আগামী ৯ মে পরীক্ষা শেষের ৬০তম দিন পূর্ণ হবে। এবার তার তিন দিন আগেই ফল প্রকাশ হতে যাচ্ছে। এসএমএস ও ইন্টারনেটে ফল যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানা যাবে। এজন্য SSC/DAKHIL লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাবে। এছাড়া শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট http://www.educationboardresults.gov.bd থেকেও পরীক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবে। বোর্ড থেকে ফলাফলের কোনো হার্ডকপি সরবারহ করা হবে না। তবে বিশেষ প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতর থেকে ফলাফলের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে। ফল পুনঃনিরীক্ষা ফল পুনঃনিরীক্ষার জন্য টেলিটক মোবাইল থেকে আগামী ৭-১৩ মে পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) দেওয়া হবে। আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য ১২৫ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে। তবে যেসব বিষয়ের দু’টি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে যেসব বিষয়ে আবেদন করলে দু’টি পত্রের জন্য ২৫০ টাকা ফি কাটা হবে। শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন ছাত্রী এবং ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন ছাত্র।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে সোমবার
৫মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে আগামীকাল সোমবার। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আর দুপুর ২টার পর থেকে পরীক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। এজন্য SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। মাদরাসা বোর্ডের ক্ষেত্রে Dakhil লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে আবার স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সাল লিখে পাঠাতে হবে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। এছাড়াও কারিগরি বোর্ডের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার ফল জানতে ssc লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
৬ মে এসএসসির ফল প্রকাশ
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হচ্ছে ৬ মে সোমবার। এ দিন সকাল ১০টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির হাতে ফলাফল তুলে দেওয়া হবে।অন্যান্য বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফল তুলে দিতেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা। এবার প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকায় তার অনুমতি নিয়ে এ ফল প্রকাশ করা হচ্ছে।আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষের ৬০ দিনের মধ্যে পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। সে অনুযায়ী আগামী ৯ মে এসএসসি পরীক্ষা শেষের ৬০তম দিন পূর্ণ হবে। তবে এবার তার তিন দিন আগেই ফল প্রকাশ করা হচ্ছে।
RAB মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদের ডক্টরেট লাভ
০২মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছেন RAB মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। বৃহস্পতিবার RAB ফোর্সেস সদরদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগ থেকে এবং বিজনেস স্টাডিজ ফ্যাকাল্টির ডিন প্রফেসর শিবলী রুবায়েত উল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ডিবিএ প্রথম ব্যাচের প্রথম শিক্ষার্থী হিসেবে ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) ডিগ্রি অর্জন করলেন বেনজীর আহমেদ।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তার গবেষণা মূলত বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োজিত শান্তিরক্ষীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।বেনজীর আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ এবং এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি এমবিএ ডিগ্রিও অর্জন করেন।১৯৮৮ সালে সপ্তম বিসিএসের মাধ্যমে পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগ দেন বেনজীর আহমেদ।
ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা পেছানো হয়েছে
০২মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে আগামী শনিবার সব বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক এতথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শনিবার সকালে যে পরীক্ষাগুলো হওয়ার কথা ছিল, সেগুলো আগামী ১৪ মে সকালে হবে। একইভাবে বিকেলে যে পরীক্ষাগুলো নেয়ার কথা ছিল তা বিকেলেই নেয়া হবে। শনিবার সকালে উচ্চতর গণিত প্রথম পত্র এবং ইসলাম শিক্ষা প্রথম পত্রের পরীক্ষা ছিল। আর বিকেলে ছিল গার্হস্থ্য বিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষা। এছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জীববিজ্ঞান প্রথম পত্রের তত্ত্বীয় পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। এদিকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী এখন মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। কেন্দ্রের চারপাশে বাতাসে ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার বেগ তুলে এটি এখন এগুচ্ছে বাংলাদেশের উপকূলে। তবে কখনও কখনও এই বেগ ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, আগামীকাল সন্ধ্যায় এই ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশে আঘাত হানতে পারে। এদিকে ফণী বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসায় সতর্কতার মাত্রা বাড়িয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মোংলা, পায়রায় ৭ নম্বর এবং চট্টগ্রামে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে আগের মতই ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া দেশের নদী বন্দরগুলোতে ১ নম্বর বিপদ সংকেত দেওয়া হয়েছে, যা পরে বাড়ানো হতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আফতাব উদ্দীন জানিয়েছেন।
পেছালো ঢাকা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা
২৯এপ্রিল,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রশ্নের ভুল খাম কেটে ফেলার কারণে পিছিয়ে দেয়া হয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সোমবারের পরীক্ষা। ২৯ এপ্রিল সকালে নির্ধারিত ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমা ২য় পত্র পরীক্ষাটি ৭ মে দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে। জানা গেছে, ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমা ১ম পত্র পরীক্ষা। কিন্তু ফরিদপুরের আলফাডঙ্গা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ১ম পত্রের পরিবর্তে ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বীমা ২য় পত্র পরীক্ষার প্রশ্নের ফয়েল খাম কেটে ফেলেন শিক্ষকরা। এ কারণে ২য় পত্রের পরীক্ষাটি নতুন প্রশ্নপত্রে নিতে পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। রোববার ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড থেকে পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন কথা জানিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দিয়েছে। চিঠিতে আরো বলা হয়, ২৯ এপ্রিলে নির্ধারিত অন্যান্য পরীক্ষা সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।- আলোকিত বাংলাদেশ
৬ মে-র মধ্যে এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ
২৫এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ৬ মে’র মধ্যে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। আর ১২ মে এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানা গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে আরো জানা গেছে, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড। এখন ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দিতে প্রধানমন্ত্রীর সময় চাওয়া হয়েছে। ফল প্রকাশের জন্য আগামী ৪ থেকে ৬ মে’র মধ্যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এদিকে ফল প্রকাশের আগেই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ১২ মে থেকে অনলাইনে ভর্তির আবেদন নেওয়া হবে। ৩০ জুনের মধ্যে ভর্তি শেষ করে ১ জুলাই শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হবে। এবারও কলেজের সব আসনে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। উল্লেখ্য, এবার এসএসসি পরীক্ষায় মোট ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু
১ এপ্রিল ,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ সব ধরনের অব্যবস্থাপনা রোধে কঠোর পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে সোমবার (১ এপ্রিল) ১০টি শিক্ষা বোর্ডে একযোগে ২০১৯ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এবার দেশের ৯ হাজার ৮১টি প্রতিষ্ঠানের ১৩ লাখ ৫১ হাজার ৫০৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। এরমধ্যে ছাত্র ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৪৯৬ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৯ জন। ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এইচএসসি পরীক্ষায় মোট অংশ নিচ্ছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৭৪৭ জন। এরমধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৭৩ হাজার ৮১২ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩৫ জন। এই পরীক্ষায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ লাখ ২৪ হাজার ২৬৪ জন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিম পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৮৮ হাজার ৪৫১ জন। এবার দেশের বাইরের ৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী রয়েছেন ২৭৫ জন। এছাড়া শাররিক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য বাড়তি ২০ মিনিট সময় বরাদ্ধ করা হয়েছে এবং অটিজমসহ বিশেষ বিবেচনার দাবি রাখে, এমন শিক্ষার্থীদের ৩০ মিনিট বাড়তি সময় দেয়া যাবে। এবারও পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ মে। এরপর ১২ থেকে ২১ মের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

শিক্ষা পাতার আরো খবর