রবিবার, আগস্ট ২৫, ২০১৯
আরও ১৩ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে আধুনিক ভবন
১৫ ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্যক সুযোগ-সুবিধা দেয়ার লক্ষ্যে ২০২১ সালের মধ্যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হচ্ছে ২৫ হাজার কোটি টাকা। এই অবকাঠামো নির্মাণ কাজে প্রাধান্য পেয়েছে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ বছরে সারা দেশের দুই হাজার ৪০০ মাদ্রাসায় নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। নির্বাচিত আরও এক হাজার ৮০০টি মাদ্রাসায় একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় গত ১০ বছরে ২০০৯ থেকে ২০১৮ শিক্ষাখাতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ১১ হাজার ৩০৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। আর ১২ হাজার ৬৭৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ কাজ ২০২১ সালের মধ্যে শেষ করা হবে। আর ব্যাপক সংস্কার করা হয়েছে পুরনো জরাজীর্ণ ভবনগুলোর। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের (ইইডি) মাধ্যমে গত ১০ বছরে সারা দেশে মোট ২৩ হাজার ৯৭৯টি নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জরাজীর্ণ আরও সাত হাজার ৬৪১টি ভবন সংস্কার করা হয়েছে। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের গাইড লাইন অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার বিবেচনা করে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। আর ই-টেন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অবকাঠামো নির্মাণের কার্যাদেশ দেওয়ায় নির্মাণ কাজের গুণগত মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হয়েছে। দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা জানান, সরকারি হাইস্কুল ও কলেজগুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে ৬ থেকে ১০তলা পর্যন্ত ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। বাড়তি সুবিধা দিতে লিফটও স্থাপন করা হচ্ছে ভবনগুলোতে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে প্রতি বছর দেড় হাজার থেকে দুই হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নতুন ভবন নির্মাণ করা সম্ভব হবে। ২০২১ সালের পর স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় অবকাঠামো নির্মাণের আর কোনও কাজ বাকি থাকবে না।
আরো ২ কোটি মানুষের হাতে বই তুলে দিতে চায় বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
৭ ফেব্রুয়ারী ,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম : আলোকিত মানুষের খোঁজে পেরিয়ে আসা চার দশক। জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালাতে ৯০ লাখ পাঠকের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে বই। আগামী এক দশকে বই তুলে দেয়া হবে আরো দুই কোটি পাঠকের হাতে। সেই স্বপ্নের কথা জানালেন বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। যাত্রা শুরু ১৯৭৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর। আজকের এই বহুতল ভবনের আড়ালে রয়ে গেছে লাল রঙের দোতালা দালান। উদার ছাদ। আম্রমুকুল আর মহুয়ার সৌরভ এবং এক চিলতে সবুজ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কাজও বেড়েছে। পাঠচক্র, স্কুল-কলেজ কর্মসূচি, আলোর ইশকুল এবং পাঠকের দরজায় বই পৌঁছে দিতে ভ্রাম্যমাণ পাঠাগার। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য আমীরুল ইসলাম বলেন, স্কুল কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা আছেই। এর সংগে যে ঘাটতি থাকে ভালোবাসা মানুষের প্রতি মমতা প্রকৃতির প্রতি প্রেম এই প্রত্যেকটি জিনিস সুন্দরভাবে অন্তর্জগতে তৈরি হয়। ঠিক এই কারণেই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনীয়তা ফুরাবে না।' পাঠ্যক্রমের বইয়ে হাঁপিয়ে উঠা শিক্ষার্থীদের আনন্দ পাঠ উপহার যেমন দিয়েছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, তেমনি সমাজের আঁধার কাটাতে সকল বয়সী মানুষকে বইয়ের আলোয় আলোকিত করতে সময়ের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নতুন উপায় খুঁজে বেড়াচ্ছে কেন্দ্র। অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বিশ্বাস করেন, প্রযুক্তির আলো বইয়ের আলোকে ম্লান করতে পারবে না। তিনি বলেন, পুঁজিবাদ টাকা চায়, তার ফলে মানুষ সুন্দর বড় উন্নত জীবন থেকে সরে সে একটা পণ্যে পরিণত হয়েছে। এই বইকে যদি পৃথিবী ছেড়ে যায় তাহলে সেদিন মানুষ এবং জন্তুর কোন পার্থক্য থাকবে না।' জন্মদিন পেরিয়ে এসে ৮ ফেব্রুয়ারি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে ঘিরে উৎসবে মেতে উঠার জন্য তৈরি আলোর পথের যাত্রীরা। মানুষের স্বপ্ন এবং চিন্তার প্রতিফলন ঘটাতে হলে বই পাঠের কোন বিকল্প নেই। ৪০ বছর ধরে বই চর্চা করে যাচ্ছে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র। বর্তমানে প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়ে গেলেও মানুষের মাঝে বই চর্চাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে চায় এই সংস্থাটি।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু
২ ফেব্রুয়ারী শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষা চলবে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের পরীক্ষায় মোট ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ এবং ছাত্রী ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন। এছাড়াও সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চ, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৬ মার্চ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২৪ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২০১৮ সালের তুলনায় এ বছর ১ লাখ ৩ হাজার ৪৩৪ জন শিক্ষার্থী বেশি পরীক্ষা দেবে। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা বেড়েছে ৪৭ হাজার ২২৯ এবং ছাত্রী সংখ্যা বেড়েছে ৫৬ হাজার ২০৫ জন। এবার আটটি সাধারণ বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭ লাখ ১০২ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৩ লাখ ১০ হাজার ১৭২ জন এবং কারিগরি ভোকেশনাল ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৯ জন রয়েছে। মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৩ হাজার ৪৯৭ এবং প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৮ হাজার ৬৮২টি। এছাড়াও বিদেশি আটটি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৪৩৪ জন্য পরীক্ষার্থী রয়েছে। পরীক্ষার দিন সকালে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি রাজধানীর আশকোনার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করবেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এসএসসি ও এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার প্রথম দিন বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র অনুষ্ঠিত হবে। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতায় প্রথম দিন কোরআন মাজিদ ও তাজবিদ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা পরীক্ষা গ্রহণ চলবে। এসএসসি পরীক্ষায় বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া সব বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে এবার পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
এবার এসএসসি পরীক্ষা হবে নকল ও প্রশ্নফাঁসমুক্ত: শিক্ষামন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি বলেছেন, আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। সেটি আমাদের সবার জন্যই কিন্তু পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় সবাই যেন ভালোভাবে উত্তীর্ণ হতে পারি। সেই পরীক্ষা হবে প্রশ্নফাঁসমুক্ত, নকলমুক্ত, সুষ্ঠু ও সুন্দর পরীক্ষা। মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে ৪৮তম শীতকালীন জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বিভাগের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার আগে কোনও ধরনের অনৈতিক পথের খোঁজে না নামার জন্য অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী। এ সময় মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার্থীরা সঠিকভাবে পড়াশোনা করবে, ঠিকভাবে পরীক্ষা দেবে, ভালো ফলাফল করবে। সেটিই আমরা চাই। অনৈতিক পথে হেঁটে কখনও ভালো ফল পাওয়া যায় না। কোনোভাবেই যেন দুর্বৃত্তরা এ প্রক্রিয়াটিকে নষ্ট করবার কোনও অপচেষ্টা চালাতে না পারে। মন্ত্রী আরও বলেন, যদি প্রশ্নপত্র পাওয়ার ব্যাপারে অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের আগ্রহ না থাকে, চেষ্টা না থাকে পাবার, তবে অপকর্মটি যারা করে তাদের সেই চেষ্টা থাকবে না। কারণ তারা লাভবান হতে পারবে না। কাজেই সকলেরই করণীয় আছে। এর আগে প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন-ফেস্টুন, পায়রা উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। এবারের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি এক মাস কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ: শিক্ষামন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: এসএসসি পরীক্ষা সামনে রেখে প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে আগামী ২৭ জানুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি এক মাস কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি। আজ রোববার সচিবালয়ে আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা বিষয়ে জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী এ নির্দেশ দেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যারা প্রশ্ন ফাঁসের গুজব তৈরির চেষ্টা করে তারা নজরদারিতে আছে। এ ব্যাপারে বিটিআরসিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া আছে। দিপু মনি বলেন, প্রশ্ন ফাঁস রোধে সিলগালা প্যাকেটের সঙ্গে এবার ফয়েল পেপার মোড়ানো থাকবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে শিক্ষার্থীকে হলে প্রবেশ করতে হবে। আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। প্রায় ২১ লাখ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেবে।
সরকার শিক্ষা প্রসারে বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
অনলাইন ডেস্ক: শিক্ষার প্রসারে সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী পরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম বলেছেন, মেধার সঠিক বিকাশ ঘটাতে গেলে অবকাঠামোগত ও পরিচ্ছন্ন শিক্ষার পরিবেশ দরকার। শহুরে সব সুযোগ-সুবিধা প্রত্যন্ত গ্রামেও একইভাবে বিদ্যমান করতে শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। সেই লক্ষ্যে প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসায় প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি অব্যাহত রয়েছে। চার কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রুমখাঁ পালং ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার নতুন চারতলা ভবন ও পালং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভিক্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মো. শফিউল আলম এসব কথা বলেছেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর-কক্সবাজার জোনের অধীনে উন্নয়ন কাজ দুটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। রোববার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রধান কার্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বুলবুল আক্তার, কক্সবাজার জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার নাজমুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মৃদুময় চাকমা, হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আলমসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে এডভোকেট দিপংকর বড়ুয়া পিন্টু মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলমকে পুষ্পস্তবক দিয়ে স্বাগত জানান। আগামী অর্থবছরের শেষে এ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার নাজমুল ইসলাম।
কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি ২০১৮ সালে: শিক্ষামন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি। শুক্রবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে চাঁদপুরে একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। প্রশ্নফাঁস রোধে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি বলেন, ২০১৮ সালে কোনো প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। কাজেই আমরা বিশ্বাস করি এ বছরও পরীক্ষা ভালোভাবে করতে পারবো। তবে সেখানে সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতা আমাদের দরকার। সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের মধ্যে দিয়ে আমরা পাবো এই প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে।
কঠোর ব্যবস্থা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বাড়তি ফি নিলে: শিক্ষামন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে বিশ্বাসের ওপর আমাদের মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব দিয়েছেন, আমরা তার বিশ্বাসের মর্যাদা দিয়ে দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাব। মন্ত্রিত্ব পেয়ে যেন অহংকারবোধ চলে না আসে সে ব্যাপারে নজর রাখার আহ্বান জানিয়েছেন নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, অতি উৎসাহী হয়ে কেউ যেন এমন কোনো আচরণ না করে যাতে করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দীপু মনি শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্বাচন-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের ভর্তি, পরীক্ষাসহ সকল ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি নেয়া হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুশিয়ারি দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, ভর্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি আদায় নিয়ম-বহির্ভূত কাজ এবং অন্যায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে দীপু মনি বলেন, যেসব বিদ্যালয়ে নিয়ম বেঁধে দেয়া আছে সেই নিয়ম মেনে তারা ভর্তি করবেন। কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়া হবে। শিক্ষার মান উন্নয়ন প্রসঙ্গে দীপু মনি বলেন, বছরের প্রথমদিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া, প্রতিটি শিশুকে স্কুলমুখী করা এবং ঝরেপড়া রোধসহ শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপনসহ যেসব সাফল্য রয়েছে সেসব সাফল্য এগিয়ে নিতে আগামী পাঁচ বছরে এ ধারা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া অন্যান্য যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে তা মোকাবেলা করা হবে। শিক্ষার মান উন্নয়নে যা কিছু প্রয়োজন তার সব কিছু করা হবে। আর এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তরপুরচন্ডী ইউনিয়ন, কল্যাণপুর ইউনিয়ন, বিষ্ণুপুর ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সাথে নির্বাচন-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন পথসভায় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শওকত ওসমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু জাহেদ পারভেজ চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল, সহ-সভাপতি জেআর ওয়াদুদ টিপু প্রমুখ।
সবার সহযোগিতা প্রয়োজন প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে: শিক্ষামন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষা মন্ত্রালয়ের কিছু জায়গায় কাজ বাকি রয়েছে। সেগুলো শুরু থেকেই সবার সহযোগিতা নিয়ে করা হবে। পাশাপাশি সব চাইতে বড় সমস্যা যেটি প্রশ্নপত্র ফাঁস, সেটি রোধ করতে হলে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বেশি সহযোগিতা লাগবে। ফাঁসকৃত প্রশ্নের যত বেশি চাহিদা থাকবে, অসৎ উপায় অবলম্বনকারীরা ততৎ বেশি বের করার চেষ্টা করবে। আমাদের দায়িত্ব হলো এটি কোনভাবেই যেন বের না হয়। আর এক্ষেত্রে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা যদি চায় আমরা এসব প্রশ্ন গ্রহণ করব না। তাহলে আমাদের প্রচেষ্টা থাকলে এটি বন্ধ করা সম্ভব হবে। এরপরেও যদি কেউ করে তাহলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে চাঁদপুর সফরে আসলে সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনে সারাদেশের মানুষ আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাদের বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন। যার ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবার নতুন করে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আমরা কাজ করব। পাশপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও সবার সহযোগিতা নিয়ে কাজ করবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কানিজ ফাতেমা, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারীসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী।