বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৪, ২০১৯
সহকারী শিক্ষক হিসেবে প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ
১৭মে,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮ এর পরীক্ষা চার ধাপে নিতে বৃহস্পতিবার পরীক্ষার সংশোধিত তারিখ এবং কোন ধাপে কোন কোন জেলার পরীক্ষা হবে তা প্রকাশ করা হয়। তিন পার্বত্য জেলা বাদে ৬১ জেলার ২৪ লাখ এক হাজার ৯১৯ জন প্রার্থী ১৩ হাজার পদের বিপরীতে এই পরীক্ষায় অংশ নেবেন। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৪ মে, ৩১ মে, ১৪ জুন এবং ২১ জুন সকাল ১০টায় প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। নতুন সূচি অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ২৪ মে এবং দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা ৩১ মে-ই নেওয়া হবে। তবে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপের পরীক্ষা হবে ২৮ জুন। এর আগে গত ১৭ মে থেকে এই পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও ওই দিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা থাকায় এই নিয়োগ পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেতে গত বছরের ১ থেকে ৩০ অগাস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করেন চাররিপ্রার্থীরা। প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে কয়েক গত কয়েক বছর ধরে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন পরীক্ষার দিন সকালে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ছাপিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য মনোনীত করা হবে। দেশের ৬৩ হাজার ৬০১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৩ লাখ ২২ হাজার ৭৬৬ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে দুপুরের খাবার
১৫মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশের ১০৪টি উপজেলার সবগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুপুরে রান্না করা খাবার দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রায় ৩২ লাখ শিক্ষার্থীকে এর আওতায় আনা হবে। জাতীয় স্কুল মিল নীতি অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে এ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফও) সহযোগিতায় জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা, বান্দরবানের লামা উপজেলা, বরগুনার বামনা উপজেলায় ২০১৩ সালে এ প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে চালু করা হলেও, এখন দেশের দারিদ্র্য প্রবণ এলাকার সকল সরকারি প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রকল্পটি চালু করতে চায় তারা। আগামী জুলাই থেকে আরও ১৬টি উপজেলায় চালু হবে দুপুরে খাবার দেয়ার এই কর্মসূচি। পরে এর আওতায় আসবে ১০৪টি উপজেলার সবগুলো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেন, ১৬টি উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি দেখে বাকি উপজেলাগুলোতে কীভাবে কাজ করা হবে, তার ছক কষা হবে। আগামী বছরের মধ্যে এসব প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের আশা প্রকাশ করেন তিনি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ কোটির বেশি। এর মধ্যে দারিদ্র্য প্রবণ ১০৪টি উপজেলায় শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩২ লাখের মতো। এসব উপজেলায় স্কুল মিল নীতি বাস্তবায়ন করতে গেলে বছরে ৮ হাজার কোটি টাকা লাগবে বলে হিসাব কষেছে মন্ত্রণালয়। আকরাম হোসেন আরও বলেন, আমরা ৮ হাজার কোটি টাকা চেয়েছি। সারাদেশে বাস্তবায়ন করতে গেলে এই টাকাটা লাগবে। তবে সরকারি সহযোগিতা ছাড়াও বেসরকারি পর্যায় থেকে কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে তাও আমরা নেব। জাতীয় স্কুল মিল নীতির দায়িত্বে থাকা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব বাজেট থেকে প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থ বিভাগও এ প্রকল্পে অর্থ দেবে। স্কুল মিল নীতি প্রকল্পের ওপিডি নূরুন্নবী সোহাগ বলেন, সরকারি প্রাথমিক স্কুলে দুপুরের খাবার দিতে গিয়ে শিক্ষার্থীপ্রতি ১৬ টাকা খরচ হবে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অধীনে একটি সেল বা ইউনিট গঠন করা হবে। কার্যক্রমের পরিধি সম্প্রসারণে একটি পৃথক জাতীয় স্কুল মিল কর্মসূচি কর্তৃপক্ষ গঠনের চিন্তাও রয়েছে। এছাড়া বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কারিগরি সহায়তায় বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে পরে একটি খাদ্য ও পুষ্টি গবেষণা উন্নয়ন কেন্দ্র গঠন করবে মন্ত্রণালয়।
অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে নতুন স্কুল কলেজের শিক্ষকদের
১৩মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে। দীর্ঘ ৯ বছর বন্ধ থাকার পর এমপিওভুক্ত (বেতনের সরকারি অংশ পাওয়া) হচ্ছে দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সর্বশেষ ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। বাজেটে অপ্রতুল বরাদ্দের কারণে নতুন করে এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল। আগামী অর্থবছরে এ খাতে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হতে পারে। খবর অর্থ বিভাগ সূত্রের। সূত্র জানিয়েছে, কতগুলো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে তা ঠিক করা হয়নি। তবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একসঙ্গে এমপিওভুক্ত করা সম্ভব নয়। পর্যায়ক্রমে তিন অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে। সূত্র জানিয়েছে, ৯ বছরে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গত বছরের জুলাই থেকে এমপিওভুক্তির আবেদন নেওয়া শুরু করে সরকার। অনলাইনে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার আবেদন জমা পড়ে। ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২ হাজার ৭৬২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্য বিবেচনা করেছে। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অধীন স্কুল ও কলেজ এক হাজার ৬২৯টি, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের অধীন মাদ্রাসা ৫৫১টি এবং কারিগরি প্রতিষ্ঠান ৫৮২টি। অর্থ বিভাগের হিসাব অনুসারে এসব প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হলে সরকারের বাড়তি খরচ হবে ১ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ জন্য অর্থ বরাদ্দও চেয়েছে। ফলে আগামী অর্থবছরের বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ খাতে এক হাজার কোটি টাকা রাখা হতে পারে। এমপিওভুক্তির জন্য প্রাথমিকভাবে ৩৩২টি স্কুল এবং ২৯৯টি কলেজের একটি তালিকা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে হিসেবে স্কুলের জন্য আগামী বাজেটে ২৪২ কোটি ৫১ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হতে পারে। কলেজের জন্য রাখা হতে পারে ৬২৭ কোটি টাকা। এ ছাড়া মাদ্রাসার জন্য বাকি অর্থ বরাদ্দ রাখা হতে পারে। প্রসঙ্গত, যেসব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসে বেতন-ভাতা বাবদ সরকারি অংশ (মূল বেতন ও কিছু ভাতা) দেওয়া হয়, সেগুলোকে এমপিওভুক্ত বলা হয়। আর যেগুলো এমপিওভুক্ত নয়, সেগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা পান না। জানা গেছে, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা খাতে ৫৩ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এটি মোট বরাদ্দের ১১ দশমিক ৪ শতাংশ। গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে শিক্ষায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ১২ দশমিক ৬ শতাংশ। অবশ্য চলতি বাজেটে শিক্ষায় এ বরাদ্দ জিডিপির অনুপাতে ২ দশমিক ০৯ শতাংশ, যা আগের বছরের সমান। সারাদেশে বর্তমানে ২৬ হাজার ১৮০টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত। এর মধ্যে স্কুল ১৬ হাজার ১৯৭টি, কলেজ ২ হাজার ৩৬৫টি, মাদ্রাসা ৭ হাজার ৬১৮টি। এ খাতে সরকারের ব্যয় বরাদ্দ আছে বছরে ১৪ হাজার ১৮২ কোটি টাকা। এ ব্যয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেটের ৬৩ শতাংশের বেশি।
আজ থেকে একাদশে ভর্তি কার্যক্রম শুরু
১২মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আজ। দুপুর ১২টায় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী ঢাকা শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা অনলাইন ও মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। জিপিএর ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি হতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। গতকাল আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক এ তথ্য জানিয়েছেন। আজ থেকে শুরু হয়ে আগামী ২৩শে মে পর্যন্ত অনলাইন ও এসএমএসে আবেদন করা যাবে। আর জুন মাসের মধ্যে ভর্তির কাজ শেষ হয়ে আগামী ১লা জুলাই থেকে ক্লাস শুরু হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশের ৮টি সাধারণ বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ড থেকে ২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে উত্তীর্ণরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবেন।আর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভর্তির ক্ষেত্রে এবার সর্বোচ্চ ২২ বছর বয়স নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে পাসের বছর বিবেচ্য হবে না। আর ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদনকারীদেরও এই সময়ের মধ্যেই ভর্তির আবেদন করতে হবে। অনলাইনে শিক্ষার্থীরা ভর্তি আবেদনের ক্ষেত্রে ( www.xiclassadmission.gov.bd) এবং টেলিটক মোবাইল থেকে এসএমএস করতে পারবেন।
এসএসসি ও সমমানের পাসের হার ৮২ শতাংশ
৬মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশে ২০১৯ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সোমবার (০৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তে ফলাফল ঘোষণা করেন। এর আগে শিক্ষামন্ত্রীর হাতে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা। দুপুর ১২টা থেকে ফল পাওয়া যাবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন বোর্ড চেয়ারম্যানরা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষামন্ত্রী ফলাফলের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডনে চোখের চিকিৎসায় অবস্থান করায় এবার বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে ফল হস্তান্তর করেন। তবে প্রধানমন্ত্রী ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে লন্ডন থেকে একটি বাণী পাঠিয়েছেন। সেই বাণী পড়ে শোনান শিক্ষামন্ত্রী। পরে প্রধানমন্ত্রী মোবাইল ফোনে শুভেচ্ছা জানিয়ে কথা বলেন। তা মাইকে শোনানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. হোসাইন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর। এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক এবং বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা । এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। এরমধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন ছাত্রী এবং ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন ছাত্র। গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লিখিত বা তত্ত্বীয় বিষয়ের পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও বিশ্ব ইজতেমার কারণে ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি এবং ২ মার্চ শেষ হয়। এছাড়াও আইসিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ে একাংশ ভুলে মুদ্রণ হওয়ায় ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়ের পরীক্ষা পিছিয়ে ১৩ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ২ মার্চ নেওয়া হয়। বরাবারের মতো এবারও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে গিয়ে ফল ডাউনলোড করা যাবে। পাশাপাশি যে কোনো মোবাইল ফোন থেকে এসএমএস করে ফল জানা যাবে। যে কোনো মোবাইল ফোন অপারেটর থেকে মেসেজ করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানা যাবে। ফল জানার জন্য SSC/DAKHIL লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। বোর্ড থেকে ফলের কোনো হার্ডকপি সরবরাহ করা যাবে না। তবে বিশেষ প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তর থেকে ফলের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি জানিয়েছে। ফল পুনঃনিরীক্ষা :রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক থেকে আগামী ৭ থেকে ১৩ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে। ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) দেওয়া হবে। আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য ১২৫ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে। যেসব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে, যেগুলোর ফল পুনঃনিরীক্ষায় ২৫০ টাকা ফি কাটা হবে। একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে। এ ক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে কমা দিয়ে লিখতে হবে।
এসএসসির ও সমমানের ফল প্রকাশ
৬মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২১ লাখ শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান হলো। সোমবার (৬ মে) বেলা ১১টার দিকে ফল ঘোষণা করা হয়। শিক্ষামন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন ছাত্রী এবং ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন ছাত্র। এবার দেশের ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ মার্চ পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয়। প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষের ৬০ দিনের মধ্যে পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। আগামী ৯ মে পরীক্ষা শেষের ৬০তম দিন পূর্ণ হবে। এবার তার তিন দিন আগেই ফল প্রকাশ হতে যাচ্ছে। এসএমএস ও ইন্টারনেটে ফল যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানা যাবে। এজন্য SSC/DAKHIL লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৯ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাবে। এছাড়া শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট http://www.educationboardresults.gov.bd থেকেও পরীক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবে। বোর্ড থেকে ফলাফলের কোনো হার্ডকপি সরবারহ করা হবে না। তবে বিশেষ প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতর থেকে ফলাফলের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে। ফল পুনঃনিরীক্ষা ফল পুনঃনিরীক্ষার জন্য টেলিটক মোবাইল থেকে আগামী ৭-১৩ মে পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) দেওয়া হবে। আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য ১২৫ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে। তবে যেসব বিষয়ের দু’টি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে যেসব বিষয়ে আবেদন করলে দু’টি পত্রের জন্য ২৫০ টাকা ফি কাটা হবে। শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ২১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ১০ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯২ জন ছাত্রী এবং ১০ লাখ ৭০ হাজার ৪৪১ জন ছাত্র।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে সোমবার
৫মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে আগামীকাল সোমবার। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আর দুপুর ২টার পর থেকে পরীক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। এজন্য SSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। মাদরাসা বোর্ডের ক্ষেত্রে Dakhil লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে আবার স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সাল লিখে পাঠাতে হবে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। এছাড়াও কারিগরি বোর্ডের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার ফল জানতে ssc লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
৬ মে এসএসসির ফল প্রকাশ
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হচ্ছে ৬ মে সোমবার। এ দিন সকাল ১০টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির হাতে ফলাফল তুলে দেওয়া হবে।অন্যান্য বছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফল তুলে দিতেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা। এবার প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকায় তার অনুমতি নিয়ে এ ফল প্রকাশ করা হচ্ছে।আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষের ৬০ দিনের মধ্যে পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। সে অনুযায়ী আগামী ৯ মে এসএসসি পরীক্ষা শেষের ৬০তম দিন পূর্ণ হবে। তবে এবার তার তিন দিন আগেই ফল প্রকাশ করা হচ্ছে।
RAB মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদের ডক্টরেট লাভ
০২মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেছেন RAB মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। বৃহস্পতিবার RAB ফোর্সেস সদরদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগ থেকে এবং বিজনেস স্টাডিজ ফ্যাকাল্টির ডিন প্রফেসর শিবলী রুবায়েত উল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ডিবিএ প্রথম ব্যাচের প্রথম শিক্ষার্থী হিসেবে ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) ডিগ্রি অর্জন করলেন বেনজীর আহমেদ।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তার গবেষণা মূলত বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে নিয়োজিত শান্তিরক্ষীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল।বেনজীর আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ এবং এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি এমবিএ ডিগ্রিও অর্জন করেন।১৯৮৮ সালে সপ্তম বিসিএসের মাধ্যমে পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার পদে যোগ দেন বেনজীর আহমেদ।