বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৪, ২০১৯
ঢাবির ক- ইউনিটে পাসের হার ১৩.০৫ শতাংশ
২০অক্টোবর,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবছর ক ইউনিটে সমন্বিতভাবে পাসের হার মোট পরীক্ষার্থীর ১৩.০৫ শতাংশ। পরীক্ষায় নৈর্ব্যক্তিক অংশে পাস করেছে ২৫ হাজার ৯২৭ জন। আর নৈর্ব্যক্তিক ও লিখিত অংশে সমন্বিতভাবে পাস করেছে ১১ হাজার ২৭ জন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান রোববার (২০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কেন্দ্রীয় ভর্তি কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এই ফলাফল প্রকাশ করেন। এবছর 'ক' ইউনিটের ১ হাজার ৭৯৫টি আসনের বিপরীতে আবেদন করে ৮৮ হাজার ৯৯৬ শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ৮৫ হাজার আটশত ৭৯ জন পরীক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।
ইচ্ছেমতো বদলি হতে পারবেন প্রাথমিক শিক্ষকেরা
১৯অক্টোবর,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আবারো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নীতিমালা পরিবর্তন হচ্ছে। এখন থেকে প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে নম্বর মূল্যায়ন করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বদলি নীতিমালা সংশোধনের কাজ শুরু হয়েছে। এজন্য চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান হিসেবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বদরুল হাসান বাদলকে আহ্বায়ক করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালকসহ চারজনকে সদস্য করা হয়েছে। জানা গেছে, বদলি কার্যক্রম অনলাইনভিত্তিক করতে একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে বছরে শুধুমাত্র জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত- এ তিন মাস নয়, সারা বছরই শিক্ষক বদলি করা যাবে। শিক্ষক বদলির জন্য একজন শিক্ষকের জ্যেষ্ঠতা, ইনোভেশন (উদ্ভাবনী দক্ষতা), শ্রেষ্ঠ পুরস্কারসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১০০ নম্বর নির্ধারণ করা হতে পারে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রাথমিক শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে সফটওয়্যারে একটি আবদেনপত্র দেয়া হবে। সেখানে আবেদকারীর বিভিন্ন তথ্য দিয়ে তা পূরণ করতে হবে। বদলিপ্রত্যাশীরা এসব তথ্য যুক্ত করলে অটোমেটিক তার প্রাপ্ত নম্বর যোগ হয়ে যাবে। এক আসনে একাধিক আবেদনকারী থাকলে যার প্রাপ্ত নম্বর বেশি হবে তিনি বদলির জন্য মনোনীত হবেন। এছাড়া আবেদন ফরমে শিক্ষকরা বদলির জন্য জেলা-উপজেলার একাধিক বিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবেন। এ বিষয়ে কমিটির প্রধান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) বদরুল হাসান বাদল বলেন, অনলাইনভিত্তিক শিক্ষক বদলি কার্যক্রমের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এজন্য শিক্ষক বদলি নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে মন্ত্রণালয়ে সভা হয়েছে। সেখানে বদলি নীতিমালা পরিবর্তনের বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে নম্বর যুক্ত করা হতে পারে। আবেদকারীর জ্যেষ্ঠতা, উদ্ভাবনী দক্ষতা, অর্জন এবং তার পাঠদানের কৌশল ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ফলাফলের ওপর নির্ণয় করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে নম্বর যুক্ত করা হবে। এটি ১০০ নম্বর হতে পারে। বিভিন্ন বিষয়ের ওপর সফটওয়্যারের মাধ্যমে আবেদনকারীর নম্বর মূল্যায়ন করা হবে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক পছন্দের স্থানে বদলি হতে পারবেন। বদরুল হাসান বাদল বলেন, কেউ যদি ঢাকা মহানগরীতে বদলি হতে চান তাহলে তিনি আবেদন করবেন। নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যিনি বেশি নম্বর পাবেন তাকে বদলি করা হবে। তবে সকল মূল্যায়নে যদি সমান সমান নম্বর পান সেক্ষেত্রে যিনি আগে আবেদন করবেন তাকে বদলির জন্য মনোনীত করা হবে। তিনি বলেন, নীতিমালা সংশোধনের কাজ শেষপর্যায়ে, সফটওয়্যার তৈরির কাজও শুরু হয়েছে। এতে কী কী বিষয় যুক্ত করা হবে সেসব বিষয় নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে, আরও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বদলির জন্য যেসব বিষয় প্রয়োজনীয়, সেসব বিষয় সফটওয়্যারের মধ্যে যুক্ত করা হবে। আগামী বছর থেকে অনলাইনে শিক্ষক বদলির কার্যক্রম শুরুর লক্ষ্যে তারা এ কার্যক্রম শুরু করেছেন বলেও জানান বদরুল হাসান বাদল।
সকল ক্ষেত্রে রাজনীতিকে দোষ দিলে হবে না : শিক্ষামন্ত্রী
১২অক্টোবর,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সকল ক্ষেত্রে রাজনীতিকে দোষ দিলে হবে না। বুয়েটে যেই ঘটনাটি ঘটেছে সেখানে অপরাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার সবকিছু হয়তো একটি ভূমিকা পালন করেছে। আজ শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। দীপু মনি প্রশ্ন রেখে বলেন, রাজনীতি ছাড়া দেশ চলে? আপনি যা কিছু করবেন তা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তেই চলে। কিন্তু রাজনীতিটা যেন সুষ্ঠু হয়, সুস্থ ধারার হয়। রাজনীতিকে যেন কেউ ক্ষমতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে কোনও অপকৃতি করতে না পারে। এটির জন্য রাজনৈতিক সংগঠনের পাশাপাশি সমাজের সকলকে সচেতন হতে হবে। আর এক্ষেত্রে গণমাধ্যম কর্মীদেরও একটি বিরাট ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আবাসিক হলগুলোতে Raging, বুলিংয়ের অপসংস্কৃতি ছিল দীর্ঘদিন ধরে। এটি পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই আছে এবং তা নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। সেটি বন্ধ করার ক্ষেত্রে বুয়েটের ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবকদের আগে থেকেই যদি একটু উদ্যোগ থাকতো, তাহলে এ ধরনে ঘটনা ঘটতো না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাংগঠনিক রাজনীতি চলবে কি না সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে জানিয়ে তিনি বলেন, যেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ১৯৭৩ সালের অধ্যাদেশ দিয়ে চলে, তারা তাদের অধ্যাদেশ অনুযায়ী এবং বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের নিজস্ব আইন দ্বারা পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে সাংগঠনিক রাজনীতি চলবে না বন্ধ হবে তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নাছির উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল। পরে দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।
উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) এর অধীনে ২০১৯ সালের এইচএসসি প্রোগ্রামের ১ম ও ২য় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য গণসংযোগ বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মহা. শফিকুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এবার বাউবির এইচএসসি প্রোগ্রামের ১ম ও ২য় বর্ষের পরীক্ষায় মোট ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৬৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। এরমধ্যে চূড়ান্ত পরীক্ষায় মোট ৭০ হাজার ৮১৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। চূড়ান্ত পরীক্ষায় বিভিন্ন গ্রেডে মোট ৩৪ হাজার ২৫১ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়। পাশের হার শতকরা ৪৮ দশমিক ৩৭ ভাগ। কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৪০ জন এ ৪ হাজার ২২৮ জন এ(-) ১২ হাজার ২৭৯ জন বি ১৪ হাজার ১৪১ জন সি এবং ২ হাজার ৯৬৩ জন ডি গ্রেডে উত্তীর্ণ হয়েছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৭ হাজার ৪২৫ জন ছাত্র এবং ১৬ হাজার ৮২৬ জন ছাত্রী । একই সঙ্গে ৭৭ হাজার ৮৪৯ জন প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীর পরীক্ষার ফলও প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের (GPA) bou.ac.bd এবং Detail Result- exam.bou.edu.bd ঠিকানায় পাওয়া যাবে। এছাড়াও ঝগঝ এর মাধ্যমে চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়ার জন্য bou.space.student ID (11digits without any space, for example 13011810001) লিখে বাংলালিংক-এ ২৭০০ এবং অন্যান্য অপারেটরে ২৭৭৭ এ SMS পাঠাতে হবে।
কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন জাবি উপাচার্য
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ফেঁসে যাচ্ছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম। উপাচার্যের বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ঘটনার সত্যতা মিললে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে। কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে পদ ছাড়তে হয়েছে। একই অভিযোগ উঠেছে জাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একটি পক্ষ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। সে অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে উপাচার্যকে পদ থেকে সরে যেতে হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কমিশন কেলেঙ্কারির ঘটনায় জাবি উপাচার্য দায় এড়াতে পারেন না। একজন উপাচার্যের কাছে ছাত্রনেতারা কীভাবে কমিশন দাবি করার সাহস পান, এ বিষয় নিয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে উপাচার্য কীভাবে বৈঠক করেন। এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন রোববার বলেন, জাবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গোপনভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, অভিযোগ খুবই গুরুতর, তবে বিষয়টি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। প্রয়োজনে এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হতে পারে। অভিযোগের সত্যতা মিললে দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে একাধিক সূত্র জানায়, জাবি উপাচার্য একাধিকবার ছাত্রলীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বিষয়টি সরকারের নীতিনির্ধারকদের নজরে আছে। ছাত্রলীগের দুই নেতাকে অব্যাহতির ঘটনার পর এখন উপাচার্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তোলা হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আমির হোসেন বলেন, কমিশন আদায় করার বিষয়টি নিয়ে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়েছে। কেউ কেউ উপাচার্যের এমন ঘটনা মেনে নিতে পারছেন না, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছেন। তবে এ নিয়ে একাডেমিক কার্যক্রমে কোনো প্রকার প্রভাব ফেলেনি বলে জানান এই শিক্ষক। বিজনেস বাংলাদেশ ।
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশ
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট ৫৫ হাজার ২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয় বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে জানা গেছে। যেভাবে জানবেন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার রেজাল্ট পাওয়া যাবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট http://www.dpe.gov.bd/ তে। চার ধাপে এ পরীক্ষার ফলাফল পিডিএফ আকারে প্রকাশ করা হবে৷ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল দেখতে http://www.dpe.gov.bd/site/view/notices এই লিংকে ক্লিক করতে হবে। এরপর পিডিএফ ফরমেটে ফলাফল প্রকাশ সম্পর্কিত ফাইল দেখতে পাবেন। উক্ত ফাইলটি ডাউনলোড করে শিক্ষক নিয়োগের ফলাফল দেখতে পারবেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার প্রথম ধাপ গত ২৪ মে, দ্বিতীয় ধাপ ৩১ মে, তৃতীয় ধাপ ২১ জুন এবং চতুর্থ ধাপের পরীক্ষা ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হয়। গত বছরের ৩০ জুলাই সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ১ থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়। ১২ হাজার আসনের বিপরীতে সারাদেশ থেকে ২৪ লাখ ৫ জন প্রার্থী আবেদন করেন। সে হিসাবে প্রতি আসনে প্রায় ২০০ প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
ভিকারুননিসার নতুন অধ্যক্ষ ফওজিয়া
১৫সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাজধানীর সবুজবাগ সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ফওজিয়াকে ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ (প্রেষণে) দিয়েছে সরকার। রোববার (১৫সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অধ্যক্ষ ফওজিয়াকে সংযুক্ত দেওয়া হয়েছিল সবুজবাগ সরকারি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পদে। ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ফেরদৌসী বেগমের স্থালাভিষিক্ত হলেন অধ্যক্ষ ফওজিয়াকে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তিনি নিজ বেতনক্রম অনুযায়ী বেতন-ভাতা গ্রহণ করবেন এবং পদ সংশ্লিষ্ট ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। প্রতিষ্ঠান থেকে বিনা ভাড়ায় তার বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হলে তিনি কোনো বাড়িভাড়া ভাতা পাবেন না। সরকারি বাসায় বসবাস করলে বাড়িভাড়াসহ সব সরকারি পাওনা নিজ দায়িত্বে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতে জমা দেবেন। তিনি তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বাধ্যতামূলক ভবিষ্যৎ তহবিল, গোষ্ঠী বিমা ও অন্যান্য তহবিলে চাঁদা দেবেন। তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী তার লিভ সেলারি ও পেনশনের চাঁদাও দেবেন। সরকারের প্রচলিত বিধি-বিধান ও আদেশ অনুসারে তার চাকরি নিয়ন্ত্রণ হবে বলেও আদেশে বলা হয়েছে। গত বছর ঢাকার বেইলি রোডে অবস্থিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যার ঘটনায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মুখে ভিকারুননিসার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌসসহ তিন শিক্ষককে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব চালিয়ে আসছেন কলেজ শাখার সহকারী অধ্যাপক হাসিনা বেগম। তিনি অর্থনীতি বিষয়ের শিক্ষক। এরপর গত এপ্রিলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত হলেও অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তা বাতিল করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
আর থাকছে না জিপিএ-৫!
০৫সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাবলিক পরীক্ষার ফলে সর্বোচ্চ গ্রেড জিপিএ-৫ এর বদলে জিপিএ-৪ চালু করতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এজন্য কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে। বহির্বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থায় জিপিএ-৫ না থাকায় এবং দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও সিজিপিএ-৪-এ ফল প্রকাশ হওয়ায় বিদেশে পড়াশোনা ও চাকরির বাজারে উদ্ভুত সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে গ্রেড পয়েন্ট কমানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বেলা দেড়টায় এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার ফলে জিপিএ-৫ ( গ্রেড পয়েন্ট অ্যাভারেজ-৫) এর বদলে জিপিএ-৪ চালুর লক্ষ্যে অংশীজনদের নিয়ে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বুয়েটের অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায়োগিক পরিসংখ্যান ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাহাদাত হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক এসএম হাফিজুর রহমান ও হোসনে আরা বেগম, গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী প্রমুখ শিক্ষাবিদ রয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তা, সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান, জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) বিশেষজ্ঞ, বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ, বাংলাদেশ পরীক্ষা উন্নয়ন ইউনিট (বেডু) কর্মকর্তাদের ডাকা হয়েছে।