বুধবার, জানুয়ারী ২২, ২০২০
আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত জাতি গঠনে কাজ করছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
১৭জানুয়ারী,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সফল অংশীদার হওয়ার লক্ষ্যে সরকার আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত, সুস্থ এবং সবল একটি জাতি গঠনে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুরা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে। শিশুদের মেধা বিকাশে সরকার সবসময় পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে। শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ৪৯তম শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি। এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিব মো. মাহাবুব হোসেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীন আহমেদ, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আবদুস সালামসহ সব বোর্ড চেয়ারম্যান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর ও জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম। বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা ক্রীড়া সমিতির বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৬ দিনব্যাপী এই প্রতিযোগীতা শেষ হবে আগামি ২২ জানুয়ারি। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় সারা দেশের ৪টি অঞ্চলের মোট ৮০৮ জন প্রতিযোগি ইভেন্টগুলোতে অংশগ্রহণ করবেন। এ্যাথলেটিক্স, হকি, ক্রিকেট, বাস্কেটবল, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় বকুল অঞ্চল (চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুমিল্লা), গোলাপ অঞ্চল (খুলনা, বরিশাল), পদ্মা অঞ্চল (ঢাকা, ময়মনসিংহ) এবং চাঁপা অঞ্চলের (রাজশাহী, রংপুর) মাধ্যমিকের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করবেন। কুমিল্লা নগরীর শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম, কুমিল্লা জিলা স্কুল, পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয় ও নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসব খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার কেন্দ্রীয় বাজেট ৪৮ লক্ষ ৩ হাজার টাকা এবং সাংগঠনিক বাজেট ১১ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা।
এক মাস সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী
১৬জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এক মাস দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার আইনশৃঙ্খলা নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে তিনি এ নির্দেশনা দেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন অংশগ্রহণ করবে। তার মধ্যে ১০ লাখ ২২ হাজার ৩৩৬ জন ছাত্র ও ১০ লাখ ২৩ হাজার ৪১৬ জন ছাত্রী রয়েছে। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে মাসব্যাপী দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ফল প্রকাশ
১৫জানুয়ারী,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়েছে। এতে মোট তিন স্তরের ১১ হাজার ১৩০ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে পাস করেছেন। বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেন। তিনি জানান, ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল বুধবার প্রকাশ করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় মোট ১১ হাজার ১৩০ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে স্কুল পর্যায়ে পাস করেছেন ৯ হাজার ৬৩ জন, স্কুল-২ পর্যায়ে ৬১১ জন ও কলেজ পর্যায়ে ১ হাজার ৪৫৬ জন রয়েছেন। চেয়ারম্যান আশফাক হোসেন বলেন, বুধবার ৩টার পর থেকে চূড়ান্তভাবে পাস করা পরীক্ষার্থীদের মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে। এসএমএসের মধ্যে ফলাফল দেখতে ওয়েবসাইটের লিংক দেয়া থাকবে। আজ সন্ধ্যা ৬টার পর থেকে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে ফলাফল পাওয়া যাবে। গত ২৬ ও ২৭ জুলাই ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২২ অক্টোবর ফল প্রকাশ করে এনটিআরসিএ। লিখিত পরীক্ষায় ১৩ হাজার ৩৪৫ জন উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। স্কুল পর্যায়ে ১০ হাজার ৯৬৮ জন, স্কুল পর্যায়-২ এ ৭৭০ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ১ হাজার ৬০৭ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। ১ লাখ ২১ হাজার ৬৬০ জন ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষায় ১০ দশমিক ৯৭ শতাংশ প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের ভাইভা শুরু হয় ১২ নভেম্বর, চলে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের ১৩ হাজার ৩৪৫ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
পিইসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী বহিষ্কারের বিধান বাতিল
১৫জানুয়ারী,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় (পিইসি) শিক্ষার্থী বহিষ্কার সংক্রান্ত নীতিমালার ১১ নম্বর বিধিটি বাতিল করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ আদালতকে এ তথ্য জানান। তলব আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে হাজির হয়ে তিনি বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ তথ্য দেন। এ সময় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। আর আদালতের নজরে আনা প্রতিবেদনের বিষয়ে ছিলেন আইনজীবী জামিউল হক ফয়সাল। এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ আদালতের এক তলব আদেশে হাজির হন। তখন আদালত বলেন, আমাদের আদেশগুলো বাস্তবায়ন করা হলে আপনাকে কোর্টে আসতে হতো না। পরে তার আইনজীবী শফিক মাহমুদ আদালতকে বলেন, হাইকোর্ট যেসব নির্দেশনা দিয়েছে সেগুলো বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আদালত শফিক মাহমুদকে প্রশ্ন করেন, শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট বিধিটি কি বাতিল করা হয়েছে? আমরা তো রুল ইস্যু করেছিলাম ওই বিধিটি বাতিল করার জন্য। পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার আদালতকে বলেন, সংশ্লিষ্ট বিধিটি মন্ত্রণালয় বাতিল করেছে। এরপরই হাইকোর্ট মামলায় জারি করা রুলটি নিষ্পত্তির আদেশ দেন। একটি জাতীয় দৈনিকে গত ১৯ নভেম্বর পিইসি পরীক্ষায় শিশু বহিষ্কার কেন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী জামিউল হক ফয়সাল। তার সঙ্গে ছিলেন এম মাহমুদুল হাসান, গাজী ফরহাদ রেজা ও মো. ফয়জুল্লাহ ফয়েজ। পরে আইনজীবী জামিউল হক ফয়সাল আদালতে বলেন, বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের বয়স ১০ বা ১১ বছর। এ বয়সের একজন শিশুকে বহিষ্কার করলে তার মানসিক জগতে প্রভাব ফেলবে। তাদের বহিষ্কার করা উচিত হয়নি। তাদের বহিষ্কার না করে অন্যকোনও উপায় অবলম্বন করা যেতে পারতো। প্রসঙ্গত, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের ২০১৮ সালের নির্দেশনার ১১ নম্বর অনুচ্ছেদে শৃঙ্খলা লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়-পিইসি পরীক্ষায় ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত ১৫ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ঢাবির ৬৩ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার
১৪জানুয়ারী,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভর্তি জালিয়াতির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৬৩ শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও ৯ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে সবাইকে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের বৈঠকের এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর আগে গত বছরের ৬ আগস্ট ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৯ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। ২০১২-১৩ থেকে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন বিভাগে ভর্তি হওয়া এসব শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে সিআইডি চার্জশিট দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের সভায় সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়। একইসঙ্গে এসব শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়। জবাবের ওপর ভিত্তি করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পর সাময়িক বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬৩ জনকে আজীবন বহিষ্কার করা হলো আজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গত বছরের ২৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৭ জন শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন এবং পাবলিক পরীক্ষা আইনে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় ২৬ জুন ৭৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকা মহানগর হাকিম মো. সারাফুজ্জামান আনসারী। যাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করা গেল কি না, তা ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে আদালতকে জানানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।
বেতন নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের জন্য দারুণ সুখবর
০৭জানুয়ারী,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকদের যারা চলতি দায়িত্বে আছেন, তাদের জন্য সুখবর আসছে। দ্রুতই তাদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ কারণে নতুন করে আর এ পদে নিয়োগ দেয়া হবে না। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম-আল-হোসেন। এ বিষয়ে সচিব বলেন, আদালতে মামলাজনিত কারণে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। এ কারণে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শূন্য আসনের বিপরীতে সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষদ পদে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বর্তমানে চলতি দায়িত্বে থাকা এসব শিক্ষকদের মূল বেতনের অতিরিক্ত আরও এক হাজার ৫০০ টাকা দেয়া হচ্ছে। এর বাইরে আর কোনো সুবিধা দেয়া হচ্ছে না। বর্তমানে এসব শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের ১১তম গ্রেডে বেতন-ভাতা সুবিধা দেয়া হবে। ইতোমধ্যে বিসিএস পরীক্ষায় নন-ক্যাডার থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ না দিতে মন্ত্রণালয় থেকে পিএসসিকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়ের আওতায় এ পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি হস্তান্তর করার সুপারিশ করা হয়েছে। নিয়োগবিধি অনুযায়ী দশম গ্রেড পর্যন্ত নিয়োগ পিএসসির আওতাভুক্ত। এ কারণে প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগ প্রদানকারী এ প্রতিষ্ঠান নিয়োগ কার্যক্রম তাদের কাছে হস্তান্তর করতে যৌক্তিক কারণ জানতে চেয়েছে পিএসসির কাছে। সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, আমরা অন্যান্য সংস্থার মতো প্রধান শিক্ষক নিয়োগের যথাযথ ব্যাখ্য প্রদান করব। পিএসসি থেকে হস্তান্তর করা হলে পর্যায়ক্রমে চলতি দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেয়া হবে। নতুন করে সরাসরি নিয়োগ বাতিল করে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক পদে বসানো হবে। এ লক্ষ্যে শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করা হয়েছে। জানা গেছে, আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষদের পদোন্নতি দিয়ে ৬০ শতাংশ প্রধান শিক্ষক এবং ৪০ শতাংশ পিএসসি থেকে নিয়োগ দেয়া হতো। পিএসসি থেকে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা ১০তম গ্রেডে বেতন-ভাতা সুবিধা পান আর সহকারী শিক্ষদের মধ্যে পদোন্নতি পেয়ে এ পদে আসলে ১২তম গ্রেডে বেতন-ভাতা পান। এ বৈষম্য দূরীকরণে আদালতে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীরা। এরপর থেকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়। শূন্য আসন পূরণে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের চলতি দায়িত্বে এ পদে বসানো হয়।
প্রাথমিক ও ইবতেদায়িতে পাসের হার ৯৫.৫০ শতাংশ
৩১ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষার (পিইসি) ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার পরীক্ষায় পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজার ৮৮ জন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এবারের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় মোট ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ১৫১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। উত্তীর্ণদের মধ্যে ১০ লাখ ৭২ হাজার ১৫৪ জন ছাত্র এবং ১২ লাখ ৭১ হাজার ৫৮৯ জন ছাত্রী রয়েছে। ফলাফলে ছাত্রদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৯৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। অর্থাৎ প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় গড় পাসের দিক থেকে মেয়েরা এগিয়ে আছে। এবার পাসের হার বিবেচনায় আট বিভাগের মধ্যে বরিশাল শীর্ষে রয়েছে। উক্ত বিভাগের পাসের হার ৯৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর ৬৪ জেলার মধ্যে গাজীপুর জেলা প্রথম স্থানে রয়েছে, উক্ত জেলায় পাসের হার ৯৯ দশমিক ১৪ শতাংশ। এ ছাড়া ৫১০ উপজেলার মধ্যে একটি উপজেলা ভোলার দৌলতখানে শতভাগ পাস করেছে। এর আগে গণভবনে সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এরপর বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। দুপুর ১২টার কিছু আগে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এরপর দুপুরে ঘোষণা করা হয় প্রাথমিক সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষার ফল।
জেএসসিতে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৯০ শতাংশ
৩১ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এবার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সমাপনী পরীক্ষা জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি)পরীক্ষায় পাসের হার ৮৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। যা গত বছর ছিল ৮৫ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গতবারের চাইতে এ বছর ২ দশমিক ০৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৭৮ হাজার ৪২৯ জন, যা গত বছর ছিল ৬৮ হাজার ৯৫ জন। ফলে এবার জিপিএ-৫ বেড়েছে ১০ হাজার ৩৩৪ জন। দুই স্তরে পাস করেছে মোট ২২ লাখ ৭৮ হাজার ২৭১ জন পরীক্ষার্থী। এবার পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই বেড়েছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংবাদ সম্মেলন করে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন। এবছর জেএসসিতে পরীক্ষা দিয়েছে মোট ২২ লাখ ২১ হাজার ৫৯১ জন শিক্ষার্থী। তার মধ্যে পাস করেছে ১৯ লাখ ৪৫ হাজার ৭১৮ জন। অপরদিকে জেডিসেতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ লাখ ৮০ হাজার ৪৪২ জন। তার মধ্যে পাস করেছে ৩ লাখ ৪১ হাজার ৫৫৩ জন। দেশের বাইরের ৯টি কেন্দ্রে এবার জন জেএসসি পরীক্ষায় ৪২৩ অংশ নিয়ে পাস করেছে ৪১৯ জন। উল্লেখ্য, এবার এই দুই পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন। এর মধ্যে জেএসসি পরীক্ষার্থী ২২ লাখ ৬০ হাজার ৭১৬ জন পাস করেছে।

শিক্ষা পাতার আরো খবর