প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল চলতি মাসেই
০২ডিসেম্বর,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশ হতে পারে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন বলেছেন, এর মাধ্যমে সারাদেশে সাড়ে ১৮ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। সারাদেশে শূন্য আসনের ভিত্তিতেই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী জানুয়ারি থেকে এসব শিক্ষকরা পাঠদান শুরু করবে। সচিব বলেন, নিয়োগ কার্যক্রম শেষে নতুন করে সারাদেশে প্রাক প্রাথমিক পর্যায়ে ২৬ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এ প্রস্তাব সচিব কমিটিতে পাঠানো হবে। সেখান থেকে অনুমোদন পেলে প্রজ্ঞাপন জারি করে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে। নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে প্রস্তুতি শুরুর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান তিনি।
৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
২৭নভেম্বর,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৪১তম বিসিএসের জন্য ৫ ডিসেম্বর থেকে আবেদন করা যাবে। বুধবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিসিএসে ২ হাজার ১৬৬ জনকে নেওয়া হবে। প্রার্থীর বয়স ১ নভেম্বর থেকে গণনা করা হবে। প্রার্থীকে অনলাইনে আবেদন জানুয়ারির ৪ তারিখের মধ্যে করতে বলা হয়েছে। এবার সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে শিক্ষা ক্যাডারে। এই ক্যাডারে ৯০৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে বিসিএস শিক্ষায় ৮৯২ জন প্রভাষক, কারিগরি শিক্ষা বিভাগে ১০ জন প্রভাষক নেওয়া হবে। শিক্ষার পর বেশি নিয়োগ হবে প্রশাসন ক্যাডারে। প্রশাসনে ৩২৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। পুলিশে ১০০ জন, বিসিএস স্বাস্থ্যতে সহকারী সার্জন পদে ১১০ জন ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৩০ জনকে নেওয়া হবে। পররাষ্ট্রে ২৫ জন, আনসারে ২৩ জন, অর্থ মন্ত্রণালয়ে সহকারী মহা হিসাবরক্ষক (নিরীক্ষা ও হিসাব) ২৫ জন, সহকারী কর কমিশনার (কর) ৬০ জন, সহকারী কমিশনার (শুল্ক ও আবগারি) ২৩ জন ও সহকারী নিবন্ধক ৮ জন নেওয়া হবে। পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ১২ জন, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে সহকারী যন্ত্র প্রকৌশলী ৪ জন, সহকারী ট্রাফিক সুপারিনটেনডেন্ট ১ জন, সহকারী সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক ১ জন, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ২০ জন, সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) ৩ জন নেওয়া হবে। তথ্য মন্ত্রণালয়ে সহকারী পরিচালক বা তথ্য কর্মকর্তা বা গবেষণা কর্মকর্তা পদে ২২ জন, সহকারী পরিচালক (অনুষ্ঠান) পদে ১১ জন, সহকারী বার্তা নিয়ন্ত্রক পদে ৫ জন, সহকারী বেতার প্রকৌশলী পদে ৯ জন, স্থানীয় সরকার বিভাগে বিসিএস জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলে সহকারী প্রকৌশলী পদে ৩৬ জন, সহকারী বন সংরক্ষক পদে ২০ জন। সহকারী পোস্ট মাস্টার জেনারেল পদে ২ জন, বিসিএস মৎস্যে ১৫ জন, পশুসম্পদে ৭৬ জন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ১৮৩ জন ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ৬ জন, বিসিএস বাণিজ্যে সহকারী নিয়ন্ত্রক ৪ জন। পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ৪ জন, বিসিএস খাদ্যে সহকারী খাদ্যনিয়ন্ত্রক ৬ জন ও সহকারী রক্ষণ প্রকৌশলী ২ জন, বিসিএস গণপূর্তে সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ৩৬ জন ও সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম) ১৫ জনসহ মোট ২ হাজার ১৩৫ জন কর্মকর্তাকে এই বিসিএসে নিয়োগ করা হবে।
গ্র্যাজুয়েটদের উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী
২৩নভেম্বর,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গ্র্যাজুয়েটদের শুধু চাকরির জন্য নয়, উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শনিবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ১৮তম এশিয়ান ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস ফোরামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এমন পরিবেশ তৈরি করতে হবে যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা উদ্যোক্তা হওয়ার দক্ষতা অর্জন করতে পারে। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে আরও শক্তিশালী করা দরকার বলে জানান তিনি। কর্মসংস্থান ও দক্ষ জনশক্তি গড়তে শিক্ষা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে পরস্পরের সহায়ক হওয়া জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ
১৭নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:২০২০ শিক্ষাবর্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এবারও লটারির মাধ্যমে প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হবে। সম্প্রতি ‘সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালা-২০২০’ প্রণয়ন করে প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। এই নীতিমালায় ৪০ শতাংশ কোটা থাকছে। ভর্তি পরিচালনার জন্য করা হয়েছে বিভিন্ন কমিটি। ভর্তিপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে নীতিমালায় বলা হয়েছে, ভর্তি কার্যক্রম শুরুর আগেই মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর সব প্রতিষ্ঠান থেকে কোন শ্রেণিতে কতটি আসন শূন্য রয়েছে তার তালিকা সংগ্রহ করবে। ভর্তির পর কোনো প্রতিষ্ঠান তাদের আগে পাঠানো আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করছে কিনা তা যাচাই করবে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান ভর্তির কার্যক্রম শুরুর আগে পাঠানো শূন্য আসন সংখ্যার চেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করে তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ১ম থেকে ৯ম শ্রেণি ভর্তি: প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবশ্যিকভাবে লটারির মাধমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীর তালিকা প্রস্তুত করার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমান সংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও প্রস্তুত রাখতে হবে। যমজ সন্তানের একজন আগে থেকে অধ্যায়নরত থাকলে ভর্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। দ্বিতীয়-অষ্টম শ্রেণির শূন্য আসনে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নবম শ্রেণির ক্ষেত্রে জেএসসি/জেডিসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের প্রস্তুত করা মেধাক্রম অনুসারে নিজ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির পর অবশিষ্ট শূন্য আসনে অন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য নির্ধারিত ভর্তি কমিটি বাছাই করতে হবে। গ্রুপ গঠন করবে প্রতিষ্ঠান। ভর্তি ফরম: ভর্তির ফরম বিদ্যালয়ের অফিসে এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর, ডিসি অফিস, বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। এবার ভর্তির আবেদন ফরমের মূল্য ধরা হয়েছে ১৭০ টাকা। সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত থেকে বেশি হবে না। ভর্তি পরীক্ষার সময় ও মান বণ্টন: দ্বিতীয়-তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমান-৫০, এরমধ্যে বাংলা-১৫, ইংরেজি-১৫, গণিত-২০ নম্বর। ভর্তি পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা। চতুর্থ-অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পূর্ণমাণ-১০০। এরমধ্যে বাংলা-৩০, ইংরেজি-৩০, গণিত-৪০ এবং ভর্তিপরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা। কোটা সংরক্ষণ: ঢাকা মহানগরীতে সরকারি বিদ্যালয় এলাকায় ওই এলাকার ৪০ শতাংশ কোটা রেখে অবশিষ্ট ৬০ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে মোট আসনের ১০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বা সন্তানদের ছেলে-মেয়ের জন্য ৫ শতাংশ, প্রতিবন্ধীদের জন্য ২ শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তান এবং সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য আরও ২ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোর অবস্থান, শিক্ষার্থীদের সুবিধা/অসুবিধা বিবেচনা করে পরীক্ষা কমিটি বিদ্যালয়গুলোকে বিভিন্ন ক্লাস্টারে বিভক্ত করতে পারবে। শিক্ষার্থীরা আবেদন ফরমে পছন্দক্রম উল্লেখ করে দেবে।সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কর্মস্থলের পাশাপাশি এবারই প্রথম বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলির কারণে তাদের সন্তানদের সুযোগ রাখা হয়েছে। বদলিজনিত কারণে ভর্তির আবেদনের সময়সীমা হবে ছয় মাস। তবে শূন্য আসনের অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করানো যাবে না। অতিরিক্ত ভর্তি করাতে হলে মন্ত্রণালয় থেকে আগে থেকেই অনুমতি নিতে হবে। একইসঙ্গে মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা সদরের সব সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনলাইনে ভর্তিপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উপজেলা সদরেও কেন্দ্রীয় অনলাইন পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। তবে নিয়ন্ত্রণ বর্হিভূত কোনো কারণে অনলাইনে না করা গেলে কেবল উপজেলার ক্ষেত্রে ম্যানুয়ালি ভর্তি করা যাবে।
প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা শুরু
১৭নভেম্বর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:আজ থেকে শুরু হচ্ছে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা। সারাদেশে মোট সাত হাজার ৪৭০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি মিলে এবার পরীক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ২৯ লাখ ৩ হাজার ৬৩৮ জন। আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। পরীক্ষা শেষ হবে ২৪শে নভেম্বর। এ বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ২৬৭ জন ছাত্রছাত্রী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা ১১ লাখ ৮১ হাজার ৩০০ জন ও ছাত্রী ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৯৬৭ জন। অন্যদিকে ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় তিন লাখ ৫০ হাজার ৩৭১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্র সংখ্যা এক লাখ ৮৭ হাজার ৮২ এবং ছাত্রী সংখ্যা এক লাখ ৬৩ হাজার ২৮৯ জন। এছাড়া দেশের বাইরে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬১৫ জন। প্রাথমিক ও ইবতেদায়িতে গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে দুই লাখ ২৩ হাজার ৬১৫ জন। সমাপনীতে ছয়টি বিষয়ের প্রতিটিতে ১০০ করে মোট ৬০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ৩ হাজার ৩৪৭ জন এবং ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২৩৬ জন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। সমাপনী পরীক্ষা সুষ্ঠু ও স্বচ্ছতার সঙ্গে শেষ করতে ইতিমধ্যে সব কর্মকা- সম্পন্ন করা হয়েছে। বিশেষ নিরাপত্তার সঙ্গে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ ও বিতরণ কাজ শেষ হয়েছে। দেশের দুর্গম এলাকার ১৮৪টি কেন্দ্রে বিশেষ ব্যবস্থায় প্রশ্নপত্র পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষা উপলক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। সমাপনী পরীক্ষা সংক্রান্ত সব তথ্য এ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানা যাবে। মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের টেলিফোন নম্বর ০২-৯৫৭৭২৫৭ ও ই-মেইল- mopmesch2@gmail.com; অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের টেলিফোনে নম্বর ০২-৫৫০৭৪৯১৭, ০১৭১১৩৪৪৫৩২, ০১৭১২১০৬৩৬৯, ই-মেইল-ddestabdpe@gmail.com. পরীক্ষার সূচি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার আওতাধীন আগামী ১৭ই নভেম্বর ইংরেজি, ১৮ই নভেম্বর বাংলা, ১৯শে নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, ২০শে নভেম্বর প্রাথমিক বিজ্ঞান, ২১শে নভেম্বর ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা এবং ২৪শে নভেম্বর গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ১৭ই নভেম্বর ইংরেজি, ১৮ই নভেম্বর বাংলা, ১৯শে নভেম্বর বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় এবং বিজ্ঞান, ২০শে নভেম্বর আরবি, ২১শে নভেম্বর কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ এবং ২৪শে নভেম্বর গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সব কোচিং বন্ধ: শিক্ষামন্ত্রী
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, ২ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা চলাকালীন ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা-২০১৯ সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। ২ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) এবং জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা। এ বছর মোট ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী এই দুই পরীক্ষায় অংশ নেবে। গত বছর এ সংখা ছিল ২৬ লাখ ৭০ হাজার ৩৩৩ জন। এবার জেএসসিতে ২২ লাখ ৬০ হাজার ৭১৬ জন ও জেডিসিতে ৪ লাখ ৯৬৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। সংবাদ সম্মেলনে দীপু মনি জানান, এবার সারাদেশে মোট ২৯ হাজার ২৬২টি পরীক্ষা কেন্দ্রে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর ২৯ হাজার ৬৭৭টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবার সারাদেশে মোট ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে ১২ লাখ ২১ হাজার ৬৯৫ জন ছাত্র ও ১৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৭ জন ছাত্রী রয়েছে। ২০১৯ সালের জেএসডি পরীক্ষীয় অনিয়মিত ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩১০ জন ও জেডিসি পরীক্ষীয় ৩০ হাজার ২৯১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। পরীক্ষায় ৭টি বিষয়ে ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে। ইংরেজি ছাড়া সব বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। যদি কেউ এ সময়ের পরে আসে তবে তার কারণ ও যাবতীয় তথ্য লিখে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দিতে হবে। সেই তথ্য পরীক্ষা শেষে সংশ্লিষ্ট বোর্ডে পাঠাতে হবে।
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা শুরু ২ নভেম্বর, পরীক্ষার্থী সাড়ে ২৬ লাখ
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০১৯ সালে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও সমমান পরীক্ষা আগামী ২ নভেম্বর থেকে শুরু হবে। এবারের পরীক্ষায় মোট শিক্ষার্থী অংশ নেবে ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মণি মঙ্গলবার সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা-২০১৯ সংক্রান্ত তথ্য তুলে ধরেন। শিক্ষামন্ত্রী এসময় বলেন, এবার সারাদেশে মোট ২৯ হাজার ২৬২টি পরীক্ষা কেন্দ্রে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর ২৯ হাজার ৬৭৭টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এবার সারাদেশে মোট ২৬ লাখ ৬১ হাজার ৬৮২ জন শিক্ষার্থী জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। পরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১২ লাখ ২১ হাজার ৬৯৫ জন ছাত্র ও ১৪ লাখ ৩৯ হাজার ৯৮৭ জন ছাত্রী রয়েছে। ২০১৯ সালের জেএসডি পরীক্ষায় অনিয়মিত ২ লাখ ৩৩ হাজার ৩১০ জন ও জেডিসি পরীক্ষায় ৩০ হাজার ২৯১ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। এছাড়া বিদেশি মোট নয়টি কেন্দ্রে ৪৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। দীপু মণি আরও বলেন, পরীক্ষায় ৭টি বিষয়ে ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হবে। ইংরেজি ছাড়া সকল বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। যদি কেউ এ সময়ের পরে আসে তবে তার কারণ ও যাবতীয় তথ্য লিখে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দিতে হবে। কেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার নিষিদ্ধ। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের জন্য ২৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সব কোচিং বন্ধ রাখতে হবে।
ঢাবির ক- ইউনিটে পাসের হার ১৩.০৫ শতাংশ
২০অক্টোবর,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবছর ক ইউনিটে সমন্বিতভাবে পাসের হার মোট পরীক্ষার্থীর ১৩.০৫ শতাংশ। পরীক্ষায় নৈর্ব্যক্তিক অংশে পাস করেছে ২৫ হাজার ৯২৭ জন। আর নৈর্ব্যক্তিক ও লিখিত অংশে সমন্বিতভাবে পাস করেছে ১১ হাজার ২৭ জন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান রোববার (২০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কেন্দ্রীয় ভর্তি কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এই ফলাফল প্রকাশ করেন। এবছর 'ক' ইউনিটের ১ হাজার ৭৯৫টি আসনের বিপরীতে আবেদন করে ৮৮ হাজার ৯৯৬ শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ৮৫ হাজার আটশত ৭৯ জন পরীক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

শিক্ষা পাতার আরো খবর