বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২০
বিক্রিত নবজাতককে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিল জিএমপি কমিশনার
০২মে,শনিবার,গাজীপুর প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে না পারায় নিজের সন্তানকে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন এক দম্পতি। পরে সন্তান বিক্রির ২৫ হাজার টাকা দিয়ে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করেন তারা। বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নজরে এলে ওই শিশু সন্তানটিকে তার বাবা-মার কাছে ফিরিয়ে এনে দেন জিএমপি কমিশনার মোঃ আনোয়ার হোসেন ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ি এলাকায় সেন্ট্রাল হাসপাতালে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ২১ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) গর্ভবতী অবস্থায় কেয়া খাতুন নামে এক নারী এলাকার কোনাবাড়ী সেন্ট্রাল হাসপাতালে বিকেল ৪ টায় ভর্তি হয়। ওই দিনই সন্ধ্যা ৭টায় সিজারের মাধ্যমে তার একটি পুত্র সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়। তার স্বামী মো. শরীফসহ তারা এনায়েতপুর এলাকায় বসবাস করে আসছিল। তারা দুজনেই স্থানীয় পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। কেয়া খাতুন ওই হাসপাতালে ১১ দিন ভর্তি ছিল। এতে হাসপাতালের বিল আসে ৪২ হাজার টাকা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিল পরিশোধ করার জন্য তাদের চাপ প্রয়োগ করলে এত টাকা পরিশোধ করার মত সামর্থ্য না থাকার কারণে শরীফ-কেয়া খাতুন দম্পতি একপর্যায়ে নবজাতক সন্তান বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে শুক্রবার ২৫ হাজার টাকায় তাদের ১১ দিন বয়সের পুত্র সন্তান এক নিঃসন্তান দম্পতির কাছে বিক্রি করে দেন। সন্তান বিক্রির সেই টাকা দিয়ে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করে ওই দম্পতি বাড়ি ফিরে যান।বিজনেস বাংলাদেশ। পরবর্তীতে বিষয়টি পুলিশের অতিরিক্ত মহা-পরিদর্শক (আইজি-এসবি) শহিদুল ইসলামের নজরে আসে। পরে তিনি গাজীপুর মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনারকে বিষয়টি অবগত করেন। ঘটনাটি জেনে গাজীপুর মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন ২৫ হাজার টাকা ওই নিঃসন্তান দম্পতিকে ফিরিয়ে দিয়ে শিশুটিকে ফেরত নিয়ে আসেন। পরে মো. শরীফ-কেয়া খাতুন দম্পতির কাছে তাদের পুত্র সন্তানকে ফিরিয়ে দেন। গাজীপুর মেট্রোপলিটনের পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ওই দম্পতি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। দারিদ্রতার কারণে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করতে না পারায় তাদের পুত্র সন্তানটিকে বাধ্য হয়ে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। সেই টাকা দিয়ে হাসপাতালের বিল পরিশোধ করে বাড়ি ফিরে যান। যাদের কাছে সন্তানটিকে বিক্রি করা হয়েছিল তাদের টাকা ফেরত দিয়ে ওই সন্তানকে তার বাবা-মার কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
করোনায় আক্রান্ত ওসি গাজী সালাউদ্দিন
০২মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে অস্তিত্ব পাওয়া গেছে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)) গাজী সালাউদ্দিনের শরীরে। গত শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেন্টিভ অ্যান্ড সোশ্যাল মেডিসিন নিপসম থেকে তার করোনা শনাক্তের বিষয়টি জানায়। মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন পিপিএম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ৩০ এপ্রিল ওসি সালাউদ্দিনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে নমুনা পরীক্ষায় তার শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে বলে জানায়। এ খবর জানানর পর তাকে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সুপার আরও জানান, তার সংস্পর্শে আসা সবার নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। তবে তিনি কিভাবে সংক্রমিত হয়েছেন তা জানা যায় নি।
করোনার উপসর্গ নিয়ে আরও এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু
০২মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারায়ণগঞ্জফেরত ইমন রহমান নামের এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাত ১০টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি নারায়ণগঞ্জ শিল্প পুলিশের কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে কিডনিতে সমস্যা, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসুস্থ থাকায় ছুটি নিয়ে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার খলিলপুর গ্রামের বাড়িতে ফেরেন। সেখানে কিছুদিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পর অবস্থার অবনতি হলে গত ২৭ এপ্রিল তাঁকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মানবজমিন | ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক হিমাংশু লাল রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ওই পুলিশ সদস্যের শরীরে করোনার উপসর্গ ছিল। তবে নমুনা পরীক্ষায় তার রিপোর্ট করোনা নেগেটিভ এসেছে। তারপরও সতর্কতার জন্য করোনা টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরিফুল ইসলাম বলেন, ওই পুলিশ কনস্টেবলের লিভারে সমস্যা ছিল। ইমনের লাশ সতর্কতার সঙ্গে দাফন করা হবে।
করোনার উপসর্গ নিয়ে আরও এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু
০২মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নারায়ণগঞ্জফেরত ইমন রহমান নামের এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাত ১০টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি নারায়ণগঞ্জ শিল্প পুলিশের কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে কিডনিতে সমস্যা, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসুস্থ থাকায় ছুটি নিয়ে মৌলভীবাজারের সদর উপজেলার খলিলপুর গ্রামের বাড়িতে ফেরেন। সেখানে কিছুদিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পর অবস্থার অবনতি হলে গত ২৭ এপ্রিল তাঁকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মানবজমিন | ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক হিমাংশু লাল রায় বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ওই পুলিশ সদস্যের শরীরে করোনার উপসর্গ ছিল। তবে নমুনা পরীক্ষায় তার রিপোর্ট করোনা নেগেটিভ এসেছে। তারপরও সতর্কতার জন্য করোনা টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মৌলভীবাজার সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরিফুল ইসলাম বলেন, ওই পুলিশ কনস্টেবলের লিভারে সমস্যা ছিল। ইমনের লাশ সতর্কতার সঙ্গে দাফন করা হবে।
নড়াইলে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাই
০১মে,শুক্রবার,মো.জুবাইয়ের,নড়াইল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নড়াইলে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে লোহাগড়া উপজেলার তালবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এসময় দুই এএসআইসহ পুলিশের ৫ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, লোহাগড়া থানার এএসআই কবির হোসাইন ও এএসআই তুহিন, কনস্টেবল জয় দাস, সাইফুল ও রকি। তাদেরকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পুলিশ জানায়, লোহাগড়ার তালবাড়িয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম ডাকু শেখের ছেলে জাহিদ শেখ (৪১) দিঘলিয়া এলাকার একটি অপহরণ মামলার পলাতক আসামি। বৃহস্পতিবার বিকেলে তালবাড়িয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর জাহিদকে পুলিশের গাড়িতে উঠানোর সময় তার (জাহিদ) পরিবার-পরিজনসহ এলাকার নারী-পুরুষ ইট, লাঠিসহ বিভিন্ন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে আসামি জাহিদকে তারা ছিনিয়ে নেয়। এসময় লাঠির আঘাতে পুলিশের ওই পাঁচ সদস্য আহত হন। খবর পেয়ে লোহাগড়া থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে সহকর্মীদের উদ্ধার করে লোহাগড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। লোহাগড়া থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রায় ২০০ নারী-পুরুষ মিলে পুলিশের ওপর হামলার করে আসামি ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ছিনিয়ে নেয়া আসামি জাহিদসহ পুলিশের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।
ভবঘুরে,মানসিক ভারসাম্যহীদের প্রতিদিন খাবার দিচ্ছেন যুবলীগ নেতা স্মরণ
৩০এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,দিলাল আহমদ,সুনামঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান যুবলীগ নেতা ফজলে রাব্বী স্মরণ মানসিক ভারসাম্যহীন, ভবঘুরে মানুষের জন্য মানবিক উদ্যেগ নিয়েছেন। প্রতিরাতে বাসায় রান্না করে সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত মানুষদের নিজ হাতে খাবার তোলে দিচ্ছেন তিনি। স্মরণ জানিয়েছেন, রমজানের আগ থেকে তিনি এ কার্যক্রম শুরু করেছেন। লকডাউন যতদিন থাকবে, অসহায় মানুষদের খাবার দেবেন তিনি। বুধবার রাতে ফজলে রাব্বী স্মরণের উদ্যেগে শহরের বিভিন্ন স্থানে ভারসাম্যহীন, ভবঘুরে মানুষের জন্য তৈরি খাবার বিতরণে অংশ সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। এসময় সুনামগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নাদের বখত, যমুনা টেলিভিশনের সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি মাহমুদুর রহমান তারেক, জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি সাজ্জাদুর রহমান লিমন, আলমগীর, ছাত্রলীগ নেতা ছাত্রলীগ নেতা নূরে আলম সোহাগ, হৃদয় উপস্থিত ছিলেন। পৌর মেয়র নাদের বখত বলেন, আমি এতদিন ফেসবুক দেখেছিলাম স্মরণের উদ্যেগ, আমি নিজেই আজ(বুধবার) তার সঙ্গে সমাজের সব চেয়ে অবহেলিত মানুষদের খাবার বিতরণে অংশ নিয়েছি। অসম্ভব একটি ভালো উদ্যেগ। আমার পক্ষ থেকে সবধরনের সহযোগিতা পাবে যারা এরকম উদ্যেগ নিয়েছে। সুনামগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন, ছিন্নমূল মানুষের কথা ভাবে এমন মানুষও সমাজে আছে, তাঁর উদাহরণ হল ফজলে রাব্বী স্মরণ। সড়কে ঘুরে ঘুরে এসব মানুষকে খোঁজে বের করা অনেক কষ্টকর হলেও সে কাজটি করে যাচ্ছে, যা প্রসংশনীয়। আমিও আমার তিন উপজেলার নেতাকর্মীদের এরকম উদ্যেগ নেয়ার জন্য অনুরোধ করেছি। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে এসব মানুষ রাতে থাকতে পারে এমন একটি উদ্যেগ নেয়ার জন্য চেষ্ঠা করবো। যাদের সাধ্য আছে তাদের আশেপাশের অসহায় মানুষদের সাহায্য করা প্রয়োজন। এব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফজলে রাব্বী স্মরণ বলেন, ভবঘুরে, মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষদের হিসেব জেলা প্রশাসনের লিস্টেও থাকে না, জনপ্রতিনিধির লিস্টেও থাকে না। তাদের কথা চিন্তা করেই এমন উদ্যেগ নিয়েছি। প্রতিদিন রাতে এসব মানুষ খাবারের জন্য অপেক্ষায় থাকে। আমি খুঁজে খুঁজে বের করে তাদের খাবার দেই। যতদিন লকডাউন থাকবে ততদিন এসব মানুষদের আমার পক্ষ থেকে খাবার দেয়া হবে। রাজনীতি বাইরেও অনেক সামাজিক দ্বায়িত্ব থাকে, তা আমি পালনে সবসময় চেষ্ঠা করি।
ভালুকায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার
৩০এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,মো.মোকছেদুর রহমান মামুন,ভালুকা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ময়মনসিংহের ভালুকায় হৃদয় চন্দ্র বর্মণ (২০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ। সকাল ১১ টার দিকে উপজেলার কাদিগড় জাতীয় উদ্যান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, সকালে উপজেলার কাচিনা ইউনিয়নের কাদিগড় জাতীয় উদ্যানের ভিতরে গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় হৃদয় চন্দ্র বর্মণের মরদেহ দেখতে পায় এলাকাবাসী। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে, মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। নিহত হৃদয় চন্দ্র বর্মণ উপজেলার পালগাঁও গ্রামের কৃষ্ণচন্দ্র বর্মণের ছেলে।
অসহায় হিজড়া ও বেদে সম্প্রদায়ের পাশে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ
২৯এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনসমাগম তথা হাটবাজারে সাপের খেলা দেখিয়েই পেট চলে বেদে সম্প্রদায়ের। দুমুঠো ভাতের আশায় মেয়েরাও ঝুলি নিয়ে ঘুরে বাড়ি বাড়ি। করোনার প্রভাবে এখন বন্ধ তাদের আয়-রোজগার। তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) জনগোষ্ঠিও জীবিকা নির্বাহ করে রাস্তাঘাটে পথচারী কিংবা বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চেয়ে, হাত পেতে। করোনার প্রভাবে সারাবিশ্বের মতো এদেশেও যখন জীবনের কোলাহল থেমে অর্থনৈতিক কর্মকান্ড থমকে গেছে তখন এই বেদে ও হিজড়া জনগোষ্ঠীও পড়েছে মহাবিপাকে। বিষয়টি নজরে এলে মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে তাদের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী পাঠালেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক, পিপিএম-সেবা। আজ ২৯ এপ্রিল জোরারগঞ্জ থানা এলাকার হিজড়া ও বেদেপল্লীর ২৩০ পরিবারের মাঝে এ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) মো: মশিউদ্দৌলা রেজা, পিপিএম(বার)। এ সময় মিরসরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শামসুদ্দিন ছালেহ আহম্মদ চৌধুরী এবং জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মফিজ উদ্দিন ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।
সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা হবে : কৃষিমন্ত্রী
২৯এপ্রিল,বুধবার,আহম্মেদ বিন জাবেদ,সিলেট বিশেষ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ধান ক্রয় কার্যক্রমে কোনো ধরণের অনিয়ম হবে না। কোনো মধ্যসত্বভোগী আসবে না। আসার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, আমরা কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের একটা তালিকা করে দিয়েছি। তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্যে লটারীর হবে। সেই লটারীতে কেউ প্রভাব ফেলতে পারবে না। ডিসি, ইউএনও, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, জেলা কৃষি অফিসারের মাধ্যমে ধান ক্রয় কার্যক্রম মনিটরিং করা হবে। এ ফসলের মাধ্যমে ২২টি জেলা থেকে ধান কেনার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। ৮ লাখ মে.টন সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে কেনা হবে। কৃষকরা ন্যায্যমূল্যে ধান বিক্রয় করে লাভবান হবে। সুনামগঞ্জের ১১ উপজেলায় ২৫ হাজার ৮৬৬ মে.টন ধান ক্রয় করবে সরকার। বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় লালপুর এলাকায় স্থানীয় কৃষকের কাছ থেকে ধানক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সুনামগঞ্জে প্রায় ৭৫ ভাগ ধান কাটা শেষ হয়েছে। এবার ধানের ফলন ভালো হয়েছে। সরকারিভাবে কৃষকের কাছ থেকে ২৫৮৬৬ মে.টন ধান, ১৪৬৮৭ মেট্রিক টন সিদ্ধ চান এবং ১৪৩০৯টন আতপ চাল ক্রয় করবে সরকার। সুনামগঞ্জে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী ধান ক্রয়ের পরিমাণ অপ্রতুল সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ে আলোচনা করে ক্রয় চাহিদা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কথা জানান তিনি। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, বিরোধী দলীয় হুইপ পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মানিক, ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, মহিলা সংসদ সদস্য শামিমা শাহরিয়া, পৌর মেয়র নাদের বখত, জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন, জেলা কৃষি সম্প্রশারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক সফর আলী, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল হুদা চপল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াছমিন নাহার রুমা প্রমুখ।

সারা দেশ পাতার আরো খবর