রবিবার, জানুয়ারী ২৪, ২০২১
২ কেজি হেরোইনসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুবক আটক
১০নভেম্বর,মঙ্গলবার,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ছত্রাজিতপুর কাঠালিয়াপাড়া এলাকা থেকে সোমবার রাতে দুই কেজি হেরোইনসহ এক যুবককে আটকের কথা জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। আটক সুমন আলী (৩৮) ওই এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে। চাপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার এএইচএম আবদুর রকিব জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল সোমবার রাত সোয়া ২টার দিকে উপজেলার ছত্রাজিতপুর কাঠালিয়া এলাকায় সুমন আলীর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। এ সময় দুই কেজি হেরোইনসহ সুমন আলীকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এসআই আকবর গ্রেফতার
০৯নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিলেটের আলোচিত রায়হান হত্যার প্রধান অভিযুক্ত সাময়িক বরখাস্ত এসআই আকবর হোসেনকে গ্রেফতার করেছে জেলা ডিবি পুলিশ। সোমবার দুপুরে সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গা ঢাকা দেয়ার ২৬ দিন পর আজ তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে ডিবি। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক সাইফুল আলম। উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর মধ্যরাতে সিলেট কোতোয়ালি থানার বন্দরবাজার ফাঁড়ির সাময়িক বরখাস্ত ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়া রায়হান নামে ওই যুবককে তুলে নিয়ে যায়। পরিবারের অভিযোগ- রায়হানকে বন্দরবাজার ফাঁড়িতে আটকে রেখে চাঁদার দাবী এবং নির্যাতন করা হয়। পরের দিন সকালে তিনি মারা যান। নির্যাতনের সময় এক পুলিশের মুঠোফোন থেকে রায়হানের পরিবারের কাছে কল করে টাকা চাওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা সকালে ফাঁড়ি থেকে পরে হাসপাতালে গিয়ে রায়হানের লাশ শনাক্ত করেন। এ ঘটনার শুরুতে ওই ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা ছিনতাইকারী সন্দেহে নগরের কাস্টঘর এলাকায় গণপিটুনিতে রায়হান নিহত হয়েছেন বলে প্রচার চালায়। কিন্তু গণপিটুনির স্থান হিসেবে যেখানকার কথা বলেছিল পুলিশ, সেখানে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের স্থাপন করা ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরায় এমন কোনো দৃশ্য দেখা যায়নি। এতে সন্দেহ হয় পুলিশের নির্যাতনের প্রতি। এ ঘটনার পর থেকে এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া পালিয়ে যায়। তাকে ধরার জন্য বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা করলে এসএমপির একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে নির্যাতনের সত্যতা পায়। নিহত রায়হানের মরদেহে ১১১টি আঘাতের চিহ্ন উঠে এসেছে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে। এসব আঘাতের ৯৭টি ফোলা আঘাত ও ১৪টি ছিল গুরুতর জখমের চিহ্ন। এসব আঘাতগুলো লাঠি দ্বারাই করা হয়েছে। অসংখ্য আঘাতের কারণে হাইপোভলিউমিক শক ও নিউরোজেনিক শকে মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনিসহ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলো কর্মক্ষমতা হারানোর কারণে রায়হানের মৃত্যু হয়েছে। এরপর ১২ অক্টোবর ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই আকবর হোসেনসহ চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। ১৩ অক্টোবর আকবর পুলিশি হেফাজত থেকে পালিয়ে যায়।
লালমনিরহাটে পিটিয়ে হত্যা: গ্রেপ্তার আরও ৪
০৮নভেম্বর,রবিবার,লালমনিরহাট প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কোরআন অবমাননার গুজব ছড়িয়ে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় শহিদুন্নবী জুয়েল (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তারা হলেন- পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের হাসানুর রহমান (২৫), আবদুর রহিম (২২), সোহেল রানা (২০) ও মাইনুল ইসলাম (২৬)। শনিবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক রবিবার দুপুরে নিশ্চিত করেন। জুয়েল হত্যার পৃথক তিনটি মামলায় এ পর্যন্ত ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া অন্য ৯ আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। এছাড়া, হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবুল হোসেনকে (৪৫) পাটগ্রাম থানা পুলিশের কাছে হস্তন্তর করেছে ডিএমপি। পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন্ত কুমার মোহন্ত জানান, প্রধান আসামি আবুলকে সোমবার আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হবে। এর আগে, শনিবার সন্ধ্যায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে খাদেমসহ দুজন আমলি আদালত-৩-এর বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফেরদৌসী বেগমের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। এছাড়া রিমান্ড ছাড়াই জবানবন্দি দিয়েছেন আব্দুল গণি নামে এক ব্যক্তি। প্রসঙ্গত, গত ২৯ অক্টোবর পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী বাজারের বাসকল এলাকায় শহিদুন্নবী জুয়েলকে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। তিনি রংপুর শহরের শালবন মিস্ত্রিপাড়া এলাকার আব্দুল ওয়াজেদ মিয়ার ছেলে এবং রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক গ্রন্থাগারিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র।
পদ্মায় জেলের জালে ২৭ কেজির বাঘাইড়
০৭নভেম্বর,শনিবার,রাজবাড়ী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মা নদীর রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় জেলের জালে বিশাল আকৃতির একটি বাঘাইড় মাছ ধরা পরেছে। ওজন দিয়ে দেখা গেছে মাছটির ওজন ২৭ কেজি ৩শ গ্রাম। দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের শাকিল সোহান মৎস আড়তের মালিক শাজাহান মিয়া সম্রাট জানান, শনিবার ভোরে পদ্মা ও যমুনা নদীর মোহনায় জাল ফেলে স্থানীয় জেলে রহমান হলদার। এ সময় তার জালে এই মাছটি ধরা পরে। মাছটিকে পাড়ে আনলে তা দেখার জন্য ভিড় জমায় স্থানীয় জনতা। পরে আড়তে ডাকের মাধ্যমে ১ হাজার টাকা কেজি দরে ২৭ হাজার টাকায় মাছটি কিনে বেশি লাভের আশায় ঢাকার কাওরান বাজারে পাঠানো হয়েছে।
নাটোর শহরের মল্লিকহাটি থেকে ১৮ মাদকসেবী গ্রেফতার
০৭নভেম্বর,শনিবার,নাটোর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নাটোর শহরের আলোচিত সেই মল্লিকহাটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ গ্রাম হেরোইন ও ৫শ মিলিলিটার চোলাই মদ সহ ১৮ মাদক সেবীকে গ্রেফতার করেছে Rab-05। শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় মাদক সেবনের উপকরণ জব্দ করা হয়। এ নিয়ে গত তিনমাসে একই এলাকা থেকে ১৩৯ জন মাদকসেবীকে গ্রেফতার করা হয়। সিপিসি-২, Rab-05 এর নাটোর ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার এএসপি মো. মাসুদ রানা ১৮ জনকে প্রকাশ্যে মাদকসেবনের সময় হাতে নাতে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাতে শহরের মল্লিকহাটি এলাকায় Rab-5 এর একটি দল অভিযান চালিয়ে প্রকাশ্যে মাদক সেবনের সময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে মাদক সেবন করছিল। গ্রেফতারকৃতরা হলো মো. রুবেল (২৫), মো. রানা আহম্মেদ (২৬), মোঃ বাবু (২৪), মোঃ হাবিব (২৭), মোঃ সুজন (২২), মোঃ আমান ওসামা (২০), মোঃ সোহান আলী (২২), মোঃ আনোয়ার হোসেন (৪৮), শ্রী শুভ ষোষ (২০), মোঃ ইয়ামিন শেখ (২০), মোঃ মিশর (৩৮), রোকন মোল্লা (৪৭), মোঃ রফিকুল ইসলাম (৫০), মোঃ জাহাঙ্গীর হৃদয় (২৫), শ্রী উত্তম কর্মকার (৩৪), মোঃ ফরহাদ জোর্দ্দার (৬০), শ্রী সম্ভু চন্দ্র মন্ডল (৪২), ও মোঃ আনোয়ার মিস্ত্রি (৫৫)। এ ব্যাপারে নাটোর সদর তানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে বলে জানান Rab এর এই কর্মকর্তা।
হাতিয়ায় নৌকা ডুবে জেলের মৃত্যু
০৬নভেম্বর,শুক্রবার,নোয়াখালী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় মাছ ধরার নৌকা ডুবে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় অপর একটি ট্রলারের জেলেরা তিন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন একজন। নিহত অমর জলদাস (১৬) উপজেলার তমরুদ্দি ইউনিয়নের আঠারো বেকী গ্রামের প্রেমলাল মাঝির ছেলে। শুক্রবার সকালে মেঘনা নদী থেকে স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করে। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার ১১নং নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের পূর্ব পার্শ্বে মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখনও মিলন (১৮) নামে আরও এক জেলে নিখোঁজ রয়েছে। উপজেলার আঠারো বেকী গ্রামের সূর্য মাঝির ছেলে তিনি। শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে হাতিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.আবুল খায়ের জানান, গভীর রাতে কাদির খাল থেকে সুমন মাঝির নেতৃত্বে ৫ জেলের একটি দল মাছ ধরার নৌকা নিয়ে মেঘনা নদীতে যায়। ওই সময় হঠাৎ একটি বড় ঢেউয়ে মাছ নৌকাটি উল্টে গিয়ে ডুবে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আবারও জাল নিয়ে জলে জেলেরা
০৫নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে অবশেষে ইলিশ ধরতে জাল নিয়ে জলে নেমেছে জেলেরা। গতকাল বুধবার (৪ নভেম্বর) মধ্যরাত থেকে তারা মাছ ধরতে শুরু করেছে। ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে পদ্মা, মেঘনাসহ উপকূলীয় ১৯ জেলার নদ-নদীতে ইলিশ ধরার ওপর গত ১৪ অক্টোবর থেকে সরকারের এই নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়। এ সময়ে ইলিশ পরিবহন, বিক্রি ও মজুদ নিষিদ্ধ ছিল। এদিকে জেলেরা জানান, মা ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করতে সাগর ও নদ-নদীতে ইলিশ ধরার ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞার প্রতি সম্মান জানিয়ে তারা নদীতে অবৈধ ভাবে ইলিশ শিকার করেননি। ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার ফলে তারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। কমবেশি সব জেলেই ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। সেই অলস সময় কাটিয়ে ইলিশ ধরতে জাল আর ট্রলার নিয়ে গতকাল মধ্যরাতের পরই সাগরে ছুটে গেছেন অনেক জেলে। আর স্থানীয় জেলেরাও নদ-নদীতে ইলিশ শিকারে নেমে পড়েছেন। জেলেরা আশা করছেন, ২২ দিন বন্ধ থাকায় এখন ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়বে। ফলে তারা ক্ষতি পুষিয়ে ধারদেনা পরিশোধ করতে পারবেন।
কুমিল্লায় হিন্দু বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ১৬০ জনকে আসামি করে আরো একটি মামলা
০৪নভেম্বর,বুধবার,কুমিল্লা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুমিল্লার বাঙ্গরা বাজার থানার কোরবানপুর গ্রামে হিন্দু বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরো একটি মামলা করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গতকালও ওই এলাকার পাশের গ্রাম আন্দিকোটে ১৪৪ ধারা বলবৎ ছিল। গতকাল অজ্ঞাতনামা ১৬০ জনকে আসামি করে থানায় আরো একটি মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারটি মামলায় ২৬৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামাসহ দেড় সহস্রাধিক লোককে আসামি করা হয়েছে। জানা গেছে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টকে সমর্থন ও তার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন কোরবানপুর গ্রামের শংকর দেবনাথ (৫৪) এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও উসকানিমূলক ছবিসংবলিত আরেকটি স্ট্যাটাস দেন একই থানার আন্দিকোট গ্রামের অণিক ভৌমিক (২০)। এ ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোরবানপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য মো. ধন মিয়া বাদী হয়ে বাঙ্গরা বাজার থানায় শংকর দেবনাথের বিরুদ্ধে এবং হায়দরাবাদ গ্রামের মো. সোহেল মিয়া বাদী হয়ে একই ধারায় অণিক ভৌমিকের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেন। মামলায় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। এদিকে গত রোববার বিকালে স্থানীয় কোরবানপুর হাইস্কুল মাঠে উত্তেজিত লোকজন জড়ো হয়। এক পর্যায়ে তারা স্থানীয় পূর্ব ধইর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বন কুমার শীবের বাড়ি ও আসামি শংকরের বাড়িতে আগুন দিয়ে তাদের ছয়টি ঘর পুড়িয়ে দেয়। এদিকে স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ঘটনার পর থেকে একাধিক মামলা রুজু ও বিজিবি-পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে চিহ্নিত অপরাধীসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আসামির মামলায় জড়িয়ে যাওয়ার ভয়ে এলাকা প্রায় পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর গতকাল সন্ধ্যায় জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিনজন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে তিন প্লাটুন বিজিবি ও পুলিশ ওই এলাকায় টহল দিচ্ছে এবং ১৪৪ ধারা বলবৎ রয়েছে। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উত্তর) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজি ও বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান জানান, যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশ তত্পর রয়েছে এবং মামলার আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। কুমিল্লা পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম জানান, বাঙ্গরা বাজারের পরিস্থিতি এখন পুলিশ প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অপরাধীরা গা ঢাকা দিয়েও পার পাবে না। রাজনৈতিক ফায়দা লোটার উদ্দেশ্যে ধর্মীয় প্রতিক্রিয়ার আড়ালে যারা উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে তাদের বিরুদ্ধে এরই মধ্যে ছয়টি মামলা রুজু হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। অপরাধীদের সবাইকে আইনের মুখোমুখি করা হবে।
লোহাগাড়ায় মৃত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারকে আর্থিক অনুদানের চেক প্রদান করলেন সাংসদ ড.নদভী
০৩নভেম্বর,মঙ্গলবার,সাতকানিয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধীনে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মৃত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের দাফন-কাপন ও সৎকারের জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। ১ নভেম্বর বিকেল ৪ টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ১০জন মৃত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মধ্যে প্রতি জনকে ১৩হাজার টাকা করে মোট ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা এবং আরেকজনকে ১৫হাজার টাকা প্রদান করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের হাতে চেক প্রদান করেন চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের সংসদ সদস্য,বিশ্ববরেণ্য আলেমেদ্বীন ও গবেষক প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী এমপি। এসময় উপস্হিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আহসান হাবীব জিতু,উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) নীলূফা ইয়াসমিন চৌধুরী ও লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জাকের হোসাইন মাহমুদ।

সারা দেশ পাতার আরো খবর