মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯
রিফাতের খুনির সঙ্গে স্ত্রীর ছবি ভাইরাল
২৭জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: গতকাল বুধবার বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে প্রকাশ্যে খুন হন রিফাত নামের এক যুবক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যাণে সেই খুনের ভিডিও অল্প সময়ের মধ্যেই ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, স্বামীকে বাঁচাতে প্রাণপনে লড়ে যাচ্ছেন স্ত্রী। আজ (বৃহস্পতিবার) ফেসবুকে আরেকটি স্থিরচিত্র ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায়, রিফাতের খুনী নয়ন বন্ডের সঙ্গে রিফাতের স্ত্রী দাঁড়ালো। তার হাতে ফুল, সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অন্য আরেকজন যুবক রিফাতের স্ত্রীকে মিস্টি খাইয়ে দিচ্ছে। প্রকাশ্য দিবালোকে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে রিফাত শরীফকে (২৫) কুপিয়ে হত্যাকরীদের মধ্যে অন্যতম একজন রিফাত ফরাজী (২৫)। বরগুনা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ধানসিঁড়ি রোডের মো. দুলাল ফরাজীর বড় ছেলে তিনি। নিহত রিফাতের পরিবার জানায়, স্ত্রীর সামনে রিফাতকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রিফাতের সঙ্গে দুই মাস আগে পুলিশ লাইন্স সড়কের আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি নামের এক মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর নয়ন নামে এক যুবক মিন্নিকে তার প্রেমিকা দাবি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট দিতে থাকে। সেই সঙ্গে রিফাতের স্ত্রীর সঙ্গে নয়নের পরকীয়া সম্পর্ক আছে বলেও দাবি করে নয়ন। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার নয়নকে নিষেধ করে রিফাত। এরপরও শোনেনি নয়ন। এক পর্যায়ে প্রতিবাদ করে রিফাত। সেই জেরেই তাকে খুন করা হয়। রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বলেন, নয়ন প্রতিনিয়ত আমার পুত্রবধূকে উত্ত্যক্ত করত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর পোস্ট দিত। এর প্রতিবাদ করায় আমার ছেলেকে নয়ন তার দলবল নিয়ে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমার একমাত্র ছেলেকে যারা দিনে-দুপুরে কুপিয়ে হত্যা করেছে, তাদের বিচার চাই। নিহত রিফাতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু মঞ্জুরুল আলম জন বলেন, পরকীয়ার জেরে একবার রিফাত শরীফকে মিথ্যা অভিযোগে পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করিয়েছিল নয়ন বন্ড। মঞ্জুরুল আলম জন আরও বলেন, বুধবার সকালে স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে বরগুনা সরকারি কলেজে নিয়ে যান রিফাত। কলেজ থেকে ফেরার পথে মূল ফটকে নয়নসহ কয়েকজন রিফাতের ওপর হামলা চালায়। তখন ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাতকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে নয়ন ও তার সহযোগীরা। রিফাতের স্ত্রী মিন্নি দুর্বৃত্তদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই হামলাকারীদের থামানো যায়নি। তারা তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাতকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি বলেন, বরগুনা পৌরসভার ধানসিঁড়ি সড়কের আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে নয়ন বন্ড ও তার প্রতিবেশী দুলাল ফরাজীর দুই ছেলে রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজী এবং রাব্বি আকন আমার স্বামীর ওপর হামলা চালায়। আমার সামনে ওই সন্ত্রাসীরা রিফাতকে কুপিয়ে হত্যা করে। আমি শত চেষ্টা করেও আমার স্বামীকে বাঁচাতে পারিনি। বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবীর মোহাম্মদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামি শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত খুনিদের গ্রেপ্তার করবে পুলিশ।- আলোকিত বাংলাদেশ
স্ত্রীর সামনেই স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১
২৭জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে স্ত্রীর উপস্থিতিতেই স্বামী রিফাত শরীফকে (২৫) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালের দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ওই যুবকের নাম চন্দন। তিনি মামলার চার নম্বর আসামি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বরগুনা পুলিশ সুপার (এসপি) মারুফ হোসেন রিফাত জানান, প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ১২ জনকে আসামি করে থানায় মামলা করা হয়। এদের মধ্যে চার নম্বর আসামি চন্দনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। গতকাল বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে শত শত লোকের উপস্থিতিতে স্ত্রীর সামনে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত রিফাত শরীফের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার ৬নং বুড়িরচর ইউনিয়নের বড় লবণগোলা গ্রামে। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে নয়নের নেতৃত্বে ৪-৫ জন সন্ত্রাসী রিফাতকে দা দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে যায়। এ সময় বারবার সন্ত্রাসীদের হাত থেকে স্বামীকে বাঁচাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। এক পর্যায়ে গুরুতর অবস্থায় রিফাতকে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় চিকিৎসকরা তাকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে রিফাত মারা যান। বর্তমানে রিফাতের মরদেহ বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় বুধবার রাতে নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন।-আলোকিত বাংলাদেশ
টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে ৩ মানবপাচারকারী নিহত
২৫জুন২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে তিনজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহতরা মানবপাচারকারী চক্রের সদস্য। আজ মঙ্গলবার ভোররাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মহেশখালিয়া পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের গোলাপাড়ার আব্দুর শুক্কুরের ছেলে কুরবান আলী (৩০), টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী পাড়ার আলী হোসেনের ছেলে আব্দুল কাদের (২৫) এবং একই এলাকার সুলতান আহমদের ছেলে আব্দুর রহমান (৩০)। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- এএসআই মোহাম্মদ সায়েফ, কনস্টেবল মং বাবু ও মোহাম্মদ শুক্কুর। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, মঙ্গলবার ভোররাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মহেশখালিয়া পাড়ায় মানবপাচার মামলার তিনজন আসামি অবস্থান করছে-এমন খবরে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে মানবপাচারকারী চক্রের সংঘবদ্ধ সদস্যরা অতর্কিত গুলি ছুড়তে থাকে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে।
নাতনিকে ধর্ষণের চেষ্টায় দাদা গ্রেফতার
২১জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:বকশীগঞ্জের ধানুয়াকামালপুর ইউনিয়নে ৭ বছর বয়সী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে দাদা তারা মিয়াকে (৬০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে বকশীগঞ্জ থানার কামালপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।জানা গেছে, ওই দিন তারা মিয়া আম দেওয়ার কথা বলে তার নাতনিকে নিজ ঘরে ডেকে নেয়। পরে দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। শিশুটির চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে বিবস্ত্র অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে।পরে শিশুটির বাবা বাদি হয়ে বকশীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে নিজ বাড়ি থেকে তারা মিয়াকে গ্রেফতার করে।বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) তাহেরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।
স্ত্রীর সাথে পরকীয়ার কারণেই মুয়াজ্জিনকে পুরুষাঙ্গ কেটে হত্যা
২১জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:স্ত্রীর সাথে পরকীয়ার কারণেই মুয়াজ্জিন সোহেল রানাকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করে স্বামী রাজু আহম্মেদ। বুধবার সকালে হত্যাকারী রাজু আহম্মেদকে সদর উপজেলার বাগুটিয়া গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান জানান, কালীগঞ্জের বলরামপুর গ্রামের হাকিম আলীর মেয়ের জুলিয়া ও কোটচাঁদপুর উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের বকতিয়ার আলীর ছেলে সোহেল রানা চাপালী মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতো। এসময় তাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি পরিবারের লোকজন জানতে পেলে গত ৪ মাস আগে জুলিয়ার বাবা-মা তাকে সদর উপজেলার বাগুটিয়া গ্রামের চাঁদ আলীর ছেলে রাজু আহম্মেদর সাথে বিয়ে দেয়। বিয়ের পরও জুলিয়ার সাথে সোহেলের সম্পর্ক ছিল। মোবাইলে কথা বলা ও দেখা করত। বিষয়টি স্বামী রাজু আহম্মেদ জানতে পারে। পুলিশ সুপার আরও জানান, গত সোমবার স্বামী রাজু আহম্মেদ স্ত্রী জুলিয়ার মাধ্যমে মোবাইলে মুয়াজ্জিন সোহেল রানাকে ডেকে আনে। প্রেমিকার ফোন পেয়ে রাজু জুলিয়ার সাথে দেখা করতে আসে। রাত সাড়ে ৮ টার দিকে রাজু ও তার ২ জন সহযোগী তাকে ধরে নিয়ে মাঠের পাট ক্ষেতে পুরুষাঙ্গ কেটে ও গলাকেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই রিংকু হোসেন বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) কনক কুমার দাস ও সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান খান অভিযান চালিয়ে প্রেমিকা জুলিয়া খাতুনকে আটক করে। সে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়। পরবর্তীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বুধবার সকালে রাজু আহম্মেদকে গ্রেফতার করে। উদ্ধার করা হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি ও নিহতের মোবাইল ফোন।
গৃহবধুকে ধর্ষণ করতে গিয়ে কলেজ ছাত্র আটক
২১জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:টাঙ্গাইলের ভুঞাপুরে এক গৃহবধুকে ধর্ষণ করতে গিয়ে হাতে-নাতে আটক হয়েছে কলেজ ছাত্র মনিরুজ্জামান রনি (২৪)। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। বুধবার রাতে উপজেলার পৌর এলাকার কুতুবপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। রনি কুতুবপুর গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে এবং ইব্রাহীম খাঁ সরকারি কলেজে ডিগ্রীতে অধ্যয়নরত। প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে সে।মামলা সুত্রে জানা যায়, রনি মাস খানেক আগে পাশের বাড়ির এক সন্তানের জননী ওই গৃহবধূকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে সে রাজি না হওয়ায় বুধবার রাত ১১টায় ধর্ষিতার স্বামী ফোন করেছে বলে তাকে ডেকে তুলে কৌশলে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় পাশে ঘুমিয়ে থাকা শিশু সন্তানসহ ধর্ষিতার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে অভিযুক্ত রনিকে আটক করে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে ভূঞাপুর থানা পুলিশ তাকে নিয়ে আসে।এ ব্যাপারে ধর্ষিতা ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে মনিরুজ্জামান রনিকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। ভূঞাপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো.রাশিদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রনি গৃহবধূকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। ধর্ষিতাকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। ধর্ষককে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
শ্যালিকাকে ধর্ষণের পর হত্যা দুলাভাই পলাতক
২১জুন২০১৯,শুক্রবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শ্যালিকাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দুলাভাইয়ের বিরুদ্ধে। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সদর উপজেলার নাটাই (দক্ষিণ) ইউনিয়নের শালগাঁও গ্রামে ওই কিশোরীর বোনের শ্বশুরবাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত তামান্না আক্তার (১৫) শালগাঁও গ্রামের নোয়াব মিয়ার মেয়ে। সে ওই গ্রামের একটি বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দুলাভাই নাঈম ইসলাম (২৭) পলাতক রয়েছেন।তামান্নার বড় বোন স্মৃতি আক্তার জানান, নাঈম তার বাবা বসু মিয়ার সঙ্গে জেলা শহরের সড়ক বাজারে নৈশপ্রহরীর কাজ করেন। গত সোমবার তামান্নাকে খবর দিয়ে বাড়িতে আনেন নাঈম। বুধবার রাতে বসু মিয়া কাজে গেলেও নাঈম যাননি। স্মৃতি কাজে না যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে নাঈম জানান, তিনি সকালে ঢাকা থেকে তার মাকে আনতে যাবেন।তিনি আরো জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাঈম আমের জুস নিয়ে তার মেয়ে জান্নাতকে খাওয়ায়।জুস খেয়ে জান্নাত ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর তামান্নাকে জুস খেতে বললে তামান্না জুস না খাওয়ায় স্মৃতি সেই জুস খান। জুস খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতি অচেতন হয়ে পড়েন। সকালে ঘুম থেকে ওঠে তামান্নাকে ডাক দিলেও সে কোনো সাড়া দেয়নি। এরপর তামান্নার কাছে গিয়ে দেখেন তার শরীর রক্তাক্ত। খবর পেয়ে গ্রামের এক সর্দার বাড়িতে আসলে নাঈম পালিয়ে যান। নাঈম ধর্ষণের পর তামান্নাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন বলে অভিযোগ করেন স্মৃতি।ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুর রহমান জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
ময়মনসিংহ থেকে সোহেল তাজের ভাগ্নে উদ্ধার
২০জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম থেকে নিখোঁজের ১১ দিন পর সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজের ভাগ্নে সৈয়দ ইফতেখার আলম প্রকাশ সৌরভকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৬টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সোহেল তাজ। লাইভে সোহেল তাজ বলেন, ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা থেকে সৌরভকে উদ্ধার করা হয়েছে। একটি গাড়ি থেকে তাকে রাস্তার পাশে রেখে যাওয়া হয়। ওই রাস্তা দিয়ে কিছু মানুষ অফিসে যাওয়ার সময় তাকে দেখে বিষয়টি তার পরিবারকে জানিয়েছে। ফেসবুক লাইভে তিনি আরও বলেন, তারা সৌরভকে তাদের কর্মস্থলে নিয়ে নিরাপদ জায়গায় রাখে। সকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা কাউন্টার টেররিজমের সংশ্লিষ্ট ডিসির সঙ্গে যোগাযোগ করি। উনি তাৎক্ষণিক সেই এলাকার এসপির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর এসপি নিজে গিয়ে সেই লোকেশন থেকে সৌরভকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। সৌরভ এখন পুলিশ কাস্টডিতে আছে। তাকে এখন পুলিশি প্রহরায় আমাদের কাছে নিয়ে আসা হচ্ছে। এর আগেও এ বিষয়ে একাধিকবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে আসেন সোহেল তাজ। তখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, গণমাধ্যম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সৌরভকে ফিরে পাওয়ার বিষয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন রাখেন তিনি। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের ছেলে ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজের মামাতো বোনের ছেলে (ভাগ্নে) সৈয়দ ইফতেখার আলম প্রকাশ সৌরভ। গত শুক্রবার রাত ১টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তাকে অপহরণের অভিযোগ করেন সোহেল তাজ। সূত্র: আলোকিত বাংলাদেশ
গণধর্ষণের শিকার সেই কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা
১৯জুন২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের পূর্ব রবিপুর গ্রামে গণধর্ষণের শিকার কলেজ ছাত্রী ফারজানা আক্তার (১৭) বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় সোমবার রাতে বাকেরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন নিহতের পিতা রবিপুরের বাসিন্দা সালাম ফরাজী। ফারজানা বাকেরগঞ্জ কলেজের শিক্ষার্থী। মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম। ১২ জুন গণধর্ষণের শিকার হওয়া ফারজানা বিষপান করলে শেরে বাংলা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। ১৬ জুন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তরা হচ্ছেন, তরিকুল ইসলাম, সাওন গাজী, শাওন ফরাজী, জোবায়ের, রাসেদ ও রাজীব। মামলার বাদী ও নিহতের পিতা সালাম ফরাজী জানান, ঘটনার দিন দীর্ঘ সময় ফারজানাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরবর্তীতে মিয়ার বাড়ির সামনে মেয়েকে বসা দেখতে পাই। এ সময় ফারজানা আমাকে গণধর্ষণের বিষয়টি জানালে আমি তাকে বকাঝকা করে বাসায় নিয়ে আসি। বাসায় এসে পরিবারের সকলের অগোচরে ফারজানা বিষ পান করে। দ্রুত তাকে শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ৩দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর ১৬ জুন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে আমার মেয়ে। এ ব্যাপারে গারুরিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার বলেন, আমি এ বিষয়টি লোকমুখে শুনেছি। তবে মেয়েটির পরিবার কেউ আমার কাছে অভিযোগ জানাননি। আমাকে জানালে আমি দোষীদের ধরিয়ে দিয়ে পুলিশকে সহায়তা করব। তবে যাহারা এই কাজটি করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানালেন তিনি। বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আবুল কালাম বলেন, মেয়েটির পরিবার ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছে। দোষীদের গ্রেপ্তারে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।-আলোকিত বাংলাদেশ