শনিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯
ফ্রেন্ডস ঝিনাইয়া উচ্চ বিদ্যালয় আলোচনা সভা অনুষ্টিত
১১অক্টোবর,শুক্রবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:মতলব উত্তরে ফ্রেন্ডস ঝিনাইয়া উচ্চ বিদ্যালয় আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। আলোচনা সভায় সংগঠনের নতুন নাম করন, বিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি প্লার্টফর্মে তৈরি করা, গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাহায্য সহযোগিতা করা এবং প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে পূর্ন মিলনী অনুষ্ঠান করা সহ আরো অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন সংগঠনকে সুসংগঠিত করা, এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষালগ্ন শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে ২০২০ সালে একটি পূর্ন মিলনী অনুষ্ঠান করার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। অন্যান্যদের মধ্যে বলেন প্রাক্তন ছাত্র আক্তারুজ্জামান বলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি পরিবার তৈরি করা এবং ২০২০ সালের পূর্ন মিলনী অনুষ্ঠানকে সাফল্য করার জন্য সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান করেন। প্রাক্তন ছাত্র মামুন বলেন সকলে এগিয়ে আসলে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। প্রাক্তন ছাত্র মমিন বলেন সকলে এগিয়ে আসলে পূর্ন মিলনী অনুষ্ঠান সফল করা যাবে আশা করেন। প্রাক্তন ছাত্র সাইদুর জানান ইতিমধ্যে সংগঠনের বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছি, সংগঠনের সদস্যদের তথ্য সংগ্রহ চলছে সকলকে তথ্য দিয়ে (নাম, ফোন, পেশা, প্রতিষ্ঠান, ব্যাচ, গ্রাম) দিয়ে সাহায্য করতে বলেন এবং আরো বলেন এই সংগঠনটি হবে ঝিনাইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের জন্য একটি প্রানের সংগঠন। এ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মো ফারুক আহমেদ। বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মো আক্তারুজ্জামান, মো মামুন, মো মমিন খান, মো সাইদুর রহমান, মো নাজমুল হাসান, বাছির সরকার, মো জুয়েল, মেহেদী, উজ্জল, শরিফুল, মনিরুল, ইমরান, আলআমিন, সোহরাব, মাসুদ, হৃদয়, মিরাজ, নাইম প্রমুখসহ আরো অনেকে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
Rabর ৩ সদস্য ও ২ নারী সোর্সকে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ
১০অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,কুমিল্লা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবাড়ি সীমান্ত থেকে তিন Rab সদস্য ও তাদের দুই নারী সোর্সকে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। আজ বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার আশাবাড়ি সীমান্তের ১০ নম্বর গেট এলাকা থেকে তাদের ধরে নিয়ে যায়। তারা হলেন- কনস্টেবল রিগান বড়ুয়া, কনস্টেবল আবদুল মতিন ও সৈনিক আবদুল ওয়াহেদ। ও দুই মহিলা সোর্স। তাদের নাম জানা যায়নি। ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি শাহজাহান কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভারতের বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়া Rab সদস্যরা Rab-১১ এর কুমিল্লা সিপিসি-২ এর সদস্য বলে জানা গেছে। স্থানীয় ও Rabর পক্ষ থেকে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। খবর পেয়ে Rab, বিজিবি ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছেন। কিন্তু এখনও এ ঘটনার বিষয়ে Rab-বিজিবির আনুষ্ঠানিক কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় আনোয়ার হোসেন জানান, দুই মহিলা সোর্সসহ তিন Rab সদস্যকে নিয়ে Rabর একটি দল মাদক উদ্ধার করতে কুমিল্লার আশাবাড়ি সীমান্তে ২০৫৯ নম্বর পিলার সংলগ্ন একটি বাড়িতে যান। এ সময় মাদককারবারিদের ধাওয়া করতে গিয়ে ভুলে ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রম করায় ভারতের স্থানীয়রা Rab ৩ জনসহ ৫ জনকে আটক করে বিএসএফ এর কাছে হস্তান্তর করেছে। বিকেলে বিজিবি-বিএসএফ এর মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদেও ফিরিয়ে আনা হবে বলে স্থানীয়দের বিজিবি জানিয়েছে। কুমিল্লা জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করা শর্তে জানান, ভারতের বিএসএফ এর কাছে আটক তিন Rab সদস্য ও দুই সোর্সকে ফিরিয়ে আনতে কিছুক্ষণের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আনা হবে।
বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের দাফন সম্পন্ন
০৮অক্টোবর,মঙ্গলবার,কুষ্টিয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে তৃতীয় জানাজা শেষে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গায় পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ৬টায় কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডস্থ আল -হেরা জামে মসজিদের পাশের সড়কে ফাহাদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে বুয়েট ক্যাম্পাসে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। গেল রোববার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলের একতলা থেকে দোতলায় ওঠার সিঁড়ির মাঝ থেকে আবরারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আবরার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে সোমবার সন্ধ্যার পর চক বাজার থানায় হত্যা একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের বাবা বরকতুল্লাহ। এছাড়া আবরার হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে শনাক্ত করে বুয়েটের ৯ জন ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশ আটক করেছে। এছাড়া বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতিসহ কমিটির ১১ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গোপালগঞ্জে স্কুলছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
০৭অক্টোবর,সোমবার,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় সৌরভ গাঙ্গুলী (১৫) নামে দশম শ্রেণির এক ছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০টায় কোটালীপাড়া উপজেলার দেবগ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সৌরভ গাঙ্গুলী কোটালীপাড়া উপজেলার মধ্য দেবগ্রামের বিমল গাঙ্গুলীর ছেলে। সে উমাচরণ পূর্ণচন্দ্র সার্বজনীন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল। কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লুৎফর রহমান জানান, সৌরভ গাঙ্গুলী উমাচরণ পূর্ণচন্দ্র সার্বজনীন উচ্চ বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে হোস্টেলে থাকত। রোববার রাতে বিদ্যালয়ের পাশের মাঠের কাছে সৌরভের পেটে ছুরি দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে সে দৌড়ে হোস্টেলের কাছে এসে অজ্ঞান হয়ে পড়লে অন্য শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সৌরভকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে এ হত্যাকাণ্ডের কারণ জানতে পারেনি পুলিশ।
চাঁদপুরে বজ্রপাতে একই পরিবারের ৪ জন নিহত
০৬অক্টোবর,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চাঁদপুর শহরের পর্যটন কেন্দ্র বড় স্টেশন মোলহেডে কুমিল্লা থেকে বেড়াতে আসা একই পরিবারের চারজন নিহত হয়েছেন। রোববার (৬ অক্টোবর) দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- অহিদা বেগম (৬০), তার মেয়ে রেহানা বেগম (৩২), নাতি সাব্বির হেসেন (১৪) ও নাতনি সামিয়া (১০)। অহিদা বেগমের বাড়ির কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলায়। মেয়ে রেহানা বেগমের স্বামীর বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আন্দির পাড় এলাকায়। ঘটনার সময় নিহতের সাথে থাকা আরেক মেয়ে শাহিদা বেগম বলেন, তার মা ও বোনসহ চারজন দুপুরে ঘুরতে আসেন বড় স্টেশন মোলহেডে। হঠাৎ বৃষ্টির মধ্যে বজ্রপাতে তারা সবাই আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চত করে বলেন, ঘটনাটি আমরা জেনেছি। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। নিহত চারজনের মরদেহ বর্তমানে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। অপরদিকে ঘটনার সংবাদ পেয়ে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। জেলা প্রশাসক বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগে কারো হাত নেই। নিহতদের পরিবারকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে। ময়না তদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।-আলোকিত বাংলাদেশ
প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রী
০৫অক্টোবর,শনিবার,খুলনা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেইসবুকে পরিচয়ের সূত্রে প্রেমিকের সঙ্গে খুলনা শহরে ঘুরতে গিয়ে একদল যুবকের ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক নবম শ্রেণির মাদ্রাসাছাত্রী। শনিবার সকাল পর্যন্ত খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছেন খুলনা পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ। এ ঘটনায় খুলনার রূপসার শ্রীফলতলার আব্দুর রশিদ ঢালীর ছেলে শরিফুল ইসলাম (২০), আলী হায়দারের ছেলে আসাদুল মোড়ল (২১), মোসাব্বরপুর গ্রামের শাহ আলম হাওলাদার কামরুল হাওলাদার (১৮), মহিষাঘুনি গ্রামের মাসুম শেখের ছেলে নাঈম শেখ (১৯), বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের তৈয়েব শেখের ছেলে রিয়াজুল ইসলাম (১৯) ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আবুল কাশেমের ছেলে সোহেল রানাকে (২২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কথিত প্রেমিক নিয়ামুলকেও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নূর আলম সিদ্দিকী জানান, ভুক্তভোগী মেয়েটি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে নানা বাড়িতে থেকে এক মাদ্রাসায় পড়ালেখা করে। তার মা খুলনা নগরে থাকেন। মেয়েটি ফেইসবুকে পরিচয় সূত্রে মোড়েলঞ্জের নিয়ামুল নামের এক যুবকের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায় উল্লেখ করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, মেয়েটি মায়ের কাছে বেড়াতে এসে গত বুধবার নিয়ামুলের সঙ্গে খুলনা শহরের হাদিস পার্কে ঘুরতে যায়।সে সময় মেয়েটির সঙ্গে তার আট বছরের এক খালাত ভাইও ছিল। নিয়ামুল সুকৌশলে তার বন্ধু রিয়াজুল ইসলাম এবং সোহেল রানাসহ ওই কিশোরীকে রূপসা উপজেলার মোছাব্বরপুরে এক নির্জন এলাকায় নিয়ে যায়। ওই রাতে নিয়ামুল কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পর মোছাব্বরপুর গ্রামের কয়েকজন যুবক বিষয়টি টের পেয়ে নিয়ামুলের কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করে। নিয়ামুল ও তার বন্ধুরা টাকা দিতে না পারায় ওই গ্রামের শরিফুল ইসলাম ও আসাদুল মোড়ল ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে এবং নাইম শেখ (১৯) ও মোসাব্বরপুর গ্রামের কামরুল হাওলাদার (১৮) এ কাজে সহায়তা করে বলেও জানান তিনি। মেয়েটি বাসায় ফিরে ঘটনা জানালে গত বৃহস্পতিবার ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে রূপসা থানায় মামলা দায়ের করেন। ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রী খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
কক্সবাজারে বিজিবির অভিযানে ঝুঁড়ি থেকে মিলল প্রায় ২২০০০ ইয়াবা
০৪ অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফ হোয়াইক্যংয়ের ঝিমংখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২১ হাজার ৯৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এসময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান (পিএসসি) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ৩ অক্টোবর মধ্যরাতে টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ হোয়াইক্যং ঝিমংখালী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ ৬নং স্লুইচ গেইট এলাকা দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান বাংলাদেশে পাচার হতে পারে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিমংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহলদল বর্ণিত এলাকায় গমন করে এবং ঝিমংখালী খালের নিকটের প্রান্তে অবস্থান গ্রহণ করে। কিছুক্ষণ পর টহলদল খালের পার্শ্ব দিয়ে ৩ জন ব্যক্তির চলাচল লক্ষ্য করা মাত্রই তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে। কিন্তু সন্দেহভাজন লোকজন বিজিবি টহলদলেরর নিকট আত্নসর্মপন না করে উক্ত স্থান হতে পালানোর চেষ্টা করে এবং নিকটবর্তী পুকুরে লাফিয়ে পড়ে উক্ত স্থান হতে পালিয়ে যায়। উল্লেখিত সময় খালে প্রবল স্রোত থাকার কারনে টহলদলের সদস্যরা অপরপ্রান্তে পৌঁছে আসামিদের ধাওয়া করতে কিছুটা বিলম্ব হয়। টহলদলের সদস্যরা পরে খালের অপর পার্শ্বে পৌঁছালে চোরাকারবারীদের ফেলে যাওয়া একটি ঝুঁড়ির ভিতর থেকে ৬৫ লাখ ৭৯ হাজার টাকা মূল্যের ২১ হাজার ৯৩০পিস ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তিনি আরও জানান,উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো পরবর্তীতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে ধ্বংস করার জন্য ব্যাটালিয়নে জমা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
হিলি স্থলবন্দরে পেয়াঁজের দাম কেজিতে কমেছে ৩০ টাকা
০২অক্টোবর,বুধবার,হিলি প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারত সরকার ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা দেওয়ার পরই দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকে। সেই সাথে হিলি স্থলবন্দর এলাকার আড়তগুলোতে পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছিল আড়তদারেরা। তবে সম্প্রতি পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক রাখতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মজুদদার ও আড়তদারদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে প্রশাসন। এরই প্রভাব পড়েছে হিলি স্থলবন্দরের আড়তগুলোতে। কমতে শুরু করেছে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম। যে পেঁয়াজ বন্দরের পাইকারি ও খোলা বাজারে ( রোববার, সোমবার, মঙ্গলবার) বিক্রি হয়েছে ৯০ থেকে ১১০ টাকা দরে। সেই পেঁয়াজ বুধবার সকাল থেকে বন্দরের আড়তগুলোতে প্রকারভেদে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কমে কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। আর এতে খুশি বিভিন্ন স্থান থেকে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকাররা। আড়তগুলোতে দাম কমার সাথে সাথে বন্দর এলাকার খোলা বাজারেও কমেছে পেঁয়াজের দাম, স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। কেজিতে কমেছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। তবে বন্দরের আড়তগুলোতে মজুদকৃত পেঁয়াজ বাজারে যদি ছাড়া হয় এবং প্রশাসনের কঠোর নজরদারি বৃদ্ধি করা হলে দাম আরো স্বাভাবিক হয়ে আসবে এমনটাই আশা সাধারণ ক্রেতাদের। হিলি স্থলবন্দরের আড়তদাররা জানান, রপ্তানি বন্ধ ঘোষণার পরেই বন্দরের বেশির ভাগ আড়তগুলো বন্ধ ছিল, সেই সাথে বেড়েছিল ক্রেতা সমাগম। দুই একটি আড়ত খোলা থাকায় বেশি দামে বিক্রি হয়েছে পেঁয়াজ, তবে সব আড়তগুলো আজ খোলা রাখায় পেঁয়াজের দাম কমে এসেছে। তারা আরো জানান, আমদানিকারকরা আমাদেরকে বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বলেছে, তাই আমরা বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করেছি। আজ তারা কম দামে বিক্রি করতে বলেছে। আমরা তাই কম দামে বিক্রি করতেছি।
উখিয়ায় প্রবাসীর বাড়িতে মিলল ৪ জনের গলাকাটা লাশ
২৬সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের উখিয়ায় দুবাই প্রবাসী এক ব্যক্তির বাড়িতে তার পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল বুধবার গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব রত্নাপালং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে প্রবাসীর মা, স্ত্রী ও দুটি শিশু রয়েছে। নিহতরা হলেন- দুবাই প্রবাসী রোকেল বড়ুয়ার মা সুখিবালা বড়ুয়া (৬৫), তার স্ত্রী মিলা বড়ুয়া (২৬), তাদের ছেলে রবিন বড়ুয়া (২) এবং রোকেলের ভাই শিপু বড়ুয়ার মেয়ে সনি বড়ুয়া (৯)। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল মনসুর জানান, বুধবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকালে বাসার ছাদের সিঁড়ি দিয়ে প্রবেশ করে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করেছে উখিয়া থানা পুলিশ। কে বা কারা, কেন এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয় বলে জানান উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এদিকে খবর পেয়ে কক্সবাজার থেকে জেলা পুলিশ সুপার একেএম মাসুদ হোসেন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন জানান,আমরা ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করছি এবং ক্লু উদ্ধারের চেষ্টা করছি। এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা, সে কারণে খুব গুরুত্ব সহকারে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর