বাঙালির অনুভব-অনুপ্রেরণায় মিশে আছেন বঙ্গবন্ধু :আবদুচ ছালাম
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে ধানম-ির ৩২ নম্বর বাড়িতে স্বাধীনতার মহান স্থপতি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করেছে ঘাতকরা। তারা শুধু সপরিবারে তাঁকে হত্যা করেনি, সেদিন হত্যা করা হয়েছিলো একটি জাতির আত্মপরিচয়কে। আমাদের অবিনাশী চেতনাকে। বঙ্গবন্ধুর জীবনটাই ছিলো মানুষের জন্য উৎসর্গীকৃত। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যারা বিভিন্ন ধরনের আস্ফালন করেছেন, ইতিহাস তাদের ক্ষমা করেনি। ইতিহাস ক্ষমা করবে না। তারা ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত হবেই। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু ছাত্র যুব উন্নয়ন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যাগে আয়োজিত ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের মোমবাতি প্রজ্জলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, ১৫ আগস্টের শোককে আমরা শক্তিতে পরিণত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলব। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে ইতোমধ্যে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আমরা আরও সামনে এগিয়ে যাব। বঙ্গবন্ধু, বাঙালি ও বাংলাদেশ এক, অভিন্ন। তিনি মিশে আছেন, মিশে থাকবেন জাতির অগ্রযাত্রার প্রতিটি অনুভবে সাহস, শক্তি ও অনুপ্রেরণা হিসেবে। ইতিহাস থেকে বঙ্গবন্ধুকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও সিডিএ বোর্ড সদস্য কেবিএম শাহজাহান, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাইফুদ্দিন রবি, বঙ্গবন্ধু ছাত্র যুব উন্নয়ন পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ ফারুক। রফিকুল আলম বাপ্পী’র সভাপতিত্বে ও আবীর বাবুজী এবং মো. হোসেন রবিনের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জসিম উদ্দিন, কাজী মামুন, কফিল উদ্দিন, হাজী নাছির উদ্দিন, মো. আজম, মো. শওকত, লিয়াকত আলী, মো. বাদশা, মো. জাবেদ, মোহাম্মদ হোসেন, তসলীম উদ্দিন, মো. শফি, দেবাশীষ আচার্য্য, মো. আলমগীর, সরোয়ার আরমান, আলবীন নুর নাহিন প্রমুখ,প্রেস বিজ্ঞপ্তি
উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতার স্ব-পক্ষের শক্তি ঐক্যবদ্ধ হউন :প্যানেল মেয়র হাসনী
স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাৎ বাষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি কিরন শর্মার সভাপতিত্বে অদ্য ১৪ আগষ্ট মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় চেরাগী পাহাড়স্থ সংগঠনের কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর যুবলীগ নেতা মো. গিয়াস উদ্দিন । সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হুমায়ন কবিরের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী,অর্থ সম্পাদক নুরুল কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদুল আজীজ,সাবেক ছাত্র নেতা এম শাহাদাৎ নবী খোকা, সংগঠনের সদস্য স.ম জিয়াউর রহমান,ফিরোজ চৌধুরী প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন যুবনেতা জহির উদ্দিন, সদস্য মো. আলমগীর, মো. কুতুব উদ্দিন রাজু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অরুণ নাথ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল মিয়া বাবলা, মোসলে উদ্দিন বাহার, কামাল উদ্দিন, শেখ সেলিম, মো. সাকিল, রূপন নাথ, মো. মনির। প্রধান অতিথি প্যানেল মেয়র হাসান মাহমুদ হাসনী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি রাষ্ট্র, একটি প্রতিষ্ঠান। যাঁর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতোনা। তাকে স্ব পরিবারে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট হত্যা করায় বাংলাদেশ ও বাঙ্গালী জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তখনকার সময়ে ৭৫ পরবর্তী সরকার সেসব ঘাতকদের রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরস্কৃত করেছে। সময় পেরিয়ে অনেক ত্যাগ ও সংগ্রামের মাধ্যমে তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে সে ঘৃনিত খুনীদের বিচার করেছে। এখনও কয়েকজন ঘাতক বিদেশে পালিয়ে রয়েছেন। তাদেরকেও এদেশে এনে বিচারের মুখোমুখি করে রায় কার্যকর করার অনুরোধ জানান তিনি। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে স্বাধীনতার স্ব-পক্ষের শক্তি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেতে প্রগতিশীল রাজনীতিবিদদের আবারো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে। যদিও প্রগতিশীল রাজনীতিবিদদের বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনতে ব্যর্থ হন, তাহলে প্রগতিশীল রাজনীতির কবর রচিত হবে। কাজেই সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে উন্নয়নের ধারবাাহিকতায় রক্ষা করার জন্য আহবান জানান তিনি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
শোক দিবসের আলোচনা সভায় দিদারুল আলম এমপি বঙ্গবন্ধুর অবদানেই স্বাধীন হয়েছিল বাংলাদেশ
উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের উদ্যোগে গতকাল কলেজ চত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোায়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সিটি মেয়র এম মনজুর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম-৪ সীতাকু- আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব দিদারুল আলম এমপি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম হয়েছিল বলেই আমরা পেয়েছিলাম একটি স্বাধীন দেশ। পৃথিবীর মাানচিত্রে স্থান পেয়েছিল বাংলাদেশ নামক একটি দেশের। এদেশের মাটি ও মানুষের জন্য কাজ করেছেন তিনি আজীবন। জীবনে ১৭বার কারবন্ধি হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ। অথচ স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছর পর কিছু বিপথগামী ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বপরিবারে হত্যা করল এই মহান নায়ককে।’ অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান ও লায়লা নাজনীন রবের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আকবর শাহ থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি সুলতান আহাম্মদ, সহ সভাপতি লোকমান আলম, সাধারণ সম্পাদক কাজী আলতাফ হোসেন, শ্রমিক লীগ নেতা মুহাম্মদ শফি বাঙালি, সীতাকু- উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মদ ইসহাক, ৯ নং ভাটিয়ারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড’র সাবেক কাউন্সিলর মো. আলমগীর, মোস্তফা-হাকিম ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর, উপাধ্যক্ষ বাদশা আলম, অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক চৌধুরী, মোহাম্মদ আবু ছগির, ফারহানা আক্তার, শামীমা আক্তার, ফাতিমা জামান, লুৎফুন্নেছা, রিয়া শারমিন, মনোয়ারা আহমেদ প্রমুখ। সমাপনী বক্তব্যে মনজুর আলম বলেন, শোকের মাসে পুরো মাস জুড়ে জাতির জনক ও বঙ্গমাতাকে স্মরণ করতে আমরা নানা আয়োজন করে থাকি। এরিধারাবাহিকতায় রয়েছে কুরআন খতম, আলোচনা সভা, গরীব ও দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ, ফ্রি খতনা ক্যাম্প ও গত ১৩ আগস্ট রাতে কলেজ চত্বরে ছিল গরীব ও দুস্থদের জন্য জমকালো বিয়ের আয়োজন। বর-কণের উভয় পক্ষের আত্মীয়-স্বজনসহ হাজার মেহমানের আপ্যায়নের ব্যবস্থাসহ বিয়ের নানা সামগ্রী আয়োজনের মধ্য দিয়ে আয়োজন করা হয় বিয়ে অনুষ্ঠানের।’ এমন নানা আয়োজন দেখে অভিভূত হয়েছেন বর-কণেরাও।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক এর সকাশে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ
১৪ আগস্ট মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের সাথে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ এক সৌজন্য স্বাক্ষাতে মিলিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পরিষদের মহাসচিব মুহাম্মদ এনামুল হক ছিদ্দীকি, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম, মুহাম্মদ শফিউল আলম, নির্বাহী সদস্য এইচ এম শহীদুল্লাহ, সাংস্কৃতিক সচিব মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী ও মুহাম্মদ আবু তৈয়ব চৌধুরী। সৌজন্য স্বাক্ষাতকালে পরিষদের মহাসচিব এনামুল হক ছিদ্দিকী সংগঠনের দীর্ঘ ১০ বছরের কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং বিজাতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসন রোধ করে দেশীয় সংস্কৃতির প্রচার প্রসারে হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের তৎপরতা ও গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ নিতে হবে :ডাঃ আ
চট্টগ্রাম সম্মিলিত কর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ কর আইনজীবী ইউনিটের যৌথ উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এক স্মরণ আলোচনা সভা গতকাল ১৩ আগষ্ট বেলা ১২টায় সংগঠনের সভাপতি এড. এম.এ.বাশার তালুকদারের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম কর আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেকমন্ত্রী ডাঃ আফসারুল আমিন এমপি। জাতীয় শোক দিবস উদযাপন কমিটি চট্টগ্রামের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম ও এড. ইফতেখার হোসেন রাসেলের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড.শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, সাবেক সভাপতি এড. রতন কুমার রায়। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কর আইনজীবী সমিতির চট্টগ্রামের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ইদ্রিস, সাবেক সভাপতি ও শোক দিবস উদযাপন পরিষদের আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ বদিউজ্জামান, সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোঃ আখতার উদ্দীন, সাবেক সভাপতি জয়শান্ত বিকাশ বড়ুয়া, সাবেক সভাপতি মাহফুজুল হক মনি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শওকতুল আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সম্মিলিত কর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নুর হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল কায়সার বেলাল, সম্মিলিত কর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের প্রেসিডিয়াম সদস্য আসহাব উদ্দীন, মোস্তাফা মোল্লা,তপন দত্ত। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত কর আইনজীবী সমন্বয় পরিষদনেতা আলহাজ্ব মোঃ আহসান উল্লাহ, আনিসুর রহমান, এড. মোঃ ফয়েজুল্লাহ, মোঃ আলমগীর হোসেন, এড. জাহাঙ্গীর আলম, বাবু রুপন কান্তি দাশগুপ্ত, এ.এইচ.এম মাঈনুল আমিন, মোঃ মামুনুর রশিদ, দিদারুল আকাশ, জসিম আহমেদ চৌধুরী, মোজাফ্ফর হোসেন রাহাত, মীর তাজউদ্দীন তপু প্রমুখ। মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা মোহাম্মদ শামসুদ্দিন। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন বঙ্গবন্ধুর জন্ম হয়েছে বিধায় আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সেদিন স্বপরিবারে হত্যা করে দেশবিরোধী চক্ররা এদেশকে একটি জঙ্গীরাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মীরা জীবনের নানা ঘাত প্রতিঘাত অতিক্রম করে রাজপথে জীবন বিসর্জন দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে দেশ পরিচালনার সুযোগ করে দিয়ে আমাদের সকলকে কৃতজ্ঞতায় আবদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন মহান মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত সৈনিকরা আজও নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই আগষ্ট মাস বাঙালী জাতির সবচেয়ে ইতিহাসের নিষ্ঠুর ও অমানবিক মাস। এ মাসেই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধুকে যেমন স্বপরিবারে হত্যা করা হয়েছে তেমনি করে ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলাসহ আরো হত্যাকান্ড করেছে ঘাতক বিএনপি, জামাতগোষ্ঠী। তিনি বলেন মানীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে অভুতপুর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে সমগ্র বাংলাদেশে সেই উন্নয়ন ধারাবাহিকতা আর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মান করার জন্য আবারো নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করার জন্য দলের সবস্তরের নেতাকর্মীদের দৃঢ় মনোবল নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সভার বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. ইফতেখার সাইমুল বলেন, আওয়ামীলীগের ইতিহাস সবসময় ত্যাগের। জীবিত বঙ্গবন্ধুর চেয়ে মৃত বঙ্গবন্ধু অনেক শক্তিশালী। ৭৫ এর কালো রাত্রিতে সেদিন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর পরই বাংলাদেশ বেতার সেদিন রাতারাতি রেডিও বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছিল। তিনি মধ্যরাতে যারা টকশো করে বুদ্ধিজীবী সুশীল সেজে সরকারের নানা সমালোচনা করে তাদের উদ্দেশ্যে বলেন আজকে যারা সরকারের সমালোচনা করেন তৎকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে যখন হত্যা করা হয়েছে অন্যায়ভাবে, নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে তখন আপনারাতো অনেকেই সরকারি বিভিন্ন পদে ছিলেন। তখনতো আপনারা গণতন্ত্রের কথা বলেননি। তখনতো আপনারা জাতির জনকের হত্যার প্রতিবাদ করেন নি। তিনি আরো বলেন আওয়ামীলীগ যেমন বর্তমানে ক্ষমতায় থেকে দেশের অনন্য সাধারণ উন্নয়ন করে যাচ্ছে ঠিক তেমনি ক্ষমতার বাইরে থেকেও সকল ষড়যন্ত্র মোকাবোলা করার অভিজ্ঞতা আছে। সুতরাং আওয়ামীলীগের কর্মীদের ভয় দেখার কোন সুযোগ নেই। তিনি আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পরাজয়ের কোন কারণ দেখছেনা। তিনি সকল নেতা কর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে নিজ নিজ এলাকায় এখন থেকে নৌকার পক্ষে কাজ করার আহবান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
৩ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার শাহ আমানতে
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩২টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা। বুধবার সকালে দুবাই থেকে আসা একটি বিমান থেকে এসব স্বর্ণবার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার ওই স্বর্ণের ওজন ৩ কেজি এবং বাজারমূল্য দেড় কোটি টাকা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের বিমানবন্দর ইউনিটের সহকারী পরিচালক আবু হানিফ মোহাম্মদ আবদুল আহাদ। তিনি জানান, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ৮টায় দুবাই থেকে এসে অবতরণ করা বাংলাদেশ বিমান বিজি ১৪৮ ফ্লাইট থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা একটি ব্যাগ তল্লাশি করা হয়। ওই সময় ব্যাগে মোট ৩২টি স্বর্ণের বার পাওয়া যায়। পরে সেগুলো জব্দ করা হয়েছে। শুল্ক গোয়েন্দার এই কর্মকর্তা আরো বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিমান অবতরণের আগেই শুল্ক গোয়েন্দার কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে অবস্থান নেন এবং বিমান অবতরণের পরই বিমানের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন তারা। সেখানে কর্মকর্তারা একটি ব্যাগ তল্লাশি করে ৩২টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেন। ২৪ ক্যারেটের এই স্বর্ণের মোট ওজন ৩ কেজি ৭৩০ গ্রাম ও এর আনুমানকি মূল্য এক কোটি ৬৯ লাখ টাকা। এ বিষয়ে সিএমপির পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জাতির জনকের স্মরণে আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
চট্টগ্রাম-১৫ সাতকানিয়া লোহাগাড়া আসনের সাংসদ প্রফেসর ড.আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী বলেন, ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করলেও তাঁর স্বপ্ন ও আদর্শের মৃত্যু ঘটাতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ-তিতিক্ষার দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনাদর্শ বাঙালি জাতির অন্তরে চির জাগরুক হয়ে আছে। জাতির পিতার সারা জীবনের স্বপ্ন ছিল সোনার বাংলা গড়া। এ কারণে আমাদের সকলের দায়িত্ব বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজকে সম্পূর্ণ করে দেশকে একটি সুখী-সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা। তাঁর দূরদর্শী, সাহসী নেতৃত্বে বাঙালি জাতি পরাধীনতার নাগপাশ থেকে ছিনিয়ে এনেছিল স্বাধীনতা। বাঙালি পেয়েছিল স্বাধীন রাষ্ট্র, নিজস্ব পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত। ড. নদভী এমপি বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে বঙ্গবন্ধু যখন জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে সোনার বাংলা গড়ার সংগ্রামে নিয়োজিত তখনই ঘাতকচক্র তাঁকে সপরিবারে হত্যা করে। এর মধ্য দিয়ে হত্যাকারীরা সদ্য স্বাধীন বাঙালি জাতির অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করতে চেয়েছিল। কিন্তু ইতিহাস তার আপন গতিতে প্রবাহমান।সময়ের ব্যবধানে সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে বঙ্গবন্ধুর অবদান আজ জাতির সামনে সমহিমায় সমুজ্জ্বল। তিনি গত ১৩ আগস্ট ২০১৮ ইং রাত ৮টায় চান্দগাঁও রূপালী আবাসিক এলাকাস্থ নদভী প্যালেস কনফারেন্স হলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকীর দোয়া মাহফিলে উপরোক্ত কথা গুলো বলেন। দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের ডেপুটি খতিব ও আল্লামা ফজলুল্লাহ ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মাওলানা মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী। উপস্থিত ছিলেন চুনতি সরকারি মহিলা কলেজের ম্যানেজিং কমিটি’র সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী সামরিক সচিব বীর বিক্রম মিয়া মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন এর বড় ভাই মোহাম্মদ ইসমাইল মানিক, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মিসেস রিজিয়া রেজা চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য আনোয়ার কামাল, অধ্যাপক ড.আবুল আলা মুহাম্মদ হোছামুদ্দিন, অধ্যাপক শফিউল্লাহ কুতুবী, কামরুল আলম চৌধুরী, লায়ন সিতারা গাফফার, মুহাম্মদ শফিক উদ্দিন, চেয়ারম্যান আ.ন.ম সেলিম চৌধুরী, আরমান বাবু রোমেল, লায়ন আবিদ হোছেন মানু, আবুল আতা মুহাম্মদ এমাদুদ্দিন, এরফানুল করিম চৌধুরী প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সিডিএ চট্টগ্রামের ৬৫ লাখ মানুষের উন্নয়নে কাজ করছে :আবদুচ ছালাম
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) নিজস্ব অর্থায়নে ৬১৫৬.৯৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ৬৪টি আবাসিক ফ্ল্যাট, ২০৯টি দোকান ও ৮২টি কার পার্কিং সুবিধা সম্বলিত কাজীর দেউড়ি মার্কেট ও এ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স গতকাল সোমবার বিকালে উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম। এ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, চট্টগ্রামে নির্মিত শতাব্দীর প্রথম আধুনিক কাঁচাবাজার কাজীর দেউড়ি। ব্যবসায়ী ভাইদের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর তাদের আশা, আকাক্সক্ষা, স্বপ্ন, চাহিদা আজ পূরণ হতে চলছে। সিডিএ-তে আমি যখন প্রথম যোগদান করি, তখন আমার কাজটা ছিল এই প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা। ঠিকাদারের কারণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে দীর্ঘদিন অতিবাহিত হয়ে গেছে। তারপরও আমি আশান্বিত ছিলাম। আমার দৃঢ় প্রত্যায় ছিল কাজীর দেউড়ি বাজারকে আমি চট্টগ্রামের শ্রেষ্ঠ বাজার হিসাবে চট্টগ্রামবাসীকে উপহার দিবো। আজ উদ্বোধনের মাধ্যমে তার প্রমাণ হয়ে গেলো। আমার স্বপ্ন, প্রত্যাশা পূর্ণ হলো। আবদুচ ছালাম বলেন, সিডিএ কোন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নয়, সিডিএ উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে, সিডিএ প্লট, ফ্ল্যাট কিংবা বাজার নিয়ে ব্যস্ত নেই, সিডিএ এখন সারা চট্টগ্রামের ৬৫ লাখ মানুষের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছে। সিডিএ চেয়ারম্যান বলেন, কাজীর দেউড়ি বাজারের আলাদা খ্যাতি রয়েছে। তাই অভিজাত মানুষের সৌখিন চোখ কাজীর দেউড়ি মাছ বাজারে ঢুঁ মারবেনই। আর সমুদ্রে কিংবা পুকুরে বড় আকারের মাছ ধরা পড়লে তার সরাসরি ঠিকানা কাজীর দেউড়ি বাজার। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কতৃপক্ষ বাজারটির উন্নয়ন, সম্প্রসারণসহ বহুতল আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এতে আপামর জনগোষ্ঠী বহুলভাবে উপকার ভোগ করবেন। তিনি বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী হিসেবে এই বাজারকে নান্দনিক সৌন্দর্যে সাজিয়েছি, আমি বুঝি ব্যবসায়ীরা কি চান, কাস্টমাররা কি চান। একজন ভালো ক্রেতা শুধু পণ্য কেনেন না, ভালো আচরণ, ব্যবহার ও রুচিও ক্রয় করেন। তাই আমি আশা করবো সকল ব্যবসায়ী ভালো ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালানা করবেন। ক্রেতার মন জয় করবেন। সিডিএ চেয়ারম্যান আরো বলেন, সময় এখন আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছে প্রিয় বাংলাদেশ। চট্টগ্রাম এখন সেই উন্নয়নের অংশীদার। চট্টগ্রামে যেভাবে উন্নয়ন হচ্ছে, তাতে আগামীর চট্টগ্রাম হবে উন্নত বিশ্বের নগরীগুলোর মতো একটি নগরী। যেখানে যানজট থাকবে না, মানুষের হাঁটার ফুটপাত দখলে থাকবে না, চারদিকে বাগান থাকবে, ময়লা-আবর্জনা থাকবে না। বাস্তবে একটি স্বাস্থ্যকর নগরী হিসেবে গড়ে উঠবে চট্টগ্রাম। তাই এই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য, দেশের তথা চট্টগ্রামের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে আগামী নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় নিতে হবে। সিডিএ’র তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামসের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন সিডিএ’র বোর্ড সদস্য জসিম উদ্দিন, জসিম উদ্দিন শাহ, কেবিএম শাহজাহান, গিয়াস উদ্দিন, হাসান মুরাদ বিপ্লব, কাজীর দেউড়ি বাজার সমিতির সহ সভাপতি হাজী জাকির হোসেন, দামপাড়া মহল্লা কমিটির সদস্য সচিব এসএম সিরাজ, ভিআইপি টাওয়ার মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জালাল হোসেন, কাজীর দেউড়ি সিডিএ মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক আবু হান্নান। সিডিএ সিস্টেম এনালিস্ট প্রকৌশলী মোস্তাফা জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ শাহিনুল ইসলাম খান, উপ-সচিব অমল গুহ, মো. নাজের, মো. হাসান প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নগদ অর্থ প্রদান
কাশেম নূর ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের পক্ষ থেকে নগরীর উত্তর ফরিদের পাড়া হারুন কলোনীতে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ ৪০ পরিবারের মাঝে এককালীন নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। গতকাল অগ্নিকান্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পেয়ে প্রতিটি পরিবারের জন্য কাশেম নূর ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতি (বি-ব্লক) এর সভাপতি আলহাজ্ব হাসান মাহমুদ চৌধুরী ১০হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেন। আজ ১৩ আগষ্ট সোমবার বিকাল ৫টায় চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতির কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে এ অর্থ ক্ষতিগ্রস্থদের হাতে তুলে দেন চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতি (বি-ব্লক) এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লায়ন আহসানুল করীম এমজেএফসহ সমিতির নেতৃবৃন্দ। চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতি (বি-ব্লক) এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহসনুল করীম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থ প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার ইসমাইল। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ফজলে আহাদ, তৌফিক হোসেন, নিজাম উদ্দিন নিজু, নুরুল আবছার, আবু সাইয়েদ হাসনাত, এনামুল হাসান প্রমুখ। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আহসানুল করীম বলেন, গতকাল অগ্নিকান্ডে ঘটনা শুনার পর কাশেম নূর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতি (বি-ব্লক) এর সভাপতি হাসান মাহমুদ চৌধুরী সমিতির নেতৃবৃন্দকে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিটি পরিবারের জন্য কশেম নূর ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ১০হাজার টাকা করে অনুদান প্রদানের ঘোষণা দেন। তারই প্রেক্ষিতে খুব কম সময়ে আমরা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করি। তিনি এলাকার অসহায়, দু:স্থ মানুষের সেবায় কাশেম নূর ফাউন্ডেশনের মতো করে সকল বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহবান জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি