চাঞ্চল্যকর শিশু পরশ হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসি
০৫ফেব্রুয়ারী,বুধবার,দিনাজপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের চাঞ্চল্যকর শিশু পরশ সাহা ওরফে পরশ (৪) হত্যা মামলায় ৫ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর ৪ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় দিনাজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরিফউদ্দীন আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ৫ আসামি হলেন ঘোড়াঘাট উপজেলার কাদিমনগর গ্রামের এহিয়া হোসেনের ২ ছেলে জিল্লুর রহমান (২০) ও জুয়েল ইসলাম (২৭), কামাল উদ্দীন (৪৮) ও তার ছেলে মামুনুর রশিদ ওরফে মামুন (২২) এবং ওয়াজেদ আলীর ছেলে ফেরদৌস আলী। মামলা থেকে খালাসপ্রাপ্ত চারজন হলেন- ঘোড়াঘাট উপজেলার বলদিয়াপাড়ার তারা মিয়া (৪৫), কাদিমনগর গ্রামের মোছা. অন্তরা (১৯), ফেরদৌস আলীর স্ত্রী নুর বানু (৪৫), এহিয়া হোসেনের স্ত্রী শেফালী বেগম (৪৮)। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর বিকেলে ঘোড়াঘাট কাদিমনগর মন্দিরের সামনে থেকে ওই গ্রামের কেশব রায় সাহার ছেলে শিশু পর্শ সাহা ওরফে পরশকে দুর্বৃত্তরা অপহরণ করে নিয়ে যায়। মুক্তিপণ ও নাশকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে দুর্বৃত্তরা তাকে গলাটিপে হত্যা ও একটি চোখ উঠিয়ে নেয়। পরদিন ১১ নভেম্বর সকালে শিশু পরশের মরদেহ ঘোড়াঘাট কেন্দ্রীয় কবরস্থানের পাশে লালবাবুর আমবাগান থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘোড়াঘাট থানায় নিহত শিশুর বাবা কেশব সাহা বাদী হয়ে সাতজনের বিরুদ্ধে অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিসি) মেহবুব হাসান চৌধুরী লিটন ও আসামি পক্ষে পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম।
দায়িত্ব পালনকালে ট্রাকচাপায় পুলিশ সদস্য নিহত
০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নাছিম আহম্মেদ,টাঙ্গাইল,নিউজ একাত্তর ডট কম: টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকায় দায়িত্ব পালনের সময় ট্রাকচাপায় ট্রাফিক পুলিশের এক কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে এই দুর্ঘটনায় নিহতের নাম মো. সাইদুল ইসলাম। তার বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। তিনি টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত ছিলেন। টাঙ্গাইল সদর ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. মোশারফ হোসেন নিউজ একাত্তরকে বলেন, সকালে মহাসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম নিউজ একাত্তরকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটিকে আটক করা হয়েছে। চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে।
টাকা না পেয়ে ছাগল নিয়ে যাওয়ায় দুই এএসআই ক্লোজড
০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরুড়ার শাকপুর গ্রামের মৃত-আলী মিয়ার ছেলে ব্যবসায়ী ফরিদ আহমেদকে গাঁজা দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে বরুড়া থানা পুলিশের এএসআই ইব্রাহীম খলীল ও ইসমাইল হোসেন কে ক্লোজ করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০শে জানুয়ারি রাত ৯টার দিকে এ এসআই ইব্রাহীম খলীল ও ইসমাইল হোসেন ফরিদকে গাঁজা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়। এ সময় শীপন নামের এক কিশোরকে আটক করে। রাতেই দালালের মাধ্যমে ফরিদকে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়। পরদিন কিশোরকে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেয়। পরে আরো ৩০ হাজার টাকার জন্য চাপ দিতে থাকে, টাকা না পেয়ে কিশোরের বাড়ি থেকে একটি খাসি ছাগল নিয়ে যায়। পরে ফরিদ পুলিশ হয়রানী থেকে বাঁচতে গত ২২শে জানুয়ারি কুমিল্লা পুলিশ সুপারের নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে দুই এএস আইকে ক্লোজ করে পুলিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়। এ বিষয়ে বরুড়া থানার ওসি (তদন্ত) ইকবাল বাহার জানান, তাদেরকে প্রশাসনিক কারণে ক্লোজ করা হয়েছে।সূত্র মানবজমিন
মঞ্চ ভেঙ্গে পড়ে গেলেন আহমদ শফী
০২ফেব্রুয়ারী,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফী নারায়ণগঞ্জে ইসলামী মহাসম্মেলনের মঞ্চ ভেঙ্গে নিচে পড়ে গেছেন। এ সময় মঞ্চে তার সঙ্গে ছিলেন জুনায়েদ বাবুনগরী। তিনিও নিচে পড়ে যান। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকাল পৌনে পাঁচটার দিকে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভাঙা মঞ্চেই তারা আবার আলোচনা শুরু করেন। সেখানে বক্তব্য রাখেন হেফাজতে ইসলামের আমির আহমদ শফী ও মহাসচিব জুনায়েদ বাবুনগরীসহ অন্য নেতারা। ঘটনাস্থলে ছিলেন ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন। তিনি বলেন, মঞ্চ ভেঙে গেলেও কেউ গুরুতর আহত হননি। প্রত্যক্ষদর্শী থেকে জানা যায়, আহমদ শফী বিকাল চারটার আগে মঞ্চে ওঠেন। এ সময় আসরের নামাজের বিরতি দিলে বাহিরের ঈদগাহ মাঠে জায়গা না হওয়ায় অনেকে মঞ্চে উঠে নামাজ আদায় করে। কিন্তু পরবর্তীতে কেউ আর মঞ্চ থেকে নামেন নাই। ফলে কিছুক্ষণ পরই অতিরিক্ত ভারে মঞ্চটি ভেঙে পড়ে। এ সময় আহমদ শফী ও জুনায়েদ বাবুনগরীসহ অন্যরা পড়ে যান। পরবর্তীতে আহমদ শফির বক্তব্যের মাধ্যমেই মাহফিলের কার্যক্রম শেষ হয়।- একুশে টেলিভিশন
ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে টাকা আদায়,ডিবি পুলিশের ৭ সদস্যকে বরখাস্ত
০১ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্যবসায়ীকে ধরে হ্যান্ডকাপ পড়ানো হয়। চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাত স্থানে। হুমকি দেয়া হয় হত্যার। ক্রসফায়ারে হত্যার হুমকি দিয়ে টাকা দাবি করে ডিবি পুলিশ। টাকা আদায় করে তবেই ছেড়ে দেয়া হয় ওই ব্যবসায়ীকে। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির পর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে জড়িতদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আজ ঢাকা জেলার ডিবি পুলিশের সাত সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সর্দার জানান, একজন ব্যবসায়ীকে হয়রানি করার অভিযোগে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। তদন্ত শেষে যথাযথ আইনি প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। বরখাস্তকৃতরা হচ্ছে, ঢাকা জেলা ডিবি পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক, একজন সহকারী উপ-পরিদর্শক এবং পাঁচজন কনস্টেবল রয়েছেন। সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সূত্রাপুর থানাধীন লালকুঠি নৌকাঘাট থেকে সোহেল আটক করা হয়। পাঁচ-ছয় জন ব্যক্তি নিজেদের গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে তাকে হাতকড়া পড়িয়ে, চোখ বেঁধে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে সোহেলের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। এসময় তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং মামলার ভয় দেখানো হয়। একপর্যায়ে ক্রসফায়ারে হত্যার হুমকি দেয়া হয় সোহেলকে। একপর্যায়ে প্রাণ বাঁচাতে তাদের কথামতো টাকা দিতে রাজি হয় সোহেল। রাত সাড়ে ১১টার দিকে বসিলা ব্রিজের কাছাকাছি একটি স্থানে সোহেলের স্ত্রীর কাছ থেকে সাড়ে চার লাখ টাকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয় ডিবি পুলিশ। এরপর এ ব্যাপারে গতকাল সোহেল ঢাকা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতেই তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে তদন্ত করা হচ্ছে।সূত্রে মানবজমিন
গোপালগঞ্জে মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের শাখা গঠন
০১ফেব্রুয়ারী,শনিবার,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সমাজের অসহায়, অসুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে পুলিশের অহংকার ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমানের প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় গঠন করা হয় একটি অরাজনৈতিক সমাজসেবা মূলক সংগঠন মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশন। ইতিমধ্যে ফাউন্ডেশনের তিনটি বিভাগীয় শাখা, চৌদ্দটি জেলা শাখা ও বাইশটি উপজেলা শাখা গঠন করে অসহায় ও অসুস্থ মানুষের কল্যাণে নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছে। তারই ধারাবাহিকতায় মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের গোপালগঞ্জ জেলা শাখা গঠন করা হলো। মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নাট্যনির্মাতা জি.এম সৈকতের স্বাক্ষরিত ফাউন্ডেশনের প্যাডে সাত সদস্যের নির্বাহী কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। সভাপতি- নাাট্যনির্মাতা ও অভিনেতা আকাশ রঞ্জন, সহ-সভাপতি সংগীত শিল্পী এ্যাডঃ দয়াল বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক- নাট্যব্যবস্থাপক অসীম সরকার, অর্থ সম্পাদক- অভিনেত্রী দিপান্বীতা রায়, নির্বাহী সদস্য- এ্যডঃ কামাল হোসেন, সাংবাদিক শেখ মোস্তফা জামান ও ব্যবসায়ী মোঃ মনির শরিফ। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জি.এম সৈকত বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের উজ্জ্বল নক্ষত্র হাবিবুর রহমান স্যারের অনুপ্রেরণায় মানবতার কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠিত হয়। সর্বক্ষেত্রে স্যারের উপদেশ ও নির্দেশনা নিয়ে আমরা কাজ করে চলেছি। গোপালগঞ্জ জেলা শাখার নবগঠিত কমিটিকে কেন্দ্রীয় কমিটির শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
কে আমাদের খাবার দিবে? আমাদের যে আর কিছুই রইলো না
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নাছিম আহম্মেদ,টাঙ্গাইল,নিউজ একাত্তর ডট কম: কে আমাদের ওষুধ কিনে দিবে? কে আমাদের খাবার দিবে? আমাদের যে আর কিছুই রইলো না। আমাদের ছেলের লাশটা যেন তাড়াতাড়ি দেশে আনা হয় এজন্য সরকারের কাছে অনুরোধ জানাই। এই আহাজারি সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার নাগবাড়ি ইউনিয়নের আউলাতৈল গ্রামের আল আমিনের বাবা বাবা ফরহাদ আলী ও মা খাতু বেগমের। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় আল আমিনের বাবা-মা। দুই ভাই-বোনের মধ্যে আল আমিন ছিলেন ছোট। পাঁচ বছর আগে স্থানীয় আউলিয়াবাদ গ্রামের বাবুলের মেয়ে বিলকিসকে বিয়ে করেন তিনি। অভাবের সংসারের হাল ধরতে প্রায় এক যুগ আগে সৌদি আরবের জেদ্দায় পাড়ি জমান তিনি। সেখানে প্রথমে আল ওয়ান কোম্পানিতে কাজ শুরু করেন আল আমিন। পরবর্তীতে তিন বছর আগে সেখান থেকে জেদ্দার ইয়ামামা নামের একটি ক্লিনিং কোম্পানিতে পরিচ্ছন্নকর্মী হিসেবে যোগ দেন। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার দুপুরে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে জেদ্দার হাইআল সামির এলাকায় তাদের বহনকারী গাড়িটিকে একটি বড় লরি ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই মারা যান আল আমিন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি দেশে আসার কথা ছিল তার। সরেজমিনে আল আমিনের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন অসুস্থ বাবা ফরহাদ আলী ও মা খাতু বেগম। ছেলেকে দেখার আকাঙ্ক্ষায় তাদের আহাজারি যেন কিছুতেই থামছে না। এলাকার শত শত নারী পুরুষ ছুটে এসেছেন তাদের সান্ত্বনা দেয়ার জন্য। আল আমিনের স্ত্রী বিলকিস বেগম বলেন, বুধবার দুপুর ১২ টার দিকে তার সাথে আমার শেষ কথা হয়। পরে বিকালেই তার মৃত্যুর খবর শুনতে পাই। আমাদের কোনও সন্তান নেই এখন আমি কি নিয়ে বাঁচব। স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম বলেন, আল আমিন অনেক ভালো ছেলে ছিল। তাকে হারিয়ে পরিবারটি এখন দিশেহারা। সরকার যেন এ পরিবারটির দিকে নজর দেন। আর তার লাশটি যেন দ্রুত ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করেন।
গোপালগঞ্জে ইউপি সদস্যের গুলিতে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,আব্দুল লতিফ,নিউজ একাত্তর ডট কম: গোপালগঞ্জে সাবেক এক ইউপি সদস্যের গুলিতে রনি হাওলাদার (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বনগ্রাম পূর্বপাড়া এলাকায় দু-পক্ষের সংঘর্ষের সময় রনি নিহত হয়। নিহত রনি ওই এলাকার আনোয়ার হাওলাদারের ছেলে। আগামি ৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এসএসসি পরীক্ষায় বলাকইড় আজাহারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তার অংশ নেয়ার কথা ছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় শেখ বংশের নতুন শেখকে ৪ থেকে দিন আগে মোল্লা বংশের রহিম মোল্লা ও ভুলু মোল্লা মারধর করে। এ ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে নতুন শেখ রহিম মোল্লাকে মারধর করলে দুই বংশের লোকজন দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় সাবেক ইউপি মেম্বার আজিজুর শেখ গুলি ছুড়েন। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে রনি হাওলাদার ঘটনাস্থলেই মারা যায়। গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন, ওই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মোল্লা বংশের ইউসুফ মোল্লা ও সাবেক ইউপি মেম্বার শেখ বংশের আজিজুর শেখের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ৪ থেকে ৫ দিন আগে শেখ বংশের নতুন শেখকে মোল্লা বংশের রহিম মোল্লা ও ভুলু মোল্লা মারপিট করে। এ ঘটনার জের ধরে আজ বৃহস্পতিবার সকালে নতুন শেখ রহিম মোল্লাকে মারধর করে। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের লোকজন দেশিয় অস্ত্র নিয়ে সংষর্ষে লিপ্ত হয়। এসময় সময় করপাড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আজিজুর শেখ গুলি চালালে গুলিবিদ্ধ হয়ে রনি হাওলাদার ঘটনাস্থলে নিহত হয়। এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এ ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করেছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর