চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগকে সাথে নিয়ে চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের ৫ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বুধবার দুপুর ১টার দিকে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী মঈনুদ্দিন খান বাদল, কোতোয়ালী আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার মহীবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রার্থী ডা. আফছারুল আমিন, চট্টগ্রাম -১১ আসনের প্রার্থী এমএ লতিফ এমপি ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের দিদারুল আলম নিজেদের মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর আগে সকালে নগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর বাসভবনে একত্রিত হয়ে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে একসাথে কাজ করবেন বলে ৫ প্রার্থী শপথ নেন। এসময় নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আমাদের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জের। নগরের ৬ আসনে নৌকা প্রতীকে নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাদের মনোনয়ন দিয়েছেন, তাদের বিজয়ী করতে হবে, এটা আমাদের দায়িত্ব। তিনি বলেন, নেতা-কর্মীদের সব মতানৈক্য ভুলে একযোগে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করতে হবে। আওয়ামী লীগের বিজয় নিশ্চিত করতে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে এবং কেন্দ্রভিত্তিক নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হবে। এরপর প্রার্থী ও সমর্থকরা মোনাজাতে অংশ নেন এবং একে অপরকে মিষ্টিমুখ করান। পরে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরীসহ নগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং এডভান্স সিটির চাটার প্রেজেন্টেশান সিরামনি আগামীকাল
নিজেস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম : লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল 315 বি ৪ বাংলাদেশর অধীনে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং এডভান্স সিটির চাটার প্রেজেন্টেশান সিরামনি আগামিকাল সন্ধা ৭ টায় হোটেল পেনুনসুলার ডালিয়া হলে অনুষ্টিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল. ৩১৫ বি ৪ বাংলাদেশের সম্মানিত গভর্নর লায়ন নাছির উদ্দিন পিএমজেএফ। উক্ত অনুষ্টানে সকলকে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং এডভান্স সিটির পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট লায়ন সালাউদ্দিন আলী এবং সেক্রেটারি লায়ন ইফতেখার সাইমুন অনুরোধ জানিয়েছেন।
বদলি করা হলো নাটোরের সেই ডিসিকে,নতুন ডিসি শাহরিয়াজ
অনলাইন ডেস্ক: অবশেষে বদলি করা হলো নাটোরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ গোলামুর রহমানকে। তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। নাটোরের জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদানের ছয় দিনের মাথায় নিজ কার্যালয়ের এক নারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে (সহকারী কমিশনার) আপত্তিকর প্রস্তাব দেওয়াসহ কর্মচারীকে মারধর, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ অনেকের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ ওঠে গোলামুর রহমানের বিরুদ্ধে। গত মাসের ২৪ তারিখে গোলামুর রহমানের বিরুদ্ধে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন ওই সহকারী কমিশনার। গতকাল সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে নাটোরের ডিসিকে বদলি করে সেখানে নতুন ডিসিকে পদায়নের আদেশ জারি করা হয়। নাটোরের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব মো. শাহরিয়াজকে। গত ৯ অক্টোবর নাটোরের জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগ দেন গোলামুর রহমান। এর পর থেকেই জেলা প্রশাসনসহ সব সরকারি দপ্তরে অসন্তোষ দেখা দেয়। এক নারী ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর বিরুদ্ধে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে বাজে ও আপত্তিকর প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ করেন। ফেসবুকের মেসেঞ্জারে এই সহকর্মীকে অব্যাহত কুপ্রস্তাব দেওয়ায় বাধ্য হয়ে গত ২৪ অক্টোবর ডিসির বিরুদ্ধে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। ফেসবুকে নিজ দপ্তরের নারী ম্যাজিস্ট্রেটকে যৌন হয়রানির ব্যাপারে জেলা প্রশাসক গোলামুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে স্পষ্ট কোনো জবাব দেননি। তবে তাঁর ফেসবুক আইডি হ্যাক হতে পারে এমন ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি। এ ছাড়া ডিসি গোলামুর রহমানের বিরুদ্ধে নিজ দপ্তরের অধস্তন কর্মকর্তা, অন্য দপ্তরের কর্মকর্তা, এমনকি রাজনীতিবিদ ও স্থানীয় সামাজিক সংগঠনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ রয়েছে গোলামুর রহমানের বিরুদ্ধে। এর ফলে সরকারি অনেক দপ্তরের কাজে স্থবিরতা দেখা দেয়। নাটোরে যোগদানের আগে গোলামুর রহমান বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপক ছিলেন। নাটোরে যোগদানের পর নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েনে তিনি। নাটোর শহরের প্রাচীন শিশু পার্কটি ভেঙে বন্ধ করে সেখানে লেডিস ক্লাব নির্মাণ করেন গোলামুর রহমান।
পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে একজন নিহত যশোরে
অনলাইন ডেস্ক: যশোর সদর উপজেলার দোগাছিয়ায় পুলিশ ও ডাকাত দলের মধ্যে গোলাগুলিতে সেলিম নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি যশোর শহরের রায়পাড়া এলাকার মৃত জালাল আলীর ছেলে। যশোর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তাঁরা সেলিমকে আটক করেন। পরে তাঁকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে সদর উপজেলার দোগাছিয়া এলাকায় যান। সেলিমের সহযোগীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়ে তাঁকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ ও ডাকাত দলের মধ্যে অন্তত ২০টি গুলিবিনিময় হয়। গোলাগুলির সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান সেলিম। একপর্যায়ে ডাকাতদল পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে একটি গুলি ও একটি ওয়ান শুটারগান উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত সেলিমের বিরুদ্ধে চারটি ডাকাতিসহ মোট আটটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানান ওসি মনিরুজ্জামান। সেলিমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঐক্যফ্রন্টের সবার নেতা এখন তারেক রহমান: হাছান মাহমুদ
অনলাইন ডেস্ক: ড. কামাল হোসেনসহ ঐক্যফ্রন্টের সবার নেতা এখন তারেক রহমান বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ও একাদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনীয়া) থেকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ড. হাছান মাহমুদ। সোমবার চট্টগ্রাম মহানগর দেওয়ানজী পুকুর পাড় এলাকার নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি, দুর্নীতির দায়ে ১০ বছর সাজাপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমান কোন আচরণবিধি বলে তাদের প্রার্থীদের কাছ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নিলেন? পত্রপত্রিকায় বেরিয়েছে, তারেক রহমানই প্রার্থীদের মনোনয়নের সবকিছু ফাইনালি ঠিক করে দেবেন। বিএনপি থেকে কারা মনোনয়ন পাচ্ছে এমনকি ঐক্যফ্রন্টের চূড়ান্ত তালিকাও তিনি ফাইনাল করবেন। কাজেই এ থেকে বুঝা যাচ্ছে ড. কামাল হোসেনের উপরে হচ্ছে তারেক রহমান। ড. কামাল হোসেন, মাহমুদুর রহমান মান্না, আ স ম রবসহ ঐক্যফ্রন্টের আরও যেসব নেতা আছেন সবার নেতা এখন তারেক রহমান। কারণ তার কথাই পুরো ঐক্যফ্রন্ট পরিচালিত হচ্ছে। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ’র প্রসঙ্গে টেনে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি কয়েকদিন ধরে অনেক মিথ্যাচার করেছেন। প্রকৃতপক্ষে রিজভী আহমেদের কাজ হচ্ছে প্রতিদিন একটি সংবাদ সম্মেলন করে আওয়ামী লীগ এবং সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও প্রপাগান্ডা ছড়ানো। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, তিনি (রিজভী) এমন কিছু মিথ্যাচার করেছেন যেগুলো নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লংঘন। প্রধানমন্ত্রীর সচিব, এপিএস, জনপ্রশাসন সচিব, এমনকি নির্বাচন কমিশনের সচিবকেও জড়িয়ে মিথ্যাচার করছেন। ড. হাছান মাহমুদ আরো বলেন, বিএনপিসহ ঐক্যফ্রন্ট পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চায়। কারণ নির্বাচনের মাঠে নেমে বুঝতে পেরেছে, প্রকৃতপক্ষে মাঠে তাদের অবস্থান শোচনীয়। সে জন্য তারা পরিস্থিতি ঘোলাটে সৃষ্টি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়।
ডা. শাহাদাতের জামিন নামঞ্জুর
অনলাইন ডেস্ক :চট্টগ্রাম নগর বিএনপি সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার চট্টগ্রাম কেন্দ্রিয় কারাগার থেকে তাঁকে চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম শফিউদ্দিনের আদালতে হাজির করা হয়। আদালত শুনানী শেষে তার জামিন নামঞ্জুর করেছেন। চট্টগ্রাম নগর পুলিশের উপ কমিশনার নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আদালত প্রাঙ্গণে পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় দায়ের হওয়া মামলায় ডা. শাহাদাত হোসেনের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম শফিউদ্দিনের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে ঢাকা থেকে গ্রেফতার হওয়া নগর বিএনপি ও স্বেচ্ছা সেবক দলের নেতাদের দেখতে গত ৭ নভেম্বর ঢাকার সিএমএম আদালতে যান ডা. শাহাদাত হোসেন। সেখানে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় মিছিল, শোডাউন করতে পারবে না
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল অনুযায়ী রিটার্নিং অফিসার/সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র ক্রয় এবং দাখিলের শেষ তারিখ আগামী ২৮ নভেম্বর ২০১৮ খ্রিঃ।সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থী আচরণ বিধিমালা, ২০০৮ এর ৮ বিধির (খ) উপবিধি অনুসারে কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা উহার মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় কোন প্রকার মিছিল কিংবা শোডাউন করতে পারবে না। উল্লেখিত বিধান অনুসারে রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন সহকারে মিছিল এবং শোডাউন না করার জন্য মাননীয় নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা প্রদান করেছেন।এমতাবস্থায়, রিটার্নিং অফিসার এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা জমাদানের সময় মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন সহকারের মিছিল এবং শোডাউন না করার জন্য চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হলো।প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম-৪ আসনের মনোনিত প্রার্থী দিদারুল আলমকে সংবর্ধনা
নিজেস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম :দ্বিতীয় বারের মতো উক্ত আসনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী মনোনিত হওয়ায় আজ চট্টগ্রাম সিটি গেইট এলাকায় চট্টগ্রাম ৪ নং আসনের আওয়ামীলীগের নেতা কর্মি সহ সকল স্থরের জনগন আলহাজ্ব দিদারুল আলমকে সংবর্ধনা প্রদান করেন এবং এলাকায় আনন্দ মিছিল করেন। এই সংবর্ধনা ও আনন্দ মিছিলে ১০ নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও চসিকের প্যানেল মেয়র ড:আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহামেদ মঞ্জু , মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এন্ড র্জানালিষ্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) চট্টগ্রাম জেলার চেয়ারম্যান ও আকবরশাহ থানা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি লোকমান আলী, উক্ত সংস্থার উপদেষ্টা ও আকবরশাহ থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক কাজী আলতাপ হোসেন,সংস্থার চট্টগ্রাম মহানগর চেয়ারম্যান এম এ নুরনব্বী চৌধুরী সহ উক্ত সংস্থার এবং আওয়ামীলীগের অসংখ্য নেতা কর্মিরা উপস্থিত ছিলেন। চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড-পাহাড়তলী থানার একাংশ) সংসদীয় আসনটি একসময় বিএনপির দখলে ছিল। ২০০৮ সালে এসে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা এ বি এম আবুল কাশেমের (কাশেম মাস্টার) হাত ধরে পুনরুদ্ধার হয় শিল্পাঞ্চল নিয়ে গঠিত এই আসন। আবুল কাশেম মাস্টারের মৃত্যুর পর চট্টগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ আসনটি ধরে রাখতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা খুঁজে বের করেন তরুণ নেতৃত্ব। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তরুণ শিল্পপতি মো. দিদারুল আলম। তিনি আবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন আরো ত্বরান্বিত হবে, যার সুফল পাবে সাধারণ মানুষ। ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান দিদারুল আলম দশম সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়েই এলাকার উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করেন। এলাকায় সন্ত্রাস দমনেও সফলতা দেখিয়েছেন তিনি। নিজের ও পারিবারিক অর্থায়নে পরিচালনা করছেন প্রায় অর্ধশত শিক্ষা ও সেবা প্রতিষ্ঠান। শুধু নিজের নির্বাচনী এলাকা নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিষ্ঠিত এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মানুষ উপকৃত হচ্ছে। পারিবারিকভাবেও আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত বর্তমান সংসদ সদস্য দিদারুল আলম। তাঁর দাদা ছিলেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম তাঁর চাচা।
নাটোর ও কুষ্টিয়ায় আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪
অনলাইন ডেস্ক: নাটোর ও কুষ্টিয়ায় আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৪৬ জন। নাটোর: রোববার (২৫ নভেম্বর) সকালে নাটোরের বড়াইগ্রাম থেকে রাজশাহীগামী যাত্রীবাহী বাস গুনাইহাটি এলাকায় পৌঁছালে, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিমেন্ট বোঝাই লড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই লড়ি চালক নিহন হন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহত ২৬ জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে আরো একজনের মৃত্যু হয়। কুষ্টিয়া: জয়পুরহাট থেকে ৬৪ জন যাত্রী নিয়ে বরিশালের চরমোনাই পীরের মাহফিলে যাচ্ছিল শাহজালাল পরিবহনের একটি বাস। কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী মহাসড়কের মির্জাপুরে পৌঁছালে সামনের চাকা খুলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় ২২ জনকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে দু'জনের মৃত্যু হয়।