এবার দিনাজপুর ডিসির অনৈতিক সম্পর্কের তথ্য ফাঁস, ভিডিও ভাইরাল
৩০অক্টোবর,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জামালপুরের পর এবার দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাহমুদুল আলমের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারিতে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় ডিসির সঙ্গে নিজের অনৈতিক সম্পর্কের তথ্য ফাঁস করেছেন এক নারী। তার সেই ভিডিওটি ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও বার্তায় ওই নারী দাবি করেছেন, পরিচয় হওয়ার পর ডিসি মাহমুদুল আলম নানা প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। সেই ফাঁদে পা দিয়ে সংসার ভেঙেছে তার। ওই নারী আরও দাবি করেন, জামালপুরের ডিসির নারী কেলেঙ্কারী ফাঁস হওয়ার পর তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক। ঘটনা জানাজানি করলে, হত্যার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তার। জানা গেছে, দিনাজপুরে একটি স্কুলে শিক্ষকতা করেন ওই নারী। তার সঙ্গে যোগযোগ করা হলে এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি তিনি। কথা বলতে চাননি তার পরিবারের সদস্যরাও। এদিকে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেছেন জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম। তিনি বলেন,আমার ঊর্ধ্বতনরা তদন্ত করতে গেছেন, তারাই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবেন। অন্যদিকে ঘটনাটি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। একই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাকে অবমাননার ঘটনায় দিনাজপুরের ডিসির বিরুদ্ধে চলছে নানা কর্মসূচি। উল্লেখ্য, এর আগে জামালপুরের ডিসির একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড এবং ২৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের দুটি ভিডিওতে জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরকে তার নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে বেশ অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা গেছে। ভিডিও দুটি ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার মুখে তাকে ওএসডি করে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।- আলোকিত বাংলাদেশ
টাকা লেনদেনের সময় ভূমি কর্মকর্তা হাতেনাতে আটক
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলা ভূমি অফিসের ভারপ্রাপ্ত কানুনগো আবদুর রহমানকে টাকা লেনদেনের সময় হাতেনাতে আটক করেছে দুদকের একটি টিম। গতকাল সোমবার বিকেলে প্রায় দুই লাখ ১০ হাজার টাকাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর উপপরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম। দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপ-সহকারী পরিচালক রিয়াজউদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, স্থানীয় জনৈক ভূমিহীন ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি দুদকের কাছে অভিযোগ করেন, মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর মৌজায় বাবা-মায়ের নামে ভূমিহীন হিসেবে পাওয়া বন্দোবস্তপ্রাপ্ত জমির নামজারি প্রতিবেদনের জন্য আব্দুর রহমান তার কাছে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। প্রতিবন্ধী এই যুবকের কোনও অনুরোধেই মন গলেনি আব্দুর রহমানের। ঘুষের টাকা না দিলে প্রতিবেদন দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। বিষয়টি ওই প্রতিবন্ধী যুবক লিখিতভাবে দুদককে অবহিত করলে অভিযোগসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের অনুমতি দেয় কর্তৃপক্ষ। দুদক উপ-সহকারী পরিচালক রিয়াজউদ্দীন আরও জানান, ঘুষ গ্রহণের নির্ধারিত সময়ের অনেক আগ থেকেই দুদক টিমের সদস্যরা মহেশখালী উপজেলা ভূমি অফিসের চারদিকে অপেক্ষা করতে থাকে। মহেশখালী উপজেলা ভূমি অফিসের ভারপ্রাপ্ত কানুনগো আব্দুর রহমান সোমবার বেলা চারটায় নিজ দপ্তরে বসে ঘুষের ২০ হাজার টাকা গ্রহণ করছিলেন, ঠিক তখনই দুদক টিমের সদস্যরা তাকে ঘুষের টাকাসহ হাতে-নাতে গ্রেপ্তার করেন। এ সময় তার ব্যবহৃত ব্যাগ, ড্রয়ার তল্লাশি করে আরও নগদ প্রায় এক লাখ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করে দুদকের টিম। তিনি এসব টাকারও কোনও বৈধ উৎস জানাতে পারেননি। এসব টাকাও ঘুষের বলে সাক্ষ্য পাওয়া গেছে। আটক ভারপ্রাপ্ত কানুনগো আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে তাকে মহেশখালী থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে। স্থানীয়রা জানান, আটক ভারপ্রাপ্ত কানুনগো আবদুর রহমান সার্ভেয়ার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মহেশখালী ভূমি অফিসে কর্মরত রয়েছেন। সেখানে খতিয়ান সৃজন, নামজারি খতিয়ান সৃজন, ভূমি জরিপসহ বিভিন্ন কাজে গ্রাহকদের জিম্মি করে মোটা টাকা হাতিয়ে নিয়ে আসছেন। কেউ তার দাবিকৃত মোটা টাকা ঘুষ না দিলে কাজতো হয়ই না উল্টো বিরোধীপক্ষ থেকে সুবিধা নিয়ে ভুক্তভোগীকে বেকায়দায় ফেলে দেন এই সার্ভেয়ার। বিশেষ করে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলনে নানা অজুহাতের জমির মালিকদের কাছ থেকে কোটি টাকার বেশি হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। এই নিয়ে বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বিক্ষোভও প্রদর্শন করেছে ভুক্তভোগীরা। এই ভারপ্রাপ্ত কানুনগোর নেতৃত্বে তিনজন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সিন্ডিকেট করে অধিগ্রহণের জমি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি করেন। এ বিষয়ে স্থানীয় পত্রিকায় ধারাবাহিক প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়। অবশেষে সেই দুর্নীতিবাজ ভারপ্রাপ্ত কানুনগো আবদুর রহমান দুদকের অভিযানে হাতেনাতে ঘুষের টাকাসহ আটক হওয়ায় ভুক্তভোগীদের মধ্যে স্বস্তি নেমে এসেছে।
ভাবিকে দিয়ে ডেকে এনে চাচাতো বোনকে গণধর্ষণ
২৯অক্টোবর,মঙ্গলবার,পটুয়াখালী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ভাবিকে দিয়ে ডেকে এনে চাচাতো বোনকে (১৫) গণধর্ষণ করেছে কাউসার নামে এক যুবক। গতকাল সোমবার দুপুরে পটুয়াখালী সদর উপজেলার উত্তর বাদুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে গণধর্ষণের শিকার কিশোরী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানায়। ফোন পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। পুলিশ আসার সঙ্গে সঙ্গে পালিয়ে যায় দুই ধর্ষক কাউসার ও ইসা। তাদের পালাতে সহায়তা করায় ধর্ষকদের দুই বন্ধু মো. সোহেল মৃধা (২৮) ও মুছা মৃধাকে (১৯) আটক করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গণধর্ষণের শিকার কিশোরীর ভাই বলেন, উত্তর বাদুরা গ্রামে ডেকে এনে আমার বোনকে গণধর্ষণ করেছে কাউসার ও ইসা। ঘটনার পর অসুস্থ অবস্থায় জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানায় বোন। ফোন পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। পুলিশ আসার পরপরই ধর্ষক কাউসার ও ইসাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করে তাদের দুই বন্ধু সোহেল মৃধা ও মুছা মৃধা। পরে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। নির্যাতিত কিশোরীর ভাষ্য, ধর্ষক কাউসার আমার চাচাতো ভাই। অনেকদিন আগ থেকে আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এতে রাজি না হওয়ায় চাচাতো ভাবির মাধ্যমে দুপুরে আমাকে মৃধা বাড়িতে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। মৃধা বাড়িতে যাওয়ার পর আমাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে কাউসার ও তার বন্ধু ইসা। পরে আমি ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে বিষয়টি জানাই। পুলিশ আসার পর পালিয়ে যায় কাউছার ও ইসা। তাদের পালাতে সহায়তা করে সোহেল ও মুছা। পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সদর উপজেলার উত্তর বাদুরা গ্রামে ওই কিশোরী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। ৯৯৯ নম্বরে ফোন পাওয়ার পরপরই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ দেখে দুই ধর্ষককে পালাতে সহায়তা করায় সোহেল মৃধা ও মুছা মৃধাকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। দুই ধর্ষককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
মেয়েদের সামনে বাবাকে উলঙ্গ করে নির্যাতন
২৮অক্টোবর,সোমবার,ভোলা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভোলার লালমোহন উপজেলার ডাওরী বাজারে শত শত মানুষ ও দুই মেয়ের সামনে উলঙ্গ করে মোটরশ্রমিক জসিমকে নির্যাতন করেন একাধিক মামলার আসামি হাসান। সেই নির্যাতনের একটি ভিডিও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লালমোহন উপজেলার ২নং কালমা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মিস্ত্রী বাড়ির আবু ড্রাইভারের ছেলে বিভিন্ন মামলার আসামি হাসান একই ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহ আলী বাড়ির মৃত আব্দুল মোন্নাফের ছেলে মোটরশ্রমিক জসিমকে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা বিক্রির জন্য নানাভাবে প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ডাওরী বাজারে জসিমকে জনসম্মুখে উলঙ্গ করে তার দুই শিশু কন্যার সামনে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে হাত-পা বেধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্মমভাবে নির্যাতন করেন হাসান। ওই ঘটনায় নির্যাতিত জসিম ভয়ে তখন মামলা করতে পারেননি, এমনকি ভিডিওটি প্রকাশ করতে কেউ সাহস পায়নি। গতকাল রোববার একটি মামলায় হাসানকে লালমোহন থানা পুলিশ গ্রেফতার করলে ওই নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে লালমোহন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর খায়রুল কবির জানান, বছর খানেক আগে জসিমকে হাসান বাজারে কেন যেন মারছে। তখন তার ভয়ে কেউ কিছু বলেনি, মামলাও করেনি। রোববার আমরা তাকে অন্য মামলায় গ্রেফতার করলে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। এই বিষয়টিও এখন সামনে আসছে, আমরা তা খতিয়ে দেখবো।
মোটরসাইকেলে আহত যুবকের কাছ থেকে ১৮টি স্বর্ণের বার উদ্ধার
২৮অক্টোবর,সোমবার,গোয়ালন্দ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজবাড়ীতে ১৮টি স্বর্ণের বারসহ এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (২৮ অক্টোবর) সকালে গোয়ালন্দ উপজেলা থেকে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া সাইনবোর্ড এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলের চালক বিপ্লব আহত হয়। তাকে উদ্ধারে ছুটে গিয়ে জুতার ভেতরে স্বর্ণের বার দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তল্লাশি চালিয়ে জুতার ভেতরে বিশেষ কায়দায় রাখা ১৮টি স্বর্ণের বার জব্দ করে। এ ঘটনায় বিপ্লবকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে রেখে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
খুলনায় ছাত্রলীগ নেতাকে গুলি
২৭অক্টোবর,রবিবার,খুলনা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: খুলনায় মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শেখ সোহেল মাহমুদকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাতে সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর খানজাহান আলী থানার মশিয়ালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, বন্ধুদের সঙ্গে একটি স্কুল মাঠে বসেছিলেন মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শেখ সোহেল মাহমুদ। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হয় সে। এ সময় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। হামলার ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
মুরগী চুরির মামলায় আসামির ২ দিনের রিমান্ড
২৬অক্টোবর,শনিবার,রাজবাড়ী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজবাড়ীতে মুরগী চুরির মামলায় তামিম হাসান রতন নামে এক আসামির ২দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে মামলার শুনানি শেষে ১নং আসামি রাজবাড়ী পৌরসভার ড্রাই আইচ ফ্যাক্টরী এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের ছেলে মো. তামিম হাসান রতনকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক আবু হাসান খায়রুল্লাহ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. বোরহান উদ্দীন জানান, ১৩ অক্টোবর রাজবাড়ীর বিনোদপুর এলাকার মো. মিজানুর রহমান সদর থানায় তার নিজ হ্যাচারী থেকে এক হাজার মুরগী চুরির মামলাটি দায়ের করেন। ৫ জন আসামির মধ্যে রতন ও রকিকে গ্রেফতার করে তদন্তের স্বার্থে ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
দিনদুপুরে আদালতের টয়লেটে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা
২৪অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,চাঁদপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আদালতের টয়লেটে অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন আরিফ হোসেন নামে পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শক। গতকাল বুধবার সকালে চাঁদপুর জেলা জজ আদালতে এ ঘটনা ঘটে। এদিকে ঘটনার সময় ধারণ করা একটি ভিডিও ফুটেজ মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় চাঁদপুর জেলা জজ আদালতে ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইনস-এ প্রত্যাহার করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান। জানা যায়, গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা দিকে আরিফ হোসেনকে চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার মহজমপুর গ্রাম থেকে আগত বিচারপ্রার্থী এক নারীর সঙ্গে জেলা জজ আদালতের দ্বিতীয় তলার বাথরুম থেকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে উপস্থিত জনতা। পরে তাদের দুজনকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আরিফ হোসেন জেলা জজ আদালত বিভাগে কর্মরত। তার কাছ হচ্ছে, জেলখানা থেকে প্রতিদিন আসামিদের আনা-নেওয়া করা। এদিকে এ ঘটনায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত পরিদর্শক (অপরাধ) নাজমুল হককে প্রধান করে এক সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে পুলিশ সুপারের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত জমা দেবেন তিনি। পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান জানান, তদন্তে পুলিশ সদস্য আরিফ হোসেন দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, কারো ব্যক্তিগত দায় পুলিশ বাহিনী নিতে পারে না। এদিকে, ঘটনার পরপরই জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূর হোসেন মামুনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ আদালতে ছুটে যান। এ সময় জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সহায়তায় আটক পুলিশ ও নারীকে নিজেদের হেফাজতে নেন। পরে তাদের জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়ে যান। একপর্যায়ে পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক আরিফ হোসেনকে জেলা পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার এবং নারীকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই নারীর সঙ্গে তার স্বামী শরীফ গজীর মামলা চলমান রয়েছে। শরীফ গাজী তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে। ওই নারীও তার স্বামীর বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন। বুধবার স্বামীর করা একটি মামলায় আদালতে হাজিরা দিতে আসেন তিনি।
নিরাপদ সড়ক দিবসকে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজে লাগানোর দাবী
২২অক্টোবর,মঙ্গলবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম:নিরাপদ সড়ক দিবসকে সামাজিক গণজাগরণ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, দেশে প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ সড়কে প্রাণ দিচ্ছে, আহত হচ্ছে। তাদের সুরক্ষা দিতে এই দিবসটি অন্যান্য জাতীয় দিবসের ন্যায় গতানুগতিকভাবে একদিন পালন না করে, নিরাপদ সড়ক দিবসকে কেন্দ্র করে মাসব্যাপী স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, নিরাপদ সড়ক ব্যবহার সংক্রান্ত আলোচনা সভা, মসজিদ-মন্দির-গীর্জায় সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহতা সংক্রান্ত আলোচনাসহ দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে সমাজের সকল স্তরে নিরাপদ সড়কের বার্তা পৌঁছে দেওয়া গেলে দিবসটি ঊদযাপনের সুফল পাওয়া যাবে বলে দাবী করেছেন তিনি। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি পর্যবেক্ষণে মতে, ২০১৫ সাল থেকে সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী বিগত ৪ বছরে ২১,৩৮৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৯,৩১৫জন নিহত ও ৬৯,৪২৮জন আহত হয়েছে। তবে সংগঠিত দুর্ঘটনার সিংহভাগই সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয় না। যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বিগত ২০১৫ সালে ৬,৫৮১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৮,৬৪২জন নিহত ২১,৮৫৫জন আহত হয়েছে। ২০১৬ সালে ৪,৩১২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬,০৫৫ জন নিহত ১৫,৯১৪ জন আহত হয়েছে। ২০১৭ সালে ৪,৯৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭,৩৯৭জন নিহত ১৬,১৯৩ জন আহত হয়েছে। ২০১৮ সালে ৫,৫১৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭,২২১ জন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ১৫,৪৬৬ জন। বিগত ০৪ বছরে সংগঠিত সড়ক দুর্ঘটনায় সর্বমোট ৩১,০৯৪টি যানবাহন আক্রান্ত হয়েছে। যার মধ্যে ২১.৩৩ শতাংশ বাস, ২১.১৮ শতাংশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ৬.৮৭ শতাংশ কার-জীপ-মাইক্রোবাস, ১৪.২৫ শতাংশ অটোরিক্সা, ১৮.৩৩ শতাংশ মোটরসাইকেল, ৯.১৮ শতাংশ ব্যাটারী চালিত রিক্সা, ৮.৮৩ শতাংশ নছিমন করিমন ও ট্রাক্টর সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা পর্যবেক্ষণকালে দেখা যাচ্ছে, বর্তমান সরকারের সময়ে সড়ক-মহাসড়কে উন্নয়নের ফলে যানবাহণের গতি বেড়েছে, এই সময়ে বেপরোয়া গতিতে গাড়ী চালানো এবং বিপদজনক অভারটেকিং বেড়ে যাওয়ার কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা বাড়ছে। আয়তন ও জনসংখ্যার ঘনত্বের তুলনায় বাংলাদেশে যেভাবে ছোট যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে দুর্ঘটনা ও যানজট নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়বে। ২০২১ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামিয়ে আনতে জাতিসংঘের অনুস্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের সড়কে পথচারীর মৃত্যুর হার নিয়ন্ত্রণ করা গেলে এই অঙ্গীকার নির্দিষ্ট সময়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে মনে করে সংগঠনটি।

সারা দেশ পাতার আরো খবর