শনিবার, জানুয়ারী ১৬, ২০২১
মতলবে করোনায় অসহায় মানুষের পাশে হেল্পলাইন মতলব
১২এপ্রিল,রবিবারনিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজএকাত্তরডটকম:করোনা সংকটে মতলববাসীর পাশের থাকার প্রেরণা থেকেই মূলত মতলবের দুই উপজেলার বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন তরুণদের নিয়ে এটির যাত্রা শুরু হয়েছে। চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলায় বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ সংকট মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হেল্পলাইন মতলব। করোনা সংকটে মতলববাসীর পাশের থাকার প্রেরণা থেকেই মূলত মতলবের দুই উপজেলার বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন তরুণদের নিয়ে এটির যাত্রা শুরু হয়েছে বলে সংগঠনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে প্রায় ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবী তরুণ নিজের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাপূর্বক হেল্পলাইন মতলবের মাধ্যমে মতলববাসীকে সংকট মোকাবেলায় জরুরী সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। দুই উপজেলার ২ টি পৌরসভা ও ২০ টি ইউনিয়নেই স্বেচ্ছাসেবকগণ মোটরবাইকের মাধ্যমে সেবা পৌছে দিচ্ছেন। এরই মধ্যে হেল্পলাইন মতলব নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পেজ খুলে সংগঠনের কল সেন্টারের ছয়টি ফোন নম্বর দুই উপজেলা ব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, লকডাউন ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার কারণে অসহায় হয়ে পড়া মতলবের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এসব নম্বরে জরুরি সহায়তার জন্য ফোন করছেন। ইতোমধ্যে নম্বরগুলোতে ১ হাজার ৩৫২ টি ফোন কল এসেছে। ফোন পেলেই ফোনদাতার পরিচয়, ঠিকানা, পেশা, চাহিদা ও পরিবারের সদস্য সংখ্যা লিখে রাখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় হেল্পলাইনের স্বেচ্ছাসেবকগণ সরাসরি গিয়ে সহায়তা পৌছে দিচ্ছেন। এ বিষয়ে উদ্যোক্তাদের একজন জানান, তারা প্রথম দিকে অনেক অসহায় পরিবারকে হেল্পলাইন মতলবের অর্থায়নে জরুরি খাদ্য সামগ্রী (চাল, ডাল, তেল ও ওষুধ ইত্যাদি) পৌছে দিয়েছেন। তবে বর্তমানে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে ত্রাণ সামগ্রী শুধুমাত্র অধিক অসহায় পরিবারগুলোকে দেয়া হচ্ছে। তবে তাদের ফোন নম্বরে ফোন করলে করোনা সংক্রান্ত তথ্য, ডাক্তারের মাধ্যমে সরাসরি টেলিমেডিসিন সেবা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা, হাসপাতালের তথ্য, বিনামূল্যে সাধারণ ওষুধ পৌছে দেয়া, কোনো পরিবারের প্রয়োজন হলে নিত্য বাজার পরিবারের অর্থে করে পৌছে দেয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, টেলিমেডিসিন সেবার জন্য ডাক্তার দেবাশীস সরকার,ডাক্তার শরিফ আহমেদসহ বেশ কয়েকজন কল সেন্টারের নম্বরগুলোতে যুক্ত আছেন। যেকোন অসুস্থতায় যেহেতু গ্রামের মানুষ প্রথমেই স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকদের কাছে যায় তাই কোভিড-১৯ রোগের কথা মাথায় তাদেরকে পারসোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট(পিপিই) দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পশু- পাখিকে এই সময়ে খাবার দেয়া হচ্ছে। সংগঠনটির উদ্যোক্তা সাজিন আহম্মেদ কৌশিক জানান, আমরা জাতির এই দুঃসময়ে মতলববাসীর পাশে থাকার চেষ্টা করছি। তবে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে আমরা পরিকল্পিত আরো কিছু কাজ করতে পারছি না। সরকারি সহায়তা পেল সেগুলোও করা সম্ভব হতো।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানার ওসিসহ ৩৫ সদস্য কোয়ারেন্টাইনে
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজএকাত্তরডটকম:গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির্জা আবুল কালাম আজাদসহ ৩৫ সদস্যকে কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। মুকসুদপুর থানায় কর্মরত এক পুলিশ সদস্যের করোনা পজিটিভ হওয়ায় আজ শনিবার তাদেরকে কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার) মোঃ আসলাম খান। মোঃ আসলাম খান জানান, গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইনস থেকে নতুন জনবল পাঠিয়ে থানার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এর আগে পুরো থানা কম্পাউন্ডে জীবানুনাশক স্প্রে করা হয়েছে। তবে, ওসি মির্জা আবুল কালাম আজাদ হোম কোয়ারেন্টাইনে থেকেই ওসির দায়িত্ব পালন করছেন।যমুনা টিভি। তিনি আরো জানান, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানায় কর্মরত এক পুলিশ সদস্য কনস্টেবল মহিউদ্দিন গত ৬ এপ্রিল জ্বর নিয়ে ছুটিতে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বীরবাশাইল গ্রামের বাড়িতে যান। পরে তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর-এ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হলে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। বর্তমানে ওই পুলিশ সদস্য মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসলিমা আলী জানিয়েছেন, ৩৫ পুলিশ সদস্যের এর মধ্যে ওসিসহ ৭ জনকে থানা কম্পাউন্ডের একটি ভবনে হোম কোয়ারেন্টাইনে এবং বাকি ২৮ জনকে মুকসুদপুর সরকারি কলেজের একটি ভবনে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন নিয়াজ মোহাম্মদ জানিয়েছেন, ওই পুলিশ সদস্যের সাথে সরাসরি ভাবে যে সব পুলিশ সদস্য কাজ করেছেন এমন ১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়েছে।
গাজীপুরে লকডাউন
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজএকাত্তরডটকম:১১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হওয়ার পর রাজধানী লাগোয়া গাজীপুরকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম করোনা প্রতিরোধ কমিটির এক জরুরি সভায় গণ-বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পার্শ্ববর্তী জেলায় গমনের উদ্দেশ্যে ট্রানজিট হিসেবে মহাসড়ক ব্যবহার ব্যতীত জেলা, উপজেলার যে কোনো সীমানা দিয়ে প্রবেশ ও প্রস্থানে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো। এ সময় সব ধরণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গণজমায়েত, গণপরিবহণ এবং দিনরাতে জনসাধারণের চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি সেবা চিকিৎসা, কৃষিপণ্য ও খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ ইত্যাদি আওতাবহির্ভূত থাকবে।সময় টিভি। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত লকডাউন(অবরুদ্ধ) বলবত থাকবে বলেও গণ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য করা হয়। জনস্বার্থে জারিকৃত আদেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ময়মনসিংহে ৫ বস্তা চালসহ গ্রেপ্তার ১
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে সরকারি ওএমএস-এর ৫ বস্তা চালসহ কালোবাজারী চক্রের ১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। ডিবির ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, গত ৯ এপ্রিল জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি টিম আইন শৃংখলা ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানাধীন চর নীলক্ষিয়াপাড়া লক্ষীপুর নামকস্থানে ওএমএস চাউল কালোবাজারে পাচারকালে জনগনের সহযোগীতায় সদরের চর পুলিয়ামারী ব্যাপারীপাড়ার পশর আলী (২৮)কে আটক করা হয়। উক্ত স্থানে ০৫ বস্তা ওএমএস এর চাল উদ্ধার করে। যাহার প্রতি বস্তায় ৩০ কেজি করে মোট ১৫০ কেজি চাল। পরবর্তীতে বহনকারী গ্রেপ্তারকৃত রিক্সা চালক সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি।মানবজমিন। স্থানীয় তদন্তে জানা যায়, চরনিলক্ষীয়া ইউপি মেম্বার হানিফ উদ্দিন অধিক লাভবান হওয়ার জন্য চলমান সংকটে ওএমএস এর চাল কম দামে ক্রয় করে বেশী দামে বিক্রি করার জন্য পরস্পর যোগসাজশে গোপনে তার বাড়ীতে নিয়ে যাচ্ছিল। উক্ত ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার নির্দেশে ডিবির টিম চলমান সংকট মূহুর্তে বিভিন্ন থানায় এবং ইউনিয়নে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত আছে যাহাতে গবীর দুঃখিদের প্রাপ্যতা বণ্টনে কোন অনিয়ম করতে না পারে।
সিলেট জেলাকে লকডাউন ঘোষনা
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সিলেট জেলাকে লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে এই এ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে সিলেট জেলা প্রশাসন থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে গঠিত সিলেট জেলা কমিটির মতামতের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলাম।মানবজমিন। নির্দেশনা পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে- এখন থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সিলেটে প্রবেশ ও প্রস্থান নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হলো। আঞ্চলিক সড়ক, মহাসড়ক, নৌপথ সহ সকল ক্ষেত্রে কেউ সিলেটের বাইরে কিংবা বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। জেলার অভ্যন্তরে আন্ত:উপজেলা যাতায়াতের ক্ষেত্রে এই এই আদেশ বহাল থাকবে। সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে নির্দেশনা উল্লেখ করে জানানো হয়- জরুরী পরিষেবা, চিকিৎসা সেবা, কৃষিপণ্য, খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ এর আওতার বর্হিভূত থাকবে।
সিভিল সার্জনসহ ৫ জন ডাক্তার করোনায় আক্রান্ত
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:নারায়ণগঞ্জে করোনাভাইরাসের ভয়াবহতায় এ পর্যন্ত ৫ জন চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে জেলার সিভিল সার্জনও রয়েছেন। গত ৪ এপ্রিল (শনিবার) নারায়ণগঞ্জে প্রথম একটি বেসরকারি ক্লিনিকের একজন চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হন। তিনি নিয়মিত সেই ক্লিনিকে রোগী দেখতেন। হঠাৎ করে তার করোনা উপসর্গ দেখা দেয়। পরে তার নমুনা পরীক্ষা করলে তার করোনা শনাক্ত হয়। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৮ এপ্রিল (বুধবার) করোনায় আক্রান্ত হন নারায়ণগঞ্জ জেলা করোনা বিষয়ক ফোকাল পার্সন এবং সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম। মানবজমিন। জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন হিসেবে মো. জাহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় নমুনা সংগ্রহের জন্য জেলার বিভিন্ন স্থানে গিয়েছেন এবং করোনা বিষয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। এ সময় তিনি করোনা আক্রান্ত হন। পরবর্তীতে তার নমুনা পরীক্ষা করা হলে তার করোনা শনাক্ত হয়। বর্তমানে তিনি নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) করোনা আক্রান্ত হন নারায়ণগঞ্জ ৩শ শয্যা হাসপাতালের একজন চিকিৎসক। মেডিসিন কনসালটেন্ট (৪২) এই চিকিৎসকের করোনা উপসর্গ দেখা দিলে তার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী তিনি করোনা পজিটিভ। একইদিন নগরীর বেসরকারি একটি হাসপাতালের (৪৫) একজন চিকিৎসকের শনাক্ত করা হয়। সর্বশেষ শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে নারায়ণগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. ইমতিয়াজের করোনা শনাক্ত করা হয়। নারায়ণগঞ্জে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আক্রান্ত হন তিনিও। প্রসঙ্গত, এর আগে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের নার্স, ওয়ার্ডবয় ও হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স চালক করোনা আকান্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭৫ জন। মারা গেছেন ৯ জন।
রাঙামাটিতে ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা
১১এপ্রিল,শনিবার,রাঙামাটি প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় এক ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম হেমন্ত চাকমা (২৭)। তিনি জুরাছড়ি উপজেলার বনযোগী ছড়া ইউনিয়ন পরিষদের ২ নং ওয়ার্ডের সদস্য। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জুরাছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাই। তবে কে বা কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে তা নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জুরাছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান সুরেশ কান্তি চাকমা জানান, উপজেলা সদরে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন হেমন্ত চাকমা। এ সময় তাকে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। ঘটনার পর থেকে উপজেলা শহরে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মুন্সীগঞ্জে ৭ করোনা রোগী শনাক্ত
১১এপ্রিল,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:মুন্সীগঞ্জে দুই নারীসহ সাত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার মধ্য রাতে জরুরি ফোনে আইইডিসিআর মুন্সীগঞ্জের সিভিল সার্জনকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। মুন্সীগঞ্জ, গজারিয়া, সিরাজদিখান, শ্রীনগর ও টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় রাতেই সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের জরুরি নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার একজন নারী এবং সিরাজদিখানে আরেক নারী রয়েছেন। বাকী পাঁচ পুরুষের মধ্যে গজারিয়ায় দুজন। এরা হলেন- উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) এবং আরেকজন উপজেলাটির একটি গ্রামের। টঙ্গীবাড়ি উপজেলার দুজনই পুরুষ। অপরজন শ্রীনগর উপজেলার। গত ৭ এপ্রিল তাদের সোয়াব সংগ্রহ করা হয়। ৮ এপ্রিল পরীক্ষার জন্য ১৬ জনের নমুনা ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। এর মধ্য থেকেই ৭ জনের রিপোর্ট পজেটিভ।নয়াদিগন্ত। সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ নয়াদিগন্তকে জানিয়েছেন, এদের অধিকাংশই নারায়ণগঞ্জের লিঙ্কে সংক্রমিত। সূত্র জানায়, টঙ্গীবাড়ির একটি কেস ঢাকার মিরপুরের। এদিকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেকমোকে ঢাকায় ভর্তি করার জন্য রাতেই মুন্সীগঞ্জ থেকে অ্যাম্বুলেন্স পাঠানো হয়েছে। এই অ্যাম্বুলেন্সে অপর রোগীকে আইসোলেশনে পাঠানো হচ্ছে। সেকমো সংক্রামিত হওয়ায় আইইডিসিআর মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ বন্ধ করে দেয়া নির্দেশনা প্রদান করেছেন। মুন্সীগঞ্জের সিভিল সার্জন নয়ায়িদগন্তকে আরও জানান, তাই আপততঃ গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ বন্ধ রাখা হয়েছে। সেকমোর সাথে যারা ডিউটি করেছেন তাদের হোমকোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, পজেটিভ পাওয়া সকলের সাথেই আইইডিসিআর এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাগণ কথা বলেছেন। সাত জনের শারিরিক অবস্থা এখনও গুরুতর নয়। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সুমন বণিক নয়াদিগন্তকে জানান, পজেটিভ দুজনের নমুনা মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। যদিও একজনের বাড়ি টঙ্গীবাড়ি উপজেলায়। তিনি মুন্সীগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসেছিলেন। এই দুজনের সাথেই কথা হয়েছে। তারা বাড়িতেই আছেন। সকালে গিয়ে বাড়ি লকডাউন ছাড়াও আইসোলেশনে নেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর