অসহায় ও দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন জাককানইবি পরিবার
০৯মে,শনিবার,কামরুজ্জামান মিন্টু, ময়মনসিংহ ব্যুরো,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ফলে বিরাজমান সংকটময় পরিস্থিতিতে ত্রিশালের কর্মহীন অসহায় ও দুস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পর্ষদ, বঙ্গবন্ধু-নীলদল (শিক্ষকদের সংগঠন), কর্মকর্তা পরিষদ, তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতি ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের উদ্যোগে স্থানীয় প্রায় ৩৫০ অসহায়-দুস্থ পরিবারের মাঝে সামাজিক ও স্বাস্থবিধি মেনে আজ ০৯ মে ২০২০ শনিবার ত্রাণ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এএইচএম মোস্তাফিজুর রহমান। এ সময় উপাচার্য বলেন ,মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে আজ আমরা সকলের পাশে দাড়িয়েছি। দেশের এই পরিস্থিতিতে সবাই সাধ্য মতো মানুষের পাশে দাঁড়াবে এটা আহ্বান করি। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা পরবর্তি সময়ে দেশকে ঘুরে দাড়াতে দেখেছি। বিশ্বাস করি তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবারও ঘুরে দাড়াতে সক্ষম হবে বাংলাদেশ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শাহজাদা আহসান হাবীব, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) সোহেল রানা, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা), নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আল্ জাবির, নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আসিফ ইকবাল আরিফ, সহকারী প্রক্টর ড. মো. কামাল উদ্দিন সহ অন্যান্য শিক্ষক নেতৃবৃন্দ। কর্মকর্তা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাকিবুল হাসান রনি। তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হক রাজু। উল্লেখ্য ইতোমধ্যে শিক্ষক সমিতির ব্যবস্থাপনায় শিক্ষকদের প্রদত্ত ১ দিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের পরিবারকে সহায়তা প্রদান করেছে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তদের আরো ১ দিনের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যান তহবিলে প্রদান করেছে। জাককানইবি শিক্ষক সমিতি দেশের চলমান এই ক্রান্তি লগ্নে সকল অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর অঙ্গিকার ব্যক্ত করে।
চিকিৎসা সেবকরা করোনাভাইরাস জয় করে অভিজ্ঞতা শেয়ার
০৯মে,শনিবার,কামরুজ্জামান মিন্টু, ময়মনসিংহ ব্যুরো,নিউজ একাত্তর ডট কম:মহামারী করোনাভাইরাস জয় করে ঘরে ফিরেছেন মুক্তাগাছার ৪ জন চিকিৎসা সেবক। শনিবার বিকালে তারা ৩ জন ও এর আগে আরেকজন পুরোপুরি সুস্থতার সনদ নিয়ে উপজেলা হাসপাতালের আইসোলেশন থেকে নিজ নিজ বাড়িতে ফিতে যান। করোনা বিজয়ি চার চিকিৎসা সেবক হচ্ছেন- মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ এম জি মোস্তাফা, স্বাস্থ্য সহকারী তারিকুল ইসলাম ছোটন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ল্যাব এটেইনডেন্ট আশরাফুল ইসলাম। এর আগে করোনায় আক্রান্ত হাসপাতালের নার্স আনার কলি পাপিয়া সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেন। এরা সবাই মাঠ পর্যায়ে চিকিৎসা সেবা প্রদানের কাজে নিয়োজিত থেকে করোনায় আক্রান্ত হন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন। সুস্থ্য হবার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তারা কোভিড-১৯ ভাইরাস পজেটিভ ধরা পড়ার পর থেকে সুস্থ হওয়া পর্যন্ত নানা অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেছেন। স্বাস্থ্য সহকারী তারিকুল ইসলাম ছোটন তার ফেসবুক পেইজে লেখেন- আমি একজন স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে উপসর্গ ছাড়াই করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের আইসলোশনে ভর্তি হই। তবে আক্রান্ত হওয়ার পরে সামাজিক গুজবের চাপে ও পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে খানিকটা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরি। তবে মনোবলকে শক্ত করে লেগে পড়ি করোনা তাড়ানোর চেষ্টায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরীরে অবশ্য অনেক লক্ষণই প্রকাশ পায়। মনে সাহস সঞ্চয় করে এগিয়ে যাই। প্রাণপনে লড়ে যাই। আমাকে সুস্থ্য হতেই হবে। সুস্থ্য হয়ে অসহায় মানুষের সেবায় আবার করোনার যুদ্ধের ময়দানে নামতে হবে। করোনার কারাগারে বন্দি যোদ্ধাহত সৈনিক। যুদ্ধ ক্ষেত্রে আহত হয়ে ক'দিন আগেই বন্দি হয়েছিলাম। করোনার স্পর্শে খুব সহজেই অচেনা হয়ে উঠে চির চেনা মুখগুলো। নিষ্ঠুরতা তীর অনেকের চোখে। নিজেকে বাঁচাতে, সমাজকে পরিশুদ্ধ রাখতে, দেশ বাঁচাতে, প্রিয়জন বাঁচাতে স্বেচ্ছায় অথবা বাধ্যতামুলকভাবে করোনার কারাগারে বন্দি হতেই হয় প্রতিটি যোদ্ধাকে। আমাদের পরিনতি খুব ভালেভাবেই জানি। হয় মৃত্যু অথবা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে বাঁচতে পারলে আবার যুদ্ধের ময়দানে শক্রুর মোকাবেলা করা। করোনা মোকাবেলায় মনোবলই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। তবুও ভয় না পেয়ে সহযোদ্ধা আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ এম জি মোস্তাফা স্যারের উৎসাহে মনোবল আরো দৃঢ় করে নির্দেশমতো প্রাণপনে লড়ে যাই দিন রাত। যেখানে প্রতিটি নি:শ্বাসে নিয়েছি গরম বাষ্প। পানির বদলে এক ঘন্টা পরপর লেবুর রস মেশানো হালকা গরম পানি পান করেছি। কখনো কখনো আদা চিবিয়ে গিলে বুকজ্বলা ব্যথা নিয়ে করোনা তাড়াতে ব্যস্ত থেকেছি। নিয়মিত শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যায়াম করেছি। ঘন্টায় ঘন্টায় চা পান করেছি। গরম পানি গলায় ঢেলে গাড়গিল করেছি। এসব করতে করতে কেটেছে দিন রাত। দীর্ঘ শ্বাস টেনে আস্তে আস্তে ছেড়েছি। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে আরএমও স্যার আমাদের নীতি, নৈতিকতা ও কুরআন হাদিসের আলোকে আদর্শের কথা শুনাতেন মনোবল চাঙ্গা রাখার জন্য। এর মধ্যেই ৪ তারিখে পাপিয়ার পরপর দু'বার নেগটিভ আসায় ৫ তারিখে তার রিলিজ হয়। নিয়ম মেনে চলায় এটা সম্ভব হয়েছে। তারপর ৭ তারিখে আমাদের বাকি তিনজনের নমুনা পরীক্ষায় পরপর দু'বার নেগেটিভ আসলে ৮ তারিখে আমাদের রিলিজ হয়। হাসপাতালে প্রতিদিন ৫ বার আদা, লেবু, লং, কালোজিরা, এলাচ, সরিষার তৈল একসাথে মিশিয়ে গরম করে গলা আর নাক দিয়ে বাষ্প নিয়েছি। পরে সেই পানির দ্রবণও পান করেছি। দৈনিক ৮-১০ বার চা পান, ফলমূল খাওয়া সবই করেছি। ডাক্তারদের দেয়া ওষুধ নিয়মিত সেবন করেছি। আমি এখন সুস্থ।। করোনা থেকে বাঁচতে প্রতিটি মানুষেরই স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা উচিত। উপরে উল্লেখিত উপাদানগুলো বাসায় বসে করা যেতে পারে। অন্যানরাও শেয়ার করেছেন তাদের করোনা জয়ের কাহিনী।
ভালুকায় শেফার্ড গ্রুপে জীবাণুনাশক স্প্রে গেইট
০৯মে,শনিবার,মো.মোকছেদুর রহমান মামুন,ভালুকা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভালুকায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে শেফার্ড গ্রুপের কর্মচারী, কর্মকর্তাদের নিরাপত্তার জন্য স্বয়ংক্রিয় জীবাণুনাশক ডিজিটাল সিকিউরিটি স্প্রে গেইট স্হাপন করলেন ভালুকা শেফার্ড গ্রুপের ডি,জি,এম শ্রমিকবান্ধব শিল্প কর্মকর্তা মোকলেসুর রহমান। গত ২৯ এপ্রিল জীবাণুনাশক স্প্রে গেইট টি স্হাপন করা হয়।এটি উদ্বোধন করেন ডি,জি,এম মোকলেসুর রহমান।এই গেইট দিয়ে প্রবেশ করার সাথে সাথেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে জীবাণুনাশক স্প্রে করবে এবং প্রবেশকারীকে জীবাণুমুক্ত হবে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ভালুকার শেফার্ড গ্রুপের ডি,জি,এম মোকলেসুর রহমান ফ্যাক্টরীর কর্মচারী,কর্মকর্তাদের জন্য ব্যাপক সর্তকতা মুলক পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন।১৫০০ শ্রমিকের হাত ধোয়ার ব্যাবস্হা এবং ফ্যাক্টরীর সকলকে মাস্ক,স্যানিটাইজার ও সচেতনামূলক ফেষ্টুন,লিফলেট, পোষ্টার দিয়ে সচেতন করেছেন। ভালুকা শেফার্ড গ্রুপের শ্রমিক তোফাজ্জল হোসেন বলেন,প্রবেশের সময় হাত ধোয়ার পাশাপাশি জীবানুমুক্ত গেইট দিয়ে প্রবেশ করায় পা থেকে মাথা পর্যন্ত জীবাণুমুক্ত হচ্ছে।এখন আমরা আগের মত আতংকিত নয়। এই বিষয়ে ভালুকা শেফার্ড গ্রুপের ডি,জি এম মোকলেসুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে,তিনি বলেন,বিশ্বব্যাপি প্রানঘাতী করোনা ভাইরাসের জন্য সাধারন মানুষ যেমন আতংকিত ঠিক তেমনি ফ্যাক্টরীর শ্রমিকরাও আতংকিত।শ্রমিকরা ফ্যাক্টরিতে আসতে ভয় পায়।করোনা ভাইরাসের কারনে সৃষ্ট এই সংকটকালে জীবাণুনাশক ছিটানো গেইটটি স্হাপনের মধ্য দিয়ে শ্রমিক,কর্মচারী,কর্মকর্তাদের জীবাণুমুক্ত করার চেষ্টা করছি।
ভালুকায় প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের কৃষকের জমির ধান কেটে দিলো ছাত্রলীগ
০৯মে,শনিবার,মো.মোকছেদুর রহমান মামুন,ভালুকা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতির কারণে শ্রমিক না পাওয়ায় এ বছর বোরো ফলন সংগ্রহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। তার উপর রয়েছে বৈরী আবহাওয়ার শঙ্কা। তবে সংকটময় সময়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার হক সজীবের উদ্যোগে এক ঝাকঁ তরুন উধ্যমী ছাত্রলীগের কর্মী বাহিনী নিয়ে উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা'র আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসকারী দরিদ্র কৃষক মোঃ শহীদ মিয়ায় ৪০শতাংশ জমির ধান কেটে, বাড়ীতে পৌছিয়ে মাড়াই করে দিলেন। এতে সহযোগিতা করেন উথুরা ইউনিয়নের ছাএলীগের নেতাকর্মীরা। কৃষক মোঃশহিদ জানান, আমি মানুষের বাড়ীতে কাজ করে নিজের সংসার চালাই। নিজের পরিবারের বছরের চাল সংগ্রহের জন্য এই জমি টুকু আবাদ করি। কিন্তু শ্রমিক সংকট ও আমার কাছে টাকা না থাকায় ক্ষেতের ধান কাটতে পারছি না। এ সংবাদ সজীব ভাই কারও মাধ্যমে জানতে পারেন এবং নিজে এসে তার নেতাকর্মীদের নিয়ে আমার ধান কেটে দিলেন। এতে আমার অনেক উপকার হয়ছে। আল্লার কাছে তাঁর জন্য দোয়া করি। ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার হক সজীব জানান,করোনা পরিস্থিতির কারণে দেশজুড়ে ধান কাটা শ্রমিকের মজুরি তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায়ার কারণে বেশ কিছু অঞ্চলে কৃষকেরা পাকা ধান কাটতে হিমশিম খাচ্ছেন। এমতাবস্থায় বাংলার দুঃখী অসহায় মানুষের শেষ ঠিকানা কৃষিবান্ধব নেত্রী, দেশ রত্ন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমে ধান কেটে দিচ্ছি। এবং আমাদের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।মানবতার পাশে ছাত্রলীগ। এই স্লোগান কে সামনে রেখে, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগরে নির্দেশনায় আমরা কাজ করছি
ফেনীতে আগুনে পুড়ল ৮টি ঘর
০৯মে,শনিবার,তামজীদ হোসাইন,ফেনী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনীর আলোকদিয়ায় একটি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনটি বসতসহ ৮টি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩০ লক্ষাধিক টাকা। স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, রাত ১২টার দিকে ফেনীর কালিদহ ইউনিয়নের আলোকদিয়া চৌধুরী বাড়ীর জয়নাল আবেদীনের পরিত্যক্ত রান্না ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখায় প্রবাসী মহি উদ্দিন, নূর হোসেন ও অহিদের রহমান মাস্টারের বসত ঘরসহ ৮টি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এ সময় বিকট শব্দে রান্নায় ব্যবহৃত ২টি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফারিত হলে জনমনে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে নেয়ায় পাশের আরও ১০টি ঘর রক্ষা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত নূর হোসেন ঘটনাটি রহস্যজনক দাবি করে জানান, জয়নাল আবেদীন পরিবার নিয়ে ফেনী শহরে বসবাস করেন। যেখান থেকে আগুনের সূত্রপাত সেই রান্না ঘর ব্যবহার হয় না। সেখানে বিদ্যুতও নেই। ফেনী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রাশেদ বিন খালিদ জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। ফেনী মডেল থানার পুলিশও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত করছে।
করোনায় পুলিশের ঝুঁকি কমাতে সুরক্ষা সামগ্রী উপহার
০৭মে,বৃহস্পতিবার,কামরুজ্জামান মিন্টু,ময়মনসিংহ ব্যুরো,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস মোকাবিলায় রাতদিন মাঠে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ বাহিনী। সম্প্রতি পুলিশের করোনাভাইরাসে সংক্রমণের হার বেড়ে গেছে। সদা মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকা এই পুলিশ সদস্যদের সুরক্ষিত রাখতে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশকে সুরক্ষা সামগ্রী উপহার দিয়েছেন মহানগর যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক রাসেল পাঠান। আজ (৭ই মে) বৃহস্পতিবার বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সৌজন্য স্বাক্ষাতে পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামানের হাতে এই উপহার সামগ্রী তুলে দেন। উপহার সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ২৩শ মাস্ক, ১৫ বক্স গ্লাভস, ৪০লিটার হ্যান্ড সেনিটাইজার ও ১০ পিস পিপিই। এসময় পুলিশ সুপার মোহাঃ আহমার উজ্জামান বলেন, করোনা মোকাবিলায় মানুষকে ঘরে রাখাতে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম চালাচ্ছে পুলিশ বাহিনী। এক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যরাও আক্রান্ত হচ্ছে। তবে আপনাদের দেয়া এ সুরক্ষা সামগ্রী আমাদের বিশেষ কাজে লাগবে। পুলিশের প্রতি এমন ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ জানান এসপি। মহানগর যুবলীগ নেতা রাসেল পাঠান বলেন,করোনা মোকাবেলায় পুলিশ, চিকিৎসক ও সংবাদকর্মীরা মাঠ পর্যায়ে সরাসরি ঝুকি নিয়ে কাজ করছেন। বিশেষ করে পুলিশ সদস্যদের সুরক্ষা নিরাপত্তা তেমন নেই। মুলত বর্তমান সময়ে পুলিশের কাজে উৎসাহ দেয়ার জন্য আমার এই ছোট্ট উপহার।
দিনাজপুরে ১৯৩ বোতল ফেনসিডিলসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab
০৭মে,বৃহস্পতিবার,আব্দুল আউয়াল,দিনাজপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরে ১৯৩ বোতল ফেনসিডিল ও মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত ২ টি মোটর সাইকেলসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab। Rab কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট আবদুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে গতকাল বুধবার (০৬ মে) মধ্যরাতে জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাগলপুর বাজার এলাকায় Rab এই অভিযান চালিয়ে তাদের মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মো. মাসুদ রানা ও মো. শাহিনুর ইসলামের বাড়ি বিরামপুর উপজেলা দিনাজপুর এবং মো. মমিনুর ইসলাম মিঠাপুকুর রংপুর জেলায়। Rab জানিয়েছে, তারা দীর্ঘদিন যাবত অবৈধ মাদক ব্যবসায় জড়িত এবং দিনাজপুর সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করে। Rab বাদী হয়ে ধৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আজ বৃহস্পতিবার দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে।
উখিয়ায় বন্দুকযুদ্ধে মানবপাচারকারী রোহিঙ্গা নিহত
০৭মে,বৃহস্পতিবার,মুনির উদ্দিন,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের উখিয়ায় বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছে। বিজিবির দাবি, বন্দুকযুদ্ধে নিহত ব্যক্তি মাদক পাচারকারী। ঘটনাস্থল থেকে ৩০ হাজার ইয়াবা, একটি দেশীয় বন্দুক ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার ভোরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের উখিয়ার রহমতের বিল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মো: সাদেক (২২) উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা শিবিরের ক্যাম্প-৮ ব্লক-৭৪ এর মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে। কক্সবাজারস্ত বিজিবি ৩৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ নিউজ একাত্তরকে বলেন, মিয়ানমার হতে বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা প্রবেশ করতে পারে এমন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির একটি টহল দল সীমান্তের শূন্য রেখা হতে আনুমানিক ৬৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রহমতের বিল বেড়িবাঁধ এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে ভোরে ৪/৫ জনের একটি দল রহমতের বিল বেড়িবাঁধ দিয়ে বাংলাদেশে দিকে আসতে দেখে বিজিবি তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে। কিন্তু ওই দলটি অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে বিজিবির টহলকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ শুরু করে। এসময় বিজিবিও পাল্টা গুলি করে। এক পর্যায়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহল দল ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ গুরুতর আহত অবস্থায় অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে চিকিৎসা জন্য উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার নাম ও ঠিকানা পাওয়া যায়। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরে বিজিবির ৩৪ ব্যাটালিয়ন ১ জানুয়ারি হতে ৬ মে পর্যন্ত ১২ লাখ ৬৫ হাজার ৪৮৩ পিস ইয়াবাসহ ২৬৪ জন আসামীকে আটক করে। আর বিজিবির সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যান ১৩ মাদক ব্যবসায়ী।
খুলনায় সাংবাদিক রফিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা
০৫মে,মঙ্গলবার,খুলনা প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: খুলনা টিভি রিপোর্টাস এসোসিয়েশনের সদস্য ও মাই টিভির সাবেক খুলনা প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলামের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা। এ সময় রফিকের ছেলে-মেয়েকেও মারধোর করা হয়। গত রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নগরীর ১১/৩ মুসলমানপাড়া রোডের নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনি পরিবারের নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসী হামলার তদন্ত চেয়ে খুলনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন-নগরীর ১১/৩ মুসলমানপাড়া রোডস্থ আকরাম ফকির লেনের আব্দুল লতিফ হাওলাদারের দুছেলে মেহেদী হাসান রানা ওরফে বোমারু রানা (৩৫) ও মেহেদী হোসেন রলি (৩২) এবং মৃত মকবুল হোসেন বকু মোল্লার ছেলে রিয়াজুল ইসলাম বাবু (৩৭)। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম ছেলে-মেয়ে নিয়ে নগরীর ১১/৩ মুসলমানপাড়া রোডের নিজ বাড়িতে বসবাস করেন। ৩ মে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে অভিযুক্তরা রফিককে গালিগালাজ করতে থাকে। এ সময় রফিক প্রতিবাদ করলে তাকে মারধোর করা হয়। তার ছেলে-মেয়ে এগিয়ে আসলে তাদেরও মারধোর করা হয়। অভিযোগে আরো জানা যায়, অভিযুক্তরা এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তাদের নামে থানায় একাধিক অস্ত্র, বোমাবাজি, চাঁদাবাজি ও ছিনতাই মামলা রয়েছে। এখন তারা প্রাণে শেষ করে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। রফিক ও তার ছেলে- মেয়েকে মারধোরের ঘটনার তদন্ত পূর্বক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রফিক খুলনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর