স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের প্রতি বরিশাল ডিএলআরসি অফিসের বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন
২৬,মার্চ,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২১ উপলক্ষে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বরিশাল উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনারের (ডিএলআরসি) কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে বরিশাল বিভাগের উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনার তরফদার মো: আক্তার জামীলের নেতৃত্বে ডিএলআরসি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, বরিশাল কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, আঞ্চলিক গুচ্ছ গ্রাম প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, সহকারী হিসাব নিয়ন্ত্রক (রাজস্ব) এর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বরিশাল সদর উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ ২৬ র্মাচ ২০২১ তারিখ ভোর ৫:০০ টার মধ্যে পোর্ট রোডস্থ বিভাগীয় ভূমি কমপ্লেক্স এর সামনে এসে উপস্থিত হন। এরপর সকলে পায়ে হেঁটে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকের নিকট হাজির হন। এরপর নির্ধারিত সময়ে তারা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। তারা কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি সম্মান জানান। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের আজকের এ দিনটিতে আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটেছিল বাঙালির সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের। পাকিস্তানি শোষকদের কবল থেকে মাতৃভূমিকে স্বাধীন করতে রণাঙ্গনে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন বাংলার দামাল ছেলেরা। পরবর্তীতে ৯ মাস বহু ত্যাগ-তিতিক্ষা আর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অর্জিত হয় বিজয় ও সার্বভৌমত্ব। জাতি অর্জন করে একটি দেশ, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত। প্রতিবছরের ন্যায় গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্বাধীনতা দিবসের এই দিনে গোটা দেশের সাথে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করেছে বরিশাল উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনারের (ডিএলআরসি) কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
হিউম্যান হলারের সঙ্গে সংঘর্ষে মাইক্রোবাসে আগুন, নিহত ৯
২৬,মার্চ,শুক্রবার,রাজশাহী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহী মহানগরের কাটাখালী এলাকায় লেগুনার (হিউম্যান হলার) সঙ্গে সংঘর্ষে মাইক্রোবাসে আগুন ধরে নয়জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৬ মার্চ) দুপুর পৌনে ২টার দিকে এ দুর্ঘটনা হয়েছে। স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, এ দুর্ঘটনায় নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে এখনো দায়িত্বশীল কোনো সূত্রের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার গোলাম রুহুল কুদ্দুস জানান, দুপুরে কাটাখালী মোড়ে রংপুর থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি হিউম্যান হলারের সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটিতে আগুন ধরে যায়। ফলে মাইক্রোবাসে থাকা সবাই হতাহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে মরদেহ এখনো গোনা হয়নি। উদ্ধার কাজ চলছে।
৯০ দিন নামাজ আদায় করে বাইসাইকেল উপহার পেল ১২ শিশু-কিশোর
২৪,মার্চ,বুধবার,বরিশাল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: টানা ৯০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে বাইসাইকেল উপহার পেয়েছে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চালিতাবাড়ী ও পূর্ব জিড়ারকাঠি গ্রামের ১২ শিশু-কিশোর। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) রাতে চালিতাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত মাহফিল শেষে তাদের হাতে বাইসাইকেল তুলে দেন চালিতাবাড়ী-পূর্ব জিড়ারকাঠি সোসাইটি (সিপিজে সোসাইটি) নামে একটি সামাজিক সংগঠন। এছাড়া উপহার দেয়া হয় ধর্মীয় শিক্ষার বই ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং শেরে বাংলা আবুল কাসেম ফজলুল হকের বীরত্বগাঁথা বই। পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন, চাখারের চালিতাবাড়ি গ্রামের মো, সিয়াম হাওলাদার, মো. ইব্রাহিম, মো. মমিন, মো. ফাহাদ, মো. আবদুল্লাহ, মো. কাওছার ঘরামী, মো. সোহান, মো. ফারদিন, মো. কাওছার বেপারী ও মো. নেয়ামুল। এছাড়াও পূর্ব জিড়ারকাঠি গ্রামের মো. রানা হোসেন ও মো. রাজু হোসেন। এই বিষয়ে সিপিজে সোসাইটির প্রধান সমন্বয়ক নিয়াজ মাহমুদ সোহেল বলেন, গত ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসের দিনে চালিতাবাড়ী ও পূর্ব জিড়ারকাঠি গ্রামের শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে ঘোষণা দেয়া হয়, একটানা ৯০ দিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করবে, তাদেরকে একটি করে বাইসাইকেল পুরষ্কার দেয়া হবে। সে ঘোষণায় উৎসাহিত হয়ে এলাকার অনেক শিশু-কিশোরই নামাজ আদায় শুরু করে। টানা ৯০ দিন নিয়মিত জামাতে নামাজ পড়েছে এমন ১২ জনের হাতে পুরষ্কার তুলে দেওয়া হয়।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১১
২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালীতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে দাঁড়িয়েছে। এ সময় আগুনে প্রায় ৪০ হাজার বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। প্রায় ১৫৫ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) বিকাল ৫ টারদিকে ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের কার্যালয়ের সভাক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মহসিন। সচিব মোহাম্মদ মহসিন বলেন, ঘটনায় শুধু ঘরবাড়ি নয় পুড়েছে আইওম ও তুর্কি সরকারের দুইটি বড় হসপিটালও পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। ঘটনা তদন্তে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালীতে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দশ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গাদের বসতঘর পুড়ে গেছে। অগ্নিকাণ্ডের ফলে দৌড়াদৌড়ি ও হুড়োহুড়িতে পড়ে হাজারো রোহিঙ্গা আহত হয়েছে। আগুনে সম্পুর্ণ বাড়ি ঘর পুড়ে যাওয়ায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা গৃহহারা হয়েছে। তবে আগুনে দগ্ধ হয়ে দুই শিশু সহ এ পর্যন্ত ৭ জন রোহিঙ্গা মারা গেছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন। অগ্নকান্ডের ঘটনায় দুর্যোগ ও ত্রান মন্ত্রনালয় থেকে কক্সবাজার শরনার্থী ত্রান ও প্রত্যাবাসন কমিশনারকে প্রধান করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হরেছে বলে জানান চট্রগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন। অগ্নকান্ড পুড়ে যাওয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প অজ সকালে পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন সকালে জানিয়েছেন, ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে এ পর্যন্ত দুই শিশু সহ ৭ জন রোহিঙ্গা অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে তারা নিশ্চিত করা হলের পরে বিকালে এক প্রেসব্রিফিংয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মহসিন আরও ৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধারের কথা নিশ্চিত করেন। এনিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ১১ জনে দাড়িয়েছে। এদিকে আইএসসিজি এর কর্মকর্তা সৈয়দ মোহাম্মদ তাফহিম জানিয়েছে, কুতুপালং বালুখালী ক্যাম্প ভিত্তিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য তৈরি একটি শিটের হিসাব অনুসারে বালুখালির ক্যাম্প ৮-ইতে ঘরের সংখ্যা ৬ হাজার ২৫০ আর লোকসংখ্যা ২৯ হাজার ৪৭২ জন, ৮-ডব্লিউ ক্যাম্পে বাড়ি ৬ হাজার ৬১৩টি আর লোকসংখ্যা ৩০ হাজার ৭৪৩ জন, ক্যাম্প ৯-এ বাড়ি ৭ হাজার ২০০ টি আর লোকসংখ্যা ৩২ হাজার ৯৬৩ জন এবং ক্যাম্প ১০-এ বাড়ি ৬ হাজার ৩২০টি আর লোকসংখ্যা ২৯ হাজার ৭০৯ জন। তিনি উল্লেখ করেন অগ্নিকাণ্ডে এই চারটি ক্যাম্পের অধিকাংশ ঘর ক্ষতিগ্রস্হ হয়। এদিকে দীর্ঘ ৭ ঘন্টা অগ্নিকান্ডের ঘটনায় হাজার হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয়স্থল হারিয়ে এক কাপড়ে আশ্রয় নিয়েছে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে। আশ্রয়হারা লোকজন হারিয়েছে তাদের ক্যাম্পের ঝুপড়ি ঘরের সব মালামাল। আশেপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্হানীয় গ্রামবাসীর বসতভিটাতে আশ্রয় নিয়েছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা।
কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রামে আগুনে পুড়ে গেছে ৭ বসত ঘর, খোলা আকাশের নিচে ক্ষতিগ্রস্তরা
২২,মার্চ,সোমবার,কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর অঞ্চল অষ্টগ্রামে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে গেছে অন্তত সাতটি বসত ঘর। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আশপাশের আরও কিছু ঘর-বাড়ি। সবকিছু হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। রোববার দিনগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের নুরপুর গ্রামের জামালপুর হাটিতে এ আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে এ আগুন ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। বাড়ির লোকজনের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। স্থানীয়রা চেষ্টা চালিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এরইমধ্যে পুড়ে যায় অন্তত সাতটি ঘর। সবকিছু হারিয়ে পথে বসেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এসময় তারা ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
ফরিদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৮
২১,মার্চ,রবিবার,ফরিদপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মাঝকান্দি নামক স্থানে ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৬ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ১০ জন। অন্যদিকে ভাঙ্গা উপজেলায় প্রাইভেটকার-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছে আরও দুইজন। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঝিনাইদহ থেকে ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় দুইজন। আহত হয় মাইক্রোবাসের আরও ১৪ যাত্রী। তাদের মধ্যে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়। রোববার (২১ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এদিকে রোববার ভোরে ভাঙ্গা সদরের চৌরাস্তা মোড়ে প্রাইভেটকার-মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয় ১ জন। নিহত দুইজন হলেন- মোটরসাইকেলের আরোহী সাকিল খান ও নাইমুর রহমান।
যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৮
২০,মার্চ,শনিবার,বগুড়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন যাত্রী। শুক্রবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত ২টার দিকে উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের দশমাইল নামক স্থানে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনায় হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত চার জন হলেন- নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খদাখড়িবাড়ী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে রেজাউল ইসলাম সাগর (২২), গয়াবাড়ী এলাকার মানিক মিঞার ছেলে মোস্তফা (২৫), পশ্চিম সাতনাই এলাকার রহিম উদ্দিনের ছেলে বাবুল ইসলাম (৫০) ও সৃষ্টি গাড়ির চালক রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার কার্ফইখাল এলাকার রাজা মিঞার ছেলে রওশন হাবিব (৩৫)। শেরপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা রতন হোসেন জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নাবিল পরিবহনের একটি বাস মহাসড়কের শেরপুর উপজেলার দশমাইল এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী সৃষ্টি পরিবহনের অপর একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন যাত্রী নিহত হন। আর দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত আটজনকে উদ্ধার করে দ্রুত শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি মহাসড়কে পড়ে থাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় মহাসড়কের উভয়পাশে প্রায় দুই কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে প্রায় দুই ঘণ্টা পর সড়কটিতে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের দশমাইল ক্যাম্পের ইনচার্জ বানিউল আলম আনাম জানান, দুর্ঘটনায় হতাহতদের নাম-পরিচয় জানান চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনার পর যান চলাচল বন্ধ থাকলেও কিছু সময় পরেই যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটি জব্দ করা হয়েছে। বগুড়া ছিলিমপুর (মেডিক্যাল) পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আজিজ মণ্ডল জানান, শেরপুর উপজেলায় দুই বাসের সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটনাস্থলে দুইজন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় শজিমেক হাসপাতালে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
টুঙ্গিপাড়ায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা
১৭,মার্চ,বুধবার,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাষ্ট্রপতির পক্ষে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাউদ্দিন ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমেদ চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিবদ্বয় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহাপাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করেন। এরপর কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খানের নেতৃত্বে দলীয় সভাপতির পক্ষে ও পরে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতারা বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, শাজাহান খান এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। জাতির পিতার জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ ও টুঙ্গিপাড়াসহ জেলাজুড়ে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
চকরিয়ায় আগুনে তিন ভাই-বোনের মৃত্যু
১৬,মার্চ,মঙ্গলবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের চকরিয়ায় হারবাংয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়ে তিন ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) গভীর রাতে হারবাং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবান ঘাটা গ্রামের জাকের হোসেন মিস্ত্রির ঘরে এ আগুনের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো- মো. জিহাদ (১১), তার দুই ছোট বোন ফৌজিয়া জন্নাত মিম (৯) ও আফিয়া জন্নাত মিতু (৭)। হারবাং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন আহমদ বাবর জানান, রাতে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়লে সাবান ঘাটা গ্রামের জাকের হোসেন মিস্ত্রির ঘরে আগুন লাগে। মুহুর্তেই আগুন ঘরের চারপাশে ছড়িয়ে পড়লে বয়স্করা দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যায়। কিন্তু ওই তিন শিশু ঘুমিয়ে থাকায় বের হতে পারেনি। ঘটনাস্থলেই আগুনে পুড়ে তিন সহোদদের মৃত্যু হয়। চকরিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার সাইফুল হাসান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের টিম পাঠানো হলেও ঘটনাস্থল দুর্গম হওয়াতে গাড়ি সেখানে পৌঁছেনি। তবে আমাদের দমকল বাহিনী ও স্থানীয় লোকজন প্রায় এক ঘণ্টায় চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। খবর পেয়ে আমি গভীর রাতেই ঘটনাস্থলে যাই। পরিবারটিকে সরকারি সহায়তা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর