ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ টিএসআই আমির হোসেন নির্বাচিত
১৭নভেম্বর,রবিবার,জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ,নিউজ একাত্তর ডট কম:ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ টিএসআই নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আমির হোসেন। গত(১৪/১১/১৯) বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহ পুলিশ লাইনে মাসিক কল্যাণ সভায় মোঃ আমির হোসেনকে সম্মাননা ও স্বারক ক্রেষ্ট প্রদাণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মিলু মিয়া বিশ্বাস (বর্তমানে পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কনক কুমার দাস (সদর সার্কেল) সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মহাসড়কে অবৈধ যানবহন, থ্রি হুইলার, পিকআপ, ট্রাক,আলমসাধু, নছিমন, করিমন, অবৈধ বিভিন্ন গাড়ি আটক, মটর সাইকেল এ হেলমেট বিহীন চলা সহ.বিভিন্ন যান এ মামলা ও নানাবিধ কাজে সফলতা অর্জন করায় ঝিনাইদহ জেলার শ্রেষ্ঠ টিএসআই নির্বাচিত হয়েছেন। এ বিষয় টিএসআই আমির হোসন বলেন আমাদের সুযোগ্য পুলিশ সুপার স্যার এর সঠিক দিক নির্দেশনায়, আমি চেষ্টা করেছি ভালো কাজ করার জন্য।তিনি আরো বলেন এই সম্মাননা আমার কাজের গতি আরো বাড়িয়ে দেবে। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে মহাসড়কে অবৈধ যানবহন, থ্রি হুইলার, পিকআপ, ট্রাক,আলমসাধু, নছিমন, করিমন, অবৈধ বিভিন্ন গাড়ি আটক, মটর সাইকেল এ হেলমেট বিহীন চলা সহ.বিভিন্ন যান এ মামলা ও নানাবিধ কাজে সফলতা অর্জন করায় মুস্তাফিজ সাদ্দাম শাহরিয়ার জেলার শ্রেষ্ঠ টিএসআই নির্বাচিত হয়েছিলেন।
রাতে বিধবার ঘরে ব্যবসায়ী,আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরা
১৬নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:গভীর রাতে এক বিধবার ঘরে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়েছে এক ব্যবসায়ী। দুজনকে সারা রাত গাছের সাথে বেঁধে রেখে সকালে গ্রামবাসীকে জড়ো করে ১০ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার রাত ২টার দিকে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের খালিয়া গ্রামে। বিষয়টি টক অব দ্যা ইউপিতে পরিণত হয়েছে। এলাকার লোকজন বলেন, উপজেলার নারুয়া ইউনিয়নের শোলাবাড়ীয়া গ্রামের বাসিন্দা ও নারুয়া বাজারের গুড় ব্যবসায়ী মোঃ মইজুদ্দিন (৫৫) পাশের খালিয়া গ্রামের মৃত জনাব আলী ফকিরের স্ত্রী ৪ সন্তানের জননী আলেয়া বেগম (৫০) সাথে দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া করে আসছিল।নয়াদিগন্ত । এলাকার লোকজন এনিয়ে নানা ধরনের কথাবার্তা বললেও মইজুদ্দিন তা সত্ত্বেও ওই বাড়ীতে যাতায়াত অব্যাহত রাখে। শুক্রবার রাত ২টার দিকে মইজুদ্দিন ওই বিধবার ঘরে ঢুকে অসামাজিক কার্যকলাপ করা অবস্থায় গ্রামবাসী তাকে হাতে নাতে আটক করে। পরে দুজনকে গাছের সাথে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে। শনিবার সকালে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে দুজনই বিয়েতে সম্মতি দেওয়ায় স্থানীয় মসজিদের ইমাম ওমর আলী ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে পড়ান। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় টক অব দ্যা ইউপিতে পরিণত হয়েছে। নারুয়া বাজারের ব্যবসায়ী, চায়ের দোকানসহ সর্বত্র মইজুদ্দিনের রসালো প্রেম কাহিনীর গল্পে মেতেছেন।
বন্ধুর বৌভাতে পেঁয়াজ উপহার!
১৬নভেম্বর,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বন্ধুর বিয়েতে পেঁয়াজ উপহার দিয়ে রেকর্ড গড়লেন এক যুবক। এক কেজি পেঁয়াজের দাম এখন ২৩০-২৫০ টাকা। এই অবস্থায় পেঁয়াজের লাগামহীন মূল্য বৃদ্ধিতে মানুষের ক্ষোভ যখন চরমে, ঠিক সে সময়েই পেঁয়াজ নিয়ে চলছে নির্মম রসিকতা। গতকাল শুক্রবার দুপুরে বন্ধুর বৌভাতে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে পেঁয়াজ। কুমিল্লার সদর উপজেলার কালখাড়পাড় এলাকায় রিপন মিয়ার বাড়িতে ঘটেছে ব্যতিক্রমী এ ঘটনা। ঘটনাটি নিয়ে অনুষ্ঠানে আসা অতিথিদের মাঝে বেশ হাস্যরস তৈরি হয়। এদিকে এমন উপহার দেওয়ায় ওই এলাকায় ঘটনাটি রীতিমতো সাড়া ফেলেছে। জানা গেছে, গত শনিবার বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মচারী ও কালখাড়পাড় এলাকার হাজী আবদুর রহিমের ছেলে ইমদাদুল হক রিপনের বিয়ে হয়। শুক্রবার তার বাড়িতে বৌ-ভাতের আয়োজন করা হয়। এদিন দুপুরে রিপনের তিন বন্ধু সহিদ, শিপন ও শাহজাহান পাঁচ কেজি পেঁয়াজ বাজার থেকে ১ হাজার টাকায় কেনেন। এরপর সেই পেঁয়াজ রেপিং করে বন্ধুর বাড়িতে দাওয়াত খেতে যান। উপহার হিসেবে রেপিং করা পেঁয়াজের বাক্স দেন তারা। বিশেষ প্রক্রিয়ায় করা ওই বক্সের বাইরে থেকে পেঁয়াজ দেখার ব্যবস্থাও ছিল। তাই বিয়ে বাড়িতে যারাই এসেছিলেন তাদের সবার দৃষ্টি ছিল ওই বাক্সের দিকে। কেউ কেউ দিনভর মোবাইলে ব্যতিক্রমী ওই পেঁয়াজের বাক্সের ছবিও তুলে নেন। দিন গড়িয়ে বিকেলে অনুষ্ঠান যখন শেষ হয় তখন বাক্স খোলার পালা। সবাই জানতো ভেতরে পেঁয়াজ, তবুও বিয়ে বাড়ির কারও আগ্রহের কমতি ছিল না ওই বাক্স নিয়ে। বাক্স খোলার পর অনেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়েন ভিডিও ও ছবি তুলতে। পেঁয়াজ উপহার পেয়ে বর ইমদাদুল হক রিপন বলেন,বিয়ের অনুষ্ঠানে আমার নিকট এ পুরস্কার আমরণ স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আমার বিয়েতে যত পুরস্কার পেয়েছি সব চেয়ে মূল্যবান মনে করবো এই পেঁয়াজের উপহারকে। কারণ পুরো বাংলাদেশ এখন পেঁয়াজের গরমে অস্থির। শুরু হয়েছে পেঁয়াজ রাজনীতি। হয়তো আমার বন্ধুদের এ পেঁয়াজ উপহার একটি নীরব প্রতিবাদও হতে পারে। বৌভাতে মূল্যবান ও ব্যতিক্রমী উপহার পেঁয়াজ দেওয়ার জন্য বন্ধুদের ধন্যবাদও জানান বর রিপন। উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অস্থির হয়ে ওঠে পেঁয়াজের বাজার। ২৯ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করে ভারত। বাংলাদেশ আমদানির ক্ষেত্রে ভারতের ওপরই নির্ভরশীল। ফলে দেশের বাজারে লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়তে থাকে। গত বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৩০ টাকা দরে বিক্রি হলেও গতকাল শুক্রবার ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়। ভারতীয় পেঁয়াজ না আসা পর্যন্ত এ দাম বাড়তে থাকবে বলে জানান পাইকারি ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে মিয়ানমার ও মিসর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা কেজি। রাজধানীর কারওয়ানবাজার, হাতিরপুল বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।- আলোকিত বাংলাদেশ
এবার সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ট্রেন লাইনচ্যুত, পুড়ে গেছে ৪ বগি
১৪নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহতের ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই আরও একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে সিরাজগঞ্জে। জেলার উল্লাপাড়ায় রংপুর এক্সপ্রেসের ৮টি বগি লাইনচ্যুত হয়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ৫টি বগিতে আগুন লেগেছে, এর মধ্যে পুড়ে গেছে ৪টি বগি। ইঞ্জিনও পুড়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া না গেলেও বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঢাকা থেকে লালমনিরহাটগামী রংপুর এক্সপ্রেস বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় উল্লাপাড়া রেলস্টেশনে ঢোকার মুখে বগি লাইনচ্যুতির ঘটনা ঘটে। ট্রেনটি দুই নম্বর লাইন দিয়ে স্টেশনে ঢোকার কথা ছিল। কিন্তু স্টেশনমাস্টার এক নম্বর লাইনে সিগন্যাল দিয়ে দেন। এতে দুর্ঘটনায় পড়ে ট্রেনটি। মুহূর্তেই ইঞ্জিনসহ ৫টি বগিতে আগুন ধরে যায়। কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় পুরো এলাকা। যাত্রীরা আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করেন। পরে দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। বেলা ২টা ৩০ মিনিটে এ প্রতিবেদন লেখার সময় আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছিল। এ ঘটনায় ৪০০ থেকে ৫০০ গজ রেললাইন উপড়ে গেছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের রেলযোগাযোগ। উত্তরবঙ্গের সড়ক যোগাযোগও বন্ধ রয়েছে। এর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে অর্ধশতাধিক যাত্রী। সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে কসবার মন্দবাগ নামক স্থানে তূর্ণা নিশীথা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে রোহিঙ্গা ডাকাত নিহত
১৪ নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,টেকনাফ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে রোহিঙ্গা ডাকাত মাহমুদুল হাসান(৩৭) নিহত হয়েছেন। নিহত ডাকাত হল নয়াপাড়া শরণার্থী মুচনি ক্যাম্পের এইচ ব্লকের মৃত বাকার আহমেদ এর ছেলে মাহমুদুল হাসান (৩৭)। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার( ১৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১২ টার সময় টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাহাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত মাহমুদুল হাসান শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডাকাত সর্দার জকিরের ডান হাত বলে জানা যায়। এ ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন, কনেস্টবল মিঠুন জয়, শাহীন ,হাবিব। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদে জানতে পারে টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাহাড়ি এলাকায় কুখ্যাত রোহিঙ্গা ডাকাত জকির তার সদস্যদের নিয়ে আস্তানায় অবস্থান করছেন। এমন সংবাদে কক্সবাজার সদর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেদুয়ানের নেতৃত্বে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ, তদন্ত ওসি এবিএমএস দোহা ও নয়াপাড়া মোচনী ক্যাম্পের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযানে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের সদস্যরা পুলিশের উপর গুলি বর্ষণ করে। এসময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরবর্তীতে ডাকাত দলের সদস্যরা পালিয়ে গেলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আহত ডাকাতকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে জরুরী বিভাগের কর্মরত ডাক্তার তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হলে জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এই ব্যাপারে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করে মামলা রুজু করা হবে বলে জানিয়েছে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ।
বান্ধবীদের নিয়ে গল্প করা যাবে না বলতেই কলেজছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
১৪ নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,রাজশাহী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহীতে ছুরিকাঘাতে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে রাজশাহীর শাহ মখদুম থানার পবা নতুনপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত কলেজছাত্রের নাম মো. ফাহিম (১৮)। একই ঘটনায় নিহত ফহিমের বন্ধু যুবরাজ (১৯) গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত ফাহিম রাজশাহীর পবা উপজেলার নতুনপাড়া এলাকার বাসিন্দা গোলাম মোস্তফার ছেলে। তিনি নগরের বরেন্দ্র কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের পেছনে দুই তরুণ এবং দুই তরুণী বসে গল্প করছিলেন। তখন ফাহিম এবং তার দুই বন্ধু যুবরাজ ও সৈকত তাদের বলেন, এখানে বসে গল্প করা যাবে না। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হলে একপর্যায়ে তরুণীদের সঙ্গে বসে থাকা দুই তরুণের একজন ছুরি বের করে ফাহিম ও যুবরাজকে আঘাত করেন। এ সময় প্রাণভয়ে সৈকত পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন ফাহিম ও যুবরাজকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় ফাহিম মারা যান। তবে আহত যুবরাজের দাবি, বিকেলবেলা তারা রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ভবনের পাশে বসেছিলেন। এ সময় কয়েকজন ছিনতাইকারী এসে তাদের কাছে যা আছে সব দিয়ে দিতে বলে। তারা আপত্তি করলে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক সাইফুল ফেরদৌস বলেন, সন্ধ্যার একটু আগে ফাহিম ও যুবরাজকে হাসপাতালে আনা হয়। ফাহিমের বুকের বাঁ পাশে ছুরির আঘাতের চিহ্ন ছিল। যুবরাজের বুকের ডান পাশে আঘাত রয়েছে। রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, আমরা ছিনতাইকারীর বিষয়টি জানি না । বান্ধবীদের নিয়ে বসে থাকা দুই তরুণ এ ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
চন্দনাইশে ১৩ টন পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক উল্টে ডোবায়
১২নভেম্বর,মঙ্গলবার,চন্দনাইশ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাড়কের চন্দনাইশে পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক খাদে পড়ে ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বাগিচাহাট দিঘীরপাড় এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বিপদজনক বাঁকে ট্রাকের চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে পেয়াঁজ বোঝাই ট্রাকটি পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে এই দূর্ঘটনা ঘটে। দোহাজারী হাইওয়ে থানার এ.এস.আই মোহরম আলী ও প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চট্টগ্রাম নগরীর চাকতাই মেসার্স আলী ষ্টোর নামের একটি পাইকারী দোকানের সাড়ে ১৩ টন পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট ২০-৬৬৮০) টেকনাফ থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার সময় বাগিচাহাট দিঘীর পাড় এলাকায় বিপদজনক বাঁকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পার্শ্ববর্তী খাদে পড়ে যায়। এতে চালক ও হেলপার মৃদু আঘাতপ্রাপ্ত হলেও ভেতরে থাকা ব্যবসায়ী কক্সবাজার এলাকার ভুট্টো (৪০) গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বিজিসি ট্রাস্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভুট্টোকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। চাকতাই মেসার্স আলী ষ্টোরের ম্যানেজার মাহফুজ বলেন, দূর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে চট্টগ্রাম থেকে বাগিচাহাট এলাকায় ঘটনাস্থলে এসে দেখি বেশিরভাগ পেঁয়াজ ডোবার পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। ডোবা থেকে পেঁয়াজের বস্তাগুলো উত্তোলন করে আরেকটি ট্রাক ভাড়া করে চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। দূর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দোহাজারী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আহসান হাবীব বলেন, পেঁয়াজগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির হাতে তুলে দিয়ে ট্রাকটি উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে।
ট্রেন দুর্ঘটনা: হাসপাতালে কাঁদছে আহত শিশুটি, খোঁজ মিলছে না মা-দাদির
১২নভেম্বর,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হাসপাতালে শুয়ে কাঁদছে শিশুটি। কেউ একজন তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু কান্না যেন কিছুতেই থামছে না। সে সময় আতঙ্কগ্রস্ত শিশুটি তার নামও বলতে পারছিল না। পরে অবশ্য তার নাম জানা যায়। তবে এখন পর্যন্ত শিশুটির সঙ্গে থাকা তার মা ও দাদির খোঁজ পাওয়া যায়নি। আজ মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে দেখা গেছে এমন চিত্র। দুর্ঘটনার পর ওই মেয়ে শিশুটিকে উদয়ন এক্সপ্রেস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারীরা। তবে হাসপাতালে ভর্তির পর শিশুটি নাম বলতে পারছিল না। পরে এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর তার অভিভাবকের সন্ধান পাওয়া গেছে। জানা গেছে, শিশুটির নাম নাইমা। শিশুটির চাচা মানিক জানিয়েছেন, তিনি ঢাকা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। শিশু নাইমাকে নিয়ে সিলেট থেকে তার মা কাকলী ও দাদী উদয়ন এক্সপ্রেসে করে চাঁদপুরে ফিরছিলেন। পথে দুর্ঘটনার শিকার হয় তাদের ট্রেন। মানিক আরও জানান, মাইমার বাবা মাইনুদ্দিনও দুর্ঘটনার খবর পেয়ে চাঁদপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রওনা দিয়েছেন। কিন্তু তারা কেউই নাইমার মায়ের মোবাইলে যোগাযোগ করতে পারছেন না। তারা কী অবস্থায় আছেন কিছুই জানতে পারছেন না তারা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় দুটি ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে অর্ধশতাধিক যাত্রী। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে কসবার মন্দবাগ নামক স্থানে তূর্ণা নিশীথা ও উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।-আলোকিত বাংলাদেশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ১৬
১২নভেম্বর,মঙ্গলবার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলস্টেশনে তূর্ণা নিশীথা ও উদয়ন এক্সপ্রেসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো শতাধিক এবং বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার (১১ নভেম্বর) দিনগত রাত পৌনে ৩টার দিকে কসবার মন্দবাগ নামক স্থানে এ সংঘর্ষ হয়। আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল কান্তি দাস দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। হতাহতদের উদ্ধার কাজ চলছে। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বগির নিচে আরও মরদেহ থাকতে পারে। তিনি জানান, মন্দভাগ রেলওয়ে স্টেশনে সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর তুর্ণা নীশিতা এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষ হয়। দুটি ট্রেনের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম-সিলেট রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সারা দেশ পাতার আরো খবর