হঠাৎ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট
২৭জানুয়ারী,সোমবার,মাহাতাব উদ্দিন,সিলেট,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিলেটে হঠাৎ করে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪. ১। এর উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর ১টা ১০ মিনিটে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। দুপুর সোয়া ২টার দিকে আবহাওয়া অধিদফতরের সিলেট কার্যালয় থেকে পাঠানো এক ইমেইল বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। ঢাকা আবহাওয়া অফিসের ইলেকট্রিক্যাল সহকারী মো. হানিফ জানান, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল সিলেট সদর থেকে ৯ কিলোমিটার উত্তরে গোয়াইনঘাট উপজেলা। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিকটার স্কেলে ৪ দশমিক ১। ভূমিকম্পের ঝাঁকুনিতে আতঙ্কে মানুষ বাসাবাড়ি ও মার্কেট থেকে দৌড়ে রাস্তায় নেমে আসেন। ভূমিকম্পে নগরের কয়েকটি বহুতল ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
দোহার-নবাবগঞ্জ রুটে বিআরটিসি বাসের যাত্রা শুরু
২৬জানুয়ারী,রবিবার,আলিয়া জান্নাত,নবাবগঞ্জ.নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার দোহার-শ্রীনগর হয়ে ঢাকা ও বান্দুরা-নবাবগঞ্জ-ঢাকা সড়কে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল সরকারি পরিবহণ সংস্থা-বিআরটিসির শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে প্রথমে দোহারের করম আলীর মোড়ে ও বিকেলে নবাবগঞ্জের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ সার্ভিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। সার্ভিসটি দোহারের করম আলী মোড় থেকে শ্রীনগর হয়ে ও নবাবগঞ্জের বান্দুরা থেকে কেরানীগঞ্জ হয়ে ঢাকার ফুলবাড়িয়া পর্যন্ত চলাচল করবে। এরআগে একাধিকবার বান্দুরা-ঢাকা সড়কে বিআরটিসি বাস সার্ভিস শুরু হলেও অন্য পরিবহনগুলোর স্বেচ্ছাচারিতার কারণে বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি বিআরটিসি বাস ভাঙচুর ও কর্মচারীদের মারধরের ঘটনাও ঘটে। তবে এবার এ ধরনের সুযোগ নেই বলে জানান সালমান এফ রহমান এমপি। উদ্বোধনকালে সালমান এফ রহমান বলেন, বিআরটিসি বাস সরকারি সম্পদ। এগুলো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব জনগণের। এ নিয়ে সড়কে যেন কোনও নৈরাজ্যের সৃষ্টি না হয়, বদনাম না হয়, এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনকে নজর রাখতে হবে। বিআরটিসি বাস চলাচলের ক্ষেত্রে কেউ প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করলে জিরো ট্রলারেন্স দেখিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন সচিব মো. সাইদুর রহমান, ইউনিক গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহম্মদ নুর আলী, নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, সাধারণ সম্পাদক মো. জালাল উদ্দিনসহ আরও অনেকে।
টানা ৫ দিনের শৈত্যপ্রবাহে কুড়িগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত
২৫জানুয়ারী,শনিবার,আল মুসা,কুড়িগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: টানা পাঁচ দিন থেকে কুড়িগ্রামে চলছে শৈত্যপ্রবাহ। এই শৈত্য প্রবাহে কুড়িগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। আজ শনিবার সকাল ৯টায় জেলার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা গেল কয়েক দিনের চেয়ে আজ কিছুটা বাড়লেও উত্তরের হিমেল হাওয়া আর ঘন কুয়াশায় শীতের তীব্রতা কমেনি উত্তরের এই জনপদে। গতকাল শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা সারাদেশের মধ্যে সর্বনিম্ন ছিল। এর আগে ২১ জানুয়ারি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ২২ জানুয়ারি তা কমে দাড়ায় ৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২৩ জানুয়ারি রেকর্ড করা হয় ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র জানান, কুড়িগ্রামের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরণের শৈত্যপ্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে শৈত্যপ্রবাহের কারণে কুড়িগ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে নদীপাড় এবং চরাঞ্চলের মানুষ চরম বিপাকে পড়েছে। এছাড়াও ভোগান্তিতে রয়েছে সাধারণ মানুষ এবং শিশু ও বৃদ্ধরাও। ১৬টি নদ-নদীর এ জেলায় প্রায় ২৫ লাখ মানুষের বসবাস। ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, দুধকুমারসহ ৩১৬ দৈর্ঘ্য কিলোমিটার নদী পথে ৫২০টি চর-দ্বীপচর প্রায় ৫ লাখ মানুষের বসবাস। প্রতিবছরই শীতসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে আক্রান্ত হয় চরাঞ্চলবাসী। এবারও শীতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এসব মানুষ। শীতের সময় কাজ কমে যাওয়ায় কম মজুরিতে শ্রম বিক্রি করতে হয় চরাঞ্চলের শ্রমজীবীদের। কম আয়ে সংসার চালানোই দায় সেখানে শীতবস্ত্র ক্রয় যেন তাদের কাছে অধরা স্বপ্ন। তাই তীব্র এই ঠাণ্ডাতে পুরাতন কাপড়েই ভরসা তাদের। সন্ধ্যার পরপরই চরাঞ্চলে নেমে আসে নিস্তব্ধতা। শীতের কারণে কোনও রকমে সন্ধ্যায় খাবার খেয়ে ঘুমাতে যায় এসব এলাকার মানুষ। সামান্য শীতের কাপরে কোনও রকমে রাত পাড় করে ভোরে উঠেই বেড়িয়ে পড়তে হয় কাজের সন্ধানে। পরিবারের মহিলা, শিশু এবং বৃদ্ধরা একটু উষ্ণতা পেতে রোদের অপেক্ষায় থাকে অথবা খড়-কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করে। শীতে সরকারি-বেসরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণে জনপ্রতিনিধিদের স্বজনপ্রীতি অভিযোগ রয়েছে চরবাসীদের। জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার চরশৌলমারী, ধনীরামপুর, কৃঞ্চপুর, বালাবাড়ি, নারায়নপুরসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলের মানুষ জানান, এবার শীতে তাদের অনেক কষ্ট করতে হচ্ছে। গেল বন্যায় ভেঙে যাওয়া বাড়িঘর ভালো করে ঠিকঠাক না করায় রাতে হিমেল বাতাস ঢুকে পড়ে। ফলে প্রতিরাতে তাদের শীতের সঙে যুদ্ধ করে কাটাতে হয়। তরির হাট এলাকা সোবাহান মিয় জানায়, বন্যায় ভাঙা ঘর এখনো ঠিক করতে পারে নাই। প্রতি রাতে বেড়ার ফাঁক গলিয়ে ঠাণ্ডা প্রবেশ করে তাই কষ্টে পরিবার পরিজনদের নিয়ে রাত পার করতে হয়।
ওসি সারোয়ারের অবৈধ সম্পদের পাহাড়
২৪জানুয়ারী,শুক্রবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদকের তদন্তে পুলিশের সাবেক ওসি সৈয়দ গোলাম সারোয়ার ও তার পুত্র ফেঁসে যাচ্ছেন। চলতি জানুয়ারি মাসের প্রথমদিকে সম্পদের বিবরণী চেয়ে এই সাবেক ক্ষমতাধর ওসি ও তার ৩ পুত্রকে নোটিশ পাঠিয়েছে দুদক। ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার সাবেক ওসি সৈয়দ গোলাম সারোয়ার এবং তার পুত্র এনামুল হক মাসুম, নাজমুল হক মারুফ ও মঞ্জরুল হক মামুনকে এই নোটিশ দেয়া হয়েছে। চলতি জানুয়ারি মাসে মধ্যে নোটিশের জবাব দাখিল করতে বলা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের চাকরি থাকাকালীন বা অবসরে গেলেও অবৈধ সম্পদের খোঁজ নেয় দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক। এবার রাজধানী ঢাকা ও জেলা শহরে বহুতল ভবনের মালিকসহ অঢেল সম্পদের অর্জনের জন্য অবসরে যাওয়া এক পুলিশ কমকর্তার সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক। আর তাতে ফেঁসে যাচ্ছেন কনস্টেবল থেকে পদোন্নতি পেয়ে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক পরিদর্শক (ওসি) হন সৈয়দ গোলাম সারোয়ার। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পাখী গ্রামের মৃত মনির উদ্দিন সরকারের ৩ পুত্রের মধ্যে বড় গোলাম সারোয়ার কনস্টেবল হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে উপপরিদর্শক থেকে পরিদর্শক হন গোলাম সারোয়ার। দর্জি পিতার অপর দুই সন্তান এখনও নিজ গ্রামে মুদি দোকানসহ কৃষিকাজ করেন। পুলিশ ইন্সপেক্টর পদোন্নতি পাওয়ার পর থেকেই ভাগ্য খুলে যায় গোলাম সারোয়ারের। এসময় তিনি নিজ নামে ও সন্তানের নামে ছাড়াও বেনামে অঢেল সম্পদ অর্জন করেন। অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার অপব্যহারসহ ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে গোলাম সারোয়ার অর্ধশত কোটি টাকার বেশি মালিক হয়েছেন এসময়। ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা, ভালুকা মডেল থানাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় চাকরি করার সময়েই এসব সম্পদ অর্জন করেন। ঢাকার শ্যামলী হাউজিংয়ে বিলাসবহুল আটতলা বাড়িসহ তাঁর সাবেক কর্মস্থল ময়মনসিংহ ও নিজ এলাকা টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলায় অঢেল সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছেন। বেসরকারি হিসেবে তার সম্পদের পরিমাণ অর্ধ শত কোটি টাকা! স্ত্রী ও ৩ সন্তানের নামেও রয়েছে অগাধ সম্পদ। দুদকের সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি কাগজপত্রে ঢাকার বহুতল ভবন সহ অনেক তথ্যই গোপন করেছেন। জানা গেছে, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক গোলাম সারোয়ার রাজধানী ঢাকার আদাবরের শেকেরটেক এলাকার শ্যামলী হাউজিং এর ছয় নম্বর সড়কে বি-৪৮ হোল্ডিংয়ে আট তলা বিলাস বহুল বাড়ি নির্মাণ করেছেন। স্থানীয়রা পুলিশ কর্মকর্তার বিলাসবহুল এই বাড়ি নির্মাণ নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন। ফ্লাটের বেশিরভাগ ভাড়া দেয়া হয়েছে। ময়মনসিংহে কর্মরত অবস্থায় সৈয়দ গোলাম সারোয়ার এই বাড়িটি নির্মাণ করেন বলে জানায় স্থানীয়রা। এই বাড়ি করার সময় নানা গুঞ্জন ছিল। এখনও আছে। ঢাকার আদাবরের মতো এলাকায় জায়গা কিনে আটতলার বাড়ি করতে ২০-৩০ কোটি টাকা কী করে পেলো পুলিশ সেটিই বড় রহস্য। ঢাকার বাইরে ময়মনসিংহ নগরীর চরপাড়া নয়াপাড়া এলাকার ১০ তলা সৌহার্দ টাওয়ারে নিজ ও ৩ পুত্র এনামুল হক মাসুম, নাজমুল হক মারুফ ও মঞ্জুরুল হক মামুনের নামে ১২টি ফ্ল্যাট কিনেছেন। এসবের বাইরে ময়মনসিংহ নগরীর কৃষ্টপুর দৌলতমুন্সি রোডে ৪ শতাংশ জমিতে বাড়ি, বলাশপুর এলাকায় ১৫ শতাংশ জমি, শিকারীকান্দা এলাকায় ২০ শতাংশ জমি এবং টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার অফিসের পাশে ২০ শতাংশ জমিতে বাড়ি নির্মাণ করেছেন গোলাম সারোয়ার। নিজ গ্রামেও প্রচুর জমি কিনেছেন বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। দুদক সূত্র জানায়, সম্পদ বিবরণী পাওয়ার পর বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেবে দুদক। এদিকে নোটিশ পাওয়ার পর থেকে নানা মহলে দৌড়ঝাঁপ করছেন সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা। দম্ভোক্তি করে বলে বেড়াচ্ছেন দুদক তার কিছুই করতে পারবে না। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বাসিন্দা এই অভিযুক্ত কর্মকর্তা সর্বশেষ দুই বছর পূর্বে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় পুলিশ পরিদর্শক(ওসি) হিসেবে অবসরে যান।সূত্র: মানবজমিন
টাঙ্গাইলে ভেজালবিরোধী অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ টাকা
২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,প্রদীপ কুমার দাশ,টাঙ্গাইল,নিউজ একাত্তর ডট কম: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে আটটি বেকারি ও একটি অয়েল মিলকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা নাসরিন পারভীন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো.আসলাম হোসাইন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বেকারিগুলোতে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্য সামগ্রী তৈরি করা হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বাগবাড়ি, গোবিন্দাসী, কষ্টাপাড়া, রুহুলী ও কয়েড়া গ্রামের আটটি বেকারিতে অভিযান পরিচালনা করে সত্যতা পাওয়া যায়।এ সময় ওই বেকারিকে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া সন্ধ্যা ছয়টার দিকে পৌর এলাকার মদিনা অয়েল মিলে অভিযান চালিয়ে ৪৮ ড্রাম ক্রুড অয়েল মিশ্রিত ভেজাল সরিষার তেল জব্দ করে ফেলে দেয়া হয়। এ সময় মিল মালিক আব্বাস আলীকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. নাসরীন পারভীন নিউজ একাত্তরকে বলেন, ভেজাল খাবার খেয়ে মানুষ প্রতিনিয়ত অসুস্থ হয়ে পড়ছে। ভুঞাপুরকে ভেজালমুক্ত করার জন্যই আমাদের এ অভিযান। অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ওয়ারেন্ট জাল করে পরিকল্পিতভাবে মানুষকে হয়রানি করছে একটি চক্র
২২জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ওয়ারেন্ট মানে আসামিকে গ্রেফতারে বৈধ আইনি প্রক্রিয়া। কিন্তু এই ওয়ারেন্ট জাল করে পরিকল্পিতভাবে মানুষকে হয়রানি করছে একটি চক্র। এ চক্রে আছেন অসাধু আইনজীবী ও আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারী। সম্প্রতি ভুয়া ওয়ারেন্টে ৬৮দিন জেল খেটে বের হয়েছেন এক ভুক্তভোগী। বিষয়টি তদন্তে উচ্চ আদালত সিআইডিকে দায়িত্ব দিলে মঙ্গলবার তারা আদালতকে জানিয়েছেন, জালিয়াত চক্রটিকে ধরতে তদন্ত টিম কাজ করছে। বিচারকের সিল, স্বাক্ষর সম্বলিত ওয়ারেন্ট দেখে বোঝার উপায় নেই এটি ভুয়া। একটু সচেতন না হলে যে কেউ ভুয়া ওয়ারেন্টের ফাঁদে পড়তে পারেন। ঠিক যেমনটি ঘটেছে আওলাদ হোসেনের ক্ষেত্রে। সম্প্রতি ভুয়া ওয়ারেন্ট দেশের চার কারাগারে ৬৮ দিন জেল খেটে বের হয়েছেন তিনি। উচ্চ আদালতের নির্দেশে জামিনে বের হয়ে জানান হয়রানির কথা। ভুক্তভোগী আওলাদ হোসেন বলেন, ভুয়া ওয়ারেন্টে আমি প্রথম ছিলাম কক্সবাজার। কক্সবাজার থেকে কেরানীগঞ্জ তারপর একে একে রাজশাহী, বাগেরহাট, শেরপুর এরপর আবার ঢাকায় পাঠালো। ঢাকায় জেল কর্তৃপক্ষ যাচাই করে দেখছে যে এটা ভুয়া। অসাধু আইনজীবী ও আদালতের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে একটি চক্র এ কাজটি করেছে বলে জানান আওলাদ হোসেনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। তিনি বলেন, আদালতকে ব্যবহার করে ভুয়া ওয়ারেন্টে বিভিন্ন মানুষকে হয়রানি করছে। ইতিমধ্যে এসব বিষয়ে মানববন্ধনও হয়েছে।সূত্র-somoynews.tv । এদিকে ভুয়া ওয়ারেন্টের সঙ্গে কারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করতে সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন উচ্চ আদালত। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সংস্থাটি আদালতকে জানায়, তাদের ধরতে ৪ সদস্যের একটি দল কাজ করছে। এ বিষয়ে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারির প্রতিবেদন দিতে বলেছেন আদালত।
পুলিশ লাইনের পুকুর থেকে কনস্টেবলের লাশ উদ্ধার
২১জানুয়ারী,মঙ্গলবার,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনের পুকুর থেকে শাহিনুর রহমান নামের এক পুলিশ কনস্টেবলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত শাহিনুর রহমান ময়মনসিংহের বাসিন্দা। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্ল্যা জানান, সোমবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন কনস্টেবল শাহিনুর রহমান। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সকালে পুকুর ঘাটে লুঙ্গি, বিছানার চাঁদর, কম্বল ধোয়া এবং জুতা দেখতে পান পুলিশ সদস্যরা। পরে জাল ফেলে পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত শাহিনুরের ভাই জানান, তিনি সাঁতার জানতেন না। হয়তো প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় পুকুরে গোসল করতে নেমে আর উঠতে পারেননি।
সাইফকে হত্যার পর ডাকাতি নাটক সাজায় সৎমা সিনথী
২১জানুয়ারী,মঙ্গলবার,আলিয়া জান্নাত,টাঙ্গাইল,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাসায় জোরে সাউন্ড দিয়ে টিভি দেখছিল আট বছরের শিশু সাইফ। সাউন্ড কমাতে বলেন সৎমা সাবরিনা নাহার সিনথী। সাইফ কথা না শোনায় হাত-পা বেঁধে বাসার একটি কক্ষে আটকে রাখা হয় তাকে।৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর রুম খুলে দেখতে পান সাইফ বেঁচে নেই। পরে হাত-পা বাঁধা অবস্থাতেই সাইফকে বাথরুমে পানির বালতিতে মুখ ডুবিয়ে রাখেন। পরে ডাকাতির নাটক সাজিয়ে সাইফের বাবাকে ফোন দেন। গ্রেপ্তারকৃত সাইফের সৎ মা সাবরিনা নাহার সিনথি আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে একথা জানিয়েছেন। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনিরা সুলতানা এ জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ওসি) শ্যামল কুমার দত্ত জানান, টাঙ্গাইল শহরের আমিন বাজার এলাকায় সাইফের বাবা ভাড়া বাসায় থাকতেন। নিহত সাইফের সৎ মা গেল শনিবার রাত আটটার দিকে ফোন করে সাইফের বাবা সালাউদ্দিনকে জানান, অজ্ঞাতনামা তিনজন দুর্বৃত্ত তাদের বাসায় ঢুকে তার ও ছেলের হাত-পা বেঁধে স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে। তারা যাওয়ার সময় সাইফকে বাথরুমে পানির বালতিতে ডুবিয়ে রেখে গেছে। ফোন পেয়ে সাইফের বাবা তার কম্পিউটার সেন্টার থেকে বাসায় গিয়ে ছেলেকে উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। এ সময় ডাক্তার তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। সাবরিনা নাহারের ঘটনার বর্ণনাটি তাদের রহস্যজনক মনে হয়। পরে পুলিশ সাবরিনা নাহার ও তার স্বামী সালাউদ্দিনকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সাবরিনা সাইফকে হাত-পা বেঁধে ঘরে আটকে রাখার একপর্যায়ে মৃত্যু হয় বলে জানান। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে সে হত্যার ঘটনা বর্ণনা করে জবানবন্দি দেন।
মেহগনি বাগানে বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ
১৯জানুয়ারী,রবিবার,মাইনুল হাসান,সাভার,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাভারে কাঞ্চন বেপারী নামের (৬০) এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার দুপুরে সাভারের বনগাঁও ইউনিয়নের সাধাপুর পুরানবাড়ি এলাকার একটি মেহগনি বাগান থেকে মরদেহটি করা হয়। পুলিশ জানায়, সাধাপুর পুরানবাড়ি এলাকার মেহগনি বাগানের একটি গাছে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় ওই ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে তারা সাভার মডেল থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে। নিহত ওই ব্যক্তির বাড়ি সাভারের আমিনবাজারে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার এসআই এখলাস উদ্দিন বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর এটি হত্যা না আত্মহত্যা সেটি জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর