রবিবার, জানুয়ারী ২৪, ২০২১
সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্ত থেকে সাড়ে ৪ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার
২৮,জুন,রবিবার,মো.ইসমাইল,সাতক্ষীরা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতে পাচারকালে সাতক্ষীরার কলারোয়া সীমান্ত এলাকা থেকে চার কেজি ৫৪০ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। রোববার (২৮ জুন) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার কেড়াগাছির গফফারের ঘাট এলাকা থেকে এ স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় কোনো চোরাকারবারীকে আটক করতে পারেনি বিজিবি। বিজিবির সাতক্ষীরা ৩৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দীন খন্দকার জানান, স্বর্ণ চোরাচালান হচ্ছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে কাকডাঙ্গা বিওপির সদস্যরা কেড়াগাছি গফফারের ঘাট এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২৪টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে। যার ওজন চার কেজি ৫৪০ গ্রাম। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি ৬৮ লাখ ৫২ হাজার ৬৮৫ টাকা।
সাতকানিয়ায় হত্যা মামলার আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত
২৭,জুন,শনিবার,মো.আমিন,সাতকানিয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাতকানিয়া উপজেলার বারদোনা এলাকায় যুবলীগ কর্মী মোসাদ্দেকুর রহমান হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) ভোরে সাতকানিয়া উপজেলার গারাংগিয়া মাদ্রাসার পশ্চিম পাশে কোতোয়াল দিঘীর পাড় এলাকায় 'বন্দুকযুদ্ধের' এই ঘটনা ঘটে বলে দাবি পুলিশের। নিহত সোহেল বারদোনা ৭ নম্বর ওয়ার্ড আদর্শপাড়ার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। সাতকানিয়া থানার ডিউটি অফিসার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোবারক নিউজ একাত্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গত ২২ জুন বিকেলে সাতকানিয়া উপজেলার বারদোনা এলাকায় মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় মাদক ব্যবসায়ীদের হাতে ছুরিকাঘাতে খুন হন যুবলীগ কর্মী মোসাদ্দেকুর রহমান। এ সময় মোসাদ্দেকুর রহমানের ভাই ফয়সালুর রহমানকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। মোসাদ্দেকুর রহমান বারদোনা এলাকার মাহবুবুর রহমানের ছেলে। তিনি স্থানীয় যুবলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি বারদোনা এলাকায় সামাজিক সংগঠনের ব্যানারে মাদক বিরোধী কার্যক্রম করে আসছিলেন। মোসাদ্দেকুর রহমান কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা মো. আমিনুল ইসলামের অনুসারী। স্থানীয় সূত্র জানায়, সোহেল নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিতে বলেন যুবলীগ কর্মী মোসাদ্দেকুর রহমান। এ নিয়ে সোহেলের রোষানলে পড়েন মোসাদ্দেকুর। এ ঘটনার রেশ ধরে ২২ জুন বিকেলে মোসাদ্দেকুর রহমানকে পেয়ে ছুরিকাঘাত করে সোহেল ও তার সহযোগীরা। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন সোহেল।
আওয়ামী লীগের সভাপতি এনামুল হক চৌধুরীর উপর হামলার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও প্রতিবাদ
২৬,জুন,শুক্রবার,বাশখালী সংবাদদাতা,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাশখালী কাথারিয়া ইউনিয়ন ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সমাজসেবক এনামুল হক চৌধুরীর উপর শাহাজাহান চেয়ারম্যান কর্তৃক সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর উদ্যোগে কাথারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ জাগার,মোঃ নেচার,মোঃ আবছার,মোঃ হোসন, মোঃ বেলাল,মোঃঅগ্গল, মোঃ মুনছুর,মোঃ ইসমাইল,ওয়ার্ড নেতা মোঃশাহজাহান,মোঃ জিল্লুর, মোঃসাদ্দাম, মোঃ পেচু,বাঁশখালী থানা ছাত্রলীগের নেতা মোঃপারভেজ,মোঃ মাইমুন,মোঃ আনছার, মোঃ তারেক,মোঃ পারভেজ,মোঃ রাকিব,ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা মোঃ শিপন,মোঃরিপন,মোঃ আরকান,মোঃআমিন হোসেন,মোঃ মুরাদ ওমর,এমরান, লিটন মিরাজ,রিদুওয়ান,আনিছ,ফরহাদ,ফাহিম,এইচ এম সুমন,ওয়ার্ড ছাত্রলীগের নেতা সোহেল,মান্নান সও, আঃ মান্নান,রানা,আজিজ,হাসিব,তৌহিদ রায়হান,মারুফুল ইসলাম, মনির,আজিজ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন এনামুল হক চৌধুরী একজন আদর্শিক,ত্যাগী ও সমাজসেবী লোক।তিনি মানুষের জন্য রাজনীতি করেন।এলাকার ভুমি দস্যু,দালাল,চাদাবাজ চেয়ারম্যান শাহাজাহান চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে।আজকে প্রমাণ হয়েছে এনামুল হক চৌধুরী সাহেব একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি করে এলাকার জনপ্রিয় লোক।অবিলম্বে দুর্নীতিবাজ,ভুমি দস্যু, দালাল,ত্রান আত্ত্বসাতকারী শাহাজাহান চেয়ারম্যান ও তার সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানাচ্ছি।যদি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নাহয় তাহলে এলাকার জনগণ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য থাকিবে। বাশখালীর টিএনও,ওসি সহ প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করছি অনতিবিলম্বে শাহাজাহান চেয়ারম্যান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানাচ্ছি।
৪ ডাকাত সহ পুলিশের ভুয়া এস.আই গ্রেফতার
২৫,জুন,বৃহস্পতিবার,কামরুজ্জামান মিন্টু,ময়মনসিংহ,নিউজ একাত্তর ডট কম: ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে ৪ ডাকাত ও পুলিশের ভুয়া একজন এস.আই'কে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৬ টায় গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ডিবি'র ওসি শাহ কামাল আকন্দ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডিবি'র ওসি শাহ কামাল আকন্দের নির্দেশে এস.আই আনোয়ার হোসেন ও এস.আই আলাউদ্দিন বাদল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। তখন ময়মনসিংহ সদরের চূরখাই ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাড়সকে বৃহস্পতিবার (২৫ জুুন) ভোরে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল ৪ জন অস্ত্রধারী ডাকাত। এসময় ডাকাতদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো-জয়পুরহাটের মৃত সৈয়দ আলীর পুত্র শাহজাহান (২৮),মাদারীপুরের মৃত এমদাদুল মৃধার ছেলে মেহেদী হাসান মৃধা (৩৮),ময়মনসিংহ সদরের ঝাউগড়ার মৃত শহীদের ছেলে রনি (২৫) ও কুড়িগ্রামের টগরু মিয়ার ছেলে আব্দুর রহিম (২৮)। এসময় তাদের কাছ থেকে ১ টি পাইপগান,২ টি কর্তুজ,৬ টি চাপাতি এবং ১ টি পিকআপ গাড়ী উদ্ধার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, চারজন ডাকাত সহ অন্য এক অভিযানে পুলিশের ভুয়া এস.আই শহিদুল ইসলাম (৫৫) নামের এক প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভুয়া এস.আই শহিদুল ইসলামকে ঢাকা বনশ্রী এলাকা থেকে (২৪জুন) মধ্য রাতে গ্রেফতার করা হয়। তিনি জানান, সোমবার (১৫জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা বাজারে হক মিয়ার ভাই ভাই ষ্টোর নামক দোকানের সামনে দারাগো শফিক নামে পুলিশ অফিসার পরিচয় দিয়ে রুহল আমিন নামের এক ব্যক্তিকে বলে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন ও ময়মনসিংহ জেলখানার কিছু ধান বিক্রী করা হবে। ভুয়া পুলিশ শহিদুল বলেন এই আপনি কিনবেন কিনা? রুহুল আমিন প্রতারক শহিদুলের কথা বিশ্বাস করে ধান কিনার জন্য ৮৪০ টাকা মন দরে দাম ঠিক করে তার কথায় রাজি হয়। রুহুল আমিনকে প্রতারক শহিদুল বলেন, পুলিশ লাইন গেইটে আসলে রুহুল আমিনকে ধান দেখাবে এবং তার নিকট থেকে টাকা নিয়ে পুলিশের ব্যবহৃত গাড়ী দিয়ে ধান মুক্তাগাছায় রুহুল আমিনের দোকানে পৌছে দিবে। রুহুল আমিন ভুয়া এস.আই শহিদুলের কথায় বিশ্বাস করে ১লক্ষ ৩ হাজার টাকা প্রতারিত হন। পরে রুহুল আমিন বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় শহিদুলের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ওসি আরো জানান,প্রতারণার বিষয়টি পুলিশ সুপারের নজরে আসলে জেলা ডিবি পুলিশকে প্রতারক চক্রটিকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।পরে বি-বাড়িয়া জেলার মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে প্রতারক শহিদুল ইসলামকে ঢাকার বনশ্রী এলাকা থেকে বুধবার (২৪ জুন) মধ্য রাতে গ্রেফতার করা হয়। তখন প্রতারকের কাছ থেকে বিভিন্ন কোম্পানীর শতাধিক সিম কার্ড এবং ৬টি মোবাইল জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
চুয়াডাঙ্গায় ফাজিল মাদরাসার ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
২২,জুন,সোমবার,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চুয়াডাঙ্গা ফাজিল মাদরাসার চারতলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য সোলায়মন হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (এম পি)। রোববার (২১ জুন) বেলা ১২টায় রেলবাজার ফাজিল মাদরাসা চত্বরে নির্মিত ভবনের আনুষ্ঠানিকভাবে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ৩ কোটি ২৪ লাখ ৯৫ হাজার ৩২৩ টাকা ব্যয়ে ওই চারতলা একাডেমিক ভবনটি নির্মিত হবে। কাজের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেহেরপুরের মল্লিক পাড়ার জহিরুল লিমিটেড। স্থানীয় ঠিকাদার আলী রেজা সজলের তত্ত্বাবধানে এ কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে জানা গেছে। ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা ফাজিল মাদরসা পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, সাংগাঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান, চুয়াডাঙ্গা ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্জ্ব মীর জান্নাত আলী, জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কাজের ঠিকাদার আলী রেজা সজল ও মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা। ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনকালে সাংসদ সোলায়মান হক বলেন, আমি একদিন থাকবো না, তবে এ প্রতিষ্ঠান যুগ যুগ ধরে থাকবে। এখান থেকে শিক্ষার্থীরা দ্বীনি এলেম শিক্ষা লাভ করে সমাজকে আলোকিত করবে।
সাবেক যুগ্ম সচিব ও তার মেয়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
২১,জুন,রবিবার,কামরুজ্জামান মিন্টু,ময়মনসিংহ ব্যুরো,নিউজ একাত্তর ডট কম: ময়মনসিংহের তারাকান্দায় এইচ.এ.ডিজিটাল স্কুল এন্ড কলেজের পরিচালক পদ ও ইন-নাম্বার ব্যবহার করে জাতিসংঘের সুবিধা নেওয়ার প্রতিবাদে সাবেক যুগ্ম সচিব মোখলেছুর রহমান খান ও তার মেয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খায়রুজ্জামান খান। রবিবার (২১ জুন) দুপুরে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। লিখিত বক্তব্যে খায়রুজ্জামান খান বলেন, সাবেক যুগ্ম সচিব মোখলেছুর রহমান খান সরলতা ও বিশ্বস্ততার সুযোগ নিয়ে তার মেয়ে সওগাত নাজবিন খানকে এইচ.এ.ডিজিটাল স্কুল এন্ড কলেজের ভূয়া ফাউন্ডার ডিরেক্টর দেখিয়ে জাতিসংঘের ৭১তম অধিবেশনে প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার স্বীকৃতি স্বরুপ তরুণ নেতা নির্বাচিত হন। জাতিসংঘের মাধ্যমে ৫০টির মত রাষ্ট্রে ইতোমধ্যে শুভেচ্ছাদূতের দায়িত্বপালন সহ প্রতিষ্ঠানটির নামে অবৈধ ভাবে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। তিনি আরো বলেন, সাবেক যুগ্ম সচিব মোখলেছুর রহমান খান ক্ষমতার অপব্যবহার করে এইচ.এ.ডিজিটাল স্কুল এন্ড কলেজটি তার দখলে নেয়ার চেষ্টা করছেন। প্রশাসন দিয়েও তাকে নানা ভাবে হয়রানী করছেন। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ হোসনে আরা শিশির, উপদেষ্টা মফিদুল ইসলাম আকন্দ, প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বসের এশিয়ার ৩০ বছরের নিচে ৩০ পথিকৃত নারীর তালিকায় পাইওনিয়ার উইম্যান ক্যাটাগরিতে সওগাত নাজবিন খানকে নির্বাচিত করা হয়। তারাকান্দা উপজেলার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর শিক্ষা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এইচ এ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার কারণে তাকে এই স্বীকৃতি দেয় ফোর্বস ম্যাগাজিন।
পুকুরে ভেসে উঠলো কলেজ ছাত্রের লাশ
১৭জুন,বুধবার,মো.আশিকুর রহমান,নোয়াখালী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিখোঁজের সাত ঘণ্টা পর মঞ্জুর আহসান তুষার (২১) এক কলেজ ছাত্রের ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আহসান তুষার নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড তফাদার বাড়ীর শাহ আলমের ছেলে। তুষারের মৃত্যু রহস্যজনক হওয়ায় লাশ ময়নাতদন্ত শেষে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাড়ির পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত তুষার লক্ষ্মীপুর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের ইলেক্ট্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র। নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সেনবাগের কাবিলপুরে নিজ বাড়িতে চলে আসে তুষার। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বাড়ির পাশের একটি বাঁশ বাগানে বাঁশ কাটার জন্য যায় সে। দুপুর গিয়ে বিকেল হলেও আর বাড়িতে ফিরে আসেনি তুষার। পরিবারের লোকজন বাঁশ বাগানসহ সম্ভাব্য স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোন সন্ধান পায়নি। সন্ধ্যার দিকে বাড়ির লোকজন পুকুর ঘাটে গেলে পুকুরের পানিতে তুষারের লাশ ভাসতে দেখে উদ্ধার করে। নিহতের আত্মীয় ফাহাদ বলেন, চার ভাই ও এক বোনের মধ্যে তুষার সবার ছোট ছিল। সে সাঁতার জানতো। কিন্তু পুকুরের পানিতে তার লাশ পাওয়া গেছে। তুষারের মৃত্যুটি রহস্যজনক। সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
যশোরের ঝিকরগাছায় বিষাক্ত মদপানে ছয়জনের মৃত্যু!
১৭জুন,বুধবার,মো.আব্বাস উদ্দিন,যশোর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: যশোরের ঝিকরগাছায় গত ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এরা বিষাক্ত বা ভেজাল মদপানে মারা গেছেন। অবশ্য পুলিশের দাবি, ভেজাল বা বিষাক্ত মদপানে কারও মৃত্যুর প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে, উপজেলা হাসপাতালে অ্যালকোহলজনিত কারণে চারজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন দায়িত্বরত চিকিৎসক। তার মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যুর শিকার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- উপজেলার রাজাপুর গ্রামের আবুল গাজীর ছেলে হাবিল গাজী (৬০), বর্নি গ্রামের সুরত আলীর ছেলে ফারুক হোসেন (৪০), হাজিরালী গ্রামের মৃত গহর আলীর ছেলে আসমত আলী (৫০), পুরন্দরপুর গ্রামের মৃত ফকির ধোপার ছেলে হামিদুর রহমান (৫৫), রাজাপুর গ্রামের আলফাজের ছেলে নুর ইসলাম খোকা (৫৫) এবং ঋষিপাড়ার মৃত রসিক লালের ছেলে নারায়ণ (৫৫)। গুরুতর অসুস্থ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানিয়েছেন, গতকাল সোমবার সকালে পুরন্দরপুর গ্রামের জলিল সর্দারের ছেলে মিন্টুর কাছ থেকে মদ কিনে খোকা, নারায়ণ ও হামিদুরের সঙ্গে তিনিও পান করেছিলেন। কিন্তু তিনি পরিমাণে কম পান করেন। তিনি চলে আসার পরও খোকা, নারায়ণ ও হামিদুর মদের আস্তানায় ছিলেন। বাড়িতে ফেরার পর তিনি নিজে এবং ওই তিনজন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের যশোরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খোকা, হামিদুর ও নারায়ণ ওই দিনই মারা যান। সোমবার গভীর রাতে খোকা, হামিদুরকে দাফন ও নারায়ণকে সৎকার করা হয়। এর একদিন পর মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর হাবিল গাজী, ফারুক হোসেন ও আসমত আলী মারা যান। মৃত ব্যক্তিদের সবাইকে হাসপাতাল থেকে হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে বলে ছাড়পত্র দেওয়া হয় বলে দাবি করছেন মদের আখড়ায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া ওই ব্যক্তি। তবে যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করে ঝিকরগাছার পুরন্দরপুর এলাকার নাফিজ নামে ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির ভর্তির রেকর্ড পাওয়া যায়। তিনি পয়জনিংয়ের শিকার হয়েছিলেন বলে হাসপাতাল রেজিস্টারে উল্লেখ আছে। মদপানে অনেক মানুষের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে মঙ্গলবার রাতে ঝিকরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুর রাজ্জাক, ইনসপেক্টর (তদন্ত) মেজবাউর রহমান, সেকেন্ড অফিসার এসআই দেবব্রত দাসসহ স্থানীয় সংবাদকর্মীরা মৃতদের বাড়ি বাড়ি যান। মৃতরা সবাই হৃদরোগে মারা গেছেন বলে তাদের পরিবার-সদস্যরা দাবি করেন। ওই সময় তারা হাসপাতালের ছাড়পত্রও দেখান। মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে ঝিকরগাছা থানার ওসি মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এই মাত্র মৃতদের বাড়ি থেকে ঘুরে এলাম। তারা সবাই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বলে আত্মীয়-স্বজনরা বলছে। সেই মর্মে তারা মেডিকেল ছাড়পত্রও দেখিয়েছে। ডাক্তার যদি হৃদরোগে মৃত্যুর ছাড়পত্র দেন, তাহলে আমি কীভাবে বলি তারা বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে মারা গেছে? তবে মৃতদের মধ্যে হাবিল মদের কারবারি ছিলেন বলে নিশ্চিত করেন ওসি। তিনি বলেন, কয়েক মাস আগে তাকে গ্রেফতারও করা হয়। কিন্তু হাবিলের ছেলে আমাকে বলেছে, বাবা মদ বা বিষাক্ত কিছু খায়নি। অসুস্থতার কারণে মারা গেছে। এদিকে রাত সোয়া ১১টার দিকে যোগাযোগ করা হলে ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত ডাক্তার জিয়াউল ইসলাম বলেন, ওই ছয়জনের মধ্যে কেউ হাসপাতালে মারা যায়নি। তবে বিষাক্ত অ্যালকোহল পানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া চারজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি আরও বলেন, কিছুক্ষণ আগে ২৫ থেকে ২৮ বছর বয়সী একজন ভর্তি হতে হয়েছেন। এই যুবক সন্ধ্যায় একবার বমি নিয়ে এসেছিল ভর্তি হতে। কিন্তু তখন কিছুটা ভালো বোধ করায় বাড়ি ফিরে যায়। পরে অবস্থা খারাপ হওয়া গুরুতর অসুস্থ এ যুবককে যশোরে রেফার করা হবে। ডাক্তার জিয়াউল ইসলাম বলেন, ভর্তি হওয়া ওই চারজনই মদপানের কথা স্বীকার করেছে। হাসপাতালের রেজিস্টারেও সেভাবেই উল্লেখ করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জে করোনামুক্ত হলেন ২১ পুলিশ সদস্য
১৫জুন,সোমবার,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুনামগঞ্জে করোনামুক্ত পুলিশ সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করেছেন পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান। সোমবার (১৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের ওয়েজখালী পুলিশ লাইন চত্বরে করোনামুক্ত পুলিশ সদস্যদের হাতে ফুল দিয়ে তাদের বরণ করে নেন তিনি। যারা করোনামুক্ত হয়েছেন তারা হলেন: পুলিশ সদস্য ফয়ছল আহমেদ, জাহাঙ্গীর হোসেন, শরীফ হাসান, শিহাব উদ্দিন, সুজিত কান্তি দাস, রিপন বিশ্বাস, সাব্বির আহমদ, শাহ আলম, আলমগীর হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, মেস বয় নুরুল ইসলাম, এক পুলিশ সদস্যের সন্তান আলী আরমান সাফি, আব্দুল্লাহ আল রাফি। এসআই শাহিন আহমদ ও আবুল বাশার। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান, সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি লতিফুর রহমান রাজুসহ জেলা পুলিশেরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। বিভিন্ন সময় পেশাগত দায়িত্বপালন কালে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের ৩৩ জন সদস্য আক্রান্ত হন। এর আগে আক্রান্তদের মধ্যে ১৩ জন করোনামুক্ত হন। দ্বিতীয় দফায় দ্বিতীয়বারের নমুনা পরীক্ষায় ৮ পুলিশ সদস্যের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আক্রান্তদের মধ্যে ২১ জন সুস্থ হন। করোনামুক্ত পুলিশ সদস্য ফয়ছল আহমেদ বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় করোনায় আক্রান্ত হই, এখন সুস্থ। তিনি বলেন, জনগণ যদি সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করেন তাহলে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। এসআই শাহিন আহমদ আহমদ বলেন, করোনা আক্রান্ত হলে কেউ যেন অযথা ভয় না পান। সবাই স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাফেরা করলে করোনা আক্রান্ত হবেন না। পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যরা পেশাগত দায়িত্বপালনকালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের বেশির ভাগ এখন সুস্থ হয়েছেন। পুলিশ হাসপাতালে তারা একজন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হয়েছে। তিনি জনগণ ও পুলিশের সবাইকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে জীবনযাপনের আহ্বান জানান।

সারা দেশ পাতার আরো খবর