মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯
বাসচাপায় ২ গার্মেন্ট শ্রমিক নিহত মালিবাগে
অনলাইন ডেস্ক: রাজধানীর মালিবাগে বাসচাপায় দুই গার্মেন্ট নারী শ্রমিক নিহত প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা সড়কে বিক্ষোভ করে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে মালিবাগে আবুল হোটেলের সামনে বাসচালকের শাস্তির দাবিতে পোশাক কারখানার শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। নিহত দুজন হলেন এম এইচ গার্মেন্টসের শ্রমিক নাহিদ পারভীন পলি (২২) ও মিম (১৬)। পলির বাড়ি নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় এবং মিমের বাড়ি বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় বলে জানা গেছে। তারা ঢাকার মগবাজারের পূর্ব নয়াটোলায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। দুই তরুণীর লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় বাস ও বাসের চালককে আটক করেছে পুলিশ। নিহতের সহকর্মীরা জানান, বেলা দেড়টার দিকে মালিবাগের চৌধুরীপাড়ার রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন মিম ও পারভিন। এ সময় সদরঘাট থেকে গাজীপুরগামী সুপ্রভাত পরিবহনের একটি বাস তাদের দুজনকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থালেই মিম মারা যায়। সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ সার্জেন্ট সুব্রত কুমার দে পারভিনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সার্জেন্ট বলেন, তিনি পারভিনকে আহত অবস্থায় দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। তরুণী দুজনের লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যাচ্ছিল না। পরে তাঁদের সহকর্মীরা মর্গে এসে লাশ শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। এ ঘটনায় সুপ্রভাত বাস ও বাসের চালককে হাতিরঝিল থানা পুলিশ আটক করেছে। হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ফারুক খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্বাভাবিক সারা দেশে যান চলাচল
অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদের ভোট গ্রহণ শেষে সোমবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে স্বাভাবিক হয়েছে যানবাহন চলাচল। নির্বাচন উপলক্ষে সকল যান ও চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল করেছিল নির্বাচন কমিশন । কিন্তু নির্বাচন শেষ হওয়ার পর রোববার গভীর রাতেই শেষ হয়েছে ইসির নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ। ফলে আজ সকাল থেকে রাজধানীসহ দেশের সড়ক ও মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। পুরোদমে গাড়ি না চললেও সকাল থেকে কিছু বাস দেখা যাচ্ছে। তবে রিক্সা-সিএনজি দেখা যাচ্ছে বেশি। তবে মোটরসাইকেলের ওপর নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা এখনো চালু থাকায় অনুমোদিত ছাড়া অন্যগুলো এখনো চলতে পারছে না। রোববার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে সকল প্রকার নাশকতা ঠেকাতে তৎপর ছিল ইসি। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার দিবাগত রাত ১টা থেকে রোববার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত সবধরনের যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল ইসি।
উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আ. লীগকে বিজয়ী করার আহ্বান কাতার প্রবাসী বাংলাদেশিদের
অনলাইন ডেস্ক: উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসী পরিবারদের নৌকায় ভোট দিয়ে আবারও আওয়ামী লীগকে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন কাতার প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বৃহস্পতিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাজধানী দোহার একটি রেস্টুরেন্টে বঙ্গবন্ধু পরিষদ কাতার শাখার আয়োজনে বিজয় দিবসের আলোচনায় এ আহ্বান জানান বক্তারা। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি এসএম ফরিদুল হক। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নুরুন নবী, সহ-সভাপতি মীর মোশাররফ হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় কাতারে চার লাখ বাংলাদেশির কর্মসংস্থান হয়েছে। তাই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও আওয়ামী লীগকেই ক্ষমতায় দেখতে চান তারা।
সারা দেশে প্রচারণায় সরগরম
অনলাইন ডেস্ক: ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন ঘিরে প্রচার প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে সারা দেশের নির্বাচনী মাঠ। ভোটারদের সমর্থন আদায়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকে পাড়া মহল্লা চষে বেড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন দল ও জোটের প্রার্থীরা। চলছে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং ও উঠান বৈঠকসহ নানা কার্যক্রম। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট চাইছেন তারা। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। ক্ষমতায় গেলে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢেলে সাজানোর ফুলঝুরি তাদের মুখে। তবে এলাকার উন্নয়নসহ সুখে-দুঃখে পাশে পাবেন এমন প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে চান ভোটাররা।
চিঠি দিয়ে শরীয়তপুরের ডিসিকে হুমকি
অনলাইন ডেস্ক: শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী আবু তাহেরকে চিঠি দিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। ডাকযোগে এ চিঠি পাঠানো হয় জেলা প্রশাসককে। গতকাল সোমবার জেলা প্রশাসকের হাতে ওই চিঠিটি পৌঁছায়। চিঠিতে সরাসরি জেলা প্রশাসক আবু তাহেরকে হুমকি দেওয়া হয়। বলা হয়, জেলা প্রশাসক আওয়ামী লীগ নেতার মতো কাজ করছেন। তবে টার্গেট আওয়ামী লীগ নন, টার্গেট তিনি (জেলা প্রশাসক)। একই সঙ্গে পরিবার-পরিজনদের ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকের সম্পত্তির ওপর হামলার হুমকিও দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক কাজী আবু তাহের বলেন, আমি এসব হুমকিতে ভীত নই। প্রশাসনের মনোবল ভেঙে দেওয়ার জন্য কোনো কৌশল হতে পারে। চিঠির একটি কপি পুলিশকে দেওয়া হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করবে। শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়ে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
সারাদেশে নির্বাচনী প্রচারণায় জমজমাট আ. লীগ
অনলাইন ডেস্ক: দিনভর জমজমাট ছিলো রাজধানীসহ সারাদেশের নির্বাচনী প্রচারণা। আওয়ামী লীগ ও মহাজোট প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী আসনের ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন। বিগত সময়ের উন্নয়ন আর এবারের দলীয় ইশতেহারের বাইরেও স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরেন প্রার্থীরা। নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশ আবারো অন্ধকারে চলে যাবে। রাজধানীতে জমজমাট নির্বাচনী প্রচারণা। শনিবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই প্রচারণার মাঠে ব্যস্ত আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের প্রার্থীরা। ভোটারদের কাছে গিয়ে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। শনিবার বিকেলে ঢাকা ২ আসনে গণসংযোগ করেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় ভোট চান তিনি। ঢাকা-৫ আসনে ভোটারদের নানা প্রতিশ্রুতি দেন হাবিবুর রহমান মোল্লা। ঢাকা ১১ ও ১৩ আসনে প্রচারণা চালান আওয়ামী লীগ প্রার্থী একেএম রহমতউল্লাহ ও সাদেক খান। নোয়াখালীর কবিরহাটে নির্বাচনী প্রচারণা চালান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এসময় সারাদেশে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহ্বান জানান তিনি। রাজধানীর বাইরে অন্যান্য জায়গায়ও নির্বাচনী উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। ভোটারদের কাছে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা।
জনতার ঢল মাশরাফির জন্য
অনলাইন ডেস্ক: নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর প্রথমবারের মতো প্রচারণায় নিজ এলাকায় পৌঁছেছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। শনিবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সড়কপথে নড়াইল পৌঁছান তিনি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাশরাফি নড়াইল-২ (লোহাগড়া ও সদরের আংশিক) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী। মাশরাফির সফরসঙ্গীসূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টায় ঢাকার বাসা থেকে নড়াইলের উদ্দেশে রওনা হন মাশরাফি। মাওয়া হয়ে তিনি কালনা ঘাটে পৌঁছান বেলা ১টায়। কালনা ঘাট অর্থাৎ, মধুমতী নদী পার হলেই মাশরাফির নির্বাচনী এলাকা শুরু। নদীর পাড় থেকে শুরু করে নড়াইল সদর পর্যন্ত রাস্তায় কয়েক হাজার ভক্ত ও দলীয় নেতা-কর্মী দুপুর থেকে তার অপেক্ষায় ছিলেন। মাশরাফি পৌঁছলে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান উপস্থিত জনতা। কালনা ঘাট থেকে ১৮ কিলোমিটার রাস্তা পেরিয়ে নড়াইল শহরে আসতে মাশরাফির সময় লাগে ৫ ঘণ্টা। এসময় প্রায় ১৬টি পথসভায় বক্তব্য দেন মাশরাফি। এ সময় সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশকে হিমশিম খেতে দেখা যায়। আওয়ামী লীগের নড়াইল জেলা শাখার কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং মাশরাফির নির্বাচনী প্রচারণার সমন্বয়ক সৌমেন বসু জানান, পথসভায় বক্তব্যের সময় মাশরাফি তার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকার জন্য জনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় রাখার জন্য তাঁদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। মাশরাফি বলেন,দেরিতে আপনাদের মাঝে পৌঁছানোর জন্য আপনারা কষ্ট পেয়েছেন। এ জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।