হিলিতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ২৭
১২জানুয়ারী,রবিবার,হিলি প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দিনাজপুরের হিলিতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামীসহ ২৭ মাদকসেবীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত হিলি সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ। হাকিমপুর থানার ওসি আব্দর রাজ্জাক আকন্দ জানান, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে ও হাকিমপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপারের তত্বাবধানে হাকিমপুর থানা পুলিশ শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত হিলি সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালায়। এসময় মাদকসেবনের দায়ে ২৫জনকে আটক করা হয় এবং ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে রাতে ও সকালে দুদফায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে অপরাধ স্বিকার করায় ১১জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করেন। বাকীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশনা প্রদান করেন। পরে তাদের সকলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন পূর্বক শনিবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে দিনাজপুর কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে। তাদের সকলের বাড়ি হিলি, গাইবান্ধা ও রংপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায়।
২০১৯ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭৮৫৫ জন নিহত, ১৩৩৩০ জন আহত:যাত্রী কল্যাণ সমিতি
১১জানুয়ারী,শনিবার,বিশেষ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিদায়ী ২০১৯ সালে ৫৫১৬ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭৮৫৫ জন নিহত, ১৩৩৩০ জন আহত হয়েছে। একই সময় রেলপথে ৪৮২ টি দুর্ঘটনায় ৪৬৯ জন নিহত, ৭০৬ জন আহত হয়েছে। নৌ-পথে ২০৩ টি দুর্ঘটনায় ২১৯ জন নিহত, ২৮২ জন আহত এবং ৩৭৫ জন নিখোঁজ হয়। সড়ক, রেল, নৌ-পথে সর্বমোট ৬২০১ টি দুর্ঘটনায় ৮৫৪৩ জন নিহত এবং ১৪৩১৮ জন আহত হয়েছে। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বার্ষিক সড়ক দুর্ঘটনা পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। আজ ১১ জানুয়ারী শনিবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই প্রতিবেদন তুলে ধরেন। দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে প্রতি বছরের মত এবারো এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। এতে দেখা গেছে , বিদায়ী ২০১৯ সালে ৫৫১৬ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭৮৫৫ জন নিহত হয়েছে এবং আহত হয়েছে ১৩৩৩০ জন। বিদায়ী ২০১৯ সালে সড়ক দুর্ঘটনার পরিমাণ ২০১৮ সালের সমপরিমাণ হলেও প্রাণহানী ৮.০৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ৯৮৯ জন চালক, ৮৪৪ জন পরিবহন শ্রমিক, ৮০৯ জন শিক্ষার্থী, ১১৫ জন শিক্ষক, ২১৬ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৮৯৪ জন নারী, ৫৪৩ জন শিশু, ৩৬ জন সাংবাদিক, ২৬ জন চিকিৎসক, ১৬ জন আইনজীবী ও প্রকৌশলী এবং ১৫৩ জন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে। এর মধ্যে নিহত হয়েছে ২৪ জন সেনা সদস্য, ৫৩ জন পুলিশ ও র‌্যাব সদস্য, ০৩ জন বিজিবি সদস্য, ০১ জন ফায়ার সার্ভিস কর্মী, ০১ জন নৌ-বাহিনীর সদস্য, ০৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ০৬ জন সাংবাদিক, ৫৮২ জন নারী, ৪৪৭ জন শিশু, ৪৭৪ জন শিক্ষার্থী, ৮১ জন শিক্ষক, ৬৯১ জন চালক, ৩৫৭ জন পরিবহন শ্রমিক, ০৯ জন প্রকৌশলী, ০৫ জন আইনজীবি, ১১৫ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ২৫ জন চিকিৎসক ছিল। উল্লেখিত সময়ে সংগঠিত দুর্ঘটনায় সর্বমোট ৭৩৫৬ টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে, যার ১৮.৯৯ শতাংশ বাস, ২৯.৮১ শতাংশ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান, ৫.২২ শতাংশ কার-জীপ-মাইক্রোবাস, ৯.৩৫ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ২১.৪ শতাংশ মোটরসাইকেল, ৮.০৪ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও ইজিবাইক, ৭.৩২ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৫৬.৩৫ শতাংশ গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ১৮.৩৬ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৮.০৭ শতাংশ খাদে পড়ে, ৫.৯১ শতাংশ বিবিধ কারনে, ০.৩৪ শতাংশ চাকায় ওড়না পেছিয়ে এবং ০.৯৭ শতাংশ ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ২০১৮ সালের তুলনায় বিগত বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত যানবাহনের ৪.৩২ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা-ভ্যান-ইজিবাইক, ১.৫২ শতাংশ নসিমন-মাহিন্দ্রা-লেগুনা, ১.১৩ শতাংশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-লরি, ০.০৭ শতাংশ বাসে দুর্ঘটনার হার বৃদ্ধি পেলেও মোটরসাইকেলে হেলমেট বাধ্যতামূলক করা, তিন আরোহী পরিবহন নিষিদ্ধ করা, মোটরসাইকেল চলাচলে কঠোর নজরধারির কারণে দুর্ঘটনার হার ৪.২৬ শতাংশ কমেছে। এছাড়াও ২.৭১ শতাংশ কার- জীপ-মাইক্রোবাস, ০.২৬ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা দুর্ঘটনা বিগত বছরের চেয়ে কমেছে। পরিসংখ্যানের তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১৮ সালের তুলনায় বিদায়ী ২০১৯ সালে পথচারীকে গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা ১৪.৮২ শতাংশ, বেপরোয়া গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনা ১.৮৯ শতাংশ ও ট্রেন যানবাহন সংঘর্ষের ঘটনা ০.০৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও দেশের সড়ক-মহাসড়কের উন্নয়ন, ব্লাকস্পট নিরসন, রোড ডিভাইডার স্থাপন, সড়ক নিরাপত্তামূলক প্রচারণার কারণে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ১১.৩৬ শতাংশ কমেছে। দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে এই বছর মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৩২.৩৮ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩৭.৫১ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২১.৩ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৫.৪৭ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ২.৩৭ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০.৯৭ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংঘটিত হয়। বিগত বছরের চেয়ে বিদায়ী বছরে গতি বাড়ার কারণে জাতীয় মহাসড়কে ৪.৪৭ শতাংশ, রেলক্রসিং এ ০.১১ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পেলেও , আঞ্চলিক মহাসড়কে ২.১৫ শতাংশ, ফিডার রোডে ২.৪২ শতাংশ সড়ক দুর্ঘটনা কমেছে। ২০১৯ সালে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয় ১৫ জুন এইদিনে ৩১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত ১২১ জন আহত হয়। এইবছর সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয় ১৪ জুলাই এইদিনে ০২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ০২জন নিহত হয়। এইবছর একদিনে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয় গত ০৫ জুন এইদিনে ২২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৬ জন নিহত ৯৩ জন আহত হয়। একইবছর সবচেয়ে বেশি আহত হয় ১৫ আগষ্ট এইদিনে ২১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩০ জন নিহত ২২১ জন আহত। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ মতে সড়ক দুর্ঘটনার কারণ সমূহ ঃ ১। বেপরোয়া গতিতে গাড়ী চালনা। ২। বিপদজনক অভারটেকিং। ৩। রাস্তা-ঘাটের ক্রটি। ৪। ফিটনেস বিহীন যানবাহন। ৫। যাত্রী ও পথচারীদের অসতর্কতা। ৬। চালকের অদক্ষতা। ৭। চলন্ত অবস্থায় মোবাইল বা হেড ফোন ব্যবহার। ৮। মাদক সেবন করে যানবাহন চালানো। ৯। রেলক্রসিং ও মহাসড়কে হঠাৎ ফিডার রোড থেকে যানবাহন উঠে আসা। ১০। রাস্তায় ফুটপাত না থাকা বা ফুটপাত বেদখলে থাকা । ১১। ট্রাফিক আইনের দুর্বল প্রয়োগ। ১২। ছোট যানবাহন বৃদ্ধি। সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সুপারিশ মালা ঃ ১। ডিজিটাল পদ্ধতিতে সি সি ক্যামেরা স্থাপন করে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ কঠোর ভাবে বাস্তবায়ন করা। ২। টিভি চ্যানেল ও সংবাদপত্র সমূহে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা করা। ৩। জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশ থেকে হাট-বাজার অপসারণ করা, ফুটপাত বেদখল মুক্ত করা। ৪। দেশের সড়ক-মহাসড়কে রোড সাইন (ট্রাফিক চিহ্ন) স্থাপন করা। জেব্রাক্রসিং অংকন করা। ৫। গণপরিবহন চালকদের প্রফেশনাল ট্রেনিং ও নৈতিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা। ৬। যাত্রী,পথচারী ও গণপরিবহনবান্ধব সড়ক পরিবহন বিধিমালা প্রনয়ন। ৭। গাড়ীর ফিটনেস ও চালদের লাইসেন্স প্রদানের পদ্ধতি উন্নত বিশ্বের সাথে তালমিলিয়ে আধুনিকায়ন করা। ৮। সড়ক দুর্ঘটনায় আর্থিক সহায়তা তহবিল গঠনপূর্বক হতাহতদের চিকিৎসা ও পূণর্বাসনের ব্যবস্থা করা। ৯। দেশব্যাপী চাহিদানুযায়ী পর্যাপ্ত মানসম্মত নতুন গণপরিবহন নামানোর উদ্যোগ নেয়া । ১০। ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রশিক্ষণের জন্য একাডেমী গড়ে তোলা। ১১। গণপরিবহনে সেবা ও নিরাপত্তার মান পর্যবেক্ষণের জন্য দেশের সকল মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সচিব, জেলা প্রশাসকসহ জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতিমাসে একদিন গণপরিবহন ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা। ১২। সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
ফেনীতে ৬,৩২০পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৩ জনকে আটক করেছে RAB
১১জানুয়ারী,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনী জেলার সদর থানাধীন মহিপাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬,৩২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে RAB-7 । এসময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়। শনিবার ১১ই জানুয়ারি বিকেল সাড়ে চার টার দিকে ফেনী জেলার সদর থানাধীন মহিপাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬,৩২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান RAB-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি মো. মাহমুদুল হাসান মামুন। গ্রেফতারকৃতরা হল মোঃ নাহিদ (২২) লক্ষীপুর জেলার রামগতি থানার তোরাবগঞ্জ গ্রামের মোঃ হোসেন আহম্মেদ এর ছেলে ও মোঃ আরিফ (২৩) কুমিল্লা জেলার লাঙ্গলকোট থানার বক্সগঞ্জ গ্রামের আবুল হাসেম এর ছেলে, এবং নুর হোসেন (১৮)কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার গুনবতী গ্রামের মোঃ সালেহ এর ছেলে। RAB-7 এর সহকারী পরিচালক এএসপি কাজী মোহাম্মদ তারেক আজিজ জানান, এক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী একটি কাভার্ড ভ্যান যোগে চট্টগ্রাম হতে বিপুল পরিমান ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আজ RAB-7 এর একটি টহল দল ফেনী জেলার সদর থানাধীন মহিপাল ফ্লাইওভার এর নিচে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে গাড়ি তল্লাশি করতে থাকে। এসময় RAB এর চেকপোস্টের দিকে আসা চট্টগ্রাম হতে ঢাকাগামী একটি কাভার্ড ভ্যান (ঢাকা মেট্রো-ট-২০-১২১০) তল্লাশির জন্য সংকেত দিলে ১ জন ব্যক্তি কাভার্ড ভ্যানের দরজা খুলে লাফ দেয়। তাৎক্ষনিক RAB সদস্যরা উক্ত ব্যক্তি এবং কাভার্ড ভ্যানে থাকা আরো ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। পরে কাভার্ড ভ্যানটি তল্লাশী করে কাভার্ড ভ্যানের ড্রাইভিং সিটের পিছনে একটি শপিং ব্যাগের ভিতরে বিশেষ কায়দায় লুকানো ৬,৩২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়। আটককৃতদের প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ফেনী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, উদ্ধারকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ৩১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা এবং জব্দকৃত কাভার্ড ভ্যানের আনুমানিক মূল্য ৫০ লক্ষ টাকা টাকা। RAB-7 এর অপারেশন অফিসার এএসপি মো. মাশকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে RAB এর একটি টহল দল ফেনী জেলার সদর থানাধীন মহিপাল ফ্লাইওভার এর নিচে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়ে কাভার্ড ভ্যানের ড্রাইভিং সিটের পিছনে একটি শপিং ব্যাগের ভিতরে বিশেষ কায়দায় লুকানো ৬,৩২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে আরো জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে কাভার্ড ভ্যানের মাধ্যমে মালামাল পরিবহনের আড়ালে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাচার করে আসছে। আটককৃতদের প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য ফেনী সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ধামরাইয়ে শ্রমিককে ধর্ষণের পর হত্যা, বাসচালক আটক
১১জানুয়ারী,শনিবার,জাহিদুর রহমান,সাভার,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাভারের ধামরাইয়ে সিরামিকস কারখানার এক শ্রমিককে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এক বাসেরচালক সোহেলকে (৩০) আটক করেছে পুলিশ। সোহেল ফরিদপুর জেলার আমানত খানের ছেলে। তিনি ধামরাই উপজেলার জেঠাইল গ্রামে তার শশুরবাড়িতে থেকে বাস চালাতেন। নিহত নারীর নাম মমতা আক্তার (১৮)। তিনি উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নের কাঠাঁলিয়া গ্রামের শাজাহান মিন্টুর মেয়ে। মমতা ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে ডাউটিয়া এলাকায় প্রতীক সিরামিকস কারখানায় কাজ করতেন।নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শনিবার সকালে অভিযুক্ত বাসচালককে সোহেলকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহা। এর আগে গতকাল শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে হিজলী খোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের একটি জঙ্গলের মধ্যে থেকে মমতার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। জানা যায়, প্রতিদিন সকাল ছয়টার দিকে কারখানায় যোগ দিতে হতো মমতাকে। প্রতিদিনের মতো গতকাল শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে মমতার মা জুলেখা বেগম তার মেয়েকে বাড়ির পাশ থেকেই একটি বাসে কারখানায় যাওয়ার উদ্দেশে উঠিয়ে দেন। কিন্তু সন্ধ্যা পরও মেয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি। পরে শুক্রবার রাত আটটার দিকে ধামরাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে মমতার পরিবার। ধামরাই থানাধীন কাওয়ালীপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) রাসেল মোল্লা জানান, খবর পেয়ে রাতেই কাওয়ালীপাড়া-বালিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশের একটি জঙ্গল থেকে মমতা নামে ওই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় লাশের গলায় ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। এছাড়া নিহতের নারীর পড়নের কামিজ ছেড়া অবস্থায় পাওয়া গেছে বলেও জানান তিনি।
বিশ্ব ইজতেমার জন্য প্রস্তুত তুরাগ তীর
০৮জানুয়ারী,বুধবার,ইসমাইল হোসেন,গাজীপুর,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাজীপুরের টঙ্গীতে মুসলিম জাহানের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় সমাবেশ তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে টঙ্গীর তুরাগ তীরে ময়দানের প্রস্তুতি কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে। ইজতেমাকে সফল ও সার্থক করতে ইজতেমার স্বেচ্ছাসেবক ছাড়াও পুলিশ, RAb, সিটি করপোরেশন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে ময়দানের ৯০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। প্রতি বছরের ন্যায় বাড়তি পুলিশ, Rab, বিজিবি ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন মাঠের ভেতর ও বাইরে বিভক্ত হয়ে কাজ করবে। ইজতেমাকে কেন্দ্র করে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। আগামী ১০, ১১, ১২ জানুয়ারি তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের শীর্ষ মুরুব্বি ও কাকরাইল জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা জোবায়ের আহমেদের অনুসারী মুসল্লিরা এই বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিবেন। ১২ জানুয়ারি রোববার দুপুরে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ইজতেমা। ১৩ জানুয়ারি সকালের মধ্যে ময়দান ত্যাগ করতে হবে। পরে মাওলানা সাদপন্থি অনুসারী মুসল্লিরা আগামী ১৭ জানুয়ারি শুক্রবার বাদ ফজর থেকে শুরু হওয়া ইজতেমায় অংশ নিবেন। ১৯ জানুয়ারি মধ্যাহ্নের পূর্বে যেকোনো এক সময় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ২০২০ সালের বিশ্ব ইজতেমা। সরেজমিনে দেখা গেছে, ইজতেমা ময়দানের বিশাল সামিয়ানা টাঙ্গানো, রাস্তাঘাট মেরামত ও পয়:নিষ্কাশনের কাজ চলছে। আগত মুসুল্লিদের নিরাপত্তা ও নাশকতারোধে থাকছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এরই মধ্যে মাঠের ৯০ ভাগ প্রস্তুতিমূলক কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। ১৬০ একর জমির ওপর প্রায় দুই বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিশাল চটের প্যান্ডেলের ছামিয়ানার নিচে আগামী ১০ জানুয়ারি শুক্রবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব ইজতেমা শুরু হবে। স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার ছাত্রসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ময়দানে প্যান্ডেল তৈরির কাজ করছেন। এছাড়া রাস্তা মেরামত, মাইক টানানো, টয়লেট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, ময়দানের আগাছা পরিষ্কারের কাজ করছেন আগত মুসল্লিরা। বিদেশি নিবাস, বয়ান মঞ্চ, তাশকিল কামরা এরই মধ্যে নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। আগত বিদেশি মুসল্লিদের সুবিধার্থে বিদেশি নিবাসে বিদ্যুৎ, গ্যাস সংযোগ ও পয়:নিষ্কাশনের উন্নত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ইজতেমা উপলক্ষে ময়দানের পশ্চিম পাশে বিদেশি মেহমানদের জন্য তৈরি টিনসেট সংলগ্ন পশ্চিম কোনে লোহার পাইপ দিয়ে মঞ্চ তৈরির করা হয়েছে। বিদেশি মেহমানদের জন্য টিন দিয়ে তৈরি তাবুতে বিগত বছরের ন্যায় এবারও পাকা টয়লেট তৈরি ও তাদের সুবিধার্থে তাঁবুগুলো উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও আরামদায়ক করে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন ইজতেমা প্রস্তুতি কাজে নিয়োজিত জোবায়ের অনুসারী মুরুব্বীরা। ইজতেমা চলাকালে ময়দানে আগত মুসল্লিদের উচ্ছিষ্ট ফেলার জন্য ময়দানের চারপাশে রিংয়ের তৈরি পোর্টএ্যাবল ডাস্টবিন স্থাপন করা হচ্ছে। যাতে ময়লা আবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে পারে।
বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত
০৭জানুয়ারী,মঙ্গলবার,মুন্নি আক্তার,বাগেরহাট,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাগেরহাট জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৯ এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০১৯ ফাইনাল খেলা ও পুরষ্কার বিতরণি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। তাই বিপুল উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা এই টুর্নমেন্টে অংশগ্রহণ করেছে। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে চিতলমারী উপজেলার দক্ষিণ বড়বাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ৫-০ গোলে হারিয়ে রামপালের গাববুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়। অন্যদিকে, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে মোংলার দক্ষিণ হলদি বুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ১-০ গোলে হারিয়ে মোল্লাহাটের দক্ষিণ কোদালিয়া শহীদ হেমায়েত উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
নাটোরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র হত্যার ঘটনায় প্রেমিকাসহ আটক ৮
০৬জানুয়ারী,সোমবার,তপন চন্দ্র,নাটোর,নিউজ একাত্তর ডট কম: নাটোরে রাজশাহী সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ছাত্র মো. কামরুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় প্রেমিকা সোনিয়াসহ আটজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে নাটোর থানা পুলিশ। গতকাল রোববার রাত নয়টার দিকে হালসা গ্রামের জনৈক মো. নুরুর ইসলামের বাঁশঝাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধারের পর অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নাটোর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। এখন পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে প্রেমিকা সোনিয়া জড়িত রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তদন্ত ফরিদুল ইসলাম বলেন, গেল শনিবার রাত আটটার দিকে মোবাইল ফোনে কামরুল ইসলামকে তার প্রেমিকা মোছা. সোনিয়া ডেকে নেয়। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি কামরুল। পরে রোববার সন্ধ্যায় স্থানীয়রা বাঁশঝাড়ের ভেতর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ সময় একটি চোখ উঠানো অবস্থা ছিল তার। ওসি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কামরুল ইসলামের প্রেমিকা সোনিয়া জড়িত রয়েছে। অধিকতর তদন্তের জন্য সোনিয়াসহ আটজনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। নিহত কামরুল ইসলাম হালসা গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি নাটোর শহরের চকরামপুরে অবস্থিত রাজশাহী সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (আরএসটিইউ) বিবিএ শেষ বর্ষের ছাত্র।
এক ফ্রিজ ও দুই বাল্বের বিদ্যুৎ বিল দশ লাখ!
০৪জানুয়ারী,শনিবার,টাঙ্গাইল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: একটি ফ্রিজ আর দুটি বাল্ব জ্বালিয়ে বিদ্যুৎ বিল এসেছে দশ লাখ টাকা। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইলের সাহাপাড়া এলাকায় দুলাল মিয়ার মিটারে এমন অদ্ভুত বিল তৈরি করেছে টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দেলদুয়ার জোনাল অফিস। একটি আবাসিক মিটারে এতো টাকা বিল দেখে দুশ্চিন্তায় বাড়িওয়ালা দুলাল মিয়া। ডিসেম্বরের বিলের কাগজে বর্তমান রিডিং ৯৪৫৭০ ও পূর্বের রিডিং ৯৪৪০ ইউনিট উল্লেখ করা হয়েছে। এতে ব্যবহার দেখানো হয়েছে ৮৫১৩০ ইউনিট। ব্যবহৃত ৮৫১৩০ ইউনিট দেখিয়ে ডিসেম্বর মাসের বিল তৈরি করা হয়েছে নয় লাখ ৫৩ হাজার ৯৪৫ টাকা। জরিমানাসহ নয় লাখ ৯৯ হাজার ৩৭০ টাকা। মিটারের মালিক দুলাল মিয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সদস্য আমি। আমার বাড়িতে পল্লী বিদ্যুতের মিটার রয়েছে। মিটারের নম্বর ০৯২৩৩৩৪। এসএমএস হিসাব নম্বর ১০০২০৩৩৫০২০৩০। এই মিটার থেকে একটি ফ্রিজ আর দুইটি বাল্ব ও একটি টেলিভিশন চালানো হয়। প্রতিমাসে পাঁচ থেকে ছয়শ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসে। হঠাৎ দশ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল দেখে অনেক দুঃশ্চিন্তায় রয়েছি। তিনি আরও বলেন, আমার মিটারে নভেম্বর মাসে বিল এসেছে ৪৯৫ টাকা। নভেম্বর পর্যন্ত আমার সকল বিল পরিশোধ রয়েছে। বিল পরিশোধের বার্ষিক সার্টিফিকেটও (ক্লিয়ারেন্স) রয়েছে। দশ লাখ টাকা বিল দেখিয়ে পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারী কাগজটি নিয়ে যায়। তবে বিলের কাগজ হাতে পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে নাহিদ খন্দকার বিলের ছবি তুলে রাখে। বিলের কাগজ পল্লী বিদ্যুৎ অফিস নিয়ে নিলেও পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে ঝামেলা এড়াতে আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথা ভাবছি। দুলাল মিয়ার ছেলে নাহিদ খন্দকার জানান, গেল বৃহস্পতিবার দুপুরে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের লোক এসে বিলটি হাতে দেয়। দশ লাখ টাকা বিল দেখে আশ্চর্য হয়ে বিলের বিষয়টি পল্লী বিদ্যুতের লোকটিকে জানাই। বিলের কপির একটি ছবি তুলে রাখি। পরে বিলের কপিটি বিদ্যুৎ অফিসের লোক নিয়ে নেয়। আমি বিদ্যুৎ অফিসের ভুলে গ্রাহক হয়রানির নিরসন চাই। টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দেলদুয়ার জোনাল অফিসের ডিজিএম বিপ্লব কুমার সরকার জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। একটি আবাসিক মিটারের এমন বিল হওয়ার কথা নয়। ভুল পোস্টিংয়ের কারণে এমন বিল হতে পারে। বাড়িওয়ালার দু:শ্চিন্তার কারণ নেই। আমি অবশ্যই বিলটি সংশোধন করে দেব।
লক্ষ্মীপুরে চাকা ফেটে পিকআপ খাদে, নিহত ৩
০২জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,সেলিম হোসেন মারুফ,নোয়াখালী,নিউজ একাত্তর ডট কম: লক্ষ্মীপুরে চাকা ফেটে পিকআপ ভ্যান উল্টে সড়কের পাশের খাদে পড়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১২ জন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী সড়কের পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন সদর উপজেলার টুমচর গ্রামের রফিক (৫০), সমসেরাবাদ এলাকার খোরশেদ (৩৫) ও আবিনগর গ্রামের মফিজ (৪৫)। পিকআপ ভ্যানে থাকা সবাই নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন বলে জানা গেছে। লক্ষ্মীপুর শহর পুলিশ ফাঁড়ির (এসআই) মো. কাওছারুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। নিহতদের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। পিকআপটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত শ্রমিকরা জানান, সকালে তারা শহরের মিয়া রাস্তা নামক এলাকা থেকে চন্দ্রগঞ্জ যাওয়ার জন্য ঢালাই মেশিন নিয়ে পিকআপে ওঠেন। পথিমধ্যে হঠাৎ গাড়ির চাকা ফেটে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে তিন শ্রমিক নিহত ও অন্তত ১২ জন আহত হন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর