রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় মদপান করে ৫ জনের মৃত্যু
৬জুলাই২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছে চোলাই মদপান করে পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে আরও দুইজন। মাত্র তিন দিনের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। তবে ভুক্তভোগীদের পরিবার মদপানে মারা যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। এলাকাবাসী জানায়, গত সোমবার (১ জুলাই) সন্ধ্যায় হারাগাছের ধুমগড়া গ্রামের মৃত আব্বাছ আলীর ছেলে আমরুল ইসলাম (৪০), ক্যালেনটারী গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে আনারুল ওরফে মেডিকেল (৪৪), একই গ্রামের চাঁন মিয়া (৩৬), মিলনবাজার গ্রামের মৃত আবদার আলীর ছেলে এজারুল ইসলাম (৩৮), সারাই কাসাইটারী গ্রামের মৃত রহিম উদ্দিনের ছেলে ফুলবাবু (৫২), একই গ্রামের ওবায়দুল (৪৭) এবং পশ্চিম পোদ্দারপাড়া গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে নুর আমিন ড্রাইভার (৪৩) হারাগাছ থানার চরচতুরা গাছবাড়ী এলাকার এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে দেশীয় চোলাই মদপান করে বাড়ি ফিরে। পরে অতিরিক্ত চোলাই মদপানে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সোমবার (১ জুলাই) রাতেই ধুমগড়া গ্রামের আমরুল ইসলাম, মঙ্গলবার (২ জুলাই) দুপুরে ক্যালেনটারী গ্রামের আনারুল ওরফে মেডিকেল নিজ বাড়িতে ও মিলনবাজার গ্রামের এজারুল ইসলাম রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায়। এছাড়া বুধবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যায় পশ্চিম পোদ্দারপাড়া গ্রামের নুর আমিন ড্রাইভার নিজ বাড়িতে এবং কাসাইটারী গ্রামের ফুলবাবু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এছাড়া কাসাইটারী গ্রামের ওবায়দুল নিজ বাড়িতে এবং ক্যালেনটারী গ্রামের চান মিয়া রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এলাকাবাসী অতিরিক্ত চোলাই মদপানে পাঁচজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করলেও নিহতদের পরিবার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তারা বলেন, মদপানে নয়, ব্রেইন স্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে। নিহত ফুলবাবুর স্ত্রী গুলশান আরা বলেন, তার স্বামী মুরগির ব্যবসা করতেন। সোমবার রাতে বাড়ি ফিরে মাথায় প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন। প্রথমে তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে মারা যান। ফুলবাবু আগে মাদকসেবন করলেও বেশ কিছুদিন ধরে তিনি নেশা ছেড়ে দিয়েছেন। একই কথা জানান নিহত এজারুলের ভাই আলা মিয়া। তিনি বলেন, তার ভাই এজারুল ব্রেইন স্ট্রোকে মারা গেছেন। এদিকে তাদের এ বক্তব্যে পাঁচজনের মৃত্যু নিয়ে এলাকায় ধুম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী বলছেন, সঠিকভাবে তদন্ত হলে মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য বেরিয়ে আসবে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (মাহিগঞ্জ জোন) ফারুক আহমেদ জানান, বিষয়টি সবেমাত্র জেনেছি। মাদকসেবী বা ব্যবসায়ী কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। ঘটনাটি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
স্বপ্ন পূরণের আশায় গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন যশোরের ইমামুল
৩জুলাই২০১৯,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বুক চাপড়ে বিলাপ করছেন হালি খাতুন। মাঝেমধ্যে জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন। জ্ঞান ফিরলে বলছেন বাবা, তুই আমারে কী করে গেলি! আমি এখন কাকে নিয়ে বাঁচবো? ছেলের মরদেহ দেখে এভাবেই আহাজারি করছেন মা হালি খাতুন। দিনবদলের স্বপ্ন নিয়ে মাস খানেক আগে মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন ইমামুল হোসেন (১৯)। স্বপ্ন পূরণ হয়নি তার। বুধবার মালয়েশিয়া থেকে বাড়ি ফিরেছে সেখানের একটি ভবন থেকে পড়ে নিহত ইমামুলের লাশ। দুপুর ১২টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে তার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে এক হৃদয় বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মা-বাবা আর ছোট ভাইয়ের কান্নায় কাঁদতে বাদ যায়নি কেউ। ইমামুল মালয়েশিয়ায় নির্মাণশ্রমিকের কাজ করতেন। দুপুরে জানাজা শেষে ইমামুল হোসেনের মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। ইমামুল হোসেনের বাড়ি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার উত্তর দেউলি গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের সবজিবিক্রেতা হাসান আলীর ছেলে। হাসান আলীর দুই ছেলে। বড় ছেলে ইমামুল হোসেন কয়েক বছর আগে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে অকৃতকার্য হন। ছোট ছেলে হাবিবুর রহমান (৮) উপজেলার উত্তর দেউলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। ইমামুল হোসেনের বাবা হাসান আলী জানান, এক মাস পাঁচ দিন আগে স্থানীয় এক দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় যান ইমামুল। এ জন্য ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। মাত্র দেড় বিঘা ধানি জমি আছে হাসান আলীর। সেই জমি বন্ধক দিয়ে এবং ভাইদের কাছ থেকে ধার নিয়ে টাকার ব্যবস্থা করা হয়। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে একটি নির্মাণাধীন ভবনে নির্মাণশ্রমিকের কাজ করতেন ইমামুল। গত ২৫ জুন স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ওই দোতলা ভবনে রড ওঠানোর সময় পা ফসকে মাটিতে পড়ে যান ইমামুল। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। সেখানে কর্মরত শ্রমিকেরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। ২৭ জুন বেলা দুইটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে মারা যান ইমামুল। ইমামুলের বাবা বলেন, তরকারি বেচে ঠিকমতো সংসার চলে না। সংসার একটু ভালো করে চালাতে জমি বন্ধক রেখে, ধারদেনা করে ইমামুলকে মালয়েশিয়ায় পাঠিয়েছিলাম। আমার সব শেষ হয়ে গেছে। আমি কী নিয়ে বাঁচবো, আর কী করে ধারদেনা শোধ করবো?
রাঙামাটিতে গুলি করে মা-মেয়েকে হত্যা
২জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:রাঙামাটিতে উপজাতীয় বৃদ্ধ মা ও মেয়েকে গুলি করে হত্যা করেছে পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। সোমবার গভীররাতে জেলার চন্দ্রঘোনা থানাধীন রাইখালী ইউনিয়নের গবাছড়ার আগাপাড়া এলাকায় এই হত্যাকা- ঘটে। রাঙামাটি জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অজ্ঞাতনামা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা ৩০ বছর বয়সী পাহাড়ি নারী ও তার বৃদ্ধ মাকে গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। নিহতরা হলেন, কং সু ইউ মারমার স্ত্রী ম্রা সাং খই মারমা (৬০) ও তার মেয়ে মে সাংনু মারমা (২৯)। সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে সেনাবাহিনী এবং চন্দ্রঘোনা থানা পুলিশের একটি টিম নিহতদের লাশ উদ্ধারে ঘটনাস্থল গবাছড়ার আগা পাড়ার হ্লাম্রাউয়ের বাড়ি নামক এলাকাটিতে গেছে। স্থানীয় একটি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, নিহত মা-মেয়ে উভয়ের স্বামী ইতিপূর্বে মারমা লিবারেশন পার্টি এমএলটির সক্রিয় সদস্য ছিলো। সম্প্রতি তারা সেই দল ত্যাগ করে পাহাড়ের একটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলে যোগ দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে এমএলটির সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা রাতের অন্ধকারে তাদের বসতঘরে হামলা চালিয়ে মা-মেয়েকে হত্যা করে চলে যায়। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীসহ দুজনের ফাঁসি
২জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,নিউজ একাত্তর ডট কম:চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সফিবাদ গ্রামে পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রী শাহনাজা বেগমকে হত্যার দায়ে স্বামী মো. মঞ্জিল মিজি ও তার বন্ধু মো. মিজানুর রহমানকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। আকেইসঙ্গে উভয়কে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। আজ দুপুরে চাঁদপুরের জেলা ও দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খান এই রায় দেন। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৩শে সেপ্টেম্বর গভীররাতে শাহনাজ বেগমকে তার স্বামী মঞ্জিল ও বন্ধু মিজান গলাচেপে করে হত্যা করে। এই ঘটনায় ওই দিন শাহনাজ এর পিতা মো. শাহ্ আলম কচুয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কচুয়া থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নিজাম উদ্দিন ২০১২ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি আসামীদের বিরুদ্ধে ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আমান উল্যাহ জানান, দীর্ঘ ৮ বছর মামলাটি চলমান অবস্থায় আদালত ১৫ জনের মধ্যে ১২ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করে। আদালত স্বাক্ষ্য প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আসামীদের মৃত্যুদন্ড এবং প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এবার ছেলের আত্মা যদি একটু শান্তি পায় : রিফাতের বাবা
২জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নয়ন বন্ডের নিহত হওয়ার খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার শিকার রিফাত শরীফের বাবা দুলাল শরীফ। তিনি বলেছেন, বন্দুকযুদ্ধে নয়ন বন্ডের নিহত হওয়ার খবর শুনে আমার খুব ভালো লাগছে। দুলাল শরীফ বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এত দিনের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই, যার নির্দেশে জিরো টলারেন্স ঘোষণার পরই প্রশাসন তৎপর হয়েছে। তারা রাত-দিন কাজ করে আসামিদের ধরেছে। গত রাতে নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে, এতে আমার ছেলের আত্মা যদি একটু শান্তি পায় বলেই কেঁদে ফেলেন তিনি। দুলাল শরীফ আরও বলেন, মিডিয়া কর্মীদের আমি ধন্যবাদ জানাই। তাদের প্রচার আসামিদের ধরতে সহায়তা করেছে। এই আসামিরা কারা, তারা কাদের ছত্রছায়ায় চলে এটা গোয়েন্দা সংস্থাকে তদন্ত করে বের করে তাদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। উল্লেখ্য, বরগুনায় স্ত্রীর সামনে স্বামী রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোররাতে বরগুনার পুরাকাটা এলাকায় এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নিহত নয়ন বন্ড বরগুনা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম কলেজ রোড এলাকার মৃত মো. আবুবক্কর সিদ্দিকের ছেলে এবং রিফাত শরীফ হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাব্বির হোসেন নয়ন ওরফে নয়ন বন্ডকে গ্রেফতার করতে বরগুনা সদর উপজেলার বুড়ির চর ইউনিয়নের পুরাকাটা নামক এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশের ওপর গুলি চালায় নয়ন বন্ড ও তার সহযোগীরা। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। গোলাগুলির একপর্যায়ে নয়ন বন্ড বাহিনী পিছু হটলে ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে নয়ন বন্ডের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, দুটি শর্টগানের গুলির খোসা এবং তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।- আলোকিত বাংলাদেশ
সারা দেশে ভারী বর্ষণের আভাস
২জুলাই২০১৯,মঙ্গলবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: উত্তর বঙ্গোপসাগর ও দেশের তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে সৃষ্টি হচ্ছে গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা। বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে ঝড়ো হাওয়া। তাই চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যেতে পারে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এদিকে সারা দেশে মাঝারি থেকে অতিভারী বর্ষণের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে- দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও বিশেষ করে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও হতে পারে মাঝারি থেকে অতিভারী বর্ষণ। এ ছাড়া দক্ষিণাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস এবং দেশের অন্যত্র তা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। সারা দেশে রাতের তাপমাত্রাও প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আবহাওয়া চিত্রের সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়েছে, মৌসুমি লঘুচাপটি উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ উত্তর প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশ হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের দক্ষিণাংশে এবং দেশের অন্যত্রও মোটামুটি সক্রিয়। এটি উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে উত্তাল বরগুনা
২৯জুন২০১৯,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্ত্রীর সামনে স্বামী রিফাত শরীফকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ফুঁসে উঠেছে বরগুনাবাসী। শনিবার সকাল ১০টার দিকে বরগুনা প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে বরগুনার সর্বস্তরের জনগণ এর ব্যানারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। পরে মানববন্ধন শেষে বরগুনা জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে নানা শ্রেণি-পেশার তিন সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করে। মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে নিহত রিফাত শরীফের বাবা দুলাল শরীফ, জেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান মহারাজ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রইসুল আলম রিপন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দীন সাবু, জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুনাম দেবনাথ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট জুবায়ের আদনান অনিক প্রমুখ বক্তব্য দেন। এ সময় বক্তারা রিফাত শরীফকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটসের কাউন্সিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত
২৭জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:মিলেনিয়াম হিউম্যান রাইটস এন্ড জার্নালিষ্ট ফাউন্ডেশন (এমজেএফ) এর কেন্দ্রীয় কাউন্সিল উপলক্ষ্যে ২৪ জুন সংস্থার দিলকুশাস্থ কার্যালয়ে চেয়ারম্যান সাংবাদিক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও মহাসচিব এডভোকেট আব্দুস সাত্তারের সঞ্চালনায় সংস্থার কাউন্সিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার উপদেষ্টা মেজর (অবঃ) মোমিনুল ইসলাম, সভায় আগামী ২১শে ডিসেম্বর ২০১৯ পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির কাউন্সিলকে সুন্দর ও অর্থবহ করার জন্য সংস্থার সকল সদস্যদেরকে এখন থেকে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী কাউন্সিলে দেশের সকল জেলা ও মহানগর কমিটির চেয়ারম্যান, মহাসচিবদেরকে মনোনীত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং সংস্থার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান দেশের সকল জেলা ও মহানগর কমিটির চেয়ারম্যান, মহাসচিব মনোনীত করার বা অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ে সংস্থার সকলে একমত পোষণ করেন। উক্ত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আব্দুছ ছামাদ আজাদ, ভাইস চেয়ারম্যান ব্যাংকার মোছাম্মৎ ফারজানা বেগম সুরাইয়া, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা প্রফেসর সুজন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব সাংবাদিক আব্দুল হাকিম, যুগ্ম মহাসচিব সাবেক কাউন্সিলর (ঢাকা) ফাতেমা বেগম, অর্থ সচিব ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোছলেম উদ্দিন, সমাজ কল্যান সচিব-ইসলামি ফাউন্ডেশনের সাবেক সচিব মোঃ জহিরুদ্দিন, আইন বিষয়ক সচিব, এডভোকেট জানে আলম, ক্রীড়া সচিব লাখী আক্তার, মহিলা বিষয়ক সচিব এডভোকেট মাধবী রানি দাস, নির্বাহী সদস্য সাংবাদিক রুহুল আমিন, সাংবাদিক জয়শ্রী দে, সাংবাদিক মোঃ হান্নান, সাংবাদিক আলমগীর প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রিফাতের শ্বশুরকে মর্গ থেকে বের করে দিল বন্ধুরা
২৭জুন২০১৯,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে শত শত লোকের উপস্থিতিতে স্ত্রীর সামনে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার স্বামী শাহ নেয়াজ রিফাত শরীফের (২৫) মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। একই সঙ্গে মেয়ের জামাইয়ের মরদেহ আনতে মর্গে গিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন নিহত রিফাতের শ্বশুর মোজ্জাম্মেল হোসেন। এ সময় মোজ্জাম্মেল হোসেনকে হাসপাতালের মর্গ থেকে বের করে দেন রিফাতের বন্ধুরা। বৃহস্পতিবার বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রিফাত শরীফের মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। বেলা ১১টা থেকে ১১টা ৪০মিনিট পর্যন্ত রিফাতের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক চিকিৎসক জামিল হোসেনের নেতৃত্বে ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক চিকিৎসক মাইদুল হোসেন ও ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক চিকিৎসক তন্নী নিহত রিফাতের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক চিকিৎসক জামিল হোসেন বলেন, রিফাত শরীফের শরীরে মারাত্মক আঘাত করা হয়েছে। তার গলায়, মাথায়, বুকের ওপর তিনটি বড় ক্ষত রয়েছে। তার গলার রগ কেটে গেছে। গলার রগ কেটে প্রচুর রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ভারী অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত করা হয়েছে। তার ডান হাত এবং বাম হাতে দুটি বড় ক্ষত রয়েছে। রিফাতের শরীরে সাত থেকে আটটি বড় আঘাত রয়েছে। যেসব আঘাতে বড় ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। এসব ক্ষত থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে রিফাত মারা যায়। এদিকে, মেয়ের জামাইয়ের মরদেহ আনতে মর্গে গিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন নিহত রিফাতের শ্বশুর মোজ্জাম্মেল হোসেন। এ সময় মোজ্জাম্মেল হোসেনকে হাসপাতালের মর্গ থেকে বের করে দেন রিফাতের বন্ধুরা। বেলা পৌনে ১২টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হাসপাতালের মর্গের সামনে আসেন রিফাতের শ্বশুর মোজ্জাম্মেল হোসেন। এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকরা তাকে ঘিরে ধরেন। কয়েকজন সাংবাদিক তার কাছে জামাই রিফাত হত্যার কারণ জানতে চান। তখন তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান এটি নারীঘটিত ঘটনা হলেও আমার মেয়ের সঙ্গে খুনিদের কোনো পরিচয় ছিল না। আমার মেয়েকে খুনিরা উত্ত্যক্ত করতো। জামাই এ ঘটনার প্রতিবাদ করেছিল বলেই তাকে খুন করা হয়েছে। এ সময় রিফাতের কয়েকজন বন্ধু মোজ্জাম্মেল হোসেনের ওপর চড়াও হন। সেই সঙ্গে মোজ্জাম্মেল হোসেনকে মিথ্যাবাদী উল্লেখ করে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেন রিফাতের বন্ধুরা। এ সময় রিফাতের কয়েকজন বন্ধু মোজ্জাম্মেল হোসেনের দিতে তেড়ে যান। এ ঘটনার কারণ জানতে চাইলে নিহত রিফাতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু মঞ্জুরুল আলম জন, বিল্লাল হোসেন, নাজমুলসহ কয়েজনজন জানান, মিন্নির বাবা সাংবাদিকদের মিথ্যা বলছেন। তার মেয়ের সঙ্গে খুনিদের পরিচয় ছিল। বিষয়টি আমরা আগে থেকেই জানতাম। নয়নের সঙ্গে মিন্নির আগে থেকে সম্পর্ক আছে, সেটিও আড়াল করেছেন মিন্নির বাবা। এসব বিষয় তদন্ত করলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে। মিন্নির বাবা সবই জানেন এবং মিন্নিও অনেক বিষয় জানেন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর