মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯
রাজশাহীর বাঘায় বাস-নসিমন সংঘর্ষে নিহত ৩
০২ মে,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহীর বাঘায় সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টার দিকে বাঘা-রাজশাহী সড়কের মীরগঞ্জ মোড়ের ভানুকর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, বাঘা থেকে রাজশাহীগামী রজনীগন্ধা-সিরাজগঞ্জ-ব-০৫ নামের যাত্রীবাহী বাস মীরগঞ্জ মোড়ে ভটভটিকে ওভারটেক করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত ও ২০ জন আহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- বাঘা উপজেলার ছাতারী গ্রামের শমসের আলীর ছেলে আবু হানিফ (২৩), মনিগ্রাম বান্দাবটতলা গ্রামের মুনছার আলীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৪৫) ও হরিরামপুর দাঁড়পাড়া গ্রামের নিয়াত আলীর স্ত্রী বাদলা বেগম (৪২)। নিহতরা সবাই রজনীগন্ধা বাসের যাত্রী ছিলেন। আহতরা হলেন- ছাতারী গ্রামের সজল আলী, নারায়ণপুর গ্রামের কার্তক হালদার, চকনারায়ণপুর গ্রামের প্রসান্ত কুমার, চকছাতারী গ্রামের শরিফুল ইসলাম, হেলালপুর গ্রামের লালন উদ্দিন, চকছাতারী গ্রামের জিল্লুর রহমান, লালপুর ঘোষপাড়া গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেন। তাদের বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া আরও ১৩ যাত্রীকে চারঘাট ও রাজশাহী মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। বাসচালক বাঘা বাসস্ট্যান্ড এলাকার নুরুল হক নামের এক যুবক। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। বাসের যাত্রী মনিহারপুর গ্রামের রাহাদুল ইসলাম বলেন, একটি ভটভটিকে ওভারটেক করার সময় এ ঘটনাটি ঘটে। তবে অল্পের জন্য আমি বেঁচে গেছি। মীরগঞ্জ মোড়ের ভানুকর এলাকার প্রত্যক্ষদর্শী নবী বিশ্বাস বলেন, সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির বাইরে আসি। এ সময় একটি বাস ভটভটিকে ওভারটেক করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারালে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। বাঘা স্ট্যান্ডের বাস মাস্টার আবদুল হক বলেন, বাসটি ৩৫ যাত্রী নিয়ে সকাল ৫টা ৪৫ মিটিটে বাঘা বাসস্ট্যান্ড থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হয়। সকাল ৬টার দিকে মনিগ্রাম ইউনিয়নের মীরগঞ্জ মোড়ের ভানুকর এলাকায় পৌঁছলে ভটভটিকে ওভারটেক করার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। মনিগ্রাম ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা বলেন, দুর্ঘটনার বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। বাঘা থানার ওসি মহসীন আলী ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনা জানার পরপর ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা,স্বামী আটক
০১মে,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় সোহেলী বেগম নামে এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে নন্দলালপুর এলাকায় এঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূ গোপালগঞ্জ জেলার তিলছড়া গ্রামের ভ্যানচালক সিরাজ সিকদারের মেয়ে ও রাব্বির স্ত্রী। নিহতের পরিবার জানায়, সোহেলী ও রাব্বি মিয়া নন্দলালপুর এলাকায় অবস্থিত প্রাইম টেক্সটাইলের শ্রমিক। তারা নন্দলালপুর হানিফ মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন। বিয়ের পর থেকে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। রাতে কোনও এক সময় সোহেলীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে রাব্বি। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের গলায় ও গালে আঘাতের দাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে প্রথমে মারধর করে পরে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। নিহতের স্বামী রাব্বি মিয়াকে আটক করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলে চিকিৎসার নামে নববধূকে ধর্ষণ
০১মে ,বুধবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে চিকিৎসার নামে ভণ্ডপীর আ. মজিদের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছে জনৈক নববধূ (২০)। খবর পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই নববধূকে উদ্ধার করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই ভণ্ডপীরের ছেলে শাহদত হোসেনকে (৩০) আটক করেছে। তবে এ ঘটনার নায়ক ভণ্ডপীর আ. মজিদ (৫০) পলাতক রয়েছেন। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার পৌরসভাধীন হবিপুর গ্রামের সম্প্রতি বিয়ে হওয়া জনৈক নববধূকে (২০) পাশের বাড়ির ভণ্ডপীর আ. মজিদ ভূঁইয়া চিকিৎসার নামে একাধিকবার ধর্ষণ করে। বিষয়টি ওই নববধূ প্রথম দিকে লোকলজ্জার ভয়ে চেপে গেলেও পরবর্তীতে তার স্বামী ও শাশুড়িকে জানায়। এর পর ধর্ষণের ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। অবস্থা বেগতিক দেখে আ. মজিদ ঘটনা ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ধনবাড়ী পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. হাই বলেন, বিষয়টি আপসযোগ্য না হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা চেয়ারম্যানকে অবহিত করা হয়েছে। ধনবাড়ী থানার ওসি খান হাসান মোস্তফা জানান, পলাতক আ. মজিদকে গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ছাত্রী ধর্ষণে অভিযুক্ত শিক্ষক বন্দুকযুদ্ধে নিহত
২৯এপ্রিল,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বাড়িতে মায়ের অনুপস্থিতিতে হাত-পা বেঁধে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণে অভিযুক্ত কোচিং সেন্টারের মালিক সাইফুল ইসলাম Rapid Action Battalion (Rab)র সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। গতকাল রবিবার দিবাগত রাতে লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদ এলাকায় এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদের আব্দুস সোবহানের ছেলে। Rabর চট্টগ্রাম জোনের সহকারী পরিচালক এএসপি মো. মাশকুর রহমান গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। Rab জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধর্ষণে অভিযুক্ত কোচিং সেন্টারের মালিক সাইফুলকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তার সঙ্গে Rabর গোলাগুলি হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে সাইফুলের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে Rab সদস্যরা। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ২টি অস্ত্র ও ২৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। সৃজনশীল নামে একটি কোচিং সেন্টার চালু করে সাইফুল। সাইফুলের অনুরোধে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী, তার বোন ও দুই ভাইকে ওই কোচিং সেন্টারে ভর্তি করানো হয়। গত ১২ এপ্রিল ওই স্কুলছাত্রীর মায়ের অনুপস্থিতে তার বাসায় যায় কোচিং সেন্টারের পরিচালক সাইফুল এবং তাকে একা পেয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। এ সময় ওই স্কুলছাত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে ধর্ষক সাইফুল পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকেই কোচিং সেন্টার বন্ধ করে সাইফুল আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় গত ১৫ এপ্রিল লোহাগাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে ওই স্কুলছাত্রীর মা।
চাঁদপুরে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার ৫ যাত্রী নিহত
২৮এপ্রিল,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার কাকৈরতলা বাজার এলাকায় বাস ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রবিবার (২৮ এপ্রিল) সকালে চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। শাহরাস্তি থানার ওসি মো শাহ আলম এ খবর নিশ্চিত করে জানান, বাস ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। নিহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী। লাশ শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। নিহতরা হলেন- রঞ্জিত চন্দ্র (৫২), ফখরুল ইসলাম (৭৫), আবুল কালাম (৬২), জান্নাতুল ফেরদৌস (২৮) ও শিশু রুমান (৮)।
৮৭ রুটে চলছে পরিবহন ধর্মঘট
২৫এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে বাস থেকে চালককে নামিয়ে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ও সংশ্লিষ্ট ১৯ সড়কপথে এবং চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কসহ সংশ্লিষ্ট ৬৮টি সড়কপথে চলছে ২৪ ঘণ্টার পরিবহন ধর্মঘট। বুধবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে ধর্মঘট শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এক বৈঠক থেকে এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়। ধর্মঘট প্রত্যাহারে বুধবার বিকাল ৫টায় পরিবহন শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বৈঠক করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন। এতে জেলা পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনাসহ পুলিশের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকে প্রশাসনের ডাকে সাড়া দেননি শ্রমিক নেতারা। তারা ধর্মঘটের পক্ষে অনড় অবস্থান নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় শ্রমিক ফেডারেশন কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক আহ্বান করেছেন। এ বৈঠকে সিদ্ধান্ত হবে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হবে কিনা। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ মুসা বলেন, গত সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা গাজীপুরমুখী শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীবাহী একটি বাস চট্টগ্রামের পটিয়া থানাধীন শান্তিরহাট এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল। ওয়াই জংশনের কাছাকাছি এলে একটি মাইক্রোবাসে সাদাপোশাকে থাকা একদল লোক নিজেদের ডিবি (গোয়েন্দা শাখা) পুলিশ পরিচয় দিয়ে বাসটি থামায়। মুসা বলেন, ইয়াবা আছে বলে তারা চালককে হাতকড়া পরিয়ে নিচে নামায়। ৫০ থেকে ৫৫ গজ দূরে নিয়ে চালক জালাল উদ্দিনকে বেদম মারধর করে। এরপর তাঁকে গাড়িতে ওঠায়। তারা সবকিছু তল্লাশি করে কিছু পায়নি। আবার ওই চালককে বাস থেকে নামিয়ে বেদম মারধর করা হয়। এতে চালক জালাল উদ্দিন অজ্ঞান হয়ে গেলে বাসে তুলে দেওয়া হয়। আহত ও চালককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। মুসা বলেন, গোয়েন্দা পুলিশের পরিচয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তাদের হাতে ওয়াকিটকি ও অস্ত্র ছিল। আমাদের সন্দেহ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। জালাল হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে আমরা ধর্মঘট ডেকেছি। কোনো সুরাহা না হলে রোববার সকাল ছয়টা থেকে সোমবার সকাল ছয়টা পর্যন্ত বৃহত্তর চট্টগ্রামে সর্বাত্মক ধর্মঘট কর্মসূচি আহ্বান করা হবে। চট্টগ্রাম গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (বন্দর) এস এম মোস্তাইন হোসাইন বলেন, ঘটনাটি যেখানে ঘটেছে বলে সংশ্লিষ্ট পরিবহনের সুপারভাইজার জানিয়েছেন, সেখানে গোয়েন্দা পুলিশ যায়নি। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। মামলা হলে তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মোস্তাইন হোসাইন বলেন, এটা নৃশংস ঘটনা। খবর পাওয়ার পর কর্ণফুলী ও পটিয়া থানার পুলিশের সঙ্গে নগর গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ দল তদন্ত শুরু করেছে। আমরা আশাবাদী, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা আইনের আওতায় আসবে।
টেকনাফ উপজেলা সীমান্তে বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা মাদক ব্যবসায়ী নিহত
২২এপ্রিল,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবির) এর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে দুই রোহিঙ্গা ইয়াবা কারবারী নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ২০ হাজার ইয়াবা ও ধারালো কিরিচসহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার সকাল ৬টার দিকে উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তের কেরুনতলী মৃত আবুল কাশেমের বাঁশ বাগানে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের থাইংখালী এলাকার ১৩ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শামসুল আলমের ছেলে সাইফুল ইসলাম (২১) ও ১৯ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নবী হোসেনের ছেলে ফারুক হোসেন (২৫)। তারা মিয়ানমারে সৃষ্ট সহিংসতার পরে এপারে পালিয়ে এসেছিলেন। হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই দীপংকর রায় জানিয়েছেন, উখিয়া উপজেলার পালংখালী বিজিবির সঙ্গে ওই এলাকায় ব্যবসায়ীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ওই দুই রোহিঙ্গা নিহত হয়। এমন সংবাদ বিজিবি জানালে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে গুলিবিদ্ধ দুইজনের মরদেহ ও সেই সাথে ধারালো কিরিচসহ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও ২ কার্ড ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। গুলিবিদ্ধদের টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। তাদের ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত আল আমিন ও সোহেলের দাফন সম্পন্ন
১৩এপ্রিল,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত চাঁদপুরের আল আমিন ও সোহেলের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টার দিকে ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরভাগল গ্রামে আল আমিনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। আল আমিনের বাবা মাওলানা আমির হোসেন বলেন, অত্যন্ত কষ্ট করে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু আজ আমার ছেলে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরল। যে টাকা ঋণ করে ছেলেকে পাঠিয়েছিলাম তা পরিশোধ করার মতো অবস্থা আমার নেই। আমি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া সরকারের কাছে সহায়তার দাবি জানাই। ছেলের লাশ ঠিকভাবে পরিবারের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান আমির হোসেন। অপর দিকে হাজীগঞ্জ উপজেলার দেবীপুর গ্রামে বাদ জোহর জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মো. সোহেলকে দাফন করা হয়। শুক্রবার মধ্যরাতে সোহেল ও আল আমিনের লাশ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। গত ৭ এপ্রিল মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরের কাছে বিদেশি শ্রমিকদের বহনকারী একটি বাস দুর্ঘটনার শিকার হয়। এতে ৫ বাংলাদেশি নিহত হন।
ফেনীতে গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন তিন ডাকাত নিহত
১৩এপ্রিল,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনীর দাগনভূঞাঁর মাতুভূঞা ইউপির উত্তর আলীপুর গ্রামের বাগেরহাট এলাকায় শুক্রবার রাত ২ টায় গণপিটুনিতে সন্দেহভাজন তিন ডাকাত নিহত হয়েছেন। এসময় আরেক সন্দেহভাজন ডাকাত গুরুতর আহত হন। নিহত সোহাগ ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার জসিম উদ্দিনের ছেলে। নিহত দুইজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। আহত মনির হোসেন একই এলাকার মনোয়ার হোসেনের ছেলে। দাগনভূঞাঁ থানার ওসি ছালেহ আহাম্মদ পাঠান বলেন, ডাকাতি করতে গেলে গণপিটুনিতে পাঁচ ডাকাত আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজন মারা যান। তাদের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। গুরুতর একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফেনী আধুনিক সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. আবু তাহের বলেন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজন মারা গেছেন। গুরুতর একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।