মঙ্গলবার, আগস্ট ২০, ২০১৯
নুসরাত হত্যা: কিলিং মিশনে অংশ নেয়াদের নিরাপত্তা দেন মামুন ও রানা
৬মে,সোমবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসা ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত নুসরাতের সহপাঠী ইফতেখার হোসেন রানা ও এমরান হোসেন মামুন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। সোমবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালত ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল এসপি মো. ইকবাল গণমাধ্যমকে জানান, মাদরাসার সাইক্লোন সেন্টারের ছাদে নুসরাতের গায়ে আগুন দেয়ার সময় আসামী মামুন ও রানা মাদরাসার গেইট পাহারায় নিয়োজিত ছিল। নুসরাতের গায়ে আগুন দেওয়ার পর তাদের পাহারায় আসামীরা পালিয়ে যায়। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার জবানবন্দিতে আসামীরা ঘটনার দিন তাদের নিজ নিজ দায়িত্বের বিষয়ে উল্লেখ করেন। এর আগে গত ২ মে আসামী ইফতেখার হোসেন রানা ও এমরান হোসেন মামুনকে আদালতে তুলে ৭ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত তাদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে ২০ এপ্রিল রাঙামাটি টিঅ্যান্ডটি এলাকার একটি বাড়ি থেকে ইফতেখান হোসেন রানা ও কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকা থেকে এমরান হোসেন মামুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এমরান হোসেন মামুন সোনাগাজী পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চরগণেশ গ্রামের প্রবাসী এনামুল হকের ছেলে ও ইফতেখার উদ্দিন রানা সোনাগাজী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ঈমান আলী হাজী বাড়ির জামাল উদ্দিনের ছেলে। চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে ওই মাদরাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আটক করে পুলিশ। পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদরাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগিরা তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা ৫ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মারা যায় নুসরাত জাহান রাফি। পরে তার বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বাদী হয়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলাসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে সোনাগাজী মডেল থানায় মামালা করেন। মামলার এজহারভুক্ত ৮ আসামিসহ এখন পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ও পিবিআই।
সারাদেশে নৌযান চলাচল শুরু
৫মে,রবিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আবহাওয়া ভালো হওয়ায় সারাদেশে আবারো নৌ যান চলাচল শুরু হয়েছে। তিনদিন বন্ধ থাকার পর রোববার (৫ মে) সকাল থেকেই চাঁদপুর লঞ্চঘাট থেকে ঢাকাগামী লঞ্চগুলো ছেড়ে আসে। জেলার অভ্যন্তরীণ রুটের লঞ্চগুলোও চলাচল শুরু হয়। এতে স্বস্তি ফিরেছে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ ও যাত্রীদের মাঝে। অন্যদিকে ৩১ ঘন্টা বন্ধ থাকার পর মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি ও লঞ্চসহ সবধরনের নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকায় লঞ্চের যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। এ রুটে ছোট-বড় ১৪টি ফেরি ও ৩৩টি লঞ্চ চলাচল করছে। এদিকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া উভয় ঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ৪ শতাধিক ছোট-বড় পণ্যবাহী ট্রাক।
পানির নিচে কক্সবাজারের ৩৫ গ্রাম
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে কক্সবাজার জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ঝড়ো বৃষ্টি ও সাগরে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হওয়ায় তলিয়ে গেছে ৩৫টি গ্রাম। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে অনেকেই অন্যত্র চলে যাচ্ছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের বড় শুটকি মহালও। ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে সাগর উত্তাল রয়েছে। এতে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও মাঝে মাঝে প্রচণ্ড বাতাস ও ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। কক্সবাজার শহরের সমুদ্র তীরবর্তী উপকূল এলাকা কুতুবদিয়াপাড়া। জোয়ারের পানিতে এই এলাকা প্লাবিত হওয়ায় নৌকা যোগে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাচ্ছেন লোকজন। শুধু এ এলাকা নয় তার পাশাপাশি প্লাবিত হয়েছে সমিতি পাড়া, নাজিরারটেক, ফদনারডেইল ও বাসিন্নাপাড়া। বাড়ি ঘর ডুবে যাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের লোকজন চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বলে জানালেন,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের বৃহৎ শুটকি মহলও। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, ৮ উপজেলার উপকূল থেকে প্রায় ৫৬ হাজার মানুষকে সরিয়ে আনা হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ, মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা, মাতারবাড়ি, কুতুবদিয়া ও পেকুয়া উপজেলার ৩০টির বেশি গ্রাম জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে।
রোববার থেকে সারাদেশের নৌ যোগাযোগ শুরু: বিআইডব্লিউটিএ
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীকাল রোববার (৫ মে) সারাদেশে নৌ চলাচল শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক আলমগীর কবীর। শনিবার (৪ মে) ঘূর্ণিঝড় ফণী বাংলাদেশ অতিক্রম করার পর গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান তিনি। শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়রের প্রভাবে বৃহস্পতিবার (২ মে) রাত থেকেই সারাদেশের সাথে বন্ধ ছিল ঢাকার নৌ যোগাযোগ। এতে ভোগান্তিতে পড়েন লাখ লাখ যাত্রী। আলমগীর কবীর জানান, ফণীর কারণে বড় কোনো দুর্যোগ না হবার আশায় রোববার সকাল ১০টা থেকেই পুনরায় সদরঘাট নৌ-বন্দর থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দিকে লঞ্চ ছেড়ে যাবে।
ফণীর প্রভাবে সারাদেশে নিহত ১৩
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে এরই মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাতক্ষীরা, যশোর ও খুলনা অঞ্চল এবং এদের পাশ্ববর্তী এলাকায় আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টি।এর আগে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড় ভারতের ওড়িশায় আঘাত হেনে লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে সেখানকার উপকূল এলাকা পুরী, গোপালপুরসহ বিভিন্ন জনপদ।এরপর কলকাতায় আঘাত হানে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টি। সেখান থেকে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হয় ফণী। তবে এরই মধ্যে এর গতি অনেকটা কমে গেছে। ওড়িশায় আঘাত হানার সময় এর গতি ছিল ঘণ্টায় ২০০ থেকে ২১০ কিলোমিটার।আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানার সময় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কি. মি. এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬২ কি. মি. যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কি. মি. পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিকে শুক্রবার রাত থেকেই ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাব পড়তে থাকে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে। এরই মধ্যে পটুয়াখালী, বরগুনায় বাধ ভেঙে প্লাবিত হয়েছে অনেক গ্রাম।আর সারাদেশে বজ্রপাত ও ঝড়ের তাণ্ডবে ঘর চাপা পড়ে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত হয়েছে অন্তত ১৩ জন।এর মধ্যে নোয়াখালীতে ঘর চাপা পড়ে ১ জন নিহত হয়েছেন; আহত হয়েছেন অন্তত ৩০।বরগুনার পাথরঘাটায় খলিফার হাটে ঘর চাপা পরে ২ জন নিহত হয়েছেন।বাগেরহাটের থানপুরে গাছের ডাল পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ো হাওয়ার দরুণ বজ্রপাতে কিশোরগঞ্জে ৬, নেত্রকোণায় ২ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ জনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বরগুনার পাথরঘাটায় দাদি ও নাতির মৃত্যু
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:বরগুনার পাথরঘাটায় ঘূর্ণিঝড় ফণীর আঘাতে ঘরচাপা পড়ে দাদি ও নাতির মৃত্যু হয়েছে। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও একজন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ চরদুয়ানি বাধঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- দাদি নূরজাহান (৬০) ও নাতি জাহিদুল (৮)। আর আহত হলেন- মোহাম্মদ ইউনুস।স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সাহিন মিয়া জানান, চরদুয়ানি বাধঘাটা এলাকায় মৃত আব্দুল বারেক মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ ইব্রাহিম মিয়া তার পরিবার নিয়ে বসতঘরে অবস্থান করছিলেন। সন্ধ্যা থেকে পাথরঘাটা উপকূলীয় এলাকায় দমকা হাওয়ায় প্রভাব শুরু হলে রাত ২টার দিকে হঠাৎ ফণী টর্নেডোর রুপ নিলে ৫০টির মতো ঘর ভেঙ্গে পড়ে যায়। এ সময় চাপা পড়ে ইব্রাহিমের মা নূরজাহান ও ছেলে জাহিদুল ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ ঘটনায় পার্শ্ববর্তী ঘরের মোহাম্মদ ইউনুস গুরুতর আহত হন।স্থানীয় সিপিপি টিম লিডার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ জানান, তাদেরকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে বললেও তারা তাদের কথা গুরুত্ব না দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।
নোয়াখালীতে নিহত ১
৪মে,শনিবার,অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:নোয়াখালীর সদর ও উপকূলীয় উপজেলা সূর্বণচরে ঘূর্ণিঝড় ফনির প্রভাবে শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।শনিবার ভোর রাতে সুবর্ণচরে ঝড়ে ঘরের মধ্যে চাপা পড়ে চর আমানউল্লাপুর ইউনিয়নে এক শিশু নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন। বিষয়টি জানান স্থানীয় চেয়ারম্যান ও স্থানীয়রা। নিহত শিশুর নাম ইসমাইল হোসেন (২)। তার পিতার নাম আবদুর রহমান।স্থানীয়রা জানান, এলাকায় এখনো ঝড়ো বাতাস বইছে।এদিকে ঘূর্ণিঝড় ফনির প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।ইতিমধ্যে দেশের দুই সমুদ্রবন্দর মোংলা ও পায়রা বন্দরকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।ঘূর্ণিঝড় ফনির প্রভাবে বজ্রপাতে কিশোরগঞ্জ জেলার তিন উপজেলায় এক শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া ব্রাক্ষণবাড়িয়ায় ১ জন ও নেত্রকোনায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বজ্রপাতে দিনে মারা গেছে ৬ জন
৩ মে শুক্রবার, অনলাইন ডেক্স,নিউজ একাত্তর ডট কম:কিশোরগঞ্জে বজ্রপাতে একই দিনে মারা গেছে ছয়জন। আজ শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলার পাকুন্দিয়ায় তিনজন, মিঠামইনে দুইজন ও ইটনায় একজন নিহত হয়েছেন।নিহতরা হলেন, পাকুন্দিয়ার আসাদ মিয়া(৪৫), মুজিবুর রহমান(৩৫) নুরুন নাহার(৩২), মিঠামইনের মহিউদ্দিন(২২), সুমন মিয়া (৭) এবং ইটনার রুবেল দাস (২৬)।পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামে আসাদ মিয়া নামে এক কৃষক নিজ বাড়ির সামনের জমিতে গরুর জন্য ঘাস কাটছিলেন। বৃষ্টিপাতের সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই আসাদ মিয়া নিহত হন। নিহত আসাদ মিয়া কোষাকান্দা গ্রামের মৃত আয়েছ আলীর ছেলে।ওসি ইলিয়াস আরো জানান, বিকেল সাড়ে চারটায় পাকুন্দিয়ার চর পাড়াদি ইউনিয়নের চর আলগি গ্রামে বজ্রপাতের শিকার হয়ে মুজিবুর রহমান এবং নুরুন নাহার মারা যান। মুজিবুর মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে নিহত হন। অন্যদিকে ধান ভাঙাতে যাওয়ার সময় বৃষ্টির মুখে পড়ে গাছতলায় আশ্রয় নিয়েছিলেন নুরুন নাহার। বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি।দুপুর একটার দিকে মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কুড়ারকান্দি গ্রামের হাওরে বৃষ্টিপাতের মধ্যে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন মিয়া নামে সাত বছরের এক শিশু নিহত হয়। এ সময় শিশুটির আনতে যাওয়া ষাঁড় বাছুরটিও বজ্রপাতে মারা যায়। এছাড়া বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রামের নিকটবর্তী হাওরের জমিতে বোরো ধান কাটার সময় বজ্রপাতে মহিউদ্দিন নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।মিঠামইন থানার ওসি মো. জাকির রাব্বানী জানান, নিহত সুমন মিয়া উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কুড়ারকান্দি গ্রামের এবাদ মিয়ার ছেলে এবং নিহত মহিউদ্দিন উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রামের মো. গোলাপ মিয়ার ছেলে।ইটনা থানার ওসি মোহাম্মদ মুর্শেদ জামান জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কাঠুইর গ্রাম সংলগ্ন হাওরে রুবেল দাস (২৬) নামে এক যুবক জমিতে ধান কাটা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় আচমকা বৃষ্টিপাত শুরু হয় এবং সংঘটিত বজ্রপাতে রুবেল দাস গুরুতর আহত হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রুবেল দাস কাঠুইর গ্রামের রাকেশ দাসের ছেলে।